Dr OMAR FARUK RUBEL

Dr OMAR FARUK RUBEL শারীরিক যে কোন সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুন ০১৭৫২৯৮৮৪৬৭
(1)

24/04/2026
জিহ্বা বা জিভের রং দেখে কিভাবে স্বাস্থ্য সমস্যা নির্ণয় করবেনহয়ত লক্ষ্য করে থাকবেন যে, কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে চিকি...
23/04/2026

জিহ্বা বা জিভের রং দেখে কিভাবে স্বাস্থ্য সমস্যা নির্ণয় করবেন

হয়ত লক্ষ্য করে থাকবেন যে, কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে চিকিত্সকের নিকট গেলে তারা প্রায়ই রোগীদেরকে জিহ্বা বের করে দেখাতে বলেন। এতে দেখা যায় অনেকই আবার বেশ বিব্রতবোধ করেন। কিন্তু আপনি জানেন কি ? জিহ্বাও দিয়ে থাকে আমাদের নানান শারীরিক সমস্যার পূর্বাবাস। অর্থাৎ জিহ্বা রং কিংবা অবস্থা দেখেই দেহের নানান রকম শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যায় । আসুন এ সম্পর্কে আজ বিস্তারিত জেনে নেই।

জিহ্বার জড়তা :-

আপনি যদি জিহ্বায় জড়তা অনুভব করেন কিংবা আপনার কাছে জিহ্বা অবশ মনে হয় তাহলে বুঝবেন সেটা মস্তিষ্কের কোনো সমস্যার কারণে হতে পারে। স্ট্রোক অথবা নার্ভের কোনো সমস্যার কারণে এধরণের অনুভুতি হতে পারে আপনার।



লালচে দানাদার জিহ্বা :-

আপনার জিহ্বা যদি লালচে অথবা গাঢ় গোলাপি বর্ণ ধারণ করে এবং জিহ্বায় স্ট্রবেরির দানার মতো ছোট ছোট দানা অনুভব করেন তাহলে দু'ধরনের শারীরিক সমস্যা থাকতে পারে আপনার।

জ্বরের কারণে জিহ্বা লাল এবং দানাদার হয়ে যায় অনেক সময়। ফলিক এসিড ও ভিটামিন বি ১২ এর অভাবেই জিহ্বা এমন লালচে দানাদার হতে পারে।

সাদাটে রঙের জিহ্বা :-

আপনার জিহ্বা যদি সাদাটে বর্ণ ধারণ করে থাকে এবং জিহ্বার উপরে সাদা রুক্ষ আবরণ থাকে যা পরিষ্কার করলেও যেতে চায় না তাহলে বুঝবেন আপনার শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিয়েছে। পানির অভাবে সাধারণত মানুষের জিহ্বা সাদাটে বর্ণ ধারণ করে থাকে। এক্ষেত্রে বেশি করে পানি পান করলেই এই সাদাটে ভাব ধীরে ধীরে দূর হয়ে যায়।



ফ্যাকাসে গোলাপি জিহ্বা :-

যদি জিহ্বা ফ্যাকাসে বর্ণের হয় তাহলে ধরে নিবেন আপনার রক্তশূন্যতা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শরীরে রক্ত কম থাকলে সাধারণত জিহ্বার রং ফ্যাকাশে দেখায়। তাই জিহ্বা যদি ফ্যাকাশে গোলাপি মনে হয় তাহলে রক্তশূন্যতা আছে কিনা সেটা পরীক্ষা করিয়ে নিন।



জিহ্বায় খয়েরী রঙের দাগ :-

কখনো যদি আপনার জিহ্বার একটি স্থানে বেশ গাঢ় খয়েরী দাগ দেখা দেয় তখন কাল বিলম্ব না করে জরুরী ভিত্তিতে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হবেন । কারণ এধরনের দাগ হতে পারে ক্যান্সারের লক্ষণ। তাই এ বিষয়ে কোনো প্রকার অবহেলা করা আদৌ উচিত নয়।

