Asik Drug House

Asik Drug House এখানে সকল প্রকার দেশি বিদেশী ঔষুধ খুচরা ও পাইকারী পাওয়া যায়।ইনসুলিন ও বিভিন্ন ভ্যাকসিনও পাওয়া যায়

এখানে যাবতীয় ঔষধ,ইনসুলিন এবং ভ্যাক্সিন খুচরা এবং পাইকারী দামে বিক্রয় করা হয়

22/04/2026
প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…সাথে সর্দি, কাশিবাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…এভাবেই শুরু হয়। এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles...
29/03/2026

প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…
সাথে সর্দি, কাশি
বাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…
এভাবেই শুরু হয়।
এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles (হাম) ভাইরাস
কোনো আক্রান্ত মানুষ হাঁচি দিলো, কাশি দিলো…
সেই বাতাস থেকেই ভাইরাসটা ছড়িয়ে গেলো।
আপনি বুঝতেও পারলেন না
শিশুর শরীর ইতোমধ্যে আক্রান্ত।


প্রথম ২–৩ দিন:
শুধু জ্বর, সর্দি, কাশি…
চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে।
অনেকে
ধরেই নেন এটা সাধারণ ভাইরাল জ্বর।
তারপর
জ্বর বাড়ে,
মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spot) দেখা যেতে পারে…
আর ৩–৪ দিনের মাথায়
গায়ে লালচে র‍্যাশ উঠা শুরু।
মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই পুরো সময়টাতেই বাচ্চা অন্যদের জন্য খুব সংক্রামক।
মানে, আপনি বুঝার আগেই
আরো কয়েকজন শিশুর মধ্যে এটা ছড়িয়ে যেতে পারে।

হাম হলে শিশুর যত্ন:-

১. বিশ্রাম ও আলাদা রাখা
ভিড় এড়িয়ে শান্ত ঘরে রাখুন। জ্বর বেশি হলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছান, প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শে প্যারাসিটামল দিন।
২. পর্যাপ্ত তরল দিন
পানি, দুধ, স্যুপ, ওরস্যালাইন—অল্প অল্প করে বারবার দিন। না খেতে চাইলেও চেষ্টা চালিয়ে যান।
৩. ভিটামিন A দিন
চোখ ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ—ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দিন।
৪. আলো কম রাখুন
চোখে সমস্যা হলে হালকা অন্ধকার ঘরে রাখুন, পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ মুছান।
৫. ত্বকের যত্ন নিন
নখ ছোট রাখুন, চুলকাতে না দিন, শরীর পরিষ্কার রাখুন।

কেন ভয় পাবেন?
কারণ এটা শুধু “দানা উঠা” না
এই ভাইরাস ফুসফুস, চোখ, এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।

শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, এমনকি খিঁচুনি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

একটু সচেতন হন, সেভ করুন
আর পোস্টটা শেয়ার করে অন্যকেও জানিয়ে দিন

ডা.আব্দুর রহমান

28/03/2026

দুনিয়ার বুকে যত ধরনের ছোঁয়াচে রোগ আছে, তার মধ্যে সবচে ভয়াবহ হলো হাম!

হাম (Measles) হলো একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এটি প্যারামিক্সোভাইরাস পরিবারের একটি ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। যদিও এটি যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

হাম একটি বায়ুবাহিত রোগ। এটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে নির্গত ক্ষুদ্র কণা বাতাসে মিশে যায়। সুস্থ ব্যক্তি সেই বাতাস গ্রহণ করলে বা ভাইরাসে দূষিত কোনো বস্তু স্পর্শ করে নাক-মুখ স্পর্শ করলে আক্রান্ত হতে পারেন।

আক্রান্ত ব্যক্তির র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত রোগটি ছড়ানোর ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে।

হাম থেকে মেইনলি নিউমোনিয়া হয় এবং এটাই অধিকাংশ মৃত্যুর কারণ।

হাম থেকে বাঁচার একমাত্র কার্যকরী উপায় হলো টিকা দেওয়া। শিশুদের ৯ মাস পূর্ণ হলে এবং ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ হাম-রুবেলা (MR) টিকা দেওয়া হয়। এটি প্রায় ১০০% সুরক্ষা প্রদান করে।

হাম পৃথিবীর অন্যতম সংক্রামক রোগ। টিকা না দেওয়া থাকলে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রায় ৯০%- ৯৫% থাকে। এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তি কোন স্থান থেকে চলে যাওয়ার ২ ঘণ্টা পর পর্যন্ত বাতাসে এই ভাইরাস ভেসে থাকতে পারে এবং অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

