Natural Herbs MST

Natural Herbs MST This is a business platform where everyone can order according to each product servicing location as

আপনার ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে তুলবে। ১কাপ এরাবিয়ান কফি।হয়ে উঠুন রাতের রাজা।বিস্তারিত জানতে কমেন্ট বক্স চ্যাক করুন। অগ্রিম ...
20/08/2022

আপনার ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে তুলবে। ১কাপ এরাবিয়ান কফি।
হয়ে উঠুন রাতের রাজা।

বিস্তারিত জানতে কমেন্ট বক্স চ্যাক করুন।

অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়াই অর্ডার করুন। সারা বাংলাদেশ ক্যাশ অন ডেলিভারি দেয়া হচ্ছে।

☎️ 01318899060

রাস্পবেরির মতো সুস্বাদু ফল বছরের পর বছর ধরে খাওয়া হচ্ছে। এটি টক এবং মিষ্টি বলে অনেকেই এটি পছন্দ করেন না। তবে ডায়াবিটিস...
22/07/2022

রাস্পবেরির মতো সুস্বাদু ফল বছরের পর বছর ধরে খাওয়া হচ্ছে। এটি টক এবং মিষ্টি বলে অনেকেই এটি পছন্দ করেন না। তবে ডায়াবিটিসের সঙ্গে লড়াই করা মানুষের পক্ষে এটি খুব উপকারী। এটি সরস এবং সুস্বাদু। ছোট চেহারার এই রাস্পবেরি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

রাস্পবেরির নাম শুনলে মুখে টক ও মিষ্টি স্বাদ আসতে শুরু করে। এটি সরস এবং সুস্বাদু।

ছোট চেহারার এই রাস্পবেরি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

যেহেতু ডায়াবেটিস রোগীদের খুব কম খাবার রয়েছে, যা তাদের খাওয়া উচিত।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রাস্পবেরির নাম শুনলে মুখে টক ও মিষ্টি স্বাদ আসতে শুরু করে। এটি সরস এবং সুস্বাদু। ছোট চেহারার এই রাস্পবেরি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ম্যাজিকের মতো কাজ করে। যেহেতু ডায়াবেটিস রোগীদের খুব কম খাবার রয়েছে, যা তাদের খাওয়া উচিত। এমন পরিস্থিতিতে রাস্পবেরি কেবল তাদের জন্য সেরা নয়, এটি রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে। যদি কোনও ডায়াবেটিস রোগী রাস্পবেরি খান তবে দুর্দান্ত উপকার পাবেন। রাস্পবেরি ফল কমলা রঙের, যা দেখতে অনেকটা টমেটোর মতোই। একে কেউ কেউ কেপ গোল্ডেন বেরি, ইনকা বেরি, গ্রাউন্ড বেরি এবং রাস্পবেরি নামে ডেকে থাকেন। ডায়াবেটিস রোগীরা এটিকে স্বাস্থ্যকর প্রাতঃরাশ বা যে কোনও সময়ে খেতে পারেন। ডায়েটিশিয়ান অনুসারে চিকিত্সকরা ডায়াবেটিস রোগীদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল খেতে বলেন। এমন পরিস্থিতিতে রাস্পবেরি কোনও ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে সহজেই।
ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য কেন রাস্পবেরি ভালো রাস্পবেরির মতো সুস্বাদু ফল বছরের পর বছর ধরে খাওয়া হচ্ছে। এটি টক এবং মিষ্টি বলে অনেকেই এটি পছন্দ করেন না। তবে ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করা মানুষের পক্ষে এটি খুব উপকারী। এটি ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং খনিজে পূর্ণ। যা সুস্বাস্থ্যের সঙ্গে সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ করে। অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে এই ফল খেলে হৃদরোগের উন্নতি করে। একই সঙ্গে এটি টাইপ -২ ডায়াবেটিস রোগীদের বিশেষত উপকার করে। এছাড়াও, এই ফলটি ওজন হ্রাস, হৃদরোগ এবং আলঝাইমার রোগ হ্রাস করে, যা ডায়াবেটিসের সাধারণ জটিলতা।

ডায়াবিটিসে কেন উপকারী এই ফল
* উচ্চ ফাইবার হওয়ায় এটি ব্লাড সুগার, ইনসুলিন এবং লিপিডের উন্নতি করে।

* বেশ কয়েকটি স্তরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস রয়েছে, যা রাস্পবেরিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির সাথে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

* রাস্পবেরিতে ফ্রুকটোজ থাকে, যার জন্য ইনসুলিনের প্রয়োজন হয় না। অতএব, এই ফলটি ডায়াবিটিসের সঙ্গে গ্লুকোজ স্তর হ্রাস করতে সহায়তা করে।

* ডায়াবিটিসে রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হলে হৃদরোগ, স্নায়ুর ক্ষতি, কিডনি এবং চোখের ক্ষতির মতো আরও অনেক জটিলতার কারণ হতে পারে।

* এই ক্ষেত্রে, রাস্পবেরিতে পাওয়া ফাইবার এবং পুষ্টি রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ করে। এই কারণে রাস্পবেরি ডায়াবেটিসের সেরা ফল হিসাবে বিবেচিত হয়।

নিয়মিত রাস্পবেরি খাওয়ার অন্যান্য সুবিধা

* এতে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং জল কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখে।

* এটি নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

* প্রদাহ এবং লালভাবের চিকিত্সা করে ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

* ভিটামিন সি এবং ফলিক অ্যাসিড দ্বারা সমৃদ্ধ, এটি চুলের বৃদ্ধি প্রচারে সহায়তা করে।

* পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে রাস্পবেরিতে সর্দি এবং ফ্লুর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে।

* রাস্পবেরিতে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ যা আপনার দৃষ্টিশক্তির জন্য খুব উপকারী।

* হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন মানুষের জন্য রাস্পবেরি খুব কার্যকর বলে মনে করা হয়।

* এতে পেকটিন পাওয়া যায়, যার কারণে শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের পরিমাণ ঠিক থাকে।

* এর মধ্যে অনেক ফাইটোকেমিক্যালও পাওয়া যায় যা হৃদয়ের পক্ষে উপকারী।

কীভাবে রাস্পবেরি খাবেন

বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন কমপক্ষে কমপক্ষে দুটি রাস্পবেরি খাওয়া উচিত। এগুলি ছাড়া, রাস্পবেরিগুলিকে ২ কাপ জলে সিদ্ধ করুন, যতক্ষণ না এই জল অর্ধেক হয়ে যায়। প্রতিদিন সকালে এই জলটি পান করুন, ডায়াবিটিস থেকে মুক্তি পাবেন।

অর্জুন গাছের ছাল এর উপকারি দিক সমূহ১. অ্যাজমার ক্ষেত্রে কিন্তু অর্জুন গাছের ছাল অসাধারণ উপকার দেয়। আপনি যদি অর্জুন গাছের...
18/07/2022

অর্জুন গাছের ছাল এর উপকারি দিক সমূহ

১. অ্যাজমার ক্ষেত্রে কিন্তু অর্জুন গাছের ছাল অসাধারণ উপকার দেয়। আপনি যদি অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে দুধে মিশিয়ে খেতে পারেন নিয়মিত তাহলে এই অ্যাজমার সমস্যা অনেক কমে যাবে।

২. হৃদরোগ থেকে দূরে রাখে

অর্জুন গাছের ছাল কিন্তু হার্টের সমস্যার খুব ভালো কাজ দেয়। এটি কার্ডিয়াক মাসল শক্তিশালী করে। হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে। করোনারি হার্টের রোগ হতে দেয় না। অর্জুন গাছের ছাল সারা রাত জলে ভিজিয়ে পরের দিন বেটে দুধে মিশিয়ে খান। আর তা না হলে ছাল গুঁড়ো করে দুধে মিশিয়ে খেলেই হবে।

৩. ত্বকের পরিচর্যায়

আমরা জানিও না হয়তো, আমাদের ত্বকের জন্য এই অর্জুন গাছের ছাল কতটা উপকারী। এটি ভিতর থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, ত্বকের কোষ মজবুত করে। অর্জুন গাছের ছাল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগালে তা কমে যায়। আবার আপনি যদি এই ছালের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে মেচেতার দাগও কমে যায়। অর্জুন গাছের ছাল ফেস প্যাক হিসেবে অনেকে নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন।

৪. ক্ষত হলে ব্যবহার করা যায়

অনেক সময়ে আমাদের খোস পাঁচড়া হয়ে থাকে। আর কিছুতেই এগুলি কমতে চায় না। তখন অর্জুন গাছের ছাল ব্যবহার করুন। অর্জুন গাছের ছাল রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন। এই জল দিয়ে পরের দিন জায়গাটা ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো জলে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ওই জায়গায় লাগান। ১৫ মিনিট রেখে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। এতে উপকার পাবেনই।. আমাশয় মুক্তি দেয়

আমাশয় হলে আমরা খুবই কষ্ট পাই। পেট সব সময়ে ভার হয়ে থাকে আর নাভির কাছে যন্ত্রণা করে। কিছুই খেতে ইচ্ছে হয় না। আমাশয় হলে আপনি অর্জুন গাছের ছালের ক্কাথ ছাগলের দুধে মিশিয়ে খান। এতে আমাশয়ের সমস্যা কমে যাবে।

৬. হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে

আমাদের বাঙালিদের প্রধান সমস্যা কিন্তু এটিই। আর এই হজমের সমস্যা থেকেই গ্যাস, অম্বল আরও কত কী! কিন্তু অনেক ওষুধ খেয়েও এই সমস্যা কমে না। এবার অর্জুন গাছের ছালে বিশ্বাস রেখে দেখুন। রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে হাল্কা গরম জলে অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটি রোজ রাতে খান নিয়ম করে। এতে আপনার হজম ক্ষমতা বাড়বে।

৭. মাড়ির সমস্যা হয় না

মাড়ি থেকে রক্ত পড়া খুব সাধারণ সমস্যা। অনেক সময়ে মাড়ি ফুলে যায়, লাল হয়ে যায়। তখন খুব ব্যথা করে। অর্জুন গাছের ছালে আছে ট্যানিন। তাই এই ছাল মাড়ির সমস্যা থেকেও আপনাকে মুক্তি দেবে। অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মাজনের মতো ব্যবহার করুন রোজ সকালে। তাহলেই উপকার পাবেন।

৮. বুক ধড়ফড় করলে

অনেক সময়েই আমাদের বুক ধড়ফড় করে। দূর থেকে হেঁটে আসলে বা খুব চিন্তায় পড়ে গেলে আমাদের বুক ধড়ফড় হয়। সেই সময়েও আমাদের সাহায্য করতে পারে অর্জুনের ছাল। ছাল শুকিয়ে নিয়ে দুধের সঙ্গে মিলিয়ে রোজ বিকেলে খান। তবে একটু ঠাণ্ডা করে খাবেন। এতে এই সমস্যা কমবে।

৯. যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়

বিবাহিত দম্পতিদের ক্ষেত্রে যৌন উদ্দীপনার অভাব কিন্তু একটি গুরুতর সমস্যা। অনেক সময়ে অনেক টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা করতে হয় এর। কিন্তু জানেন কী, অর্জুন গাছের ছাল এই সমস্যা থেকেও রেহাই দেয়! এই ছালে আছে স্যাপোনিন, যা যৌন ক্ষমতা বাড়ায়। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্র কম থাকলে অর্জুনের ছাল গুঁড়ো করে তা গরম জলে মিশিয়ে সেই জল ছেঁকে তার মধ্যে ১ চামচ শ্বেত চন্দন মিশিয়ে খান। এটি অসাধারণ কাজ দেয়।

