Dr. Tanjina Afroze

Directions

Dr. Tanjina Afroze Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Tanjina Afroze, Medical and health, বাংলা বাজার মকবুল ইঞ্জিনিয়ার লেন, নলুয়া হাউজের নিচ তলায়, Barishal.

20/10/2026

🦷 দাঁত সুস্থ রাখুন

দাঁতে পোকা লাগা, দাঁতের ক্ষয়, দাঁতে গর্ত হওয়া কিংবা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার মতো কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত একজন দাঁতের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার রাখা ও সময়মতো চিকিৎসা নেওয়াই দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায়।

17/10/2026

ত্বক বা ত্বকে র‍্যাশ (Rash) ও চুলকানি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু সহজ এবং কার্যকর নিয়ম মেনে চলা যেতে পারে। নিচে এর কার্যকর উপায়গুলো দেওয়া হলো:

​১. ত্বকের সঠিক যত্ন ও হাইড্রেটিং

​নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার: ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে র‍্যাশ ও চুলকানির সমস্যা বাড়ে। তাই গোসলের পর এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রতিদিন ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন।

​হাইড্রেটেড থাকা: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। শরীর ভেতর থেকে হাইড্রেটেড থাকলে ত্বক সুস্থ থাকে।

​২. সঠিক প্রসাধন ও সাবান নির্বাচন

​নরম ও মৃদু সাবান ব্যবহার: কড়া রাসায়নিক বা সুগন্ধযুক্ত সাবান ব্যবহার না করে সংবেদনশীল ত্বকের (Sensitive skin) জন্য উপযোগী মাইল্ড বা ভেষজ সাবান ব্যবহার করুন।
​কেমিক্যাল এড়িয়ে চলা: স্কিন কেয়ার বা মেকআপ পণ্য কেনার সময় সুগন্ধি (Fragrance-free) এবং প্যারাবিন-মুক্ত পণ্য বেছে নিন।

​৩. পোশাক ও পরিচ্ছন্নতা

​সুতি পোশাক পরা: সিন্থেটিক বা পলেস্টার কাপড়ের পরিবর্তে নরম সুতি (Cotton) ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। সিন্থেটিক কাপড় ঘাম আটকে র‍্যাশ ও অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে।

​নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: বাইরে থেকে ফিরে মুখ ও শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। গরমে ঘাম জমতে দেবেন না, ঘাম হলে দ্রুত মুছে ফেলুন।

​৪. খাবার ও অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ

​অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবার থেকে দূরে থাকা: যে খাবারে আপনার এলার্জির সমস্যা রয়েছে (যেমন- চিংড়ি, ইলিশ, বেগুন বা নির্দিষ্ট কোনো ফল) তা এড়িয়ে চলুন।

​সুষম খাবার খাওয়া: ভিটামিন সি, ই এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

​৫. পরিবেশ ও বাহ্যিক সুরক্ষা

​রোদ থেকে বাঁচুন: অতিরিক্ত রোদ বা গরমে বের হওয়ার সময় ছাতা ব্যবহার করুন এবং সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন।

​ধুলোবালি ও দূষণ: বাইরে যাওয়ার সময় মুখ ও ত্বক স্কার্ফ বা মাস্ক দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন।

ছবিতে "দেয়াল বরাবর পা ওপরে তোলার ভঙ্গি" (বিপরীত করণী) বা Legs-Up-The-Wall Pose-এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা বিস্তারিতভাবে উল...
12/10/2026

ছবিতে "দেয়াল বরাবর পা ওপরে তোলার ভঙ্গি" (বিপরীত করণী) বা Legs-Up-The-Wall Pose-এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
​রক্ত সঞ্চালনে উন্নতি: এই ভঙ্গি পুরো শরীরে রক্ত প্রবাহ বাড়ায় এবং পা থেকে হৃদপিণ্ডে শিরার রক্ত চলাচল উন্নত করে।
​ঘাড় ও কাঁধের টান মুক্ত করে: এটি ঘাড়, কাঁধ এবং ওপরের পিঠের মাংসপেশির টান কমাতে সাহায্য করে।
​মানসিক চাপ ও উদ্বেগ হ্রাস: এটি স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে এবং মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
​মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি: মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং মানসিক স্পষ্টতা উন্নত করতে ভূমিকা রাখে।
​ফোলা ও প্রদাহ কমায়: লিম্ফ্যাটিক নিষ্কাশন বা প্রবাহ বাড়িয়ে পা এবং পায়ের পাতার ফোলাভাব কমায়।
​থাইরয়েড স্বাস্থ্যে সহায়তা: থাইরয়েড গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করে।
​ব্যথা কমানো ও লিম্ফ্যাটিক প্রবাহ: এটি শারীরিক ব্যথা কমাতে এবং লিম্ফ্যাটিক প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
​কীভাবে করবেন:
১. একটি দেয়ালের পাশে পাশ ফিরে বসুন এবং শুয়ে পড়ুন।
২. আপনার পাগুলো ওপরে তুলে দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে রাখুন।
৩. বাহুগুলো দুপাশে ছড়িয়ে হাতের তালু ওপরের দিকে রাখুন।
৪. চোখ বন্ধ করে গভীরভাবে শ্বাস নিন এবং এভাবে ১০–১৫ মিনিট থাকুন।