হাম মহামারি প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো হার্ড ইমিউনিটি। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় এর জন্য প্রায় ৯৫% মানুষের টিকা নেওয়া জরুরি।

হামের টিকার বিশেষত্ব হলো এটি দীর্ঘস্থায়ী। সাধারণত দুই ডোজ হাম-রুবেলা (MR) টিকা নিলে তা সারাজীবনের জন্য সুরক্ষা দিতে পারে। এর ফলে সমাজে নতুন করে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটার সুযোগ থাকে না।

টিকা কার্যক্রম সফল হলে পরিবেশে ভাইরাসের উপস্থিতি কমে যায়। ভাইরাস যত কম ছড়ানোর সুযোগ পায়, তার মহামারি তৈরির ক্ষমতা তত কমে আসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সঠিক টিকাদানের ফলে পৃথিবীতে হামের কারণে মৃত্যু প্রায় ৭৩% কমেছে।

দুনিয়ার বুকে একটা জাতআছে। গান্ডুগিরি এবং মূর্খতায় তারা সেরা। এদের অবশ্য কোন জাতি বা রেইসে ফেলতে পারবেন না। এদেরকে আপনি যেমন পাবেন ফ্লোরিডায় , তেমনি পাবেন লাহোরে, কিংবা কিম্বাসাতে অথবা মোহাম্মাদপুরে। এদের কে চেনার একমাত্র উপায়- এরা রিলিজিয়াস ফ্যানাটিক এবং এদের একমাত্র জ্ঞান হলো আম্রিকা তাদের কে বিনামূল্যে টিকা দিয়া মাইরা ফেলাইতেছে। ফলে তারা তাদের বাচ্চাদের কে জীবন রক্ষাকারী ভ্যাক্সিন দেয়া থেকে বিরত রাখে।

এদেরকে আপনি ফ্লাট আর্থ কমিউনিটি, কন্সপারিসি গ্রুপ এবং ছাগচাষ বিষয়ক আলাপ করার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিটিতেও পাবেন।

এরা নিজেরা হার্ড ইমিউনিটির বিরুদ্ধাচারন করবে, নিজের সন্তানের জীবন সংশয়ে ফেলবে এবং একই সাথে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে অন্যদের গোয়া মারতেও দ্বিধা করবেনা।

-Dr. Mahmudul Hasan

24/03/2026

ডায়রিয়ার ওষুধ Metronidazole 💊

পেটের ইনফেকশনে বাংলাদেশে Metronidazole অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম। তবে এটি কেবল নির্দিষ্ট ধরনের জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে, সব ডায়রিয়ায় নয়।

১) Metronidazole একটি Nitroimidazole গ্রুপের ওষুধ। এটি জীবাণুর DNA-তে ঢুকে সেটা ভেঙে দেয়। ফলে জীবাণু মরে যায়।

২) এটি মূলত Anaerobic bacteria এবং Protozoa-র বিরুদ্ধে কার্যকর। মানে অক্সিজেন ছাড়া বেঁচে থাকা জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে এটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

৩) Half-life প্রায় ৬–১০ ঘণ্টা। খাবারের সাথে খেলে পেটের অস্বস্তি কমে।

৪) ব্যবহার:
Amoebic dysentery (আমাশয়)
Giardiasis
Bacterial vaginosis
Dental infection (দাঁতের ইনফেকশন)
H. pylori ইনফেকশনে combination-এ

৫) সাইড ইফেক্ট: মুখে ধাতব স্বাদ, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা হতে পারে। ⚠️ওষুধটির Alcohol Warning রয়েছে।

৬) ওষুধটি বাজারে ট্যাবলেট, সাসপেনশন, IV Infusion হিসেবে পাওয়া যায়। 200, 400, 500 ও 800mg ট্যাবলেট পাওয়া য

যেসব আপুদের থাই এবং হিপের দিকটা বেশ চওড়া মানে বডির লোয়ার পোরশন বেশ ভারী- এই টাইপের বডি শেইপকে বলা হয় ওভারি বডি বা এস্ট্র...
19/03/2026

যেসব আপুদের থাই এবং হিপের দিকটা বেশ চওড়া মানে বডির লোয়ার পোরশন বেশ ভারী- এই টাইপের বডি শেইপকে বলা হয় ওভারি বডি বা এস্ট্রোজেন বডি টাইপ।

