Allahor Dan Dawakhana-আল্লাহর দান দাওয়াখানা

  • Home
  • Bangladesh
  • Bogura
  • Allahor Dan Dawakhana-আল্লাহর দান দাওয়াখানা

Allahor Dan Dawakhana-আল্লাহর দান দাওয়াখানা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Allahor Dan Dawakhana-আল্লাহর দান দাওয়াখানা, Medical and health, Bogura.

রোজেলা চা হলো এক ধরনের ভেষজ পানীয় যা রোজেলা (চুকাই/মেস্তা) ফুল থেকে তৈরি হয়, যার টক-মিষ্টি স্বাদ এবং গাঢ় লাল রঙ থাকে; ...
29/01/2026

রোজেলা চা হলো এক ধরনের ভেষজ পানীয় যা রোজেলা (চুকাই/মেস্তা) ফুল থেকে তৈরি হয়, যার টক-মিষ্টি স্বাদ এবং গাঢ় লাল রঙ থাকে; এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি-তে ভরপুর, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, লিভার সুস্থ রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে, আর এটি ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও হাঁপানির জন্য উপকারী।

রোজেলা চায়ের উপকারিতা:
উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল: রক্তচাপ কমাতে ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগীদের জন্য উপকারী।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
লিভার ও ফুসফুস: লিভার সুস্থ রাখতে এবং ফুসফুসের সমস্যা, হাঁপানি ও ঠান্ডাজনিত রোগ সারাতে কার্যকর।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।
মানসিক চাপ ও ক্লান্তি: মানসিক চাপ ও ক্লান্তি দূর করে।
হজম ও অন্যান্য: হজমে সাহায্য করে, পিরিয়ডের সমস্যা কমায় এবং শরীরকে সতেজ রাখে।

কীভাবে তৈরি করবেন (সাধারণ পদ্ধতি):
১. রোজেলা ফুল (শুকনো বা তাজা) সংগ্রহ করুন।
২. ফুটন্ত গরম পানিতে রোজেলা ফুল দিন এবং ৫-১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
৩. এতে মধু বা চিনি (স্বাদমতো) এবং সামান্য আদা বা লেবুর রস যোগ করতে পারেন।
৪. ছেঁকে গরম গরম পরিবেশন করুন।
রোজেলা চা সাধারণত 'চুকাই', 'মেস্তা', বা 'Hibiscus Tea' নামেও পরিচিত। এটি একটি প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর পানীয় যা শরীরকে অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে।

03/12/2025

পাইলসে বারবার অস্বস্তি অনুভব করছেন? এই ভিডিওতে শুধুমাত্র সেই ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ওষুধগুলোর নাম তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো সাধারণত পাইলসের উপশমে ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক গাইড জানতে ভিডিওটি দেখুন।

#অর্শরোগ, #অর্শ্বরোগেরচিকিৎসা, #পাইলসরোগ, #পুরুষেরপাইলসসমস্যা, #পাইলসহলেকিকরবেন, #পাইলসএরব্যাথাহলেকিকরবেন, , #বিনাখরচেপাইলসএরচিকিৎসা, #পাইলসএরচিকিৎসা, #বিনাঅপারেশনেপাইলসেরচিকিৎসা, , ,

ঈদ মোবারক 🌙🌙তাকাববালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
10/04/2024

ঈদ মোবারক 🌙🌙

তাকাববালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

👉  চিয়াসিড👈 বলতে পারেন পুরো পৃথিবীতে একে সুপার ফুড বলা হয়? কারণ এর মধ্যে আল্লাহ তায়ালা এমন কিছু গুনাগুন দিয়েছে যা মা...
24/03/2024

