এস. আর. হোমিও ফার্মেসি

এস. আর. হোমিও ফার্মেসি একটি নির্ভরযোগ্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসালয়

03/05/2026

চোখের এলার্জি চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি।
ডা: মুহা: সহিদুল ইসলাম।

#এলার্জি শব্দটির সাথে আমরা সবাই মোটামুটি ভাবে পরিচিত। প্রত্যেক মানুষের শরীরে একটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি থাকে। এই ইমিউনিটি শক্তির দুর্বলতার সুযোগে আমাদের শরীর পরিবেশের বিশেষ কিছু বস্তুর প্রতি অতি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ফলে এদের সংস্পর্শে আসা মাত্রই ব্যক্তির মধ্যে শুরু হয় হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, চুলকানি ইত্যাদি। ব্যক্তির মাঝে সৃষ্ট এই উপসর্গগুলোকে বলে এলার্জি।
#এলার্জির প্রকারভেদ:
চোখে সাধারণত দুই ধরনের এলার্জি দেখা যায়। যেমন:
১) সিজনাল, যা প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে দেখা যায়।
২) পেরিনিয়াল, যা সারা বছর ধরে ভোগায়।
#এলার্জির কারণ:
সাধারণত ঋতু পরিবর্তনের সময় বাতাসে উড়া সূক্ষ্ম ফুলের রেনু থেকে সিজনাল এলার্জি হয়। বাতাসের ধোঁয়া, ধুলাবালি, ঘরের জিনিসপত্রের ধুলো, আতর ও বিভিন্ন ধরনের পারফিউম এর উৎকট গন্ধ, পোষা জীবজন্তুর পশম ইত্যাদি থেকে পেরেনিয়াল এলার্জি হয়। চোখের এলার্জি হতে রেহাই পেতে হলে অবশ্যই এলার্জির উপরোক্ত কারণগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। গ্রামের পুকুরে গোসল এবং শহরে দীর্ঘদিন ধরে অপরিষ্কার থাকা ট্রাঙ্কের পানি দিয়ে গোসল করলে ও চোখের এলার্জি হতে পারে।
#এলার্জির লক্ষণ:
চোখের এলার্জির প্রধান লক্ষণ হল চুলকানি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ থেকে পানি পড়া, চোখের কোনায় ক্ষত সৃষ্টি হওয়া ইত্যাদি। কোনো কোনো রোগীর এর সাথে মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং সর্দিও দেখা যায়। চোখের চুলকানি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে কর্নিয়ার গঠনগত পরিবর্তন, কর্নিয়ার আলসার, এবং দৃষ্টিশক্তির সমস্যা ইত্যাদি মারাত্মক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
#এলার্জির চিকিৎসা:
প্রচলিত (এলোপ্যাথিক) চিকিৎসা ব্যবস্থায় এই রোগ সম্পূর্ণ সারিয়ে তোলার মতো কোনো ওষুধ নেই। তারা রোগীদের কিছু সাময়িক ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যেতে বলেন। তারা রোগীদেরকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন ৮-১০ বছর পর এই রোগ এমনিতে সেরে যাবে।
অথচ উপযুক্ত হোমিও ঔষধ চোখের এলার্জির অত্যন্ত দ্রুত ও সম্পূর্ণ নিরাময় করতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা হলো রোগীর মানসিক ও সার্বদৈহিক লক্ষণ সংগ্রহ করে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করতে পারলে এলার্জির সাথে সাথে রোগীর অন্য কোনো রোগ থাকলে সেটাও সেরে যায়। চোখের এলার্জির জন্য ব্যবহৃত সর্বাধিক প্রচলিত ঔষধ গুলো হল:
১) ইউপ্রেশিয়া ২) পালসেটিলা ৩) কেলি কার্ব ৩) নেট্রাম মিউর ৪) আর্জেন্ট নাইট্রিকাম ৫) আমব্রোগ্রাসিয়া ৬) কার্টিজোন ইত্যাদি।
অভিজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগীর শারীরিক লক্ষণের উপর ভিত্তি করে সঠিক ঔষধ সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করে রোগীকে দ্রুত সুস্থ করে তুলতে পারেন।

