Salauddin Imran

Salauddin Imran নিষিদ্ধ নগরীর, নিষিদ্ধ সংগঠন,
নিষিদ্ধ কর্মী আমি।
ইতিহাস গড়েছে,
আবারো গড়বো আমি জয় বাংলার কর্মী 🛶
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু 🤍🫂✊

শেখ হাসিনা না-কি দেশের জন্য কিছুই করেননি! তা কিছুই যদি না করেন, তাহলে - পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিম...
02/04/2026

শেখ হাসিনা না-কি দেশের জন্য কিছুই করেননি! তা কিছুই যদি না করেন, তাহলে - পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দরের নতুন তৃতীয় টার্মিনাল, নতুন বিমানবন্দর (কক্সবাজার ও সৈয়দপুর), কক্সবাজার রেল, পদ্মাসেতু ও যমুনাসেতু রেল সংযোগ, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কয়েক ডজন বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শতভাগ বিদ্যুৎতায়ন, একযোগে ১০০ নতুন সেতু চালু, নতুন সমুদ্র ও নৌ বন্দর, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্র বন্দর প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল, প্রায় সহস্রাধিক ইকোনমিক জোন, ৪-৬-৮-১০-১২ লেনের সড়ক, গৃহায়ন, নানান ভাতা প্রদান, বিনামূল্য বই বিতরণ, শতভাগ টিকা দান কর্মসূচি, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস ও দারিদ্র্যতা হ্রাস, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, দুটি সাবমেরিন ক্রয় ও যুদ্ধজাহাজ ক্রয়, বেসামরিক বিমান ক্রয়, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি কিভাবে হলো? নিশ্চয় এমন কোনো গায়েবি উসিলায় এসব হয়নি? চলুন এমন কয়টা নমুনা দেখে আসি একদম অ্যাভিডেন্সসহ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানালেন, আওয়ামীলীগ না-কি গত ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার বা চুরি করেছে। আওয়ামীলীগের সঙ্গে চিরবৈরিতা পোষা বিএনপি সেরকম দাবী কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য করলেন না-কি আসলেই তা সত্যি? ২০০১-২০০৬ এই ৫ বছরে টানা পাঁচ বার দুর্নীতিতে শীর্ষ হওয়া, সন্ত্রাসবাদ এবং ৬৪ জেলায় একযোগে বোমা হামলা, তলাবিহীন ঝুড়ির তকমা পাওয়া বিএনপির শাসনামল শেষে ২০০৮ সালের শেষদিকে ক্ষমতায় আসেন আওয়ামীলীগ। এখন কথা হলো, আওয়ামীলীগের শাসনামলে পুরোটাই যদি চুরি হয়ে যায়, তাহলে উপরের উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলো কাদের টাকায় কারা করেছেন?

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে - সংসদে তারেক রহমানঃ
https://www.jugantor.com/national/1083579

বিএনপির সরকার কি ২০০১-০৬ মেয়াদে রিজার্ভে সেরকম কোন অর্থ রেখে গিয়েছিল, যেটা দিয়ে আওয়ামীলীগ এসব কাজ করেছে? ২০০৬ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক এবং নানান পত্রপত্রিকার রেফারেন্স বলছে - বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার। ২০০৮ সালের শেষে আঃলীগ যখন ক্ষমতায় যায় তখন রিজার্ভ ছিল সবেমাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামীলীগ যখন ক্ষমতাচ্যুত হয় তখনো রিজার্ভ রেখে যায় প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সর্বোচ্চ ৪৮.০২ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ পৌঁছায় ২০২১ সালের আগষ্টে। এখন কথা হৈলো, সবকিছু যদি চুরিই হয়ে থাকে, তাহলে এসব অর্থ রিজার্ভে কোত্থেকে আসলো?

২০০৬ সালে বিএনপির শাসনামলে রিজার্ভ ছিল কতোঃ
https://www.dawn.com/news/amp/226444

শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবার আগে দেশের GDP ও রিজার্ভ কেমন ছিলঃ
https://www.facebook.com/share/p/1SYFhXCAk9/