"রোগ নয়, রোগীর লক্ষণই যেখানে নিরাময়ের পথ দেখায়!"​জ্বর ও তীব্র ত্বকের সমস্যায় আক্রান্ত এই ছোট্ট শিশুটির অবিশ্বাস্য সুস্থ...
12/10/2026

"রোগ নয়, রোগীর লক্ষণই যেখানে নিরাময়ের পথ দেখায়!"
​জ্বর ও তীব্র ত্বকের সমস্যায় আক্রান্ত এই ছোট্ট শিশুটির অবিশ্বাস্য সুস্থতা আবারো প্রমাণ করে দিল—লক্ষণ সাদৃশ্যে সঠিক হোমিওপ্যাথি ওষুধ নির্বাচন করতে পারলে নিরাময় হয় দ্রুত ও নিখুঁত। মাত্র ৭ দিনে শিশুর গায়ে জমে থাকা কষ্ট দূর হয়ে তার মুখে আবার হাসি ফুটেছে। আলহামদুলিল্লাহ! সঠিক নিয়মে হোমিওপ্যাথি গ্রহণ করুন, দ্রুত সুস্থ থাকুন।

ডা. তানজিনা আফরোজ
সহকারী অধ্যাপক
এ্যাপেক্স হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বারঃ
মোহাম্মাদিয়া হোমিও হল,
নলুয়া হাউস (নিচ তলা), মকবুল ইঞ্জিনিয়ার লেন ( স্বপ্নের বিপরীত গলি ), বাংলাবাজার বরিশাল।

জরুরি যোগাযোগঃ ০১৭৪৭০৭৯২৫৫

02/10/2026

বাচ্চাদের চর্মে ছোট ছোট বিচি বা রেস নিয়ে আলোচনা। অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ একজন ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করুন।

01/10/2026

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর স্বল্প খরচ, যন্ত্রণাহীনতা এবং দ্রুত আরোগ্যের সম্ভাবনা। সঠিক লক্ষণ নির্বাচন ও উপযুক্ত ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে এই চিকিৎসা পদ্ধতি রোগীদের জীবনকে সহজ ও রোগমুক্ত করে তোলে।
​১. স্বল্প খরচে চিকিৎসা:
অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির তুলনায় হোমিওপ্যাথি বেশ সাশ্রয়ী। এতে সাধারণ ল্যাব টেস্ট বা দামি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার প্রয়োজন অনেক কম পড়ে। তাছাড়া হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলোর মূল্যও সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের আর্থিক সাশ্রয় এনে দেয়।
​২. বিনাকষ্টে যন্ত্রণাহীন সেবন:
হোমিওপ্যাথিতে কোনো অস্ত্রোপচার (Surgical Procedure) বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজুক্ত ভারী ইনজেকশনের প্রয়োজন হয় না। মিষ্টি স্বাদের ছোট ছোট গ্লোবিউলস বা তরল ফোঁটা আকারে ওষুধ দেওয়া হয়, যা শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ—সবাই খুব আনন্দের সাথে ও বিনাকষ্টে সেবন করতে পারেন।
​৩. দ্রুত ও স্থায়ী আরোগ্য:
অনেকের ধারণা হোমিওপ্যাথি খুব ধীরগতির চিকিৎসা, যা পুরোপুরি সঠিক নয়। লক্ষণ অনুযায়ী রোগীকে যদি একদম সঠিক ও উপযুক্ত (Simillimum) ওষুধ নির্বাচন করে সঠিক মাত্রায় দেওয়া যায়, তবে তীব্র বা জটিল রোগের ক্ষেত্রেও খুব দ্রুত এবং চমৎকার ফলাফল পাওয়া যায়।
​৪. লক্ষণভিত্তিক ও মূল উপশম:
হোমিওপ্যাথি শুধুমাত্র রোগের উপরিভাগের উপসর্গ কাটায় না, বরং মানুষের মানসিক ও শারীরিক লক্ষণের সামঞ্জস্য রেখে রোগের মূল কারণ বা উৎস চিহ্নিত করে। এর ফলে রোগটি বারবার ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যায় এবং রোগী স্থায়ীভাবে সুস্থ হয়ে ওঠে।
​সঠিক অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক সময়ে উপযুক্ত ওষুধ গ্রহণ করলে হোমিওপ্যাথি একটি অত্যন্ত কার্যকরী, নিরাপদ ও আধুনিক চিকিৎসা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

