Al-Ikhlas Ruqyah and Hijamah Center Bangladesh

Al-Ikhlas Ruqyah and Hijamah Center Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al-Ikhlas Ruqyah and Hijamah Center Bangladesh, Medical and health, Barishal.
(4)

জীন, জাদু, বদনজর ও ব্ল্যাক ম্যাজিক থেকে মুক্তির জন্য ইসলামিক রুকইয়াহ চিকিৎসা করা হয়। পাশাপাশি অভিজ্ঞ থেরাপিস্ট দ্বারা করা হয় হিজামা থেরাপি, যা শরীরের টক্সিন দূর করে ও মানসিক-শারীরিক রোগে উপকারী।
📞 যোগাযোগ:
01750-753663, 01319-666900

গলার গিট খোলার দোয়া 🤲 ১.بِسْمِ اللهِ وَبِكَلِمَاتِهِ كُلُّ العُقَدِ وَالعُيُونِ فِي بَطْنِي تَخْرُجُ بِسْمِ اللهِবিসমিল্...
09/06/2026

গলার গিট খোলার দোয়া

🤲 ১.

بِسْمِ اللهِ وَبِكَلِمَاتِهِ كُلُّ العُقَدِ وَالعُيُونِ فِي بَطْنِي تَخْرُجُ بِسْمِ اللهِ

বিসমিল্লাহি ওয়া বিকালিমাতিহি কুল্লুল‛উকাদি ওয়াল‛উয়ূনি ফি বাতনি তাকহরুজু বিসমিল্লাহ।

আল্লাহর নামে এবং তাঁর কালিমার বরকতে—
আমার পেটে থাকা সব গিঁট ও বদনজর আল্লাহর নামে বের হয়ে যাক।

🤲 ২.

بِسْمِ اللهِ تَخْرُجُ وَتُجْمَعُ عَلَى الفَمِ كُلُّ العُقَدِ المُعَقَّدَةِ لِمَنْعِ خُرُوجِ السِّحْرِ وَتُحَلُّ بِسْمِ اللهِ

বিসমিল্লাহি তাকহরুজু ওয়া তুজমাউ ‛আলাল-ফামি কুল্লুল‛উকাদিল-মু‛আক্কাদাতি লিমান‛ই খুরূজিস-সিহ্রি ওয়া তুহাল্লু বিসমিল্লাহ।

বিসমিল্লাহ—সব গিঁট মুখের দিকে উঠুক,
যেগুলো সিহর বের হওয়া আটকে রেখেছে—
সেগুলো আল্লাহর নামে খুলে যাক।

🤲 ৩.

كُلُّ العُقَدِ عَلَى الأَعْنَاقِ تُحَلُّ بِسْمِ اللهِ

কুল্লুল‛উকাদি ‛আলাল-আ‛নাকি তুহাল্লু বিসমিল্লাহ।

গলার সব গিঁট আল্লাহর নামে খুলে যাক।

🤲 ৪.

الأَغْلَالُ عَلَى الأَعْنَاقِ تُحَلُّ بِسْمِ اللهِ

আল-আঘলায়লু ‛আলাল-আ‛নাকি তুহাল্লু বিসমিল্লাহ।

গলার শিকল–তালা আল্লাহর নামে খুলে যাক।

🤲 ৫.

العُقَدُ عَلَى الأَعْنَاقِ تُحَلُّ بِسْمِ اللهِ

আল‛উকাদু ‛আলাল-আ‛নাকি তুহাল্লু বিসমিল্লাহ।

গলার সব বন্ধন আল্লাহর নামে খুলে যাক।

🤲 ৬.