আরো কিছু ব্যাপার বললে ক্লিয়ার হবেন - আওয়ামীলীগ সরকার কি কেবল চুরিই করেছিল না-কি রাষ্ট্রের কাজেও সমানভাবে ব্যয় করেছে? ২০০৬ সালে বাংলাদেশের তথা বিএনপির সময়ে নমিনাল জিডিপি ছিল ৬৬-৬৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ এর জুনে সেটি পৌঁছায় ৪৫০.১ বিলিয়ন ডলারে। ২০০৬ সালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ইনস্টলড ক্যাপাসিটি ছিল ৫১০০-৫২০০ মেগাওয়াট। সেটি ২০২৪ সালে পৌঁছায় ৩১৪০০-৩১৪৫০ মেগাওয়াটে। ২০০৬ সালে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল সবেমাত্র ৪৭০ (নমিনাল) মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালের জুনে পৌঁছায় তা ২৬২০ মার্কিন ডলারে। এগুলো কি কোনো জাদুর কাঠিতে হয়েছে? না-কি কেউ না কেউ করেছিলেন?

২০০৬ সালে বাংলাদেশের নমিনাল জিডিপির আকার ঠিক কেমন ছিলঃ
https://nbr.gov.bd/uploads/publications/70.pdf

২০০৬ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ইনস্টলড ক্যাপাসিটি কতো ছিলঃ
https://tinyurl.com/5fmnu6x5

এবার একটু উন্নয়ন বাজেট নিয়েও কথা বলা যাক। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন বাজেটের পরিমাণ ছিল - ২৩২৭ বিলিয়ন ডলার (১৬ অর্থবছর)। এবার আমি যদি ঐ সময়ের প্রকল্প ব্যয়গুলোও কাউন্ট করি, তাহলে ব্যয় কতো হবে আনুমানিক? সেরকম হিসেব টানাও এখানে সম্ভব নয়। তবে একটা ধারণা দেই, কোথায় ব্যয় হয়েছে। অবকাঠামো ও কানেক্টিভিটিতে ছিল ব্রিজ, এয়ারপোর্ট, রেল, মেট্রোরেল, টানেল নির্মাণ। এগুলোও ইতিমধ্যে বাস্তবতায়ন হয়েছে। সো নতুন করে বলছি না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নে ছিল বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, রপ্তানি অঞ্চল নির্মাণ ও পিপিপি অবকাঠামো স্থাপন। ইতিমধ্যেই আমরা দেখছি যে, আঃলীগ ৯৭টি ইকোনমিক জোন নির্মাণে অনুমোদন দিয়েছিল (১৯টি নির্মাণাধীন), ৮টি এক্সপোর্ট জোন নির্মাণ করেছে। তারমানে এখানে প্রায়শই সফল বলা যায়। দারিদ্র্যতা বিমোচন, খাদ্য সহায়তা, উপবৃত্তি প্রদান, নগদ অর্থ প্রদানের আওতায় ছিল মানবসম্পদ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার প্রসার। এক্ষেত্রে আমরা দেখছি ২০০৫ সালে দেশের জাতীয় দারিদ্র্যতা হার ছিল ৪০ শতাংশ, কিন্তু ২০২৪ এর জুনে সেটি ছিল প্রায় ১৯ শতাংশ, চরম দারিদ্রতার হার কমে হয়েছিল ১০ শতাংশ। দারিদ্র্যতা বিমোচনের আওতায় শেখ হাসিনা সরকার প্রায় ২২ রকমের ভাতা দিতো, ছিল বিনামূল্যে গৃহায়ণ কর্মসূচী এবং খাদ্য সহায়তা। শিক্ষার প্রসারের আওতায় বিনামূল্য বই ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, কয়েক হাজার নতুন শিক্ষা ভবন নির্মাণ, নতুন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন ও নির্মান করা হয়। এক্ষেত্রেও সফলতা আছে। পল্লি ও কৃষি উন্নয়ন, সড়ক সংযোগ, কৃষি উপকরণ বিতরণ, সেচ ব্যবস্থার আওতায় ছিল বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ডিজিটাল সরকার ও আইসিটি সেবা, ই-গভর্নেন্স প্ল্যাটফর্ম। এক্ষেত্রে বিনামূল্যে কৃষকদের বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হতো। ডিজিটাল সেবার আওতায় ই-গভার্নমেন্ট সেবা, অনলাইন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ডিজিটাল পাসপোর্ট, ন্যাশনাল আইডি কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-টেক্স ফাইলিং, ই-প্রকিউরমেন্ট সিস্টেম, ডিজিটাল ক্লাসরুম প্রকল্প, লেফটপ বিতরণ, ডিজিটাল স্কিল ট্রেইনিং সেবা, টেলিমেডিসিন প্রকল্প, মোবাইল ব্যাংকিং, এ-টু-আই প্রোগ্রামসহ অজস্র প্রকল্প ছিল। আইসিটি খাতে ২৮টি হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার পার্ক ও আইটি ট্রেনিং সেন্টার নির্মান ও চালু করা হয়। এক্ষেত্রেও সফলতার হার বেশ ভালো বলা যায়। এর মানে দাঁড়ায় যে, উন্নয়নখাতের পেশ করা বাজেটের ব্যয়গুলোও যথেষ্ট ব্যবহার করেছে আঃলীগ সরকার।

