SAHA Jabbaria Shopping POINT

Call Directions Contact the business

SAHA Jabbaria Shopping POINT SAVE MONEY,HAPPY SHOPPING.

ঘুণে ধরা সমাজে খুলুসিয়াত যেন নেই, ফুলুসিয়াতের দিকেই যেন ধাবিত হচ্ছি আমরা।এজন্যই সমাজে যারা সর্বজনশ্রদ্ধেয় হওয়ার কথা ছিল,...
21/08/2026

ঘুণে ধরা সমাজে খুলুসিয়াত যেন নেই, ফুলুসিয়াতের দিকেই যেন ধাবিত হচ্ছি আমরা।
এজন্যই সমাজে যারা সর্বজনশ্রদ্ধেয় হওয়ার কথা ছিল, তারাই যেন আজ মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শয়তান। তাদের অন্তর যেন হাইওয়ানিয়াতায় আচ্ছন্ন।

চকরিয়ার শিক্ষাব্যবস্থাকে অন্যতম উচ্চতায় পৌঁছে  দেওয়ার  দুই  নায়ক।
21/08/2026

চকরিয়ার শিক্ষাব্যবস্থাকে অন্যতম উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার দুই নায়ক।

দুররাহ বিনতে আবু লাহাব (রা.) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চাচাতো বোন। তার বাবা ছিলেন কুখ্যাত আবু লাহাব এবং মা ছিলেন 'হাম্ম...
11/08/2026

দুররাহ বিনতে আবু লাহাব (রা.) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চাচাতো বোন। তার বাবা ছিলেন কুখ্যাত আবু লাহাব এবং মা ছিলেন 'হাম্মালাতাল হাতাব' খ্যাত উম্মে জামিল। যাদের সম্পর্কে আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সূরা লাহাব নাজিল করে তাদের জাহান্নামী ঘোষণা করেছেন।

কিন্তু আল্লাহর কি অপরূপ মহিমা! এমন কট্টর কাফের পরিবারে থেকেও দুররাহ (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং আমরা ১৪০০ বছর পরও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলি, 'রাদিয়াল্লাহু আনহা' (আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হোন)।

দুররাহ (রা.) তার পরিবার, পরিবেশ এবং কুফরির অন্ধকার ছেড়ে ইসলামের পথে আসেন। তিনি ছিলেন সেই সাহসী নারীদের একজন, যিনি তার পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে মদিনায় হিজরত করেছিলেন।

জাহেলি যুগে তার বিয়ে হয়েছিল হারিস বিন আমিরের সাথে, যে বদরের যুদ্ধে মুশরিক অবস্থায় মারা যায়। ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহ তাকে এক উত্তম স্বামী দান করেন। তিনি হলেন বিখ্যাত সাহাবি দাহিয়াতুল কালবি (রা.), যিনি ছিলেন অত্যন্ত সুদর্শন এবং যার আকৃতিতে মাঝে মাঝে জিবরাঈল (আ.) ওহি নিয়ে আসতেন।

একদিন মদিনার বনু রুজাইক গোত্রের কিছু নারী তাকে খোঁটা দিয়ে বলল:

"তুমি তো সেই আবু লাহাবের মেয়ে, যার সম্পর্কে আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, 'আবু লাহাবের দুই হাত ধ্বংস হোক'। তোমার হিজরত বা ইসলাম গ্রহণ তোমাকে কীভাবে বাঁচাবে?"

দুররাহ (রা.) খুব কষ্ট পেলেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে নবীজি ﷺ এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করলেন। নবীজি তাকে বসতে বললেন।

জোহরের নামাজের পর নবীজি মিম্বরে বসে খুতবায় বললেন,

"লোকদের কী হলো যে তারা আমাকে আমার বংশের দোহাই দিয়ে কষ্ট দেয়? সাবধান! যে আমার আত্মীয়-স্বজনকে কষ্ট দিল, সে আমাকেই কষ্ট দিল। আর যে আমাকে কষ্ট দিল, সে আল্লাহকে কষ্ট দিল।"

নবীজি আরও একটি ঐতিহাসিক নীতি ঘোষণা করলেন:
"কোনো জীবিত ব্যক্তিকে তার মৃত আত্মীয়ের (পাপের) কারণে কষ্ট দেওয়া যাবে না।"

তিনি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.)-এর সাথে খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং তার কাছ থেকে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করতেন। হযরত উমর (রা.)-এর খিলাফতকালে ২০ হিজরিতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

SAHA Jabbaria Shopping POINT
(সূত্র: আল-ইসাবাহ ফি তাময়িযিস সাহাবাহ - ইবনে হাজার আসকালানি রহ.)

