Healthcare.BD

Healthcare.BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Healthcare.BD, Medical and health, Dhaka, Brahmanbaria.

আজকালকার মেয়েদের কি ধরনের জীবনসঙ্গী বেশি পছন্দ ?এ ব্যাপারে, একাল সেকাল বলে কিছুই নেই। সকল যুগেই, মেয়েরা শুধুমাত্র একটি ধ...
07/12/2022

আজকালকার মেয়েদের কি ধরনের জীবনসঙ্গী বেশি পছন্দ ?

এ ব্যাপারে, একাল সেকাল বলে কিছুই নেই। সকল যুগেই, মেয়েরা শুধুমাত্র একটি ধরনের জীবনসঙ্গী পছন্দ করে। মজার ব্যাপার, সেই ধরনটা যে কি, সেটা মেয়েরাও বুঝিয়ে বলতে পারে না। ভয় পাবেন না, বিষয়টা মোটেই কঠিন নয়।

এ বিষয়ে মেয়েদেরকে জিজ্ঞেস করলে, তারা অনেক ধরনের আদর্শ কথাবার্তা বলে। যেমন, তামি তাকে সৎ ও সত্যবাদী চাই, তার রসবোধ থাকতে হবে, যত্নশীল হতে হবে, যার কাছে মনের কথা খুলে বলতে পারবে, ঘুরতে নিয়ে যাবে ……… ইত্যাদি, ইত্যাদি।

এগুলো সবই ফালতু কথা। মেয়েরা এগুলোর কোনটাই চায় না। আসলে কি চায়, সেটা গুছিয়ে বলতে পারে না। এজন্যই ওসব আদর্শ কথাগুলো মুখস্ত বলে।

মেয়েরা শুধু একটা জিনিস চায় - নিজের জীবনসঙ্গীকে নিয়ে গর্ব করতে চায়।

এমন কোন পুরুষকে জীবনসঙ্গী চায়, যাকে নিয়ে গর্ব করে বলতে পারবে - আমার জীবনসঙ্গী অমুক।

প্রাচীন কালে, যখন ঘোড়ায় চড়ে তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধ করতো, তখন বীরপুরুষ কে নিয়ে গর্ব করা যেতো। তাই, যেই যুগের মেয়েরা বীরপুরুষ পছন্দ করতো।
মধ্যযুগে জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা শুরু হলো। তখন জ্ঞানী নিয়ে গর্ব করা যেতো। সেই যুগে মেয়েরা জ্ঞানী পছন্দ করতো।
এই যুগে টাকা আর ক্ষমতা নিয়ে গর্ব করা যায়। তাই মেয়েরা টাকাওয়ালা ও ক্ষমতাবান ছেলে পছন্দ করে।

বিষয়টি ভুল বুঝবেন না। মেয়েরা লোভী নয়। তারা জীবনসঙ্গীকে নিয়ে গর্ব করতে চায়। যাকে নিয়ে গর্ব করা যায়, তার দিকে ঝুকে পড়ে।

পুরুষের জন্য করনীয় - শুধুমাত্র একটি কাজ করুন। এমন কিছু করুন, যাতে আপনাকে নিয়ে গর্ব করা যায়। মেয়েরা এমনিতেই আপনাকে জীবনসঙ্গী হিসাবে পছন্দ করবে। সততা, যত্নশীলতা, রসবোধ, ইত্যাদি ছোটখাটো গুন এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে। এমন কিছু করুন, যাতে আপনাকে নিয়ে গর্ব করা যায়।

ত্বক ফর্সা করার ৫ উপায়:জন্মগতভাবে আমরা একেকজন একেক ধরনের গায়ের রং পাই। কেউবা ফর্সা, কেউবা শ্যামলা। গায়ের রং চাপা হলে তা ...
04/10/2020

ত্বক ফর্সা করার ৫ উপায়:

জন্মগতভাবে আমরা একেকজন একেক ধরনের গায়ের রং পাই। কেউবা ফর্সা, কেউবা শ্যামলা। গায়ের রং চাপা হলে তা নিয়ে মন খারাপ করেন অনেকেই। আরেকটু উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে তাদের। আবার জন্মগতভাবে ফর্সা ত্বক পেয়েও ধুলোবালি আর রোদের কারণে তা হারাতে বসেন অনেকেই। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে তখন নানারকম ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সেসব ক্রিম কেমিক্যালযুক্ত হওয়ার কারণে তা ত্বকের জন্য সবসময় উপকারী নাও হতে পারে। তাই ফর্সা পেতে মেনে চলতে পারেন এই উপায়গুলো-