১০. রক্তপিত্ত

অনেক সময়েই আমাদের রক্তপিত্ত হতে দেখা যায়। তখন আমরা খুবই ভয় পাই। কিন্তু এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। অনেক সময়ে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে এটি হতেই পারে। তখন অর্জুনের ছালই আপনাকে রেহাই দেবে। আগের দিন জলে এই ছাল ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই জল পরের দিন সকালে ছেঁকে খেয়ে নিন। রোজ সকালে খান এটি। আপনি উপকার পাবেনই।

১১. কাশি কমাতে অনেক সময়েই কারণ নেই, আমাদের খুব কাশি হতে শুরু করে। একে অনেক সময়ে ক্ষয় কাশিও বলা হয়। এর জন্যও সাহায্য নিন অর্জুন গাছের। অর্জুন গাছের ছাল বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর তা শুকিয়ে গুঁড়ো করে রেখে দিন। খুব কাশি হলে মধু বা মিছরির সঙ্গে খেয়ে নিন। আপনি এতে সহজেই উপকার পাবেন।

১২. লিভারের সমস্যায়

লিভার ভালো থাকা আমাদের শরীরের জন্য খুব দরকার। ডাক্তাররা বলেন, লিভার ভালো থাকলে নাকি অনেক সমস্যার সমাধান হয়। কিন্তু সেই লিভারও তো অনেক সময়ে ঠিক মতো কাজ করে না। তাই লিভার সুস্থ রাখতে অর্জুন গাছের ছাল ব্যবহার করুন। অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরের দিন সেই জল খেতে হবে। এটি লিভারসিরোসিসের টনিক হিসেবে কাজ করে।

১৩. ঋতুস্রাবের সমস্যায়

অনেক সময়েই মেয়েদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয়। আর তার ফলেই পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব এই সব হয়। আবার নিয়মিত ঋতুস্রাব হলেও এই সমস্যা যে হয় না তা নয়। আর এই ব্যথা কমানোর জন্য মেয়েরা সাধারণত কোনও ওষুধ খেতে চান না। তখন আপনি এই অর্জুন গাছের ছাল ব্যবহার করতে পারেন। হাল্কা গরম জলে অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়ে খেয়ে নিন যখন খুব ব্যথা হবে। খানিক পর দেখবেন ব্যথা অনেক কমে এসেছে।

১৪. ক্যানসার প্রতিরোধে

গবেষণা করে দেখা গেছে, অর্জুন গাছের ছালে আছে গ্যালিক অ্যাসিড আর লুটেনোনিন। এই দুটি উপাদান ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি কমায়। তাই যদি আপনি নিয়ম করে এই ছাল ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু ক্যানসারের থেকে দূরে থাকতে পারবেন। সপ্তাহে দু দিন শুধু শুতে যাওয়ার আগে দুধে অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মিশিয়ে খেয়ে নিন। এতে উপকার পাবেন।

১৫. হাড় মচকে গেলে

চলতে চলতে অসাবধানতা বশত আপনার পায়ে চোট লাগতে পারে। সেখান থেকে হাড় মচকে যাওয়া বা চিড় খাওয়া খুবই স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে অর্জুন গাছের ছাল বেটে তার সঙ্গে রসুন বাটা মিশিয়ে ওই ব্যথার জায়গার লাগিয়ে রাখুন। তার সঙ্গে রোজ রাতে অল্প দুধের সঙ্গে এই অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে খান। এটি সত্যি খুব ভালো কাজ দেবে।

সর্পগন্ধার গাছের উপকারিতাসর্পগন্ধার গাছের উপকারিতাসর্পগন্ধা আমাদের গ্রাম বাংলার অনেক পরিচিত একটি ভেষজ উদ্ভিদ। আমাদের দেশ...
18/07/2022

সর্পগন্ধার গাছের উপকারিতা
সর্পগন্ধার গাছের উপকারিতা
সর্পগন্ধা আমাদের গ্রাম বাংলার অনেক পরিচিত একটি ভেষজ উদ্ভিদ। আমাদের দেশের পার্ব্ত্য এলাকায় যেমন খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশে, তামাবিলের জঙ্গলে এবং রাঙামাটি, বান্দরবান এলাকায় কিছু কিছু দেখা যায়। এই গাছটি সাধারণত ঝোপ আকারের হয়ে থাকে। এর শিকড় ও পাতা ওষুধ ডিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সর্পগন্ধার উপকারিতা সর্ম্পকে।

সর্পগন্ধার উপকারিতা :

সর্পগন্ধা শিকড় রক্তচাপ কমায় , স্নায়ুচাপ কমায়, স্নয়ুতন্ত্র শিথিল করে অল্প পরিমাণ খেলে উত্তেজনা প্রশমিত হয় ও ঘুম ভাল হয়।


বিষধর সাপে কামড়ালে হৃদযন্ত্রে তীব্র বায়ুর চাপ সৃষ্টি হয় যার ফলে রক্তের তঞ্চন ক্রিয়া অসম্ভব বেড়ে যায় এবং একসময় হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সর্প্গন্ধা বায়ুচাপ দমন করে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।এর ফলে চিকিৎসকরা চিকিৎসা করার সময় পান।

বিভিন্ন প্রকার চর্ম্ রোগ নিরাময়েও এর ঔষধ কার্য্কর। বার্ধ্ক্যজনিত রোগও এটি ‍দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়োছে। যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে তারা রাতে ঘুমানোর আগে .২৫ গ্রাম সর্পগন্ধার শিকড়ের গুড়া খেতে হবে।