বন্ধু গন বর্তমানে ডেংগুর কারণে খুব বেশী তাই আজ ডেংগু নিয়ে একটু আলোচনা করছি :ডেংগু হওয়ার মূল কারণ হলো ডেংগু ভাইরাস (Dengu...
29/09/2026

বন্ধু গন বর্তমানে ডেংগুর কারণে খুব বেশী তাই আজ ডেংগু নিয়ে একটু আলোচনা করছি :

ডেংগু হওয়ার মূল কারণ হলো ডেংগু ভাইরাস (Dengue virus)। এটি মূলত এডিস মশার (Aedes aegypti এবং Aedes albopictus) কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়।

​যখন কোনো এডিস মশা ডেংগু ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো মানুষকে কামড়ায়, তখন মশাটির শরীরে ভাইরাসটি প্রবেশ করে। পরবর্তীতে সেই জীবাণুবাহী মশাটি যখন সুস্থ কোনো মানুষকে কামড়ায়, তখন ওই সুস্থ মানুষটিও ডেংগুতে আক্রান্ত হয়। এডিস মশা সাধারণত সাধারণত দিনের বেলা (বিশেষ করে সকালে ও সন্ধ্যার আগে) বেশি কামড়ায় এবং জমা হওয়া পরিষ্কার পানিতে বংশবৃদ্ধি করে।

#​ডেংগু থেকে বাঁচার কৌশল

* ​ডেংগু প্রতিরোধ করার প্রধান উপায় হলো এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করা এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা।

​১. মশামুক্ত পরিবেশ তৈরি ও পানির জট দূর করা
​পানির পাত্র পরিষ্কার রাখুন: টব, প্লাস্টিকের বোতল, নারকেলের ছোবড়া, টায়ার কিংবা এসি/রেফ্রিজারেটরের নিচে যেন ২-৩ দিনের বেশি পানি জমে না থাকে।
*​সাপ্তাহিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: বাড়ির চারপাশের ড্রেন, ফুলের টব ও গ্যারেজ পরিষ্কার রাখুন। সপ্তাহে অন্তত এক দিন জমে থাকা পানি ফেলে দিন।
*​ঢেকে রাখুন: ব্যবহারের জন্য রাখা পানির পাত্র বা ট্যাঙ্কি সব সময় শক্ত ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন।

​২. মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা
*​মশারি ব্যবহার: দিনে বা রাতে যখনই ঘুমান, অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমান। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের দিনে ঘুমানোর সময়ও মশারি ব্যবহার করা উচিত।
*​ফুল হাতা পোশাক: দিনের বেলা যতটা সম্ভব শরীর ঢাকা পোশাক (যেমন—ফুল হাতা শার্ট ও ফুল প্যান্ট) পরিধান করুন।
​মশা তাড়ানোর ক্রিম বা স্প্রে: খোলা শরীরে মশা তাড়ানোর রিপেলেন্ট (Insect Repellent) ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।
*​জাল দিয়ে ঘর সুরক্ষিত করা: ঘরের জানালা ও দরজায় নেট বা জাল লাগাতে পারেন, যাতে ঘরে মশা প্রবেশ করতে না পারে।

​৩. সচেতনতা ও সতর্কতা
*​এডিস মশা সাধারণত আবছা আলো বা ঘরের কোণায় বেশি লুকিয়ে থাকে, তাই ঘরের ভেতরের কোণা ও অন্ধকার জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার বা স্প্রে করুন।
*​এলাকায় মশার উপদ্রব বাড়লে স্থানীয় প্রশাসন বা প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে সম্মিলিতভাবে মশা নিধন অভিযান চালানো উচিত।

