Tridhara Samajik Unnayan Sangstha

Tridhara Samajik Unnayan Sangstha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tridhara Samajik Unnayan Sangstha, Akur Takur Para, TaltolaTangail, Tangail.

This Ramadan pls pls help poor people
21/06/2016

This Ramadan pls pls help poor people

আজ সবাইকে কাঁঠালের স্বাস্থ্য উপকারিতা জানাবো। তার আগে চমকপ্রদ এই ফলটি সম্পর্কে কিছু ধারনা দেয়া দরকার।কাঁঠালের পুষ্টিগুণঃ...
17/06/2016

আজ সবাইকে কাঁঠালের স্বাস্থ্য উপকারিতা জানাবো। তার আগে চমকপ্রদ এই ফলটি সম্পর্কে কিছু ধারনা দেয়া দরকার।
কাঁঠালের পুষ্টিগুণঃ
কাঁঠাল মূলত তুঁত গোত্রীয় উদ্ভিদের অন্তর্গত। কাঁঠালের মিষ্টি ও সুস্বাদু স্বাদের কথাতো সবারই জানা। কাঁচা ও পাকা দুইভাবেই কাঁঠাল খাওয়া যায়।কাঁঠালের স্বাস্থ্য উপকারীতার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে এর পুষ্টিমূল্যের কথা। কাঁঠালে ভিটামিন এ, সি, নায়াসিন, থায়ামিন, রাইবোফ্লোবিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে।
এবার আসা যাক কাঁঠাল কিভাবে খাওয়া হয়।যদি কাঁচা কাঁঠাল অনেক সুস্বাদু উপায়ে রান্না করা সম্ভব। অনেকেই হয়তো জানেন না এটা সঠিক মশলা ও সঠিক উপায়ে রান্না করলে এর স্বাদ মাংসের মতো হয় যা নিরামিষ ভোজীদের জন্য খুব ভালো একটি খাবার হতে পারে। অন্যদিকে পাকা কাঁঠাল সরাসরি খাওয়া ছাড়াও তা জ্যাম, জেলি, ক্যান্ডি, কেক ইত্যাদি বানিয়ে খাওয়া যায়।
এখানে কাঁঠালের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা উল্লেখ করা হলোঃ
শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করাঃ
এটি কাঁঠালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য উপকারিতা। এতে থাকা ভিটামিন সি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে এবং রক্তের শ্বেতকনিকার কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দৃঢ় করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ
কাঁঠালে রয়েছে lignans, saponins ও isoflavones নামক ফাইটোনিউট্রিঅ্যান্ট অর্থাৎ এই পদার্থগুলোতে স্বাস্থ্য রক্ষার গুণাবলী রয়েছে। এই পদার্থগুলোর রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক এবং বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধক ক্ষমতা।
হজমে সাহায্য করেঃ
হজমের ক্ষেত্রে কাঁঠালের অনেক উপকারি ভূমিকা রয়েছে। এর আলসার প্রতিরোধক গুনাগুনের জন্য এটি আলসার প্রতিরোধ করতে পারে এবং হজমের সমস্যা দূর করে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে কাঁঠাল খেলে তা অন্ত্রের চলাচল সহজ করে।
দেহের শক্তি বৃদ্ধি করেঃ
কাঁঠাল দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। কাঁঠালে থাকা ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ চমৎকারভাবে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে রক্তের সুগারের মাত্রা কোন রকম না বাড়িয়েই।
উচ্চ রক্তচাপ কমায়ঃ
এটি পটাশিয়ামের খুব ভাল উৎস হওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
অ্যাজমা প্রতিরোধ করেঃ
কাঁঠালের স্বাস্থ্য উপকারিতার মাঝে রয়েছে অ্যাজমা প্রতিরোধের গুণাবলী। গবেষণায় বলা হয়ে থাকে যদি কাঁঠালের শিকড় এবং এর নির্যাস ফুটিয়ে পানিটা খাওয়া হয় তাহলে অ্যাজমা প্রতিরোধ সম্ভব।
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করেঃ
কাঁঠাল রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে এবং এটি দেহের সর্বত্র রক্ত চলাচলে সাহায্য করে।
থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করেঃ
কাঁঠাল হচ্ছে কপারের একটি খুব ভালো উৎস ফলে এটি থাইরয়েড হরমোনের উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণে ভালো ভূমিকা রাখে। তাই থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে যেকোনো কড়া ঔষধ খাওয়ার আগে কাঁঠাল খেয়ে দেখতে পারেন।
হাড়কে মজবুত করেঃ
কাঁঠালে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম যা ক্যালসিয়াম শোষণ করে। আর ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনকে মজবুত করে এবং হাড়ের বিভিন্ন রোগ যেমন অস্টিওপেরোসিস, আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।
ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখা ও বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধেঃ
ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে কাঁঠালে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আর এতে থাকা পানি ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং মুখের ত্বকের নমনীয়তা বজায় রাখে। যার ফলে অকালে ত্বকে বলিরেখা পরে না।
দৃষ্টিশক্তির উন্নতিঃ
কাঁঠালে ভিটামিন এ থাকার ফলে তা দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত ও শক্তিশালী করে। এছাড়া এটা চোখকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির মতো ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং চোখের ছানি প্রতিরোধ করে।
পাইলস ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলনের বিষাক্ততা পরিষ্কার করে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। আর কাঁঠালে থাকা উচ্চ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে পাইলসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