👉 চিয়াসিড👈
বলতে পারেন পুরো পৃথিবীতে একে সুপার ফুড বলা হয়? কারণ এর মধ্যে আল্লাহ তায়ালা এমন কিছু গুনাগুন দিয়েছে যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলা হয় প্রায় ২০ এর অধিক রোগের উপকার করেছে এই চিয়াসিড✅✅ স্বাস্থ্য সচেতনশীল প্রত্যেকটি মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনে এর ব্যবহার একদম নিত্য প্রয়োজনীয় করে তুলেছেন।
💥বর্তমান পৃথিবীতে চিয়াসিড কে বলা হয় সুপারফুড। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমান বাংলাদেশে এর চাহিদা বেড়েছে বহুগুণে।
আসুন কেন খাবেন এবং কি উপকার পাবেন তা জানি
👉চিয়া সিডের উপকারিতাঃ
(১) চিয়া সিডস দ্রুত ওজন কমায়।স্বরনশক্তি বৃদ্ধি করে।
(২) প্রোটিনের চাহিদা মিটায় কারন চিয়া সিডে আছে ওমেগা ৩।
(৩) ইমিউন সিস্টেম বাড়ায়
(৪) এনার্জি বাড়ায়।
(৫) পরিপূর্ণ ঘুম হতে সাহায্য করে।
(৬) টক্সিন মুক্ত রাখে।
(৭) ব্লাড সুগার লেভেল নরমাল রাখে।
(৮) কোলেস্ট্রল ও ব্লাড প্রেসার কমায়।
(৯) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
(১০) হজমে সহায়তা করে।
(১১) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
(১২) প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে।
(১৩) চিয়া সিড এ B1, B2, B3 ও বোরন রয়েছে। আর বোরন ক্যালসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে হাড় শক্ত করে।
(১৪)ত্বক মসৃণ করে। টান টান ভাব আনে।
(১৫) নখ শক্ত করে।
(১৬) চিয়া সিড এ আছে ওমেগা ৩, ফসফরাস, প্রোটিন ও অ‍্যামিনো এসিড।ওমেগা ৩ মাথার ত্বককে ব‍্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ফসফরাস চুলের সঠিক বৃদ্ধি করে আর প্রোটিন ও অ‍্যামিনো এসিড চুলকে ঘন ও শক্ত করে।

আলহামদুলিল্লাহ🤲🤲, আল্লাহর মেহেরবানিতে এভাবে আমরা শত শত রোগীর সেবা দিয়ে আসছি। 👉👉যে কোন টিউমারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে প...
05/03/2024

আলহামদুলিল্লাহ🤲🤲, আল্লাহর মেহেরবানিতে এভাবে আমরা শত শত রোগীর সেবা দিয়ে আসছি।
👉👉যে কোন টিউমারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
❤️❤️আল্লাহর রহমতে সেরে যাবে ইনশাআল্লাহ❤️❤️
আমাদের কাজের কিছু খন্ড চিত্র।
👉👉আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পেজে মেসেজ দন অথবা ফোন করুন - 01316-340450/0127974027

👉👉   কোষ্ঠকাঠিন্য 👈👈কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে মল শক্ত হয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক মল ত্যাগের অক্ষমতাকে বোঝায়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে মল ত্...
05/03/2024

👉👉 কোষ্ঠকাঠিন্য 👈👈
কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে মল শক্ত হয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক মল ত্যাগের অক্ষমতাকে বোঝায়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে মল ত্যাগ একটানা ৩ দিন হয়না বা সপ্তাহে ৩ বারের কম হয়। গবেষকদের মতে কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে যে কোন ২টি বা তার অধিক বৈশিষ্ট্য ১২ সপ্তাহের মধ্যে উপস্থিত থাকাকে বোঝায়-
১. স্বতস্ফূর্তভাবে মল ত্যাগ না হওয়া (25% of time) মল ত্যাগে বল প্রয়োগ করতে হয়।
৩. শক্ত মল ত্যাগ।
৪. মল ত্যাগে অসম্পূর্ণতা (Incomplete evacuation)।
৫. পায়ুপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি (Sensation of anorectal blockage)।

