Quranic Health

Quranic Health Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Quranic Health, Alternative & holistic health service, Samad Tower, House. 26, Road-01, Block-g, Aftabnagar, Badda.
(1)

ঢাকা সেন্টার: 01302093999
কুমিল্লা সেন্টার: 01330418659
আমাদের সার্ভিস: ✅জিনের আসর ✅ জাদুটোনা ✅বদনজর-হাসাদ ✅ওয়াসওয়াসা এবং এগুলোর প্রভাবে সৃষ্ট অন্যান্য শারীরিক মানসিক সমস্যার নববী চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান ✅ ইসলামিক কাউন্সিলিং ✅ ইসলামিক লাইফ কনসালটেন্সি

জুমার দিনের আমল সমূহ:
12/06/2026

জুমার দিনের আমল সমূহ:

11/06/2026

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করুন
আত্মীয়তার সম্পর্ক (সিলাতুর রাহিম) ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা। আত্মীয়দের খোঁজ-খবর নেওয়া, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং সম্পর্ক বজায় রাখা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় আমল।
রাসূল ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক বৃদ্ধি পাক এবং তার আয়ুতে বরকত হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (সহিহ বুখারি)
ব্যস্ততার এই যুগে একটি ফোন কল, একটি খোঁজখবর বা একটি সুন্দর আচরণও সম্পর্ককে দৃঢ় করতে পারে। অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি ও পার্থিব স্বার্থের কারণে আত্মীয়তার বন্ধন নষ্ট না করে ক্ষমা, ভালোবাসা ও সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পর্ককে জীবিত রাখি।
আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করুন, দুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে কল্যাণ লাভ করুন।
Quranic health

অশ্লীল চিন্তা আসলে কী করবেন?অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে লজ্জা পান। মনে করেন, "আমার মনে এমন চিন্তা আসে, তাহলে হয়তো আমি খুব খ...
10/06/2026

অশ্লীল চিন্তা আসলে কী করবেন?

অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে লজ্জা পান। মনে করেন, "আমার মনে এমন চিন্তা আসে, তাহলে হয়তো আমি খুব খারাপ মানুষ।"

কিন্তু মনে রাখুন মনে অনাকাঙ্ক্ষিত চিন্তা আসা নিজে গুনাহ নয়। গুনাহ তখনই হয়, যখন মানুষ সেই চিন্তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে লালন করে, উপভোগ করে বা কাজে পরিণত করে।

তাই অশ্লীল চিন্তা আসলে নিজেকে হেফাজত করার কিছু কার্যকর উপায় জেনে নিন

১. সাথে সাথে চিন্তাটি প্রত্যাখ্যান করুন

চিন্তা আসার সাথে সাথে সেটাকে গ্রহণ না করে বলুন

"আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম"

তারপর দ্রুত মন অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত করুন। মনে রাখবেন, যে চিন্তাকে খাদ্য দেওয়া হয় না, সেটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায়।

২. দৃষ্টি হেফাজত করুন

অধিকাংশ অশ্লীল চিন্তার শুরু হয় চোখ থেকে।

অপ্রয়োজনীয় ভিডিও ও ছবি দেখা থেকে বিরত থাকুন।

সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর কনটেন্ট এড়িয়ে চলুন

পর্নোগ্রাফি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন

কারণ চোখ যা দেখে, মন তা সংরক্ষণ করে।

৩. নিজেকে ব্যস্ত রাখুন

অলসতা শয়তানের অন্যতম সুযোগ।

পড়াশোনা

কাজকর্ম

ব্যায়াম

পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো

কুরআন তিলাওয়াত ও ইসলামী বই পড়া

যত বেশি উপকারী কাজে ব্যস্ত থাকবেন, তত কম অশ্লীল চিন্তা আপনাকে বিরক্ত করবে।

৪. অজু ও নামাজের সাহায্য নিন

অশ্লীল চিন্তা বেশি হলে অজু করুন এবং দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করুন।

