Doctors Physiotherapy & Electromedicine Centre - DPEC

Doctors Physiotherapy & Electromedicine Centre - DPEC Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Doctors Physiotherapy & Electromedicine Centre - DPEC, Medical Service, Chittagong.

বাত-ব্যাথা, প্যারালাইসিস ও স্পোর্টস ইনজুরির ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শ কেন্দ্র।

ব্যথার চিকিৎসায় পেইন কিলার নয়, বরং ব্যথা ফিজিওথেরাপিতে উপশম হয়"

যে কোন পরামর্শের জন্য ☎️ 01690-116031.

সচলতা & ব্যাথাবিহীন জীবনের কামনায় সকলকে জানাই ঈদ শুভেচ্ছা 🎆✨https://www.facebook.com/dpbadhon
21/03/2026

সচলতা & ব্যাথাবিহীন জীবনের কামনায় সকলকে জানাই ঈদ শুভেচ্ছা 🎆✨

https://www.facebook.com/dpbadhon

   The Paralysis Foundation - TPF
20/03/2026







The Paralysis Foundation - TPF

যাত্রায় নিরাপদ ও সুস্থ থাকতে  মেনে চলুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। দীর্ঘ পথের ধকল, গরম এবং খাবারের পরিবর্তনের কারণে স্বা...
19/03/2026

যাত্রায় নিরাপদ ও সুস্থ থাকতে মেনে চলুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। দীর্ঘ পথের ধকল, গরম এবং খাবারের পরিবর্তনের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এই পরামর্শগুলো মেনে চলা প্রয়োজন.........

১. যাত্রা শুরুর আগের প্রস্তুতি 👇
পর্যাপ্ত ঘুম: যাত্রা শুরুর আগে অন্তত ৭ ঘণ্টা ভালো ঘুম নিশ্চিত করুন।
ওষুধ ও ফার্স্ট এইড: প্রয়োজনীয় নিয়মিত ওষুধ (ডায়াবেটিস, প্রেশার, হাঁপানি) এবং ফার্স্ট এইড কিট সাথে রাখুন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা: দীর্ঘ যাত্রার আগে বিশেষ করে বয়স্ক ও রোগীদের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে নিন।

২. যাত্রাপথে স্বাস্থ্য সতর্কতা👇
পানি ও পানীয়: হাইড্রেটেড থাকতে প্রচুর পানি, ডাবের পানি বা স্যালাইন সাথে রাখুন।
খাবার নির্বাচন: তৈলাক্ত ও মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। আঁশযুক্ত বা ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খান।
মোশন সিকনেস (বমি ভাব): বাসে বা গাড়িতে বমি ভাব হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বমির ওষুধ সাথে রাখুন।
হাঁটাহাঁটি: দীর্ঘ সময় বসে না থেকে সুযোগ পেলে একটু হাঁটাচলা বা স্ট্রেচিং করুন।
GERD বা অ্যাসিডিটি: যাত্রার সময় পেট ফাঁপা বা বুক জ্বালা পোড়া এড়াতে একসাথে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খান।

৩. বিশেষ সতর্কতা 👇
গর্ভবতী মা: গর্ভবতী নারীরা দীর্ঘ যাত্রার আগে গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং যাত্রাপথে আরামদায়ক বাহন বেছে নিন।
হৃদরোগী: দীর্ঘ সময় রোদে বা গরমের মধ্যে থাকা এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি হৃদরোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
হাত ধোয়া: খাবারের আগে ও বাথরুম ব্যবহারের পর ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।

৪. খাবারদাবার ও সতর্কতা 👇
অতিরিক্ত না খাওয়া: অতিরিক্ত আহার বদহজম ও পেটের অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে, তাই পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন।
ফাস্ট ফুড বর্জন: রাস্তার ধারের খোলা বা বাসি খাবার এড়িয়ে চলুন।

যাত্রা শেষে ক্লান্তি দূর করতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং শরীর খারাপ লাগলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।





The Paralysis Foundation - TPF

রমজানের শেষ দিকে এসে শরীর দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততায় ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং খাদ্যাভ্যাসে অনিয়মের কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বে...
17/03/2026

রমজানের শেষ দিকে এসে শরীর দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততায় ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং খাদ্যাভ্যাসে অনিয়মের কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে ইফতার ও সেহরিতে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা এই ঝুঁকিগুলো বাড়িয়ে তোলে।

শেষ রোজার দিকের প্রধান স্বাস্থ্য ঝুঁকিগুলো নিচে দেওয়া হলো...........

