15/04/2026
আমি শিলিগুড়ি ছেড়ে এসেছি ছয় সাত মাস হলI
আজ আমার বন্ধু শুভাশিস কিছু পুরনো ছবি দিয়ে এই কোলাজটা বানিয়েছে। দেখে কি যে আনন্দ হচ্ছে কি বলবো আমি শিলিগুড়িতে একা থাকতাম। আর ও মাঝে মাঝে অফিসের কাজে শিলিগুড়ি আসতো শীত গ্রীষ্ম বর্ষা যখনই এসেছে আমাদের দেখা হয়েছে। আমি ওর হোটেলে যেতাম সন্ধ্যেবেলা যখন ও কাজ সেরে ফিরত। আর তারপরে চলতেI আড্ডা মাঝে মাঝে পুরনো বন্ধুদের সাথে ফোনে কথা বলতাম আমরা আর আমাদের ছোটবেলার স্কুলের বন্ধুদের গ্রুপ পুরানো সেই দিনের কথায় লিখতাম আর ছবি পাঠাতাম I
আমার বন্ধু পানাশক্ত নয় কিন্তু ও আমার কথা ভেবে খাবারের অর্ডার দিত যাতে আমার সান্ধ্য আনন্দটা মাটি না হয় আমাদের মধ্যে অনেক কথা হতো সেটা কাজ অকাজ, স্থানীয় জাতীয় আন্তর্জাতিক, খেলাধুলা সিনেমা সাহিত্য রাজনীতি পারিবারিক ঘটনা প্রেম বিরহ যেকোনো বিষয় I
বন্ধুরা যখন পরিবার নিয়ে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে এসেছে ওরা চেষ্টা করেছে সময় সুযোগ মত আমার সাথে দেখা করার I অনেক সময় হয়তো ট্রেনের সময়ের সঙ্গে সময় না মেলাতে পেরে দেখা হয়নি কিন্তু দেখা করার ইচ্ছাটা সবসময়ই ছিল।
আমার অন্য বন্ধুরা ও যে যখনই শিলিগুড়িতে এসেছে সবাই আমার সাথে দেখা করতো আর এটাই ছিল আমার একাকীত্ব থেকে মুক্তির একটা পথ। ওরা সবাই একটা কথাই বলতো যে আমি একা নই ওরা আছে সাথে। এটাই বন্ধুত্ব যার কোন সংজ্ঞা হয় না যাকে হৃদয় এ অনুভব করতে হয় আর এই কাজটা কিন্তু খুব একটা সহজ নয় I
আমি ভাগ্যবান যে যাদের সাথেই বন্ধুত্ব হয়েছে জীবনে তারা সবাই এখনো আমার সাথে আছে, হয় কাছে, নয় মননে II