নামাজ হৃদয়কে প্রশান্ত করে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ককে দৃঢ় করে।

৫. একাকীত্ব ও গোপন গুনাহের পরিবেশ এড়িয়ে চলুন দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ করে একা থাকা, গভীর রাতে মোবাইল ব্যবহার করা কিংবা উদ্দেশ্যহীন ইন্টারনেট ব্রাউজিং অনেক সময় খারাপ চিন্তার দরজা খুলে দেয়।

নিজেকে এমন পরিবেশে রাখুন যেখানে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহ পাওয়া যায়।

৬. হালাল সমাধানের দিকে এগিয়ে যান

যদি বয়স ও সামর্থ্য থাকে, তাহলে বিয়ের কথা চিন্তা করুন।

ইসলাম মানুষের স্বাভাবিক চাহিদার জন্য পবিত্র ও সম্মানজনক পথ নির্ধারণ করে দিয়েছে।



অশ্লীল চিন্তার সাথে যুদ্ধ করা ঈমানদারের সংগ্রামের একটি অংশ।

আপনি খারাপ নন, যদি আপনি এই চিন্তার বিরুদ্ধে লড়াই করেন। বরং নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করাটাই একজন মুমিনের শক্তি।

আজ নিজেকে প্রশ্ন করুন "আমি কি আমার চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করি, নাকি চিন্তাই আমাকে নিয়ন্ত্রণ করে?"

আল্লাহ তাআলা আমাদের চোখ, মন, হৃদয় ও নফসের হেফাজত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Quranic health

হঠাৎ অলসতা, একাকিত্ব ও কর্মবিমুখতা শুধুই ডিপ্রেশন, নাকি অন্য কোনো কারণ? অনেক সময় দেখা যায়, একজন প্রাণবন্ত ও উদ্যমী মানুষ...
09/06/2026

হঠাৎ অলসতা, একাকিত্ব ও কর্মবিমুখতা শুধুই ডিপ্রেশন, নাকি অন্য কোনো কারণ?

অনেক সময় দেখা যায়, একজন প্রাণবন্ত ও উদ্যমী মানুষ হঠাৎ করেই বদলে যেতে শুরু করেন। কোনো কাজেই আগ্রহ থাকে না, মানুষের সাথে মিশতে ইচ্ছে করে না, সবসময় ক্লান্ত লাগে এবং একাকী থাকতে ভালো লাগে। সাধারণভাবে আমরা এসবকে মানসিক চাপ বা ডিপ্রেশনের লক্ষণ হিসেবে দেখি।

তবে মনে রাখা প্রয়োজন, একই ধরনের লক্ষণ বিভিন্ন কারণে হতে পারে। শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে আধ্যাত্মিক সমস্যাও ভূমিকা রাখতে পারে বলে অনেক আলেম ও রুকইয়াহ বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেছেন।

যেসব লক্ষণ খেয়াল করা যেতে পারে: অস্বাভাবিক অলসতা ও উদ্যমহীনতা
1. সবসময় একা থাকতে ইচ্ছা করা
2. সিদ্ধান্ত নিতে কষ্ট হওয়া
3.কারণ ছাড়া অস্থিরতা বা ভয়
4. ইবাদতে অনীহা বা মনোযোগের ঘাটতি
5. দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা বা অস্বস্তি, যার সুস্পষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না

সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে করণীয় :
• পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া
• সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আজকার নিয়মিত পড়া
• কুরআন তিলাওয়াত ও শুনার অভ্যাস গড়ে তোলা
• সূরা আল-বাকারাহ পাঠ বা শুনা
• আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করা
• প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ও সুন্নাহসম্মত রুকইয়াহ পরামর্শ গ্রহণ করা

মনে রাখবেন, আল্লাহই একমাত্র শিফাদানকারী। কুরআন মুমিনদের জন্য হিদায়াত, রহমত ও শিফা। তাই হতাশ না হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন, নিয়মিত ইবাদত করুন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পাশাপাশি শরয়ি উপায়ে সমাধানের চেষ্টা করুন।

