এস. আর. হোমিও ফার্মেসি

এস. আর. হোমিও ফার্মেসি একটি নির্ভরযোগ্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসালয়

03/05/2026

চোখের এলার্জি চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি।
ডা: মুহা: সহিদুল ইসলাম।

#এলার্জি শব্দটির সাথে আমরা সবাই মোটামুটি ভাবে পরিচিত। প্রত্যেক মানুষের শরীরে একটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি থাকে। এই ইমিউনিটি শক্তির দুর্বলতার সুযোগে আমাদের শরীর পরিবেশের বিশেষ কিছু বস্তুর প্রতি অতি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ফলে এদের সংস্পর্শে আসা মাত্রই ব্যক্তির মধ্যে শুরু হয় হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, চুলকানি ইত্যাদি। ব্যক্তির মাঝে সৃষ্ট এই উপসর্গগুলোকে বলে এলার্জি।
#এলার্জির প্রকারভেদ:
চোখে সাধারণত দুই ধরনের এলার্জি দেখা যায়। যেমন:
১) সিজনাল, যা প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে দেখা যায়।
২) পেরিনিয়াল, যা সারা বছর ধরে ভোগায়।
#এলার্জির কারণ:
সাধারণত ঋতু পরিবর্তনের সময় বাতাসে উড়া সূক্ষ্ম ফুলের রেনু থেকে সিজনাল এলার্জি হয়। বাতাসের ধোঁয়া, ধুলাবালি, ঘরের জিনিসপত্রের ধুলো, আতর ও বিভিন্ন ধরনের পারফিউম এর উৎকট গন্ধ, পোষা জীবজন্তুর পশম ইত্যাদি থেকে পেরেনিয়াল এলার্জি হয়। চোখের এলার্জি হতে রেহাই পেতে হলে অবশ্যই এলার্জির উপরোক্ত কারণগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। গ্রামের পুকুরে গোসল এবং শহরে দীর্ঘদিন ধরে অপরিষ্কার থাকা ট্রাঙ্কের পানি দিয়ে গোসল করলে ও চোখের এলার্জি হতে পারে।
#এলার্জির লক্ষণ:
চোখের এলার্জির প্রধান লক্ষণ হল চুলকানি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ থেকে পানি পড়া, চোখের কোনায় ক্ষত সৃষ্টি হওয়া ইত্যাদি। কোনো কোনো রোগীর এর সাথে মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং সর্দিও দেখা যায়। চোখের চুলকানি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে কর্নিয়ার গঠনগত পরিবর্তন, কর্নিয়ার আলসার, এবং দৃষ্টিশক্তির সমস্যা ইত্যাদি মারাত্মক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
#এলার্জির চিকিৎসা:
প্রচলিত (এলোপ্যাথিক) চিকিৎসা ব্যবস্থায় এই রোগ সম্পূর্ণ সারিয়ে তোলার মতো কোনো ওষুধ নেই। তারা রোগীদের কিছু সাময়িক ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যেতে বলেন। তারা রোগীদেরকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন ৮-১০ বছর পর এই রোগ এমনিতে সেরে যাবে।
অথচ উপযুক্ত হোমিও ঔষধ চোখের এলার্জির অত্যন্ত দ্রুত ও সম্পূর্ণ নিরাময় করতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা হলো রোগীর মানসিক ও সার্বদৈহিক লক্ষণ সংগ্রহ করে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করতে পারলে এলার্জির সাথে সাথে রোগীর অন্য কোনো রোগ থাকলে সেটাও সেরে যায়। চোখের এলার্জির জন্য ব্যবহৃত সর্বাধিক প্রচলিত ঔষধ গুলো হল:
১) ইউপ্রেশিয়া ২) পালসেটিলা ৩) কেলি কার্ব ৩) নেট্রাম মিউর ৪) আর্জেন্ট নাইট্রিকাম ৫) আমব্রোগ্রাসিয়া ৬) কার্টিজোন ইত্যাদি।
অভিজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগীর শারীরিক লক্ষণের উপর ভিত্তি করে সঠিক ঔষধ সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করে রোগীকে দ্রুত সুস্থ করে তুলতে পারেন।

এস. আর. হোমিও ফার্মেসি
01818222624

01/05/2026

😰মাইগ্রেন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

🧑‍⚕️ড়াঃ মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম

মাথা আছে বলেই তো মাথাব্যথা। চিকিৎসকগণ মাথাব্যথার কারণ খুঁজতেই হতাশ। ইন্টারন্যাশনাল হেডেক সোসাইটি মাথা ব্যথার প্রায় ৩১৬ টি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসকগণ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন মাইগ্রেন চিকিৎসা করতে গিয়ে। সহজে ছাড়েও না , সহজে সারেও না। অথচ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় বহু রোগীর মাইগ্রেন সম্পূর্ণ সেরে যায়। তবে এক্ষেত্রে রোগী তার জীবন ইতিহাস চিকিৎসকের নিকট অত্যন্ত বিশ্বস্ত , নিরপেক্ষ ও নিখুঁত ভাবে তুলে ধরতে হবে।

😰মাইগ্রেন কী?