১. হজমজনিত সমস্যা:

বুক জ্বালাপোড়া ও গ্যাস্ট্রিক: ইফতারে তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার কারণে বুক জ্বালাপোড়া, অম্বল বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা বাড়ে।

পেট ফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্য: অনিয়মিত খাবারের কারণে পেট ফুলে যাওয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা:

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতার ও সেহরির মাঝে পর্যাপ্ত পানি বা তরল না পান করলে পানিশূন্যতা (Dehydration) দেখা দেয়। এটি মাথা ঘোরা বা ক্লান্তি বাড়ায়।

৩. রক্তের শর্করা ও ওজনে প্রভাব:

গ্লুকোজের মাত্রায় তারতম্য: ইফতারে অতিরিক্ত মিষ্টি বা কৃত্রিম চিনিযুক্ত শরবত পান করলে হঠাৎ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, যা পরে দ্রুত কমে গিয়ে শরীর দুর্বল করে দিতে পারে।

ওজন বৃদ্ধি: অনেক সময় সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ইফতার ও রাতে অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে ওজন বেড়ে যেতে পারে।

৪. হৃদরোগ ও অন্যান্য জটিলতা:

হঠাৎ ভারী খাবার গ্রহণ হার্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা আগে থেকে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

যাদের ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাদের সঠিক নিয়ম না মানলে ঝুঁকি বাড়ে।

৫. ঘুমের ব্যাঘাত ও ক্লান্তি:

শেষ দিকে কেনাকাটা বা ইবাদতের কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, ফলে শরীর চরম ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

করণীয়............

ইফতারে ভাজাপোড়া এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া।

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা।

সেহরিতে ভারী খাবার না খেয়ে হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা।

সতর্কতা: যদি তীব্র বুক জ্বালাপোড়া বা হার্টের সমস্যা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।





The Paralysis Foundation - TPF

পবিত্র রমজানে পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমানে...... রোজায় সারাদিন না খেয়ে–না পান করে থাকার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হ...
27/02/2026

পবিত্র রমজানে পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমানে......

রোজায় সারাদিন না খেয়ে–না পান করে থাকার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই রমজান মাসে অনেক রোজাদার পানিশূন্যতার সমস্যায় ভুগে থাকেন। তবে কিছু বিষয়ে সচেতন থাকলে সহজেই এ সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

আসুন জেনে নেওয়া যাক, রমজানে কীভাবে পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করবেন......

সেহরিতে অন্তত ১–২ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করুন। শুধু ইফতারের সময় নয়, বরং রাতে জেগে থাকা পুরো সময়টায় অল্প অল্প করে পানি পান করুন। তবে খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা খাওয়ার মাঝখানে বেশি পানি পান না করাই ভালো, এতে হজমে সমস্যা হতে পারে। খাবার ও পানি পানের মাঝে অন্তত ২০ মিনিট বিরতি রাখার চেষ্টা করুন।

পানি সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন....

শসা, লেটুস, তরমুজসহ পানি বেশি আছে এমন ফল ও সবজি খাদ্যতালিকায় রাখুন। শরীরকে হাইড্রেট রাখতে স্যুপ, মসুর ডালও উপকারী। ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর শরবত বা স্মুদি খেতে পারেন। ইফতারে ডাবের পানি রাখলে তা শরীরের পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টিও জোগাবে।

যেসব খাবার পানিশূন্যতা বাড়ায়, সেগুলো এড়িয়ে চলুন.........

চা, কফি ও কোমল পানীয় কম পান করাই ভালো, কারণ এগুলোতে থাকা ক্যাফেইন প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, প্রক্রিয়াজাত ও লবণাক্ত খাবার তৃষ্ণা বাড়ায়, তাই এগুলো কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

হালকা গরম পানি পান করুন..........

ইফতারে ঠান্ডা পানীয়ের প্রতি আগ্রহ থাকলেও শরীরের জন্য হালকা গরম পানি বেশি উপকারী। এটি হজমে সহায়তা করে এবং শরীর ঠান্ডা পানির তুলনায় সহজে তরল শোষণ করতে পারে।

সচেতনতায় ...............
ডক্টরস ফিজিওথেরাপি & ইলেক্ট্রোমেডিসিন সেন্টার (ডিপিইসি)

16/02/2026



24/11/2025


পক্ষাঘাত (ইংরেজি: Paralysis) একপ্রকার দৈহিক বিকার যাতে মাংশপেশী স্বাভাবিক কাজ করার বদলে দুর্বল বা শিথিল (অথবা প্রকারভেদে...
24/11/2025

পক্ষাঘাত (ইংরেজি: Paralysis) একপ্রকার দৈহিক বিকার যাতে মাংশপেশী স্বাভাবিক কাজ করার বদলে দুর্বল বা শিথিল (অথবা প্রকারভেদে আড়ষ্ট) হয়ে থাকে। এতে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অচল হয়ে পঙ্গুত্ব হতে পারে। পক্ষাঘাত একটি দুটি পেশীতে হতে পারে, এক বা একাধিক অঙ্গে হরে পারে বা পুরো শরীরে হতে পারে। অনেক সময়ই পক্ষাঘাতের সঙ্গে অবশতা অর্থাৎ স্পর্শ অনুভূতির অভাব হতে পারে, কিন্তু সবসময় নয়। পক্ষাঘাত স্বল্পস্থায়ী হতে পারে অথবা দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে। পক্ষাঘাত অন্য রোগের উপসর্গ অথবা একাই একটি ভয়াবহ রোগ হিসাবে হতে পারে, আবার পক্ষাঘাত খুব মৃদু এবং স্বল্পমেয়াদী হতে পারে যা আমরা প্রায় টেরও না পেতে পারি। দেখা গেছে গড়ে পঞ্চাশ জনের মধ্যে একজনের অল্পবিস্তর পক্ষাঘাত আছে।