আরও পড়ুন: সুন্দর ত্বকের জন্য প্রয়োজন বিউটি স্লিপ

পেঁপে আর ডিমের মাস্ক
পেঁপে আর ডিম একসঙ্গে ব্যবহার করলে ত্বকের রঙ আস্তে আস্তে ফর্সা হচ্ছে আর হালকা হবে। তার সঙ্গে আসছে একটা সুন্দর উজ্জ্বল ভাব। ডিমের প্রোটিন ত্বককে টানটান রাখবে। এর সঙ্গে দই যখন যোগ হবে তখন তা আপনার স্কিনকে ভিতর থেকে পরিষ্কার করবে।

৩ চামচ পেপের রস, ২ চামচ দই, ৪ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার, ৩ চামচ আমন্ড অয়েল, গ্লিসারিন ও একটি ডিমের সাদা অংশ নিন। গ্লিসারিন আর ডিম ছাড়া বাকি সবকটি উপকরণ একটি পাত্রে নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। একটা ঘন পেস্ট মতো তৈরি হবে। সেটা এবার ফ্রিজে রেখে দিন ঘণ্টা দুয়েকের মতো। তারপর বের করে তাতে দিন গ্লিসারিন আর ডিমের সাদা অংশ। খুব ভালো করে মেশান। এবার এই পেস্ট মুখে মাখুন আর রেখে দিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

বেসন আর লেবুর রসের প্যাক
ত্বকের জন্য বেসন বেশ উপকারী। আর এর পাশাপাশি লেবু খুব ভালোভাবে ত্বককে পরিষ্কার করে।

৩ চামচ বেসন, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ হলুদ গুঁড়া ও সামান্য গোলাপ জল নিন। সবকটি উপকরণ খুব ভালো করে একটি পাত্রে মিশিয়ে নিন। তারপর তা মুখে মাখুন। মিশ্রণটা মুখে শুকোতে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এটা আপনি সপ্তাহে দুদিন করতে পারেন। হলুদ আপনার ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান কোনো রকম দাগ হতে দেবে না।

মধু আর লেবুর রসের প্যাক
লেবুর রস মুখ পরিষ্কার করে, ডিটক্সিফাই করে সেটা তো আমরা সবাই জানি। সঙ্গে মধু খুব সুন্দর ভাবে মুখের ময়েশ্চার ধরে রাখে। তাই এই মাস্ক কিন্তু খুব কার্যকরী।

২ চামচ মধু ও ২ চামচ লেবুর রস নিন। দুটি উপকরণ মিশিয়ে মুখে মাখতে হবে। তারপর তা রেখে দিতে হবে ২০ মিনিট। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন এটা করাই যায়।

দুধ আর লেবুর রসের প্যাক
দুধ ত্বকের জন্য যে কত ভালো তা আমরা সকলে জানি। এটি ত্বককে পরিষ্কার করে, নরম রাখে।

৩ চামচ দুধ, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু ও হলুদ গুঁড়া নিন। একটি পাত্রে দুধ নিয়ে তাতে বাকিসব উপকরণ মেশান। তারপর এই প্যাক মুখে মাখুন। শুকোতে দিন আর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে সঙ্গে সঙ্গে একটা উজ্জ্বলতা দেখতে পাবেন। সপ্তাহে এক দিন করে করুন।

আরও পড়ুন: অল্প খরচেই স্ট্রেট চুল পেতে যা করবেন

টমেটো আর মধুর প্যাক
মুখে যদি রোদের থেকে হওয়া পোড়া দাগ থাকে বা মুখ অতিরিক্ত কালো হতে শুরু করে, তাহলে এটি ব্যবহার করুন। টমেটো এই দাগ খুব ভালোভাবে হালকা করতে পারে।

একটি টমেটো ও ৪ চামচ মধু নিন। একটি পাত্রে আগে টমেটো চটকে নিন। তার মধ্যে এবার মধু মিশিয়ে ভালো করে মেশান। এই প্যাক মুখে মেখে রেখে দিন ২০ মিনিট মতো। তারপর গরম পানিতে ধুয়ে নিন। মুখ সঙ্গে সঙ্গেই তরতাজা লাগবে।

মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য সেবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নাগরিকগণ এখন সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসকের কাছ থেকে বিনামূল...
09/05/2020

মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য সেবা


মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নাগরিকগণ এখন সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসকের কাছ থেকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ নিতে পারছেন। সেজন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে (মোট ৪৮২টি হাসপাতাল)

একটি করে মোবাইল ফোন দেয়া হয়েছে। আপনিও এই সেবা গ্রহণ করতে পারেন। এসব মোবাইল ফোনের নম্বর স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে ক্লিক করলে আপনি নম্বরগুলোর তালিকা পাবেন। ২৪ ঘন্টা ব্যাপী কোন না কোন চিকিৎসক এই মোবাইল ফোনের কল রিসিভ করেন। স্থানীয় জনগণ এসব মোবাইল ফোনে ফোন করে হাসপাতালে না এসেই বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারেন।