​ডেংগুর কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই, তাই প্রতিরোধই ডেংগু থেকে বাঁচার সবচেয়ে সেরা কৌশল। কারো জ্বর হলে এবং ডেংগুর লক্ষণ (যেমন: তীব্র জ্বর, শরীরে বা চোখের পেছনে ব্যথা, লাল র‍্যাশ) দেখা দিলে প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং হোমিওপ্যাথি ডাক্তার এর পরামর্শ নিন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা প্রাথমিক অবস্থায় নিলে জটিলতা হয় না, আল্লাহ রহমতে।

27/09/2026

বন্ধু গন আজ " বাত" নিয়ে আলোচনা
“বাত” কথাটি সাধারণভাবে জয়েন্ট, পেশি বা স্নায়ুর ব্যথা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর অনেকগুলো আলাদা রোগ আছে। প্রধান কয়েকটি ধরন হলো—

১. অস্টিওআর্থ্রাইটিস

*হাঁটু, কোমর, ঘাড়, হাতের আঙুলে বেশি হয়।
*নড়াচড়া করলে ব্যথা বাড়ে, বিশ্রামে কিছুটা কমে।
*সকালে ঘুম থেকে উঠে অল্প সময় শক্ত লাগে।
*বয়স বাড়ার সঙ্গে বেশি দেখা যায়।

২. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস

*শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজের জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি করে।
*দুই হাত/দুই পায়ের একই ধরনের জয়েন্টে ব্যথা ও ফোলা হতে পারে।
*সকালে ৩০–৬০ মিনিট বা তার বেশি সময় জয়েন্ট শক্ত থাকতে পারে।
*দীর্ঘদিন থাকলে জয়েন্টের ক্ষতি হতে পারে।

৩. গাউট বা গেঁটে বাত

*হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা, বিশেষ করে পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে।
*জয়েন্ট লাল, গরম ও ফুলে যায়।
*ব্যথা এত তীব্র হতে পারে যে সামান্য স্পর্শেও কষ্ট হয়।
*রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে ঝুঁকি বাড়ে, তবে শুধু ইউরিক অ্যাসিডের রিপোর্ট দিয়ে গাউট নিশ্চিত করা যায় না।

৪. সারভাইক্যাল/কোমরের স্পন্ডাইলোসিস

*ঘাড় বা কোমরে ব্যথা ও শক্তভাব।
*স্নায়ুতে চাপ পড়লে ব্যথা হাত বা পায়ের দিকে ছড়িয়ে যেতে পারে।
*ঝিনঝিনি, অবশভাব বা দুর্বলতাও হতে পারে।

৫. সায়াটিকা

*কোমর থেকে নিতম্ব হয়ে এক পায়ের পেছন দিকে নামা ব্যথা।
*অনেক সময় জ্বালাপোড়া, বিদ্যুৎ শকের মতো ব্যথা বা ঝিনঝিন অনুভূত হয়।
*কাশি/হাঁচি বা দীর্ঘক্ষণ বসলে বাড়তে পারে।

কীভাবে প্রতিকার করবেন

*শরীরের ওজন স্বাভাবিক রাখুন।
*প্রতিদিন সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটা ও জয়েন্টের উপযোগী ব্যায়াম করুন।
*দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না।
*ব্যথার জায়গায় প্রয়োজন অনুযায়ী গরম বা ঠান্ডা সেঁক দিতে পারেন।
*পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
*গাউটের সন্দেহ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে ইউরিক অ্যাসিডসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করুন।
*দীর্ঘদিনের ব্যথায় নিজের ইচ্ছায় ব্যথার ওষুধ বা স্টেরয়েড নিয়মিত খাবেন না।

বিশেষ সতর্কতা: কোনো জয়েন্ট হঠাৎ খুব ফুলে গিয়ে লাল-গরম হয়, সঙ্গে জ্বর থাকে; অথবা ব্যথার সঙ্গে হাত-পা দুর্বল/অবশ হয়ে যায়—তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

24/09/2026

বন্ধুগন আজ ফিস্টুলা নিয়ে কিছু কথা লিখলাম:
ফিস্টুলা (Fistula) হলো শরীরের দুটি অঙ্গের মধ্যে বা কোনো অঙ্গ থেকে ত্বকের দিকে তৈরি হওয়া একটি অস্বাভাবিক সরু নালি/পথ।

কোথায় বেশি হয়?

