Retina hijama center

Retina hijama center হিজামা নিন, সুস্থ থাকুন, হিজামার মাধ্?

13/07/2024
হিজামা করার স্থানসমূহ : আনাস বিন মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিন স্থানে ঘাড়ের দু’টি রগে এবং কাঁধে হিজাম...
09/12/2023

হিজামা করার স্থানসমূহ : আনাস বিন মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিন স্থানে ঘাড়ের দু’টি রগে এবং কাঁধে হিজামা করিয়েছেন।

আব্দুল্লাহ বিন আববাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর মাথায় হিজামা লাগিয়েছিলেন।

আবু কাবশাহ আনমারী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ছাঃ) মাথার মাঝখানে এবং দুই কাঁধের মাঝে হিজামা করতেন এবং বলতেন, যে ব্যক্তি নিজ শরীরের এ অংশে হিজামা করাবে, সে তার কোন রোগের চিকিৎসা না করালেও কোন ক্ষতি হবে না।

জাবির (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হাড় মচকে গেলে তিনি এর জন্য হিজামা করান।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ব্যথার কারণে ইহরাম অবস্থায় তাঁর পায়ের উপরিভাগে হিজামা করিয়েছেন।

ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেছেন, ‘দাঁতে, মুখে এবং গলায় ব্যথা হ’লে থুতনির নীচে হিজামা লাগালে উপকার পাওয়া যায়, যদি তা সঠিক সময়ে করা হয়। এটা মাথা ও চোয়াল শোধন করে।

পায়ের সাফিনায় (যা গোড়ালির বড় শিরা) পাংচারিং করার পরিবর্তে পায়ের পাতার সম্মুখে হিজামা লাগানো যেতে পারে। থাই এবং পায়ের পিছনের গোশতের আলসারের চিকিৎসায় এটি উপকারী। তাছাড়া রক্তস্রাবে বাধা ও অন্ড কোষের চামড়ার ক্ষতে তা ব্যবহারযোগ্য।

উরুতে ব্যথা, চুলকানী ও খোসপাঁচড়ার চিকিৎসা হিসাবে বুকের নিচে হিজামা লাগানো উপকারী। এতে পিঠের গেঁটে বাত, অর্শ, গোদ রোগ, খোসপাঁচড়ার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

মহিলাদের জন্য হিজামা : জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, উম্মে সালামা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কাছে হিজামা করার জন্য অনুমতি চাইলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাকে হিজামা লাগিয়ে দিতে আবু তাইবা (রাঃ)-কে আদেশ দিলেন। জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমার মনে হয়, আবু তাইবা তার (উম্মে সালামার) দুধভাই অথবা একজন অপ্রাপ্তবয়ষ্ক বালক ছিলেন।

পরিশেষে বলা যায়, হিজামা নববী চিকিৎসা। এর মাধ্যমে অল্লাহর রহমতে ব্যাক পেইন, উচ্চ রক্তচাপ, পায়ে ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা, মাথাব্যথা (মাইগ্রেইন), ঘাড়ে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, জয়েন্টে পেইন, আর্থাইটিজ, যাদু, বাত, ঘুমের ব্যাঘাত, থাইরয়েড ব্যাঘাত, জ্ঞান এবং স্মৃতিশক্তিহীনতা, ত্বকের বর্জ্য পরিষ্কার, অতিরিক্ত স্রাব নিঃসরণ থামানো, অর্শ, অন্ডকোষ ফোলা, পাঁচড়া, ফোঁড়া ইত্যাদি রোগ ভাল হ’তে পারে।

হিজামার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাহিজামার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা শরীরের ত্বকের বিভিন্ন অংশে সুচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে দূষিত...
04/12/2023