الأَقْفَالُ عَلَى الأَعْنَاقِ تُفْتَحُ بِسْمِ اللهِ

আল-আকফালু ‛আলাল-আ‛নাকি তুফতাহু বিসমিল্লাহ।

গলার সব তালা আল্লাহর নামে খুলে যাক।

হিংসা চিকিৎসা পদ্ধতি ১️⃣ পানির ওপর কুরআনের আয়াত পড়ে পান করাসুরা নূর, ইউসুফ, মুলক, কাওসর, ফীল এবং মুআওয়িযাত (ফালাক–নাস) প...
07/06/2026

হিংসা চিকিৎসা পদ্ধতি

১️⃣ পানির ওপর কুরআনের আয়াত পড়ে পান করা

সুরা নূর, ইউসুফ, মুলক, কাওসর, ফীল এবং মুআওয়িযাত (ফালাক–নাস) পানির ওপর পড়ে তা সারাদিন পান করা।

• এতে শরীরের ভেতরের হিংসার গিঁট খুলে যায়।

• সকালে খালি পেটে রুকইয়াহ করা পানি পান করলে হিংসা–নজরের ময়লা দ্রুত বের হয়।

২️⃣ রুকইয়াহ করা পানি দিয়ে গোসল

পানিতে একই সূরা পড়ে গোসল করা যায়।
গোসলের পানিতে যোগ করা উত্তম—
✔ গোলাপজল
✔ লেবুর রস
✔ ভিনেগার
✔ হেনা পাতা
✔ সিদরপাতা

এগুলো হিংসা ও নজর তাড়াতে বিশেষভাবে কার্যকর।

৩️⃣ শরীরে তেল মালিশ

• শরীর ঠান্ডা হলে: রুকইয়াহ করা অলিভ অয়েল (জলপাই তেল) দিয়ে মালিশ।

• শরীর গরম হলে: পুদিনার তেল, কালোজিরার তেল ইত্যাদি শীতল তেল দিয়ে মালিশ।

মালিশ করা হবে—
🔄 ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে, যাতে “গিঁট” খুলে যায়।
স্লাইডিং হিজামা বা আধুনিক থেরাপিও এতে উপকারী।

৪️⃣ কুরআন শ্রবণ

নিয়মিত শুনুন—

• সুরা নূর

• সুরা কাহ্ফ

• সুরা ইয়াসীন

• এবং হিংসা–নজরের জন্য নির্দিষ্ট রুকইয়াহ

৫️⃣ যিকির – দোয়া – সদকা

এগুলো হিংসার শক্ত ঘাটি ভেঙে দেয়।
নিয়মিত যিকির, দোয়া, সদকা হিংসার গিঁট দ্রুত নষ্ট করে.

৭️⃣ নিজের ওজুর পানি দিয়ে গোসল

মানুষ মাঝে মাঝে নিজেই নিজেকে নজর লাগায়।
তাই নিজের ওজুর পানি দিয়ে গোসল করা খুবই উপকারী।

৮️⃣ হিংসুকের ছোঁয়া বা জিনিস থেকে গোসল

যদি হিংসা লাগানো ব্যক্তি ঘরের মধ্যে, আত্মীয় বা পরিচিত হয়—

• তার বসার জায়গা একটি ভেজা কাপড়ে মুছে সেই কাপড় ধুয়ে

• সেই পানি রুকইয়াহ করে মাথা ও কাঁধে ঢালা

এতে হিংসা দ্রুত ভেঙে যায়।

৯️⃣ প্রতিদিনের দোয়ার সেশন

ওজু করে কিবলামুখী হয়ে বসুন এবং বলুন—
“হে আল্লাহ, আমি যাদের চোখের হিংসায় আক্রান্ত হয়েছি—সবার নজর আমার শরীর থেকে বের করে দিন।”

🔶 হাযেমের বিশেষ ‘ওরকা পদ্ধতি’ (زعفران লেখনী)

📜 — নজর দূর করার জন্য বিশেষ পদ্ধতি

🔸 নিয়ম–১: বিস্তারিত দোয়া করা

হিংসা যত বিস্তারিতভাবে বলা হয়, তত দ্রুত বের হয়।
যেমন—
✔ “হে আল্লাহ, আমার চুল, মুখমণ্ডল ও সৌন্দর্যের ওপর পড়া সব নজর বের করে দিন।”
এটি “আমার সৌন্দর্যের ওপর নজর দূর করুন”— এর চেয়ে দ্রুত কাজ করে।