২০০৫ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যতার হার কেমন ছিলঃ
https://tinyurl.com/3xk63kjc

আওয়ামীলীগ সরকার ২২ রকমের ভাতা প্রদান করতোঃ
https://www.jugantor.com/tp-news/648646

প্রসঙ্গত যে - ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের ঋণ ছিল প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ এর জুনে সেটির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৭১.৭ বিলিয়ন ডলার। এরমধ্যে ২০০৮ সালে মোট ডমেস্টিক ঋণ ছিল ১৫ বিলিয়ন ডলার, এক্সটার্নাল ঋণ ছিল ১০.৬ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের তথ্যমতে - ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট ঋণ ছিল ১৮৮.৭৯ বিলিয়ন ডলার। এই ঋণের ১০১.২৪ বিলিয়ন ডলার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে, ৮৭.৫৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক উৎস থেকে নেওয়া হয়। তারমানে - আওয়ামীলীগ সরকার বিগত ১৬ বছরে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ করেছে প্রায় ১৪৫ বিলিয়ন ডলার। এই ১৪৫ বিলিয়ন ডলার ঋণের অর্থ কোথায় ব্যয় হয়েছে, সেসব বিষদ আলোচনার বিষয়। তবে হাতেগণা কয়েকটা প্রকল্পের ব্যয় থেকে অনুমান করা যায় - পদ্মা মাল্টিপারপাস সেতুর ব্যয় ৩.৬ বিলিয়ন ডলার, ঢাকা মেট্রোরেলের ব্যয় ২.৮ বিলিয়ন ডলার, কর্ণফুলী টানেলের ব্যয় প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার, শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ব্যয় ১.৯ বিলিয়ন ডলার, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয় ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলার। এরকম ৮টি মেগা প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ১৮.৬৪ বিলিয়ন ডলার। বিগত ১৬ বছরে সোশ্যাল সেফটি প্রকল্প ব্যয় প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। এখানেই লক্ষ্যণীয় ব্যয় প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার। তারমানে - সরকারের ঋণের অর্থ সবই চুরি হয়ে গেছে, এটা সম্পূর্ণটাই অসত্য।

আওয়ামীলীগ সরকারের মেগাপ্রকল্পের কোনটার ব্যয় কত ছিলঃ
https://www.facebook.com/share/p/1SYFhXCAk9/

উপরের এই যে তথ্যগুলো, এগুলোই বলছে - আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে কেবলমাত্র চুরি হয়নি, বরং এই দেশের অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত ও জীবনযাপনের পরিবর্তনও ঘটেছে। এদিকে - প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানালেন যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার চুরি হয়েছে। তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সংবাদমাধ্যম এবং দেশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট তো ভিন্নতম কথাই বলছে। তারমানে - হয় প্রধানমন্ত্রী ভুল ও অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, নতুবা ঐসকল সংবাদপত্র ও রিপোর্টগুলো ভুল এবং মিথ্যা প্রচার করেছে?

দেখুন - আমি কোনভাবেই তা বলতে চাচ্ছি না যে, আঃলীগ পাকপবিত্র ফেরেস্তাদের দল। আওয়ামীলীগের আমলেও নেতাদের দুর্নীতির নানান খবরাখবর ঐ পত্রিকাতেই আছে। খোদ শেখ হাসিনা নিজেই তাঁর দপ্তরের পিয়নের দুর্নীতির কথা ফাঁস করেছিলেন। তারমানে দুর্নীতি হয়েছে? তারমানে এটাও সত্য যে, দুর্নীতি হওয়া স্বত্বেও আওয়ামীলীগ বিগত ১৬-১৭ বছরে এদেশটির অর্থনীতির বিশাল পরিবর্তন করে গেছেন? এই যে নিরেট সত্য কথাটা, এটাই অন্যকেউ বেশ কৌশলেই চেপে যাচ্ছেন। যেসব আমার কাছে কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে না।

