Antenatal Intranatal and Postnatal Care

  • Home
  • Antenatal Intranatal and Postnatal Care

Antenatal Intranatal and Postnatal Care Nussing officer

শিশুর হাইপারএকটিভিটি কি এবং কমাতে কি করবেন?🤷‍♀️শিশুর হাইপারএকটিভিটি আসলে কোনো “দুষ্টুমি” বা “শাসনের অভাব” নয়, এটা মূলত ত...
02/02/2026

শিশুর হাইপারএকটিভিটি কি এবং কমাতে কি করবেন?🤷‍♀️

শিশুর হাইপারএকটিভিটি আসলে কোনো “দুষ্টুমি” বা “শাসনের অভাব” নয়, এটা মূলত তার ব্রেইনের Self-Regulation System দুর্বল হওয়ার একটি প্রকাশ। নিউরোসায়েন্স বলছে, শিশুর মস্তিষ্কে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম একসাথে কাজ করে তাকে শান্ত, মনোযোগী ও নিয়ন্ত্রিত রাখে। এই তিনটির যেকোনো একটিতে ভারসাম্য নষ্ট হলে শিশুর আচরণ অস্থির, অতিরিক্ত চঞ্চল ও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে উঠতে পারে।

প্রথমটি হলো Impulse Control System। এটি শিশুকে শেখায়, “থামো, ভেবে নাও, তারপর কাজ করো।” এই সিস্টেম মূলত Prefrontal Cortex দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। যখন এটি দুর্বল থাকে, তখন শিশু হুটহাট দৌড়ায়, আঘাত করে, জিনিস ছুড়ে দেয়, কথা না শুনেই কাজ করে। তার ব্রেইন তখন “pause button” ব্যবহার করতে পারে না। ফলে সে নিজের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বারবার ভুল বা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়।

দ্বিতীয়টি হলো Sensory Processing System। শিশুর ব্রেইন প্রতিদিন হাজারো sensory ইনপুট নেয়, যেমন: শব্দ, আলো, স্পর্শ, রং, স্ক্রিনের মুভমেন্ট। যখন এই ইনপুট অতিরিক্ত হয়ে যায় (যেমন: বেশি টিভি, মোবাইল, শব্দ, ভিড়, চিৎকার), তখন ব্রেইন overstimulated হয়ে পড়ে। এই অবস্থাকে বলা হয় Sensory Overload। তখন শিশুর নার্ভাস সিস্টেম “fight or flight mode”-এ চলে যায়। ফলাফল অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ, চিৎকার, অস্থিরতা, মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা।

তৃতীয়টি হলো Prefrontal Cortex-এর কার্যক্ষমতা।
এই অংশটিই মানুষের “thinking brain”—যা পরিকল্পনা, মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সমস্যা সমাধান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করে। শিশুদের ক্ষেত্রে এই অংশটি পুরোপুরি পরিপক্ব হতে ২০–২৫ বছর পর্যন্ত সময় লাগে। তাই যদি শিশুর পরিবেশে বেশি স্ট্রেস, চিৎকার, ভয়, স্ক্রিন, কিংবা নিরাপত্তাহীনতা থাকে, তবে এই অংশের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। তখন শিশুর ব্রেইন আবেগে ভেসে যায়, যুক্তি দিয়ে আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই তিনটি সিস্টেম একে অপরের সাথে সংযুক্ত। একটি দুর্বল হলে অন্যগুলোকেও প্রভাবিত করে। তাই শিশুর হাইপারএকটিভিটি কমাতে শুধু শাসন নয়, বরং তার ব্রেইনের এই তিনটি সিস্টেমকে ধীরে ধীরে শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলতে হয়, ভালো রুটিন, কম স্ক্রিন, পর্যাপ্ত ঘুম, সঠিক খাবার, নিরাপদ পরিবেশ ও সংবেদনশীল প্যারেন্টিংয়ের মাধ্যমে।

অনেকের বাচ্চাই হাইপারএকটিভ কি করে কমাবেন হাইপারএকটিভিটি, খুব কার্যকর কিছু উপায় বলছি💁‍♀️

নিয়মিত রুটিন💁‍♀️
শিশুর হাইপারএকটিভিটি কমাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তার ব্রেইনকে নিরাপত্তা ও পূর্বানুমেয়তা (predictability) দেওয়া। প্রতিদিন ঘুম, খাওয়া, খেলা ও পড়ার সময় নির্দিষ্ট থাকলে শিশুর নার্ভাস সিস্টেম বুঝতে শেখে—এখন কী হবে। এই ধারাবাহিকতা ব্রেইনের “survival mode” বন্ধ করে তাকে শান্ত হতে সাহায্য করে। কারণ অনিশ্চয়তা ব্রেইনের জন্য হুমকি, আর রুটিন হলো নিরাপত্তার সংকেত।

