Bangladesh Homoeo Hall :: বাংলাদেশ হোমিও হল

Bangladesh Homoeo Hall :: বাংলাদেশ হোমিও হল স্পষ্টতা, গুনগতমান ও বিশ্বাসযোগ্য স্বাস্থ্যসেবার প্রতিশ্রুতি।

I've just reached 2K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗...
07/01/2026

I've just reached 2K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗🎉

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ:ফুসফুসের রোগগুলোর মধ্যে অনেক দেখা যায় এমন একটি রোগ হল অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ। যেকোনো বয়সের মানুষই...
29/06/2025

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ:
ফুসফুসের রোগগুলোর মধ্যে অনেক দেখা যায় এমন একটি রোগ হল অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ। যেকোনো বয়সের মানুষই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। হাঁপানি সাধারণত ছোটবেলা থেকে শুরু হয়, তবে প্রাপ্তবয়স্ক হবার পরেও অনেকের ক্ষেত্রে প্রথমবারের মত হাঁপানি শুরু হতে পারে।

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগের লক্ষণগুলো কী কী?
🟥শ্বাসকষ্ট
🟥শ্বাসপ্রশ্বাসের সময় শিস্ দেওয়ার মত শোঁ শোঁ শব্দ হওয়া
🟥বুকে চাপ লাগা – মনে হতে পারে যেন কোন বেল্ট বুকের চারপাশে আঁটসাঁট হয়ে আছে
🟥কাশি

হাঁপানি রোগের কারণসমূহ কী কী?
ফুসফুসে বাতাস আনা নেওয়া করে যে শ্বাসনালীগুলো, সেগুলোর (প্রদাহের কারণে) ফুলে ওঠার কারণে হাঁপানি হয়। শ্বাসনালীগুলো অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পরে এবং সাময়িকভাবে সরু হয়ে যায়।

কিছু কিছু জিনিস হাঁপানি উদ্রেক করতে পারে। সচরাচর দেখা যায় এমন কিছু কারণ হল:
🟥অ্যালার্জি। যেমন পশুর লোম, ফুলের রেণু, ধূলিকণার পোকা ইত্যাদির প্রতি অ্যালার্জি
🟥ধোঁয়া বা পরিবেশ দূষণ
🟥ঠাণ্ডা হাওয়া
🟥শারীরিক ব্যায়াম
🟥সর্দিকাশির মতো অসুস্থতা বা ভাইরাস সংক্রমণ
হাঁপানি উদ্রেকের এই কারণগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলো এড়িয়ে চললে লক্ষণগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

এই রোগের জটিলতাগুলো কী কী?
যদিও হাঁপানি সাধারণত নিয়ন্ত্রণ এর মধ্যে রাখা যায়, তবুও মনে রাখতে হবে এটি একটি জটিল রোগ যা নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

এজন্য নিচের দুটি কাজ করা জরুরি:
1. নিয়মমাফিক চিকিৎসা পদ্ধতি মেনে চলা।
2. লক্ষণগুলো খারাপ হতে থাকলে সেগুলো কোনোভাবেই উপেক্ষা না করা।

অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানি রোগ বেশ কিছু সমস্যা করতে পারে। যেমন:
🟥সবসময় ক্লান্ত লাগা
🟥মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষন্নতা
🟥ফুসফুসের সংক্রমণ (নিউমোনিয়া)
🟥বাচ্চাদের বেড়ে ওঠা বা বয়ঃসন্ধিতে দেরি হওয়া
🟥কর্মক্ষেত্র বা স্কুলে অনুপস্থিতি বা আগের চেয়ে কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া
🟥হঠাৎ করে হাসপাতাল বা ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ায় 🟥দৈনন্দিন কাজ ও অবসর ব্যহত হওয়া

কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক অ্যাজমা অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে, যা প্রাণঘাতীও হতে পারে।

ইউরিন ইনফেকশন কী?ইউরিন ইনফেকশন হলো একটি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন যা সাধারণত মূত্রতন্ত্রে ঘটে। মূত্রতন্ত্রের চারটি প্রধান অংশ...
28/06/2025

ইউরিন ইনফেকশন কী?
ইউরিন ইনফেকশন হলো একটি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন যা সাধারণত মূত্রতন্ত্রে ঘটে। মূত্রতন্ত্রের চারটি প্রধান অংশ আছে – কিডনি, মূত্রাশয়, মূত্রনালী ও মূত্রনালিকা। যখন ব্যাকটেরিয়া মূত্রনালির মাধ্যমে মূত্রাশয়ে পৌঁছায় এবং সংক্রমণ সৃষ্টি করে, তখন এটি ইউরিন ইনফেকশন হিসেবে পরিচিত।