এনিওয়ে। আমাদের দেশের বিশাল সংখ্যক মানুষের একটা কমন রোগ হলো, তারা যাকে অপছন্দ করে, তার সবকিছুই শত্রুতার চোখে পরিমাপ করে। এই যেমন ধরুন - ডক্টর ইউনুসের সময়ে অনেকজনে প্রচার করেছে, শেখ হাসিনার সরকার কিছুই রেখে যায়নি, সবকিছু লুটে নিয়ে গেছে। তা - শেখ হাসিনার সরকার যদি সবকিছুই লুটে নিয়েই যাবেন, তবে রিজার্ভে তখন কিভাবে ২৭ বিলিয়ন ডলার ছিল? তা - কিভাবে এতো শতশত প্রকল্প হলো? কত হাজার প্রকল্প, তা আসলে হিসেবেরও বাহিরে। ডক্টর ইউনুসই কেবল আঃলীগ সরকারের করা ১ হাজারের বেশি প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করেছেন, বন্ধও করেছেন আরো এমন হাজারটা প্রকল্প। তা - এসব প্রকল্পের জন্যে নিশ্চয়ই অর্থের প্রয়োজন হয়েছিল?

ডক্টর ইউনুসের দ্বারা ৯৭৭টি প্রকল্পের নাম পরিবর্তনঃ
https://www.facebook.com/share/p/1AxoTTtbMd/

ডক্টর ইউনুস সরকার বন্ধ করেছে কয়েক শত প্রকল্পঃ
https://www.facebook.com/share/p/19gkwGyV2N/

এটা ঠিক যে, বাংলাদেশের কোনো শাসকই ফেরেস্তা না বা এদেশের কোনো মানুষই দুধে ধোয়া তুলসীপাতাও না। তবে এটাও তো সত্যি যে, আঃলীগ সরকারের সময়েও দুর্নীতি, চুরি ডাকাতি হওয়া স্বত্বেও উন্নয়নগুলো চোখের সামনেই দৃশ্যমান। ১৪৫ বিলিয়ন ডলার ঋণের বোঝা রেখে গেলেও দিয়ে গেছেন অজস্র মেগা প্রকল্প, দিয়েছেন বিনামূল্যে বই, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, টিকা, দিয়েছিলেন ভাতা। অথচ আমরা দেখলাম - ডক্টর ইউনুস সরকার টিকার সেবাটিও ঠিকঠাক দিতে না পারলেও, শেষ বছরে ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ বাড়িয়ে গেছেন। ড. ইউনুসের ১৫ মাসেই ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এখন কথা হৈলো এসকল অর্থ গেলো কোথায়? মজার বিষয়, ড. ইউনুস ৫ বিলিয়ন ব্যয় করেছেন কেবল তাদেরই বেতন পরিশোধেই। ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না? আবার এটাও তো সিউর যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খুটি শক্ত ছিল বলেই ড. ইউনুস ঐ ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়ে খেয়ে গিয়েছে? এটা আমার বক্তব্যও নয়। খোদ ডক্টর ইউনুসের অর্থ-উপদেষ্টা স্বীকার করেছিলেন যে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো অবস্থানে আছে। সবকিছুই যদি চুরি হয়ে যাবে, তবে অর্থনীতি তো ভালো অবস্থানেও থাকার কথাও না! তাই না?

ডক্টর ইউনুসের ১৫ মাসেই ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকাঃ
https://sarabangla.net/news/post-1118893/

শেষ সময়ে ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ করেছেন ডক্টর ইউনুসঃ
https://www.kalerkantho.com/online/social-media/2026/03/31/1665386

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এতো খারাপ না - অর্থউপদেষ্টা ডক্টর সালেহউদ্দিনঃ
https://bayanno.com/posts/277820