ওদের ওতো মন আছে, বুকে আশা আছে, স্বপ্ন আছে দুচোখে। কিন্তু, অর্থের আভাবে তা পূরণ হচ্ছে না। আসুন না, সবাই মিলে ওদের কথাও এক...
16/06/2016

ওদের ওতো মন আছে, বুকে আশা আছে, স্বপ্ন আছে দুচোখে। কিন্তু, অর্থের আভাবে তা পূরণ হচ্ছে না। আসুন না, সবাই মিলে ওদের কথাও একটু ভাবি...

এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৬৫ টাকা, সর্বোচ্চ ১৬৫০
15/06/2016

এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৬৫ টাকা, সর্বোচ্চ ১৬৫০

15/06/2016
ট্রাফিক পুলিশ অফিসারের কাজ রাস্তা পরিষ্কার করা নয় । তবে সত্যি কেনো যেনো এইসব সুন্দর দৃশ্য দেখলে খুব অবাক লাগে । মনে হয় এ...
15/06/2016

ট্রাফিক পুলিশ অফিসারের কাজ রাস্তা পরিষ্কার করা নয় । তবে সত্যি কেনো যেনো
এইসব সুন্দর দৃশ্য দেখলে খুব অবাক লাগে ।
মনে হয় এই দেশে স্যালুট করার মতো এখানো ভালো মানুষ আছে"

tsustangail2007@gmail.com                                                          ডিমের সাদা অংশের ব্যবহার? রক্তচাপ কমা...
02/06/2016