মাইগ্রেনের অপর নাম আধ কপালে অর্থাৎ আধ কপালে মাথা ব্যথা। রোগীর ঘনঘন মাথা ব্যথার সাথে বমি ভাব, আলো ও শব্দ অসহ্য, চোখে ঝাপসা দেখা, অরুচি ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়। মহিলাদের মাসিক শুরুর আগে মাথা ব্যথা, একটা জিনিস ডবল দেখা, মন খারাপ লাগা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়। মাথার যন্ত্রণায় অনেক সময় রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে বা শরীরের কোন অঙ্গ অবশ হয়ে পড়তে পারে।

😰মাইগ্রেনের কারণ:

মাইগ্রেনের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে দেখা গেছে যে মেয়েরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। এদের ৬০% আবার মাসিকের সময়। মানুষের মস্তিষ্কে ম্যাগনেসিয়াম সেরাটানিন এবং গ্লুটামেন্ট নামক রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এদের কাজ হল মস্তিষ্কের রক্তনালীর সংকোচন প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করা। এদের পরিমাণ কম বা বেশি হলে মস্তিষ্কে ব্যথা সৃষ্টিকারী নানা পেপটাইড যৌগ তৈরি হয়। ফলে দপদপানি মাথাব্যথা শুরু হয়।

🩺চিকিৎসা:

মাইগ্রেনের কারণ নিয়ে যেহেতু এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে, সেই কারণেই মাইগ্রেন চিকিৎসায় (এলোপ্যাথিক) পদ্ধতি এখনো অনেকটা অসহায়। ব্যথা নিরোধক বিভিন্ন ওষুধ দিয়ে রোগটিকে খানিকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলেও সম্পূর্ণ আরোগ্য অনেক ক্ষেত্রে অধরা রয়ে গেছে। হোমিওপ্যাথিতে রোগীর সমস্যার ধরন, তার আশা আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, চাহিদা, ঘুম, ঘাম, খাদ্য অভ্যাস, মাথা ব্যথার সময় ইত্যাদি বিষয়ে জেনে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করে সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করতে পারলে রোগী সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে। এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির নিম্নলিখিত ঔষধ গুলি অত্যন্ত সফলতার সাথে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন: মেডোরিনাম, সালফার, নেট্রাম মিউর, নেট্রাম কার্ব , পালসেটিলা, সিরিয়া, ল্যাক কেনিনাম, এপিফেগাস, বেলেডোনা, উসনিয়া বারবাটা, আইরিশ ভার্স ইত্যাদি।

এস আর হোমিও
01818222624

26/04/2026

🫩 #ডিপ্রেশন_চিকিৎসায়_হোমিওপ্যাথি:
🧑‍⚕️ #ডাঃ_মোহাম্মদ_সহিদুল_ইসলাম।

মানসিক রোগ গুলোর মধ্যে প্রায় শীর্ষস্থানে রয়েছে ডিপ্রেশন বা অবসাদ। বর্তমান সময়ে হৃদরোগের পরেই ডিপ্রেশন সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী রোগ হিসেবে স্থান করে নিচ্ছে। বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। এই রোগের শেষ পরিণতি আত্মহত্যা। কিন্তু মজার বিষয় হল যে আমরা অনেকেই এটিকে রোগ হিসেবে মনে করি না।

🫩 #ডিপ্রেশন_কেন_হয়?

মূলত দুটি কারণে মানুষ ডিপ্রেশনের শিকার হয়।
(১) জৈবিক কারণ
(২) পরিবেশগত কারণ।

(১) জৈবিক কারণ:
ক) শরীরের সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের ঘাটতি।
খ) থাইরয়েড এফ এস এইচ হরমোন কমে যাওয়া।

(২) পরিবেশগত কারণ:
রোগীর পারিবারিক, আর্থিক বা সামাজিক পরিস্থিতি
যেমন: বাবা মা বা বড়দের দ্বারা বাচ্চাদের নিয়মিত বকাঝকা করা, বৈবাহিক জীবনে অশান্তি, স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর পর একাকীত্ব, অর্থহানি, শ্রবণ ও দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া, ছোটদের থেকে উপযুক্ত সম্মান না পাওয়া, শিশুদের বিদ্যালয়ে মাত্রাতিরিক্ত পড়ার চাপ। সর্বোপরি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এলোপ্যাথিক ঔষধ ও অ্যান্টিবায়োটিক সেবন ইত্যাদি।

#কিভাবে_বুঝবেন_রোগী_ডিপ্রেশনের_শিকার?