এই সেবা চালুর ফলে গ্রাম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসরত ধনী-গরীব সকলের জন্যই বিনামূল্যে সরকারী চিকিৎসকদের নিকট থেকে চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নিঝুম রাতে, জরুরী প্রয়োজনে বা পথের দুরত্বের কারণে চিকিৎসা পরামর্শ পেতে আর দেরী করার প্রয়োজন নেই। হাতুড়ে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়ে ভুল বা অপচিকিৎসার ঝুঁকি নেবারও প্রয়োজন নেই। যে চিকিৎসা বাড়িতে বসেই সম্ভব তার জন্য হাসপাতালে আসার প্রয়োজন নেই। যে চিকিৎসা গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকেই সম্ভব তার জন্য উপজেলা বা জেলা হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আবার যে রোগটি জটিল এবং আশু চিকিৎসা প্রয়োজন তার জন্য অযথা এখানে সেখানে ঘোরাঘুরিতে সময় নষ্ট না করে বড় হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শটিও পাওয়া সম্ভব একটি মাত্র ফোন কল করেই। ব্যস্ত মানুষেরাও রোগের শুরুতেই পরামর্শ নিতে পারেন চিকিৎসকের। এর ফলে রোগ জটিল হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক কমে যায়।

দেশের সরকারী হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে বহু রোগী আসে। সীমিত জনবল এবং ঔষধপত্র দিয়ে সব সময় মানসম্পন্ন সেবা প্রদানের কাজটি তাই কঠিনই বটে। মোবাইল ফোন স্বাস্থ্য সেবার ব্যাপক প্রচার হলে অনেক রোগী ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। ফলে হাসপাতালগুলোর উপর চাপ কমবে। তখন সীমিত জনবল ও সম্পদ দিয়েই আগত রোগীদের ভালো চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে। রোগীদের সন্তুষ্টিও বৃদ্ধি পাবে। মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য সেবা কমিউনিটি ক্লিনিকেও সম্প্রসারণ করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মোবাইল স্বাস্থ্য সেবা নির্দেশনা ।

ঘুমের আগে ত্বকের যত্নসারা দিনের কাজ সেরে প্রশান্তির ঘুম। কিন্তু ভোরে ঘুম ভেঙে মুখ-হাত ধোয়ার খানিক পর হয়তো দেখা গেল, ত্বক...
18/02/2020

ঘুমের আগে ত্বকের যত্ন

সারা দিনের কাজ সেরে প্রশান্তির ঘুম। কিন্তু ভোরে ঘুম ভেঙে মুখ-হাত ধোয়ার খানিক পর হয়তো দেখা গেল, ত্বকটা ভীষণ শুষ্ক, চুলগুলো নিষ্প্রাণ। দিনের কাজের শুরুতেই অস্বস্তি। শীতের রাতে হুট করে ঘুমিয়ে পড়লে পরদিন সকালে এমন পরিস্থিতিতে পড়তেই পারেন। তাই সারা দিন পরিশ্রমের পর ঘুমের আগে অল্প একটু সময় বরাদ্দ রাখুন নিজের জন্যে। যত্ন নিন নিজের। ত্বকের যত্নের অভ্যাসগুলো রপ্ত করে ফেললে রোজকার জীবনে এই কাজগুলোকে বাড়তি ঝামেলা বলে মনে হবে না। শীতের কটা দিন নিয়মিত এমন সু-অভ্যাস বজায় রাখলে ত্বক ও চুল সুস্থ রাখতে গিয়ে খুব একটা ঝক্কিতে পড়তে হবে না।

বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি জানালেন সেসব সু-অভ্যাসের কথা—

মুখের ত্বকের জন্য

শীতের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে নেওয়া প্রয়োজন বলে জানালেন শারমিন কচি। ত্বক পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে অলিভ অয়েল বা বেবি অয়েল দিয়ে মুখ ভালো করে ম্যাসাজ করে নিতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে মুখটা মুছে ফেলুন। পরে ভালো কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

মুখ ধোয়ার পর অবশ্যই ত্বকের আর্দ্রতা নিশ্চিত করুন। ময়েশ্চারাইজার কিংবা ময়েশ্চারাইজিং নাইট ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির না হলে এসবের পরিবর্তে অলিভ অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। সমপরিমাণ অলিভ অয়েল ও পানি একসঙ্গে নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ভালোভাবে মিশিয়ে এরপর মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে নিন। ময়েশ্চারাইজার হিসেবে যে সামগ্রীই ব্যবহার করুন না কেন, তা ভালোভাবে পুরো মুখে ম্যাসাজ করে ঘুমান। সকালে পাবেন প্রাণবন্ত ত্বক।

যাঁরা সারা দিন নিজের যত্ন নেওয়ার সময় পান না, তাঁরা অবশ্য তেল দিয়ে মুখের ত্বক পরিষ্কার করার পর সপ্তাহে ১-২ দিন ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। পাকা কলা, পাকা পেঁপে ও ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