কেনো হয়?.....
👉 পক্ষাঘাতের কারণ পেশী জনিত বা স্নায়ুজনিত হতে পারে।

পক্ষাঘাত সাধারণতঃ স্নায়ুতে আঘাত দ্বারা শুরু হয়ে থাকে, বিশেষ করে শিরদাঁড়া (অর্থাৎ মেরুদণ্ডে)চোট লেগে। অন্যান্য কিছু কারণ হল স্ট্রোক, অন্যান্য আঘাত যার সঙ্গে স্নায়বিক আঘাত জড়িত থাকতে পারে, পোলিও, পার্কিন্সন্স ডিজিজ, এ এল এস, বোটুলিজম, মালটিপ্ল স্ক্লেরোসিস, গুলে বারে সিনড্রোম, জন্মগত সিফিলিস, স্পাইনা বাইফিডা, সেরিব্রাল প্যালসি ইত্যাদি।

অনেক স্পাইনা বাইফিডা জনিত জন্মগত পক্ষাঘাত জন্মের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শল্য চিকিৎশা দ্বারা সম্পূর্ণ নিরাময় করা স্মভব হতে পারে।

অনেক সময় আসলে পেশীর দৌর্বল্য না থাকলেও পক্ষাঘাতের মত উপ্সর্গ দেখা দিতে পারে। একে ছদ্ম পক্ষাঘাত বলে।

প্রকারান্ত.......
👉 কোন পেশী বা শরীরের কোন অংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়েছে, পেশী কতটা দুর্বল হয়েছে এবং কতটা বা নানান অংশ সময়ের সঙ্গে কী ক্রমান্বয়ে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়েছে বা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে পক্ষাঘাতের নানা প্রকারান্তর দেখা যেতে পারে।

প্যারাপ্লেজিয়া, প্যারাপেরেসিস, হেমিপ্লেজিয়া, হেমিপ্যারেসিস, ক্যোয়াড্রিপ্লেজিয়া, ক্যোয়াড্রিপেরেসিস এই শব্দগুলি দ্বারা নানা ধরনের পক্ষাঘাত বোঝানো হয়। হেমি অর্থে শরীরের এক পাশ (যার থেকে পক্ষাঘাত শব্দের উৎপত্তি), প্যারা বলতে এক্ষেত্রে শরীরের নীম্নার্ধ, এবং ক্যোয়াড্রি বলতে এক্ষেত্রে চার অঙ্গ বোঝায়। এবং প্লেজিয়া বলতে সম্পূর্ণ পঙ্গুতা এবং প্যারেসিস বলতে আংশিক দৌর্বল্য বোঝায়।

নেতিয়ে পড়া অর্থাৎ পেশী শৈথিল্য হলে তাকে ফ্লাসিড প্যারালিসিস (Flaccid paralysis) এবং আড়ষ্পেটতা বা খিঁচ ধরা অর্থাৎ পেশী কাঠিন্য হলে তাকে স্পাস্টিক প্যারালিসিস (Spastic paralysis) বলা হয়। তবে সাধারণ ভাবে দৌর্বল্য এবং শৈথল্য ধরনের অর্থেই পক্ষাঘাত বা প্যারালিসিস শব্দটি বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে।

ঊর্ধবাহী পক্ষাঘাত হয় যখন পায়ের দিক থেকে উপরের দিকে পক্ষাঘাত ছড়ায়, যা হতে পারে গুলে বারে সিনড্রোম এবং টিক নামক কীট দংশন[২] জনিত পক্ষাঘাতে।

নিম্নবাহী পক্ষাঘাত এর বিপরীত এবং বোটুলিজম এর ক্ষেত্রে হতে পারে।

ইংরাজী প্যালসি (Palsy) শব্দটি প্যারালিসিস বা পক্ষাঘাতের প্রায় সমার্থক কিন্তু কয়েকটি বিশেষ পক্ষাঘাতের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। যেমন বেলস প্যালসি ইত্যাদি।


 #বাত_ব্যাথা_প্যারালাইসিসের_চিকিৎসায়  #ফিজিওথেরাপি_বিশেষজ্ঞ_চিকিৎসকের_পরামর্শ #নিন
18/10/2025

#বাত_ব্যাথা_প্যারালাইসিসের_চিকিৎসায় #ফিজিওথেরাপি_বিশেষজ্ঞ_চিকিৎসকের_পরামর্শ
#নিন

Address

Chittagong
4,200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctors Physiotherapy & Electromedicine Centre - DPEC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Doctors Physiotherapy & Electromedicine Centre - DPEC:

Share