Hakim Jamil Ahmad

Hakim Jamil Ahmad মানব সেবাই সর্বোত্তম ব্যস্ততা

22/04/2026
22/04/2026

মরমী_গান____Moroner_Kotodin_Baki____মরণের_কত_দিন_বাকি____Akram_bin_Bahar____

22/04/2026
অনেকেই ফোন করে জনাব মৌলানা আব্দুল হাই (নয়াগ্রামী), সুরইঘাট বাজার, কানাইঘাট, সিলেট—যিনি সবার পরিচিত মুখ এবং একজন প্রবীণ হ...
17/03/2026

অনেকেই ফোন করে জনাব মৌলানা আব্দুল হাই (নয়াগ্রামী), সুরইঘাট বাজার, কানাইঘাট, সিলেট—যিনি সবার পরিচিত মুখ এবং একজন প্রবীণ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাক্টিশনার—তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন।
আজ আমি নিজে তাঁর চিকিৎসক প্রফেসর ডা. বিদিত রঞ্জন দেব স্যারের সাথে কথা বলে যতটুকু নিশ্চিত হয়েছি, তা নিচে তুলে ধরছি—
১। ব্রেইন স্ট্রোক হওয়ার পর প্রথম ৭২ ঘন্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। আলহামদুলিল্লাহ, জনাব মৌলানা আব্দুল হাই সাহেব আক্রান্ত হওয়ার প্রায় ২.৫ ঘন্টার মধ্যেই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসা শুরু করতে পেরেছেন। ফলে বর্তমানে তিনি ঝুঁকিমুক্ত অবস্থায় রয়েছেন। আক্রান্ত হওয়ার দ্বিতীয় দিন থেকেই তাঁর কিছুটা উন্নতি লক্ষণীয়—যেমন, আক্রান্ত পাশ আগের তুলনায় কিছুটা সক্রিয় হয়েছে এবং কথাবার্তাও অনেকটা পরিষ্কার হয়েছে।
২। এই রোগটি সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে— (ক) রক্ত জমাট বেঁধে মস্তিষ্কের রক্তনালী ব্লক হয়ে যাওয়া (ইসকেমিক স্ট্রোক)
(খ) রক্তনালী ফেটে গিয়ে মস্তিষষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়া (হেমোরেজিক স্ট্রোক)
তাঁর ক্ষেত্রে প্রথম ধরনের (রক্তনালী ব্লক) স্ট্রোক হয়েছে। চিকিৎসকগণ জানিয়েছেন, এ ধরনের ব্লক স্বাভাবিকভাবে ক্লিয়ার হতে প্রায় ৯৬ ঘণ্টা সময় লাগে। ইতোমধ্যে প্রায় ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, বাকি সময়ের মধ্যেই এটি সম্পূর্ণভাবে সেরে উঠবে।
এছাড়াও, থেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত থেরাপি এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে, ইনশাআল্লাহ তিন মাসের মধ্যেই তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন।
বর্তমানে হুজুর সিলেট শহরের সোবহানীঘাটে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক এন্ড মেডিকেল সেন্টারের ৭ম তলায় ৭১১ নং কেবিনে, সিলেটের বরণীয় মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর বিদিত রঞ্জন দেব স্যারের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উনার অন্যান্য সকল পরীক্ষার রিপোর্টেও কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি। আলহামদুলিল্লাহ।
সকলের নিকট হুজুরের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়ার দরখাস্ত রইলো।

🌿 শীঘ্রই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে 🌿চর্ম ও যৌন রোগের বিশেষায়িত “চ্যালেঞ্জিং সমাধান” বিভাগThe Holistic Healthcare & Hijama Cente...
02/03/2026

🌿 শীঘ্রই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে 🌿

চর্ম ও যৌন রোগের বিশেষায়িত “চ্যালেঞ্জিং সমাধান” বিভাগ

The Holistic Healthcare & Hijama Center
(চ্যালেঞ্জিং শাখা)

আমাদের এই নতুন বিভাগে অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে
সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত, নিরাপদ ও প্রাকৃতিক (ন্যাচারাল ও ইউনানি) চিকিৎসা পদ্ধতিতে
দীর্ঘদিনের জটিল ও গোপনীয় রোগসমূহের যত্নশীল সমাধান প্রদান করা হবে।