🔸 নিয়ম–২: হিংসুকের নাম উল্লেখ করা

সম্ভব হলে—
✔ “হে আল্লাহ, অমুক ব্যক্তির চোখের নজর আমার থেকে বের করে দিন।”
এতে বের হওয়া দ্রুত হয়।

যদি নাম জানা না থাকে—
✔ আত্মীয়
✔ বন্ধু
✔ কর্মস্থল
✔ প্রতিবেশী
✔ নারী/পুরুষের নজর
✔ জিনের নজর
—এইভাবে দায়রা ধরে ধরে উল্লেখ করতে হবে।

🔸 নিয়ম–৩: লিখিত ও মৌখিক রুকইয়াহ একসাথে করা

এতে রুকইয়াহর শক্তি দ্বিগুণ হয়।

✍ কিভাবে ওরকা লিখবেন

১. উপকরণ

• সাদা কাগজ

• জাফরান + গোলাপজল মিশিয়ে তৈরি ইনক

২. কাগজে লিখবেন

হে আল্লাহ, আপনার শাফি নামের তাওক্কলে আমি চাই—
আমার শরীর থেকে সব হিংসা, নজর, এবং খারাপ আত্মা বের করে দিন।

✍ “হে আল্লাহ, অমুক ব্যক্তির নজর বের করুন।”
✍ আত্মীয়দের নজর
✍ বন্ধুদের নজর
✍ কর্মস্থলের নজর
✍ প্রতিবেশীর নজর
✍ জিন–মানুষ সকলের নজর

তারপর লিখবেন—
“হে আল্লাহ, যে নজর আমার বিয়ে/স্বাস্থ্য/সম্পদ/দাম্পত্য নষ্ট করেছে—সব বের করে দিন।”

৩. পাঠ করা

এই কাগজ সামনে রেখে ১ ঘণ্টা পড়ুন।

৪. পানিতে ভিজিয়ে শীতল পানি তৈরি করা

কাগজ পানিতে রেখে দিন—
✔ একই পানি পান করুন
✔ একই পানি দিয়ে গোসল করুন

ইনশাআল্লাহ সব নজরের চিহ্ন বের হয়ে যাবে।

🔵 জিনের নজর দূর করার বিশেষ দোয়া

• “হে আল্লাহ, যাদের চোখ আমরা দেখি না কিন্তু তারা আমাদের দেখে—তাদের নজর থেকে আমাকে রক্ষা করুন।”

• “হে আল্লাহ, জিন–শয়তানের সব নজর আমার শরীর থেকে বের করে দিন।”

• “বিসমিল্লাহ… জাদুকর, শয়তান ও তাদের নজর সব আমার শরীর থেকে বের হয়ে যাক।”

হিংসা হাসাদের চিকিৎসা🔴 (১) হিংসা মুখে সরাসরি আঘাত করে নাপ্রথমে আঘাত করে মুখের চারপাশের “হালায়” — অর্থাৎ অদৃশ্য শক্তিক্ষে...
02/06/2026