শেখ হাসিনার সরকার এমন কিছু না করেও দেশের মানুষ চাহিবামাত্রই টিকা পেয়েছে, চিকিৎসা সেবা পেয়েছে, বই পেয়েছে, কয়েকশ ভাতা পেয়েছে, বিনামূল্যে খাদ্য, সার ও বীজ পেয়েছে, বাড়ি পেয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ ডক্টর ইউনুস সরকার গত দেড় বছরে কতকি করার পরেও দেশের মানুষ বিনামূল্যে বই পায়নি, হসপিটালে টিকা এবং চিকিৎসা সামগ্রীও নেই, শিশু মরছে গণহারে। কারা ভালো আর কে খারাপ ছিল, আমি সেটার পক্ষে বিপক্ষেও বলছি না। আমি বলতে চাইছি - শেখ হাসিনা যদি সত্যিই কিছু না কিছু করতেন, তাহলে ঠিক আর কতটা করতেন? কেননা - শেখ হাসিনা এমন কিছুই না করেও পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, টানেল, বিমানবন্দর, রেললাইন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোও দাঁড়িয়ে আছে। বাদবাকিরা আপাততঃ এবার কিছু করুক। অন্যরা না করলেও, আপনারাই এবার সেসব করুন জনাব। ২০০৬ এ মাত্র সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ থাকা স্বত্বেও শেখ হাসিনা যদি গত ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারও করে, তবে এটাই তো বলা যায় - শূন্য হাতে তিনি গড়ে তুলেছেন এবং কিভাবে অর্থনৈতিক পরিবর্তন করতে হয় তা তিনি জানতেন? অর্থাৎ তিনি শূন্য রিজার্ভ, শূন্য অবকাঠামো, শূন্য থেকেই ৪৮ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ পৌঁছাতে পেরেছেন, হাজারটা প্রকল্পও দিয়েছেন। এর মানে - তিনি পারলেন, পেরেছেন। তিনি সবার চোখে বেশ খারাপ ব্যক্তি হয়েও এতটা পারলেন, এবার ভালোরাই করে দেখাক - এরচেয়েও বেশিকিছু। আমরাও সেটাই চাই।

আমার কথা বুঝেননি? ১৯৭১ থেকে ২০০৮ সাল, এই ৩৭ বছরে রিজার্ভ ছিল ৫ বিলিয়ন ডলার। এরপরের গত ১৬ বছরে দেশের রিজার্ভ পৌঁছেছিল ৪৮.১ বিলিয়ন ডলারে। আবার সেই শাসকেরা না-কি ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। আবার দেখছি - সেই শাসকেরাই কয়েক হাজার প্রকল্প করেছে। তুলনা করতে চাইলে - করুন। আমার তো প্রশ্ন - বাদবাকি ৩৭ বছরে অন্যান্যরা কে কি করেছিলেন?

- শেখ হাসিনা সরকার ঋণ করে সব টাকা পাচার করেছেন কিংবা চুরি করেছেন; এমন অভিযোগ সত্য নয়।
Zahirul Alam Siddique

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্....

14/03/2026

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সেতু দরকার বাংলায় যেহেতু,শেখ হাসিনা তাই ভাবিয়া পদ্মা সেতু যায় বানাইয়া......

13/03/2026

i আওয়ামী লীগ দেশ বিক্রি করে দিয়েছে বলে যে জোর প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছিলো, সেই বিষয়ে গোলাম মাওলা রনি কি বলছেন? যে পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল আসছে, সেই পাইপলাইন নিয়ে কি ধরনের প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছিল? জানতে হলে দেখুন।

13/03/2026

সিরাজগঞ্জ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট—ভবিষ্যতের শক্তির উৎস!ফ্যাসিষ্ট না আর্টিস্ট!

13/03/2026

বিএনপি নির্বাচনের আগে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে বর্তমান
সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে রাজাকারদের পূর্নবাসন করছে‚
তাদের শোক প্রস্তাব গৃহীত করছে।—মাহবুব আজিজ

11/03/2026

পাহাড় সমান দুর্নীতি করে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাওয়া, জনগনের বন্যার ত্রানের টাকা মেরে দেয়া হাসনাতরা যখন খেজুরের হিসেব দেয় তখন হাসি'ই পায়।

হাসনাতরা যখন ছাত্রলীগের রাজনীতি করতো ঠিক তখন আমাদের ব্যারিস্টার সুমনরা এভাবে জনগনের বাজেটের হিসাব জনগনকে দিতো।

এই সাধারন ব্যাপারগুলো কখনো প্রচার করতে চাইনি আমরা, কিন্তু গন্ডারের রুহানি সন্তানদের অর্গাজম দেখে প্রচার করা লাগতেসে।

গ্রাম্য একটা প্রবাদ আছেনা 'নতুন ইয়েতে চুল গজাইলে বারবার উল্টাইয়া উল্টাইয়া দেখে' গন্ডার এবং গন্ডার শাবকদের হইসে সেই অবস্থা।

11/03/2026

ভারত বাংলাদেশ
মৈত্রী পাইপ লাইন শেখ হাসিনার দূরদর্শী কাজগুলোর একটি।

10/03/2026
09/03/2026

খিক খিক খিক!

Address

Chittagong
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Salauddin Imran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share