এস্ট্রোজেন হলো মেইন ফিমেইল পোটেন্ট হরমোন যেটা ফিমেইল বডির ব্রেস্ট হিপ & থাই এর দিকে ফ্যাট ডিস্ট্রিবিউশন করে। যাদের বডিতে এস্ট্রোজেন হরমোন বেশ খানিকটা বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে এইসব জায়গায় বেশ ভালো রকমের ফ্যাট ডিস্ট্রিবিউশন দেখা যায়।

এই বডি টাইপের আপুদের দেখা যায় পিরিয়ড এর সময় মারাত্মক পেইন হয়, হেভি ব্লিডিং থাকে, মুড সুইং হয় প্রচুর, আয়রন বা হিমোগ্লোবিন লেভেল ও কখনো কখনো কমে গিয়ে একধরনের দূর্বলতায় ভুগেন।

ওভারি টাইপের ফিমেইল রা এন্ডোক্রাইন ডিসরাপশনের প্রতি হাইলি সেন্সিটিভ। মানে নিজেদের বডি টাইপের দরুন এদের খুব সহজেই হরমোনাল ইমব্যালেন্সের কাছে অসহায় হয়ে যেতে হয়। এছাড়াও ইউটেরাইন ফিব্রয়েডস, এন্ডোমেট্রিওসিস/চকলেট সিস্ট এই বডি টাইপের আপুদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়।

আপনার যদি একই সাথে এই বডি টাইপ থাকে এবং এক্সেস এস্ট্রোজেনের কারনে প্রতি মাসে পিরিয়ড পেইন নিয়ে আতংকে থাকতে হয় তাহলে বডির এই এক্সেস এস্ট্রোজেন কমাতে হবে। এক্সেস এস্ট্রোজেন ফার্টিলিটির জন্যও হুমকি স্বরুপ। কমেন্ট বক্সে এক্সেস এস্ট্রোজেন থেকে বাঁচার উপায় লিখে দিবো। দেখে নিতে পারেন।

এক্সেস এস্ট্রোজেন বা এস্ট্রোজেন ডমিন্যান্সের লক্ষন:

- পিরিয়ডের আগে বা মাসের বেশ খানিকটা সময় ধরে ব্রেস্ট টেন্ডারনেস থাকা।
- মাথাব্যাথা ও বাজে মুড সুইং হওয়া।
-অতিরিক্ত ওজন গেইন করা, বিশেষ করে হিপ এবং থাই এর দিকে।
-মেন্সট্রুয়াল ইরেগুলারিটি, হেভি মেন্সট্রুয়াল ব্লিডিং, ব্লাড ক্লট এবং প্রচন্ড ক্র্যাম্প থাকা।
- ইউটেরাস ফিব্রয়ড
- এন্ডোমেট্রিওসিস/চকলেট সিস্ট থাকা।
- ব্লোটিং থাকা, বাথরুম ঠিক ঠাক না হওয়া।
- ফ্যাটিগ-ব্রেইন ফগ ইত্যাদি।

পিয়ার শেইপড বডি হিসাবে অনেক সময় এই বডি শেইপকে আলাদা গ্লোরির চোখে দেখা হয়। বহু মডেল ও ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রির তারকারা এই পিয়ার শেইপ আনতে লাখ লাখ টাকা খরচ করে।

সমস্যা তখন ই হয় যখন অতিরিক্ত এস্ট্রোজেন সুন্দর বডি শেইপকে টপকিয়ে হরমোনাল ইমব্যালেন্স ও ফার্টিলিটির বারোটা বাজিয়ে দেয়।

নাগেরহাট নিয়ে কখনো কোন মন্ত্রী, চেয়ারম্যান ভাবেনা!এভাবে অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়।
12/03/2026

নাগেরহাট নিয়ে কখনো কোন মন্ত্রী, চেয়ারম্যান ভাবেনা!
এভাবে অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়।

দাদি-নানীর অতিরিক্ত “ভালোবাসা”র ফল — নবজাতকের স্তনে ইনফেকশন (Neonatal Mastitis).গ্রামাঞ্চলে এখনো একটি ভুল ধারণা প্রচলিত ...
03/03/2026

দাদি-নানীর অতিরিক্ত “ভালোবাসা”র ফল — নবজাতকের স্তনে ইনফেকশন (Neonatal Mastitis).

গ্রামাঞ্চলে এখনো একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে—নবজাতকের স্তনে দুধ জমেছে মনে হলে টিপে দুধ বের করে দিতে হবে। ❌

আসলে এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

কেন নবজাতকের স্তন ফুলে যায়?

