Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD

Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD Clinical Dietitian | Health & Nutrition Educator | Diabetes Care Expert - 11 Years of Experience in Nutrition & Wellness
(6)

I am an experienced Health and Nutrition Educator, Clinical Dietitian, and Diabetes Care Specialist with over 11 years of expertise in patient counseling, nutrition education, and promoting overall health and well-being. I hold an MSc in Diabetes Care from the University of Salford (UK) and an MSc in Food and Nutrition from the University of Dhaka (Bangladesh), providing a strong academic foundati

on for my professional work. Throughout my career, I have created more than 7,000 personalized dietary plans designed for a wide range of medical conditions. My work is rooted in evidence-based practices, and I specialize in developing structured education programs for disease management and prevention. As a dedicated educator, I have mentored and guided over 1,000 students in food and nutrition, using interactive teaching methods such as group discussions, role-playing, and real-life case studies. I am passionate about helping future healthcare professionals gain the knowledge and skills they need for meaningful careers. My goal is to continuously advance knowledge in nutrition and to inspire others through education, personalized care, and professional leadership in the field.

23/05/2026
আপনার উত্তর কমেন্টে জানান‼️
22/05/2026

আপনার উত্তর কমেন্টে জানান‼️

মস্তিষ্ক শুধু আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতাই নিয়ন্ত্রণ করে না—এটাই আমাদের স্মৃতি, মনোযোগ, অনুভূতি ও দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত নেওয...
21/05/2026

মস্তিষ্ক শুধু আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতাই নিয়ন্ত্রণ করে না—এটাই আমাদের স্মৃতি, মনোযোগ, অনুভূতি ও দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেন্দ্র। কিন্তু অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত স্ট্রেস, কম ঘুম এবং সারাক্ষণ স্ক্রিনে ডুবে থাকার অভ্যাস ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে।

সুস্থ ও সক্রিয় মস্তিষ্কের জন্য জীবনযাপনে ছোট ছোট কিছু অভ্যাস যোগ করাই হতে পারে বড় পরিবর্তনের শুরু। গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখতে নিচের ৬টি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—

🧠 মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য ৬টি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস

১️⃣ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম (Breath Work)
প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা প্রাণায়াম করা উপকারী। বিশেষ করে অনুলোম-বিলোম (Alternate Breathing) মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

২️⃣ রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং (Resistance Training)
পুশ-আপ, প্লাঙ্ক, সিট-আপ বা হালকা ভারোত্তোলনের মতো ব্যায়াম শুধু শরীর নয়, মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্যও উপকারী।

৩️⃣ ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (Intermittent Fasting)
নিয়ন্ত্রিত সময়ের উপবাস, যেমন ১৫–১৮ ঘণ্টার ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং, স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ ও মস্তিষ্কের বিভিন্ন cognitive function উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।

৪️⃣ সূর্যালোক (Sunlight Exposure)
প্রতিদিন অন্তত ৫–১০ মিনিট সকালের রোদে থাকা শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। এটি মুড ও ঘুমের ছন্দ ঠিক রাখতেও সাহায্য করতে পারে।

৫️⃣ পর্যাপ্ত ঘুম (Quality Sleep)
প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ও ভালো মানের ঘুম মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয় এবং স্মৃতি ও শেখার ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

৬️⃣ ডিজিটাল ডিটক্স (Digital Detox)
অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সারাক্ষণ stimulation-এর মধ্যে থাকা মানসিক ক্লান্তি তৈরি করতে পারে। তাই নিয়মিত কিছু সময় ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকা জরুরি।

সুস্থ মস্তিষ্ক মানেই আরও ভালো মনোযোগ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং মানসিক প্রশান্তি।
আজ থেকেই ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাস দিয়ে শুরু হোক ব্রেইন কেয়ার।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নিলাম। চোখ খোলার আগেই ফেসবুক খুললাম। অন্যের সুখ দেখে নিজের জীবনকে ব্যর্থ মনে হলো!তারপর ই...
21/05/2026

সকালে ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নিলাম। চোখ খোলার আগেই ফেসবুক খুললাম। অন্যের সুখ দেখে নিজের জীবনকে ব্যর্থ মনে হলো!

তারপর ইনস্টাগ্রামে গেলাম। সবাই বিদেশে ঘুরে, গাড়ি কিনে, কফিশপে বসে জীবন উপভোগ করছে। মনে হলো শুধু আমিই পৃথিবীর সবচেয়ে অসফল মানুষ!

নাস্তা করতে বসে ইউটিউব খুললাম। খাওয়ার চেয়ে ভিডিও দেখায় বেশি মন দিলাম। নাস্তা ঠান্ডা, মন গরম!

কাজ করতে বসলাম। পাঁচ মিনিট পর নোটিফিকেশন। তারপর মেসেজ। তারপর শর্ট ভিডিও। তারপর মনে হলো একটু রিলস দেখি। এরপর দেখি দুই ঘণ্টা উধাও!