যে সকল রোগের উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হয়—

• দাউদ ও একজিমা
• খোসপাঁচড়া (স্ক্যাবিস)
• পচন, দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত ও ঘা
• আর্টিকারিয়া ও ডার্মাটাইটিস
• অন্যান্য জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের রোগ
• অর্শ, গেজ ও ফিস্টুলা
• পায়খানায় রক্তপাত
• যৌন দুর্বলতা ও ধাতুক্ষয়
• মহিলাদের সাদাস্রাব
• অনিয়মিত মাসিক
• গর্ভধারণে সমস্যা

আমাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য—

✔ অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা
✔ সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়
✔ রোগ অনুযায়ী ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা পরিকল্পনা
✔ নিয়মিত ফলো-আপ ও পরামর্শ সুবিধা
✔ প্রাকৃতিক, নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

আপনার সুস্বাস্থ্য ও আস্থাই আমাদের অঙ্গীকার।

যোগাযোগের ঠিকানা:
দি হলিস্টিক হেলথকেয়ার এন্ড হিজামা সেন্টার (চ্যালেঞ্জিং শাখা)
সুরইঘাট বাজার, কানাইঘাট, সিলেট।
যোগাযোগ
প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত

+8809696375075
+8801321159695

02/03/2026

🌿 শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে 🌿

চর্ম ও যৌন রোগের বিশেষায়িত “চ্যালেঞ্জিং সমাধান” বিভাগ

The Holistic Healthcare & Hijama Center
(চ্যালেঞ্জিং শাখা)

আমাদের এই নতুন বিভাগে অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে
সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত, নিরাপদ ও প্রাকৃতিক (ন্যাচারাল ও ইউনানি) চিকিৎসা পদ্ধতিতে
দীর্ঘদিনের জটিল ও গোপনীয় রোগসমূহের যত্নশীল সমাধান প্রদান করা হবে।

যে সকল রোগের চ্যালেঞ্জিং ও উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হয়—

• দাদ ও একজিমা
• খোসপাঁচড়া (স্ক্যাবিস)
• পচন, দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত ও ঘা
• আর্টিকারিয়া ও ডার্মাটাইটিস
• অন্যান্য জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের রোগ
• অর্শ, গেজ ও ফিস্টুলা
• পায়খানায় রক্তপাত
• যৌন দুর্বলতা ও ধাতুক্ষয়
• মহিলাদের সাদাস্রাব
• অনিয়মিত মাসিক
• গর্ভধারণে সমস্যা

আমাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য—

✔ অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা
✔ সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করা হয় ।
✔ রোগ অনুযায়ী ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা পরিকল্পনা।
✔ নিয়মিত ফলো-আপ ও পরামর্শ সুবিধা ।
✔ প্রাকৃতিক, নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা ।

আপনার সুস্বাস্থ্য ও আস্থাই আমাদের অঙ্গীকার।

যোগাযোগের ঠিকানা:
দি হলিস্টিক হেলথকেয়ার এন্ড হিজামা সেন্টার (চ্যলেঞ্জিং শাখা)
সুরইঘাট বাজার, কানাইঘাট, সিলেট।

যোগাযোগ : +8801321159695
+8809696375075

29/12/2025

ডা. পদবি বনাম ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্র
— একটি গবেষণাধর্মী, বিশ্লেষণমূলক ও আত্মসমালোচনামূলক নিবন্ধ

কলমে:
হাকীম মনোওয়ার হোসাইন সোহেল
মনোয়ার মেডিকেল হল
জালালাবাদ হাউস, জিন্দাবাজার, সিলেট

─────────────────────────────

ভূমিকা: ইউনানি চিকিৎসা—একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞান
─────────────────────────────
ইউনানি চিকিৎসা বিজ্ঞান মানবসভ্যতার অন্যতম প্রাচীন ও পরীক্ষিত
চিকিৎসা পদ্ধতি। এটি কোনো লোকাচার বা কুসংস্কারভিত্তিক
চিকিৎসা নয়; বরং মানবদেহ, প্রকৃতি ও পরিবেশের পারস্পরিক
সম্পর্কের উপর প্রতিষ্ঠিত একটি সুসংগঠিত বিজ্ঞান।
মিজাজ, আখলাত (চার রস), অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বভাব ও রোগের
কারণ-কার্য সম্পর্ক: এই সবকিছু মিলেই ইউনানি চিকিৎসার ভিত্তি।