সর্পগন্ধা পাতার নির্যাস চোখের ছানি কাটাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি যে কোন বিষাক্ত পদার্থ্ কিংবা যে কোন ধরনের বিষক্রিয়া থেকে রক্ষায় সর্পগন্ধা গাছের এ্যালকোলয়েড সমূহ এন্টিডোট হিসেবে কাজ করে।

বিভিন্ন সরীসৃপ বা পোকামাকড় কামড়ালে ক্ষত ও জ্বালা পোড়া থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রতিষেধক হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়।

জ্বর , ঠান্ডা কাশি প্রতিষেধক হিসেবে সর্পগন্ধা ব্যবহার করা হয়। দৈনিক দূবলতা ও মানসিক অবসাদ জনিত রোগেও এর মূলের চুর্ণ্ ব্যবহৃত হয়।

রোগ নিরাময় ও সুস্বাস্থ্যের জন্য তুলসি পাতার ব্যবহারতুলসি পাতার রয়েছে বহু গুণ। এ ভেষজ উপাদানটি ঠাণ্ডা প্রতিরোধে অনেকে সেব...
16/07/2022

রোগ নিরাময় ও সুস্বাস্থ্যের জন্য তুলসি পাতার ব্যবহার

তুলসি পাতার রয়েছে বহু গুণ। এ ভেষজ উপাদানটি ঠাণ্ডা প্রতিরোধে অনেকে সেবন করলেও অন্যান্য গুণগুলো অনেকেরই জানা নেই। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু গুণের কথা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খান ৷

২. জ্বর হলে পানির মধ্যে তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে ভাল করে সেদ্ধ করুন ৷ অথবা তিনটি দ্রব্য মিশিয়ে বড়ি তৈরি করুন ৷ দিনের মধ্যে তিন-চার বার ঐ বড়িটা জলের সঙ্গে খান৷ জ্বর খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে ৷

৩. কাশি যদি না কমে সেই ক্ষেত্রে তুলসী পাতা এবং আদা পিষে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খান৷ এতে উপকার পাবেন৷

৪. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪/৫ বার তুলসী পাতা চেবান৷

৫. ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান কমে যাবে৷

৬. শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান এতে জ্বালা কমবে৷ পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে৷ সেখানে কোন দাগ থাকবে না৷

৭. ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য এছাড়া ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান৷

৮. চর্মরোগে তুলসী পাতা দূর্বাঘাসের ডগার সংগে বেটে মাখলে ভালো হয়ে যায়।

৯. ডায়রিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে রস খেয়ে ফেলুন।

১০. শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে যাবে।

১১. যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে, তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

১২. সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস পান করলে খাবার রুচী বাড়ে।

১৩. নিয়মিত তুলসীর রস পানে হৃদরোগেও উপকার পাওয়া যায়।

১৪. চোখের সমস্যা দূর করতে রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

১৫. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ৷

১৬. ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷

১৭. ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷

১৮. বুদ্ধি এবং স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান ৷

১৯. প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ৷ উপকার পাবেন ৷

২০. ত্বকের সমস্যা দূর করতে তিল তেলের মধ্যে তুলসী পাতা ফেলে হালকা গরম করে ত্বকে লাগান ৷

২১. তুলসী মূল শুক্র গাঢ় কারক। তুলসী পাতার ক্বাথ, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী পান করলে ধাতুপুষ্টি সাধিত হয় যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।

২২. কোনো কারনে রক্ত দূষিত হলে কাল তুলসিপাতার রস কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। শ্লেষ্মার জন্য নাক বন্ধ হয়ে কোনো গন্ধ পাওয়া না গেলে সে সময় শুষ্ক পাতা চূর্ণের নস্যি নিলে সেরে যায়। পাতাচূর্ণ দুই আঙ্গুলের চিমটি দিয়ে ধরে নাক দিয়ে টানতে হয়।

২৩. তুলসী পাতা দিয়ে চায়ের মত করে খেলে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা যায়। তুলসী চা হিসাবে এটি বেশ জনপ্রিয়।

২৪. তুলসি পাতার রসে লবণ মিশিয়ে দাদে লাগালে উপশম হয়।

২৫. তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়। এছাড়াও তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ।

২৬. মুখে বসন্তের কাল দাগে তুলসীর রস মাখলে ঐ দাগ মিলিয়ে যায়। হামের পর যে সব শিশুর শরীরে কালো দাগ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তুলসী পাতার রস মাখলে গায়ে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।

জীবনটা তেজপাতা নয়, হোক তেজপাতাময়  কোনো কারণে চাপে থাকলে আমরা প্রায়ই বলি জীবনটা তেজপাতা হয়ে গেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্...
15/07/2022

জীবনটা তেজপাতা নয়, হোক তেজপাতাময়

কোনো কারণে চাপে থাকলে আমরা প্রায়ই বলি জীবনটা তেজপাতা হয়ে গেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই তেজপাতা কিন্তু মানসিক চাপ কমায়। শুধু মানসিক চাপই নয়, আরও অনেক ক্ষেত্রেই উপকারী রান্নার এই সুগন্ধি মশলা।

জেনে নিন উপকারিতা:

- খুশকি ও চুল পড়ে যাওয়া নিয়ে বিপাকে আছেন? চুলের যত্নে তেজপাতায় রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কয়েকটি তেজপাতা গরম পানিতে সেদ্ধ করুন।

কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা হতে দিন। এবার এ পানি দিয়ে চুল ও স্কাল্প ধুয়ে ফেলুন।

