সৌন্দর্যের সূচনা

সৌন্দর্যের সূচনা সৌন্দর্যের জগতে আপনাকে স্বাগতম।
আপনার প্রয়োজনীয় যেকোনো বিউটি প্রডাক্টের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে

19/01/2026
 #অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ভ'য়ঙ্কর নারী সি'রিয়াল কি'লারদের একজনের নাম "ক্যাথরিন মেরি নাইট"।তিনি নিজের প্রেমিক জন চার্...
31/08/2025

#অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ভ'য়ঙ্কর নারী সি'রিয়াল কি'লারদের একজনের নাম "ক্যাথরিন মেরি নাইট"।

তিনি নিজের প্রেমিক জন চার্লস থমাস প্রাইসকে ৩৭ বার ছু/রি মেরে হ'ত্যা করেন। তারপর মৃ'তদেহের চামড়া এক টুকরোয় ছাড়িয়ে বেডরুমের দরজার পেছনে হুকের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন। এমনকি জনের মাথা কে'টে স্যুপ রান্না করে বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য রেখে দেন…।

সময়টা ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০০০ সাল। নিউ সাউথ ওয়েলসের এক ছোট্ট শহর অ্যাবারডিনে ঘটে যায় এই নারকীয় ঘটনা। কিন্তু এই ভয়ংকর পরিণতির শুরু হয়েছিল বহু বছর আগে।

১৯৫৫ সালের ২৪ অক্টোবর নিউ সাউথ ওয়েলসে জন্ম নেয় ক্যাথরিন। পরিবার ছিল ভাঙাচোরা আর সহিংসতায় ভরা। শৈশব থেকেই নানা ধরনের মানসিক ও শা'রীরিক নি'র্যাতনের মধ্যে বড় হয়। স্কুলে পড়াকালে সহপাঠীদের সঙ্গে মেশা কম ছিল, তবু ভাল আচরণের জন্য পুরস্কারও পেয়েছিল।

১৫ বছর বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে প্রথমে পোশাক কারখানায়, পরে স্থানীয় ক'সাইখানায় চাকরি নেয়। ধা'রালো ছু/রি আর ক'সাইয়ের কাজ তার কাছে যেন আনন্দের বিষয় ছিল। বাড়িতেও দেয়ালে ধা'রালো ছু/রি সাজিয়ে রাখত।

প্রথম স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর দ্বিতীয় সম্পর্কও ভেঙে যায়। একদিন ঝগড়ার সময় সে স্বামীর পালিত ছোট্ট কুকুরের জিহ্বা কে'টে ফেলে, চোখ উপড়ে নেয়। এসব ঘটনার পরও তার হিংস্রতা কমেনি।

পরে পরিচয় হয় জন প্রাইসের সঙ্গে। জনের আগের সংসারে তিন সন্তান ছিল। বিয়ে ছাড়াই তারা একসঙ্গে থাকতে শুরু করে। সম্পর্কের প্রথমদিকে সব ঠিক থাকলেও, পরে বিয়ে নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। জন স্পষ্ট বলে দেয়— বিয়ে করার দরকার নেই, এখন যেমন আছি তেমনই থাকি।

এই কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যাথরিন জনের দিকে ছু/রি ছোড়ে, যদিও তেমন ক্ষতি হয়নি। এরপর জন তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়।

কিছুদিন পর ক্যাথরিন আবার জনের জীবনে ফেরার চেষ্টা করে। সময়টা তখন ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০০০ সাল, সে জনের বাড়িতে আসে। রাতে তারা একসঙ্গে সময় কাটায়, তারপর জন ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু ক্যাথরিনের মাথায় তখন ভয়ংকর পরিকল্পনা পাকাপাকি হয়ে গেছে— জন আমাকে বিয়ে করবে না, শুধু ব্যবহার করছে—এবার শেষ!