প্রাকৃতিক উপায়ে প্রসুতি মায়েদের বুকের দুধ বৃদ্ধি করবেন কিভাবেআমাদের দেশে প্রায় ৮৫% মায়েরা মনের সন্দেহের কারণেই অভিযো...
22/04/2026

প্রাকৃতিক উপায়ে প্রসুতি মায়েদের বুকের দুধ বৃদ্ধি করবেন কিভাবে

আমাদের দেশে প্রায় ৮৫% মায়েরা মনের সন্দেহের কারণেই অভিযোগ করে বসেন যে বুকের দুধ তার সন্তান ঠিক মত পাচ্ছে না, এ ধরনের কোনো সমস্যা থাকলে এমনিতেই তা ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা যদি প্রসুতি মাকে উত্সাহ দিয়ে তার মানসিক চাপটা কমিয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসা যায় অর্থাৎ স্ট্রেস হরমোনের পরিমান যে কোন উপায়ে কমানোটাই হচ্ছে এর উত্তম মাধ্যম। তারপরও নিচের ব্যাবস্থা সমূহ ৫/৭ দিন করে নিতে পারলে দেখবেন মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।



সর্ব প্রথম প্রসুতি মাকে স্ট্রেস কমাতে হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক কোন কারণে হলেও তা বুঝিয়ে দূর করার চেস্টা করতে হবে অন্তত তার শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য। কারণ অনেক সময়ই দেখা যায় মেয়ে সন্তান জন্ম নিলে পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু অবেহালা জনিত ব্যাবহার, স্বামীর সন্তান বা মায়ের প্রতি ভালবাসার কিছুটা অনিহা ...........ইত্যাদি লক্ষ্য করা যায়। এধরনের সংকীর্ণতা পরিহার করে প্রসুতি মাকে উত্সাহ দিয়ে তার যাবতীয় মানুষিক চাপ দূর করতে হবে।



সেই সাথে মাকে প্রতিদিন কম পক্ষে ১৮০০ ক্যালরি ক্ষমতা সম্পন্ন খাবার খাওয়াতে হবে । অবশ্যই আর ও ভাল হবে যদি যে সব খাবারে উচ্চ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, দুধ ও ডিম জাতীয় খাবার, প্রচুর ভিটামিন যোক্ত ফল, এবং উন্নত মানের কিছু লতা পাতা জাতীয় শাঁক ও তরকারী, লবণাক্ত মাছ বা সারটিন জাতীয় মাছ, বাদামী চাল, চর্বিহীন মাংস, এবং কচি মুরগের বাচ্চা ইত্যাদি নিজ সাধ্যমত খাওানোর চেস্টা করা উচিত।


এরপরও যদি দেখা যায় মায়ের বুকে বেশী দুধ ভালো আসছেনা যা কোন অসুখের কারণেও হতে পারে, তা হলে আপনার হোমিওপ্যাথের পরামর্শ নিন। তাছাড়া নবজাতক যদি মায়েদের বুকের দুধ না পায় সেক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় মায়েদের বুকের দুধ বাড়ানোর সুন্দর সমাধান রয়েছে। তাই সে ক্ষেত্রে আপনি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন হোমিও চিকিত্সা নিতে পারেন যা আপনার এবং আপনার সন্তান দু' জনের জন্যই মঙ্গলজনক। কারণ হোমিওপ্যাথি হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক।

মানুষ আপনাকে তথনই খুঁজবে যখন তার প্রয়োজন।🤫🤫🤔🤭
24/03/2026

মানুষ আপনাকে তথনই খুঁজবে যখন তার প্রয়োজন।🤫🤫🤔🤭

হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (Hand, Foot and Mouth Disease - HFMD) একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের ম...
04/11/2025

হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (Hand, Foot and Mouth Disease - HFMD) একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে (বিশেষ করে ৫ বছরের নিচে) বেশি দেখা যায়। তবে বড়রাও আক্রান্ত হতে পারেন।

---

🦠 ভাইরাস জনিত।

⚠️ সংক্রমণের উপায়:

