Dr. Rooh-E-Zakaria

Dr. Rooh-E-Zakaria MBBS | FCPS | FMAS | FACS
Infertility Trained (NUH, Singapore)
Gynaecologist & Laparoscopic/Infertility Specialist
Asst.
(1)

Prof., Obs & Gynae (SSMCH)

Chamber:
Popular Shyamoli: Sat/Sun/Mon/Wed ( 5–7 PM)
Labaid Mirpur-1: 8–10 PM (Fri: Closed)

06/06/2026

গাইনি বিভাগের ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে নিয়মিতভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।

সম্প্রতি আমি সফলভাবে ল্যাপারোস্কোপিক ওভারিয়ান সিস্টেকটমি এবং টোটাল ল্যাপারোস্কোপিক হিস্টেরেকটমি (TLH) সম্পন্ন করেছি। প্রতিটি কেসেই আবারও মনে হয়, মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি কীভাবে রোগীর চিকিৎসা অভিজ্ঞতাকে আরও নিরাপদ, সহজ এবং দ্রুত করে তুলেছে।

প্রচলিত ল্যাপারোটমির তুলনায় ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারির কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো—
• ছোট কাটাছেঁড়া ও কম দাগ
• অপারেশনের পর কম ব্যথা
• রক্তক্ষরণ তুলনামূলকভাবে কম
• ইনফেকশন ও ক্ষতজনিত জটিলতার ঝুঁকি কম
• হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়
• দ্রুত সুস্থতা এবং স্বাভাবিক জীবনে দ্রুত ফিরে যাওয়া
• বড় করে দেখা যায় বলে সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে সার্জারি করা সম্ভব

রোগীর জন্য এটি যেমন দ্রুত আরামদায়ক সুস্থতা নিশ্চিত করে, তেমনি সার্জনের জন্যও জটিল কেসগুলো আরও নিখুঁতভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি করে।

আধুনিক গাইনি চিকিৎসায় মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি সত্যিই একটি বড় অগ্রগতি।

আলহামদুলিল্লাহ—প্রতিটি সফল অপারেশন এবং রোগীদের আস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা।

04/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

আমি সম্প্রতি একটি অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রসূতি কেস সফলভাবে ব্যবস্থাপনা করেছি, যা আল্লাহর অশেষ রহমতে সম্পন্ন হয়েছে।

৩১ বছর বয়সী একজন নারী রোগী, যিনি পূর্বে ২টি সিজারিয়ান সেকশন করেছিলেন, ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় per vaginal bleeding নিয়ে আসেন। আল্ট্রাসাউন্ডে দেখা যায় Central placenta previa সহ placenta uterus ও bladder-এ invasive হয়েছে, যা Placenta Accreta Spectrum (PAS) হিসেবে নির্ণীত হয়।

রোগীর বারবার রক্তক্ষরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে ৩৪ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অপারেশনের সময় জটিলতার কারণে Peripartum hysterectomy এবং bladder repair করতে হয়।

এটি ছিল অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং একটি সার্জারি। রোগীকে মোট ১০ ইউনিট রক্ত এবং ৪ ইউনিট Fresh Frozen Plasma দিতে হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং পুরো সার্জিক্যাল টিম, অ্যানেস্থেশিয়া টিম ও ব্লাড ব্যাংকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

গতকাল, অপারেশনের ২১ দিন পর রোগীর ক্যাথেটার অপসারণের জন্য তিনি ফিরে আসেন। তার সুস্থতা এবং পরিবারের হাসিমুখ দেখে সত্যিই অনেক তৃপ্তি অনুভব করেছি।

আলহামদুলিল্লাহ—সব প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। আমি আমার পুরো সার্জিক্যাল টিম, অ্যানেস্থেশিয়া টিম, নার্স এবং ব্লাড ব্যাংক টিমের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যাদের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না।

আল্লাহ যেন রোগীকে পূর্ণ সুস্থতা দান করেন।

Eid Mubarak to you all.Eid is not only a celebration, it is a reminder of faith, sacrifice, and gratitude.May Allah bles...
27/05/2026

Eid Mubarak to you all.
Eid is not only a celebration, it is a reminder of faith, sacrifice, and gratitude.
May Allah bless us all with love, mercy, and endless happiness.