জন্মের পর মায়ের হরমোনের প্রভাবে অনেক নবজাতকের (ছেলে-মেয়ে উভয়েই) স্তন সামান্য ফুলে যেতে পারে, এমনকি অল্প সাদা তরলও বের হতে পারে। এটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন এবং সাধারণত নিজে নিজেই সেরে যায়।

⚠️ সমস্যা কোথায় হয়?

যখন দাদি-নানীরা স্তন টিপে “দুধ বের” করতে যান, তখন—
ত্বকে ক্ষত তৈরি হয়,ফলে জীবাণু প্রবেশের সুযোগ পায়-
শুরু হয় ইনফেকশন।

এর ফল হতে পারে Neonatal mastitis — যা দ্রুত চিকিৎসা না করলে অ্যাবসেস (পুঁজ) পর্যন্ত হতে পারে।

🚨 লক্ষণসমূহ:

স্তন লাল হয়ে যাওয়া।
ফোলা ও ব্যথা।
গরম অনুভূত হওয়া।
পুঁজ বের হওয়া।
কখনো জ্বর।

🛑 কি করবেন না:

স্তন টিপবেন না।
স্তনে ম্যাসেজ করবেন না।
ঘরোয়া কোনো পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন না।

👶 মনে রাখবেন:
নবজাতকের স্তন ফোলা অধিকাংশ সময় স্বাভাবিক এবং ২–৩ সপ্তাহের মধ্যে নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। অযথা টিপে শিশুকে কষ্ট দেবেন না।

👉 সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।

শিশুর প্রতি ভালোবাসা হোক সঠিক জ্ঞানের ভিত্তিতে।

পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানতে সাহায্য করুন। আপনার একটি শেয়ারে হয়তো অনেক শিশু এমন কষ্ট হতে মুক্তি পেতে পারে।

Dr.Ashraful Amin Chowdhury
নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
এবং শিশু বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

ঘরে বাচ্চা পোলাপান থাকলে অবশ্যই এই দুইটা ওষুধ কিনে রাখবেন। নাপা সিরাপ বাচ্চার যে কোন সময় জ্বর হলে খাওয়াতে পারবেন। এবং ...
02/03/2026

ঘরে বাচ্চা পোলাপান থাকলে অবশ্যই এই দুইটা ওষুধ কিনে রাখবেন।
নাপা সিরাপ বাচ্চার যে কোন সময় জ্বর হলে খাওয়াতে পারবেন।
এবং ফিলমেট সিরাপ বাচ্চার পাতলা পায়খানা বা লোজ মোশন হলে খাওয়াতে পারবেন।

ভাবা যায়🌼
02/01/2026

ভাবা যায়🌼

দেশে দিন দিন এত ফুসফুসের রোগী কেন বাড়তেছে জানেন?
13/12/2025

দেশে দিন দিন এত ফুসফুসের রোগী কেন বাড়তেছে জানেন?

ডাক্তারের কাছে কখনো ম্যাজিক আশা করবেন না। ম্যাজিক চাইতে গেলে বিপদে পড়বেন। এক / দুই মাস বয়সী বাচ্চাদের নাক বন্ধ থাকার ক...
12/11/2025

ডাক্তারের কাছে কখনো ম্যাজিক আশা করবেন না।

ম্যাজিক চাইতে গেলে বিপদে পড়বেন। এক / দুই মাস বয়সী বাচ্চাদের নাক বন্ধ থাকার কারণে অনেকে নরমাল স্যালাইন ( Sodium chloride 0.9%) জাতীয় ড্রপগুলো ব্যবহার করতে চান না। অথচ ২ বছরের আগে বাচ্চাদের একমাত্র নাকের ড্রপ এইটাই নিরাপদ। এই ড্রপগুলো ম্যাজিকের মত নাক খুলবে না, কিন্তু যতবার প্রয়োজন এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

যে সকল ড্রপের নামের নিচে Sodium chloride 0.9% লিখা থাকে সেগুলো যে কোন বয়স থেকে নিরাপদ। যেমন: Norsol, Solo, N sol, Happysol, Nosomist.

