Dr.Afzal Hosen

Dr.Afzal Hosen A health-related page where discuss different types of human disease and its treatment
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন প্রশ্ন, সমস্যা এই পেজে করতে পারেন

যত্ন নিন...
22/05/2026

যত্ন নিন...

22/05/2026

➡️Hand foot & Mouth Diseases (HFMD) সম্পর্কে সচেতনতাহ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ বা HFMD (Hand, Foot and Mouth Diseas...
22/05/2026

➡️Hand foot & Mouth Diseases (HFMD) সম্পর্কে সচেতনতা
হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ বা HFMD (Hand, Foot and Mouth Disease) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে বড়রাও আক্রান্ত হতে পারেন।

🔍 কারণ:
এই রোগটি সাধারণত Coxsackievirus (এক ধরনের এন্টারোভাইরাস) দ্বারা হয় এবং এটি খুব দ্রুত ছড়ায়।

⚠️ লক্ষণসমূহ:

✔️ হালকা জ্বর
✔️ গলা ব্যথা
✔️ মুখের ভিতরে ছোট ছোট ঘা
✔️ হাত ও পায়ের তালুতে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ
✔️ শিশুর খাওয়ায় অনীহা ও অস্থিরতা

🦠 কিভাবে ছড়ায়?

➡️ আক্রান্ত ব্যক্তির লালা, নাকের পানি, ফোসকার পানি বা মলের মাধ্যমে
➡️ কাছাকাছি সংস্পর্শে
➡️ অপরিষ্কার হাত বা খেলনা থেকে

🛑 প্রতিরোধের উপায়:

✅ বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
✅ আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা
✅ শিশুর খেলনা ও ব্যবহার্য জিনিস পরিষ্কার রাখা
✅ হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা

💊 চিকিৎসা:

👉 এটি সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়
👉 জ্বর ও ব্যথার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ দেওয়া হয়
👉 বেশি পানি ও তরল খাবার খাওয়ানো জরুরি

🚨 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

❗ শিশুর খাওয়াদাওয়া একদম কমে গেলে
❗ জ্বর বেশি দিন থাকলে
❗ পানি শূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে

📌 সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন।
HFMD সাধারণত মারাত্মক নয়, কিন্তু দ্রুত ছড়ায়—তাই শুরুতেই প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
Dr. Tanfiz Ahamed

07/08/2025

🦠 বর্তমান সময়ের ভাইরাস জ্বর: সাবধান হোন, সচেতন থাকুন! 🌡️

বর্তমানে আমাদের চারপাশে ভাইরাসজনিত জ্বর (Viral Fever) খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। শিশু থেকে শুরু করে বড়দেরও আক্রান্ত হওয়ার হার বাড়ছে। এই জ্বর সাধারণত মৌসুমি পরিবর্তন, বৃষ্টির পানি জমে থাকা, মশার বৃদ্ধি এবং জনসমাগমের কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

🔍 ভাইরাস জ্বরের সাধারণ লক্ষণ:

হঠাৎ করে জ্বর আসা (১০১°F-১০৪°F)

গলা ব্যথা, মাথা ব্যথা

শরীরে ব্যথা বা দুর্বলতা

চোখ লাল হয়ে যাওয়া

হালকা কাশি বা গলা খুশখুশ

কিছু ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানা বা বমি

-

⚠️ ভাইরাস জ্বর কেন হয়?

ভাইরাসের সংক্রমণ (যেমন: ডেঙ্গু, ইনফ্লুয়েঞ্জা, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি)

দূষিত পানি বা খাবার

মশাবাহিত রোগ

হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ানো

🛡️ করণীয় ও প্রতিরোধ:

✅ পর্যাপ্ত পানি পান করুন (ডিহাইড্রেশন রোধে)
✅ বিশ্রাম নিন
✅ হালকা খাবার খান – ভাত, স্যুপ, ডাবের পানি
✅ মাস্ক ব্যবহার করুন
✅ মশা নিধনে সচেতন থাকুন
✅ জ্বর ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন
✅ প্রয়োজন হলে CBC, Dengue test, Typhoid test করুন

🚫 যা করা যাবে না:

❌ নিজের থেকে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন নয়
❌ অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া নয়
❌ শরীরের দুর্বলতা উপেক্ষা করা নয়

🏥 কখন হাসপাতালে যাবেন?