মাসিক ঠিক সময়ে না হওয়া অনেক নারীর কাছেই সাধারণ একটি সমস্যা। কিন্তু এটি সবসময় অবহেলা করার মতো বিষয় নয়। অনেক সময় এটি শরীরে...
13/05/2026

মাসিক ঠিক সময়ে না হওয়া অনেক নারীর কাছেই সাধারণ একটি সমস্যা। কিন্তু এটি সবসময় অবহেলা করার মতো বিষয় নয়। অনেক সময় এটি শরীরের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ হরমোনজনিত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

মাসিক অনিয়মিত হওয়ার অন্যতম সাধারণ কারণ হলো Polycystic O***y Syndrome (পিসিওএস) এবং Hypothyroidism (থাইরয়েডের সমস্যা)। এছাড়াও অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা, হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া, অপুষ্টি, অতিরিক্ত ডায়েটিং কিংবা কিছু হরমোনজনিত সমস্যার কারণেও মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

এই সময় সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো সঠিক কারণ না জেনেই ফার্মেসি থেকে পিল কিনে খাওয়া। অনেকেই দ্রুত মাসিক আনার জন্য নিজের মতো করে হরমোনাল পিল ব্যবহার করেন। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এভাবে বারবার পিল খেলে শরীরের স্বাভাবিক হরমোনের ভারসাম্য আরও নষ্ট হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি ওভুলেশন সমস্যা, অতিরিক্ত রক্তপাত, হরমোনজনিত জটিলতা এমনকি ভবিষ্যতে সন্তান ধারণের সমস্যার কারণও হতে পারে।

তাই মাসিক অনিয়মিত হলে শুধু সাময়িকভাবে মাসিক আনার চেষ্টা না করে, এর পেছনের কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। প্রয়োজন হলে আল্ট্রাসনোগ্রাম, থাইরয়েড পরীক্ষা, হরমোন টেস্ট বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে হতে পারে।

নিজের শরীরকে অবহেলা না করে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কখন বুঝবেন আপনি Ovulation করছেন? জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলোনারীদের জন্য Ovulation বা ডিম্বস্ফোটন এমন একটি সময় যখন গ...
04/05/2026

কখন বুঝবেন আপনি Ovulation করছেন? জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলো

নারীদের জন্য Ovulation বা ডিম্বস্ফোটন এমন একটি সময় যখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময় ডিম্বাশয় থেকে একটি পরিপক্ক ডিম্বাণু বের হয় এবং তা নিষিক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে। সাধারণভাবে ২৮ দিনের মাসিক চক্র হলে Ovulation প্রায় ১৪তম দিনের আশেপাশে হয়, তবে সবার ক্ষেত্রে এটি একরকম হয় না, চক্র ভেদে সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

Ovulation এর সময় শরীর কিছু স্বাভাবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ইঙ্গিত দেয়। এই সময় যোনিপথের স্রাব স্বচ্ছ, পিচ্ছিল এবং ডিমের সাদা অংশের মতো হয়ে যায়, যা শুক্রাণুর চলাচল সহজ করে। অনেকের ক্ষেত্রে তলপেটে হালকা ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। এছাড়া শরীরের বেসাল তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে যায়, যা নিয়মিত ট্র্যাক করলে বোঝা সম্ভব। কিছু নারীর ক্ষেত্রে এই সময়ে যৌন আগ্রহও স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

Ovulation সাধারণত ১২ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়, তবে এর আগের কয়েকদিনসহ পুরো সময়টিকে fertile window ধরা হয়। এই সময়টিই গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই যারা বেবি নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই সময়টি সঠিকভাবে চিহ্নিত করা খুব জরুরি।

Ovulation নির্ণয়ের জন্য মাসিক চক্র নিয়মিত ট্র্যাক করা, Ovulation predictor kit ব্যবহার করা, এবং শরীরের পরিবর্তনগুলো পর্যবেক্ষণ করা কার্যকর পদ্ধতি। একাধিক পদ্ধতি একসাথে অনুসরণ করলে আরও নির্ভুল ধারণা পাওয়া যায়।

যদি দীর্ঘদিন পিরিয়ড অনিয়মিত থাকে, Ovulation না হয়, বা চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হয়, তাহলে এটি হরমোনজনিত সমস্যা যেমন PCOS, থাইরয়েড সমস্যা বা অন্যান্য জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

গর্ভধারণ নিয়ে পরিকল্পনা করছেন বা Ovulation বুঝতে সমস্যায় পড়ছেন, সঠিক পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন।

আমার চেম্বারে প্রায়ই এমন রোগী আসেন, যারা আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে Polycystic O***y Syndrome ধরা পড়ার পর থেকেই ভয় পেয়ে যান। অনে...
27/04/2026

আমার চেম্বারে প্রায়ই এমন রোগী আসেন, যারা আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে Polycystic O***y Syndrome ধরা পড়ার পর থেকেই ভয় পেয়ে যান। অনেকেই সরাসরি জিজ্ঞেস করেন—“ডাক্তার, আমার কি তাহলে আর সন্তান হবে না?”