রুকইয়াহ পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন
আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন অথবা কল করুন।

📍 কুমিল্লা সেন্টার
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী (ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়), আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে, কুমিল্লা শহর।

📍 ঢাকা সেন্টার
বাড়ি-২৬, রোড-১, ব্লক-জি, সেক্টর-১, আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২।

Quranic Health

ইনসাফ প্রতিষ্ঠা: দুনিয়ার শান্তি ও আখিরাতের মুক্তির অন্যতম চাবিকাঠিইসলাম এমন একটি জীবনব্যবস্থা, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও...
08/06/2026

ইনসাফ প্রতিষ্ঠা: দুনিয়ার শান্তি ও আখিরাতের মুক্তির অন্যতম চাবিকাঠি

ইসলাম এমন একটি জীবনব্যবস্থা, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার শিক্ষা দেয়। দুনিয়ার শান্তি, সামাজিক স্থিতি এবং আখিরাতের সফলতার জন্য ইনসাফের বিকল্প নেই। যখন সমাজে ন্যায়পরায়ণতা দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন জুলুম, বৈষম্য, হিংসা ও শত্রুতার বিস্তার ঘটে। মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয় এবং সমাজে অশান্তি নেমে আসে।

মহান আল্লাহ তাআলা মুমিনদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা সব অবস্থায় ন্যায়ের ওপর অটল থাকে। তিনি বলেন
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে ন্যায়ের সাক্ষ্যদাতা হিসেবে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো। কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে ন্যায়বিচার থেকে বিরত না রাখে। তোমরা ইনসাফ করো; এটিই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী। আর আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবগত।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)

বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ নিজেদের স্বার্থ, দলীয় পক্ষপাত কিংবা ব্যক্তিগত আবেগকে ন্যায়ের মানদণ্ড মনে করে। কেউ কেউ নিজেদের জুলুমকে বৈধ প্রমাণ করার জন্য নানা যুক্তি, অজুহাত ও মিথ্যা কাহিনির আশ্রয় নেয়। কিন্তু মহান আল্লাহ মানুষের প্রকাশ্য ও গোপন সবকিছু জানেন। মানুষের সামনে সত্য গোপন করা সম্ভব হলেও আল্লাহর কাছে কিছুই গোপন নয়।
একজন মুমিন কখনো নিজের স্বার্থ, আত্মীয়তা বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে অন্যায় ও জুলুমের পক্ষ নিতে পারে না। বরং নিজের বিরুদ্ধে গেলেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোই ঈমানের দাবি। আল্লাহ তাআলা বলেন

“হে মুমিনগণ! তোমরা ন্যায়ের ওপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং আল্লাহর জন্য সাক্ষ্য দেবে, যদিও তা তোমাদের নিজেদের, পিতা-মাতা কিংবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়। সে ধনী হোক বা দরিদ্র, আল্লাহ তাদের উভয়ের ব্যাপারে অধিক হকদার। অতএব, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না।” (সূরা আন-নিসা: ১৩৫)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল, শাসক-শাসিত সবার জন্য সমান ন্যায়বিচার নিশ্চিত ছিল। তিনি শিখিয়েছেন যে কোনো মানুষের প্রাপ্য অধিকার আদায়ে তার দুর্বলতা যেন বাধা না হয়।
আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) বর্ণনা করেন, এক বেদুইন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে তার পাওনা দাবি করতে এসে কঠোর ভাষা ব্যবহার করেছিল। সাহাবায়ে কেরাম তাকে ধমক দিতে চাইলে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,
“তোমরা পাওনাদারের পক্ষ নিলে না কেন?”
পরে তিনি তার পাওনা পরিশোধ করে দেন। তখন সেই ব্যক্তি বলেন, “আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।”

এরপর রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন
“যে জাতির দুর্বল মানুষ জোর-জবরদস্তি ছাড়া তার ন্যায্য অধিকার আদায় করতে পারে না, সে জাতি কখনো পবিত্র ও সফল হতে পারে না।” (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৪২৬)