হিজামার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

হিজামার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা শরীরের ত্বকের বিভিন্ন অংশে সুচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে দূষিত রক্ত বের করে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় কাপিং থেরাপি। আরবিতে একে বলা হয় হিজামা। শরীরের নানা স্থানের ব্যথা, মাইগ্রেন, উচ্চ রক্তচাপ, যৌন দুর্বলতা, চর্মরোগ, ডায়াবেটিস, কিডনি ও লিভারের সমস্যায় হিজামা করা হয়। কিন্তু এইসব রোগে হিজামার কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। প্রায় ৩০০০ বছর আগে চালু হওয়া এই চিকিৎসা পদ্ধতি বর্তমানে আরব, চীন, আফ্রিকা ও কোরিয়ার কিছু অঞ্চলে জনপ্রিয়।

হিজামার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

প্রাচীন কালে হিজামা করা হতো পশুর শিং দিয়ে। তারপর একসময় বাঁশ ও সিরামিকের কাপ তৈরি করে হিজামা করা হয়। কিন্তু বর্তমানে হিজামা হয় শুধুমাত্র কাঁচের তৈরি কাপ দিয়ে। কাপিং বা হিজামা মূলত দুই প্রকার, Wet Cupping ও Dry Cupping। কাপিং থেরাপিতে বেশিরভাগ সময়ই কাঁচের কাপ আগুনে গরম করা হয়। তারপর কাপটি শরীরের বিভিন্ন স্থানে বসিয়ে দেওয়া হয়। গরম কাপ শরীরে বসানোর ফলে কাপের ভিতর থাকা বাতাস ঠান্ডা হয়ে শূন্যস্থান তৈরি করে এবং কাপের ভিতর মাংস ফুলে লাল হয়ে উঠে। এর কয়েক মিনিট পর কাপের ভিতর রক্ত জমা হয়।

হিজামার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
হিজামার উপকারিতা ও অপকারিতা
কাপিং থেরাপি মূলত যারা স্বাস্থ্যবান তাদের জন্য নিরাপদ। দেহের যেসব স্থানে কাপ বসিয়ে হিজামা করা হয় সেসব স্থানে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। এর ফলে মাংপেশির টান উপশম হয় এবং শরীরে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়, কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়। তাছাড়া এটি নতুন সংযোজক টিস্যু গঠনে এবং নতুন রক্তনালী তৈরিতে সহায়তা করে। দাবী করা হয় যে, হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত বের করা হয় যার জন্য মানুষ আরোগ্য লাভ করে। কিন্তু যেসব রোগের জন্য হিজামা প্রচলিত তার সাথে রক্ত দূষণের সম্পর্ক নেই।

কাপিং থেরাপির ফলে দেহের নানা স্থানে কালো ছোপ ছোপ দাগ হয়, ত্বকে ইনফেকশন হয় ও ফোস্কা পড়ে, দেহের নানা স্থানে ফোড়া, শরীরে ব্যথা হতে পারে। যাদের উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ আছে তাদের জন্য কাপিং বিপদজনক। তাছাড়া কাপিং এর সময় রক্তশূন্যতা, মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ভ্যাসোভেগাল এটাক হতে পারে। আবার ফায়ার কাপিং এর ক্ষেত্রে অনেক সময় দেহে এতো বেশি ফোস্কা পড়ে যে তার জন্য স্কিন গ্রাফটিং করতে হয়।

হিজামার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
কাপিং থেরাপি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। একে অনেকে ছদ্মবিজ্ঞান হিসেবে দেখেন। কিন্তু কাপিং এর উপর করা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার সংখ্যাও কম। হয়তো ভবিষ্যৎকালে যথাযথ গবেষণা হলে আমরা কাপিং থেরাপির বৈজ্ঞানিক উপকারিতাও জানতে পারবো।

হিজামা কিভাবে কাজ করে?বদ-রক্ত, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সাথে বের করে নিয়ে আসা হয়। যা শরীর থেকে রোগের জ...
23/09/2023

হিজামা কিভাবে কাজ করে?