No স্ক্রীন💁‍♀️
এরপর আসে স্ক্রিন নিয়ন্ত্রণ। বিশেষ করে ৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য মোবাইল ও টিভি অতিরিক্ত ডোপামিন রিলিজ করে, যা ব্রেইনকে কৃত্রিম উত্তেজনায় অভ্যস্ত করে তোলে। ফলে স্বাভাবিক খেলাধুলা, মানুষের সাথে কথা বা বই পড়া তার কাছে “বোরিং” লাগে। এই overstimulation থেকেই মনোযোগের ঘাটতি ও হাইপারএকটিভ আচরণ তৈরি হয়। তাই স্ক্রিন যত কম হবে, ব্রেইন তত বেশি ব্যালান্সে থাকবে।

Heavy Work করাতে হবে💁‍♀️
হাইপারএকটিভ শিশুর জন্য খুব কার্যকর একটি পদ্ধতি হলো Heavy Work Activity। যখন শিশু বালতি টানে, দেয়ালে ধাক্কা দেয়, বালিশ ঠেলে সরায় বা ভারী বোতল বহন করে—তার গভীর পেশি ও জয়েন্ট থেকে ব্রেইনে শান্ত হওয়ার সংকেত যায়। একে বলে proprioceptive input, যা sensory system কে regulate করে এবং শিশুকে ভেতর থেকে স্থির করে তোলে। প্রতিদিন অন্তত ১ ঘন্টা হেভি একটিভিটিস করান।

বসায় শান্ত কর্নার রাখুন💁‍♀️
এর সাথে যুক্ত করা যায় একটি Calm-Down Corner যা কোনো শাস্তির জায়গা নয়, বরং “শান্ত হওয়ার আশ্রয়”। এখানে নরম বালিশ, প্রিয় বই, সফট টয় ও ডিপ ব্রিদিং কার্ড থাকলে শিশুর ব্রেইন বুঝতে শেখে, আমি এখন নিরাপদ, আমি এখানে এসে শান্ত হতে পারি। ধীরে ধীরে সে নিজেই সেখানে যেতে শিখবে।
এখানে নরম বালিশ, ছোট কম্বল ও প্রিয় সফট টয় রাখলে শিশুর ব্রেইন নিরাপত্তার অনুভূতি পায়। সেন্সরি রেগুলেশনের জন্য রাখা যায় স্ট্রেস বল, ফিজেট টয়, প্লে-ডো বা বিভিন্ন টেক্সচারের খেলনা, যা অতিরিক্ত শক্তি বের করতে সাহায্য করে। শ্বাস নিয়ন্ত্রণ শেখাতে রাখতে পারেন ব্রিদিং কার্ড, বুদবুদ ফুঁ দেওয়ার খেলনা বা ছোট আয়না, যাতে সে নিজের অনুভূতি চিনতে শেখে। মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে ছবি বই, সহজ পাজল বা ফিলিং কার্ড রাখা যেতে পারে। শব্দ শান্ত করার জন্য হালকা মিউজিক টয় বা রেইন স্টিক ভালো কাজ করে। এই কোণাটি কখনো শাস্তির জায়গা হবে না, বরং হবে শান্ত হওয়ার আশ্রয়।

শিশুর impulse control বাড়াতে হবে।💁‍♀️
শিশুর impulse control বাড়াতে প্রয়োজন Movement এবং Focus Game। “Freeze & Move”, “Red Light, Green Light”, “Simon Says”—এই খেলাগুলোতে তাকে থামা, অপেক্ষা করা ও নির্দেশ মানা শেখানো হয়। এগুলো সরাসরি Prefrontal Cortex সক্রিয় করে, যা আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বাড়ায়। এই খেলা সম্পর্কে অনেকেই ভালো জানেন না।চলুন একটু আলোচনা করি। Freeze & Move, Red Light–Green Light এবং Simon Says—এই তিনটি খেলা শিশুর ব্রেইনের impulse control, মনোযোগ ও আত্মনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বাড়াতে খুব কার্যকর। এগুলো খেলতে কোনো খেলনার প্রয়োজন নেই, শুধু বাবা-মায়ের অংশগ্রহণ আর একটু জায়গা হলেই যথেষ্ট। Freeze & Move খেলায় প্রথমে শিশুকে নড়াচড়া করতে বলুন—নাচা, দৌড়ানো বা লাফানো। আপনি যখন বলবেন “Move”, তখন সে নড়বে, আর হঠাৎ “Freeze” বললে তাকে একদম থেমে থাকতে হবে। এতে সে শিখে যায় কখন থামতে হবে এবং শরীর নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। Red Light, Green Light খেলায় “Green Light” বললে সে সামনে এগোবে, আর “Red Light” বললে থেমে যাবে। ভুল হলে বকা না দিয়ে হাসি দিয়ে আবার শুরু করুন। এই খেলাটি শিশুকে অপেক্ষা করতে ও নির্দেশ বুঝে কাজ করতে শেখায়। এবং Simon Says খেলায় আপনি বলবেন, “Simon says লাফ দাও”—এতে সে লাফ দেবে। কিন্তু যদি শুধু বলেন “হাত তোল” (Simon says ছাড়া), তাহলে সে করবে না। এতে সে আগে শোনা, তারপর ভাবা, এরপর কাজ করার অভ্যাস গড়ে তোলে। প্রতিদিন ৫-১০মিনিট করে খেলা গুলো প্র্যাক্টিস করলেই হবে।