রোগটি ছড়ায়—

আক্রান্ত ব্যক্তির নাক ও গলার নিঃসরণ থেকে

হাঁচি-কাশির মাধ্যমে

মল-মূত্রের সংস্পর্শে

সংক্রমিত জিনিসপত্র (খেলনা, কাপড়) স্পর্শের মাধ্যমে

---

🤒 লক্ষণসমূহ:

1. জ্বর (সাধারণত মৃদু)

2. গলা ব্যথা ও মুখে ঘা — জিহ্বা, মাড়ি, মুখের ভেতর ছোট ফোস্কা

3. হাতে ও পায়ে ফুসকুড়ি — ছোট লাল বা পানিভর্তি ফোস্কা

4. খাওয়ায় অনীহা

5. শরীর দুর্বলতা ও বিরক্তি

---

🧑‍⚕️ চিকিৎসা:
চিকিৎসা মূলত লক্ষণ অনুযায়ী

⚕️ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (উপসর্গ অনুযায়ী):

(রেজিস্ট্রার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শে ছাড়া ওষুধ সেবন করবেন না)

Belladonna – জ্বর ও গলার ব্যথা থাকলে

Rhus toxicodendron – ফুসকুড়ি ও চুলকানি থাকলে

Mercurius solubilis – মুখের ঘা ও দুর্গন্ধ থাকলে

Arsenicum album – দুর্বলতা ও অস্থিরতা থাকলে

---

🧼 প্রতিরোধের উপায়:

আক্রান্ত শিশুকে অন্যান্য শিশু থেকে দূরে রাখুন

হাত ধোয়া অভ্যাস গড়ে তুলুন

সংক্রমিত ব্যক্তির ব্যবহৃত বাসন, কাপড়, খেলনা আলাদা রাখুন

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

হোমিওপ্যাথিতে “দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্র” (Second Prescription) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি এমন এক পর্যায়, যেখানে প্...
29/10/2025

হোমিওপ্যাথিতে “দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্র” (Second Prescription) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি এমন এক পর্যায়, যেখানে প্রথম ওষুধ প্রয়োগের পর রোগীর প্রতিক্রিয়া বা পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হয়।

চলুন বিস্তারিতভাবে দেখি —

---

🧠 দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্র (Second Prescription) কী

রোগীর প্রথম হোমিওপ্যাথিক ওষুধ (First Prescription) প্রয়োগের পর যখন কিছু পরিবর্তন ঘটে—
তখন চিকিৎসককে সিদ্ধান্ত নিতে হয়,

আগের ওষুধই পুনরায় দেবেন কি না,

নাকি অন্য ওষুধ প্রয়োগ করবেন,

নাকি কিছু সময় পর্যবেক্ষণ করবেন।

এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াই দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্র (Second Prescription)।

---

⚖️ এর গুরুত্ব

দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্র হোমিওপ্যাথির সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। ভুল সিদ্ধান্ত রোগীর অবস্থাকে খারাপ করতে পারে, আবার সঠিক সিদ্ধান্তে রোগ সম্পূর্ণ সেরে যায়।

---

🔍 দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্রের উদ্দেশ্য

1. রোগের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা।

2. প্রথম ওষুধের প্রভাব বিচার করা।

3. রোগীর জীবনীশক্তি (Vital Force)-এর প্রতিক্রিয়া বোঝা।

4. ভবিষ্যৎ চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা।

---

🧾 দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্রের ধরন

১. পুনরায় একই ওষুধ দেওয়া —
যখন রোগী উন্নতির পথে, তবে উন্নতি ধীরে হচ্ছে বা থেমে গেছে।

২. অন্য ওষুধ দেওয়া (Complementary / Follow-up medicine) —
যখন প্রথম ওষুধ কাজ করেছে কিন্তু রোগ পুরোপুরি সেরে ওঠেনি, এবং পরবর্তী পর্যায়ে উপযুক্ত অন্য ওষুধ প্রয়োজন।

৩. বিরোধী (Antidote) ওষুধ প্রয়োগ —
যখন প্রথম ওষুধের প্রতিক্রিয়া অপ্রত্যাশিত বা নেতিবাচক হয়।