অবশ্যই শ্যাম্পু করার পর এটি করবেন।

- একটি প্যানে ২ কাপ পানিতে ৫টি শুকনো তেজপাতা নিয়ে ঢেকে জ্বাল দিন।

এরপর ঢাকনা খুলে ২ মিনিট জ্বাল দিয়ে একটি সসপ্যানে নামিয়ে নিন। একটি তোয়ালে দিয়ে মাথাসহ সসপ্যানটি ঢেকে ভাপ আপনার ত্বকে নিন। এভাবে মিনিট দশেক ভাপ নিলেই ব্রণ ও রিংকেল সমস্যা দূর হবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে দুই বার করুন।

- কোষ্ঠকাঠিন্য? তেজপাতা আপনার স্বাভাবিক হজমশক্তি ফিরিয়ে আনবে। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয়। অতিরিক্ত প্রস্রাবের সমস্যা কমায় ও হজম রস তৈরিতে এটি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

- তেজপাতায় রয়েছে রুটিন ও ক্যাফেক অ্যাসিড। এ উপাদানগুলো হার্টের দেয়ালকে মজবুত করে ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়।

- তেজপাতা প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি যেকোনো ধরনের মাথা ব্যথা, জয়েন্টের ব্যথা এমনকি বাতের ব্যথা উপশমে কার্যকরী।

- যদি দিনের শেষে আপনার মনমেজাজ ভালো না লাগে তাহলে এক কাপ তেজপাতার চা খেয়ে দেখতে পারেন। এটি স্নায়ু শান্ত করে ও উদ্বিগ্নতা কমায়।

থানকুনি পাতার যত উপকারিতাআয়ুর্বেদ শাস্ত্রে থানকুনি পাতা বেশ জনপ্রিয় হলেও আধুনিক জীবনে এটি অবহেলিত। এটি পেট এবং মস্তিষ্কে...
14/07/2022

থানকুনি পাতার যত উপকারিতা

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে থানকুনি পাতা বেশ জনপ্রিয় হলেও আধুনিক জীবনে এটি অবহেলিত। এটি পেট এবং মস্তিষ্কের বিকাশে ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কার্যকর। তবে উপকারিতার সাথে সাথে এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। জেনে নিন, থানকুনি পাতার উপকারিতা-

মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়: থানকুনি পাতা মস্তিষ্কের বিকাশের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত উপকারি। থানকুনি পাতা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। থানকুনি পাতা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, এতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। থানকুনি পাতা সেবনে ডিমেনশিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

অবসাদ এবং উদ্বেগ রোধে সহায়তা করে: থানকুনি পাতা মানসিক চাপ, বিষন্নতা, স্ট্রেস রোধের ক্ষেত্রে কার্যকরি। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান, যা স্ট্রেস লেভেল কমায় এবং নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত রাখে।

পেটের সমস্যা কমাতে পারে: পেটের রোগ নিরাময় করতে থানকুনি পাতা দুর্দান্ত কার্যকর। যেকোনও পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। পেটে আলসারের মতো রোগের প্রকোপ থেকেও স্বস্তি দিতে পারে। পেট খারাপ বা ডায়রিয়ার চিকিৎসাতেও এই পাতাটিকে কাজে লাগানো হয়ে থাকে।

স্ট্রেচ কমায়: থানকুনি পাতা স্ট্রেচ মার্ক কমাতে পারে। থানকুনি পাতায় পাওয়া টারপিনয়েড শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়। এটি নতুন করে স্ট্রেচ মার্ক তৈরি হতে বাধা দিতে পারে, সেইসাথে বিদ্যমান স্ট্রেচ মার্ক নিরাময়েও সাহায্য করতে পারে।

অনিদ্রার সমস্যা দূর করে: রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করুন। থানকুনি পাতাতে একাধিক অ্যান্টিঅক্সিডান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে, যা স্ট্রেস লেভেল কমাতে সহায়তা করে। এর সাথে স্নায়ুতন্ত্রকেও নিয়ন্ত্রণ করে, যার ফলে সহজেই অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়।

শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে: থানকুনি পাতা লিভার এবং কিডনির টক্সিনগুলির উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। থানকুনি পাতার বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থানকুনি পাতা শরীরের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি।

থানকুনি পাতার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: থানকুনি পাতার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। যেমন-তন্দ্রাচ্ছন্নভাব, মাথা ঘোরানো, বমি ভাব, ত্বকের সমস্যার সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি। এছাড়া গর্ভবতী মহিলা, স্তন্যদানকারী মা, দুধের শিশু, লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি এবং অস্ত্রোপচার হবে কিংবা সদ্য অস্ত্রোপচার হয়েছে, এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে থানকুনি পাতার ব্যবহার নিষিদ্ধ। তবে ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং ঘুম বা উদ্বেগের জন্য ওষুধ সেবন করছেন, এমন ব্যক্তিরা অবশ্যই আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর থানকুনি পাতা ব্যবহার করবেন।

অ্যালোভেরা জুসের বিস্ময়কর কিছু উপকারিতা !!!প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পর...
13/07/2022

অ্যালোভেরা জুসের বিস্ময়কর কিছু উপকারিতা !!!
প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। রাস্তাঘাটে কিংবা বাজারে অহরহ পাওয়া যাচ্ছে অ্যালোভেরা। এটি রস হিসেবে খাওয়া যায় আবার ত্বকের প্রদাহে প্রতিষেধক হিসেবেও লাগানো যায়।