খাবারের দিকে নজর দিন💁‍♀️
খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি, কারণ Gut-Brain Connection খুব শক্তিশালী। বেশি চিনি, চিপস, রংওয়ালা জুস শিশুর ব্রেইনে অস্থিরতা বাড়ায়। আর ডিম, কলা, বাদাম, মাছ ও শাকসবজি ব্রেইনের নিউরোট্রান্সমিটার ব্যালান্স করতে সাহায্য করে। শান্ত ব্রেইনের জন্য পুষ্টিকর খাবার অপরিহার্য। তাই খাবার দিয়ে শুধু পেট আর আপনার শান্তির জন্য চোখ ভরালে হবেনা। পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে।

ছোট আদেশ দিন💁‍♀️
হাইপারএকটিভ শিশুর ক্ষেত্রে Short Instruction খুব কার্যকর। লম্বা কথা তার ব্রেইনের জন্য overload হয়ে যায়। তাই এক লাইনের স্পষ্ট নির্দেশ—“বলটা রাখো”, তার ব্রেইন সহজে প্রসেস করতে পারে এবং সে দ্রুত সাড়া দেয়। লম্বা কথা বলে চিৎকার করে আপনার ও শিশুর জন্য বিপদ বাড়াবেন না। ছোট নির্দেশ দিন।

ইমোশন চিনতে শেখান💁‍♀️
একইভাবে, Emotion Labeling শেখানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। যখন শিশু দৌড়াদৌড়ি বা চিৎকার করছে, তখন বলা—“তুমি খুব উত্তেজিত মনে হচ্ছে”, এই শব্দগুলো তার লিম্বিক ব্রেইনকে শান্ত করে। কারণ নাম দিলে আবেগ নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে ওঠে। তাই তার অবেগ বুঝে, আবেগের নাম দিন।

ঘুম ঠিক করুন💁‍♀️
এছাড়া, ঘুমের অভাব হাইপারএকটিভিটিকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৩–৫ বছরের শিশুর প্রতিদিন ১০–১২ ঘণ্টা গভীর ঘুম দরকার। ঘুমের সময় ব্রেইন নিজেকে reset করে, আবেগ ও মনোযোগ নিয়ন্ত্রণের শক্তি ফিরে পায়। আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত আপনাদের ঘুমের ক্লাসটা নানা ব্যাস্ততায় নিতে পারছিনা। এই মাসেই নেবার বেস্ট ট্রাই করবো। ঘুম অবশ্যই ঠিক করতে হবে।

বাবা-মা শান্ত থাকুন💁‍♀️
সবশেষে, সবচেয়ে শক্তিশালী বিষয় হলো বাবা-মায়ের নিজস্ব শান্ত নার্ভাস সিস্টেম। শিশু আমাদের কথা নয়, আমাদের আবেগ কপি করে। আপনি যদি চিৎকার করেন, অস্থির হন, তার ব্রেইন সেটাকেই স্বাভাবিক ধরে নেয়। অনেকে বাচ্চার সাথে চিৎকার না করলেও সংসারের খুটিনাটি বিষয় নিয়ে বাচ্চার সামনেই চিৎকার করেন, বাচ্চা খুব ভালোভাবে তা কপি করে। দয়া করে এসব বন্ধ করুন। আর আপনি যদি শান্ত থাকেন, ধীর কণ্ঠে কথা বলেন—তার ব্রেইনও ধীরে ধীরে সেই শান্ততা শিখে নেয়।

এভাবেই আমরা শিশুকে শাসন নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ শিখতে সাহায্য করতে পারি।

কখন বিশেষজ্ঞ দেখাবেন?

শিশুর অতিরিক্ত চঞ্চলতা বা নিয়ন্ত্রণহীন আচরণ ৬ মাস বা তার বেশি সময় ধরে একইভাবে চলতে থাকে, এবং তাতে কোনো উন্নতি না দেখা যায়, আপনি আমার উপরে বর্নিত কাজ কয়েক মাস করেও কোনো রেজাল্ট পাচ্ছেন না। তাহলে এটাকে আর “সাধারণ বয়সের দুষ্টুমি” হিসেবে না দেখে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

এছাড়া, যদি এই আচরণ স্কুল, খেলাধুলা বা সামাজিক পরিবেশে বড় সমস্যা তৈরি করে, যেমন সে নিয়ম মানতে পারে না, বারবার ঝগড়া করে, পড়াশোনা বা নির্দেশ অনুসরণ করতে অক্ষম হয়—তাহলে এটি তার শেখা ও সম্পর্ক গঠনে বাধা দিচ্ছে বলে ধরে নেওয়া যায়।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, যদি শিশুর আচরণে নিজের বা অন্যের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়—যেমন মারধর, কামড়, জিনিস ছুড়ে মারা, নিজেকে আঘাত করা—তাহলে দেরি না করে দ্রুত সাহায্য নেওয়া জরুরি।