বদ-রক্ত, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সাথে বের করে নিয়ে আসা হয়। যা শরীর থেকে রোগের জন্য দায়ী জীবাণু সরিয়ে ফেলে। এর মাধ্যমে বর্তমানে সংক্রামক সকল রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এছাড়া অসংক্রামক অনেক রোগও ভালো হয় নিয়মিত হিজামা করালে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও রক্ত পরিষ্কার রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত জৈব-রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশন করে।

হিজামা একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিক্যাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবহানাল্লাহ)। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নিজের জন্য এ চিকিৎসাটি করিয়েছিলেন

হিজামা সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হাদীস দেখেন নিতে পারেন। এছাড়াও আরও হাদিস রয়েছে।

ক) ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর সূত্রে নবী (সাঃ) থেকে বর্নিত, “তিনি বলেন রোগমুক্তি তিন জিনিসের মধ্যে রয়েছে। হিজামা লাগানো, মধু পাণ করা এবং আগুন দিয়ে দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করি”

ছ) কালো যাদু বা কুফুরী বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যেঃ ইবনুল কাইয়্যূম (রহঃ) মন্তব্য করেন, রাসুলুল্লাহ রাসুলুল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হন তখন তিনি মাথায় সিঙ্গা লাগান এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিকভাবে করা হয়। (যাদ আল মাআদঃ ৪/১২৫-১২৬)

গ) হযরত আবদুল্লাহ্ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হিজামাকারী কতইনা উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।” সুনানে তিরমিযী, হাদীছ নম্বর: ২০৫৩

হিজামা কি???হিজামা বা কাপিং এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যার মাধ্যমে শরীরের ত্বকের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত চোষণ বা শোষণের মাধ্...
22/09/2023

হিজামা কি???

হিজামা বা কাপিং এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যার মাধ্যমে শরীরের ত্বকের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত চোষণ বা শোষণের মাধ্যমে বের করা হয়৷ কাপিংয়ের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে হিজামা বা wet cupping এবং ফায়ার কাপিং বহুল প্রচলিত।

হিজামা ও এর ইতিহাস

হিজামা পদ্ধতির প্রচলন কবে থেকে শুরু হয়েছে এ বিষয়ে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না৷ তবে ধারণা করা হয়, এখন থেকে প্রায় ৩০০০ বছর পূর্বে এটি চালু হয়৷ বর্তমানে আরব, আফ্রিকা, চীন ও কোরিয়ার কিছু অঞ্চলে হিজামা বেশ জনপ্রিয়৷

রাসুলের (স.) হিজামা গ্রহণ ও বর্তমান প্রেক্ষিত

রাসুল (স.) নিজে হিজামা পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন এবং অন্যদের উৎসাহ প্রদান করেছেন এমন কিছু হাদীস বুখারী, মুসলিম, তিরমীযি, আবু দাউদ ও নাসাঈতে পাওয়া যায়৷ আর এর ভিত্তিতে বর্তমানে কেউ কেউ হিজামা বা কাপিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন যে এটি সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি৷

মূলত বিভিন্ন সূত্র মতে জানা যায়, রাসুলের (স.) যুগের প্রায় ১৫০০ বছর আগ থেকেই কাপিং বা হিজামার প্রচলন ছিল৷ সে সময় পেইন ম্যানেজমেন্ট ও আরও কিছু রোগের চিকিৎসার মধ্যে হিজামাই ছিল সবচেয়ে আরামদায়ক ও উৎকৃষ্ট পদ্ধতি৷ সেজন্য রাসুল (স.) এটি গ্রহণ করেছেন এবং অন্যদের তা গ্রহণে উৎসাহ দিয়েছেন৷ তবে এটি না ছিল রসুল (স.) বা সাহাবাদের কর্তৃক আবিষ্কৃত কোন পদ্ধতি, না এটি সুন্নাহর অন্তর্গত৷ বরং যুগের বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা গ্রহণ করাই হলো সুন্নত৷

সুতরাং অসুস্থতায় হিজামা গ্রহণ না করে, বরং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির অনুসরণই সুন্নত ও বিবেকবানের কাজ হবে৷

হিজামা যে সকল রোগের সমাধানঃহিজামা মুলত মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য নববী এক চিকিৎসার ব্...
21/09/2023