এস. আর. হোমিও ফার্মেসি
01818222624

01/05/2026

😰মাইগ্রেন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

🧑‍⚕️ড়াঃ মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম

মাথা আছে বলেই তো মাথাব্যথা। চিকিৎসকগণ মাথাব্যথার কারণ খুঁজতেই হতাশ। ইন্টারন্যাশনাল হেডেক সোসাইটি মাথা ব্যথার প্রায় ৩১৬ টি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসকগণ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন মাইগ্রেন চিকিৎসা করতে গিয়ে। সহজে ছাড়েও না , সহজে সারেও না। অথচ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় বহু রোগীর মাইগ্রেন সম্পূর্ণ সেরে যায়। তবে এক্ষেত্রে রোগী তার জীবন ইতিহাস চিকিৎসকের নিকট অত্যন্ত বিশ্বস্ত , নিরপেক্ষ ও নিখুঁত ভাবে তুলে ধরতে হবে।

😰মাইগ্রেন কী?

মাইগ্রেনের অপর নাম আধ কপালে অর্থাৎ আধ কপালে মাথা ব্যথা। রোগীর ঘনঘন মাথা ব্যথার সাথে বমি ভাব, আলো ও শব্দ অসহ্য, চোখে ঝাপসা দেখা, অরুচি ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়। মহিলাদের মাসিক শুরুর আগে মাথা ব্যথা, একটা জিনিস ডবল দেখা, মন খারাপ লাগা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়। মাথার যন্ত্রণায় অনেক সময় রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে বা শরীরের কোন অঙ্গ অবশ হয়ে পড়তে পারে।

😰মাইগ্রেনের কারণ:

মাইগ্রেনের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে দেখা গেছে যে মেয়েরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। এদের ৬০% আবার মাসিকের সময়। মানুষের মস্তিষ্কে ম্যাগনেসিয়াম সেরাটানিন এবং গ্লুটামেন্ট নামক রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এদের কাজ হল মস্তিষ্কের রক্তনালীর সংকোচন প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করা। এদের পরিমাণ কম বা বেশি হলে মস্তিষ্কে ব্যথা সৃষ্টিকারী নানা পেপটাইড যৌগ তৈরি হয়। ফলে দপদপানি মাথাব্যথা শুরু হয়।

🩺চিকিৎসা:

মাইগ্রেনের কারণ নিয়ে যেহেতু এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে, সেই কারণেই মাইগ্রেন চিকিৎসায় (এলোপ্যাথিক) পদ্ধতি এখনো অনেকটা অসহায়। ব্যথা নিরোধক বিভিন্ন ওষুধ দিয়ে রোগটিকে খানিকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলেও সম্পূর্ণ আরোগ্য অনেক ক্ষেত্রে অধরা রয়ে গেছে। হোমিওপ্যাথিতে রোগীর সমস্যার ধরন, তার আশা আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, চাহিদা, ঘুম, ঘাম, খাদ্য অভ্যাস, মাথা ব্যথার সময় ইত্যাদি বিষয়ে জেনে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করে সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করতে পারলে রোগী সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে। এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির নিম্নলিখিত ঔষধ গুলি অত্যন্ত সফলতার সাথে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন: মেডোরিনাম, সালফার, নেট্রাম মিউর, নেট্রাম কার্ব , পালসেটিলা, সিরিয়া, ল্যাক কেনিনাম, এপিফেগাস, বেলেডোনা, উসনিয়া বারবাটা, আইরিশ ভার্স ইত্যাদি।

এস আর হোমিও
01818222624

26/04/2026

🫩 #ডিপ্রেশন_চিকিৎসায়_হোমিওপ্যাথি:
🧑‍⚕️ #ডাঃ_মোহাম্মদ_সহিদুল_ইসলাম।

মানসিক রোগ গুলোর মধ্যে প্রায় শীর্ষস্থানে রয়েছে ডিপ্রেশন বা অবসাদ। বর্তমান সময়ে হৃদরোগের পরেই ডিপ্রেশন সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী রোগ হিসেবে স্থান করে নিচ্ছে। বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। এই রোগের শেষ পরিণতি আত্মহত্যা। কিন্তু মজার বিষয় হল যে আমরা অনেকেই এটিকে রোগ হিসেবে মনে করি না।

🫩 #ডিপ্রেশন_কেন_হয়?