হিংসা হাসাদের চিকিৎসা
🔴 (১) হিংসা মুখে সরাসরি আঘাত করে না
প্রথমে আঘাত করে মুখের চারপাশের “হালায়” — অর্থাৎ অদৃশ্য শক্তিক্ষেত্রে।
যখন কেউ আপনার দিকে হিংসার চোখে তাকায় — “সে নিজেকে কী ভাবে?” — এই দৃষ্টির শক্তি সূঁচের মতো হালায় ছিদ্র করে দেয়।
ফলাফল: মুখের উজ্জ্বলতা হঠাৎ হারিয়ে যায়, ত্বক ম্লান হয়ে পড়ে।
🔴 (২) রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়
হিংসার শক্তি মুখে ঢুকলে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়।
মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়, চোখের নিচে কালো দাগ, গাল শুকনো বা নিস্তেজ দেখায়,
যতই ভালো খাবার খান বা পানি পান করেন — তবুও মুখে কোনো দীপ্তি থাকে না।
🔴 (৩) ত্বক নিস্তেজ ও বয়স্ক লাগে
জিন-প্রভাবিত হিংসা নার্ভ সংকেত বন্ধ করে দেয়,
যার ফলে ত্বক আর পুনরুজ্জীবিত হতে পারে না।
ফলাফল: মৃত কোষ জমে যায়, বলিরেখা আগেভাগে দেখা দেয়,
ছিদ্র বড় হয়ে যায়, মুখ শুকিয়ে যায় বা ফুলে ওঠে —
এমন মনে হয় যেন হঠাৎ বয়স অনেক বেড়ে গেছে।
🔴 (৪) নারীত্বে আঘাত করে
হিংসা নারীর নারীত্ব নষ্ট করে —
মুখমণ্ডল শক্ত লাগে, কণ্ঠস্বর ভারী হয়,
অস্বাভাবিক স্থানে লোম গজায়।
এটি এক ধরনের আধ্যাত্মিক বিকৃতি যা নারীর সৌন্দর্য ও কোমলতা ঢেকে দেয়
এবং ভিতর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলে।
🔴 (৫) চুলেও প্রভাব ফেলে
চুল পড়া, ফাঁকা জায়গা, হঠাৎ রুক্ষতা,
কখনও অদ্ভুত গন্ধ — যদিও আপনি পরিচ্ছন্ন।
হিংসা আঘাত করে মাথার “মুকুটে”,
যা এক সময় গৌরবের প্রতীক ছিল, তা হয়ে যায় লজ্জার কারণ।
🔴 (৬) আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে
আয়নায় নিজেকে দেখে মনে হয় কিছু একটা বদলে গেছে,
আপনি ভাবেন : “আমি আগের মতো সুন্দর নই।”
এটাই হিংসার মূল লক্ষ্য — আপনার নিজের প্রতি ঘৃণা তৈরি করা
যাতে আপনি সুস্থ হতে না পারো।
🔴 (৭) প্রসাধনীও কাজ করে না
মেকআপ লাগান, কিন্তু তবুও মুখ নিস্তেজ দেখায়,
ত্বক যেন “আলো গ্রহণ করতে” অস্বীকার করে।
কারণ হালার চারপাশে হিংসার বিষাক্ত শক্তি জমে যায়,
যা মুখের প্রাকৃতিক দীপ্তি বাধাগ্রস্ত করে।
🔴 (৮) অন্যের চোখে বিকৃত চেহারা
কখনও কিছু মানুষ আপনাকে বাস্তবের চেয়ে আলাদা ভাবে দেখে,
কেউ আপনাকে কুৎসিত ভাবে বা অতিরিক্ত সাজা ভাবতে পারে।
এটি হয় কারণ জিন-প্রভাবিত শক্তি অন্যদের দৃষ্টিতে
আপনার একটি বিকৃত ছবি প্রক্ষেপণ করে।
🔴 (৯) পোশাকও অস্বস্তিকর লাগে
পুরনো পোশাক হঠাৎ মানায় না,
মনে হয় শরীর বদলে গেছে, চেহারা ভারসাম্য হারিয়েছে।
হিংসা আপনার শরীরের শক্তিক্ষেত্র বিকৃত করে দেয়,
আপনি নিজের শরীরের সাথেই অপরিচিত অনুভব করেন।
🔴 (১০) সবচেয়ে বিপজ্জনক বিকৃতি — ভিতরেরটা