১) রোগী সার্বক্ষণিক কিছু না কিছু চিন্তায় মগ্ন থাকা।
২) রোগীর মন: সংযোগের অভাব থাকা।
৩) মুখে শুষ্কতা, বিস্বাদ ভাব, বুক ধড়ফর করা, অতিরিক্ত ঘাম ও কোষ্ঠকাঠিন্য ভাব।
৪) ঘুম কম হওয়া, ঘুম ভাঙার পর ক্লান্তি বোধ, আরো শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করা।
৫) নিজেকে যেকোনো কাজের অযোগ্য ভাবা, কাজে উৎসাহ না পাওয়া।
৬) জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা ভাব, আত্মহত্যার কথা চিন্তা করা। আত্মহত্যার চেষ্টা করা হলো ডিপ্রেশনের চূড়ান্ত ও সবচেয়ে সংকটজনক পরিস্থিতি।

#ডিপ্রেশন_থেকে_বাঁচার_উপায়:

হোমিওপ্যাথি রোগের নয় রোগীর চিকিৎসা করে। আমাদের মানব দেহ একটি মেশিন (living machine)। মন যেহেতু জীবন্ত দেহের সাথে ওতোপ্রোত ভাবে জড়িত। তাই ডিপ্রেশন এর মত মানসিক রোগের চিকিৎসা ও শরীরের অন্যান্য রোগের মত সার্বদৈহিক ও মানসিক লক্ষণ নিয়ে করতে হবে। এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির নিম্নলিখিত ঔষধ গুলি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন: লিলিয়াম ট্রিগ, সিপিয়া, ইগনেশিয়া, নেট্রাম মিউর, ওরাম মেটালিকাম, নেট্রাম সল্ফ, এন্টিম ক্রুড , এমন কার্ব, ইস্কুলেস হিপ, সিমিসিফিউগা, হ্যালোনিয়স ইত্যাদি।
যথাযথ লক্ষণ সংগ্রহ করে উপযুক্ত ঔষধ নির্বাচন ও প্রয়োগের মাধ্যমে রোগী ডিপ্রেশনের কালো মেঘ কাটিয়ে পুনরায় আলোক উজ্জ্বল জীবন ফিরে পেতে পারে।

োমিও
01818222624
সরাইপাড়া, চট্টগ্রাম।

27/05/2025

আমি নাক্স ভমিকা বলছিঃ

ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান আমাকে প্রুভিং করেছেন।
আজ আমি আপনাদের আমার সম্পর্কে বলছি কারন আমার সম্পর্কে না জেনে অনেকে আমাকে অপব্যবহার করেন।

আমি যখন জন্ম নেই তার কিছু সময় পর থেকেই মূলত আমার সমস্যা শুরু হয়,
এই ছোট্ট বাবু হয়েও আমার নাকটা বন্ধ হয়ে আছে নিশ্বাস নিতে পারছি না, নাভি থেকেও পাতলা পানির কিছু একটা মতো বের হচ্ছে আর কয়েকদিন পরে মনে হলো নাভিটা ফুলে যাচ্ছে (Umbilical hernia) আর এতো ব্যথা সহ্য করতেই পারছিনা।

কিছুদিনের মধ্যে মেজাজটাও খিটখিটে হয়ে গেছে, শান্ত থাকতে পারছি নাহ তবে কোলে চড়ে বেড়াইলে ভালো লাগে আমার। মাঝে মাঝে কারও স্পর্শ ভালো লাগে না। আর ইদানিং কেমন জানি বমি বমি লাগছে, খেতে পারছিনা কিছুই, মনেহয় যেন বমি করলেই আমার শান্তি হবে তাই গলায় আঙ্গুল দিয়ে বমি করার চেষ্টা করি।

এখন আমি বেশ বড় হয়ে গিয়েছি, রীতিমতো স্কুলে যাই। তবে আমি অনেক হিংসুটে হয়ে গিয়েছি কারো ভালো সহ্য করতে পারি না, এমনকি আমার ভাইবোনদের যদি আমার বাবা মা আমার থেকে বেশি আদর করে ওটাও আমার সহ্য হয় না।
স্কুলে ফাস্ট বয় আমি, পড়াশোনার প্রতি আলাদা নেশা হয়ে যাচ্ছে দিনদিন, হবেনা কেন আমি চাই না কেউ আমার থেকে ভালো করুক। সবার থেকে আমি উপরে থাকতে চাই। একবার হয়েছিলো কি জানেন!! আমি পরিক্ষায় ২য় হয়েছিলাম আর তাতেই আমার মেজাজ এতো খারাপ হয়েছিলো এবং ফাস্ট বয়কে অনেক প্রলোভন দেখিয়েছি, না মানাতে পরে ভয় দেখিয়ে তাকে বাধ্য করেছি যাতে পরেরবার আর ফাস্ট বয় না হয়। আরেকটা কথা আমি খুব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করি, এলোমেলো একদম অপছন্দ করি এজন্য বাসায় আমার কোন জিনিসপত্রে কেউ ভয়ে হাত দেয় না।