রাত ১টার দিকে নিজের বাসায় গিয়ে ধা'রালো ছু/রি, কাঁ/চি আর হা/তু/ড়ি নিয়ে ফিরে আসে। ঘুমন্ত জনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রথমে বুকের দিকে ছু/রি চালায়। জন ছটফট করে উঠানের দিকে দৌড় দেয়, কিন্তু ক্যাথরিন তাকে ছেড়ে দেয় না—৩৭ বার ছু/রিকাঘাত করে শেষ করে দেয়।

এরপর দেহকে গরুর মতো জ/বাই করে, মাথা আলাদা করে, চামড়া ছাড়িয়ে এক টু'করোয় দরজার পেছনে ঝুলিয়ে দেয়। দেহের টু'করোগুলো সবজি দিয়ে রান্না করে। রান্না করা মাংস ও স্যুপ টেবিলে সাজিয়ে রাখে জনের সন্তানদের খাওয়ানোর জন্য।

পরে নিজে প্রচুর ঘুমের ওষুধ খেয়ে মেঝেতে শুয়ে পড়ে।

সকাল হয়ে গেলে জনের অফিস থেকে খবর না পেয়ে একজন কর্মী আসে। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ, বাইরে র'ক্তের দাগ। পুলিশ এসে তালা ভেঙে ঢুকেই দেখে—রক্তে ভেসে যাওয়া ঘর, ঝুলন্ত চামড়া, টেবিলে সাজানো রান্না করা মাংস… আর মেঝেতে অচেতন ক্যাথরিন।

কোর্টে সব প্রমাণের ভিত্তিতে ক্যাথরিনকে কোনো প্যারোল ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়—যা অস্ট্রেলিয়ায় কোনো নারীর জন্য প্রথম শাস্তি।
_________________সমাপ্ত_____________


সবাই এমন আরও মর্মান্তিক এবং ভয়ংকর গল্প পেতে লাইক কমেন্ট এবং পেজটি ফলো করে সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ।

দিনাজপুরের এক ছোট গ্রামে জন্ম রফিকের। নিজের বলতে মাত্র দশ শতাংশ জমি। সংসারে স্ত্রী আর ছয় কন্যা—যাদের মধ্যে বড় মেয়ের বিয়ে...
29/08/2025

দিনাজপুরের এক ছোট গ্রামে জন্ম রফিকের। নিজের বলতে মাত্র দশ শতাংশ জমি। সংসারে স্ত্রী আর ছয় কন্যা—যাদের মধ্যে বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের সাথে। বাকিদের কেউ এখনো স্কুলে পড়ে, কেউ ঘরে মায়ের কাজে সাহায্য করে।

পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে রফিক ঢাকায় আসেন। প্রতিদিন ভাড়ায় রিকশা নিয়ে রাস্তায় নামেন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত।

রিকশার মালিককে ১৩০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। সারাদিনে রিকশা চালিয়ে আয় হয় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা। কিন্তু তিনবেলা খাওয়ার খরচই ৫০০ টাকার বেশি, তার সঙ্গে যোগ হয় থাকা-খাওয়ার খরচ আর হাত খরচ। দিনের শেষে হাতে তেমন কিছুই থাকে না।

তবুও রফিক আশা ছাড়েননি। নিজের ঘাম ঝরানো টাকায় মেয়েদের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি চান একদিন মেয়েরা মানুষ হোক, সমাজে সম্মান নিয়ে বাঁচুক।

যেদিন আমি তার রিকশায় উঠলাম, ভাড়া চাইলো একেবারে ন্যায্য ১০০ টাকা। তখন মনে হলো—সব রিকশাওয়ালা একরকম নয়। কেউ সুযোগ বুঝে বাড়তি নেয়, আবার কেউ নিজের অভাব-অভিযোগ লুকিয়েও সৎভাবে ভাড়া বলে।

রফিক শুধু একজন রিকশাচালক নন—তিনি এক সংগ্রামী বাবা। যার প্রতিটি ঘামের ফোঁটা ছয় কন্যার ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুনে চলেছে।

শেষে আমি ন্যায্য ভাড়ার সঙ্গে ২০ টাকা বাড়তি দিয়ে নেমেছিলাম। ভাড়া দিয়েছিলাম শুধু নয়, সেই কষ্টের গল্প শোনার পর যেন তার প্রতি কিছুটা সম্মানও দিয়েছিলাম।