কেউ না দেখলেও আপনি নিজেই মনে করেন আপনি বদলে গেছেন,
নিজেকে ঘৃণা করেন, সৌন্দর্যের যত্ন নেওয়া ছেড়ে দেন,
এবং এক ধরনের **“সৌন্দর্যজনিত বিষণ্ণতা”**তে পড়ে যান।
🌿 হিংসা ও বিকৃতি নিরাময়ের ৩ ধাপের পূর্ণ চিকিৎসা
🔴 (১) দৈনন্দিন শরঈ হিফাযত
• সকাল ও সন্ধ্যায় পড়বেন:
সূরা আল-ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা আল-বাকারা-র শেষ দুই আয়াত, সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক, সূরা আন-নাস।
• প্রতিদিন বলবেন:
أعوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
(আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ বাণীর মাধ্যমে আমি আশ্রয় চাই তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে)
• মাঝে মাঝে সূরা ইউসুফ পড়বেন — এটি মুখে নূর ও গ্রহণযোগ্যতা ফিরিয়ে আনে।
🔴 (২) রুকইয়াহর পানি দিয়ে স্নান
পানির উপর পড়বেন:
সূরা আল-ফাতিহা, সূরা আল-বাকারা (সম্পূর্ণ), সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক, সূরা আন-নাস, এবং হিংসা সম্পর্কিত আয়াত (সূরা কলম, নিসা, কাহফ, সাফফাত)।
👉 এ পানি দিয়ে ৭ দিন ধারাবাহিকভাবে স্নান করবেন।
👉 একই পানি ঘরের কোণায় ছিটাবেন, মুখ ও মাথায় স্প্রে করবেন।
🔴 (৩) মুখে জলপাই তেল মালিশ
প্রতিদিন রাতে ঘুমের আগে মুখে রুকইয়াহ পড়া জলপাই তেল মেখে নেবেন।
এর উপর পড়বেন:
• রুকইয়াহ শরইয়াহ আয়াতসমূহ
• আয়াতুন নূর (النور)
• আয়াতুল জামাল:
لَقَدْ خَلَقْنَا الإِنسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ
(আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম আকারে – সূরা আত-তীন ৪)
এটি মুখের হালা ও ত্বক পুনরুজ্জীবিত করে এবং হিংসার প্রভাব ভেঙে দেয়।
🔴 (৪) আত্মার পরিশুদ্ধি
• নিজের সাথে কাউকে তুলনা করবেন না।
• আয়নায় তাকিয়ে বলুন: ما شاء الله لا قوة إلا بالله
• বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন — এটি হিংসার শক্তি দূর করে।
🔴 (৫) খাদ্য ও বিশ্রাম
• প্রচুর পানি পান করুন।
• মধু, খেজুর, তীন, জলপাই তেল খান — এগুলো দেহে নূর আনে।
• অযু অবস্থায় ঘুমান, কারণ ঘুমের সময় শরীর নিজেকে পুনর্গঠন করে।
🔴 (৬) বিশেষ রুকইয়াহ সেশন
মুখ ও হালার ওপর কেন্দ্র করে হিংসা ও চোখের রুকইয়াহ সেশন করানো যেতে পারে —
এটি অবশিষ্ট জিনশক্তি ও নেতিবাচক শক্তি সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার করে।
🔴 (৭) নিয়মিত অনুসরণ
হিংসা পুনরায় আসতে পারে, তাই নিয়মিত রুকইয়াহ ও হিফাযত বজায় রাখুন।
যখনই চেহারায় পরিবর্তন বা ক্লান্তি অনুভব করবেন — আবার এই পদ্ধতি শুরু করুন।
🌸 “والله هو الشافي” – আল্লাহই একমাত্র আরোগ্যদাতা।
💧 আপনার মুখের নূর, সৌন্দর্য ও প্রশান্তি তিনিই ফিরিয়ে দিতে সক্ষম।