হাত-পায়ের যত্নে

বাইরে থেকে ফিরে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে সেই পানিতে হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিটের জন্য। এরপর নরম ব্রাশে শ্যাম্পু লাগিয়ে হালকা করে ঘষে মরা চামড়া তুলে ফেলুন। ফেটে যাওয়ার মাত্রার ওপর নির্ভর করছে সপ্তাহে কদিন এভাবে যত্ন নিতে হবে। হাত-পায়ের ত্বক অতিরিক্ত ফেটে গিয়ে থাকলে প্রতিদিনই এভাবে যত্ন নিন। নইলে সপ্তাহে ২-৩ দিন যত্ন নিলেও চলবে।

অলিভ অয়েল কিংবা লেবুর রসের সঙ্গে সমপরিমাণ চিনি মিশিয়ে নিয়ে স্ক্রাব তৈরি করতে পারেন। ২-৩ দিন পরপর হাত-পা স্ক্রাব করুন।

রাতে ঘুমানোর আগে হাতে-পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। চাইলে অয়েল ম্যাসাজ করতে পারেন। ময়েশ্চারাইজার হিসেবে যেকোনো বডি অয়েল বেছে নেওয়া যায়। বাড়তি আর্দ্রতার জন্য নারকেল তেলও বেছে নিতে পারেন। সকালে হাত-পা ধুয়ে ফেলুন।

গোড়ালি ফাটা রোধে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পা ধুয়ে ভ্যাসলিন ও লেবুর রসের মিশ্রণ ভালোভাবে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। এরপর মোজা পরে ঘুমান। সকালে পা ধুয়ে আলতো করে মুছে নিন।

পুরো শরীরের যত্নে

পুরো শরীরেই রাতে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। সম্ভব হলে ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানিতে শরীর ধুয়ে নিন। সমপরিমাণ জলপাই তেল বা বডি অয়েল ও পানির মিশ্রণ গলা থেকে পা পর্যন্ত লাগাতে পারেন। যেকোনো ধরনের ত্বকেই এটি মানিয়ে যায়। এই মিশ্রণ লাগানোর পর ডিপ ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগিয়ে নিতে পারেন। আবার তেল মালিশ করতে না চাইলে শুধু ডিপ ময়েশ্চারাইজিং ক্রিমও ব্যবহার করা যায়।

ঠোঁটের যত্নে

আধা চা–চামচ মধু ও এক চা–চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন। চাইলে ব্যবহার করতে পারেন গ্লিসারিনও।

চুলের যত্নে

এক দিন পরপর ঘুমানোর আগে চুলের গোড়া ও আগায় গরম তেল মালিশ করতে পারেন। এতে চুলের রুগ্ণভাব কমে, আগা ফেটে যাওয়ার সমস্যাও কমে। অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল বেছে নিতে পারেন। চুল হালকাভাবে বেঁধে ঘুমান।

ত্বকের যত্নে টমেটোরোদে পোড়া ত্বক স্বাভাবিক ও উজ্জ্বল করতে : একটা বড় টমেটোর রস, এক চা চামচ শঙ্খের গুঁড়া, এক চা চামচ গোলাপ...
20/01/2020

ত্বকের যত্নে টমেটো

রোদে পোড়া ত্বক স্বাভাবিক ও উজ্জ্বল করতে : একটা বড় টমেটোর রস, এক চা চামচ শঙ্খের গুঁড়া, এক চা চামচ গোলাপজল নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এটা সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে রোদের পোড়া দাগ দূর হবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে : একটি টমেটো পেস্ট, বেসন এক টেবিল চামচ, তিন-চার ফোঁটা মধু ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিয়ে ১৫-২০ মিনিট ত্বকে রেখে শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে চার দিন ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

টোনার হিসেবে টমেটো : স্কিন টোনার হিসেবে টমেটো জুস ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ত্বক নরম ও কোমল থাকবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

* শসা ও টমেটো ভালো করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিতে হবে। এবার একটি কাচের জারে ফ্রিজে রেখে টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এ টোনার ফ্রিজে এক সপ্তাহ পর্যন্ত রাখা যাবে।

অ্যান্টিএজিং রোধে : টমেটো একটি, টকদই দুই টেবিল চামচ, এক চা চামচ মসুরের ডালের গুঁড়া নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এটি ত্বকে ২০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এ প্যাকটি অ্যান্টিএজিংয়ের কাজ করবে নিয়মিত ব্যবহারের ফলে। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ত্বকে টানটানভাব বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

অ্যাকনে মুক্ত ত্বকের যত্নে : যাদের ব্রণের প্রবণতা বেশি তাদের জন্য টমেটো খুবই উপকারী। নিয়মিত টমেটো ব্যবহারের ফলে আস্তে আস্তে ব্রণ কমে আসবে এবং দাগও চলে যাবে।