আমার HSC পরিক্ষা চলছে এজন্য রাত জেগে অনেক পড়তে হয়, এর মধ্যে কফি খাওয়ার প্রতি অনেক আকর্ষণ বেড়ে গেছে কারন কফি খেলে ভালকরে পড়তে পারি। আর তৈলাক্ত এবং মশলা জাতীয় খাবার তোহ আমার কাছে অমৃতের মতো।
যাইহোক ভালো রেজাল্ট করে ভর্তি হলাম ভার্সিটিতে, নতুন মানুষ নতুন বন্ধু আর নতুন জীবনের শুরু। হঠাৎ একদিন আমাদেরই ক্লাসের এক সুন্দরী মেয়ের প্রেমে পড়ে যাই। আপনারা তোহ জানেনই আমার যা চাই তা পেতেই হবে তাই ওই মেয়ের আশেপাশে কোন ছেলেকে দেখলে তাকে শায়েস্তা করি চুপিসারে, ভয় হয় যদি তাকে হারিয়ে ফেলি। যাইহোক আমি ভালো ছাত্র হওয়ার কারনে মেয়েটার সাথে আমার ভালো বন্ধুত্ব হয়, আর সেখান থেকেই প্রেম।

বেশ ভালোই চলছিল। এর মাঝে ওকে নিয়ে লিটনের ফ্লাটেও যাওয়া আসা হচ্ছে। ওখানে না যেতে পারলে হস্তমৈথুন করতে হয়। প্রতিদিন কয়েকবার হস্তমৈথুন করলে শরীর স্বাস্থ্য খারাপ এবং দুর্বল হয়ে যাই । তাই মেয়েটাকে ফ্লাটে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করি।
বদমেজাজি আর জোর করা স্বভাবের কারনে অনেক কিছুই তাকে মেনে নিতে হয়।
ইদানিং ছোট ছোট বিষয়ে মেজাজ খারাপ করছি, খুব সন্দেহ করছি মেয়েটাকে, এক পর্যায়ে আমাদের দুজনের মধ্যে তুমুল ঝগড়া বাঁধলো এবং দুজনে সম্পর্কের ইতি টানলাম, তার থেকে আরও ভালো মেয়ে এবং ভালো কিছু করার জেদ চাপলো মাথায়।

অনেকদিন তোহ হতে চললো এখন আমার নতুন অনেক বন্ধু হয়েছে, ছেলে বন্ধু, মেয়ে বন্ধু এবং বেড পার্টনার। তাদের পাল্লায় পড়ে সিগারেট খাওয়া শিখেছি, শুধু কি সিগারেট!! এখন রীতিমতো মদ খাওয়া ধরলাম।
অনেক দিন এভাবেই চলছে, এখন সিগারেট বা মদ খেতে গেলে শ্বাসকষ্ট এবং পেটের সমস্যা দেখা দেয়।
অতিরিক্ত তৈলাক্ত এবং মশলা জাতীয় খাবার অনেকবছর ধরে খাওয়ার কারনে পেটে আলসার ধরা পড়লো, সাথে পেটজ্বালা পোড়া, মনে হচ্ছে যেন পেট থেকে জ্বলতে জ্বলতে গলা পর্যন্ত উঠে।
পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য তোহ আছেই, বার বার মলত্যাগের চেষ্টা করলেও যেন হতেই চায়না, এজন্য বারবার টয়লেটে যেতে হয়।

মেজাজটা আরো কড়া হয়ে গেছে, সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করি, এমনকি কেউ ভালো কথা বললেও মোজাজ খারাপ হয়ে যায়, মনেহচ্ছে ঝগড়া করাটাই আমার মূল পেশা, অনেক ভালোও লাগে শুধু শুধু ঝগড়া করতে।ঝগড়া করার এক পর্যায়ে ভার্সিটির কত মানুষকে যে বিনা কারনে মেরেছি।