রিকশাচালক রফিকের মতো হাজারো মানুষ প্রতিদিন আমাদের শহর ঘুরে বেড়ায়। আমরা শুধু যাত্রী, কিন্তু তাদের প্রতিটি চাকা ঘোরে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।


#রিকশাচালক_রফিক #সংগ্রামীজীবন #মানবতা #বাস্তবগল্প #জীবনেরকথা

এই কাহিনীটি “ফ্রাঙ্ক গুস্ট” নামের এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ফ্রাঙ্কের জন্ম ২৪ মে ১৯৬৯ সালে, জার্মানির ওবারহাউসেন...
29/08/2025

এই কাহিনীটি “ফ্রাঙ্ক গুস্ট” নামের এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ফ্রাঙ্কের জন্ম ২৪ মে ১৯৬৯ সালে, জার্মানির ওবারহাউসেনে হয়েছিল। জন্মের তিনদিন পরও তার বাবা হাসপাতালে তাকে দেখতে আসেননি। তখনও তিনি মদের নেশায় বুঁদ হয়ে ছিলেন। ফ্রাঙ্কের মা "ডাগমা" স্বামীর চরিত্র দেখে অসহায় আর হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। আত্মীয়স্বজনরা বলত, তুমি ভুল মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছো, তাই এখন শাস্তি পাচ্ছো। অনেক অপেক্ষার পরও যখন স্বামী নে*শা থেকে বের হতে পারলেন না, তখন ডাগমা সিদ্ধান্ত নিলেন ডিভোর্স নেওয়ার। অবশেষে তিন মাস পর তিনি স্বামীর থেকে ডিভোর্স নিয়ে নেন।

ডিভোর্সের পর ফ্রাঙ্ককে নিয়ে মা চলে যান নানা-নানির বাড়ি। সংসারের খরচ চালানো তখন খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছিল, কারণ সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন ডাগমা। ফ্রাঙ্ক ছিল দ্বিতীয় সন্তান, তার বড় ভাইও ছিল। সংসার চালাতে ডাগমা ছোটখাটো কাজ করতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই ডাগমা অসুস্থ হয়ে পড়লেন, সঙ্গে ফ্রাঙ্কের নানিও অসুস্থ হলেন। বাড়তি দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে ডাগমাকে চাকরি ছেড়ে দিতে হলো। তখন অভাব এতটাই বেড়ে গেল যে ফ্রাঙ্ককে অনাথ আশ্রমে পাঠাতে হলো। তার বয়স তখনও এক বছর হয়নি। ভাবুন তো, কতটা অসহায় হলে মা এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে!

চার বছর বয়সে আবার ডাগমা ফ্রাঙ্ককে অনাথ আশ্রম থেকে নিয়ে আসেন। এই সময়ের মধ্যে কিছু টাকা জমিয়ে তিনি একটি ছোট্ট বাড়ি কিনে নিয়েছিলেন। সেখানে নতুন করে সংসার শুরু হয়। ফ্রাঙ্ক তখন বুঝতে শুরু করেছে— পরিবারের ভালোবাসা কাকে বলে আর একাকিত্ব কতটা কষ্টের। অবশেষে সে মায়ের বুকের স্নেহ অনুভব করতে পারল, মায়ের বুকে মাথা রেখে ঘুমাতে পারল।

কিন্তু এদিকে আশেপাশের বাচ্চারা অনেক কিছু শিখে নিয়েছে, এগিয়ে গেছে। ফ্রাঙ্কের জীবনে রয়ে গেল একাকিত্ব আর নিরবতা। পাঁচ বছর বয়সে তাকে স্কুলে ভর্তি করা হলো। কিন্তু সেখানেও সুখ জোটেনি। বাকি বাচ্চারা তার সাথে অমানবিক ব্যবহার করত। কখনও জোর করে তার প্যান্ট খুলে দিত। কেউ আবার তার গোপন অঙ্গে আইসক্রিম মাখিয়ে দিত, তারপর কু*কুর এনে সেটা চাটিয়ে খাওয়াত ছোট বয়সেই ফ্রাঙ্ক এসব সহ্য করতে শিখে গেল।