👉৩ দিনের বেশি জ্বর
👉গায়ে র‍্যাশ
👉শ্বাসকষ্ট
👉বমি বা পাতলা পায়খানা থামছে না
👉শিশুদের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা অতিরিক্ত ঘুম

❤️যেকোনো জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন ❤️

📢 সচেতনতাই সুরক্ষা:

ভাইরাস জ্বর সাধারণত ৫-৭ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়, তবে সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জটিলতাও দেখা দিতে পারে। তাই নিজে সচেতন হোন, পরিবারকেও সচেতন করুন।

#ভাইরাসজ্বর
#সতর্কতা
#স্বাস্থ্যবার্তা

🛡️ টাইফয়েড টিকা এখন সরকারি ব্যবস্থাপনায়! 🛡️১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হচ্ছে EPI-এর অধীনে টাইফয়েড ভ্যাকসিন কার্যক্র...
05/08/2025

🛡️ টাইফয়েড টিকা এখন সরকারি ব্যবস্থাপনায়! 🛡️

১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হচ্ছে EPI-এর অধীনে টাইফয়েড ভ্যাকসিন কার্যক্রম।
৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ১ ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে — একদম বিনামূল্যে!

👧👦 অন্তর্ভুক্ত থাকছে –
প্লে গ্রুপ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।

💉 টাইফয়েড টিকা কেন জরুরি?
টাইফয়েড একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এই টিকা আপনার শিশুকে টাইফয়েড জ্বর থেকে নিরাপদ রাখে।

📌 টিকা নিতে যা দরকার:
✔️ ১৭-ডিজিটের ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন সনদ
(না থাকলে এখনই করে ফেলুন)
✔️ EPI ক্যাম্পেইনের সময় ঘোষণার পর আপনার এলাকার EPI (Expanded Programme on Immunization) সেন্টার/ টিকাদান কেন্দ্রে যান
✔️ সঙ্গে নিন শিশুকে ও জন্মনিবন্ধনের সনদ

🔄 আগে যারা HPV টিকার সময় নিবন্ধন করেছেন, তাদের নতুনভাবে রেজিস্ট্রেশন করার দরকার নেই।
➤ শুধু লগইন করে টাইফয়েড টিকার জন্য রেজিস্টার করলেই হবে।
➤ মোবাইল নম্বর ভুলে গেলে “Forget Mobile Number” অপশন ব্যবহার করুন।

🚨 যারা এখনো রেজিস্ট্রেশন করেননি –
১️. প্রথমে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
২️. এরপর টাইফয়েড টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করুন

সঠিক তথ্য জেনে, সময়মতো প্রস্তুতি নিন।
আমাদের শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য একসাথে এগিয়ে আসুন। ❤️

19/07/2025

প্রেগনেন্সি হলে একজন মায়ের সুস্থতা এবং ভবিষ্যৎ সন্তানের সুস্থ বিকাশের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় বিষয় রয়েছে। নিচে ধাপে ধাপে করণীয় গুলো দেওয়া হলো:

✅ ১. গর্ভাবস্থার শুরুতেই করণীয়

গাইনী ডাক্তার দেখান: প্রেগনেন্সি কনফার্ম হলে দ্রুত একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান।

প্রাথমিক টেস্ট করুন:

ব্লাড গ্রুপ

HB (রক্তে হিমোগ্লোবিন)

Urine Test

TSH (থাইরয়েড)

Rubella, HIV, HBsAg, VDRL

USG (একটি আল্ট্রাসোনো)

✅ ২. নিয়মিত স্বাস্থ্য চেকআপ

প্রতি মাসে একবার করে ডাক্তার দেখান (প্রথম ৬ মাস)

৭-৯ মাসে প্রতি ১৫ দিনে একবার

৯ মাসে প্রতি সপ্তাহে একবার

✅ ৩. প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও ওষুধ

ফলিক অ্যাসিড (১ম তিন মাস): শিশুর ব্রেইনের জন্য

আয়রন ও ক্যালসিয়াম (৪-৯ মাস)

প্রোটিন ও ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট (প্রয়োজনে)

✅ ৪. খাদ্য ও পুষ্টি

দুধ, ডিম, ফলমূল, সবজি, বাদাম, মাছ, মাংস ইত্যাদি খেতে হবে।

প্রচুর পানি পান করুন (৮-১০ গ্লাস)

কাঁচা/আধসিদ্ধ খাবার ও অতিরিক্ত ঝাল/তেল খাবার এড়িয়ে চলুন

✅ ৫. চলাফেরা ও বিশ্রাম

হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম করুন (ডাক্তার অনুমতি দিলে)

৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি

অতিরিক্ত ভারী কাজ, দৌড়, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এড়িয়ে চলুন

✅ ৬. কিছু সতর্কতা

ধূমপান, অ্যালকোহল, পানের জর্দা, ওষুধ নিজে থেকে খাওয়া – এগুলো একেবারে বারণ

বমি, রক্তপাত, অতিরিক্ত ব্যথা হলে সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে যান

কোভিড বা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন ডাক্তারের পরামর্শে নিন

✅ ৭. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন

চাপমুক্ত থাকতে চেষ্টা করুন

পরিবারের সমর্থন নিন

প্রয়োজন হলে কাউন্সেলিং নিন

✅ ৮. গুরুত্বপূর্ণ USG (আল্ট্রাসোনো)

গর্ভের সময়টেস্টের নামউদ্দেশ্য৬-৮ সপ্তাহDating Scanসন্তানের বয়স ও সংখ্যা নিশ্চিত১২-১৪ সপ্তাহNT Scanডাউন সিনড্রোম ঝুঁকি দেখার জন্য১৮-২২ সপ্তাহAnomaly Scanসন্তানের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিক আছে কি না৩০-৩৬ সপ্তাহGrowth Scanশিশুর বৃদ্ধি ও অবস্থান দেখতে

যদি চান আমি আপনার জন্য একটি চেকলিস্ট বা ক্যালেন্ডার বানিয়ে দিতে পারি সপ্তাহ ধরে কী করতে হবে, জানাবেন।

আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো সমস্যা থাকে যেমন: বমি, পেটে ব্যথা, ব্লিডিং, বা উচ্চ রক্তচাপ – তাহলে সেটিও জানালে আলাদাভাবে পরামর্শ দিতে পারি।

আল্লাহ আপনার গর্ভকালীন সময় সুস্থ ও নিরাপদ করুন। আমিন। 🤍

16/07/2025

বিছানায় শুয়ে মোবাইল স্ক্রল করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে।
কিন্তু এটা ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ কমিয়ে দিতে পারে।

🔹 রাতের আলো ও ব্লু-লাইট মস্তিষ্কের ঘুমের হরমোন (Melatonin) কমিয়ে দেয়
🔹 কম ঘুম মানেই কম ফোকাস
🔹 নিয়মিত হলে আলঝেইমার ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়

✅ ঘুমের ৩০ মিনিট আগে মোবাইল বন্ধ করুন
✅ বই পড়ুন বা হালকা তিলাওয়াত শুনে ঘুমাতে যান

#ঘুমে_মোবাইল

সময়ের সদ্ব্যবহার!১: সময় আল্লাহ তা‘আলার অনেক বড় একটি নেয়ামত। নেয়ামত মানে কী? আল্লাহ তা‘আলা আমার উপকারের জন্য যা কিছু সৃষ্...
14/07/2025

সময়ের সদ্ব্যবহার!

১: সময় আল্লাহ তা‘আলার অনেক বড় একটি নেয়ামত। নেয়ামত মানে কী? আল্লাহ তা‘আলা আমার উপকারের জন্য যা কিছু সৃষ্টি করেছেন, সবই নেয়ামত। নেয়ামত শব্দের অর্থ: অনুগ্রহ, দান।

২: পুরো কুরআন কারীমে নেয়ামত শব্দটি নানা আকৃতিতে প্রায় ১৪০বার ব্যবহৃত হয়েছে। সূরা ফাতিহার আয়াতটা আমরা সবাই জানি। নামাযের প্রতি রাকাতে আয়াতটা তেলাওয়াত করি,

صِرَ ٰ⁠طَ ٱلَّذِینَ أَنۡعَمۡتَ عَلَیۡهِمۡ

ইয়া আল্লাহ, আমাকে......

-এক মিনিটে আমি কী কী আমল করতে পারি?

*** আমরা সারাদিনে নানা ব্যস্ততায় ফরয নামায ছাড়া বাড়তি কোনও তেমন কোন সময় পাই না। অল্প সময়ে বেশি আমল করার কোনও সহজ পদ্ধতি আছে?