─────────────────────────────
ইতিহাসের আলোকে “ডাক্তার” বনাম “হাকীম”
────────────────────────────
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, হিপোক্রেটিস, জালিনুস কিংবা ইমাম ইবনে
সিনা (রহ.)—কেউই “ডাক্তার” ছিলেন না; তারা ছিলেন “হাকীম”।
“ডাক্তার” শব্দটি আধুনিক ইউরোপীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার ফসল,
যার উদ্ভব ব্রিটিশ শাসনামলে এই উপমহাদেশে ঘটে।
অতএব হাকীম পদবি কোনো কম মর্যাদার নয়; বরং এটি ছিল
চিকিৎসা বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ পরিচয়।

────────────────────────────────────────────
বুদ্ধিবৃত্তিক দ্বৈততা: ইবনে সিনাকে মানি কিন্তু ইউনানিকে নয়!
──────────────────────────
বর্তমান চিকিৎসা অঙ্গনে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যায়।
অনেক অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক ইউনানি চিকিৎসাকে অবৈজ্ঞানিক
বলে দাবি করলেও ইবনে সিনাকে সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসাবিদ হিসেবে
স্বীকার করেন। অথচ তারা অনুধাবন করেন না—ইবনে সিনা
ইউনানি চিকিৎসা ধারারই সর্বোচ্চ প্রতিনিধি।
এই অবস্থান আসলে জ্ঞানের নয়, বরং ধারণাগত বিভ্রান্তির ফল।

─────────────────────────────
ডাক্তার পদবি প্রসঙ্গ: অধিকার না বিভ্রম?
─────────────────────────────
বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় “ডাক্তার” পদবি একটি ক্ষমতা,
সম্মান ও কর্তৃত্বের প্রতীক। ইউনানি চিকিৎসকদের এই পদবি
পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো—
আমরা কি শুধুই পদবি চাই, নাকি চিকিৎসা বিজ্ঞানের পূর্ণ
দায়িত্ব ও দক্ষতাও অর্জন করতে প্রস্তুত?
আইনগত বঞ্চনার পাশাপাশি আত্মসমালোচনার এই জায়গাটিও
আমাদের দেখতে হবে।

─────────────────────────────
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি, মানের অবনতি
────────────────────────────
গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশে বহু ইউনানি ও আয়ুর্বেদ শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। অবকাঠামো, চাকচিক্য ও
প্রাতিষ্ঠানিক বিস্তার ঘটলেও পাঠ্যক্রম, গবেষণা ও
ব্যবহারিক দক্ষতায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি।
শিক্ষা যখন কাগজে সীমাবদ্ধ থাকে, তখন চিকিৎসা
শিল্পে প্রকৃত দক্ষতা জন্মায় না।

─────────────────────────────
ঔষধ শিল্প ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বাস্তবতা
────────────────────────────────────────────
আজ ইউনানি চিকিৎসায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিযোগ ক্রমবর্ধমান।
গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়—এর বেশিরভাগই
প্রকৃত ইউনানি ঔষধের ফল নয়।
বাজারে প্রচলিত বহু তথাকথিত ইউনানি ঔষধ কেমিক্যাল
সংমিশ্রণে তৈরি, যেখানে কমিশননির্ভর বিক্রয় ব্যবস্থা
চিকিৎসাকে পণ্যে পরিণত করেছে।
এর দায় এড়ানোর সুযোগ আমাদের নেই।

─────────────────────────────
ভেষজ জ্ঞানের অবক্ষয় ও আত্মবিস্মৃতি
─────────────────────────────
ইউনানি চিকিৎসার প্রাণ হলো ভেষজ।
কিন্তু আমরা আজ ভেষজ চিনি না, সংগ্রহ করি না,
পরীক্ষা করি না, ওষুধ প্রস্তুত করতে পারি না।
আরও ভয়াবহ হলো যারা প্রকৃতভাবে এই কাজ করতে চান,
তাদের আমরা উৎসাহ না দিয়ে বাধাগ্রস্ত করি।
এটাই আমাদের আত্মবিস্মৃতির সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

