মেডিসিন সমাচার by ডা:আশিক

মেডিসিন সমাচার by ডা:আশিক MBBS,BCS(Helath), FCPS(Internal Medicine) Final Part, MACP(USA), CCD(BIRDEM)

15/10/2026

ডেঙ্গুতে মা*রা যাওয়া রোগীদের ৩৫ ভাগ হাসপাতালে ভর্তির আগেই পেইনকিলার বা ব্যথানাশক ওষুধ খেয়েছেন। এই রোগে পেইনকিলার খেলে রোগীর বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

ডেঙ্গু হলে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা: মো : আশিক মৃধা
এমবিবিএস, বিসিএস,এফসিপিএস(মেডিসিন) শেষ পর্ব
এমএসিপি(আমেরিকা), সিসিডি (ডায়াবেটিস)

চেম্বার : ইসলামিয়া সেন্ট্রাল হসপিটাল, উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ |
সময়: প্রতি শুক্রবার সকাল ৯-৫ টা পরযন্ত

 # #ডেংগু রোগীকে কখন হাসপাতালে ভর্তি করবেন? নিম্নোক্ত লক্ষনগুলোকে ডেংগু রোগীর বিপজ্জনক লক্ষন বা Warning Sign বলে | ।ডেঙ্...
03/10/2026

# #ডেংগু রোগীকে কখন হাসপাতালে ভর্তি করবেন?

নিম্নোক্ত লক্ষনগুলোকে ডেংগু রোগীর বিপজ্জনক লক্ষন বা Warning Sign বলে |
।ডেঙ্গুতে warning signs দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে—বিশেষ করে জ্বর কমে যাওয়ার সময় (সাধারণত ৩–৭ দিনের মধ্যে)।
🚨 ডেঙ্গুর Warning Signs

তীব্র/অবিরাম পেট ব্যথা বা পেটে চাপ দিলে ব্যথা
বারবার বমি
নাক/মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, বমি বা পায়খানায় রক্ত
খুব দুর্বল, অস্থির বা ঘুমঘুম/অস্বাভাবিক আচরণ
শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাস
প্রস্রাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া
ঠান্ডা/ফ্যাকাশে ও স্যাঁতসেঁতে হাত-পা
পেট ফুলে যাওয়া
জ্বর কমার পর হঠাৎ অবস্থার অবনতি
এগুলোর যেকোনোটি থাকলে বাড়িতে অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।
💊 ডেঙ্গুতে কোন ওষুধ এড়িয়ে চলবেন
নিজে থেকে খাবেন না:
Aspirin
Ibuprofen
Naproxen
Diclofenac
Ketorolac এবং অন্যান্য NSAID ব্যথার ওষুধ
এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
জ্বর/ব্যথার জন্য সাধারণত Paracetamol ব্যবহার করা হয়, তবে বয়স/ওজন অনুযায়ী সঠিক ডোজ মেনে এবং অতিরিক্ত না খেয়ে। Antibiotic ডেঙ্গুর চিকিৎসা নয়, চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে তবেই নিতে হবে।
পানি/ওআরএস ও অন্যান্য তরল পর্যাপ্ত পরিমাণে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তবে বমি হচ্ছে বা warning sign থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

23/09/2026
23/09/2026

গলার সাম্নে এরকম ফুলে গেলে অবহেলা নয় |হতে পারে গলগণ্ড অথবা থাইরয়েডের টিউমার |অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন |আমার সম্মানিত রোগীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি |(রোগীর অনুমতি নিয়ে সচেতনতার উদ্দেশ্যে ভিডিও নেয়া)



16/09/2026

আমার এই রোগী আসছিলেন ২ সপ্তাহের জ্বর, বুক ভারী লাগা নিয়ে |রোগীর মামার টিবি বা যক্ষা রোগ আছে,এবং তার সাথে রোগীর সাক্ষাতের ইতিহাস আছে | আমরা পরবর্তীত বুকের এক্সরে করে দেখি তার ফুসফুসে পানি জমেছে |পানির রং স্ট্র বা খড় কালারের আমরা তার পানি বের করে পরীক্ষার জন্য পাঠাই | আলহামদুলিল্লাহ রোগী এখন অনেকটাই সুস্থ আছে |কাজেই জরের সাথে বুকে ব্যথা বা বুক ভারী লাগাকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন |ধন্যবাদ সবাইকে |