হিজামা যে সকল রোগের সমাধানঃ

হিজামা মুলত মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য নববী এক চিকিৎসার ব্যবস্থার নাম। আর জ্বীনযাদু/যাদুর/সিহরের চিকিৎসার জন্য রুকইয়াহ এর সাথে সাথে হিজামা ও খুব গুরত্বপূর্ণ কার্যকরী ভুমিকা রাখে। তাই রুকইয়াহ এর সাথে সাথে হিজামার সম্পর্কও খুবই গুরত্বপূ

হিজামাতে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়:
(১) রক্তদূষণ, উচ্চরক্তচাপ, (২) ঘুমের ব্যাঘাত, স্মৃতিভ্রষ্টতা, মানসিক সমস্যা, (৩) মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যাথা, অস্থি সন্ধির ব্যাথা, পিঠে ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী সাধারণ মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে ব্যাথা, কোমর ব্যাথা, পায়ে ব্যাথা, মাংসপেশীর ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা, হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা।
(৪) সাইনুসাইটিস (৫) ব্রণ (৬) কোলেস্টেরল (৭) হাঁপানি (৮) গ্যাস্ট্রিক পেইন, গ্যাস্ট্রিক আলসার (৯) বিষক্রিয়া (১০) দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (১১) ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন (১২) ফোঁড়া-পাঁচড়া (১৩) চুল পড়া (১৪) স্পোর্টস ইঞ্জুরি (১৫) হরমোনাল সমস্যা (১৬) ইরেক্টিল ডিসফাংশন [ই.ডি], (১৭) মাদকাসক্ত এবং আরও অনেক সমস্যার জন্য হিজামা কার্যকরী ইনশাআল্লাহ

হিজামার পদ্ধতি:

এই চিকিৎসা ব্যবস্থা বহু প্রাচীণ। আগে বাঁশ কিংবা প্রাণীর শিং ব্যবহার করে এই চিকিৎসা করা হত। কিন্তু বর্তমানে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশ থেকে সাধারণত গ্লাস কিংবা প্লাস্টিক কাপের সাহায্যে রক্ত বের করে ফেলে দেয়া হয়। এর দ্বারা ভেতরের দূষিত রক্ত দূর হয়ে যায়। যার ফলে মানুষ প্রশান্তি অনুভব করে।

হিজামা (حِجَامَة)একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা। এটি আরবী শব্দ আল-হাজম থেকে এসেছে, যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এটি একটি ছোট...
20/09/2023

হিজামা (حِجَامَة)একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা। এটি আরবী শব্দ আল-হাজম থেকে এসেছে, যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এটি একটি ছোট আকারের সার্জিকাল চিকিৎসা;যেখানে নেগেটিভ সাকশানের মাধ্যমে শরীর থেকে রোগ তৈরী করে- এমন সব জিনিস (Toxin) এবং রোগের কারণে তৈরী হওয়া জিনিসগুলো শুষে বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অর্গান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।এই চিকিৎসা ব্যবস্থা বহু প্রাচীন। আগে বাঁশ কিংবা প্রাণীর শিং ব্যবহার করে এই চিকিৎসা করা হত,কিন্তু বর্তমানে সাধারণত গ্লাস কিংবা প্লাস্টিকের কাপ ব্যবহার করে এটা করা হয়। এই চিকিৎসা পুরোপুরি বিজ্ঞান সম্মত এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোন ওষুধের প্রয়োজন হয়না বলে উন্নত বিশ্বে এটি এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় অল্টারনেটিভ ট্রিটমেন্ট সিস্টেম।

কোমর ব্যথার জন্য অত্যন্ত কার্যকরি হিজামা চিকিৎসাঃ

কোমর ব্যথা নাই এমন মানুষের সংখ্যা খুব কমই আছে। কোমর ব্যথা বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ হল কোমরে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া,স্নায়বিকদুর্বলতা,স্পনডাইলোসিস,মাসলে সমস্যা,বাতব্যথা,গেটেবাত,অষ্টিওআথ্রাইটিস,অস্টিওপোরোসিস,বয়সজনিত কারনে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া।এসকল সমস্যাগুলিতে হিজামা cupping therapy খুবই উপকারী চিকিৎসা। কারন হিজামা দ্বারা রক্ত চলাচল বেড়ে যায় নার্ভগুলো সচল হয়। রক্তে ইউরিক এসিড এবং হরমোনগুলি স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। হিজামার কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