এই নাম ব্যতীত যে ড্রপ কিনে থাকেন (Oxymetazoline, Xylometazoline গ্রুপের) সেগুলো দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারে অনেক বড় ক্ষতি করে। যেমন:

গতকাল রাতের ভিডিওতে কেউ কেউ কমেন্টে জানিয়েছেন ড্রপ ছাড়া নাক খোলেই না।

👉এটাই Rebound congestion

✅এটি সবচেয়ে সাধারণ ও গুরুতর সমস্যা।
✅নাকের ড্রপ বন্ধ করলে নাক আরও বেশি বন্ধ হয়ে যায়।
✅ফলে মানুষ আবার ড্রপ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়, এবং এভাবে একটি চক্রাকার নির্ভরতা তৈরি হয়।

তাছাড়াও দীর্ঘদিন ও অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে
👉 নাকের টিস্যু নষ্ট হয়ে যায়
👉 নাক শুষ্ক ভাব হয়ে থাকে এবং জ্বালাপোড়া হতে পারে
👉 রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে
👉 বুক ধরফর করতে পারে (হার্ট রেট বাড়ায়)
👉 ঘ্রাণশক্তি নষ্ট হতে পারে

ডাঃ মেহেদী হাসান,

05/11/2025

PPI সকালে, famotidine রাতে ,কেন? 🛑
মুড়ির মতো এই ড্রাগ নেই,নেবোই যখন ,একটু স্মার্টলি নেই 🤣😝

PPI ও ফ্যামোtidine দুটোই gastric acid secretion কমানোর drug,
কিন্তু তাদের mechanism of action, onset of action, আর acid control timing সম্পূর্ণ আলাদা।
তাই তাদের সঠিক সময় দেওয়া চিকিৎসার কার্যকারিতা নির্ধারণ করে।

💊Proton Pump Inhibitor (PPI)
তাদের Mechanism টা কী?

Irreversibly inhibits H⁺/K⁺ ATPase enzyme → final step of acid secretion বন্ধ করে।
Timing logic নিয়েও জানা জরুরী :

Proton pumps খুব বেশি active হয় খাবারের সময় এবং বিশেষ করে সকালে ব্রেকফাস্টের সময়।

তাই Omeprazole বা PPI খালি পেটে সকালে দিলে, খাবারের সময় যখন pump সক্রিয় হয়, তখন drug already bound → maximum inhibition হয়।

এবং আমরা জানি PPI গুলো প্রায় 24 ঘন্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে।

কিন্তু যদি রাতে দেওয়া হয়, তখন acid secretion কম থাকে → drug binding কম হয় → efficacy হ্রাস পায়।
Clinical point যেটা আমি বলতে চাচ্ছি:
যদি আপনি সিঙ্গেল ডোজ ppi নেন,তাহলে:
👉Morning dose = better acid control through the day.
👉 রাতে দিলে শুধু absorption হয়, কিন্তু pump inactive থাকায় পুরোপুরি কার্যকর হয় না।

এবার আসেন: famotidine: H₂ Receptor Blocker
Mechanism হচ্ছে:
Blocks histamine H₂ receptors on parietal cells → reduces basal and nocturnal acid secretion.
তাহলে এখানে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হচ্ছে nocturnal acid secretion control করতেছে এই পয়েন্টটা গুরুত্বপূর্ণ।

Timing বা কতোক্ষণব্যাপী কাজ করে:
Histamine-mediated acid secretion বেশি হয় রাতে (sleep period-এ gastric acid peak করে)।এটা হচ্ছে ফিজিওলোজি।

তাই এটা রাতে ঘুমানোর আগে দিলে nocturnal acid breakthrough কমে যায়।

famotidine এর কাজ শুরু হয় ১ ঘন্টার মধ্যে, কাজের মেয়াদ ৬–৮ ঘণ্টা।
অর্থাৎ bedtime dose = পুরো ঘুমের সময় acid control করতে চাইলে বেস্ট অপশন h2 receptor blocker..

Clinical learning ,যেটা এতো কথার সারমর্ম :
👉 “Bedtime famotidine/h2 receptor blocker prevents nocturnal heartburn.”
👉 দিনের বেলায় দিলে GERD symptom কম কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ হয়।

তাহলে, PPI + H₂ Blocker একসাথে দিলে কী হয়?
সাধারণত একসাথে দেওয়া হয় না, কারণ PPI-র acid suppression অনেক শক্তিশালী ,সে একাই একশো।

তবে refractory GERD বা night-time acid breakthrough হলে
সকালে Omeprazole + রাতে famotidine short-term দেওয়া যায়।

ডা.তামিম

#হেলথটিপস #সুস্বাস্থ্য #গ্যাস্ট্রিক #হেলথ

Address

Nagethat To Shaympur Road In Nagerhat
Badarganj
5430

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asik Drug House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Asik Drug House:

Share