27/05/2026
ভোটার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব যেমনি সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে আমানত সোপর্দ করা; তেমনি বিজয়ী প্রার্থীর নৈতিক দায়িত্ব হলো সেই আস্...
11/02/2026

ভোটার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব যেমনি সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে আমানত সোপর্দ করা; তেমনি বিজয়ী প্রার্থীর নৈতিক দায়িত্ব হলো সেই আস্থার অমর্যাদা বা খেয়ানত না করা। আল্লাহ আমাদের সকলকে আমানত রক্ষায় নিষ্ঠাবান হওয়ার তৌফিক দিন।

ইয়েমেনের 'আরাশা' গোত্রের এক ব্যক্তি কিছু উট নিয়ে বিক্রি করার জন্য মক্কায় এল।  আবু জাহেল তার কাছ থেকে উটগুলো কিনল। কিন্তু...
24/12/2025

ইয়েমেনের 'আরাশা' গোত্রের এক ব্যক্তি কিছু উট নিয়ে বিক্রি করার জন্য মক্কায় এল। আবু জাহেল তার কাছ থেকে উটগুলো কিনল। কিন্তু টাকা দেওয়ার সময় সে টালবাহানা শুরু করল এবং গরিব লোকটির টাকা আটকে রাখল।

লোকটি ছিল বিদেশি মুসাফির। সে মক্কার কুরাইশদের এক মজলিসে গিয়ে ফরিয়াদ করল: "হে কুরাইশরা! আবুল হাকাম (আবু জাহেল) আমার টাকা দিচ্ছে না। কে আছে আমাকে তার কাছ থেকে আমার হক আদায় করে দেবে?"

কুরাইশরা নবীজি (সা.)-কে দেখিয়ে ঠাট্টা করে বলল: "ওই যে লোকটা বসে আছে (মুহাম্মদ সা.), তুমি তার কাছে যাও। সে তোমাকে বিচার পাইয়ে দেবে।"
(তারা আসলে মজা করছিল, কারণ তারা জানত আবু জাহেল নবীজির চরম শত্রু। তারা ভাবল, নবীজি সা. গেলে আবু জাহেল তাকে অপমান করবে, আর তারা সেটা দেখে মজা নেবে)।

সরলমনা লোকটি নবীজির কাছে গিয়ে বলল: "হে আল্লাহর বান্দা! আবুল হাকাম আমার টাকা মেরে দিয়েছে। এরা বলল আপনি নাকি আমাকে সাহায্য করতে পারবেন। আল্লাহর ওয়াস্তে আমার টাকাটা উদ্ধার করে দিন।"
রাসূলুল্লাহ (সা.) সাথে সাথে উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন: "চলো আমার সাথে।"

কুরাইশরা তখন তাদের এক সঙ্গীকে পাঠাল পিছু পিছু গিয়ে তামাশা দেখার জন্য।

নবীজি (সা.) আবু জাহেলের দরজায় গিয়ে কড়া নাড়লেন। আবু জাহেল জিজ্ঞেস করল: "কে?"
নবীজি (সা.) বললেন: "মুহাম্মদ। বেরিয়ে এসো।"
আবু জাহেল বের হয়ে এল। কিন্তু তার চেহারা তখন ভয়ে ফ্যাকাশে হয়ে গেছে, যেন শরীরে প্রাণ নেই।
নবীজি (সা.) বললেন: "এই লোকটার টাকা এখনই দিয়ে দাও।"
আবু জাহেল কোনো তর্ক না করে বলল: "জি, দিচ্ছি। একটু অপেক্ষা করুন।" সে ভেতরে গিয়ে সাথে সাথে টাকা এনে লোকটিকে দিয়ে দিল।

লোকটি খুশি হয়ে চলে গেল এবং মজলিসে এসে কুরাইশদের বলল: "আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন, তিনি আমার হক আদায় করে দিয়েছেন।"

কুরাইশরা অবাক হয়ে আবু জাহেলকে জিজ্ঞেস করল: "ছিঃ! তোমার কী হলো? তুমি মুহাম্মদের কথায় এত ভয় পেলে কেন? আমরা তো তোমাকে এমন ভীতু কখনো দেখিনি!"