বয়স মোটামুটি ৩০ পার হয়ে গেছে ছোটখাটো একটা ব্যবসা করছি, কারো অধিনে চাকরি করতে আমার ভালো লাগে না। আমি একটু অধৈর্য স্বভাবের মানুষ, সব কিছু তাড়াহুড়া করেই শেষ করতে পারলেই যেন বাঁচি, কাজ শেষে বাসায় যখন আসি দরজা খুলতে একটু দেরি হলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।

বিয়ে করেছি কিছুদিন হলো, এখন অনেক যৌন ইচ্ছা থাকলেও লিঙ্গ তেমন একটা শক্ত হয়না সময়ও পাইনা ঠিক মতো। এজন্যেই সংসারে অশান্তি, বউ প্রতিদিন রাগারাগি করে বিধায় আমিও মেজাজ খারাপ করি এবং তাকে খুব মারধর করি। পরে অনুশোচনাও হয়।

সবার অভিশাপ আছে মনে হয় আমার উপর। কত পাপ করেছি জীবনে তাই আর
বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করছে না, মনেহয় যেন আত্মহত্যা করে ফেলি কিন্তু আত্মহত্যা করার সাহস পাইনা ।

কয়েকদিন হলো নতুন একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে, পায়খানার রাস্তায় গোটার মতো কিছু একটা লাগতেছে, ব্যথাও করছে, পেটের গোলমাল অনেক বাড়ছে দেখে আল্ট্রাসাউন্ড করালাম। রিপোর্টে আসলো পিত্তথলিতে পাথর সাথে লিভারও বড় হয়ে গেছে।
কিছুদিন পর ডানপাশের কুছকিতে মাংশের বৃদ্ধি (ইঙ্গুইনাল হার্নিয়া) অনুভব করছি।

এখন আর কিছু লিখতে পারছি না, মোবাইলের আলো চোখে লাগছে এবং চোখেও ঝাপসা দেখছি তাই আজকের মতো বিদায় নিবো। পরে সময় হলে আরও বিস্তারিত জানাবো আপনাদেরকে।

তবে বন্ধুরা একটা কথা না বললেই নয়, আমাকে ব্যবহার করতে হলে লক্ষ্মণ ভিত্তিক ব্যবহার করবেন, কোন ভাবেই অপব্যবহার করবে না।

আমি সর্ট একটিং এন্টিসোরিক ঔষধ
আমার কমপ্লিমেন্টারি ঔষধ হচ্ছে ঃ সিপিয়া, সালফার
ডাঃ ক্লার্কের মতে আমার ক্রিয়াকাল ঃ এক থেকে সাতদিন।

Clctd

🔹শিশু রোগের মহৌষধ SINA.➡️ সিনার শিশুর মেজাজ খিটখিটে। দৃষ্টিপাত করলে/অপরিচিত লোক দেখলে চটে যায়। শিশু অন্যকে থুতু দেয়/কা...
08/06/2024

🔹শিশু রোগের মহৌষধ SINA.

➡️ সিনার শিশুর মেজাজ খিটখিটে। দৃষ্টিপাত করলে/অপরিচিত লোক দেখলে চটে যায়। শিশু অন্যকে থুতু দেয়/কামড় দেয়।
➡️ শারীরিক ও মানসিক স্পর্শ সহিষ্ণু।
➡️ বিভিন্ন দ্রব্য চায়। দেরি হলে আর নেয় না। দিলে ছুড়ে মারে, কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়ালে শান্ত থাকে।
➡️ তবে বেশি শান্ত থাকে পেট ভরে খেতে দিলে। (ক্যামো মিলা, এন্টিম)।
➡️ পেটের অসুখ হলে তেমন খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না (আয়োডিয়াম)।
➡️ শিশু একগুঁয়ে, ক্রোধপরায়ণ, স্পর্শ সহিষ্ণু, আদর্শ স্নেহ তার কপালে জুটে না, কোনো কিছুতেই সন্তুষ্টি নেই।
➡️ রোগী অবিরত নাক রগড়াতে থাকে। রাত ঔ বিকালে দাঁত কড়মড় করে । পেটের উপর উপুড় হয়ে শুতে ভালোবাসে। অনেকক্ষেত্রে নাক খুঁটতে খুঁটতে রক্তপাত করে ফেলে।
➡️ শিশুর অস্থির ঘুম। ঘুমের মধ্যে চমকে কেঁদে উঠে।
➡️ রাতের প্রথম প্রহরে অসাড়ে প্রস্রাব করে ।
➡️ সিনার জ্বর রাতে বৃদ্ধি পায়।