অন্য হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন
“ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিরা কিয়ামতের দিন আল্লাহর ডান পাশে নূরের মিম্বরে অবস্থান করবে। তারা হলো সেইসব মানুষ, যারা তাদের বিচার, পরিবার এবং দায়িত্বের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে।” (সহিহ মুসলিম: ১৮২৭)

অতএব, একজন মুমিনের দায়িত্ব হলো সর্বাবস্থায় ন্যায়ের পক্ষে থাকা, জুলুমের বিরোধিতা করা এবং মানুষের হক আদায়ে সচেষ্ট হওয়া। কারণ ইনসাফ শুধু একটি সামাজিক গুণ নয়; এটি তাকওয়ার প্রকাশ, ঈমানের দাবি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করার তাওফিক দান করুন। জুলুম থেকে হেফাজত করুন এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।
আমিন।
Quranic health

বিবাহিত নারীদের মানসিক সুস্থতা: ইসলামের আলোকে হৃদয়ের যত্ন বিবাহিত জীবন সুন্দর একটি নেয়ামত, তবে এর সাথে আসে নানা দায়িত্ব,...
07/06/2026

বিবাহিত নারীদের মানসিক সুস্থতা: ইসলামের আলোকে হৃদয়ের যত্ন



বিবাহিত জীবন সুন্দর একটি নেয়ামত, তবে এর সাথে আসে নানা দায়িত্ব, ত্যাগ, মানিয়ে নেওয়া এবং কখনো কখনো মানসিক চাপও। অনেক নারী নীরবে দুশ্চিন্তা, একাকীত্ব, অবহেলার কষ্ট, অতিরিক্ত দায়িত্বের বোঝা কিংবা সম্পর্কের টানাপাড়া বহন করেন। অথচ ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে মনের যত্ন নেওয়াও ইবাদতের অংশ।

মনে রাখুন, আপনার কষ্ট আল্লাহর কাছে গোপন নয়

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়সমূহ প্রশান্তি লাভ করে।" (সূরা রা'দ: ২৮)

আরও বলেন:

"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে।" (সূরা ইনশিরাহ: ৫-৬)

মানসিক প্রশান্তির জন্য করণীয়

প্রতিদিন সময়মতো সালাত আদায় করুন

সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন যিকির নিয়মিত পড়ুন

কুরআন তিলাওয়াত ও অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন

নিজের দুঃখ-কষ্ট আল্লাহর কাছে খুলে বলুন

প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ত মানুষ, আলেম বা কাউন্সেলরের পরামর্শ নিন

পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাবারের প্রতি গুরুত্ব দিন

রুকইয়াহ ও আত্মিক সুরক্ষা

নিয়মিত সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস তিলাওয়াত করুন। এগুলো শুধু আত্মিক সুরক্ষাই নয়, অন্তরের প্রশান্তি ও আল্লাহর প্রতি ভরসা বৃদ্ধি করতেও সহায়ক।

প্রিয় বোন, সবসময় শক্ত থাকার অভিনয় করতে হবে না

কখনো ক্লান্ত লাগলে বিশ্রাম নিন। কখনো কষ্ট হলে দোয়া করুন। কখনো ভারী মনে হলে কুরআনের কাছে ফিরে আসুন।

আল্লাহ আপনার প্রতিটি অশ্রু, প্রতিটি ধৈর্য এবং প্রতিটি দোয়ার খবর রাখেন।

মনের যত্ন নিন, কারণ একটি সুস্থ মনই একটি সুন্দর পরিবার গঠনের ভিত্তি।

মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা বা আত্মিক সমস্যার বিষয়ে ইসলামসম্মত পরামর্শ ও রুকইয়াহ সেবার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন

অথবা কল করুন: +8801330418659

কুমিল্লা সেন্টার:

ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী (ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়)।আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে, কুমিল্লা শহর

ঢাকা সেন্টার:

বাড়ি-২৬, রোড-১, ব্লক-জি, সেক্টর-১

আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২

Quranic Health

07/06/2026

শরীরও একটি আমানত
আমরা অনেক সময় দ্বীনের কথা বলতে গিয়ে শুধু নামাজ, রোজা বা অন্যান্য ইবাদতের কথা ভাবি। অথচ ইসলাম মানুষের পুরো জীবনব্যবস্থার শিক্ষা দেয়। আমাদের শরীরও আল্লাহ তাআলার দেওয়া একটি মূল্যবান আমানত, যার যত্ন নেওয়া একজন মুমিনের দায়িত্ব।

রাসূল ﷺ বলেছেন, “তোমার শরীরেরও তোমার উপর অধিকার রয়েছে।” (সহিহ বুখারি)

তাই শরীরকে অবহেলা করা, অযত্নে রাখা বা ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতি করা ইসলামের শিক্ষা নয়। বরং সুস্থ থাকার জন্য পরিমিত খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, নিয়মিত হাঁটা-চলা ও শরীরচর্চা করা প্রশংসনীয় কাজ।

নবী ﷺ সাহাবিদের সাঁতার, তীরন্দাজি ও ঘোড়সওয়ারির মতো শারীরিক দক্ষতার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, একজন মুমিনের শারীরিকভাবে সক্রিয় ও কর্মক্ষম হওয়া কাম্য।
সুস্থ শরীর ইবাদতে শক্তি যোগায়, কর্মে উদ্যম আনে এবং আল্লাহর নেয়ামতের কদর করতে শেখায়। তাই নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া শুধু স্বাস্থ্য সচেতনতা নয়, বরং আমানতের হক আদায়েরও একটি অংশ।
সুস্থ থাকুন, সক্রিয় থাকুন, আল্লাহর দেওয়া আমানতের যথাযথ যত্ন নিন।

Quranic health

জিন-জাদু থেকে নিরাপত্তার আমল জিন ও জাদু কুরআন-হাদিসে স্বীকৃত বাস্তবতা। আল্লাহ তাআলা কুরআনে জাদুর অস্তিত্বের কথা উল্লেখ ক...
06/06/2026

জিন-জাদু থেকে নিরাপত্তার আমল

জিন ও জাদু কুরআন-হাদিসে স্বীকৃত বাস্তবতা। আল্লাহ তাআলা কুরআনে জাদুর অস্তিত্বের কথা উল্লেখ করেছেন এবং জিনদের সম্পর্কে আলাদা সূরা নাযিল করেছেন। তাই একজন মুমিন এ বিষয়কে অস্বীকার করতে পারে না। তবে সুখবর হলো আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এই ধরনের অনিষ্ট থেকে বাঁচার উপায়ও শিখিয়ে দিয়েছেন। আর সেই উপায় হলো কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ।

নবী ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস তিনবার করে পড়বে, তা তার জন্য সব ধরনের অনিষ্ট থেকে যথেষ্ট হবে।”
আবু দাউদ: ৫০৮২

জিন-জাদু ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকার আমল।
সকাল-সন্ধ্যার আজকার নিয়মিত পড়ুন
আয়াতুল কুরসি
সূরা ইখলাস
সূরা ফালাক
সূরা নাস

ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ুন নবী ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়বে, আল্লাহ তার জন্য একজন পাহারাদার (ফেরেশতা) নিযুক্ত করবেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার নিকটবর্তী হতে পারবে না।”
সহীহ বুখারি: ২৩১১
ঘরে নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত করুন নবী ﷺ বলেছেন:

“যে ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, শয়তান সেই ঘর থেকে পালিয়ে যায়।”
সহীহ মুসলিম: ৭৮০

প্রতিটি কাজের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলুন
ঘরে প্রবেশের সময়
খাবার খাওয়ার আগে
গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করার আগে
এসব ছোট ছোট আমল শয়তানের প্রবেশ ও প্রভাবকে বাধাগ্রস্ত করে।