কারণঃ
ক) পরিপাকতন্ত্রের গোলযোগ (Gastrointestinal disorders)-
১. খাদ্য সম্পর্কিত- আঁশ এবং তরল জাতীয় খাদ্যের অভাব বা কম খাওয়া।
২. অস্ত্রের গতি বা সঞ্চালন- গমনপথের ধীরগতি সম্পন্ন মলত্যাগ (Slow-transit constipation), আইবিএস, ক্রনিক ইনটেসটাইনাল সিউডো-অবসট্রাকশন (Chronic intestinal pseudo-obstruction) এবং কিছু ওষুধের প্রভাব।
৩. গঠনগত- কোলন ক্যান্সার, ডাইভারটিকুলার (Diverticular) ডিজিজ, Hirschsprung's disease।
৪. মলত্যাগ- প্রতিবন্ধকতাজনিত মলত্যাগ (Obstructed defecation), অ্যানোরেক্টাল ডিজিজ (Anorectal disease)
যেমন- ক্রন'স ডিজিজ (Crohn's disease), ফিসার (Fissure), রক্ত অর্শ (Haemorrhoids)।
(খ) নন-গ্যাস্ট্রোইনটেসটাইনাল গোলযোগ (Non-Gastrointestinal disorders)-
১. ওষুধ-ওপিয়েট্‌ট্স (Opiates), অ্যান্টিকোলিনারজিক ড্রাগ (Anti-cholinergic), ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারস (Ca2+channel blockers), আয়রণ সাপ্লিমেন্ট, অ্যালুমিনিয়ামসমৃদ্ধ অ্যান্টাসিড।
২. নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুঘটিত (Neurological)- মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, স্পাইনাল কর্ডে ক্ষত (Spinal cord lesions), সেরিব্রোভাম্বুলার আঘাত, পারকিনসন্স ডিজিজ।
৩. বিপাকীয় (Metabolic)/অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিজনিত (Endocrine)- ডায়াবেটিস মেলাইটাস, ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি (Hypercalcaemia), হাইপোথাইরয়ডিজম, গর্ভাবস্থা।
৪. অন্যান্য- জীবন-যাপন প্রণালীতে পরিবর্তন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতা এবং সে সাথে চলাচলে অক্ষমতা বিশেষতঃ বার্ধক্য ও বিষণ্ণতাজনিত।

লক্ষণঃ
১. শক্ত ও অল্প পরিমাণে সপ্তাহে ৩ বারের কম মলত্যাগ।
২. ধীরে ধীরে পরিপাক তন্ত্রের ছন্দ নষ্ট হতে থাকে
৩. বায়ুজনিত পেট ব্যাথা হতে পারে।
৪. তলপেটে ব্যাথা ও অস্বস্তি হতে পারে।
৫. অসম্পূর্ণ মলত্যাগ অনুভূত হয়।
৬. খাবারে অরুচি হতে পারে।
৭. বমি ও বমিভাব হতে পারে।

পরামর্শঃ
১. সবুজ শাক সবজি পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবেন।
২. ফলের রস পান করুন।
৩. পানি প্রচুর পরিমাণে পান করুন।
৪. কফি, চকলেট, মিষ্টান্ন কম খাবেন।
৫. মল ত্যাগের সময় বেশি চাপ দিবেন না। যথাসময়ে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তুলুন। বিশেষত: সকালে ঘুম থেকে উঠার পরপরই টয়লেটে যাওয়ার অভ্যাস করুন।

💥💥আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন 👉 01316-340450 অথবা 01827974027

👉👉সাইনুসাইটিসঃ (Sinusitis)সাইনাসের প্রদাহকে সাইনুসাইটিস বলে। এটি সাইনাস সংক্রমণ বা Rhinosinusitis নামেও পরিচিত। সাইনাস হ...
04/03/2024

👉👉সাইনুসাইটিসঃ (Sinusitis)

সাইনাসের প্রদাহকে সাইনুসাইটিস বলে। এটি সাইনাস সংক্রমণ বা Rhinosinusitis নামেও পরিচিত। সাইনাস হচ্ছে বায়ু প্রকোষ্ট। আমাদের নাসিকা রন্ধের চতুর্দিকে চার জোড়া বায়ু প্রকোষ্ট থাকে। এগুলো ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে নাকের ভিতর অংশে এসে উন্মুক্ত হয়। ম্যাক্সিলারি সাইনাস সবচেয়ে বড় এবং এটি চোখের নিচে বিদ্যমান থাকে। ফ্রন্টাল সাইনাস চোখের উপরে অবস্থান করে। এথময়েড সাইনাস দুই চোখের মাঝে এবং স্ফেনয়েডাল সাইনাস চোখের পেছনে থাকে। এদের মধ্যে ম্যাক্সিলারি সাইনাস সবচেয়ে বেশি সংক্রামিত হয়।
কারণঃ (Cause)