༺ সূরা আস-সাফফাত ༻➤ রুকইয়াহতে খুব পরিচিত ও প্রভাবশালী,➤ এতে ফেরেশতা ও শয়তান সম্পর্কে কঠিন আয়াত আছে,➤ বিশেষ করে উড়ন্ত জিন...
01/06/2026

༺ সূরা আস-সাফফাত ༻

➤ রুকইয়াহতে খুব পরিচিত ও প্রভাবশালী,
➤ এতে ফেরেশতা ও শয়তান সম্পর্কে কঠিন আয়াত আছে,
➤ বিশেষ করে উড়ন্ত জিন–এ কার্যকর।

🎯 নির্দিষ্ট প্রয়োজন অনুযায়ী সুরা

➤ বিয়ের জন্য (সাধারণভাবে)

• সূরা হূদ অথবা মুদ্দাসসির

• ورد: "وما تشاؤون إلا أن يشاء الله رب العالمين"

➤ নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বিয়ের জন্য

• সূরা বাইয়্যিনাহ

• একই ورد

➤ চাকরি: সূরা আয-যারিয়াত

➤ রিজিক/ধন: সূরা ওয়াকিয়াহ + "سبوح قدوس رب الملائكة والروح"

➤ গর্ভধারণ: সূরা আয-জুমার

ورد: "يخلقكم في بطون أمهاتكم…"

➤ নেতিবাচক শক্তি দূর করতে: সূরা তাকাসুর

➤ সুখবর পেতে: সূরা হুমাযাহ (ফজরের পর)

➤ স্বামী/স্ত্রীর ভালোবাসা: সূরা আর-রহমান

➤ রাতে দুঃস্বপ্ন ও টেনশন দূর করতে: সূরা গাফির

… (আপনার চাইলে প্রতিটি লাইনের বিস্তারিত আলাদা পোস্ট আকারে সাজিয়ে দেব)

🛡 তাওহীদিভাবে সুরক্ষার আমলসমূহ

১. শারীরিক শরীরের জন্য (Physical Body Protection)

• লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ — প্রতিদিন ২০০ বার
অথবা

• লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ وحده لا شريك له… — ২০০ বার

২. আধ্যাত্মিক শরীরের সুরক্ষা (Etheric Body Protection)

• আয়াতুন নূর (২৪:৩৫) — দিনে ২ বার, প্রতিবার ২১ বার

৩. সব ধরনের আক্রমণ প্রতিরোধে

• সূরা ফীল — দিনে ২ বার, প্রতিবার ২১ বার

📝 নিয়ত করবেন—“নিজে, পরিবার, সম্পদ, ঘর-বাড়ি—সবকিছু আল্লাহর সুরক্ষায় দিচ্ছি।”

الله اكبر الله اكبر لا اله الا الله والله اكبر الله اكبر ولله الحمد
27/05/2026

الله اكبر الله اكبر لا اله الا الله والله اكبر الله اكبر ولله الحمد

26/05/2026

বিয়েতে বাঁধা জাদু নষ্টের রুকইয়াহ চলছে । জ্বিন এক্টিভ হচ্ছে ।আমরা জ্বিন চালান দেইনা এবং চালান দেয়াও লাগেনা আর কখনো লাগবেও না ইনশা-allah

⚫️ শোঁকা বা ঘ্রাণের মাধ্যমে করা যাদুর চিকিৎসা (السحر المشموم)🔹 এই ধরনের যাদুর চিকিৎসা বিপরীত প্রক্রিয়ায় করা হয়, অর্থাৎ —...
24/05/2026

⚫️ শোঁকা বা ঘ্রাণের মাধ্যমে করা যাদুর চিকিৎসা (السحر المشموم)

🔹 এই ধরনের যাদুর চিকিৎসা বিপরীত প্রক্রিয়ায় করা হয়, অর্থাৎ — পবিত্র বস্তু যেমন মিশক (কস্তুরি) ও আগর/উদ (ধূপ) ব্যবহার করা হয়।
সেগুলোর ওপর রুকইয়াহ শরিয়াহ (রুকিয়া) পড়ে ফুঁ দেওয়া হয়, তারপর রোগী তা শোঁকে।
এর ফলে নাক দিয়ে ঘন পানি বের হতে থাকে — যা যাদুর প্রভাবে জমে থাকা পদার্থকে পরিষ্কার করে দেয়।