[email protected] ডিমের সাদা অংশের ব্যবহার? রক্তচাপ কমাতে
উচ্চরক্ত চাপের অনেক রোগীই ডিম খেতে চান না। তাদের আশংকা, ডিম খেলে রক্তচাপ বাড়বে। কিন্তু এবার গবেষকরা এ বিষয় আশার কথা শুনিয়েছেন, তারা বলছেন ডিমের সাদা অংশ রক্তচাপ বাড়ায় না বরং তা কমাতে সাহায্য করে।
চীনের জিলিন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাইপেং ইউর নেতৃত্বে একটি দল গবেষণা সমীক্ষা চালিয়ে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। উচ্চরক্ত চাপ কমানোর জন্য ক্যাপ্টোপ্রিল নামে একটি ওষুধ ব্যবহার করা হয়। জিলিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলের নেতা জাইপেং বলেন, ডিম সাদা অংশটি হলো পেপটাইড। আর যে সব উপাদান দিয়ে আমিষ তৈরি তার অন্যতম এই পেপটাইড। গবেষণায় দেখা গেছে, নিম্নমাত্রায় ক্যাপ্টোপ্রিল ব্যবহারে রক্তচাপ যতোটা কম প্রায় সে পরিমাণে রক্তচাপ কমতে সহায়তা করে ডিমের সাদা অংশ।
রক্তে এসিই নামের একটি উপাদান আছে এবং রক্তচাপ বাড়ানোর জন্য এই উপাদানই দায়ী। এর আগে ইইউ এবং আমেরিকার সাউথ ক্যারোলিনার ক্লিমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ গবেষকরা আরএসপিএসএল নামের একটি পেপটাইড নিয়ে গবেষণা করেছেন। নিম্নমাত্রায় ক্যাপ্টোপ্রিল, ভাসোটেক এবং মনোপ্রিল ব্যবহারে রক্তে এইসিই’র উতপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তারা দেখতে পেয়েছেন, একই সুফল পাওয়া যায় আরএসপিএসএল দিয়েও।
জাইপেং ইউ বলেন, এ সব গবেষণা থেকে মনে হচ্ছে মানব স্বাস্থ্যের ওপর ডিমের পেপটাইডে প্রভাব নিয়ে আরো গবেষণা দরকার। তবে তিনি এও বলেছেন, ৯৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রান্না করার পরও ডিমের পেপটাইডের রক্তচাপ হ্রাসের ক্ষমতা বজায় থাকছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
তিনি মনে করেন, ডিমের সাদা অংশ নিয়মিত খেলে উচ্চরক্ত চাপের ওপর তা সুপ্রভাব ফেলবে। অবশ্য একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এরই মধ্যে যাদেরকে ডিম খেতে নিষেধ করা হয়েছে তারা যেনো চিকিসকের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয় নিজে নিজে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন।
শেষের একথাটি আপনারা সবাই মনে রাখবেন। না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। মনে রাখবেন, আপনার চিকিৎসক রোগ ও পথ্য সম্পর্কে অনেক বেশি জানেন। তাই তার পরামর্শ ছাড়া এ বিষয় কোনো রোগীর এক তরফা সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়।

রোগ তাড়াই? জাম খাইজামে থাকে প্রচুর রাফিজ থাকে। এটি একটি আঁশযুক্ত উপাদান যা হজমে ও পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে...
01/06/2016

রোগ তাড়াই? জাম খাই
জামে থাকে প্রচুর রাফিজ থাকে। এটি একটি আঁশযুক্ত উপাদান যা হজমে ও পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও জামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ ও ভিটামিস সি থাকে যা ত্বক ও চুলের সুস্থতার জন্য জরুরি। এছাড়াও জামে আয়রন ও পটাশিয়ামও থাকে, ফলে জাম রক্তস্বল্পতা দূর করতে ভাল কাজ করে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে অনেক ফলই খেতে পারেন না। তারা নিশ্চিন্তে জাম খেতে পারেন। কারণ, জামে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা শর্করাকে ভেঙে শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
জাম এমনি খেতে মন না চাইলে জুস বা ভর্তা বানিয়েও খেতে পারেন।
জামের জুস
উপকরণ
পাকা জাম (বীজ ছাড়ানো) - ৪ কাপ
পানি - ১ কাপ
বিট লবণ - ১/২ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়ো - ১/৪ চা চামচ
প্রণালী
প্রথমে জাম ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে বীজ বের করে নিন। এরপরে জাম, পানি, বিট লবণ এবং গোল মরিচের গুঁড়ো একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন হবে। দারুণ সুস্বাদু এই জুসটি ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে খেলে আরো ভালো লাগবে।