ত্বক বা চুলের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা অতি পরিচিত নাম। অ্যালোভেরার বাংলা নাম ঘৃতকুমারী (বৈজ্ঞানিক নাম: Aloe vera), (ইংরেজি: Medicinal aloe, Burn plant)। তবে সারাবিশ্বের মানুষ একে অ্যালোভেরা হিসাবেই চিনে। এটি এলো পরিবারের একটি উদ্ভিদ। ঘৃতকুমারী গাছটা দেখতে অনেকটাই কাঁটাওয়ালা ফণীমনসা বা ক্যাকটাসের মতো। অ্যালোভেরা ক্যাক্টাসের মত দেখতে হলেও, ক্যাক্টাস নয়। লিলি প্রজাতির উদ্ভিদ। এদের ভেষজ গুণ আছে। এর আদি নিবাস আফ্রিকার মরুভূমি অঞ্চল ও মাদাগাস্কার। অ্যালোভেরা আজ থেকে 6000 বছর আগে মিশরে উৎপত্তি লাভ করে। ভেষজ চিকিৎসা শাস্ত্রে এলোভেরার ব্যবহার পাওয়া যায় সেই খৃীষ্টপূর্ব যুগ থেকেই। তখন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এলোভেরার অনেক গুণের কথা আবিষ্কৃত হয়েছে। এটি একটি কাণ্ডবিহীন রসাল এবং শাসযুক্ত গাছ। এই গাছটি গড়ে ৬০-১০০ সেমি লম্বা হয়। পাতা ১০-২০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাতার দুইপাশে কাঁটা থাকে এবং পাতা দেখতে অনেকটা চ্যাপ্টা আকৃতির। এই গাছের ফুলও অনেক দর্শণীয়। অ্যালোভেরার আদি বাস উওর-আফ্রিকা এবং কেনারিদিপুঞ্জে। ক্যারলিনিয়াস সর্বপ্রথম অ্যালোভেরার নামকরন করেন। বহু বছর ধরে মানুষ অ্যালোভেরাকে ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

অ্যালোভেরার পাতার মধ্য যে স্বচ্ছ জেলির মত বস্তু পাওয়া যাই তাকে আমরা জেল বলে জানি। পাতার ঠিক নিচেই থাকে হলুদ রং এর ল্যাটিস এবং তার নিচেই এই জেল পাওয়া যায়। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬, বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায়ও ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরার জুস পান করে থাকেন। অ্যালোভেরায় রয়েছে অসংখ্য বিস্ময়কর উপকারিতা যার মধ্যে কয়েকটি আমি এখানে দেখাব।

আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো কি কি ?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে অ্যালোভেরা

আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্তর করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। দাঁতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৪। ওজন হ্রাস করতে অ্যালোভেরা

ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

৫। হজমশক্তি বাড়াতে অ্যালোভেরা

হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে। অ্যালোভেরা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধেও অনেক ভাল কাজ করে।

৬। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। সুতরাং খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন তাহলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

৭। ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা

ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। অ্যালোভেরার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

৮। রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান করে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৯। মুখের দূরগন্ধ দূর করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরায় আছে ভিটামিন-সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। গবেষণাই দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরার জেল মাউথ ওয়াশ এর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

১০। চুল সুন্দর করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার গুনাগুন বলে শেষ করা যাই না, মাথায় খুশকি দূর করতে এর কোন তুলনা নেই। এমনকি ঝলমল চুলের জন্যেও অ্যালোভেরা অনেক উপকারী। সুতরাং চুলের যত্নে অ্যালোভেরা আপনার নিত্যসংগী।

১১। মুখের ঘা সারাতে অ্যালোভেরা

অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকারী। ঘায়ের জায়গায় এলভেরার জেল লাগিয়ে দিলে মুখের ঘা ভাল হয়।

১২। ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা

গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো থেকে রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১৩। রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার অনেক গুনাগুনের মধ্যে আর একটি হল রক্তচাপ কমাতে এর কোন তুলনা নেই। অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।

১৪। ক্ষতিকারক পদার্থ অপসারণ করতে অ্যালোভেরা

কিছু ক্ষতিকর পদার্থ দেহের মধ্যে প্রবেশ করে নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি করতে পারে। ফলে তা দেহের জন্য মোটেও ভাল কিছু নয়।এই সকল ক্ষতিকর পদার্থ দেহ থেকে অপসারণ প্রয়োজন। অ্যালোভেরার রস পান করলে দেহের ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করতে পারে না। আর যদি প্রবেশ করেও ফেলে, তাহলেও অ্যালোভেরার জুস পানে তা অপসারণ হতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার জুসের গুন অপরিসীম।

১৫। চর্মরোগ ও ক্ষত সারাতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ঔষধিরও কাজ করে থাকে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এই অ্যালোভেরার জুসে। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় এই অ্যালোভেরা।

১৬। ক্লান্তি দূর করতে অ্যালোভেরা

দেহের দুর্বলতা দূর করতে অ্যালোভেরার জুসের গুন অনেক। আপনি যদি অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত পান করেন তাহলে দেহের ক্লান্তি দূর হবে এবং দেহকে সতেজ ও সুন্দর রাখবে।

১৭। কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার জুসের মধ্যে যে জেল থাকে তার অনেক গুন। এই জেল নিয়মিত পানে পেটের সমস্যা দূর হবে। আর যদি সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করেন তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হওয়া সম্ভব। এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে প্রায় ২০ রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা ইনফ্লামেশন এবং ব্যাকটেরিয়া রোধ করে হজম, বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে থাকে।

অ্যালোভেরার অসংখ্য উপকারিতার মধ্য আমি এখানে মাত্র কয়েকটি উল্লেখ করেছি। আমি আশা করি, যদি অ্যালোভেরা নিয়মিত আপনি ব্যবহার করেন তাহলে অনেক রোগ-বালাই থেকে আপনি খুব সহজে দূরে থাকতে পারবেন।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন
12/07/2022

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন

কাঁচা হলুদের উপকারিতাঃ-প্রাচীনকাল থেকেই হলুদের ব্যবহার বহুলতা। রান্নার ক্ষেত্রেই হোক বা রূপচর্চা, এর জুড়ি মেলা ভার। কিন...
12/07/2022