🔶 ইউরিন ইনফেকশনের ধরন:
১. সিস্টাইটিস : এটি মূত্রাশয়ের সংক্রমণ, যার ফলে প্রস্রাব করতে গেলে ব্যথা এবং জ্বালা হতে পারে।
২. ইউরেথ্রাইটিস : এটি মূত্রনালির সংক্রমণ।
৩. পাইলোনেফ্রাইটিস : এটি কিডনির সংক্রমণ যা অত্যন্ত গুরুতর এবং সাধারণত জ্বর, পিঠে ব্যথা, বমি ভাব ইত্যাদি উপসর্গ তৈরি করে।

🔶 ইউরিন ইনফেকশনের উপসর্গ:
১. প্রস্রাবে জ্বালা এবং ব্যথা হওয়া
২. ঘন ঘন প্রস্রাবের অনুভূতি হওয়া।
৩. প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন (ঘন, দুধের মতো বা লালচে) হওয়া।
৪. প্রস্রাবে দুর্গন্ধ হওয়া।
৫. উচ্চ তাপমাত্রা ও ঠাণ্ডা লাগা (কিডনি সংক্রমণের ক্ষেত্রে)।

🔶 ইউরিন ইনফেকশনের ঝুঁকি ও কারণ:
১. নারীদের ইউরিন ইনফেকশনের ঝুঁকি বেশি : নারীদের মূত্রনালি ছোট হওয়ায় সহজেই ব্যাকটেরিয়া মূত্রাশয়ে পৌঁছাতে পারে।
২. হরমোনাল পরিবর্তন : গর্ভাবস্থা, মেনোপজ এবং কিছু ঔষধের প্রভাবে হয়ে থাকে।

🔶 প্রতিরোধের উপায়:
১. প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা।
২. প্রস্রাব আটকিয়ে না রাখা।
৩. যৌনমিলনের পর প্রস্রাব করা।
৪. টয়লেটের পর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা।

🔴 সংক্রমণের জটিলতা:
সংক্রমণ মারাত্মক হলে তা কিডনিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটি দীর্ঘস্থায়ী কিডনি সমস্যা এবং রক্তে সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে।

*** ভর্তি চলছে ***     *** ভর্তি চলছে ***গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত দোয়া...
26/07/2022

*** ভর্তি চলছে *** *** ভর্তি চলছে ***

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত
দোয়াভাঙ্গা, শাহরাস্তিতে অবস্থিত,
চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

*** কোর্সের নাম ও মেয়াদঃ
ডিপ্লোমা-ইন-হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি
(ডি.এইচ.এম.এস) ৪ বছর একাডেমিক + ৬ মাস ইন্টার্নশিপ।

*** ভর্তির যোগ্যতাঃ
• ডি.এইচ.এম.এস (ডিপ্লোমা): যে কোন বিভাগ থেকে নূন্যতম এস.এস.সি পাশ। বিজ্ঞান বিভাগ হতে পাশকৃতদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
বয়সসীমা শিথিলযোগ্য।

*** ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
• এস.এস.সি পরীক্ষার মার্কশীটের সত্যায়িত ফটোকপি,
• এন আই ডি কার্ডের ফটোকপি ও
• চার কপি রঙ্গীন সত্যায়িত ছবি।

*** সার্টিফিকেটঃ
• ডি.এইচ.এম.এস কোর্স শেষে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা কোর্সের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

*** ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
দোয়াভাঙ্গা, শাহরাস্তি।
মোবাইল নাম্বার: 01714990001, 01715111575
ই-মেইল: [email protected]
ওয়েবসাইটঃ www.chandpurhomoeocollege.com

18/01/2022

জেনে নিন আপনার ব্লাড গ্রুপের বৈশিষ্ট্য

1.”O+”এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বচ্ছ দৃষ্টি সম্পন্ন, গভীর মনোযোগী, উচ্চাকাঙ্খী, স্বাস্থ্যবান, বাকপটু, বাস্তববাদী, রোমান্টিক এবং অত্যান্ত বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।

2.”O-”এই গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত অন্যের মতামতকে গ্রাহ্য করে না। সমাজে মর্যাদা বাড়াতে আগ্রহী, বড়লোকের সঙ্গপ্রিয় এবং বড় বেশি বাচাল।