ওটমিল এক চা চামচ, একটি টমেটো জুস, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ভালো করে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর কটনবলে গোলাপজল ডুবিয়ে নিয়ে ত্বকে টোনারের মতো তিন দিন ব্যবহার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে। এতে ত্বকের ব্রণের দাগসহ অন্য যে কোনো দাগ আস্তে আস্তে চলে যাবে।

লোমকূপ সংকুচিত করতে টমেটোর কার্যকারিতা : লোমকূপ সংকুচিত করতে টমেটো খুবই উপকারী। কিন্তু এর ব্যবহার জানা থাকলে ঘরে বসে টমেটো দিয়ে ত্বকের যত্ন নিলে লোককূপ সংকুচিত হবে খুব সহজে। কম-বেশি সবারই এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। একটি টমেটো পেস্ট করে নিয়ে এর সঙ্গে এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, দুই-তিন ফোঁটা হোয়াইট ভিনেগার মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিয়ে ত্বকে ১৫-২০ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে দুই-তিন দিন ত্বকে ব্যবহার করতে পারবেন। এতে করে লোমকূপগুলো সংকুচিত হবে খুব সহজেই এবং যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের ত্বকে জমে থাকা বাড়তি তেল ব্যালেন্স করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে।

দাগমুক্ত উজ্জ্বল ও ফর্সা ত্বকের জন্য : ত্বকে দাগ থাকলে মনটা ভালো লাগে না। যতই মেকআপ করা হয় না কেন নিজের কাছে ভালো লাগে না। তাই টমেটো দিয়ে যদি ত্বকের যত্ন নেয়া যায় তাহলে দাগ আস্তে আস্তে চলে যাবে।

* টমেটো একটি, এক টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার, পাঁচ-ছয়টি জাফরানের কেশর নিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিয়ে প্রতিদিন একবার ত্বকে, গলায় ও ঘাড়ে দশ মিনিট আলতো হাতে ম্যাসাজ করে নিতে হবে। এরপর হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে। এতে করে ত্বকের আভা উজ্জ্বল ও ফর্সা হবে এবং ত্বকের থাকা ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর হয়ে যাবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিজের ওপর। আমাদের প্রতিদিন বিভিন্ন কাজের প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হয়। তাই শত কাজের মাঝে সময় বের করে ঘরে বসে নিজের যত্ন নিতে হবে। নিজের যত্ন নিজেকেই করতে হবে। শুধু দরকার নিজের প্রতি ভালোবাসা।

নতুন বছরে নিজেই নিজেকে উপহার দিন সতেজ ঝলমলে ত্বকবছরশেষ হওয়ার ঘন্টিটা বেজেই গেল! একটা বছর শেষ হওয়া মানেই ছুটির মরশুম, আনন...
31/12/2019

নতুন বছরে নিজেই নিজেকে উপহার দিন সতেজ ঝলমলে ত্বক

বছরশেষ হওয়ার ঘন্টিটা বেজেই গেল! একটা বছর শেষ হওয়া মানেই ছুটির মরশুম, আনন্দ, পার্টি আর উপহারের আদানপ্রদান! প্রিয়জনের জন্য ঘুরে ঘুরে পছন্দের উপহার কেনার অভিজ্ঞতার সত্যিই তুলনা হয় না! কিন্তু এই উপহার দেওয়ার তালিকায় কি কখনও নিজেকে রাখেন আপনি? অবাক হচ্ছেন? উপহার কিন্তু নিজেও নিজেকে দেওয়া যায়! নিমেষে মন ভালো করে ফেলতে পছন্দের জিনিসটি কিনে ফেলুন নিজের জন্যও আর বর্ষবরণের মুহূর্ত আরও রঙিন করে তুলুন!

ভাবছেন নিজের জন্য ঠিক কী কেনা যায়? এমন কিছু কিনুন যাতে মনটা তো ভালো হয়ে যাবেই, সঙ্গে পাবেন সুন্দর ঝলমলে ত্বক! আমরা দিলাম কিছু টিপস!

ফেস মাস্ক
উৎসব মানে একদিকে যেমন আনন্দ, অন্যদিকে তেমনি কাজের চাপ এড়িয়ে নিজের জন্য খানিক ফাঁকা সময়। এই সময়টা নিজেকে ডিটক্স করুন। কিনে ফেলুন একটা মনের মতো হাইড্রেটিং ফেস মাস্ক। শীতের এই মরশুমে আপনার ত্বক প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা পাবে, আপনিও পাবেন উজ্জ্বলতা!