৪. কোনো ওষুধ না দেওয়া (Wait and Watch) —
যখন উন্নতি স্পষ্ট দেখা যায়, তখন রোগীকে কিছু সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

---

🩺 হ্যানিম্যানের দৃষ্টিতে

হ্যানিম্যান বলেছেন —

> “The most difficult part of Homeopathic practice is the making of the second prescription.”
অর্থাৎ, হোমিও চিকিৎসার সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্র নির্ধারণ করা।

---

🧩 উপসংহার

দ্বিতীয় ব্যবস্থা পত্রে চিকিৎসকের

পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা,

রোগীর প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ,

এবং অভিজ্ঞতা—
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এটি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সফলতা নির্ধারণ করে।

টিউমার” বলতে শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির ফলে গঠিত ফুলে ওঠা বা গাঁটকে বোঝায়। এটি সৌম্য (Benign) বা দূষিত/ক্যা...
23/10/2025

টিউমার” বলতে শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির ফলে গঠিত ফুলে ওঠা বা গাঁটকে বোঝায়। এটি সৌম্য (Benign) বা দূষিত/ক্যান্সারজনিত (Malignant)—দুই ধরনেরই হতে পারে।

---

⚖️ টিউমারের ধরন

1. সৌম্য টিউমার (Benign Tumor)

ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়

শরীরের অন্য অংশে ছড়ায় না

সাধারণত প্রাণঘাতী নয়

যেমন: Lipoma (চর্বির গাঁট), Fibroma, Adenoma ইত্যাদি

2. দূষিত টিউমার বা ক্যান্সার (Malignant Tumor)

দ্রুত বৃদ্ধি পায়

শরীরের অন্য অঙ্গেও ছড়িয়ে পড়ে (Metastasis)

প্রাণঘাতী হতে পারে

যেমন: Carcinoma, Sarcoma ইত্যাদি

---

⚠️ টিউমারের সাধারণ লক্ষণ

শরীরে গাঁট বা ফোলাভাব

গাঁটের আকার ধীরে ধীরে বাড়া

ব্যথা বা চাপের অনুভূতি

দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া

ক্ষুধামান্দ্য

অঙ্গভেদে ভিন্ন উপসর্গ (যেমন স্তনে, ত্বকে, মস্তিষ্কে, ইত্যাদি)

---

🌿 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হোমিওপ্যাথি টিউমারকে পুরো শরীরের রোগ হিসেবে দেখে, তাই চিকিৎসা হয় রোগীর সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ অনুযায়ী।

🧪 সাধারণত ব্যবহৃত কিছু হোমিও ওষুধ:

> (ওষুধ নির্বাচন অবশ্যই একজন যোগ্য হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শে হওয়া উচিত)

ওষুধের নাম ব্যবহারের ক্ষেত্র

Calcarea Fluorica চর্বিযুক্ত, শক্ত বা আঁটসাঁট টিউমারে
Calcarea Carbonica ধীরে ধীরে বাড়ে, স্থূল দেহের ব্যক্তির ক্ষেত্রে
Conium Maculatum স্তন বা গ্রন্থিজ টিউমারে, ধীরে ধীরে শক্ত গাঁট হয়
Silicea পুঁজযুক্ত বা দীর্ঘস্থায়ী টিউমারে
Thuja Occidentalis আঁচিলজাত, মাংসপিণ্ড জাতীয় টিউমারে
Phytolacca Decandra স্তনের শক্ত গাঁট বা ব্যথাযুক্ত টিউমারে
Baryta Carbonica বৃদ্ধ বয়সে গ্রন্থিজ টিউমারে
Carcinosinum ক্যান্সার বা ক্যান্সারজনিত পারিবারিক ইতিহাস থাকলে

আপনার নিকটস্থ একজন রেজিস্ট্রার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকুন।

বাক্যটি “ধূমপান করুন পুরস্কার জিতুন” শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর ও বিপজ্জনক বার্তা বহন করে।👉 কারণ:ধ...
21/10/2025

বাক্যটি “ধূমপান করুন পুরস্কার জিতুন” শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর ও বিপজ্জনক বার্তা বহন করে।