3.”A+”এই ব্লাডগ্রুপের মানুষেরা গোছগাছ প্রিয়, দক্ষ চাকুরে এবং খুঁতখুঁতে স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা আত্নকেন্দ্রিক, সুবিচারক, শান্ত, নিয়মতান্ত্রিক, বিশস্ত, নিয়মানুবর্তী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।

4.”A-”এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের এবং কিছুটা অমনোযোগী। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে বেশি মনোযোগী। এদের অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রবণতা বেশি। এদের আছে নিজেকে লুকানোর অভ্যাস এবং একঘেয়েমি জীবন।

5.”B+”এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বাধীনচেতা, মেধাবী, নমনীয়, মনোযোগী, স্বাস্থ্যবান,সরল, দক্ষ, পরিকল্পনাবাদী, বাস্তববাদী, আবেগপ্রবণ এবং খুব বেশি রোমান্টিক হয়ে থাকে।

6.”B-”এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা অসংযমী, অপরিনামদর্শী, দায়িত্বহীন, অলস, স্বার্থপর, অগোছালো, অবিবেচক এবং স্বার্থান্বেষী হয়ে থাকে।

7.”AB+” এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত সুবিবেচক, বু্দ্ধি সম্পন্ন, হিসেবী, পরিকল্পনাবাদী, সৎ কৌশলী সংবেদনশীল, নিরেট এবং খুব চমৎকার সাংগঠনিক হয়ে থাকে।

8.”AB-”এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা দুর্বোধ্য, ক্ষমতাহীন, অন্যকে আঘাত করার প্রবণতা বেশি, এনার্জি স্বল্পতা, খুব বেশি রক্ষনশীল ও বড় বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।

প্রতিদিন ডিম খেলে কী হয়?জানেন?চিকিৎসকরা ডিম খাওয়ার বিষয়ে নানা সময়েই একাধিক বাধা নিষেধ আরোপ করে থাকেন। বলা হয়, যাদের একটু...
16/07/2021

প্রতিদিন ডিম খেলে কী হয়?
জানেন?

চিকিৎসকরা ডিম খাওয়ার বিষয়ে নানা সময়েই একাধিক বাধা নিষেধ আরোপ করে থাকেন। বলা হয়, যাদের একটু বয়স বেশি, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল অথবা হৃদরোগের ঝুঁকি আছে তাদের ডিম কম খাওয়া উচিত। আর ডিমের লাল অংশ তো একেবারেই মানা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিম, চিংড়িমাছ এবং অন্যান্য এনিমেল ফুডে রক্তের কোলেস্টেরলের ওপর সামান্যই বা মার্জিত মাত্রায় প্রভাব রয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এখন ডিমকে বাদের তালিকায় রাখতে চাইছেন না। কারণ একটি ডিমে রয়েছে মাত্র ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল।
আমেরিকান ফেডারেল গভর্নমেন্ট দেশের নাগরিকদের যে খাদ্যভ্যাস রাখতে বলেছেন, তাতে বলা হয়েছে, ডিমের সাদা অংশ খেলে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে না।
এ ব্যাপারে হারভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর পুষ্টি ও এপিডেমিওলজি বিভাগের অধ্যাপক অথার ড. ফ্রাংক হু উল্লেখ করেছেন, খাবার থেকে যে কোলেস্টেরল আসে অর্থাৎ ডায়েটরি কোলেস্টেরল তা কিছুটা ক্ষতিকর।
কিন্তু কোলেস্টেরলে যে প্রোটিন, ভিটামিন বি ১২, রাইবোফ্লভিন, ফলেট ও ভিটামিন ডি রয়েছে, তা এসব কোলেস্টেরল বৃদ্ধির প্রভাবকে কমিয়ে দেয়।
ডিম ক্ষতিকর প্রসেসড মিট বা প্রক্রিয়াজাত মাংসের ভালো বিকল্প হতে পারে। সকালের খাবারে একটি ডিম কোলেস্টেরল প্রোফাইলের ওপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না।

ওষুধ ছাড়া লো ব্লাড প্রেসার থেকে রেহাইয়ের উপায়ঘরে ঘরেই এমন অনেকে আছেন যারা লো ব্লাড প্রেসার বা হাইপোটেনশনে ভোগেন| ব্লাড ...
16/07/2021