─────────────────────────────
নেতৃত্ব সংকট: কে নেতৃত্ব দিচ্ছে ইউনানি চিকিৎসাকে?
─────────────────────────────
যে পেশার নেতৃত্ব সেই পেশার লোকের হাতে না থাকে,
সে পেশা কখনো এগোতে পারে না।
বর্তমানে ইউনানি চিকিৎসার নেতৃত্বে দেখা যায়
ঔষধ কোম্পানির মালিক, অ্যালোপ্যাথিক ও হোমিও
প্র্যাকটিশনার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কিংবা
রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তির আধিক্য।
প্রকৃত ইউনানি হাকীম সেখানে সংখ্যালঘু।

─────────────────────────────
বৈজ্ঞানিক দক্ষতার প্রশ্ন: আমরা কেন পিছিয়ে?
────────────────────────────────────────────
আমরা ডাক্তার শব্দের মর্যাদা চাই,
কিন্তু Anatomy, Physiology, Pathology,
Pharmacology, Biochemistry, Gynecology,
Medicine ও Surgery-এর মতো মৌলিক বিষয়ে
আমাদের দখল কেন এমবিবিএস চিকিৎসকদের সমমানের নয়?
এই প্রশ্নের জবাব আমাদেরই খুঁজতে হবে।
বিজ্ঞান চর্চা ছাড়া কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থাই টিকে থাকে না।

─────────────────────────────
উপসংহার: পথ কোনদিকে?
─────────────────────────────
ইউনানি চিকিৎসার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আত্মসমালোচনা,
শিক্ষা সংস্কার, ভেষজ গবেষণা এবং নৈতিক নেতৃত্বের উপর।
শুধু পদবি নয়, প্রয়োজন যোগ্যতা ও দায়িত্ব।
সত্যকে গ্রহণ করলে তবেই সংস্কার সম্ভব।
ইনশাআল্লাহ, সেই পথেই রয়েছে সম্মান, কল্যাণ ও মুক্তি।

কালেক্ট করেছি আমি Hakim Jamil Ahmad

23/12/2025

ইসলামে বিবাহ সহজ — সমাজ কেন এটাকে কঠিন বানিয়েছে?
(কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি সমাজ সংস্কারমূলক আলোচনা)

বিবাহ ইসলামে শুধু একটি সামাজিক চুক্তি নয়, বরং এটি একটি ইবাদত, একটি সুন্নাহ এবং মানবজীবনের স্বাভাবিক ও পবিত্র প্রয়োজন। আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় এবং বিবাহের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভের ব্যবস্থা করেছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন—
“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই জীবনসঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও।”
(সূরা আর-রূম : ২১)

কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—ইসলাম যেখানে বিবাহকে সহজ করেছে, আমাদের সমাজ সেখানে এটিকে ভয়াবহভাবে কঠিন করে তুলেছে।

--------------------------------------------------
১. সাধ্যাতীত মোহরানা দাবি — ইসলামের পরিপন্থী
--------------------------------------------------

মোহরানা ইসলামে নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার। এটি কোনো মূল্য নয়, কোনো বাণিজ্যও নয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন—
“আর তোমরা নারীদেরকে তাদের মোহরানা সন্তুষ্টচিত্তে প্রদান কর।”
(সূরা নিসা : ৪)

কিন্তু আমাদের সমাজে দেখা যায়—
• ছেলের আর্থিক সামর্থ্যের বাইরে মোহরানা নির্ধারণ
• লোক দেখানোর জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার মোহরানা লেখা
• পরে তা আদায় না করা বা গুরুত্ব না দেওয়া

এটি সরাসরি কুরআনের নির্দেশের লঙ্ঘন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“সবচেয়ে বরকতময় বিবাহ হলো, যে বিবাহে মোহরানা ও খরচ কম হয়।”
(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৪৫২৯)

অতএব, মোহরানা কম হওয়া লজ্জার নয়; বরং তা বরকতের আলামত।

--------------------------------------------------
২. মোহরানা পরিশোধ না করা — গুরুতর গুনাহ
--------------------------------------------------

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়—
মোহরানা কাগজে-কলমে লেখা হলেও বাস্তবে পরিশোধ করা হয় না।
স্বামী এটিকে তুচ্ছ মনে করে।
সমাজও এটিকে বড় অপরাধ হিসেবে দেখে না।

অথচ রাসূল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি কোনো নারীর সঙ্গে মোহরানা দেওয়ার নিয়ত ছাড়া বিবাহ করে, সে ব্যভিচারকারী।”
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৯৫৪)

এটি অত্যন্ত ভয়াবহ হুঁশিয়ারি।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hakim Jamil Ahmad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share