জেড রোলার
এই বস্তুটির সঙ্গে কি পরিচয় হয়েছে আপনার? না হয়ে থাকলে জেনে নিন, ত্বকের অত্যন্ত উপকারী বন্ধু এই জেড রোলার। প্রতিদিন নিয়মিত জেড রোলার দিয়ে মুখে মাসাজ করলে রক্ত সংবহন জোরদার হয়, মুখের ত্বক আর পেশি টানটান থাকে, কাছে ঘেঁষতে পারে না বয়সের দাগ। নতুন বছরে নিজেকে উপহার দিন জেড রোলার আর বছরভর আপনার সঙ্গী হবে সতেজ সৌন্দর্য।

হ্যান্ড ক্রিম
মুখের জন্য যতটা পরিচর্যা বরাদ্দ থাকে, তার অর্ধেকও কি রাখেন হাতের জন্য? অথচ শীতের এই শুষ্কতায় আপনার হাত ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে কোনও ময়শ্চারাইজ়ার বা বডি লোশন দিয়ে সেই ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ হাত দিয়ে আপনি এতরকম কাজ করেন যে তার তুলনায় সাধারণ ময়শ্চারাইজ়ার নিতান্তই ছেলেমানুষ! হাতের সঠিক যত্ন করতে আপনার চাই বিশেষভাবে তৈরি নারিশিং হ্যান্ড ক্রিম যা আপনার হাত নরম রাখবে। আজই দোকানে যান আর বেছে নিন পছন্দসই হ্যান্ড ক্রিম।

আই মাস্ক
সামনের বছরটা কি আরও একটু বেশি ঘুমোবেন বলে ভেবেছেন? তা হলে আজই নিজেকে উপহার দিন দুর্দান্ত একটা আই মাস্ক। ঘুমোনোর সময় চোখের উপর আই মাস্ক চাপা থাকলে ঘুমটা ভালো হবে, বেশি সময় ধরে ঘুমোতেও পারবেন। আর কে না জানে ভালো ঘুম মানেই আরও ভালো ত্বক!

বডি ওয়াশ
সাবান ত্বক রুক্ষ করে দেয়। নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই বেছে নিন ছিমছাম, সুগন্ধী বডি ওয়াশ। আপনার সারা শরীরের ত্বক কোমল থাকবে, সঙ্গে বাড়তি পাবেন মিষ্টি গন্ধ যা সারাদিন সঙ্গী হয়ে থাকবে আপনার!

তীব্র শীতের স্বাস্থ্য সমস্যায় যা করবেনঃ-তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। শীতের এই প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে কাঁপছে মানুষ। তীব্র এই শীতে শু...
18/12/2019

তীব্র শীতের স্বাস্থ্য সমস্যায় যা করবেনঃ-

তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। শীতের এই প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে কাঁপছে মানুষ। তীব্র এই শীতে শুধু জীবনযাত্রায় নয়, স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পরে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের। এই সময় মানুষের সর্দি-কাশি, টনসিলাইটিস, নিউমোনিয়া সহ শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট,আর্থ্রাইটিস বা বাতব্যথা, হার্টের সমস্যার প্রকোপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশুদের অ্যাজমা, নিউমোনিয়া, কোল্ড ডায়রিয়া, ব্রংকিওলাইটিসসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

যেহেতু এই তীব্র শীতে শিশুরা নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিসহ নানা রোগে খুব সহজেই আক্রান্ত হয়, সেহেতু তাদের এই সময়টাতে শীত উপযোগী কাপড় পরিধান করাতে হবে। গরম কাপড় দিয়ে শিশুদের মাথা ঢেকে রাখলে শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় থাকবে। রুম হিটার ব্যবহার করতে পারেন। তবে লম্বা সময় ধরে রুম হিটার ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। সম্ভব হলে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ঘর থেকে বাইরে বের না করাই উত্তম। শিশুদের অ্যাজমা প্রতিরোধে অবশ্যই ধুলোবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। প্রয়োজনে মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। দৈনন্দিন ব্যবহার্য জামাকাপড় নিয়মিত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। শীতবস্ত্র,লেপ-তোশক নিয়মিত রোদে দিতে হবে।

ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হলে অবশ্যই শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্যালাইন খাওয়াতে হবে। শীত বলে ঠাণ্ডা লাগার ভয়ে অনেকে এ সময় শিশুদের স্যালাইন খাওয়াতে চান না, যা মোটেই ঠিক নয়। সেই সঙ্গে স্বাভাবিক খাবারও খাওয়াতে হবে। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের প্রকোপ এই সময় বাড়ে বলে রোগীদের খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বাইরে না যাওয়াই উত্তম। আবাসস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং বিশুদ্ধ বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোনো কারণে অ্যাজমা পরিস্থিতির অবনতি হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে।