🔸 দ্বিতীয় ধাপ:
কালোজিরার তেল (زيت الحبة السوداء) ও অলিভ অয়েল (زيت الزيتون) মিশিয়ে তার ওপর রুকইয়াহ পড়ে নিতে হবে।
এ মিশ্রণটি নাকে ফোঁটা দিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

🔸 তৃতীয় ধাপ:
ভারতীয় কুস্ত (القسط الهندي) দিয়ে সعوط বা নাকের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায় —
এর ফলে রোগীর হাঁচি আসে এবং নাক থেকে ঘন, আঠালো, দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।

🔸 এই চিকিৎসা একটানা এক সপ্তাহ চালিয়ে যেতে হবে,
যাতে মস্তিষ্ক পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যায় এবং যাদুর প্রভাব ও লক্ষণগুলো দূর হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।

🌊 সعوط (নাকে ফোঁটা দেওয়ার পদ্ধতি) 🌊

1️⃣ একটি চামচ ভারতীয় কুস্ত (القسط الهندي) নিন এবং তাতে তিন চামচ অলিভ অয়েল যোগ করুন।
👉 দুই মিনিট আগুনে হালকা গরম করুন।

2️⃣ মিশ্রণটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিন এবং তা নাকের ড্রপার বা ফোঁটায় ভরুন।

3️⃣ এরপর এর ওপর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, এবং মাউযাতাইন (সূরা ফালাক ও নাস) সাতবার পড়ে ফুঁ দিন।

4️⃣ রোগী পিঠের ওপর শুয়ে কাঁধের নিচে বালিশ রেখে মাথা হালকা নিচের দিকে ঝুঁকিয়ে রাখবে।

5️⃣ প্রতিটি নাকে দুই ফোঁটা করে দেওয়া হবে এবং ২ মিনিট অপেক্ষা করবে, তারপর উঠবে।

6️⃣ এই পদ্ধতিটি রুকইয়াহ সেশন শেষ হওয়ার পর করাই সবচেয়ে উপকারী।

📌 দ্রষ্টব্য:

• এই চিকিৎসা শুধুমাত্র ইসলামিক রুকইয়াহ-প্রশিক্ষিত রাকির পরামর্শে করা উচিত।

• এটি চিকিৎসা সহায়ক উপায়, তবে তীব্র উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেও হবে।

🕋 আল্লাহই একমাত্র শিফাদাতা — “وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ” (সূরা আশ-শুআরা ২৬:৮০)
➡️ “আর যখন আমি অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন।” 🌿

🕋 জুম্মার কিছু ফজিলত 🕋✨ জুম্মার দিন সপ্তাহের সেরা দিন।রাসূল ﷺ বলেছেন:“সূর্য উদিত হওয়া দিনগুলোর মধ্যে জুম্মার দিনই সর্বোত...
22/05/2026

🕋 জুম্মার কিছু ফজিলত 🕋
✨ জুম্মার দিন সপ্তাহের সেরা দিন।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“সূর্য উদিত হওয়া দিনগুলোর মধ্যে জুম্মার দিনই সর্বোত্তম।”
— সহীহ মুসলিম
🌿 এই দিনে এমন একটি সময় রয়েছে,
যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা দোয়া করে, তা কবুল করা হয়।
📖 জুম্মার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করলে
এক জুম্মা থেকে আরেক জুম্মা পর্যন্ত নূর দান করা হয়।
🕌 জুম্মার নামাজের জন্য আগে আগে মসজিদে গেলে
অনেক বেশি সওয়াব লাভ হয়।
🤍 বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করুন,
কারণ জুম্মার দিনে উম্মতের দরুদ রাসূল ﷺ এর নিকট পেশ করা হয়।
✨ আল্লাহ আমাদের সবাইকে জুম্মার বরকত ও রহমত নসীব করুন। আমীন।