আট বছর বয়সে ডাগমা দ্বিতীয় বিয়ে করলেন। কিন্তু নতুন সংসার ফ্রাঙ্কের জন্য আরও অন্ধকার নিয়ে এলো। বিছানায় প্রস্রাব করলে বাবা মারধর করত। ডাগমা সবকিছু দেখেও কিছু করতে পারতেন না। তখন ফ্রাঙ্ক বুঝে গেল, এই সংসারে বাঁচতে হলে ডিসিপ্লিন মানতে হবে, নয়তো প্রতিদিন ট/র্চার সহ্য করতে হবে।

নয় বছর বয়সে ফ্রাঙ্ক নিজের নাস্তার টাকা জমিয়ে একটি শূ-করের বাচ্চা কিনে আনে। কিন্তু বাবা সেটা দেখে মা'রধর করে। রাগে ফ্রাঙ্ক বাচ্চা শূকরের উপর বড় পাথর ছুড়ে মারে। কয়েকবার মারার পর শূকরের নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসে। ফ্রাঙ্ক তখন শূকরের পেটে হাত ঢুকিয়ে গরম রক্ত স্পর্শ করে। আশ্চর্যের বিষয় হলো—সে ভয় না পেয়ে বরং আনন্দ অনুভব করল। সেদিনের পর থেকেই তার মানসিকতায় অদ্ভুত এক পরিবর্তন আসতে শুরু করল।

গভীর রাতে ফ্রাঙ্ক নিঃশব্দে ঘর থেকে বেরিয়ে যেত। আশেপাশের পোষা প্রাণীগুলো সে গোপনে চু*রি করে নিয়ে আসত। তারপর গলা টিপে তাদের মে/রে ফেলত, পেট চিরে ভিতরের অঙ্গ বের করত। গরম রক্তে হাত ডুবিয়ে এক অদ্ভুত আনন্দ পেত সে। মৃত প্রাণীর নিথর শরীরের পাশে শুয়ে থাকলে তার মনে হতো অদ্ভুত শান্তি নেমে এসেছে। ভোরে আবার গর্ত খুঁড়ে প্রাণীগুলোকে পুঁ*তে রাখত, যাতে কেউ খুঁজে না পায়।

ক্রমে ফ্রাঙ্ক বড় প্রাণীর স্বাদ নেওয়ার কথা ভাবতে লাগল। তাদের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে এক বৃদ্ধ লোক ঘোড়ার দেখাশোনা করত। ফ্রাঙ্ক তার কাছে গিয়ে ঘোড়ার সাথে খেলতে চাইলো। বৃদ্ধ অনুমতি দিল। এরপর থেকে ফ্রাঙ্ক রাতভর ঘোড়ার পাশে বসে থাকত, কখনও গরম র*ক্তের স্বাদও নিত। ধীরে ধীরে বৃদ্ধ লোকটি ফ্রাঙ্কের দিকে নজর দিতে শুরু করল।

একদিন বৃদ্ধ লোক ফ্রাঙ্ককে নিজের ঘরে ডেকে বলল, “রাতে কিছু সময় আমার সঙ্গে থাকতে হবে, নয়তো ঘোড়ার পাশে যেতে পারবে না।” ফ্রাঙ্ক রাজি হয়ে গেল। এরপর সেই লোক ফ্রাঙ্কের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। ফ্রাঙ্কের তখন বেশ ভালোই লাগল।

এরপরের সপ্তাহে বৃদ্ধ লোকটি আরও কয়েকজনকে নিয়ে এলো। তারা ফ্রাঙ্কের উপর চাপ সৃষ্টি করল। অবশেষে ফ্রাঙ্ক তাদের কাছ থেকে দূরে সরে গেল। কিন্তু পরিবারের কেউই তার এসব নিয়ে কোনো খোঁজ রাখেনি।

পনেরো বছর বয়সে ফ্রাঙ্ক আবার অনাথ আশ্রমে চলে যায়। কতৃপক্ষ ডাগমার সঙ্গে কথা বললে তিনি সহজেই রাজি হয়ে গেলেন। বললেন, “যদি সে সেখানে ভালো থাকে, স্বাধীন বোধ করে, তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই।”