কাঁচা হলুদের উপকারিতাঃ-

প্রাচীনকাল থেকেই হলুদের ব্যবহার বহুলতা। রান্নার ক্ষেত্রেই হোক বা রূপচর্চা, এর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু জানেন কি হলুদ ওষুধ হিসেবেও দারুণ কাজ করে। কাঁচা হলুদ বহু রোগ থেকে আপনাকে দূরে রাখবে, যদি সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে মধুর সঙ্গে একটু কাঁচা হলুদ খেতে পারেন, তাহলে কিছুদিন পরে নিজেই এর সুফল টের পাবেন। নিচে রইল কাঁচা হলুদের গুণাগুণের কিছু নমুনা-

১) আপনার কি ক্রমশই ওজন বাড়ছে। হলুদ কিন্তু বাড়তি মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। হলুদের মধ্যে থাকা রাসায়নিক পদার্থ কারকিউমিন, শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায়। এবং শরীরের কলাগুলোকে বাড়তে দেয় না।

২) কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সর মিশিয়ে, সেই মিশ্রণ মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে বলিরেখা দূর করতে তা সাহায্য করতে পারে।

৩) কাঁচা হলুদ ও শুকনো কমলার খোসা একসঙ্গে বেটে সেই মিশ্রণ স্ক্রাবার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। প্রাকৃতিক উপায়ে তক্বের জেল্লা ফেরাতে পারে এই স্ক্রাবার।

৪) হলুদের মধ্যে ফিনোলিক যৌগিক কারকিউমিন রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৫) যাঁরা ব্রণর সমস্যায় ভুগছেন তাদের কাছে কাঁচা হলুদ দারুণ উপকারী একটি জিনিস। কাঁচা হলুদ বাটা, আঙ্গুরের রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রনের উপরে লাগান। একটু পরে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ মিলিয়ে যাবে এবং এতে ইনফেকশনেরও ভয় থাকবে না।

৬) সূর্যের তাপে ত্বকে ট্যান এসেছে। তাহলে কাঁচা হলুদ বাটার মধ্যে দই মিশিয়ে লাগান। পোড়া ভাব দূর হয়ে যাবে।

৭) সর্দি-কাশি হলে হলুদ এক অব্যর্থ ওষুধ৷ কাশি কমাতে হলে এক টুকরো কাঁচা হলুদ মুখে রাখুন। এছাড়া এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে হলুদের গুঁড়ো এবং গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়েও পান করতে পারেন। দেখবে খুব তাড়াতাড়ি আরাম পাবেন।

৮) গা-হাত পা-এ ব্যথা হলে দুধের মধ্যে একটু হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টের ব্যথা হলে হলুদের পেস্ট তৈরি করে প্রলেপ দিতে পারেন। দেখবেন আরাম পাবেন।

৯) আয়ুর্বেদিক মতে, হলুদ নাকি রক্ত শুদ্ধ করে। তাই হলুদের ফুলের পেস্ট চর্ম রোগ দূর করতে সাহায্য করে বলে শোনা যায়।

আমাদের দেশে বিভিন্ন উপাদেয় খাবার তৈরিতে কিশমিশ ব্যবহৃত হয়।তবে খুব বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় না মহাগুণধর এই পণ্যটিকে।কিশমিশ নি...
11/07/2022

আমাদের দেশে বিভিন্ন উপাদেয় খাবার তৈরিতে কিশমিশ ব্যবহৃত হয়।তবে খুব বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় না মহাগুণধর এই পণ্যটিকে।কিশমিশ নিয়ে আবার অনেকের ভুল ধারণাও রয়েছে। অথচ এটি আমাদরে শরীরের জন্য খুবই উপকারি উপাদান। তাই প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আসুন জেনে নেই কিশমিশের গুণাগুণ।তবে ডা য়াবেটিস রোগীদের জন্য কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস না করাই ভালো।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে

কিশমিশে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। বোরন মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে কার্যকর একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ থেকে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া সম্ভব।

উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চ রক্ত চাপে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত থেকে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

কোলেস্টেরল কমায়

কিশমিশে খারাপ কোলেস্টোরল রয়েছে ০%। এছাড়া কিশমিশের স্যলুবল ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে কোলেস্টেরল সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১ কাপ কিশমিশ থেকে প্রায় ৪ গ্রাম পরিমাণে স্যলুবল ফাইবার পাওয়া যায়।

চোখের সুরক্ষা করে

প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।

অ্যাসিডিটি দূর করে

কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড যা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে পারে। এছাড়াও কিশমিশের টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে।

রক্তস্বল্পতা দূর করে

আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রনের অভাবের কারণে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম আয়রন যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম।

দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা করে

অনেকে ভাবতে পারেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু চিনির পাশাপাশি কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যা মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা দেয় এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধে কাজ করে।

সুস্বাস্থ্যের জন্য খেজুরের অবদান অনস্বীকার্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উৎপাদিত এই ফল এশিয়ার দেশগুলোতে ফলন তেমন একটা নেই ব...
10/07/2022

সুস্বাস্থ্যের জন্য খেজুরের অবদান অনস্বীকার্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উৎপাদিত এই ফল এশিয়ার দেশগুলোতে ফলন তেমন একটা নেই বললেই চলে। ভিটামিনস, মিনারেল, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সুগার, প্রোটিনে সমৃদ্ধ খেজুর।

খেজুর খেলে শরীর থাকবে ফিট সবসময়। মুক্তি মিলবে হাজারো রোগ থেকে। আজকের লেখায় থাকছে খেজুরের উপকারিতা ও খাওয়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত।

খেজুরের উপকারিতাঃ

খেজুরে সোডিয়াম পরিমাণ সামান্য কিন্তু পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং দেহে খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়।