সবচেয়ে পরিচিত হলো মলদ্বারের ফিস্টুলা (A**l fistula)। এটি সাধারণত মলদ্বারের ভেতর থেকে মলদ্বারের পাশের চামড়ায় একটি নালি তৈরি করে।
এছাড়াও ফিস্টুলা হতে পারে—

*অন্ত্র ↔ ত্বক
*মূত্রথলি ↔ যোনিপথ
*যোনিপথ ↔ মলাশয়
*অন্যান্য অঙ্গের মধ্যেও
*মলদ্বারের ফিস্টুলা কেন হয়?

সাধারণত মলদ্বারের ভেতরের ছোট গ্রন্থিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ → পুঁজ জমে ফোঁড়া (abscess) → ফোঁড়া ফেটে/ড্রেন হওয়ার পর একটি নালি থেকে যাওয়া—এভাবেই ফিস্টুলা তৈরি হয়।

যেসব কারণে ঝুঁকি বাড়তে পারে:

*মলদ্বারের ফোঁড়া বা বারবার পুঁজ হওয়া
*দীর্ঘস্থায়ী অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ, যেমন Crohn’s disease
*যক্ষ্মা বা কিছু দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ
*মলদ্বারে আঘাত/অপারেশন
*কিছু ক্ষেত্রে কারণ স্পষ্ট পাওয়া যায় না
*কী লক্ষণ দেখা যায়?
*মলদ্বারের পাশে ছোট ছিদ্র
*বারবার পুঁজ/দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হওয়া
*জায়গাটি ফুলে যাওয়া ও ব্যথা
*পুঁজ বের হলে সাময়িক আরাম পাওয়া, পরে আবার ফুলে যাওয়া
*কখনো জ্বর
এই ফিস্টুলার খুব ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায়। আপনাদের কেউ কখনো এমন সমস্যায় পড়লে অবশ্যই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিবেন, ইনশাআল্লাহ ভালো হবে। এমন অনেক রুগী আমি নিজে ও দেখেছি এবং সুস্থ ও হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

ডা. তানজিনা আফরোজ
সহকারী অধ্যাপক
এ্যাপেক্স হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
মোবাইল নং 01747079255

23/09/2026

বন্ধুগন একটা বিষয় লক্ষ করুণ—গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা আর হার্টের ব্যথা অনেক সময় খুব কাছাকাছি মনে হতে পারে, বিশেষ করে বুকের মাঝখান বা ওপরের পেটে ব্যথা হলে। শুধু লক্ষণ দেখে নিশ্চিতভাবে আলাদা করা সবসময় সম্ভব নয়।

কিছু সাধারণ পার্থক্য

গ্যাস্ট্রিক/অ্যাসিডিটি
হার্টের সমস্যা
বুক জ্বালা বা টক ঢেঁকুর হতে পারে
বুকের মাঝখানে চাপ, ভারী লাগা, চেপে ধরা বা সংকোচনের মতো হতে পারে
খাবারের পর বা শোয়ার সময় বাড়তে পারে
হাঁটা, সিঁড়ি ওঠা বা পরিশ্রমে বাড়তে পারে
অ্যান্টাসিডে কিছুটা কমতে পারে
বিশ্রামেও থাকতে পারে বা পরিশ্রমে বাড়তে পারে
টক/তিক্ত পানি মুখে আসতে পারে
সাধারণত এসব থাকে না
পেট ফাঁপা, ঢেঁকুর থাকতে পারে
শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা হতে পারে
ব্যথা সাধারণত ওপরের পেট/বুকের জ্বালাভাব
ব্যথা/অস্বস্তি বাম বা দুই হাত, কাঁধ, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়াতে পারে

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা: হার্টের ব্যথা সবসময় বাম পাশে তীব্র ব্যথা হয় না। কখনও শুধু অম্বল, বুক জ্বালা, ওপরের পেটে অস্বস্তি, শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা হিসেবেও প্রকাশ পেতে পারে।

👉 নতুন বা অস্বাভাবিক বুকের ব্যথা ৫–১০ মিনিটের বেশি থাকলে, বিশেষ করে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমিভাব, মাথা ঘোরা বা হাত/চোয়াল/পিঠে ব্যথা থাকলে—গ্যাস্ট্রিক মনে করে অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

ডা. তানজিনা আফরোজ
সহকারী অধ্যাপক
এ্যাপেক্স হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।

Address

বাংলা বাজার মকবুল ইঞ্জিনিয়ার লেন, নলুয়া হাউজের নিচ তলায়
Barishal
8200

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Tanjina Afroze posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share