মূলত দুটি কারণে মানুষ ডিপ্রেশনের শিকার হয়।
(১) জৈবিক কারণ
(২) পরিবেশগত কারণ।

(১) জৈবিক কারণ:
ক) শরীরের সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের ঘাটতি।
খ) থাইরয়েড এফ এস এইচ হরমোন কমে যাওয়া।

(২) পরিবেশগত কারণ:
রোগীর পারিবারিক, আর্থিক বা সামাজিক পরিস্থিতি
যেমন: বাবা মা বা বড়দের দ্বারা বাচ্চাদের নিয়মিত বকাঝকা করা, বৈবাহিক জীবনে অশান্তি, স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর পর একাকীত্ব, অর্থহানি, শ্রবণ ও দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া, ছোটদের থেকে উপযুক্ত সম্মান না পাওয়া, শিশুদের বিদ্যালয়ে মাত্রাতিরিক্ত পড়ার চাপ। সর্বোপরি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এলোপ্যাথিক ঔষধ ও অ্যান্টিবায়োটিক সেবন ইত্যাদি।

#কিভাবে_বুঝবেন_রোগী_ডিপ্রেশনের_শিকার?

১) রোগী সার্বক্ষণিক কিছু না কিছু চিন্তায় মগ্ন থাকা।
২) রোগীর মন: সংযোগের অভাব থাকা।
৩) মুখে শুষ্কতা, বিস্বাদ ভাব, বুক ধড়ফর করা, অতিরিক্ত ঘাম ও কোষ্ঠকাঠিন্য ভাব।
৪) ঘুম কম হওয়া, ঘুম ভাঙার পর ক্লান্তি বোধ, আরো শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করা।
৫) নিজেকে যেকোনো কাজের অযোগ্য ভাবা, কাজে উৎসাহ না পাওয়া।
৬) জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা ভাব, আত্মহত্যার কথা চিন্তা করা। আত্মহত্যার চেষ্টা করা হলো ডিপ্রেশনের চূড়ান্ত ও সবচেয়ে সংকটজনক পরিস্থিতি।

#ডিপ্রেশন_থেকে_বাঁচার_উপায়:

হোমিওপ্যাথি রোগের নয় রোগীর চিকিৎসা করে। আমাদের মানব দেহ একটি মেশিন (living machine)। মন যেহেতু জীবন্ত দেহের সাথে ওতোপ্রোত ভাবে জড়িত। তাই ডিপ্রেশন এর মত মানসিক রোগের চিকিৎসা ও শরীরের অন্যান্য রোগের মত সার্বদৈহিক ও মানসিক লক্ষণ নিয়ে করতে হবে। এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির নিম্নলিখিত ঔষধ গুলি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন: লিলিয়াম ট্রিগ, সিপিয়া, ইগনেশিয়া, নেট্রাম মিউর, ওরাম মেটালিকাম, নেট্রাম সল্ফ, এন্টিম ক্রুড , এমন কার্ব, ইস্কুলেস হিপ, সিমিসিফিউগা, হ্যালোনিয়স ইত্যাদি।
যথাযথ লক্ষণ সংগ্রহ করে উপযুক্ত ঔষধ নির্বাচন ও প্রয়োগের মাধ্যমে রোগী ডিপ্রেশনের কালো মেঘ কাটিয়ে পুনরায় আলোক উজ্জ্বল জীবন ফিরে পেতে পারে।

োমিও
01818222624
সরাইপাড়া, চট্টগ্রাম।

Address

লোহারপুল, সরাইপাড়া, চট্টগ্রাম।
Chittagong
4821

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এস. আর. হোমিও ফার্মেসি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to এস. আর. হোমিও ফার্মেসি:

Shortcuts

Share