১. নাকের কোন সমস্যার (যেমন- DNS, Nasal Polyp, Nasal tumor ইত্যাদি) কারণে সাইনাসগুলোর মুখ বন্ধ হয়ে গেলে।
২. সাইনাস গ্রন্থিসমূহ বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে। এগুলো প্রথমে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং পরে স্ট্রেপটোকক্কাস পায়োজেনস, স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমনি এবং স্টেফাইলোক্কাস অরিয়াস দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে। সংক্রমণ হলে সাইনাসের শ্লেষ্মাঝিল্লী ফুলে যায়। তখন এর সিলিয়াগুলো কাজ করে না, ফলে সাইনুসাইটিস দেখা দেয়।
৩. নাকে তীব্র দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ হলে।
৪. আঘাতজনিত কারণে।
৫. নোংরা পানিতে সাঁতার কাটলে।
রোগের জন্য দায়ী জীবাণু
Streptococcu haemolyticus, Staphylococcus, Pneumococcus, Haemophilus influenzae ইত্যাদি।

লক্ষণঃ (Symptom)

১. মাথাব্যথা সাইনুসাইটিসের প্রধান লক্ষণ। এ ব্যথা কপালে হতে পারে, নাকের পাশে হতে পারে, মাথা ভার লাগে এবং নিচের দিকে ঝুকলে ব্যথা বাড়ে। সকালের দিকে রোদে গেলে মাথাব্যথা বাড়ে। জ্বর থাকতে পারে।
২. নাক বন্ধ থাকতে পারে।
৩. দীর্ঘদিন Rhinitis (নাকে প্রদাহ) থাকে।
৪. শরীর ম্যাজম্যাজ করে, জ্বরও হতে পারে।
৫. বমি বমিভাব, অরুচি থাকতে পারে।
৬. বৃষ্টির পানি মাথায় পড়লে মাথাব্যথা বাড়ে।
৭. নাক দিয়ে দুর্গন্ধ আসতে পারে।
পরামর্শঃ (Advice)

১. হাত ও নাক পরিষ্কার রাখতে হবে।
২. বিভিন্ন ধরণের ফু এর আক্রমণ থেকে প্রতিকার নিতে হবে।
৩. সুষম খাদ্য আহার এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন- 01316-340450/01827974027

অ্যাপেনডিসাইটিস (Appendicitis)অ্যাপেনডিক্স এর প্রদাহকে অ্যাপেনডিসাইটিস বলে। অ্যাপেনডিক্স হল ৩.৫ ইঞ্চি লম্বা টিস্যুর একটি...
03/03/2024

অ্যাপেনডিসাইটিস (Appendicitis)