= অবশ্যই আছে। আমরা চাইলে, এক মিনিটেও অনেক বড় বড় আমল করে ফেলতে পারি। যেমন:

(১) এক মিনিটে আমরা মনে মনে সূরা ফাতিহা ৩ বার পড়ে ফেলতে পারি। একবার সূরা ফাতিহা পড়লে ৬০০ টিরও বেশি নেকি পাওয়া যায়। তিনবারে ১৮০০ এর বেশি নেকি অর্জন হয়ে যাবে, এবং সেটা এক মিনিটেই।

(২) এক মিনিটে আপনি সূরা ইখলাস মনে মনে ২০ বার পড়তে পারি। এই সূরা একবার পাঠ করলে কুরআন শরীফের এক তৃতীয়াংশ পড়ার সমান সওয়াব পাওয়া যায়। এ হিশেবে ২০ বার সূরাতুল ইখলাস পাঠ করার অর্থ হলো:

= ৭ বার কুরআন খতম করার সমতুল্য। যদি এ সূরাটি প্রতিদিন এক মিনিটে ২০ বার করে পাঠ করি, মাসে ৬০০ বার পাঠ করা হবে, বছরে হবে ৭২০০ বার।

ফলাফল: ২৪০০ বার সম্পূর্ণ কুরআন কারীম পড়ার সমতুল্য।

(৩) এক মিনিটে আমি কুরআন কারীমের এক পৃষ্ঠা তিলওয়াত করতে পারি।

(৪) এক মিনিটে আমি কুরআন কারীমের ছোট একটি আয়াত মুখস্থ করতে পারি।

(৫) এক মিনিটে আমি নিম্নোক্ত দু‘আটা ২০ বার পড়তে পারি:

لَا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

= এই দু‘আ পড়লে, ইসমাঈল (আঃ) এর বংশের ৮ জন দাসকে মুক্ত করার সমান সওয়াব।

(৬) এক মিনিটে আমি

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِه

এই দু‘আটা ১০০ বার পড়তে পারি। এই দোয়াটি ১০০ বার পড়লে, সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়; যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমান হয়।

(৭) এক মিনিটে আমি

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ،

سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ

= এ দুটি দু‘আ ৫০ বার পড়তে পারি। এ দুটি এমন বাক্য যা পড়তে খুব সহজ; আমলের পাল্লাতে অনেক ভারী হবে; রহমানের নিকটে অতি প্রিয়।

(৮) নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

-“সুব্হানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আক্বার পাঠ করা, যা কিছুর ওপর সূর্য উদিত হয়েছে সে-সবকিছু থেকে আমার কাছে অধিক প্রিয়।” [মুসলিম শরীফ (২৬৯৫)]

= আমি চাইলে, এক মিনিটে বাক্যগুলো ১৮ বারের বেশি পড়তে পারি। এ বাক্যগুলো আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। এগুলো সর্বোত্তম কথা এবং আমলের পাল্লাতে এগুলোর ওজন অনেক বেশি হবে।

(৯) আমি চাইলে

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

= এই দু‘আটা এক মিনিটে ৪০ বারের বেশি পড়তে পারি। এ বাক্যটির সওয়াব হবে, জান্নাতের জন্য সঞ্চিত এক অমূল্য রতœ; একই ভাবে এটি কষ্টসাধ্য দায়িত্ব বহন ও কঠিন কাজসমূহ আঞ্জাম দেয়ার ক্ষেত্রে এক মহৌষধ।

(১০) এক মিনিটে আমি চাইলে প্রায় ৫০ বার

لاَ إِلَهَ إِلاَّ الله

পড়তে পারি। এটি সর্বশ্রেষ্ঠ বাক্য ও তাওহীদের বাণী। এটি কালিমায়ে তাইয়্যেবা (উত্তম বাণী) ও সুদৃঢ় বাক্য। যে ব্যক্তির শেষ কথা হবে এই বাক্য সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

(১১) এক মিনিটে আমি চাইলে

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَى نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ

দোয়াটি ১৫ বারের বেশি পড়তে পারি। সাধারণ তাসবীহ ও যিকিরের চেয়ে এ বাক্যগুলো পাঠ করার সওয়াব অনেকগুণ বেশি।

(১২) এক মিনিটে আপনি আল্লাহর কাছে ১০০ বারের বেশি ইসতিগফার করতে পারি, অর্থাৎ (أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ) পড়তে পারি। এর ফজিলত আপনার অজানা নয়। এটা ক্ষমাপ্রাপ্তি ও জান্নাতে প্রবেশের উপায়। এটি সুখময় জীবন, শক্তি বৃদ্ধি, বিপদ-আপদ রোধ, সকল কাজ সহজীকরণ, বৃষ্টি বর্ষণ, সম্পদ ও সন্তানের বৃদ্ধি ইত্যাদির মাধ্যম।