ওষুধ ছাড়া লো ব্লাড প্রেসার থেকে রেহাইয়ের উপায়

ঘরে ঘরেই এমন অনেকে আছেন যারা লো ব্লাড প্রেসার বা হাইপোটেনশনে ভোগেন| ব্লাড প্রেসার মাপার পর যদি দেখা যায় রিডিং ৯০/৬০ বা তার কম হয়েছে তাহলে আপনার লো ব্লাড প্রেসার আছে| লো ব্লাড প্রেসার হলেও অনেক ধরনের সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়। আর তাই হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের মতোই লো ব্লাড প্রেসার থাকলে আপনাকে বেশ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে| চলুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।
১. মদ্যপান এড়িয়ে চলুন, এর পরিবর্তে বেশি করে পানি পান করুন। আমরা অনেকেই জেনে থাকতে পারি, মদ্যপান করলে রক্তের চাপ বেড়ে যায়| কিন্তু এর মানে এই নয় আপনার লো ব্লাড প্রেসার থাকলে আপনি মনের আনন্দে মদ খেতে পারেন| এর ফলে কিন্তু শরীর ডিহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা অনেকেটা বৃদ্ধি পায়| এতে আপনার ব্লাড প্রেসার আরও কমে যেতে পারে| তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।
২. লো ব্লাড প্রেসার হলে আপনি বেশি করে লবণ খেয়ে নিলেন আর আপনার ব্লাড প্রেসার বৃদ্ধি পেল|
উল্টে এর ফলে হাই ব্লাড প্রেসার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়| তাই সারাদিনের ডায়েটে ২ থেকে ৩ মিলিগ্রাম লবণ থাকতে পারেন।
৩. যারা লো ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন তাদের উচ্চ কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকাটাই ভালো।
৪. লো ব্লাড প্রেসার হলে গরম পানিতে স্নান না করাই ভাল। বিশেষত বেশি সময়ের জন্য| এর ফলে মাথা ঘোরা বেড়ে যেতে পারে| নেহাত যদি শীতের সময় গরম পানিতে স্নান করতেই হয়, তাহলে একটা ছোট টুলে বসে স্নান করুন| তবে টুল থেকে ওঠার সময় ধীরে সুস্থে উঠুন এবং পায়ের পাতা, গোড়ালি আর উরুতে ম্যাসাজ করে নিন|
৫. হাইপোটেনশন এড়াতে খানিক্ষণ পর পর খাবার খান| একেবারে অনেকটা না খেয়ে অল্প পরিমাণে খান।
৬. রক্তচাপ বাড়াতে পায়ে মোজা পরে থাকলে উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটা করবেন না|

 #গর্ভফুল_জরায়ুর_নিচের_দিকেঃ_গর্ভকালীন_বিপদের_লক্ষনপ্লাসেন্টা প্রিভিয়া প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল গর্ভকালীন সময়ে মায়ের জরায়ুর...
13/05/2021

#গর্ভফুল_জরায়ুর_নিচের_দিকেঃ_গর্ভকালীন_বিপদের_লক্ষন

প্লাসেন্টা প্রিভিয়া প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল গর্ভকালীন সময়ে মায়ের জরায়ুর মধ্যে তৈরি হয় যার মাধ্যমে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান মায়ের শরীর থেকে শিশুর রক্ত প্রবাহে সঞ্চালিত হয়। এটি জরায়ু গাত্র বা ইউটিরাইন ওয়াল এ সংযুক্ত থাকে এবং এর মধ্যে থেকে আম্বিলিক্যাল কর্ড তৈরি হয়ে গর্ভস্থ শিশুর দেহের সাথে গর্ভফুলকে সংযুক্ত করে। গর্ভফুল বা প্লাসেন্টা সাধারণত জরায়ুর উপরের দিকে/ পাশে সংযুক্ত থাকে। গর্ভকালীন সময়ে ধীরে ধীরে জরায়ু প্রসারিত হয় এবং সেই সাথে প্লাসেন্টার অবস্থান পরিবর্তন হয়।

প্লাসেন্টা প্রিভিয়া কী

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে প্লাসেন্টা সাধারণত জরায়ুর নিচের দিকে অবস্থান করে এবং দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক থেকে প্লাসেন্টা জরায়ুর উপরের দিকে অবস্থান করে। গর্ভকালীন সময়ে দ্বিতীয়/ তৃতীয় ত্রৈমাসিকে গর্ভফুল বা প্লাসেন্টা যদি জরায়ুর নিচের দিকে, অর্থাৎ জরায়ু মুখ বা সারভিক্সের ঠিক উপরে অবস্থান করে; তখন একে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া বা লো লাইং প্লাসেন্টা বলা হয়।