মনে রাখুন
এই আমলগুলো শুধু জিন-জাদুর অনিষ্ট থেকে রক্ষার জন্য নয়; বরং এগুলোর মাধ্যমে ঘরে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়, পরিবারে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ঈমান আরও মজবুত হয়।
কুরআন ও সুন্নাহর আমলই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।
"যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।"
সূরা আত-তালাক: ৩

আপনাদের যদি এমন সমস্যা থাকে তাহলে আপনি রুকাইয়া চিকিৎসা নিতে পারেন।
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন
আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন: +8801330418659

📍 কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী (ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়)।আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে, কুমিল্লা শহর

📍 ঢাকা সেন্টার:
বাড়ি-২৬, রোড-১, ব্লক-জি, সেক্টর-১
আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২

Quranic Health

হিজামা: সুন্নাহভিত্তিক একটি উপকারী চিকিৎসা পদ্ধতিহিজামা বা কাপিং থেরাপি হলো রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহসম্মত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি,...
04/06/2026

হিজামা: সুন্নাহভিত্তিক একটি উপকারী চিকিৎসা পদ্ধতি

হিজামা বা কাপিং থেরাপি হলো রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহসম্মত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার উপশমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হিজামার মাধ্যমে শরীরের দূষিত ও স্থবির রক্ত বের করে দেওয়া হয়, যা রক্ত সঞ্চালনকে উন্নত করতে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

হিজামার কিছু সম্ভাব্য উপকারিতা:

শরীরের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে

মাথাব্যথা ও মাইগ্রেনের উপশমে সহায়ক

ঘাড়, কাঁধ ও কোমরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে

ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করতে ভূমিকা রাখে

শরীরের বিষাক্ত উপাদান নির্গমনে সহায়তা করে

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করতে পারে

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "তোমরা যে চিকিৎসাগুলো গ্রহণ করো, তার মধ্যে হিজামা অন্যতম উত্তম চিকিৎসা।" (সহীহ বুখারী)

সুস্থ শরীর ও সুস্থ জীবনের জন্য সুন্নাহ অনুযায়ী হিজামা করুন।

হিজামা চিকিৎসা নিতে কল করুন: +8801330418659

📍 কুমিল্লা সেন্টার:

ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী (ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়)।আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে, কুমিল্লা শহর

📍 ঢাকা সেন্টার:

বাড়ি-২৬, রোড-১, ব্লক-জি, সেক্টর-১

আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২

Quranic health

জিলহজ্জ মাসের হিজামার সুন্নাহ তারিখসমূহ হিজামা (Cupping Therapy) হলো রাসূল ﷺ এর সুন্নাহভিত্তিক একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা শ...
03/06/2026

জিলহজ্জ মাসের হিজামার সুন্নাহ তারিখসমূহ
হিজামা (Cupping Therapy) হলো রাসূল ﷺ এর সুন্নাহভিত্তিক একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জিলহজ্জ মাসের সুন্নাহ তারিখ
✅ ৪ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
✅ ৬ জুন ২০২৬ (শনিবার)
✅ ৮ জুন ২০২৬(সোমবার)
রাসূলুল্লাহ ﷺ নির্দিষ্ট কিছু দিনে হিজামা করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেন। তাই সুন্নাহ অনুযায়ী হিজামা করতে চাইলে এখনই আপনার সময় নির্ধারণ করে রাখুন।

হিজামার সম্ভাব্য উপকারিতা • রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সহায়ক
• মাথাব্যথা ও শরীরের ক্লান্তি কমাতে সাহায্যকারী
• শরীরকে সতেজ ও কর্মক্ষম রাখতে সহায়ক
• সুন্নাহ পালনের সুযোগ সুস্থ শরীর, প্রশান্ত মন এবং সুন্নাহর অনুসরণ এই তিনের সমন্বয়ে গড়ে উঠুক সুন্দর জীবন।

📍 কুমিল্লা সেন্টার: 01330418659
📍 ঢাকা সেন্টার: 01302093999
🌐 quranichealt.org

Address

Samad Tower, House. 26, Road-01, Block-g, Aftabnagar
Badda

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic Health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Quranic Health:

Share