অনাথ আশ্রমে ফ্রাঙ্ক নিজেকে স্বাধীন মনে করত। মাঝেমধ্যে কয়েকদিনের জন্য উধাও হয়ে যেত, কিন্তু খোঁজ নেওয়ার কেউ ছিল না। একদিন কতৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞেস করলে ফ্রাঙ্ক বলল, “যখন আমার মন খারাপ থাকে, তখন আমি কবরস্থানে গিয়ে শুয়ে থাকি। ওখানেই আমি সবচেয়ে বেশি আরাম পাই।”

ফ্রাঙ্ক যেখানে থাকত তার পাশেই ছিল একটি সরকারি হাসপাতাল। হাসপাতালের পাশে ছিল ওবারহাউসেনের কবরস্থানের মর্গঘর, যেখানে দাফনের আগে লাশ রাখা হতো। মর্গ দেখে ফ্রাঙ্কের ভেতরে প্রবল আগ্রহ তৈরি হলো। একদিন সবাই ডিউটি শেষে চলে গেলে ফ্রাঙ্ক চুপিসারে ভেতরে ঢুকে লাশ বের করে। পেটের সা*র্জারির জায়গায় হাত ঢুকিয়ে অদ্ভুত এক তৃপ্তি পেল। ঠান্ডা লাশ কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায় না, তবুও তার মনে আরও আকাঙ্ক্ষা জন্মাল। সে ভাবতে লাগল— যদি এটা জীবিত হতো, তাহলে কেমন হতো? জীবন্ত হৃদয় যদি ছুঁতে পারত!

একদিন ফ্রাঙ্ক ম*র্গে ঢুকে এক মৃ*তদেহ বের করল। লাশটির গলা প্রায় দ্বিখণ্ডিত ছিল। সে হাত ঢুকিয়ে র*ক্তের স্বাদ নিল। তারপর লাশের মাথা আলাদা করে এনে ম*র্গের প্রধান গেইটের সামনে টাঙিয়ে রাখল। সকালে গার্ড এসে চিৎকার করে উঠল— এটা কিভাবে সম্ভব?

চলবে...???

Story_By_Frank_Gust
Part_01

পরকীয়া মধুর এক প্রেমের নাম (যতক্ষন ধরা পরবেন না, ততক্ষন)আমার একজন পরিচিত আছে বিবাহিত , চাকুরীজী মহিলা। এক সন্তান মৃত , দ...
29/08/2025

পরকীয়া মধুর এক প্রেমের নাম (যতক্ষন ধরা পরবেন না, ততক্ষন)

আমার একজন পরিচিত আছে বিবাহিত , চাকুরীজী মহিলা। এক সন্তান মৃত , দুই বাচ্চা বেঁচে আছে।ছেলের বয়স ২৪/২৫। মেয়ের বয়স ১৭/১৮।

মহিলা আহামরি সুন্দর না , খারাপ ও না। একসাথে দুইজনের সাথে পরকীয়া চালাতো, মন দেয়া-নেয়া , শরীর দেয়া-নেয়া , আবার স্বামীর সাথে সংসার, বাচ্চা মানুষ , চাকরি সবই ব্যালেন্সড।

বিপত্তি বাধলো যে দুইজনের সাথে পরকীয়া চলতেছিল তার মধ্যে একজনের বাচ্চা সে কন্সিভ করে ফেললো।অগত্যা দীর্ঘদিনের সংসার, স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে পরকীয়ার দুই প্রেমিকের একজন কে ঘটা করে বিয়ে করলো। যাকে বিয়ে করলো সেও বাচ্চাদের রেখে , স্ত্রীকে ডিভোর্স দিলো।

এরপর শুরু হলো মধুর সংসার , খালি প্রেম আর প্রেম। টানা ৪ বছর খুব ধুমছে প্রেম , বাচ্চার জন্ম সব চললো।

৪বছর পর ভাটা পড়তে শুরু করলো এই বিশ্রী মধুর সম্পর্কে, শুরু হলো সেপারেশন , কোর্ট কাচারি, বাচ্চার কাস্টোডি, খরচ পাতি আদায়ের চেষ্টা... যা হয় আরকি।

মহিলার তখন মনে হলো আরেকজন পরকিয়ার মানুষ তো আছে, সে ইমোশনালি সেই আগের আরেকজন প্রেমিক কে ফোন, মেসেজ দিয়ে কান্নাকাটি শুরু করতে থাকলো..