প্লাসেন্টা প্রিভিয়া কী ক্ষতি করে

গর্ভকালীন সময়ে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া থাকলে মায়ের যোনিপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। নরমাল ডেলিভারির সময় শিশু জরায়ুমুখ বা সারভিক্স দিয়ে বার্থ ক্যানেল হয়ে বেরিয়ে আসে। সাধারণত শিশু জন্মের ৩০ মিনিটের মধ্যে প্লাসেন্টা বের হয়ে যায়। শিশু প্রসবের সময় জরায়ুমুখ বা সারভিক্স এ যদি প্লাসেন্টা থাকে সেক্ষেত্রে এর জন্য প্রসবকালীন সময়েও অনেক রক্তক্ষরণ হয় যা মা ও শিশু উভয়ের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যখন প্লাসেন্টা জরায়ুর নিচের দিকে অর্থাৎ জরায়ুমুখ বা সারভিক্সের উপরে সম্পূর্ণভাবে অবস্থান করে তখন একে কমপ্লিট প্লাসেন্টা প্রিভিয়া বলা হয়।

প্লাসেন্টা প্রিভিয়ার লক্ষণ

যোনিপথে রক্তক্ষরণ – প্লাসেন্টা প্রিভিয়ার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হল যোনিপথে রক্তক্ষরণ বা পার ভ্যাজাইন্যাল ব্লিডিং। সাধারণত গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে হঠাৎ করে যোনিপথ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে ব্যথাবিহীন রক্তক্ষরণ হওয়া প্লাসেন্টা প্রিভিয়ার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণ। এক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যেতে পারে কিন্তু সন্তান প্রসবের সম্ভাব্য দিনের আগেই আবার শুরু হয়ে যায়। প্লাসেন্টা প্রিভিয়াতে অনেক বেশি পরিমাণে রক্তক্ষরণ হয় এবং এটি উজ্জ্বল লাল রঙের হয়।

প্লাসেন্টা প্রিভিয়া- কারা ঝুঁকিপূর্ণ

গর্ভবতী মায়ের বয়স যদি খুব কম অথবা বেশি হয়, সেক্ষেত্রে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব গর্ভবতী মায়ের বয়স ২০ বছর অথবা তার চেয়ে কম এবং ৩৫ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি তারা প্লাসেন্টা প্রিভিয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

গর্ভে যদি একের অধিক শিশু থাকে সেক্ষেত্রে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

গর্ভবতী মায়ের জরায়ুর আকারজনিত যদি কোন অস্বাভাবিকতা থাকে তাহলে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হতে পারে।

পূর্বে সিজারিয়ান সেকশন/ জরায়ুর কোন অপারেশন অথবা যদি ডি এন্ড সি এর জন্য জরায়ুতে কোন ক্ষত থাকে সেক্ষেত্রে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হতে পারে।

পূর্বে মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত এর ইতিহাস থাকলে পরবর্তীতে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

প্লাসেন্টা প্রিভিয়া সাধারণত প্রথমবার গর্ভধারণের ক্ষেত্রে খুব কমই হয়ে থাকে।

পূর্বে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হয়ে থাকলে পরবর্তীতে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

গর্ভকালীন সময়ে মা যদি ধূমপান করেন সেক্ষেত্রে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া হতে পারে।

রোগনির্ণয় নিশ্চিত হওয়া

সাধারণত শুধুমাত্র লক্ষণসমূহ পর্যবেক্ষণ করে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া নিশ্চিত হওয়া যায় না। গর্ভাবস্থায় ২০ সপ্তাহের পর যদি উপরোক্ত লক্ষণ দেখা যায় সেক্ষেত্রে চিকিৎসক লক্ষণসমূহ পর্যবেক্ষণ করে আলট্রাসাউন্ডের সাহায্যে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া নিশ্চিত করেন।

ট্রান্স এবডোমিনাল আলট্রাসাউন্ড- এক্ষেত্রে বাহ্যিকভাবে শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে গর্ভস্থ শিশু এবং প্লাসেন্টার অবস্থান সরাসরি প্রত্যক্ষ করে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া নিশ্চিত করা হয়।