আবু জাহেল কাঁপতে কাঁপতে বলল:
"তোমাদের ধ্বংস হোক! তোমরা জানো না আমি কী দেখেছি। যখন মুহাম্মদ দরজায় টোকা দিল এবং আমি তার গলার স্বর শুনলাম, আমার অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল। আমি বের হয়ে দেখলাম—মুহাম্মদের মাথার ওপর এক বিশাল ও ভয়ঙ্কর উট দাঁড়িয়ে আছে। এমন বড় কুঁজ, এমন ঘাড় এবং এমন ধারালো দাঁতওয়ালা উট আমি জীবনে দেখিনি! আল্লাহর কসম! আমি যদি মুহাম্মদের কথা না শুনতাম, তবে ওই উটটি আমাকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলত।"

(সূত্র: সীরাতে ইবনে হিশাম, ১ম খণ্ড)

রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের সাথে পরামর্শ করতেন। খন্দকের যুদ্ধেও তিনি তাই করলেন। সাহাবি হযরত সালমান ফারসি (রা.) পরামর্শ দ...
22/12/2025

রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের সাথে পরামর্শ করতেন। খন্দকের যুদ্ধেও তিনি তাই করলেন। সাহাবি হযরত সালমান ফারসি (রা.) পরামর্শ দিলেন মদিনার উত্তর দিকে (যেদিকটা খোলা ছিল) একটি পরিখা বা খন্দক খনন করার। এই পরামর্শ ছিল অত্যন্ত কার্যকর এবং সময়োপযোগী, যা মদিনাকে রক্তপাত ও ধ্বংস থেকে রক্ষা করেছিল।

রাসূলুল্লাহ (সা.) শুধু নির্দেশ দেননি, তিনি নিজে সাহাবিদের সাথে কোদাল চালিয়ে মাটি কেটেছেন। বারা ইবনে আজিব (রা.) বলেন:
"আমি খন্দকের দিন নবীজিকে (সা.) দেখেছি তিনি মাটি বহন করছেন। তার শরীর ধুলোয় এমনভাবে ঢেকে গিয়েছিল যে তার বুকের লোম দেখা যাচ্ছিল না।"

সাহাবিরা এবং নবীজি (সা.) চরম অভাব ও ক্ষুধার মধ্যে ছিলেন। আনাস (রা.) বলেন: "সাহাবিরা পিঠে মাটি বহন করছিলেন এবং কবিতা আবৃত্তি করছিলেন, 'আমরা সেই জাতি যারা মুহাম্মদের হাতে বাইয়াত নিয়েছি, যতদিন বেঁচে থাকব ইসলামের ওপর অটল থাকব।' নবীজি (সা.) উত্তরে বলছিলেন, 'হে আল্লাহ! আখেরাতের কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই, তুমি আনসার ও মুহাজিরদের বরকত দাও।'

খাবার ছিল খুবই সামান্য। জাবের (রা.) বলেন: "ক্ষুধার তীব্রতায় নবীজি (সা.) তার পেটে পাথর বেঁধে রেখেছিলেন। আমরা তিন দিন ধরে কোনো দানাপানি মুখে দিইনি।" সামান্য খাবার খেয়েই তারা দিন কাটাতেন।

প্রচণ্ড শীত, ঝড়ো বাতাস এবং ক্ষুধার মধ্যেও সাহাবিদের মনোবল ছিল পাহাড়ের মতো।
খন্দকটি ছিল লম্বায় ৫০০০ হাত (প্রায় ৩ কি.মি.), চওড়ায় ৯ হাত এবং গভীরতায় ৭-১০ হাত। প্রতি ১০ জন সাহাবির ভাগে ৪০ হাত করে খনন করার দায়িত্ব ছিল।
এত প্রতিকূল পরিবেশেও তারা মাত্র ৬ দিনে এই বিশাল খন্দক খননের কাজ শেষ করেছিলেন।

(সূত্র: আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, যাদুল মাআদ,বুখারী,আস সীরাতুন নববীয়্যাহ,আহমদ)

খন্দক যুদ্ধের ঘটনা থেকে আমরা যা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি,