(১৩) এক মিনিটে আপনি সংক্ষেপে কিছু কথা বলতে পারি, যা দ্বারা আল্লাহ তা‘আলা হয়ত এমন কোনও কল্যাণের পথ খুলে দিবেন যা আমি ভাবতেও পারিনি।

(১৪) এক মিনিটে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর ৫০ বার দরূদ পাঠ করতে পারি। শুধু “সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” বাক্যটাই পড়তে পারি। এর প্রতিদানে আল্লাহ আমার ওপর ৫০০ বার সালাত (রহমত) পাঠাবেন। কারণ একবার দরুদ পাঠ করলে আল্লাহ ১০ বার এর প্রতিদান দেন।

(১৫) এক মিনিটে আমার মন আল্লাহর কৃতজ্ঞতা, তাঁর ভালবাসা, তাঁর ভয়, তাঁর প্রতি আশা এবং তাঁর প্রেমে উদ্বেল হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে আমি উবূদিয়্যাহ্ (আল্লাহর দাসত্ব)-এর স্তরসমূহ অতিক্রম করতে পারবো; হতে পারে সে সময় আমি হয়ত বিছানায় শুয়ে আছি, অথবা কোন পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছি।

(১৬) এক মিনিটে আমি সহজবোধ্য উপকারী কোনো বইয়ের দুই পৃষ্ঠার বেশি পড়তে পারি।

(১৭) এক মিনিটের টেলিফোন যোগাযোগের মাধ্যমে আমি ‘সিলাতুর রাহেম’ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার আমল পালন করতে পারি।

(১৮) এক মিনিটে আমি দুই হাত তুলে ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আগুলো হতে পছন্দসই কোন দু‘আ করতে পারেন।

(১৯) এক মিনিটে আমি কয়েকজন ব্যক্তিকে সালাম দিতে পারি ও তাদের সাথে মুসাফাহা করতে পারি।

(২০) এক মিনিটে আমি কোন ব্যক্তিকে একটি মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করতে পারি।

(২১) এক মিনিটে আমি একটি ভাল কাজের আদেশ করতে পারি।

(২২) এক মিনিটে আমি একজন ভাইকে নসিহত করতে পারি।

(২৩) এক মিনিটে আমি একজন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষকে সান্ত্বনা দিতে পারি।

(২৪) এক মিনিটে আমি পথ থেকে ক্ষতিকর কোন বস্তু অপসারণ করতে পারি।

(২৫) এই এক মিনিটের সদ্ব্যবহার অবহেলায় কাটানো বাকি সময়গুলোর সদ্ব্যবহার করার অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করতে পারে।

ইমাম শাফেয়ী রাহিমাহুল্লাহ বলেন:

-“যখন ঘুমন্ত লোকেরা ঘুমিয়ে থাকে, তখন আমি আমার চোখের অশ্রু ফেলি এবং শ্রেষ্ঠ কবিতার একটি চরণ বারবার আওড়াতে থাকি।

= “কোন জ্ঞান অর্জন ছাড়া রাতগুলো কেটে যাবে এবং আমার জীবন থেকে হিসেব করা হবে- এটি কি সময়ের অপব্যয় নয়? ”

*** আমার ইখলাস (একনিষ্ঠতা) ও আল্লাহর নজরদারির অনুভূতির ভিত্তিতে আমার প্রতিদান বাড়বে, আমার নেকীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

*** এই আমলগুলোর বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই আমাকে তেমন কিছু করতে হবে না। এগুলোর জন্য আমার পবিত্রতার প্রয়োজন নেই, ক্লান্তি বা কায়িক শ্রম নেই। আমি এই আমলগুলো করতে পারি, যখন আমি পায়ে হেঁটে চলছিক, অথবা গাড়িতে চড়ে কোথাও যাচ্ছি অথবা শুয়ে আছি অথবা দাঁড়িয়ে আছি অথবা বসে আছি অথবা কারও জন্য অপেক্ষা করছ।

*** একইভাবে এ আমলগুলো সুখী হওয়ার উপকরণ, আত্মপ্রশান্তির মাধ্যম, চিন্তা ও দুঃশ্চিন্তা দূর করার উপায়। আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমাদের নবীর প্রতি আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

14/07/2025

Address

Bagherhat Sadar, Muniganj
Bagherhat

Telephone

+8801988367902

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Afzal Hosen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr.Afzal Hosen:

Share