অ্যাপেনডিক্স এর প্রদাহকে অ্যাপেনডিসাইটিস বলে। অ্যাপেনডিক্স হল ৩.৫ ইঞ্চি লম্বা টিস্যুর একটি নালী, যা ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদান্ত্রের সংযোগস্থল অর্থাৎ সিকাম-এর সাথে লাগানো থাকে। অ্যাপেনডিক্সকে ভার্মিফর্ম অ্যাপেনডিক্স (Vermiform appendix) বা সিকাল অ্যাপেনডিক্স (Caecal appendix) নামেও অভিহিত করা হয়। একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে অ্যাপেনডিক্স-এর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ভূমিকা আছে। মানুষ এ অঙ্গটি ছাড়াও স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারে। অ্যাপেনডিসাইটিস যে কোনো সময় হতে পারে কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ১০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে। এটি মহিলাদের চেয়ে পুরুষদের বেশি হয়।
যদি সঠিক সময়ে অ্যাপেনডিসাইটিসের সঠিক চিকিৎসা না করা। হয় তবে অ্যাপেনডিক্স বিস্ফোরিত বা ফেঁটে যেতে পারে বা ছিদ্র (Perforate) হয়ে যেতে পারে এবং এর মধ্যকার সংক্রামক পদার্থসমূহ (Infectious material) পাকস্থলী গহ্বরে পতিত হয়। এর ফলে পাকস্থলী গহ্বর এর ঝিল্লীর প্রদাহ (Peritonitis) ঘটতে পারে। এটি খুবই মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করে।
কারণঃ-
১. যখন অ্যাপেনডিক্স কোনো কিছু দ্বারা আবদ্ধ হয়ে যায় যেমন- মল, কোনো বাহ্যিক বস্তু অথবা ক্যান্সার ইত্যাদি দ্বারা।
২. দেহে কোনো সংক্রমণ, যেমন- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফানজাই ও প্যারাসাইট ইত্যাদির প্রতিক্রিয়ায় অ্যাপেনডিক্স প্রাচীর ফুলে গিয়ে এ আবদ্ধতা সংগঠিত হতে পারে।
৩. লিম্ফনোড বড় হয়ে আবদ্ধতা সৃষ্টি করলে।
৪. কৃমির সংক্রমণ।
৫. টিউমার বা কোনো আঘাত এর কারনে আবদ্ধতা সৃষ্টি হলে।
লক্ষণঃ
অ্যাপেনডিসাইটিসের কিছু অতি উত্তম লক্ষণ আছে যার কারণে চিকিৎসকরা খুব সহজেই এ রোগ নির্ণয় করতে পারে। অ্যাপেনডিসাইটিসের প্রধান লক্ষণ হল পেটে ব্যথা বিশেষ করে ডান ইলিয়াক রিজিওনে ব্যথা।
(ক) পেটে ব্যথার ধরণঃ-
১. হঠাৎ করেই সংগঠিত হয়, যার ফলে প্রায়ই রোগী রাতে ঘুম থেকে জেগে উঠে।
২. পেটে ব্যথা অন্যান্য লক্ষণ সংগঠিত হওয়ার পূর্বেই দেখা দেয়।
৩. নাভির চারপাশ (Belly button) থেকে শুরু হয় এবং এরপর নিচের দিকে ও ডান দিকে ব্যথা শুরু হয়।
৪ . এটি পেটে অনুভূত অন্য যে কোনো ব্যথা থেকে একেবারে ভিন্ন ও নতুন।
৫. কয়েক ঘন্টার মধ্যেই অবস্থা গুরুতর খারাপ হয়ে যায়।
৬. এ সময় যদি হাঁটা চলা করা হয় (Moving around), গভীর শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া হয় (Taking deep breaths), কাশি (Coughing) বা হাঁচি (Sneezing) হতে থাকে তখন অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে।
অন্যান্য লক্ষণগুলো হলঃ
১. ক্ষুধামান্দ্য (Loss of appetite):
২. বমি বমিভাব ও বমি হওয়া (Nausea & vomiting)।
৩. কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা ডায়রিয়া (Constipation or diarrhea)।
৪. গ্যাস নির্গমন করতে সমস্যা (Inability to pass gas)।
৫. হালকা জ্বর (Alow-grade fever)।
৬. পেট ফুলে যাওয়া (Abdominal swelling)।
৭. এমন মনে হয় যেন মল ত্যাগ করলে এ অস্বন্তিভাব কমবে।
জটিলতাসমূহঃ
১. অন্ধ্র ছিদ্র হয়ে যাওয়া (Perforation)।
২. অন্ত্র আবদ্ধ হয়ে যাওয়া (Blockage or obstruction of the intestine)।
৩. সেপসিস (Sepsis) হওয়া, যার ফলে আক্রান্ত ব্যাকটেরিয়া রক্তে মিশে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
৪. প্রস্রাব করতে কষ্টবোধ হওয়া।
পরামর্শঃ
অ্যাপেনডিসাইটিস প্রতিরোধ করার কোনো উপায় নেই। তবে, যারা প্রচুর আঁশ সমৃদ্ধ খাবার যেমন- তাজা ফল এবং শাক্সব্জি ইত্যাদি বেশি খায় তাদের ক্ষেত্রে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

চিকিৎসাঃ
সকল ধরণের অ্যাপেনডিসাইটিসের প্রধান ও একমাত্র চিকিৎসা হল সার্জারি করে অ্যাপেনডিক্স ফেলে দেয়া, যাকে অ্যাপেনডিক্টোমি বলে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পেজে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন- 01316-340450/ 01827974027

গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ পরিপাকতন্ত্রের একটি রোগ যা নিম্ন ইসোফে...
02/03/2024

গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)

গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ পরিপাকতন্ত্রের একটি রোগ যা নিম্ন ইসোফেজিয়াল স্ফিংটারকে প্রভাবিত করে। গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল বলতে পাকস্থলী ও ইসোফেগাস কে বোঝায়। রিফ্লাক্স অর্থ ফিরে আসা। অর্থ্যাৎ গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স বলতে পাকস্থলীতে বিদ্যমান বিষয়বস্তু (Substances) ইসোফেগাসে ফেরত আসা বোঝায়।