------ডাঃ মোঃ আশিক মৃধাএম.বি.বি.এস (রাজ), বিসিএস (স্বাস্থ্য)এফসিপিএস (ইন্টারনাল মেডিসিন) - ফাইনাল পার্টএমএসিপি (ইউএসএ), ...
10/09/2026

------ডাঃ মোঃ আশিক মৃধা
এম.বি.বি.এস (রাজ), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস (ইন্টারনাল মেডিসিন) - ফাইনাল পার্ট
এমএসিপি (ইউএসএ), সিসিডি (বারডেম, ডায়াবেটিস)
সহকারী রেজিস্ট্রার (মেডিসিন)
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গাজীপুর, ঢাকা |

​যেসব রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয় :

​ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোনজনিত সমস্যা

​উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোক ঝুঁকি মূল্যায়ন,বুক ধরফর,বুক ভারী লাগা,

​দীর্ঘমেয়াদী জ্বর,বাতজর,

নিউমোনিয়া, অ্যাজমা ও বক্ষব্যাধি,শাসকষ্ট,

​গ্যাস্ট্রিক, লিভার ও পেটের রোগ,আইবিএস,

​বাতের ব্যথা, বিভিন্ন প্রকার বাত রোগ বা ব্যাথা, মাথা ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতসহ মেডিসিনের যেকোন সমস্যার |

যাদের ফি নেয়া হয়না:
নিজ গ্রামের যেকোন বাসিন্দার
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের, কুরআনের হাফেজ,মসজিদের ইমাম, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ, প্রতিবন্ধী সন্তানের |

​রোগী দেখার সময় ও স্থান:
​চেম্বার: ইসলামিয়া সেন্ট্রাল হসপিটাল, উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ ]
​সময়: [প্রতি শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত
​সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: [01719633294

09/09/2026

ডেংগু হলে কি করবেন? ডেংগু কি? চিকিৎসা কি? করনীয় কি? বিস্তারিত পড়ে দেখুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন ::

ডেঙ্গু হলো এডিস মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন, তবে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত প্লাজমা লিকেজ, রক্তক্ষরণ, শক এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জটিলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে জ্বর কমে যাওয়ার সময়টিকে নিরাপদ মনে করা যাবে না—এই সময়েই অনেক রোগী Critical Phase বা সংকটকালীন পর্যায়ে প্রবেশ করেন। বাংলাদেশের জাতীয় গাইডলাইনেও জ্বর কমে যাওয়াকে একা সুস্থতার লক্ষণ হিসেবে না দেখতে বলা হয়েছে।

১. ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণ

ডেঙ্গুর ইনকিউবেশন পিরিয়ড সাধারণত ৪–৭ দিন। এরপর রোগীর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

প্রধান লক্ষণগুলো হলো—

- হঠাৎ উচ্চমাত্রার জ্বর, সাধারণত ১০২–১০৪°F পর্যন্ত
- প্রচণ্ড মাথাব্যথা
- চোখের পেছনে ব্যথা
- শরীর, মাংসপেশি ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা
- প্রচণ্ড দুর্বলতা ও অবসাদ
- বমি বমি ভাব বা বমি
- ক্ষুধামন্দা
- ত্বকে লালচে/ম্যাকুলোপ্যাপুলার র‍্যাশ
- গলা ব্যথা বা চোখ লাল হওয়া
- কখনও পাতলা পায়খানা
- নাক বা মাড়ি দিয়ে সামান্য রক্তপাত
- মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত
- CBC-তে WBC কমে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে platelet কমে যেতে পারে।

জাতীয় গাইডলাইন অনুযায়ী ডেঙ্গুর জ্বর সাধারণত ২–৭ দিন স্থায়ী হতে পারে।

---

২. ডেঙ্গুর তিনটি প্রধান পর্যায়

ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল কোর্সকে প্রধানত তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়—