আমি তাদের প্রথমেই যেটা পরিষ্কার করে বলি এই ধারণাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

PCOS একটি হরমোনজনিত সমস্যা, যেখানে ডিম্বাশয়ের ডিম পরিপক্ব হওয়ার প্রক্রিয়া অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এর ফলে মাসিক দেরিতে আসতে পারে বা অনেক সময় ডিম্বস্ফোটন ঠিকভাবে না-ও হতে পারে।

কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো PCOS মানেই বন্ধ্যাত্ব নয়।

অন্যদিকে Infertility বলতে বোঝায় নির্দিষ্ট সময় চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হওয়া একটি অবস্থা। PCOS এই সমস্যার একটি কারণ হতে পারে, কিন্তু একমাত্র কারণ নয়, এবং অবশ্যই স্থায়ী কোনো বাধা নয়।

আমার ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, PCOS আক্রান্ত অনেক নারীই সঠিক চিকিৎসা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ করতে সক্ষম হন। কিছু ক্ষেত্রে ওভুলেশন ইনডাকশন বা সহায়ক প্রজনন পদ্ধতিরও প্রয়োজন হতে পারে।

তাই আমি সবসময় রোগীদের বলি PCOS শুনে আতঙ্কিত হবেন না। এটি একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য অবস্থা। সঠিক সময়ে মূল্যায়ন ও চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গর্ভধারণ সম্ভব।

সবশেষে একটি কথা সময়মতো চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেরি না করে সঠিক পরামর্শ নিন।

শুভ নববর্ষ! 🌸নতুন বছরের প্রতিটি দিন হোক আনন্দ, ভালোবাসা, শান্তি আর সাফল্যে ভরপুর।পহেলা বৈশাখের এই শুভক্ষণে রইলো আন্তরিক ...
14/04/2026

শুভ নববর্ষ! 🌸

নতুন বছরের প্রতিটি দিন হোক আনন্দ, ভালোবাসা, শান্তি আর সাফল্যে ভরপুর।

পহেলা বৈশাখের এই শুভক্ষণে রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ ভালোবাসা।

নতুন বছর আপনার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, সমৃদ্ধি ও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার।

11/04/2026
অনেক নারীই অনিয়মিত পিরিয়ডকে সাময়িক বা সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করেন, কিন্তু একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি বলব—এটি প্রা...
04/04/2026

অনেক নারীই অনিয়মিত পিরিয়ডকে সাময়িক বা সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করেন, কিন্তু একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি বলব—এটি প্রায়ই শরীরের ভেতরের হরমোনজনিত অসামঞ্জস্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। স্বাভাবিকভাবে মাসিক চক্র ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে হওয়া উচিত। এর বাইরে দেরিতে হওয়া, মাসে একাধিকবার হওয়া, অতিরিক্ত বা খুব কম রক্তক্ষরণ—এসবই অনিয়মিত পিরিয়ডের লক্ষণ এবং এগুলোর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে।

আমার ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় সবচেয়ে বেশি যে কারণটি দেখা যায় তা হলো Polycystic O***y Syndrome। এই অবস্থায় ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয় এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পিরিয়ড দেরিতে হয় বা বন্ধ থাকে। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এর সাথে ওজন বৃদ্ধি, মুখে ব্রণ, অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধি—এসব সমস্যাও থাকে। এছাড়া Thyroid disorder থাকলেও মাসিক চক্রে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে, যা অনেক সময় রোগীরা প্রথমে বুঝতেই পারেন না।

শুধু রোগ নয়, জীবনযাপনের ধরণও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অনিয়মিত ঘুম, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস—এসব কারণে শরীরে হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল সেবনের পরও পিরিয়ড অনিয়মিত হতে দেখা যায়।

আমি সবসময় রোগীদের একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলি—অনিয়মিত পিরিয়ড নিজে একটি রোগ নয়, বরং এটি অন্য একটি সমস্যার লক্ষণ। তাই শুধু মাসিক ঠিক করার ওষুধ খেলে সাময়িক সমাধান হতে পারে, কিন্তু মূল কারণ শনাক্ত না করলে সমস্যা থেকেই যায়। বিশেষ করে যদি ২–৩ মাস মাসিক না হয়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় বা তীব্র ব্যথা থাকে, তাহলে দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

চিকিৎসার পাশাপাশি জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন খুবই কার্যকর। সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ—এই চারটি বিষয় ঠিক রাখতে পারলে অনেক ক্ষেত্রেই হরমোনের ভারসাম্য স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তবে প্রতিটি রোগীর অবস্থা আলাদা, তাই সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনার জন্য ব্যক্তিগতভাবে মূল্যায়ন করা জরুরি।

আপনার পিরিয়ড কি নিয়মিত হচ্ছে না? সমস্যাটি দীর্ঘদিন ধরে চলছে? দেরি না করে আজই পরামর্শ নিন—কারণ সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাই আপনাকে ভবিষ্যতের জটিলতা থেকে রক্ষা করতে পারে।

EID MUBARAK!
20/03/2026

EID MUBARAK!

Address

Mirpur 1
Dhaka
1230

Telephone

+8801912335039

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Rooh-E-Zakaria posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share