কারণঃ
স্বাভাবিক হজম প্রক্রিয়ায় নিম্ন ইসোফেজিয়াল স্ফিংটার খুলে গিয়ে খাদ্য কে পাকস্থলিতে প্রবেশ করতে অনুমতি দেয় এবং স্ফিংটারটি বন্ধ হয়ে পাকস্থলীতে বিদ্যমান খাদ্য ও অ্যাসিডিক রসকে ইসোফেগাসে পুনরায় ফেরত আসতে বাধা প্রদান করে। কিন্তু গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজে নিম্ন ইসোফেজিয়াল স্ফিংটার দুর্বল হয়ে যায় এবং ইসোফেগাসের মিউকোসা বা শ্লেষ্মা দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস্ট্রো-ডিওডেনাল বা পাকস্থলী ও ডিওডেনাম থেকে ফেরত আসা উপাদান দ্বারা আক্রান্ত হয় বা সংস্পর্শে আসে, যার ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয় এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইসোফেজাইটিস বা অন্ননালীর প্রদাহ দেখা দেয়।

GERD এর জন্য দায়ী ফ্যাক্টর বা প্যাথো-ফিজিওলজিঃ
১. স্থূলতা বা Obesity।
২. খাদ্যে বিদ্যমান চর্বি বা ফ্যাট, চকলেট, অ্যালকোহল, কফি।
৩. ইসোফেগাস বা অন্ননালী ত্রুটিপূর্ণভাবে খালি বা শূন্য হওয়া (Defective oesophageal clearance)।
৪. নিম্ন ইসোফেগাস স্ফিংটারের অস্বাভাবিকতা (ছন্দ কমে যাওয়া, অসঙ্গত শিথিলকরণ)।
৫. অ্যাবডোমেন মধ্যস্থ চাপ বৃদ্ধি।
৬. হায়াটাস হার্নিয়া (Hiatus hernia)।

লক্ষণঃ
১. বুক-জ্বালা পোড়া এবং খাবার ওগরানো (Regurgitation)।
২. মুখে থুথু আসা (Waterbrash)।
৩. পেটে তীক্ষ্ণ ব্যথা, শয়নরত অবস্থায় বা সামনের দিকে ঝুঁকে থাকলে ব্যথা আরো বাড়ে।
৪. রোগী প্রায়ই ভুল হয়ে থাকে।
৫. খাবার গেলার সময় যন্ত্রণা (Odynophagia) বা ঢোক গিলতে কষ্ট হওয়া (Dysphagia)।
৬. বুকের চাপা ব্যথা, যা তীব্রও হয়ে যেতে পারে, অ্যনজাইনার মতও হয়ে যেতে পারে এবং এটি রিফ্লাক্স এর ফলে সংগঠিত ইসোফেগাসের খিচুনীর কারণেও হতে পারে।
৭. বমি বমিভাব বা বমি।
৮. রাতের বেলায় প্রচুর কাশি।
৯. ঘুম ঠিক মত না হওয়া।
১০. হাঁপানী থাকলে তা বেড়ে যেতে পারে।
জটিলতাসমূহঃ
১. অন্ননালীর প্রদাহ (Oesophagitis)।
২. বেরেটস ইসোফেগাস (Barrett's oesophagus)।
৩. রক্তস্বল্পতা।
৪. বিনাইন ইসোফেজিয়াল স্ট্রিকচার।
৫. গ্যাস্ট্রিক ভলভুলাস (Gastric volvulus) অর্থাৎ পাকস্থলীর অস্বাভাবিক আবর্তন।

পরামর্শঃ
১. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
২. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার গ্রহণ করতে হবে।
৩. প্রচুর পানি পান করতে হবে।
৪. একবারে বেশী না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খেতে হবে।
৫. ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
৬. বুকে জ্বালাপোড়া তৈরী করে এমন খাবার বা পানীয় পরিহার করতে হবে।
৭. রাতে ঘুমাতে যাবার কমপক্ষে ২-৩ ঘন্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে শেষ করতে হবে।
৮ . ধূমপান বর্জন করতে হবে।
৯. ঘুমানোর সময় মাথা উচু করে প্রয়োজন অনুসারে কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি উঁচু বালিশ ব্যবহার করতে হবে (Propt up position)।

আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের ফোন করুনঃ
01316-340450 অথবা 01827974027

Address

Bogura
5110

Telephone

+8801316340450

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Allahor Dan Dawakhana-আল্লাহর দান দাওয়াখানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Allahor Dan Dawakhana-আল্লাহর দান দাওয়াখানা:

Share