এই শীতে বিশেষ করে বয়স্কদের আর্থ্রাইটিস বা বাতের সমস্যা বেশি বাড়ে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস,এনকাইলোজিং স্পন্ডিওলাইটিস, স্পন্ডাইলো আর্থ্রাইটিস, রি-অ্যাকটিভ আর্থ্রাইটিস, অস্টিও- আর্থ্রাইটিস রোগীদের শীতের চলাফেরা বা মুভমেন্ট কম হয় বলে ব্যথার প্রকোপ বেড়ে যায়। এ জন্য যথাসম্ভব গরম উত্তাপে থাকা, মোজা পরিধান করা, ব্যথার স্থানে হালকা গরম সেক দেয়া, যতটুকু সম্ভব ঘরেই হালকা মুভমেন্ট করা উচিত। তাছাড়া তীব্র ঠাণ্ডায় বাতের কিছু রোগীর হাত-পা নীল হয়ে যেতে পারে(রেনোড ফেনোমেনা) । অনেকের গ্যাংগ্রিনও হয়। এ জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। এসব রোগীর বারবার পানি ব্যবহার না করাই শ্রেয়।

তীব্র শীতে বিশেষ করে ভোরের দিকে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে। এক্ষেত্রে উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ঝুঁকি বেশি। তাই এই শীতে কুয়াশার মধ্যে না হেঁটে, একটু রোদ উঠলে হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করা উচিত। তীব্র শীতের আরেকটি মারাত্মক সমস্যা হলো হাইপোথার্মিয়া, এতে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কেউ পড়লে রোগীকে দ্রুত গরম আবহাওয়ায় এনে গরম কাপড় পরিধান করে গরম পানি পান করাতে হবে।

তাই শীতের তীব্রতায় এসব শারীরিক সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন একটু বাড়তি সতর্কতা। এ সময় সবার উচিত কুসুম কুসুম গরম পানি পান করা। এতে শ্বাসনালিতে মিউকাস তৈরি হয়ে রোগজীবাণু বের হয়ে যায়। এ ছাড়া গোসল ও অন্যান্য কাজে গরম পানি ব্যবহার করাই উত্তম। পরিবারের কেউ ঠাণ্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হলে অন্যদেরও সাবধান থাকতে হবে। বিশেষ করে হাঁচি-কাশির সময় মুখে রুমাল ব্যবহার করতে হবে।

এই শীতে কমলা, মাল্টা, বেদানা, মধু, তুলসীপাতা, পালং ও সরিষার শাক, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, রসুন, পেঁয়াজ, আদা, সবুজ শাকসবজি, গ্রিন-টি বেশি করে খাওয়া উচিত। এগুলোর মধ্যে উপস্থিত ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের সজীবতা বজায় রাখে, খাদ্য হজমে সাহায্য করে। শরীরের নিস্তেজভাব কাটায়। টাটকা ফল ও সবজিতে রয়েছে বায়োটিন যা ত্বক ও চুল ভালো রাখে।

ডায়াবেটিস,থাইরয়েড ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ, কনসাল্ট্যান্ট,ইমপালস হাসপাতাল,তেজগাঁও,ঢাকা

ক্যান্সার আসন্ন, বুঝবেন ১০টি লক্ষণ দেখে,,,,,,,,,১. ক্রমাগত কাশি বা কণ্ঠস্বর কর্কশহয়ে যাওয়া হতে পারে ফুসফুসে ক্যান্সারেরল...
17/12/2019

ক্যান্সার আসন্ন, বুঝবেন ১০টি লক্ষণ দেখে,,,,,,,,,

১. ক্রমাগত কাশি বা কণ্ঠস্বর কর্কশ
হয়ে যাওয়া হতে পারে ফুসফুসে ক্যান্সারের
লক্ষণ।
২. আঁচিলে পরিবর্তনের মানে হতে পারে চামড়ার
ক্যান্সার।
৩. আন্ত্রিক নিয়মে ক্রমাগতি বিচ্যুতি অর্থাৎ
সময়-অসময় না মেনেই যখনতখন মল বা মূত্র ত্যাগ
এবং দিনদিন এর পরিবর্তন হতে থাকা।
৪. এমন কালশিটে বা ক্ষত
যা সারছে না কিছুতেই। তবে বিষয়টি নির্ভর
করবে কোথায় ক্ষত, তার উপরেও। মুখের
ঘা হতে পারে মুখে ক্যান্সারের লক্ষণ।
৫. খাবার গিলতে পারা যদি দিন দিন কষ্টকর
হতে থাকে, তবে বুঝবেন তা খাদ্যনালীর
ক্যান্সারের লক্ষণ।
৬. কোনো কারণ ছাড়াই ওজন ক্রমাগত
কমতে থাকা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের লক্ষণ
হতে পারে।
৭. মূত্র ত্যাগে ক্রমাগত অনিয়ম মূত্রথলির
ক্যান্সারসহ পুরুষদের জন্য প্রোস্টেট ক্যান্সার
বয়ে আনতে পারে।
৮. কোনো কারণ ছাড়াই
শরীরে কোনো মাংসপিণ্ড গজানো বা বড়
হতে থাকাও হতে পারে অনেক ধরনের
ক্যান্সারের কারণ।
৯. কোনো কারণ ছাড়া যদি কোনো ধরনের ব্যথায়
ভোগেন, তবে তাও হতে পারে ক্যান্সারের
অন্যতম লক্ষণ। তবে এক্ষেত্রে ক্যান্সারের
ধরনটি কী, তা নির্ভর করবে ব্যথা কোথায়- তার
ওপর।
১০. অকারণ রক্তপাত হতে পারে অন্ত্রের
ক্যান্সার বা নারীদের জরায়ু কিংবা ঘাড়সহ
অন্য যেকোনো ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ,
নির্ভর করবে রক্তপাত কোথা থেকে হচ্ছে- তার
ওপর।
তাই এ ধরনের কোনো সমস্যায়
ভুগে থাকলে তা অবহেলা না করে অবিলম্বে চিক
িৎসকের শরাণাপন্ন হোন, সুস্থ থাকুন।