এই অবস্থায় একজন Developmental Pediatrician বা Child Psychologist শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট, আচরণ ও আবেগের কারণগুলো বুঝে সঠিক গাইডলাইন দিতে পারবেন। সময়মতো সাপোর্ট পেলে অধিকাংশ শিশুই খুব ভালোভাবে উন্নতি করতে পারে।

30/11/2025

অকাল যৌবন (Precocious Puberty) ~

শিশুদের বেড়ে ওঠা স্বাভাবিকভাবেই ধাপে ধাপে ঘটে, কিন্তু কখনো কখনো শরীরের ভেতরের হরমোন ঘড়ি সময়ের আগেই বাজতে শুরু করে। কয়েক মাস আগে আমার চেম্বারে এক ৭ বছর বয়সী মেয়ে , নাম মিশু ( নাম পরিবর্তিত ) কে নিয়ে তার মা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবস্থায় এলেন। মিশুর মায়ের উদ্বেগ ছিল, বাচ্চার শরীরে অস্বাভাবিক কিছু পরিবর্তন হচ্ছে। বয়স মাত্র ৭ , অথচ তার বুকের বৃদ্ধি শুরু হয়েছে, শরীর থেকে বড়দের মতো ঘামের গন্ধ আসছে, এবং আচরণগতভাবে সে সহজেই রেগে যাচ্ছে। স্কুলে অন্য বাচ্চারা এসব দেখে হাসাহাসি করছে, ফলে মিশু নিজেকে গুটিয়ে ফেলছে। এই পরিস্থিতি তার মানসিক অবস্থা ও আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল।

এমন লক্ষণ দেখলে চিকিৎসকদের প্রথম যে বিষয়টি মনে আসে, তা হলো Precocious Puberty - বাংলায় অকাল যৌবন। সাধারণভাবে, মেয়েদের ৮ বছরের আগে এবং ছেলেদের ৯ বছরের আগে যদি যৌন বিকাশের লক্ষণ দেখা যায়, সেটাই Precocious Puberty। সাধারণ মানুষের কাছে এটা হয়তো অবাক করার মতো লাগতে পারে - “আগে বড় হচ্ছে, সমস্যা কোথায়?” কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি মোটেও তুচ্ছ বিষয় নয়। কারণ শরীরের ভেতরে Hormonal Axis (Hypothalamus -Pituitary -Gonadal Axis) সময়ের আগেই সক্রিয় হয়ে গেলে, হাড়ের Growth Plate দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়, ফলে শিশুটি স্বাভাবিক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে না। পাশাপাশি, এই অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন শিশুর মানসিক বিকাশ, আত্মপরিচয় এবং সামাজিক যোগাযোগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

মিশুর শারীরিক চেহারা ও আচরণ দেখে সন্দেহ আরও প্রবল হলো। তার Secondary Sexual Characteristics যেমন Breast Development, Height Rapid Increase এবং Adult-type Body Odor সবই Puberty র লক্ষণ। তাই আমি ধাপে ধাপে কিছু পরীক্ষা করার পরামর্শ দিলাম। প্রথমেই Bone Age X-ray করা হলো, যেখানে দেখা গেল তার হাড়ের বয়স তার প্রকৃত বয়সের চেয়ে বেশি এগিয়ে গেছে। এরপর Hormonal Profile-এ LH এবং FSH-এর মাত্রা বেশি পাওয়া গেল। GnRH Stimulation Test করে নিশ্চিত হওয়া গেল যে Puberty-র সূচনা মস্তিষ্কের Hypothalamus থেকেই হচ্ছে, অর্থাৎ এটি Central Precocious Puberty। মস্তিষ্কে কোনো Structural Problem আছে কি না তা বোঝার জন্য MRI Brain করা হলো, এবং সৌভাগ্যবশত কোনো tumor বা জটিলতা পাওয়া গেল না।

একজন অভিভাবকের দুশ্চিন্তা কেবল শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে নয় , সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও। এটি কোনো গোপন লজ্জার বিষয় নয়, বরং একেবারে চিকিৎসাযোগ্য একটি অবস্থা।একজন endocrinologist এবং আমার সম্মিলিত পরামর্শে শুরু করা হল GnRH Analog Therapy - এক ধরনের হরমোনাল ইনজেকশন যা মাসে একবার দেওয়া হয় এবং Premature Puberty কে থামিয়ে দেয়। অর্থাৎ শরীরের হরমোন ঘড়ি যেন বিরতি নেয়। চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজন Lifestyle modification যেমন Fast Food কম খাওয়া, Body Weight নিয়ন্ত্রণ, Screen Time কমানো এবং নিয়মিত Follow-up রাখা।

ছয় মাস পর মিশু আবার আমার চেম্বারে এলো এইবার লাজুক নয়, খুশি। একজন চিকিৎসকের কাছে এর চেয়ে বড় পুরস্কার আর কী হতে পারে?