১. Febrile Phase — জ্বরের পর্যায়

২. Critical Phase — সংকটকাল/প্লাজমা লিকেজের পর্যায়

৩. Convalescent/Recovery Phase — সুস্থতার পর্যায়

কিছু রোগীর ক্ষেত্রে Critical Phase-এর পর একটি Equilibrium Phase দেখা যেতে পারে।

---

৩. Febrile Phase — জ্বরের পর্যায়

এটি সাধারণত রোগের প্রথম পর্যায়। প্রায় ৩–৫ দিন উচ্চ জ্বর থাকতে পারে।

এই সময়ে দেখা যেতে পারে—

- উচ্চ জ্বর
- মাথাব্যথা
- চোখের পেছনে ব্যথা
- শরীর ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা
- বমি বা বমি ভাব
- র‍্যাশ
- দুর্বলতা
- কখনও সামান্য রক্তপাত
- WBC কমে যাওয়া
- পরবর্তী সময়ে platelet কমতে শুরু করা।

এই পর্যায়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ এবং রোগীকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা।

---

৪. Critical Phase — সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়

ডেঙ্গুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায় হলো Critical Phase।

সাধারণত জ্বর শুরু হওয়ার ৩য় দিনের পর, বিশেষ করে ৪র্থ–৫ম দিনের দিকে, জ্বর কমার সময় এই পর্যায় শুরু হতে পারে। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে একই সময় হবে না।

এই পর্যায়ে রক্তনালির ভেতর থেকে প্লাজমা বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে, যাকে Plasma Leakage বলা হয়। এর ফলে—

- রক্তের ঘনত্ব বাড়ে
- রক্তচাপ কমতে পারে
- শরীরে পানি জমতে পারে
- ফুসফুসের চারপাশে পানি জমতে পারে
- পেটে পানি জমতে পারে
- গুরুতর অবস্থায় Dengue Shock হতে পারে।

প্লাজমা লিকেজ সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

“জ্বর কমে গেছে, তাই রোগী ভালো হয়ে গেছে”—এই ধারণা ভুল।

বরং জ্বর কমার সময় যদি রোগীর—

- পেট ব্যথা
- বারবার বমি
- প্রস্রাব কমে যাওয়া
- রক্তপাত
- অস্থিরতা/অতিরিক্ত ঘুম
- শ্বাসকষ্ট
- হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া

ইত্যাদি দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

---

৫. Warning Signs — বিপদের লক্ষণ

নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে হাসপাতালে মূল্যায়ন ও প্রয়োজন হলে ভর্তি করতে হবে—

🚨 প্রধান Warning Signs

- প্রচণ্ড বা ক্রমাগত পেট ব্যথা
- পেটে চাপ দিলে ব্যথা
- বারবার বমি
- মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্তপাত
- অতিরিক্ত মাসিক/যোনিপথে রক্তপাত
- রক্তবমি
- কালো পায়খানা
- প্রস্রাবে দৃশ্যমান রক্ত
- অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব, অস্থিরতা বা আচরণে পরিবর্তন
- শ্বাসকষ্ট
- পেটে/বুকে পানি জমার লক্ষণ
- লিভার বড় হয়ে যাওয়া
- প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া
- জ্বর কমে যাওয়ার পর রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি
- Hematocrit/PCV ক্রমাগত বেড়ে যাওয়া।

জাতীয় গাইডলাইন অনুযায়ী অন্তত একটি Warning Sign থাকলে রোগীকে উচ্চঝুঁকির হিসেবে বিবেচনা করে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণ/চিকিৎসা প্রয়োজন।

---

৬. Recovery/Convalescent Phase — সুস্থতার পর্যায়

Critical Phase পার হওয়ার পর প্লাজমা আবার রক্তনালির মধ্যে ফিরে আসে এবং রোগী ধীরে ধীরে সুস্থ হতে শুরু করেন।

সুস্থতার লক্ষণ—

- রক্তচাপ ও পালস স্থিতিশীল হওয়া
- প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া
- ক্ষুধা ফিরে আসা
- দুর্বলতা কমে আসা
- Warning Sign কমে যাওয়া
- স্বাভাবিকভাবে পানি/খাবার গ্রহণ করতে পারা।

এই পর্যায়ে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে না যায়—সেটিও খেয়াল রাখা জরুরি।

---

৭. ডেঙ্গুর চিকিৎসা কী?

ডেঙ্গুর জন্য বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট antiviral ওষুধ নেই। চিকিৎসার মূল ভিত্তি হলো—

Supportive Treatment + পর্যাপ্ত তরল + নিয়মিত পর্যবেক্ষণ + জটিলতা দ্রুত শনাক্ত করা।

বাড়িতে চিকিৎসা করা যেতে পারে কখন?

