18/10/2026
🌿 কবিরাজ, জিনের হুজুর ও বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করিয়েও সমাধান মেলেনি—অবশেষে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে রুকইয়াহর মাধ্যমে জীবনে ফিরে আসার এক হৃদয়স্পর্শী অভিজ্ঞতা!
এই ছেলেটিকে নিয়ে পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। বিভিন্ন কবিরাজের কাছে নেওয়া হয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি কবিরাজ ও জিনের হুজুর পরিচয়দানকারী ব্যক্তিরাও একপর্যায়ে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রচলিত পদ্ধতিতে সমস্যাটির সমাধান সম্ভব হয়নি।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, ছেলেটিকে একসঙ্গে তিন-চারজন মানুষ মিলে ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ত। বাবা-মায়ের জন্য সময়গুলো ছিল অত্যন্ত কষ্টের ও উদ্বেগের।
আলহামদুলিল্লাহ! পরবর্তীতে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহর ব্যবস্থা করা হয়। ধীরে ধীরে পরিবারের সামনে কিছু আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন প্রকাশ পেতে থাকে।
দীর্ঘ পাঁচ থেকে ছয় মাস পর ছেলেটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে শুরু করে। আর প্রায় ছয় মাস পর বাবা-মা তাঁদের সন্তানের মুখ থেকে কুরআন তিলাওয়াত শুনতে পান। যে মুহূর্তটি তাঁদের জন্য ছিল অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।
একজন বাবা-মায়ের কাছে সন্তানের মুখে স্বাভাবিক কথা শোনা এবং কুরআনের তিলাওয়াত শোনা কতটা আনন্দের, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
🌿 আমাদের বিশ্বাস—শিফা একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে। রুকইয়াহ হলো কুরআন ও সহিহ সুন্নাহভিত্তিক শরিয়াহসম্মত একটি আমল। তবে প্রতিটি সমস্যার কারণ এক নয়; তাই প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শও গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত।
এই ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা হলো, হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা, শরিয়াহসম্মত পদ্ধতি অবলম্বন করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করা।
📹 পরবর্তী ভিডিওতে এই অভিজ্ঞতার আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।
আল্লাহ তাআলা অসুস্থ সকলকে পূর্ণ শিফা দান করুন, তাঁদের পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দিন এবং আমাদের সবাইকে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করুন। আমিন।
— রাক্বী আব্দুস সালাম