এই অভিজ্ঞতা আবারও প্রমাণ করে, Precocious Puberty কোনো অভিশাপ নয়, এবং এটিকে লুকিয়ে রাখারও কিছু নেই। এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য medical condition, যা সময়মতো ধরা গেলে শিশুর স্বাভাবিক শৈশব, মানসিক বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ , সবই রক্ষা করা সম্ভব। তাই কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলে ভয় বা লজ্জা না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। শিশুর শৈশব হলো তার জীবনের ভিত্তি; সেই ভিত্তি যেন ভেঙে না যায়, সেটাই আমাদের দায়িত্ব।

আপনার আশেপাশে যদি এমন কোনো শিশুর মধ্যে Puberty-র অকাল লক্ষণ দেখা দেয়, মনে রাখবেন , সময়ই এখানে সবচেয়ে বড় চিকিৎসা। যত তাড়াতাড়ি সমস্যাকে চিহ্নিত করা যায়, ততটাই সহজ হয় এর সমাধান।

✍️ Dr.Saurav Bhakat

এই শীতে বাবুর খাবার গরম করা যাবে একবার রান্না খিচুড়ি কি গরম করে খাওয়ানো যাবে⁉️উওর হল খাবার রান্না পর গরম করা যাবে না এত ...
29/11/2025

এই শীতে বাবুর খাবার গরম করা যাবে একবার রান্না খিচুড়ি কি গরম করে খাওয়ানো যাবে⁉️

উওর হল খাবার রান্না পর গরম করা যাবে না এত পুস্টি নস্ট হয়

। খিচুড়ি তে সবজি মিশিয়ে রান্না হলে সেটা পুনরায় গরম করলে সবজির পুস্টিগুন নস্ট হয়। যেমন গাজর রান্না পর ২য় বার গরম করা হল, গাজরে থাকা নাইট্রেট
ক্ষতিকারন হয়ে ওঠে। আবার রান্না করার পর গরম করলে ভিটামিন বি, এ নস্ট হয়ে যায় ।

✅ কীভাবে খিচুড়ি সংরক্ষণ করবেন:

📌খিচুড়ি ঘর তাপমাত্রায় ২ ঘণ্টার বেশি রাখবেন না।

📌রান্নার পরপরই ঠান্ডা করে, যেটুকু তুলে রাখতে চান অতটুকু আলাদা করে এয়ার টাইট বস্কে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন যদি।
এভাবে ১ দিন পযন্ত সংরক্ষণ করা যায়।

এক বেলা রান্না করা খিচুড়ি অন্য বেলা দেন।

গরম করবেন কি ভাবে⁉

📌 ডাবল বয়েল পদ্ধতি
একটা পাএে গরম পানি নিয়ে সেটাতে স্টিল রাখবেন এরপর স্টিলের পাএে খিচুড়ি রেখে স্বাভাবিক তাপমাত্রা আনতে হবে এটা সবচেয়ে সেইফ পদ্ধতি।

📌একবার গরম করা খিচুড়ি পুনরায় ফ্রিজে রাখা বা আবার গরম করা যাবে না।

❌ কখন খাওয়াবেন না:

যদি খিচুড়ি ফ্রিজে না রাখা হয়।❌

গন্ধ, রং বা স্বাদ অস্বাভাবিক লাগলে।❌

📌শিশুর বয়স ৬-১২ মাস হলে ফ্রেশ খাবার দেওয়াই ভালো।
✅✅✅

ছোট পরিমাণ করে রান্না করা ভালো যেন প্রতিবার ফ্রেশ খাওয়ানো যায়।

প্রয়োজনে সকালে রান্না করে দুই ভাগে ভাগ করে রাখুন এ ক্ষেএে এয়ার টাইট বস্ক কিংবা হটপট ব্যবহার করতে পারেন, একভাগ সকালে, একভাগ দুপুরে গরম করে খাওয়ান.

আমার বাচ্চা সলিড কিছুই খায় না😭আমি বাধ্য হয়ে শুইয়ে ব্লেন্ড করে খাওয়াই।⁉️❌শক্ত খাবার দিলে ওয়াক করে।🤔বয়স কত ৬ মাস/ ৮ মাস/ ৯...
29/11/2025

আমার বাচ্চা সলিড কিছুই খায় না😭
আমি বাধ্য হয়ে শুইয়ে ব্লেন্ড করে খাওয়াই।⁉️❌
শক্ত খাবার দিলে ওয়াক করে।🤔

বয়স কত ৬ মাস/ ৮ মাস/ ৯ মাস।

আসলে এই স্টেজে বাচ্চা একদম প্রতি বেলা খাবে সব খাবার নেচে নেচে খাবে ধারনা করাই ভুল।

📍যে বাচ্চা বিগত ৬ মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ খেয়েছে হুট করে সলিড তার প্রিয় হবে না।
ভাবুন তো আপনি,যখন নতুন কাজ করেন সব নতুন কাজ আপনার ভালো লাগে ⁉️
না তো বাচ্চাদের ও তেমন।

এই স্টেজে বাচ্চা খাবার সাথে জাস্ট পরিচিত হতে
শিখবে।
আপনার মূল কাজ হবে পাকস্থলীর কে খাবার জন্য রেডি করা
এবং বাচ্চা খাবার আগ্রহ সৃস্টি