যেসব রোগীর—

- Warning Sign নেই
- পর্যাপ্ত পানি/তরল খেতে পারেন
- স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব হচ্ছে
- গুরুতর অন্য কোনো রোগ নেই
- নিয়মিত চিকিৎসকের follow-up সম্ভব

তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতে পর্যবেক্ষণে রাখা যেতে পারে।

---

৮. বাড়িতে ডেঙ্গু রোগীর করণীয়

💧 পর্যাপ্ত তরল

তরল গ্রহণ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

খেতে পারেন—

- ORS
- ডাবের পানি
- স্যুপ
- ফলের রস
- অন্যান্য electrolyte-containing fluids

শুধু সাধারণ পানি না খেয়ে বিভিন্ন ধরনের তরল গ্রহণ করা ভালো।

জাতীয় গাইডলাইনে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গড়ে প্রায় ২,৪০০ mL/২৪ ঘণ্টা তরল গ্রহণের কথা বলা হয়েছে; ৫০ কেজির কম ওজনের ক্ষেত্রে প্রায় ২ mL/kg/hour হিসেবে তরল দেওয়ার কথা উল্লেখ আছে—তবে হৃদ্‌যন্ত্র/কিডনির রোগ বা অন্য বিশেষ পরিস্থিতিতে তরলের পরিমাণ চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

🚽 প্রস্রাব পর্যবেক্ষণ

প্রতি ৩–৪ ঘণ্টায় প্রস্রাব হচ্ছে কি না খেয়াল করতে হবে।

প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

🛌 বিশ্রাম

পর্যাপ্ত শারীরিক বিশ্রাম নিতে হবে এবং মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার করা উচিত।

---

৯. জ্বরের জন্য কোন ওষুধ?

জাতীয় গাইডলাইন অনুযায়ী জ্বর ও ব্যথার জন্য Paracetamol ব্যবহার করা যায়।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩ গ্রাম অতিক্রম করা উচিত নয়।

শিশুদের ক্ষেত্রে 15 mg/kg/dose, সর্বোচ্চ 60 mg/kg/24 ঘণ্টা।

জ্বর বেশি হলে tepid sponging/কুসুম গরম পানিতে শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে।

❌ যেসব ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে

ডেঙ্গুতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না—

- Aspirin
- Ibuprofen
- Diclofenac
- Naproxen
- অন্যান্য NSAID
- Steroid

কারণ এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। জাতীয় গাইডলাইন NSAID ও steroid এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে Aspirin, Clopidogrel, Warfarin ইত্যাদি খেলে নিজে থেকে বন্ধ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, কারণ এগুলো অন্য রোগের জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে।

---

১০. Antibiotic কি লাগে?

সাধারণ ডেঙ্গু ভাইরাসের চিকিৎসায় রুটিনভাবে antibiotic প্রয়োজন নেই।

ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের আলাদা প্রমাণ থাকলে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী antibiotic দিতে পারেন। জাতীয় গাইডলাইনও dengue syndrome-এর জন্য অকারণে antibiotic না দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

---

১১. Platelet কমলেই কি Platelet দিতে হয়?

না।

শুধু platelet count কমেছে—এই কারণে অটোমেটিক platelet transfusion দেওয়ার নিয়ম নেই।

রক্তপাতের ধরন, Hematocrit, vital signs এবং রোগীর সামগ্রিক clinical condition বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন। অপ্রয়োজনে platelet বা blood transfusion দেওয়ার ব্যাপারে জাতীয় গাইডলাইন সতর্ক করেছে।

---

১২. কোন কোন পরীক্ষা করা হয়?

রোগীর অবস্থা ও অসুস্থতার দিনের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসক সাধারণত—

- CBC
- Hematocrit/PCV
- Platelet count
- Dengue NS1
- Dengue IgM/IgG
- SGPT/ALT
- SGOT/AST
- প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য biochemical ও coagulation tests

করতে পারেন।

বাড়িতে থাকা রোগীর ক্ষেত্রে জাতীয় গাইডলাইন অনুযায়ী সাধারণত অসুস্থতার ৩য় দিনের শুরু থেকে CBC করা এবং clinical condition অনুযায়ী নিয়মিত follow-up করার কথা বলা হয়েছে।

মনে রাখতে হবে: শুধু platelet count দিয়ে ডেঙ্গুর severity নির্ধারণ করা যায় না। রোগীর vital signs, urine output, bleeding, Hematocrit এবং সামগ্রিক clinical condition অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

---

১৩. কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?