বাইরে গেলাম একটু হাঁটতে। প্রকৃতি দেখার বদলে মোবাইলের ক্যামেরা খুললাম। ছবি না তুললে নাকি ঘোরা সম্পূর্ণ হয় না!

বন্ধুদের সাথে বসেছি। সবাই একই টেবিলে, কিন্তু কথা নেই। সবাই নিজের নিজের ফোনে ব্যস্ত। সামনেই মানুষ, তবু চ্যাটিং দূরের মানুষের সাথে!

রাতে ঘুমাতে যাবো। ভাবলাম আজ তাড়াতাড়ি ঘুমাবো। হঠাৎ এক ভিডিও, তারপর আরেকটা, তারপর আরেকটা...

চোখ লাল, মাথা গরম, ঘুম শেষ!

এত স্ক্রিন, এত নোটিফিকেশন, এত তুলনা, এত দৌড়ের পর ভাবতেছি...

আমরা ফোন ব্যবহার করি, নাকি ফোনই আমাদের ব্যবহার করে?

বাংলাদেশ গেজেট ২০২৬-এ পুষ্টিবিদ/নিউট্রিশনিস্টদের জন্য ইন্টার্নশিপকে বাধ্যতামূলক যোগ্যতার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা একটি...
20/05/2026

বাংলাদেশ গেজেট ২০২৬-এ পুষ্টিবিদ/নিউট্রিশনিস্টদের জন্য ইন্টার্নশিপকে বাধ্যতামূলক যোগ্যতার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। কারণ শুধুমাত্র তাত্ত্বিক জ্ঞান একজন দক্ষ পুষ্টিবিদ তৈরির জন্য যথেষ্ট নয়; বাস্তব রোগী ব্যবস্থাপনা, হাসপাতালভিত্তিক কাজ, কাউন্সেলিং দক্ষতা এবং ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিজ্ঞতাও সমানভাবে প্রয়োজন।

তবে বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশে এখনো পুষ্টিবিদদের জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী স্বীকৃত ও structured internship system পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। অনেক শিক্ষার্থী ইন্টার্নশিপ করলেও সেটির নির্দিষ্ট কাঠামো, পর্যাপ্ত supervision এবং nationwide standardization এখনো সীমিত। ফলে শেখার সুযোগও প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হয়ে যায়।

বিশ্বের অনেক দেশ যেমন USA, UK ও Australia-তে Nutrition Internship অত্যন্ত structured ও practical-based। সেখানে নির্দিষ্ট সময় ধরে হাসপাতাল ও কমিউনিটি পর্যায়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিতে হয় এবং অভিজ্ঞ supervisor-এর অধীনে কাজ শেখানো হয়। অনেক ক্ষেত্রেই ইন্টার্নদের জন্য stipend বা financial support-এর ব্যবস্থাও থাকে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ একজন শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর পূর্ণসময় ইন্টার্নশিপে যুক্ত হলে তার সময়, শ্রম ও পেশাগত দায়িত্বের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তাই ইন্টার্নশিপ চলাকালীন সময়ে সম্মানজনক ভাতা (stipend) অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে মনে করা যায়। এটি শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ কমাবে, পেশাটির প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং আরও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশেও যদি একটি স্বীকৃত, বাস্তবভিত্তিক ও মানসম্মত internship system গড়ে তোলা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে দক্ষ ও professional পুষ্টিবিদ তৈরি হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা যায়।

বাংলাদেশ গেজেট ২০২৬-এ “পুষ্টিবিদ/নিউট্রিশনিস্ট” পেশাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা নিঃসন্দেহে দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন...
20/05/2026

বাংলাদেশ গেজেট ২০২৬-এ “পুষ্টিবিদ/নিউট্রিশনিস্ট” পেশাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা নিঃসন্দেহে দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য একটি ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল, ক্লিনিক, কমিউনিটি হেলথ সেক্টর ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় পুষ্টিবিদদের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হলেও, এই পেশার সুনির্দিষ্ট স্বীকৃতি ও মানদণ্ডের অভাব ছিল। নতুন গেজেট সেই শূন্যতা পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, ফ্যাটি লিভার, অপুষ্টি, স্থূলতা ও হৃদরোগের মতো অসংক্রামক রোগ দ্রুত বাড়ছে। এসব রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসার পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষিত ও যোগ্য পুষ্টিবিদদের জন্য নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত কাঠামো নির্ধারণ স্বাস্থ্যসেবাকে আরও মানসম্মত করবে।

বিশেষভাবে আশার বিষয় হলো, গেজেটে ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন, ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দক্ষ ও একাডেমিকভাবে প্রস্তুত পুষ্টিবিদরা কর্মক্ষেত্রে মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন। একইসাথে হাসপাতালভিত্তিক পুষ্টিসেবা আরও সুসংগঠিত হবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।

তবে শুধু গেজেট প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়—এর বাস্তবায়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজনঃ

• সরকারি হাসপাতাল ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত পুষ্টিবিদ পদ সৃষ্টি
• পুষ্টিবিদদের জন্য স্বতন্ত্র নিয়োগ কাঠামো ও স্পষ্ট কর্মপরিধি নির্ধারণ
• ক্লিনিক্যাল, পাবলিক হেলথ ও কমিউনিটি নিউট্রিশনে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি
• চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে সমন্বিত টিমওয়ার্ক নিশ্চিত করা
• সাধারণ মানুষের মধ্যে “Evidence-based Nutrition” সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা

একইসাথে আশা করা যায়, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশে পুষ্টিবিদ পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি করবে এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নতুন অনুপ্রেরণা যোগাবে। তরুণ শিক্ষার্থীরাও এখন এই পেশাকে আরও আত্মবিশ্বাসের সাথে ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচনা করতে পারবে।

স্বাস্থ্যসেবায় পুষ্টির গুরুত্ব এখন আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একটি সুস্থ জাতি গঠনে দক্ষ পুষ্টিবিদদের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। তাই বাংলাদেশ গেজেট ২০২৬-এর এই পদক্ষেপ বাস্তবমুখী ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।

19/05/2026

বেঁচে থাকাটাই আশ্চর্য!

সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!

তারপর নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!

তারপর কলা খাইলাম - কার্বাইড দিয়ে পাকানো!

তারপর কফি নিলাম - এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!

তারপর বাজারে গেলাম টাটকা শাক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!

মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম - লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!

গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম - পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!

আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে - কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!

দুপুরে ভাত খাবো - ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!

মুরগী নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!

সয়াবিন তেলে রান্না সব - ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!

খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম - পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!

রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম - ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!

খেজুর খাইলাম - বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!

সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!

রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!

ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা। গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!

এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করেনা।

এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!..মানুষের ঈমান তো নাই নাই, দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।

Collected

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে শুরু করুন DASH Diet 💚সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম- সুস্থ রক্তচাপের মূল চাব...
17/05/2026

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে শুরু করুন DASH Diet 💚
সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম- সুস্থ রক্তচাপের মূল চাবিকাঠি।
আজ থেকেই আপনার প্লেটে আনুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

#️⃣

হৃদরোগ বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর একটি।  তবে প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে নিয়ে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আ...
16/05/2026

হৃদরোগ বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর একটি। তবে প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে নিয়ে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

প্রাথমিক লক্ষণ
📌হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেক সময় অবহেলা করা হয়।
📌বুকে চাপ বা ব্যথা,
📌শ্বাসকষ্ট,
📌ঘাম,
📌বমি ভাব,
📌অস্বস্তি বা দুর্বলতা
এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

👉 হৃদযন্ত্রে ক্ষতি হয়েছে কি না তা বুঝতে Troponin test করা হয়। যেমন: হার্ট অ্যাটাক (heart attack) হয়েছে কি না।
যখন হৃদয়ের পেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন Troponin নামক প্রোটিন রক্তে বেড়ে যায়। এই টেস্ট করলে বোঝা যায় হৃদয় ঠিকমতো কাজ করছে কি না। বিশেষ করে বুকের ব্যথা থাকলে ডাক্তাররা এই টেস্টটি প্রথমেই করেন।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদরোগের উপসর্গ শুরু হওয়ার ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর হাসপাতালে পৌঁছানো রোগীদের ৭০-৮০% ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতি হয়।

হৃদরোগ প্রতিরোধে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে:
📌মেডিটেরেনিয়ান বা DASH ডায়েট অনুসরণ করুন, যা ফলমূল, শাকসবজি, পূর্ণ শস্য, লিন প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিতে সমৃদ্ধ।
📌প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করুন। এটি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
📌ধূমপান হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ধূমপান ছাড়লে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
📌স্ট্রেস হৃদরোগের একটি বড় কারণ। ধ্যান, যোগব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।

আগাম সতর্কতা
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৫% পর্যন্ত কমাতে পারে।
হৃদরোগের সন্দেহ হলে চিকিৎসক প্রথমে ট্রোপোনিন এবং ইসিজি (ECG) দিয়ে শুরু করেন। এরপর রোগীর উপসর্গ, বয়স ও ঝুঁকির ওপর ভিত্তি করে উপরের অন্যান্য রক্ত পরীক্ষাগুলো নির্ধারণ করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ না করাই ভালো।
হৃদরোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে নিয়ে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান পরিহার, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। এই পরিবর্তনগুলো আমাদের হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

কিডনি রোগে সবার জন্য একই ডায়েট কার্যকর নয়।সঠিক রেনাল ডায়েট নির্ভর করে রোগীর শারীরিক অবস্থা, রিপোর্ট ও চিকিৎসার ধরন অনুযা...
15/05/2026

কিডনি রোগে সবার জন্য একই ডায়েট কার্যকর নয়।
সঠিক রেনাল ডায়েট নির্ভর করে রোগীর শারীরিক অবস্থা, রিপোর্ট ও চিকিৎসার ধরন অনুযায়ী।
তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনেই খাদ্য পরিকল্পনা অনুসরণ করুন।

Address

Manchester

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD:

Share