👉 কারণ:
ধূমপান কোনোভাবেই পুরস্কারের যোগ্য কাজ নয় — এটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি ক্যান্সার, হৃদরোগ, শ্বাসকষ্টসহ বহু প্রাণঘাতী রোগের কারণ।

যদি আপনি এই বাক্যটি সচেতনতা বা ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা হিসেবে ব্যবহার করতে চান (যেমন: “ধূমপান করুন—ফুসফুস ক্যান্সারের পুরস্কার জিতুন”), তাহলে সেটি একটি সতর্কতা বার্তা বা সচেতনতা প্রচার হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

🔹 উদাহরণ (সচেতনতামূলকভাবে):

> “ধূমপান করুন — ফুসফুস ক্যান্সারের পুরস্কার জিতুন!”
(এখানে “পুরস্কার” শব্দটি ব্যঙ্গার্থে ব্যবহার করা হয়েছে।)

মুখে ঘা বা মুখের আলসার (Mouth ulcer / Aphthous ulcer) হলো মুখের ভেতরের নরম টিস্যুতে (জিহ্বা, ঠোঁটের ভেতর, গালের ভিতর, মা...
20/10/2025

মুখে ঘা বা মুখের আলসার (Mouth ulcer / Aphthous ulcer) হলো মুখের ভেতরের নরম টিস্যুতে (জিহ্বা, ঠোঁটের ভেতর, গালের ভিতর, মাড়ি ইত্যাদি স্থানে) ছোট বা বড় ব্যথাযুক্ত ক্ষত।

🧾 মুখে ঘা হওয়ার সাধারণ কারণসমূহ:

1. ভিটামিনের অভাব — বিশেষ করে ভিটামিন B12, B2 (Riboflavin), ফোলিক অ্যাসিড, আয়রন এর ঘাটতি।

2. দাঁত বা দাঁতের ব্রাসের ঘর্ষণ।

3. অতিরিক্ত গরম, মশলাযুক্ত বা টক খাবার।

4. মানসিক চাপ (Stress) বা ঘুমের অভাব।

5. ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ।

6. ধূমপান বা অ্যালকোহল গ্রহণ।

7. হরমোনজনিত পরিবর্তন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া।

---

⚠️ মুখে ঘার উপসর্গ:

মুখে ছোট বা মাঝারি আকারের সাদা/হালকা হলুদ রঙের ঘা

ঘার চারপাশে লালচে অংশ

ব্যথা বা জ্বালাপোড়া

খেতে, কথা বলতে বা ব্রাশ করতে অসুবিধা

---

চিকিৎসা ও প্রতিকার:

🩺 সাধারণ যত্ন:

নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন

ঝাল, টক বা শক্ত খাবার পরিহার করুন

দিনে কয়েকবার লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করুন

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

🌿 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (উপসর্গ অনুযায়ী):

ওষুধের নাম উপযোগিতা

Borax মুখে ঘা হলে এবং খাবারে ব্যথা হলে
Mercurius solubilis মুখে দুর্গন্ধ, ঘা থেকে রস পড়লে
Nitric acid ঘা গভীর ও ধারালো ব্যথাযুক্ত হলে
Kali chloricum বারবার মুখে ঘা হলে
Sulphur মুখে ঘা সহ বারবার পুনরাবৃত্তি হলে

(ওষুধের ডোজ ও ব্যবহারের সময় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শে নিতে হবে।)

---

🧘 প্রতিরোধের উপায়:

সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন

মানসিক চাপ কমান

পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

মুখ পরিষ্কার রাখুন

Address

Maa Homeo Health Care Center Bamnachara Rashid Market Bajra Road Ulipur Kurigram
Ulipur

Opening Hours

Monday 09:00 - 12:00
16:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 12:00
16:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 12:00
16:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 12:00
16:00 - 22:00
Friday 16:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 12:00
16:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 12:00
16:00 - 22:00

Telephone

+8801752988467

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr OMAR FARUK RUBEL posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr OMAR FARUK RUBEL:

Share