জাম ভর্তা
উপকরণ
পাকা জাম - ৪ কাপ
লেবুর রস - ১/২ চামচ
কাসুন্দি - ১ চা চামচ
বিট লবণ - ১/২ চা চামচ
ভাজা শুকনো মরিচ - ২ টা
প্রণালী
জাম ভালো করে ধুঁয়ে সব উপকরণ দিয়ে ভালো মতো হাতে মাখিয়ে নিন। ব্যস, পরিবেশন করুন জিভে জল আনা সুস্বাদু জাম ভর্তা।

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস আজ
31/05/2016

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস আজ

জেনে নিন যে ব্লাড গ্রুপে যে রোগের ঝুঁকি বেশিমানুষ এত দিন রক্তের গ্রুপ পজিটিভ না নেগেটিভ সেই নিয়েই বেশি মাথা ঘামাতো। বিশে...
31/05/2016

জেনে নিন যে ব্লাড গ্রুপে যে রোগের ঝুঁকি বেশি
মানুষ এত দিন রক্তের গ্রুপ পজিটিভ না নেগেটিভ সেই নিয়েই বেশি মাথা ঘামাতো। বিশেষ করে বিয়ের ক্ষেত্রে রক্তের গ্রুপ ম্যাচিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ এর সঠিক ম্যাচিংয়ের ওপরই নির্ভর করে পরবর্তী প্রজন্মের সুস্থতা।

এছাড়া যদি হয় ‘ও’ নেগেটিভ তাহলে তো বড় অসুখ সহজেই হামলা করে বসতে পারে। তাই ’ও’ নেগেটিভ গ্রুপের মানুষকে আগে থেকেই অতিরিক্ত সচেতন থাকতে হয়। তবে শুধু নেগেটিভ বা পজেটিভ নয়, ‘এ’, ‘বি’, ‘ও’ এবং ‘এবি’ গ্রুপের ওপরও নির্ভর করে নানা রোগের ধরণ ও প্রবণতা। আসুন জেনে নিই কোন গ্রুপের রক্তবহনকারীকে কোন কোন রোগ থেকে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

‘এ’ গ্রুপ –
রোগের সম্ভাবনা: এই গ্রুপের রক্তের মানুষের ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। যেমন অগ্নাশয়ের ক্যান্সার এবং লিউকোমিয়া। এমনকী গুটি বসন্ত এবং ম্যালেরিয়াতেও আক্রান্ত হতে পারেন।

‘বি’ গ্রুপ –
রোগের সম্ভাবনা: এই গ্রুপের রক্ত যদি আপনার হয় তা হলে সাবধান। কারণ, এই গ্রুপের ক্ষেত্রে ১১% হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা।





‘এবি’ গ্রুপ –
রোগের সম্ভাবনা: এই ক্ষেত্রে হৃদরোগের সম্ভাবনা ২৩%। এই গ্রুপের রক্ত Blood group যাঁদের আছে ভবিষ্যতে তাঁদের বাক্ সমস্যা হতে পারে। মুখের স্নায়ু বা পেশী বিকল হয়ে যেতে পারে। হতে পারে স্বরযন্ত্রের সমস্যা। সমস্যা হতে পারে স্মৃতিতেও।

‘ও’ গ্রুপ –
রোগের সম্ভাবনা: এই গ্রপের মানুষেরা মিশ্র প্রকৃতির। এঁদের আলসার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। সম্ভাবনা রয়েছে কলেরারও। তবে এই গ্রুপের রক্তের Blood group মানুষের নিশ্চিন্ত হওয়ারও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। অগ্নাশয় ক্যান্সার এবং ম্যালেরিয়া হওয়ার সম্ভাবনা এদের প্রায় নেই বললেই চলে।

Address

Akur Takur Para, TaltolaTangail
Tangail
1900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tridhara Samajik Unnayan Sangstha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tridhara Samajik Unnayan Sangstha:

Share