১. নবীজি (সা.) সব বিষয়ে জ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও সাহাবিদের সাথে পরামর্শ করতেন। সালমান ফারসি (রা.)-এর পরামর্শে খন্দক খনন তার প্রমাণ।
২. নেতা শুধু হুকুম দেন না, তিনি কর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন। নবীজি নিজে মাটি কেটেছেন এবং পাথর বহন করেছেন।
৩. প্রচণ্ড শীত, ঝড় এবং ক্ষুধার মধ্যেও সাহাবিরা মনোবল হারাননি। পেটে পাথর বেঁধেও তারা দ্বীনের কাজ চালিয়ে গেছেন।
৪. আল্লাহর ওপর ভরসার পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনা (খন্দক খনন) গ্রহণ করা ইসলামের শিক্ষা।

উরওয়া বিন মাসউদ কুরাইশদের পক্ষ থেকে দূত হয়ে নবীজি (সা.)-এর দরবারে এলেন। তিনি সাহাবিদের আচরণে খুব মনোযোগ দিয়ে কিছু বিষয় প...
21/12/2025

উরওয়া বিন মাসউদ কুরাইশদের পক্ষ থেকে দূত হয়ে নবীজি (সা.)-এর দরবারে এলেন। তিনি সাহাবিদের আচরণে খুব মনোযোগ দিয়ে কিছু বিষয় পর্যবেক্ষণ করলেন। তিনি দেখলেন,

১. নবীজি (সা.) যখন থুথু ফেলেন, তখন সাহাবিরা তা মাটিতে পড়তে দেন না। কেউ না কেউ তা হাতে নিয়ে নিজের মুখে ও শরীরে মেখে নেন।
২. নবীজি (সা.) কোনো হুকুম দিলে সাহাবিরা তা পালন করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন।
৩. নবীজি (সা.) যখন ওজু করেন, তখন তাঁর ওজুর ব্যবহৃত পানি নেওয়ার জন্য সাহাবিরা কাড়াকাড়ি করেন, যেন যুদ্ধ লেগে যাবে।
৪. নবীজি (সা.) যখন কথা বলেন, তখন সাহাবিরা তাদের আওয়াজ নিচু করে রাখেন এবং শ্রদ্ধার কারণে কেউ নবীজির মুখের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকান না।

ফিরে গিয়ে উরওয়া কুরাইশ নেতাদের বললেন,
" হে আমার সম্প্রদায়! আমি অনেক বড় বড় রাজা-বাদশাহর দরবারে গিয়েছি। আমি রোম সম্রাট (কায়সার), পারস্য সম্রাট (কিসরা) এবং আবিসিনিয়ার বাদশাহ নাজ্জাশির দরবারেও গিয়েছি। কিন্তু আল্লাহর কসম! আমি এমন কোনো বাদশাহ দেখিনি, যার সঙ্গীরা তাকে এতটা সম্মান ও ভক্তি করে, যতটা মুহাম্মদের (সা.) সঙ্গীরা তাকে সম্মান করে।"
রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুম

(সূত্র: সহীহ বুখারী, মুসনাদে আহমাদ, ইবনে হিব্বান)

একদিন এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এল। তার চেহারা থেকে তখনো রক্ত ঝরছিল। নবীজি (সা.) তাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, "তো...
21/12/2025

একদিন এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এল। তার চেহারা থেকে তখনো রক্ত ঝরছিল। নবীজি (সা.) তাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার কী হয়েছে? তোমার এই অবস্থা কেন?"

লোকটি লজ্জিত হয়ে বলল:
"ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি রাস্তা দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ এক নারী আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। আমি তার দিকে তাকালাম এবং (শয়তানের ধোঁকায়) তার দিকে তাকিয়েই রইলাম। আমি সামনের দিকে না তাকিয়ে তার পিছু পিছু দৃষ্টি দিচ্ছিলাম।"

"হঠাৎ আমার সামনে একটি দেয়াল এসে পড়ল। আমি খেয়াল না করায় দেয়ালের সাথে আমার মুখের সজোরে ধাক্কা লাগল এবং আমার এই অবস্থা হলো (নাক-মুখ ফেটে রক্ত বের হলো)।"

এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে বললেন:
"নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন কোনো বান্দার কল্যাণ চান, তখন তিনি তার পাপের শাস্তি দুনিয়াতেই তাড়াতাড়ি দিয়ে দেন। (যাতে সে তাওবা করার সুযোগ পায় ও আখেরাতের শাস্তি থেকে বেঁচে যায়।)"

(সূত্র: আল মুজামুল কাবির, যম্মুল হাওয়া- ইবনুল জাওযী রহ.)