তাহলে কেন জোর করবেন⁉️
কেন ব্লেন্ড করছেন❌
কেন শুইয়ে খাবার দিবেন⁉️

বাচ্চা ওয়াক করা কে গ্যাগিং রিফ্লেক্স বলে এটা প্রাকৃতিক এটা মানে বাচ্চা গিলতে শিখছে।
এখন আপনি সে সুযোগ না দিয়ে যদি ব্লেন্ড করেন তাহলে সে কি শিখবে⁉️

আর শুইয়ে কেন খাবার দেবেন বাচ্চা ৬ মাসে সার্পোট দিয়ে বসিয়ে খাবার দিতে হবে।
বাচ্চা খাবার খাওয়ার উপযুক্ত হবে বোঝার প্রধান লক্ষন হল তার ঘাড় শক্ত হবে সে বসতে পারবে।

WHO মতে সলিড শুরুর ৩টি মূল লক্ষণ

বাচ্চা নিজে গলা সোজা রেখে বসতে পারে

পুরোপুরি না হলেও সমর্থন দিয়ে সোজা হয়ে বসতে পারে

মাথা ও গলার নিয়ন্ত্রণ ভালো থাকতে হবে

📍বাচ্চার খাবারের প্রতি আগ্রহ থাকা

তোমার প্লেট বা চামচ ধরতে চাওয়া

খাবার দেখলে মুখ খোলা

খাবার দিকে তাকিয়ে থাকা

📍খাবার মুখে নেওয়া ও গিলতে পারা

খাবার মুখে দিলে জিভ দিয়ে বের করে দিচ্ছে না (tongue-thrust reflex কমে গেছে)

চিবানোর মতো নড়াচড়া করছে

খাবার মুখে ধরে রাখতে পারে

এই লক্ষন না থাকলে বাচ্চা সলিডের জন্য উপযুক্ত নয়।

তাই শুইয়ে খাওয়ানো যাবে না মানে না।

সলিড শুরুতে সে বাটি ভর্তি খাবে বা সে ২ চামচ খেলে সেটা তার চাহিদা।

৩ চামচ দিলে সে যদি বমি করে

তাই আপনাকে২ চামচে থামতে শিখতে হবে।

⁉️এবার আসি খাবার আগ্রহী কি ভাবে করবেন⁉️
পাকস্থলীর কে উপযুক্ত কি করে করবেন

পাকস্থলীর কে নতুন খাবার সাথে খাপ খাওয়াতে টানা ৩ দিন যে কোন নতুন খাবার ট্রাই করতে হবে।

১৪ পদ মেশানো,সেরেলাক হাবিজাবি একদম না।

খাবারে আগ্রহী করার ৩ টা কাজ করবেন

👉ফিডিং চেয়ারে বসিয়ে হাতে খাবার দিন ফিঙ্গার ফুড মাধ্যমে খাবার সাথে বাচ্চা পজিটিভ ভাইব তৌরি হবে।

👉খিদে লাগতে দিন ঘন ঘন দুধ দেবেন না।

👉একসাথে খেতে বসুন এবং ওকে চিবিয়ে খেয়ে দেখান।
নতুন নতুন খাবার দিন।

এবার বলুন আপনার বাচ্চার বয়স কত ⁉️সে কি ঠিক মত খায়⁉️

💔শিশুরা অনুভব করতে পারে — কে নিরাপদ আর কে নয়।😱অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যি…কোলের ছোট্ট বাচ্চাটাও বুঝে ফেলে কার মুখে মায়া আ...
24/11/2025

💔শিশুরা অনুভব করতে পারে — কে নিরাপদ আর কে নয়।

😱অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যি…
কোলের ছোট্ট বাচ্চাটাও বুঝে ফেলে কার মুখে মায়া আছে, কার স্পর্শে শান্তি আছে, আর কার কাছে গেলে বুকের ভেতর অজানা অস্বস্তি তৈরি হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে—
নরম স্বভাবের, দয়ালু, সাহায্যকারী মানুষের প্রতি শিশুরা স্বভাবতই ঝুঁকে যায়।
আর যারা রুক্ষ, রাগী বা অমায়িক—তাদের থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।

এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়।
এটাই তাদের প্রথম survival instinct।
শব্দ না বুঝলেও তারা মুখের ভঙ্গি, গলার সুর, শরীরের ভাষা দেখে আন্দাজ করে কে নিরাপদ, কে নয়।

শিশুর প্রতিটি প্রতিক্রিয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
ওরা মোটেই “নির্বোধ” নয়।
ওরা নিঃশব্দে সব দেখছে, শিখছে, মনে জমাচ্ছে—কে তাকে ভালোবাসে, আর কার কাছে তার মন আটকে যায় না।

মায়েদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা ❤️

যদি আপনার শিশু কারো কাছে যেতে না চায়,
কোল পেলে কাঁদে,
অস্বস্তি বোধ করে বা বারবার আপনার দিকে হাত বাড়ায়—

এটাকে কখনও ছোট করে দেখবেন না।

পরিবারের হোক, আত্মীয়ের হোক, বা বাইরের কেউ—
যে কোনো ব্যক্তি যার কাছে আপনার বাচ্চা কমফোর্টেবল নয়,
সেখানে তাকে জোর করে দেওয়া বা রেখে আসা উচিত নয়।