কমলালেবু তো খেয়েছেন! জানেন এর বীজের উপকারিতা?অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুরঅ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই বীজ শরীরকে বিষমুক্ত ...
15/12/2019

কমলালেবু তো খেয়েছেন! জানেন এর বীজের উপকারিতা?

অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই বীজ শরীরকে বিষমুক্ত করতে যথেষ্ট সাহায্য করে। তাই শীতের মরশুমে রোজের ডায়েটে একটা কমলালেবু থাকা উচিত। সর্দি-কাশি কমাতে। শীতের উপসর্গের সঙ্গে লড়তে।
কোয়েলের সঙ্গে Cake মিক্সিং! সামনেই ‘বড়দিন'

orange

স্বাদ বাড়ায়

শীত মানেই কমলালেবু। শীত মানেই কেক-পেস্ট্রি-পিঠের দিন। কেক তৈরিতে এই বীজের তেল অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ। এর টক-মিষ্টি গন্ধ যেকোনও ডেজার্ট তৈরিতে কাজে লাগে।


orange cake

এনার্জি বাড়ায়

স্বাদে তেতো। কিন্তু পালমিটিক, ওলেইক আর লিনোলেইক অ্যাসিড এতে থাকায় মিক্সিতে কমলালেবুর রসের সঙ্গে এই বীজ খেলে শীত কাবু আপনার কাছে।

orange seeds

কেশচর্চায়

এই বীজের তেল খুব ভালো কন্ডিশনার। ভিটামিন সি-র গুণে সমৃদ্ধ এই তেল স্ক্যাল্পে মাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়। এতে চুল হয় স্বাস্থ্যে ঝলমল। গোড়া হয় মজবুত। নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।


টক-ঝাল-মিষ্টি সমাপয়েৎ, ফিউশন ‘চিলি রসগোল্লা'য়

hair care

পরিষ্কার রাখে

বীজের মধ্যে থাকা তেল খুব ভালো ক্লেনজার। মেশিনের গা থেকে তেলের ছোপ কমাতে, নাছোড় দাগ তুলতে এই তেল কাজে লাগে। এছাড়া, ঘরের দুর্গন্ধ কমাতেও সাহায্য করে।


cleaning

মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিজ্ঞানের জন্য দেখুন স্বাস্থ্য বিজ্ঞানস্বাস্থ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস...
14/12/2019

মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিজ্ঞানের জন্য দেখুন স্বাস্থ্য বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ১০টি মানদন্ড হল—একঃ কর্মশক্তি-সম্পন্ন, স্বাভাবিকভাবে জীবনের বিভিন্ন কাজ মোকাবেলা করতে পারে। দুইঃ আশাবাদী, সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গিতে কাজ করতে পারে। তিনঃ নিয়মিত বিশ্রাম নেয়, ঘুম ভাল। চারঃ পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে, বিভিন্ন অবস্থার মোকাবেলা করতে পারে। পাঁচঃ সাধারণ সর্দি ও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধক শক্তি আছে। ছয়ঃ ওজন সঠিক, শরীরের সংগঠনিক দিক সঠিক। সাতঃ চোখ উজ্জ্বল, কোনো প্রদাহ রোগ নেই। আটঃ দাঁত পরিষ্কার এবং সতেজ, ব্যাথা নেই, দাঁতের মাঢ়ির রং স্বাভাবিক। নয়ঃ চুলে উজ্জ্বতা আছে, খুশকি নেই। দশঃ হাড় স্বাস্থ্যবান, পেশি ও ত্বক নমনীয়, হাঁটাহাঁটি করলে কোনো অসুবিধা নেই।

Address

Dhaka
Brahmanbaria
3000

Telephone

+8801403719130

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Healthcare.BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Healthcare.BD:

Share