বর্তমানে মহিলা আগের স্বামী , বর্তমান স্বামী এবং আগের প্রেমিক সবাইকেই চাচ্ছে। একেকজনকে একেকভাবে চাচ্ছে🙃। সবচেয়ে মজার বিষয় তার কাছে সব কিছুর রেকর্ড আছে যেন ব্ল্যাক মেইল করা সহজ হয়। তার বাইরের গেট আপ সবসময় হেজাবি।

আমরা শুধু সেইসব ঘটনা দেখি যা সামনে আসে, সমাজে অনেক শিক্ষিত ,বড়লোক ,রিচ ,পশ অন্ধকার আছে। ভেতরে ভেতরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে.. নিজের বাচ্চাদের ও সেই সবের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে অসুস্থ কিছু সন্তান যার পুরোটাই বাবা-মায়ের জীবন যাপন থেকে নেয়া নির্যাস।

এগুলোর জন্যই আমরা মেয়ারা বড়লোক হতে পারিনা ‼️🥲
11/07/2025

এগুলোর জন্যই আমরা মেয়ারা বড়লোক হতে পারিনা ‼️🥲

অরিজিনাল প্রডাক্ট ক্রয় করুন, নিজের স্কিনকে সুস্থ রাখুন ‼️𝐃𝐫 𝐃𝐚𝐯𝐞𝐲 𝐏𝐚𝐩𝐚𝐲𝐚 𝐖𝐡𝐢𝐭𝐞𝐧𝐢𝐧𝐠 𝐂𝐫𝐞𝐚𝐦 💥♥️Net: 25gm-♥️Papaya Whitening...
28/06/2025

অরিজিনাল প্রডাক্ট ক্রয় করুন, নিজের স্কিনকে সুস্থ রাখুন ‼️
𝐃𝐫 𝐃𝐚𝐯𝐞𝐲 𝐏𝐚𝐩𝐚𝐲𝐚 𝐖𝐡𝐢𝐭𝐞𝐧𝐢𝐧𝐠 𝐂𝐫𝐞𝐚𝐦 💥
♥️Net: 25gm
-
♥️Papaya Whitening cream ক্রিম টি সঠিক ব্যবহার এ আপনি পাচ্ছেন ব্রাইট স্কিন টোন, সানবার্ন পিগমেন্টেশন থেকে মুক্তি, যাদের হালকা মেসতা প্রবলেম তারাও নিশ্চিন্তে একটি হলেও ইউজ করে দেখবেন।
-
🌺ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করে
🌺ব্রনের দাগ দূর করে
🌺বয়সের ছাপ দূর করে
🌺মেছতার দাগ দূর করে
🌺রোদ্রে পোড়া দাগ দূর করে
🌺চোখের নিচে কালচে দাগ দূর করে
🌺স্কীনের তৈলাক্ত ভাব দূর করে
🌺আপনার ফেইসের সমস্ত দাগ দূরকরবে।
-
💁🏻‍♀️Dr Davey Cream ব্যবহারবিধি: প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর ঠিক ১-২ ঘন্টা আগে মুখ পরিস্কার করে আপনার পছন্দের সিরাম দিয়ে আলতো করে ভাসা ভাসা করে লাগাবেন

প্রডাক্টি অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 📩

Address

Kathpotti Road
Barishal

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:30
Tuesday 09:00 - 20:30
Wednesday 09:00 - 20:30
Thursday 09:00 - 20:30
Saturday 09:00 - 20:29
Sunday 09:00 - 20:30

Telephone

+8801779931842

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সৌন্দর্যের সূচনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সৌন্দর্যের সূচনা:

Share