শিশুর অনুভূতি ভুল হয় না।
ওর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অস্বস্তিও কখনো অবহেলা করবেন না।

কারণ আপনার বাচ্চার প্রথম নিরাপদ পৃথিবী আপনি—
আর তার নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও প্রথমে আপনারই। ❤️

Bo***es everywhere 😍🤣
16/11/2025

Bo***es everywhere 😍🤣

জন্মের প্রথম ২৮ দিনই ‘নিওনেটাল পিরিয়ড’— শিশুর জীবনের সবচেয়ে নাজুক ও গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সপ্তাহে নতুন মায়েদের জন্য স...
16/11/2025

জন্মের প্রথম ২৮ দিনই ‘নিওনেটাল পিরিয়ড’— শিশুর জীবনের সবচেয়ে নাজুক ও গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সপ্তাহে নতুন মায়েদের জন্য সংক্ষিপ্ত, বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ—

👶 প্রথম স্পর্শ ও স্তন্যদান
জন্মের পরই skin-to-skin দিন— এতে তাপমাত্রা স্থির থাকে ও মানসিক বন্ধন গড়ে ওঠে। জন্মের প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই স্তন্যদান শুরু করুন; কলোস্ট্রামই শিশুর প্রথম প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন।
প্রথম ৬ মাস শুধু মায়ের দুধ (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং)— এতে সংক্রমণ, অ্যালার্জি ও অপুষ্টির ঝুঁকি কমে।

🫧 হ্যান্ড হাইজিন
শিশুকে ধরার আগে, ডায়াপার বদলের পরে বা দুধ খাওয়ানোর আগে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া জরুরি। হাতের জীবাণুই নবজাতকের সংক্রমণের বড় কারণ— সুরক্ষা শুরু হোক পরিষ্কার হাত থেকেই।

🌡️ উষ্ণতা ও পরিচ্ছন্নতা
ঘর উষ্ণ রাখুন, মাথা-পা ঢেকে দিন। পোশাক ও বিছানা সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখবেন।
নাভিতে কোনও ওষুধ নয়— শুধু পরিষ্কার ও শুকনো রাখা যথেষ্ট।

🚫 যা করা একেবারে নিষেধ

❌ ১ মাস পর্যন্ত কোনও তেল, সাবান, বডিওয়াশ, বেবি প্রোডাক্ট নয়
❌ কাজল নয়— এতে চোখে সংক্রমণ ও অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ে
❌ বেবি পাউডার নয়— ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি
বেবি ওয়াইপস কম ব্যবহার করুন— সম্ভব হলে পরিষ্কার জল ও নরম কাপড়
❌ মাথা মুন্ডন বা head shaving নয়— নরম স্ক্যাল্পে ইনজুরি ও সংক্রমণ বাড়ে

😴 নিরাপদ ঘুম
শিশুকে সবসময় পিঠের ওপর শুইয়ে দিন। এতে শ্বাসরোধ ও SIDS-এর ঝুঁকি অনেক কমে।

🚪 সংক্রমণ প্রতিরোধ
নবজাতকের ঘরে অপ্রয়োজনীয় ভিড় নয়। ভিড় বা ভিজিটর কমান।
শিশুকে ভিড়ভাট্টা বা বাইরে বেশি নিয়ে যাওয়া এড়িয়ে চলুন— নবজাতকের প্রতিরোধক্ষমতা খুবই কম।

💧 মায়ের স্বাস্থ্যই শিশুর স্বাস্থ্য
মায়ের পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পুষ্টি ও মানসিক শান্তিই শিশুর সুস্থতার ভিত্তি।

প্রতিটি নবজাতক যেন ভালোবাসা, পরিচ্ছন্নতা ও বৈজ্ঞানিক যত্ন নিয়ে জীবনের প্রথম অধ্যায় শুরু করতে পারে— এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা। 🌼



[newborn care, baby health care, neonatal awareness, infant wellness, newborn tips]

Collected from Dr arpan Saha

৭–১৫ মাস বয়সী বাচ্চাদের সকালের নাশতার ৩০টি সহজ আইডিয়া 🍽️সকালের ব্রেকফাস্ট বাচ্চার হজম, শক্তি আর মনোযোগের জন্য খুব গুরুত্...
15/11/2025

৭–১৫ মাস বয়সী বাচ্চাদের সকালের নাশতার ৩০টি সহজ আইডিয়া 🍽️

সকালের ব্রেকফাস্ট বাচ্চার হজম, শক্তি আর মনোযোগের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই চাই নরম, সহজ, পুষ্টিকর খাবার।

🥣 পোরিজ / শস্যজাত নাশতা

1. ওটস পোরিজ

2. সুজি পায়েস

3. চালের গুঁড়া পায়েস

4. সবজি দেওয়া খিচুড়ি

5. চিড়ার পায়েস

6. আলু–ওটস পোরিজ

7. লাল চালের নরম পায়েস

🍌 ফল দিয়ে ব্রেকফাস্ট
8. কলা + দই
9. আপেল পিউরি
10. পাকা পেঁপে ও কলা মিক্স
11. আম–সুজি পায়েস
12. ডিমবিহীন নরম প্যানকেক + ফল
13. ওটস–ফল স্মুদি (৮+ মাস)