08/09/2023

Aconite Nap (একোনাইট ন্যাপ):
গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকসহ
By Homeopathic BD A-Group Medicine
অ্যাকোনাইটাম ন্যাপেলাস (Aconitum Napellus),
D.H.M.S. (1st year).
সমনাম ঃ উলফ্ বেন, নেকড়ের বিষ।
ইংলিস ঃ হেলমেট ফ্লাওয়ার, বাংলা ঃকাঠ বিষ।
উপযোগিতাঃ যারা পূর্ণ রক্তপ্রধানধাতু বিশিষ্ট এবং অলস ভাবে সময় কাটায় ;আবহাওয়ার পরিবর্তনে সহজেই অসুস্হ হয়ে পড়ে।
ক্রিয়াস্হলঃ এটা স্নায়ুমন্ডল, পৃষ্টদেশ, মস্তিষ্ক, প্রভৃতির ওপর অধিক ক্রিয়া করে থাকে এবং রক্ত সঞ্চালনের আধিক্য ঘটায়।
ফিজিওলজিক্যাল কাজ (Physiological action)ঃ অ্যাকোনাই দ্বারা বিষাক্ত হলে Cerebro spinal nervous system অত্যন্ত অবসাদ প্রাপ্ত হয় অর্থাৎ মস্তিষ্ক কশেরুকা মজ্জায় বিধান (Cerebro spinal nervous system)এ অ্যাকোনাইট অবসাদক (Depresment) ঔষুধরুপে কাজ করে।
মূলকথা ঃ হৃষ্টপুষ্ট রক্তপ্রধান ধাতুবিশিষ্ট লোক, আকষ্মিকতা, ভীষণতা, উৎকণ্ঠা, মৃত্যুভয়, ভীতিব্যঞ্জক মুখের চেহারা, মানসিক ও শারীরিক অস্হিরতা, অস্বচ্ছন্দতা ও দীর্ঘশ্বাস, পিপাসা, প্রচণ্ড শীতের ও গরমের প্রকোপ, শুকনো শীতল বাতাসে বাড়ে। স্রাব নিঃসরণে কমে ও পরিবর্তনশীল মন। প্রসব ক্ষেত্র ও হৃদরোগ ব্যতীত সকল রোগে সম্পূর্ণ ঘামহীন। সংগীত অসহ্য।
অদ্ভূত লক্ষণঃ কল্পনা করে যেনো তাদের সব চিন্তা পাকস্থলী থেকে করে।
অনুভূতিঃ শরীরের বাইরের অংশে পোকা হাঁটার অনুভূতি।
ইচ্ছাঃ বীয়ার, অম্ল,মদ, ব্রান্ডি ও ঠান্ডা পানীয় পানের দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা।
অনিচ্ছা ঃ মুখে তিক্তস্বাদ হেতু খাদ্যে অনিচ্ছা, তামাক।
বৃদ্ধি ঃ সন্ধ্যায় (বুকের লক্ষণ ও ব্যথা), রাতে (মাঝরাতে), আলোতে, গোলমালে, আক্রান্ত পাশ চেপে শয়নে (হিপার, নাক্স-মস), সঙ্গীতের শব্দে, শ্বাস গ্রহণে, শুষ্ক শীতল বাতাসে, গরম কক্ষে গরম আচ্ছদনে, ধুমপানে, বিছানা হতে উঠলে, ভয় পেলে, বিরক্তি, মানসিক উত্তেজনায়,ঋতুকালে।
হ্রাসঃ মুক্ত বাতাসে (অ্যালুমিনা,ম্যাগ-কা, পালস, স্যাবাইনা।), ঘাম ও স্রাব নিঃসরণে, স্হিরভাবে উপবেশনে (বাত), বিশ্রামে, মদপানে, গায়ের কাপড় খুলে ফেললে।
কারণঃ ভয় – ভীতি, শক, মানসিক উৎকন্ঠা এবং ক্রুদ্ধতার পর, ঠান্ডা, শীতল আবহাওয়া, সূর্য্যের উত্তাপে, ইনজুরি, সার্জিক্যাল শক,ঠান্ডা বায়ুপ্রবাহ, ঘাম অবরুদ্ধ, অত্যধিক গরম আবহাওয়াজনিত।
ক্রিয়ানাশক ঃ অ্যাসিটিক -অ্যাসিড অ্যালকোহল, প্যারিস, স্পঞ্জি, বেল, ক্যামো, কফিয়া, সালফার, নাক্স, উদ্ভিদজাত অম্ল, লেমনেড।
এটি ক্রিয়ানাশক ঃ অ্যাক্টিয়া, ক্যামো, কফ, নাক্স-ভ, পেট্রো, সিপি, সালফ।