ট্রান্স ভ্যাজাইন্যাল আলট্রাসাউন্ড- এই পদ্ধতিতে মায়ের যোনিপথ দিয়ে একটি প্রোব ঢুকিয়ে বার্থ ক্যানেল, জরায়ুমুখ এবং প্লাসেন্টার অবস্থান দেখা হয়। প্রোব হচ্ছে একটি ছোট যন্ত্র বিশেষ যেটি শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করে এবং সেটির প্রতিধ্বনি গ্রহণ করতে পারে।

চিকিৎসা পদ্ধতি

প্লাসেন্টা প্রিভিয়া চিকিৎসার ক্ষেত্রে রক্তপাতের ধরণ ও পরিমাণ, গর্ভস্থ শিশুর বয়স ও ওজন, এবং শিশু ও প্লাসেন্টার অবস্থান ইত্যাদি বিবেচনা করে উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

যদি রক্তক্ষরণ খুব বেশি না হয় অথবা বন্ধ হয়ে যায় এবং গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি সম্পূর্ণ না হয়, এক্ষেত্রে গর্ভবতী মা ও শিশু উভয়কে নিবিরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং গর্ভবতী মাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হয়। যেসব কারণে রক্তক্ষরণ পুনরায় শুরু হতে পারে যেমন- ব্যায়াম করা/ শারীরিক পরিশ্রম/ সহবাস ইত্যাদি থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। যদি গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি সম্পূর্ণ হয়ে যায় অর্থাৎ ৩৮ সপ্তাহ পূর্ণ হয়ে যায় এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশু প্রসবের সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। প্লাসেন্টা প্রিভিয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত সিজারিয়ান সেকশন এর মাধ্যমে শিশু প্রসব করানো নিরাপদ।

যদি রক্তক্ষরণ বেশি হয় যার ফলে মা ও গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে সেক্ষেত্রে জরুরী ভিত্তিতে সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে শিশু প্রসবের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এক্ষেত্রে যদি গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি সম্পূর্ণ না হয়, তখন সিজারিয়ান সেকশনের পূর্বে গর্ভস্থ শিশুর ফুসফুসের পূর্ণতা/ কার্যকারিতার জন্য ওষুধ (স্টেরয়েড) প্রয়োগ করা হয়। গর্ভবতী মায়ের শরীরে রক্তস্বল্পতার জন্য প্রয়োজনবোধে রক্ত সঞ্চালন করা হয়।প্লাসেন্টা

প্রিভিয়া হলে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করবেন

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।

শারীরিক পরিশ্রম, হাঁটা চলা, ব্যায়াম/ ভ্রমন করা এবং সহবাস করা থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকতে হবে।

রক্তক্ষরণ বেশি হলে সাথে সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

গর্ভস্থ শিশুর নড়াচড়া খেয়াল রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে এর জন্য কিক চার্ট অনুসরণ করতে হবে।

মায়ের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে প্রয়োজনে রক্ত দেয়া যাবে এমন ব্যবস্থা করে রাখতে হবে।

যেকোন সময়ে জরুরী অবস্থায় হাসপাতালে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু হাতের কাছে গুছিয়ে রাখতে হবে।

 #গর্ভকালীন_ডায়াবেটিস_কেন_হয়?আপনি হয়ত গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সম্পর্কে আগে থেকেই জানেন। কিংবা হয়ত আগে জানতেন না, কিন্তু আপনি...
12/05/2021

#গর্ভকালীন_ডায়াবেটিস_কেন_হয়?

আপনি হয়ত গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সম্পর্কে আগে থেকেই জানেন। কিংবা হয়ত আগে জানতেন না, কিন্তু আপনি সন্তান্সম্ভবা হবার পর শুনেছেন – হতে পারে তা আপনার ডাক্তারের কাছ থেকে আগাম সাবধানতা হিসেবে অথবা আপনার ল্যাব রিপোর্ট থেকে।

এ নিয়ে আগে থেকেই দুশ্চিন্তা না করে, আসুন, এই বিষয়ে কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করি।

♦️ গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কি?
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস একধরণের ডায়াবেটিস যা গর্ভকালীন সময়ে হয়ে থাকে। গর্ভপূর্ববর্তী সময়ে ডায়াবেটিস ছিল না এমন কারও যদি গর্ভকালীন সময়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, তবে তার ডায়াবেটিস হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সাধারণত গর্ভের শেষ তিন মাসে হয়ে থাকে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কোন বিরল রোগ নয় – প্রতি ১০ জন গর্ভবতী নারীর ১ জনের এই রোগ হয়ে থাকে।

যদি আপনার ডায়াবেটিস হয়ে থাকে, তবে আপনার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী। না হলে তা আপনার এবং আপনার শিশুর জন্য বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তবে আশার বিষয় হল গর্ভকালীন ডায়াবেটিস টাইপ ১ বা টাইপ ২ ডায়াবেটিস থেকে ভিন্ন। টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস সারাজীবন স্থায়ী হয়, কিন্তু গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সাধারণতঃ শিশু জন্মের পর নিজে থেকেই সেরে যায়।

♦️ গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কেন হয়?