🥔 সবজি–কার্ব মিক্স
14. আলু–কুমড়া পিউরি
15. আলু–গাজর–মটর ম্যাশ
16. মিষ্টি আলু পোরিজ
17. সবজি খিচুড়ি
18. কুমড়া/লাউ প্যানকেক (৮+ মাস)

🥚 প্রোটিনযুক্ত নাশতা (৯+ মাস)
19. সেদ্ধ ডিমের কুসুম + আলু ম্যাশ
20. ডিমের কুসুম–ওটস পোরিজ
21. স্টিম করা ডিম ভাজি
22. ডাল পোরিজ
23. মুগ ডাল খিচুড়ি
24. ভাত/খিচুড়ির সাথে মাছের পেস্ট

🧀 দুধ/দুগ্ধজাত
25. টক দই + ফল
26. আনসল্টেড চিজ + নরম রুটি (১০+ মাস)
27. দুধ–সুজি
28. দুধ–ওটস পোরিজ

🥭 ফিঙ্গার ফুড (১০–১৫ মাস)
29. পাকা ফলের নরম টুকরা
30. সেদ্ধ সবজি টুকরা

---

টিপস

✔️ সব খাবার নরম/ম্যাশ করা জরুরি
✔️ নতুন খাবার = ৩ দিন পর্যবেক্ষণ
✔️ সকালে উঠে ১–২ ঘণ্টার মধ্যে নাশতা
✔️ বুকের দুধ/ফর্মুলা এখনও প্রধান পুষ্টি

শীতকাল মানেই ছোট্ট শিশুদের রোটা ভাইরাসে ডায়রিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়…আর সেই ডায়রিয়া কখনো কখনো নিঃশব্দে একটি অবুঝ প্রাণ কেড়ে...
15/11/2025

শীতকাল মানেই ছোট্ট শিশুদের রোটা ভাইরাসে ডায়রিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়…
আর সেই ডায়রিয়া কখনো কখনো নিঃশব্দে একটি অবুঝ প্রাণ কেড়ে নিতে পারে। 💔**

গত শীতে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল…
মাত্র ১৪ মাসের একটি বাচ্চা—
হাসিখুশি, গোলগাল, সবার আদরের।

সেদিন সকালে হঠাৎ করে পাতলা পায়খানা শুরু হলো।
মা ভাবলেন—
“শীতের কারণে হজমে একটু গোলমাল, কিছু হবে না…”

পাতলা পায়খানা কারণে শরীরে নীরবে হচ্ছিল জলশূন্যতা (Dehydration)।
⚠️ রোটা ভাইরাসের ডায়রিয়ায় আসল বিপদ—

বারবার পাতলা নয়,
বরং শরীর থেকে দ্রুত পানি বেরিয়ে যাওয়া।**

বাচ্চাটি দিনভর ৫–৬ বার পাতলা করলো…
মা ভেবেছিলেন ওআরএস দিলেই ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু তিনি বড় ভুলটি করলেন—

❌ প্যাকেটের নির্দেশ না দেখে অল্প জলে স্যালাইন মিশিয়ে দিলেন।

জল ছিল কম, স্যালাইনের ঘনত্ব ছিল বেশি…
ফল—
শরীর পানি আর নিতে পারলো না,
উল্টো Dehydration ভয়ানক হয়ে উঠলো।

ধীরে ধীরে বাচ্চার—

চোখ শুকিয়ে গেল

মুখটা বিবর্ণ

ঘুম পেয়ে যাচ্ছিল বারবার

শরীরের চামড়া টেনে ধরলে আগের মতো ফিরে আসছিল না

আর সবচেয়ে বড় ভয়… ৬–৮ ঘণ্টা ধরে এক ফোঁটা প্রসাবও হলো না।

রাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো,
কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
ছোট্ট প্রাণটা আর বাঁচানো গেল না।
মায়ের একটুকরো ভুলেই… 💔

🙏 মা–বাবাদের কাছে অনুরোধ:

এই ভুলটি কখনো করবেন না।

✔️ স্যালাইন কখনো কম জলে বা বেশি জলে মিশাবেন না।
✔️ কোন প্যাকেটের ORS কিনছেন—সে প্যাকেটে কত ml জলে মেশাতে হবে—এটা অবশ্যই পড়বেন।
✔️ বুঝতে না পারলে—ফার্মেসিতেই জিজ্ঞেস করে নেবেন।
✔️ ডায়রিয়া হলে দেখবেন—

৬–৮ ঘণ্টায় প্রসাব করছে কি না

মুখ শুকাচ্ছে কি না

বাচ্চা অস্বাভাবিক ঘুমিয়ে পড়ছে কি না

চোখ বসে যাচ্ছে কি না

শরীর ঢিলে হয়ে যাচ্ছে কি না

একটুও দেরি মনে হলে—
তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে যাবেন।✅🙏

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Antenatal Intranatal and Postnatal Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business?

Share