নিচের যেকোনো একটি দেখা দিলে অপেক্ষা না করে হাসপাতালে যান—

🚨 জ্বর কমার পর রোগী আরও দুর্বল/অসুস্থ হয়ে পড়ছে
🚨 প্রচণ্ড পেট ব্যথা
🚨 বারবার বমি
🚨 পানি/ORS খেতে পারছে না
🚨 নাক-মাড়ি দিয়ে রক্ত
🚨 রক্তবমি
🚨 কালো পায়খানা
🚨 অতিরিক্ত মাসিক/যোনিপথে রক্তপাত
🚨 প্রস্রাব অনেক কমে গেছে
🚨 হাত-পা ঠান্ডা ও স্যাঁতসেঁতে
🚨 শ্বাসকষ্ট
🚨 অতিরিক্ত ঘুম, অস্থিরতা বা আচরণ পরিবর্তন
🚨 মাথা ঘোরা/অজ্ঞান হওয়ার মতো অবস্থা।

জাতীয় গাইডলাইন এসব অবস্থায় দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন/হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেয়।

---

১৪. কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?

নিচের রোগীদের ডেঙ্গু হলে তুলনামূলকভাবে বেশি সতর্কতা ও অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে—

- গর্ভবতী নারী
- শিশু, বিশেষ করে খুব কম বয়সী শিশু
- বয়স্ক ব্যক্তি
- স্থূলতা
- Diabetes
- Hypertension
- Kidney disease
- Chronic liver disease
- Heart disease
- রক্তের দীর্ঘমেয়াদি রোগ
- Anticoagulant/antiplatelet ওষুধ গ্রহণকারী
- যাদের বাড়ি থেকে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া কঠিন।

জাতীয় গাইডলাইন এসব রোগীকে high-risk group হিসেবে বিশেষভাবে বিবেচনা করতে বলেছে।

---

১৫. ডেঙ্গু রোগীর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি কথা

১️⃣ জ্বর কমলেই রোগী ভালো—এমন ভাববেন না।

জ্বর কমার সময়ই Critical Phase শুরু হতে পারে।

২️⃣ Platelet একাই রোগীর অবস্থা নির্ধারণ করে না।

রোগীর vital signs, urine output, bleeding ও Hematocrit অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩️⃣ পানি/তরল গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে অতিরিক্ত IV fluid নিজে থেকে নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

৪️⃣ Aspirin/NSAID/স্টেরয়েড এড়িয়ে চলুন।

জ্বরের জন্য Paracetamol ব্যবহার করা হয়।

৫️⃣ Warning Sign দেখা দিলে বাড়িতে অপেক্ষা করবেন না।

দ্রুত হাসপাতালে যান।

-

08/09/2026

আমার এই রোগী ২ দিন হল মুখ বেকে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে এসেছেন |তার কথা আটকে যাওয়া,বা শরীরের কোন পাশ অবশ হয়ে যাওয়ার হিস্ট্রি নেই |তাকে শারীরিক কিছু পরীক্ষা করেই
(ভিডিওতে সংযুক্ত) আমরা নিশ্চিত হলাম এটা ব্রেইন স্ট্রোক নই | এই রোগের নাম বেলস পলসি (Bells Palsey) |আমরা তাকে সাপোর্টিভ চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেই | কাজেই মুখ বেকে যাওয়া মানেই স্ট্রোক না,অযথা আতংকিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন | নিউরোমেডিসিনসহ মেডিসিনের যেকোন সমস্যার জন্য পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করতে
পারেন

চেম্বার : ইসলামীয়া ইসলামিয়া সেন্ট্রাল হসপিটাল,উল্লাপাড়া , সিরাজগঞ্জ

সময়: প্রতি শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত |
NB: This video has captured with the permission of the patient .

Address

Ullapara
Sirajganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মেডিসিন সমাচার by ডা:আশিক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share