AL-IKHLAS RUQYAH CENTRE

'ওয়াসওয়াসার খাদেম জ্বীন শয়তান যে ভাবে কাজ করে' -- শরীরে থাকা জ্বীন শয়তানের কথা পেশেন্ট শৃ্ুনতে পায় না তা কিন্তু নয় সবাই ...
21/05/2026

'ওয়াসওয়াসার খাদেম জ্বীন শয়তান যে ভাবে কাজ করে' --

শরীরে থাকা জ্বীন শয়তানের কথা পেশেন্ট শৃ্ুনতে পায় না তা কিন্তু নয় সবাই শৃুনতে পায় কিন্তু রোগী তা বুজতে না পারায় আলাদা করতে পারেনা সে বলছে নাকি জ্বীন।

ওয়াসওয়াসার খাদেম জ্বীন শয়তান আপনার মাথায়,মনে এবং কানে ওয়াসওয়াসা(কুমন্ত্রণা)দিয়ে থাকে তার কথা সে এই তিনটি জায়গায় পৌঁছে দেয় খুব Smoothly..!!

যখন আপনার মনের সঙ্গে কথা বলে আপনি ভাবেন যে হুট করে আপনি আপনার মনের সঙ্গে কথা বলছেন কখনো বা আবার আস্তে করে কানে বলে দেয়,যে কোন একটি কাহানি ভাবা থেকে,আপনি ভাবেন যে সেটা আপনি অন্যজনকে কিছু বলছেন বা অন্যকেউ আপনার সঙ্গে এমনভাবে কথা বলছে।একটু কান পাতলে দেখবেন কখনো কান থেকে Clear sound শৃুনতে পান বা কখনো বুকের ভিতর থেকে(মন)থেকে,আবার কখনো ব্রেইনে হানা দেয়,হুট-হাট ডিসিশান Change হয়ে যায়,Mood swing,বার বার অতীত নিয়ে ভাবা বা চোখের সামনে অতীত বা ভবিষ্যতের Seen দেখা।

মূলত আপনি কোন কাজে বসলেই তার কাজ হচ্ছে বিভিন্ন Seen আপনার চোখের সামনে তুলে ধরা।চোখের ওয়াসওয়াসা হল কাল্পনিক কাহিনি দেখানো।

তাছাড়া কখনো দেখবেন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠার পর একটা কথাই আপনার মন এবং মাথায় ঘুরপাক খায় বা একটি গান বার বার মনে আসছে বা আপনি ভিতর থেকে শৃুনতে পাচ্ছেন আর আপনি ভাবেন আপনি মনে করছেন, এক সময় আপনি এটি আপনার সুরে তুলে গাইতে শৃুরু করেন তার পর সারাদিন এটিই গাইতে থাকেন।

★জ্বীন কিভাবে আপনার কান Use করে --
যেহেতু আমরা মানুষ সেহেতু আল্লাহ তা'আলা আমাদের দেহ যে ভাবে তৈরি করে দিয়েছেন সেই body parts গৃুলা জ্বীন শয়তান ধারাবাহিক ভাবে Use না করলে আমরা শৃুনবো না,দেখবো না বুঝবো না..।

★আমাদের পুরো মস্তিষ্ক জুড়ে আছে পাঁচ ধরণের ব্রেইন কানে কথা পৌছানোর জন্য জ্বীন Use করে আপনার কানের উপর থাকা ব্রেনইটি যার নাম হচ্ছে 'Temporal lobe'

★ এই ব্রেইনটির কাজ হচ্ছে-Visual and auditory memory( চাক্ষুষ এবং শ্রবণ মেমোরি)

20/05/2026

চট্রগ্রাম সেন্টারে রুকইয়াহ করতে আগ্রহী আছেন কে কে?
কমেন্ট করুন।

Address

Barishal
8200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Ikhlas Ruqyah and Hijamah Center Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share