স্বাভাবিকভাবে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের কাজটি হয়ে থাকে ইনসুলিনের মাধ্যমে। ইনসুলিন হল এক ধরণের হরমোন, যা রক্তের গ্লুকোজকে কোষের ভেতরে প্রবেশ করতে সহায়তা করে। কিন্তু গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল থেকে কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়, যা ইনসুলিনের কাজে বাধা দেয়, যাকে বলে ‘ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স’। ফলে স্বাভাবিক পরিমাণে যা ইনসুলিন তৈরি হয় তাতে আর কাজ হয় না। এই ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স বা বাধা অতিক্রম করার জন্য স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ গুন পর্যন্ত ইনসুলিন প্রয়োজন হতে পারে এবং সাধারণতঃ আমাদের অগ্ন্যাশয় তা করতেও পারে।

কিন্তু এই বাড়তি প্রয়োজনের তুলনায় যদি যথেষ্ট পরিমাণে ইনসুলিন আপনার শরীরে তৈরি না হয়, তবে রক্তের গ্লুকোজ অব্যবহৃত থেকে যায়, ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমান যায় বেড়ে এবং তখনই গর্ভকালীন ডায়াবেটিস দেখা দেয়।

গর্ভকালীন সময়ে খাবারের ব্যাপারে খুব বেশি সচেতন হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। খাবারবা পুষ্টি সমপর্কে সচেতন থাকাটা অত্যন্ত জরুরী...
07/05/2021