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) যখন মৃত্যুশয্যায়, তখন সাহাবি আবু দারদা (রা.) তাকে দেখতে গেলেন। খালিদ রা. বললেন:"হে আবু দারদা! যদি...
19/12/2025

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) যখন মৃত্যুশয্যায়, তখন সাহাবি আবু দারদা (রা.) তাকে দেখতে গেলেন। খালিদ রা. বললেন:
"হে আবু দারদা! যদি উমর মারা যান, তবে তোমরা এমন অনেক কিছু দেখবে যা তোমরা অপছন্দ করবে।"
আবু দারদা বললেন, "আল্লাহর কসম, আমিও তাই মনে করি।"

খালিদ রা. তখন তার মনের কথা খুলে বললেন:
"উমরের প্রতি আমার মনে কিছু অভিমান ছিল। তিনি আমার সম্পদ ভাগ করেছিলেন, এমনকি আমার জুতো জোড়া পর্যন্ত ভাগ করেছিলেন। কিন্তু এখন এই অসুস্থ অবস্থায় চিন্তা করে বুঝলাম, উমর যা করেছেন, সব আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করেছেন।"

"তিনি আমার সাথে কঠোর ছিলেন, কিন্তু বদরী সাহাবিদের সাথেও তিনি এমনই কঠোর ছিলেন। আমি আত্মীয়তার খাতিরে তার কাছে ছাড় আশা করেছিলাম, কিন্তু তিনি আল্লাহর ব্যাপারে কারো আত্মীয়তা বা নিন্দার পরোয়া করেন না।"

"তিনি আমাকে সেনাপতির পদ থেকে বরখাস্ত করেছিলেন। পরে শুনলাম, তিনি আমার চেয়েও উত্তম ব্যক্তি, রাসূল (সা.)-এর মামা সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)-কেও বরখাস্ত করেছেন। তখন আমার মন থেকে সব ক্ষোভ দূর হয়ে গেল।"

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) বললেন,
"আমি মারা গেলে আমিরুল মুমিনীন উমর (রা.)-কে জানিও যে, আমি আমার অসিয়ত, সম্পদ, আমার মেয়েদের দায়িত্ব এবং আমার প্রতিশ্রুতি পালনের ভার তার ওপরই ন্যস্ত করে গেলাম।"

এরপর তিনি উঠে বসলেন এবং বললেন:
"যে রাতে আমার ঘরে কোনো প্রিয় নববধূর আগমন ঘটে, সেই রাত আমার কাছে ততটা প্রিয় নয়, যতটা প্রিয় সেই কনকনে শীতের রাত, যখন আমি সকালে শত্রুর ওপর আক্রমণের অপেক্ষায় থাকি।"

তিনি নিজের শরীরের দিকে তাকিয়ে আক্ষেপ করে বললেন:
"আমি শত শত যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। আমার শরীরের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে তলোয়ার, তীর বা বর্শার আঘাতের চিহ্ন নেই। অথচ আজ আমি বিছানায় শুয়ে উটের মতো স্বাভাবিক মৃত্যু বরণ করছি! "

খালিদ (রা.)-এর মৃত্যুর খবর শুনে খলিফা উমর (রা.) শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়লেন। তিনি বারবার বলতে লাগলেন, "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।"

তিনি মাথা নিচু করে বললেন:
"ইসলামে এমন এক ফাটল ধরল যা আর কখনো জোড়া লাগবে না। আল্লাহর কসম! খালিদ ছিলেন শত্রুর বুকে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুত এক দেয়াল। বনু মাখজুমের নারীদের অধিকার আছে খালিদের জন্য কাঁদার। খালিদের মতো বীরের জন্যই তো ক্রন্দনকারীরা কাঁদে।"

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) কেন যুদ্ধের ময়দানে শহীদ হলেন না? আলেমরা বলেন:
"খালিদকে রাসূল সা. 'সাইফুল্লাহ' (আল্লাহর তলোয়ার) উপাধি দিয়েছিলেন। আর আল্লাহর তলোয়ার কখনো যুদ্ধে ভাঙতে বা হারতে পারে না। তাই তার মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে, যাতে প্রমাণিত হয়, আল্লাহর তলোয়ার অপরাজেয়।"

(সূত্র: সিয়ারু আলামিন নুবালা,আল-কামিল ফিত তারিখ - ইবনে আসির)

Address

Saha Jabbaria Shopping Point
Chakaria

Telephone

+8801794222323

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SAHA Jabbaria Shopping POINT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SAHA Jabbaria Shopping POINT:

Shortcuts

Share