প্রয়োগ ঃ (ক) তরুন অবস্হায় ঘনঘন প্রয়াগ বাঞ্চনীয়।রক্তাধিক্য অবস্হা ও প্রদাহিত জ্বরে M/1 থেকে M/3 শক্তি, স্নায়ুশূলে M/6 স্নায়ুবিক উত্তেজনা ও মৃত্যুভীতির ক্ষেত্রে M/12 থেকে M/30 বা তদুর্ধ শক্তি। —ডাঃ নাজির হোসেন।
(খ) অসুস্হ রোগী যেখানে স্হির ও শান্ত থাকে সেক্ষেত্রে কখনও অ্যাকোনাইট দেবে না। -ডাঃ দাসগুপ্ত।
সতর্কতা ঃ ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, সেপটিক, ইত্যাদি দূষিত বা বিষাক্ত জ্বরে অ্যাকোনাইট ব্যবহৃত হয় না।
উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্য যে কোন রোগেই আমরা একোনাইট প্রয়োগ করতে পারবো।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিকঃ
(১) ক্রোধ (Anger) ঃ-খিটখিটে ভাব- অ্যাকোন, অ্যানাকা,আর্স, অরাম, ব্রায়ো, ক্যামো, ইগ্নে ক্যালি-কা,ক্যালি-সাল, লাইকো, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যামি,নাক্স-ভ, পেট্রো,সিপি,স্ট্যাফি, সালফ।
(২) উৎকন্ঠা (Anxiety) :ভয়ের সাথে – অ্যাকোন, অ্যানাকা, আর্স, কস্টি, ইগ্নে, সোরিন,সিকেলি।
(৩) মৃত্যু চিন্তা (Death) ঃ-অ্যাকোন, গ্র্যাফ।
(৪) ভয় (Fear) :জনতার মাঝে- অ্যাকোন ।
(৫) অস্হিরতা, স্নায়বিকতা (Restlessness, nervousness) /অস্হির (Fidgety) – অ্যাকোন, অ্যানাকা,আর্জ-নাই,আর্স,আর্স-আই,ব্যাপটি,বেল,ক্যাল্ক,ক্যাল্ক -ফস,ক্যাম্ফ,সিমিসি,সাইকু, কলো, কুপ্রা, কুপ্রা-আর্স,ফেরাম, ফেরা-আর্স, হায়োস, লাইকো, মার্ক, প্লাম্বা, পালস, রাস, সিকেলি,সিফি, সাইলি,স্ট্যাফি, স্ট্র্যামো, সালফ,ট্যারেন্টু,জিঙ্ক।
(৬) চিন্তা,মৃত্যু সম্বন্ধে :(Thoughts of death) – অ্যাকোন, গ্র্যাফ ।
(৭) তৃষ্ণা /পিপাসা (Thirst) অত্যধিক- অ্যাসিড-অ্যাসে,অ্যাকোন, আর্স,ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-সাল,কস্টি,ক্যামো,চায়না,ডিজি,ইউপে-পার্ফ,মার্ক, মার্ক-কর, নেট্র-মি, ফস, পাইরো, রোবি, সাইলি, সালফ ভিরেট ।
(৮) শুষ্ক আবহাওয়ায় বাড়ে- অ্যাকোন, অ্যাসের, কস্টি,হিপার, ক্যালি-কা,নাক্স-ভ ।
(৯) পোকা হাঁটার মতো অনুভুতি (Formication,external parts) -দেহের বাইরের অংশে- অ্যাকোন, আর্নি,কলসি,নাক্স-ভ, প্লাটি,রাস, সিকেলি, সিপি,স্পাইজে।
(১০) প্রদাহ,(Inflammation) অভ্যান্তরিকভাবে -অ্যাকোন, আর্স,বেল, ব্রায়ো, ক্যান্হা, চায়না, ইচিনে, জেলস, আই, ল্যাকে, মার্ক, নাক্স-ভ, ফস, প্লাম্বা, পালস, সিকেলি, টেরিবি ।
(১১) নাড়ির গতি অস্বাভাবিক (Pulse abonormal): পূর্ণতা(Pull) -অ্যাকোন, অ্যান্টি-টা,অ্যাসাফ, বেল, বার্বে, ব্রায়ো, চেলিডো, জেলস,হায়োস,ইগ্নে, ক্যালি-নাই, মার্ক-সায়া,স্ট্র্যামো ।

একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ০১. মাইগ্রেন০২. উচ্চ রক্তচা...
03/12/2020

একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ
০১. মাইগ্রেন
০২. উচ্চ রক্তচাপ
০৩. নিম্ন রক্তচাপ
০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা
০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস
০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা
০৮. কাশি
০৯. শারীরিক অস্বস্তি
১০. গাটের ব্যথা
১১. হাঁপানি
১২. কাশি
১৩. শিরায় বাধা
১৪. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ
১৫. পেটের সমস্যা
১৬. ক্ষুধার সমস্যা
১৭. মাথা ব্যথা
*কীভাবে গরম পানি পান করবেন?*
নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে।
*বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।*
গরম পানি থেরাপি যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে যে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির সমাধান করবে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো : -
৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস
৩০ দিনের মধ্যে রক্তচাপ
১০ দিনের মধ্যে পেটের সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে সমস্ত ধরণের ক্যান্সার
০৬ মাসের মধ্যে শিরার বাধার সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে ক্ষুধা জাতীয় সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে জরায়ু এবং এর সম্পর্কিত রোগগুলি
১০ দিনের মধ্যে নাক, কান এবং গলার সমস্যা
১৫ দিনের মধ্যে মহিলাদের সমস্যা
৩০ দিনের মধ্যে হৃদরোগ জাতীয় সমস্যা
০৩ দিনর মধ্যে মাথা ব্যাথা / মাইগ্রেন সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে কোলেস্টেরল সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে মৃগী এবং পক্ষাঘাত সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে হাঁপানি সমস্যা
*ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।*
*ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস।
*এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন।
*ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়।
*দয়া করে এই তথ্যটি নিজের কাছে রাখবেন না কাউকে বলুন, এটি কারওর জীবন বাঁচাতে পারে।

নখের ফাঙ্গাসের বিবরণ~~~~~~~~~~~~~~~ নখের ফাংগাসঃনখের ফাংগাস একটি সাধারণ রোগ। নখের উপর অথবা নখের নিচে সাদা বা হলদে দাগ দে...
06/10/2020

নখের ফাঙ্গাসের বিবরণ
~~~~~~~~~~~~~~~

নখের ফাংগাসঃ
নখের ফাংগাস একটি সাধারণ রোগ। নখের উপর অথবা নখের নিচে সাদা বা হলদে দাগ দেখা দেয়। নখ পুরু, ভঙ্গুর ও বিকৃত হয়। নখের ছত্রাক আক্রমনের পাশাপাশি এর নিকটবর্তী ত্বকেও সংক্রমিত হয়। পায়ের নখ খুব সহজেই ফাংগাসের আক্রমণের শিকার হয়, কারণ পায়ের নখ ধুলোবালির খুব কাছাকাছি থাকে। ফাংগাস সংক্রমনে নখ হলদেটে আকার ধারণ করে যা একেবারেই বিশ্রী দেখায়।

#কারণঃ নখের ছত্রাক সংক্রমণ বিভিন্ন প্রকার ছত্রাক দায়ী। সাধারণ কারণ ডার্মাটফাইট নামক ছত্রাকের উপস্থিতি। নখের ফাংগাস সংক্রমণ যেকোন বয়সের মানুষের হতে পারে, তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়। নখ ভঙ্গুর এবং শুষ্ক হয়, নখের ফাটলে ছত্রাক প্রবেশই প্রধান কারন। অন্যান্য কারনের মধ্যে পায়ে রক্ত সঞ্চালন হ্রাস পাওয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ফাংগাস সংক্রমণের জন্য দায়ি।

#লক্ষণ_সমুহঃ যদি আপনার এক বা একাধিক নখে এই সমস্যা থাকে তবে আপনার অন্যান্য নখে ফাংগাস ছড়াতে পারে। ঘন হলুদ-বাদামী বিকৃত বর্ণ ধারণ ও ভঙ্গুর,বিকৃত আকৃতি, নখের নিচের পুরুত্ব অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, নখে কালো দাগ, দুর্গন্ধ, পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের মধ্যে আক্রান্ত হয়। ফাংগাস সংক্রমনের ফলে নখের নানা রোগের বিস্তার করে। নখে রক্ত প্রবাহ হ্রাস, নখের বৃদ্ধি কমে যায়।

#জটিলতাঃ নখ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংগ। নখ বেদনাদায়ক হতে পারে এবং আপনার নখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে নখের ফাংগাস সংক্রমন ঝুঁকিপূর্ণ করতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের নখে ব্যাকটেরিয়া ত্বকের সংক্রমণ (সেলুলাইটিস) এর ঝুঁকি বেশি।

#প্রতিরোধঃ নখ নিয়মিত পরিস্কার করতে হবে। প্রোটিন জাতীয় খাদ্য বেশী বেশী খেতে হবে। সুস্হ শরীরের সাথে সুস্হ নখ আশা করা যায়। শরীর ও নখের যত্নে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন ও সামান্য আঘাত লাগলেই অবহেলা না করে উপযুক্ত চিকিৎসা জরুরী।

Address

লোহারপুল, সরাইপাড়া, চট্টগ্রাম।
Chittagong
4821

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এস. আর. হোমিও ফার্মেসি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to এস. আর. হোমিও ফার্মেসি:

Share