যেহেতু খেজুর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে, সেহেতু এটি হৃৎপিন্ডের কর্মক্ষমতা এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে হার্টের সমস্যা সচরাচর হয় না। আবার এতে বিদ্যমান পটাশিয়াম স্ট্রোকের সম্ভাবনা প্রায় ৪০% কমায়।

শিশুদের খাবারে অরুচির প্রতিকার করতে নিয়মিত খেজুর খাওয়ানো যায়। তাছাড়া এর সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবার এবং অ্যামিনো অ্যাসিডস হজমশক্তি বাড়ায়। তাই খাবার দ্রুত হজম হয় আর কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে থাকে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য খেজুর খেলে সাথে প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে হবে।

বলা হয়ে থাকে যে খেজুর শরীরের মোট আয়রন চাহিদার ১১ ভাগই পূরণ করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি দুধ থেকেও পাওয়া যায় যথেষ্ট আয়রন। দুধ আর খেজুর একসাথে খেলে শরীরে আয়রনের চাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি রক্তে হিমোগ্লোবিন ও প্রোটিনের মাত্রাও বৃদ্ধি পাবে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য ও ফাইবারের কারণে খেজুর ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ইনসুলিন উৎপাদনের মাধ্যমে অগ্ন্যাশয়ের কার্যকারিতা উন্নত করে।

লিউটেন, জিক্সাথিন, এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খেজুর রেটিনা ভালো রাখে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।

খেজুরে থাকা ক্যারোটিনয়েডস, পলিফেনলস, এবং অ্যান্থোসায়ানিনস পেটের আলসার, ক্যান্সার, এবং অন্যান্য ক্রনিক ডিজিজ প্রতিরোধ করে।

শরীরে বিভিন্ন জটিল ও প্রাণঘাতী রোগ যাতে বাসা বাঁধতে না পারে সেটাও খেয়াল রাখে খেজুর। এটি আলজেইমার্স ও অন্যান্য ব্রেইন ডিজিজ, ওবেসিটি, এবং কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ নিরাময় করতে পারে।

খেজুরের অন্যান্য উপকারিতাঃ

খেজুরে আছে ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, এবং অ্যান্টি এজিং বৈশিষ্ট্য। এগুলো ত্বক শিথিল হওয়া রোধ করে এবং দেহের মেলানিনের সংগ্রহ করা আটকায়। ফলে চেহারায় বয়সের ছাপ সহজে পড়ে না, তারুণ্য বজায় থাকে বহুদিন। পুরুষের কঠিন ত্বককে মোলায়েম এবং উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে খেজুর।

বন্ধ্যাত্ব সমস্যার প্রতিরোধক হিসেবে আফ্রিকার লোকজন খেজুর সেবন করে থাকেন। খেজুর ও খেজুর ফুলের পরাগরেণু বন্ধ্যাত্ব দূর করে, শুক্রাণু বৃদ্ধি করে, এবং অন্ডকোষের শক্তি বাড়ায়। তাছাড়া খেজুরে বিদ্যমান এস্ট্রাডিওল এবং ফ্ল্যাভোনয়েডস বীর্যের গুণগত মান উন্নত করে।

খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান চুল ও ত্বকের সুস্থ ও সুন্দর রাখে।

খেজুরের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনস হাড় মজবুত করে এবং মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে। আবার শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে খেজুর।

খেজুর খাওয়ার সঠিক নিয়মঃ

প্রতিদিন সকালবেলা খেজুর খাবেন। এতে সারাদিনের জন্য শক্তি দেহে সঞ্চিত থাকবে।

খেজুর শুকনা খাওয়ার চাইতে ভিজিয়ে খাওয়া উচিত। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস জলে কয়েকটা খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে সেই জল সহ খেজুর খান। এটা হার্টের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করবে।

দুধ ফোটানোর সময়ে দুইটি করে খেজুর দিয়ে দেবেন। তারপর খালি পেটে একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে এই দুধ খাবেন। স্বাস্থ্যকর এই খাবারটি টানা ১০ দিন খেলে রক্তস্বল্পতা, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি দূর হবে। খেজুর মেশানো হালকা গরম দুধ রাতে ঘুমের আগে খেলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে।

কাজের চাপে শরীর দুর্বল হয়ে আসলে একটি বা দুইটি খেজুর খাওয়া যেতে পারে। তাতে পুরনো এনার্জি ফিরে আসবে।

জিমে ওয়ার্কআউট করলে শরীর থেকে ঘামের সাথে প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো বেরিয়ে যায়। তাই ওয়ার্কআউটের সময়ে শরীর চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করবে খেজুর। ওয়ার্কআউটের অন্তত ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা আগে দুই-চারটি খেজুর খাবেন। এতে কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে নিঃসৃত হবে, ফলে সহজে ক্লান্তিবোধ হবে না। আবার পেট থেকে দূষিত পদার্থও বের হয়ে যাবে।

হুট করে সুগার লো হয়ে শরীরে জটিলতা দেখা দিলে চিনির বদলে খেজুর খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে খেজুর ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে নিয়মিত চিনি খেলে সুগার বাড়ার যে ঝুঁকিটা থাকবে, নিয়মিত খেজুর খেলে সেটা হবে না। তবে ডায়বেটিসের সমস্যা থাকলে খেজুর খেতে হবে সতর্কতার সাথে। তখন দৈনিক একটি বা দুইটির বেশি শুকনা খেজুর খাওয়া উচিত না।

ওজনহীনতার সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা প্রতিদিন চার-পাঁচটি খেজুর খাবেন। এতে থাকা শর্করা, প্রোটিন, এবং ভিটামিন ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে। খেজুর আর শসা একসাথে খেতে পারলে আরো উপকার পাবেন।

Address

Chittagong

Telephone

+8801318899060

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural Herbs MST posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share