গর্ভকালীন সময়ে খাবারের ব্যাপারে খুব বেশি সচেতন হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। খাবারবা পুষ্টি সমপর্কে সচেতন থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। গর্ভকালীন সময়ে বিভিন্ন খাবারের মধ্যেদুধ একটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই এই পানীয়টি নিয়ে একটু সন্দিহান থাকেন। তাছাড়াকিছু ভ্রান্ত ধারণও থাকে যা বিজ্ঞান সম্মত নয়, তাই এখানে আমরা গর্ভকালীন সময়ে দুধ পানকরা নিয়ে একটু বিস্তারিত জানব।
গর্ভাবস্থায় এমন একটি সময় পার করেন যখন আপনি সব কিছু নিয়েই একটু খুঁত খুঁতে হয়ে যান। দেখা যায় যেবিষয় গুলো আপনি আগে মোটেও গুরুত্ব দিতেন না কিন্তু এখন সেগুলোনিয়েই বেশিই সচেতন। সেটাই স্বাভাবিক, আর গর্ভবতী মা ছাড়া অন্য কেউ তা বুঝতে পারে না। এসময়টাতে তাই আপনি হয়ত হাটাচলা থেকে শুরু করে খাবারের পুষ্টিগুন সব কিছুতেই একটু বেশিহিসেবি হয়ে ওঠেন। আমারাও চাই প্রতিটি গর্ভবতী মা অনাগতশিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টি বা খাবার বিষয়টাতে মনোযোগী এবং সিরিয়াস হয়ে উঠুক।
গর্ভকালীন সময়ে আপনার ক্যালসিয়ামের সব চেয়ে বড় উৎস হচ্ছে দুধ। পর্যাপ্ত পরিমানে দুধ আপনার গর্ভের সন্তানের মিনারেলের চাহিদা পুরন করবে।এই সময়ে ১০০০ থেকে ১৩০০ মি. গ্রা. ক্যালসিয়াম দরকার যা ৫০০ বা আধা লিটার দুধে থাকে। মনে রাখবেন আপনার এই সময়ে খাওয়া খাবার থেকেই আপনার সন্তান সকল রকমের পুষ্টি উপাদান পেয়ে থাকে তাই তার মিনারেলের ঘাটতি পুরন করতে গর্ভবতী মাকে নিয়মিত দুধ খেতে হবে।
গর্ভকালীন সময়ে দুধের উপকারিতা
গবেষণায় দেখা গেছে গর্ভকালীন সময়ে মা যদি পর্যাপ্ত পরিমানে দুধ পান করে তাহলে গর্ভের বাচ্চার ভবিষ্যতে ২ টাইপ ডায়াবেটিস হবার প্রবনতা কমে যায়। দুধের মধ্যে আয়রন উপাদান থাকে যা আপনার গর্ভের বাচ্চার ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট এ বড় ভূমিকা পালন করবে। নবজাতকের জন্মের কিছু দিন পর অনেক সময় হাড়ের কিছু সমস্যা দেখা যায় যার অন্যতম কারন থাকে ভিটামিন ডি। গর্ভাবস্থায় যদি মা নিয়মিত দুধ পান করেন তাহলে গর্ভের সন্তান সেখান থেকে ভিটামিন ডি পেতে থাকে যা পরবর্তীতে তার হাড় গঠনে বেশ বড় ভূমিকা রাখে। গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত দুধ পান করলে মায়ের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর হয়। তাছাড়া শরীরে তরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রন করে এই দুধ। একি সাথে গর্ভকালীন সময়ে ফ্লুয়িড এর ঘাটতি ও পুরন করা হয় পর্যাপ্ত পরিমানে দুধ পান করে। গর্ভকালীন সময়ে খাবারের তালিকা তৈরি করতে এই অ্যাপটির ‘কি খাব’ ‍সেকসন থেকে পছন্দ অনুযায়ী খাদ্য তালিকা পেতেপারেন।
দুধের প্রকারভেদ এবং কি ধরণের দুধ পান করবেন
আপনি হয়ত বাজারে রকমের দুধ দেখতে পান তাই কিছুটা দ্বিধায় থাকেন কোনটি আপনি পান করবেন বা কোন দুধ আপনার জন্য উপকারী। চলুন দেখে নেই কত রকমের দুধ বাজারে পাওয়া যায় এবং তাদের কার কি ধরনের কাজ:
পাস্তুরিত গরুর দুধ
যদি গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত ফ্যাট না পেতে চান তাহলে গরুর পাস্তুরিত দুধ আপনার জন্য খুবই ভালো। কারন দুধ যখন পাস্তুরিত করা হয় তখন অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট গুলো দূর হয়ে যায়। কিন্তু পাস্তুরিত দুধে ভিটামিন এ এবং ডি এর পরিমাণও কমে যায় তাই এক কাপ পাস্তুরিত দুধে তুলনামূলক কম ক্যালরি থাকে। তাই প্রয়োজনীয়ক্যালরি পেতে এক্ষেতে আপনাকে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ কাপ পাস্তুরিতদুধ পান করতে হবে।
ফুল ক্রিম দুধ
পূর্ণ ননিযুক্ত বা ফুলক্রিম দুধে ফ্যাটের পরিমাণ খুব বেশি থাকে বিধায় শরীরের চাহিদার উপর নির্ভর করে ফুল ক্রিম দুধ পান করতে পারেন। একটা উদাহরন দিলেই খুব সহজে বুঝতে পারবেন ফুলক্রিম দুধে কী পরিমাণ ক্যালরি থাকে- এক কাপ ফুল ক্রিম দুধে ১৫০ ক্যালরি থাকে যা পাস্তুরিত দুধের চেয়ে প্রায়ই ৩ গুন বেশি।
কাঁচা দুধ
কাঁচা দুধ মানে হল সরাসরি গরুর দুধ যা গোয়ালা দুইয়ে নিয়ে আসে। আর আপনি হয়ত তা জ্বাল না দিয়েই খেয়ে ফেলেন। অনেকেই বলে থাকেন যে, এই সময় কাঁচা দুধ খেলে বাচ্চার গায়ের রং সুন্দর হয়, আসলে এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বরং, কখনই গর্ভাবস্থায় কাঁচা দুধ খাওয়াঠিক না, কারন কাঁচা দুধে অনেক রকমের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা আপনার গর্ভের বাচ্চার ক্ষতির কারন হতে পারে। তাই কাঁচা দুধ না খেয়ে দুধ ভালো করে জ্বাল দিয়ে তারপর পান করবেন।

Address

হাজীগঞ্জ চেম্বার: হক টাওয়ার (গোল্ডেন হাসপাতালের নিচতলা), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
Hajiganj

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

01714990001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Homoeo Hall :: বাংলাদেশ হোমিও হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bangladesh Homoeo Hall :: বাংলাদেশ হোমিও হল:

Share