🔵 নির্বিচারে বনভূমি উজাড় করার ফলে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষিত হচ্ছে না। ফলে ওজোন স্তরের ক্ষয়জনিত কারণে সূর্যের অতি...
16/09/2023

🔵 নির্বিচারে বনভূমি উজাড় করার ফলে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষিত হচ্ছে না। ফলে ওজোন স্তরের ক্ষয়জনিত কারণে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি মাত্রাতিরিক্ত পৃথিবীতে পৌঁছাচ্ছে। এভাবে পৃথিবী হয়ে উঠছে উত্তপ্ত। এছাড়া ও অনেক গাছে রয়েছে ঔষধি গুনাগুন।ঔষধি গুনাগুন সম্পন্ন গাছ দ্বারা আমাদের অনেক রোগ নিরাময় করা যায়।তেমনি একটি ঔষধি গুনাগুন সমৃদ্ধ গাছ হচ্ছে সজনে গাছ, এর পাতা ফল আমাদের ডায়াবেটিস সহ অনেক রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।এসব গাছ লাগিয়ে নিজে নিরাপদ থাকি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ি।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮৩ বছর বয়সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়...
15/08/2023

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮৩ বছর বয়সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে ১৩ আগস্ট রবিবার তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০ – ১৪ আগস্ট ২০২৩) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ইসলামি পণ্ডিত, বক্তা এবং রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসাবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত থেকে হত্যার মতো মানবতাবিরোধী কার্যক্রমে সাহায্য করার অভিযোগে তাকে ২০১৩ সালে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে-আমির ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রথমবার এবং ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০১১ সালে সাঈদীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার বিরূদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুটতরাজ ও সংখ্যালঘু হিন্দুদের জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের ২০ দফা অভিযোগ আনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৩ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০টি অভিযোগের মধ্যে প্রদত্ত বিচারের রায়ে আটটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং দু'টি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এই রায়ের নিন্দা করে এবং অভিযোগগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভুল পরিচয়ের মামলা বলে আখ্যায়িত করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তার বিচারের রায়ের সমালোচনা করেছিল। তার ফাঁসির রায় ঘোষণা হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রতিবাদ ও সহিংসতা শুরু করেছিল।এই রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করা হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিলের রায় পর্যবেক্ষণ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ফাঁসির সাজা কমিয়ে সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদন্ড প্রদান করে।

­­­১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসায় স...
15/08/2023

­­­১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসায় সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে সপরিবারে নিহত হন। সেদিন তিনি ছাড়াও নিহত হন তার স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। এছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ নিহত হন আরো ১৬ জন।

১৫ আগস্ট নিহত হন মুজিব পরিবারের সদস্যবৃন্দ: ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু পুত্র শেখ রাসেল; পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল; ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগনে শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি। বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসেন কর্নেল জামিলউদ্দীন, তিনিও তখন নিহত হন। দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও তার ছোটবোন শেখ রেহানা।

প্রতি বছর ১৫ আগস্ট জাতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের, পালিত হয় জাতীয় শোক দিবস।

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ একটি বার্ষিক উদ্‌যাপন যা প্রতি বছর পৃথিবীর ১২০টিরও বেশি দেশে ১ থেকে ৭ আগস্ট পালন করা হয়। শিশুকে ...
01/08/2023

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ একটি বার্ষিক উদ্‌যাপন যা প্রতি বছর পৃথিবীর ১২০টিরও বেশি দেশে ১ থেকে ৭ আগস্ট পালন করা হয়। শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোয় উৎসাহ দিতে এবং শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে এই কর্মসূচি। ডব্লিউবিডব্লিউ (WBW) ওয়েবসাইটের ২৬ আগস্ট,২০১০ এর তথ্য অনুযায়ী ২০১০ সালের বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ৭৯ টি দেশের ৪৮৮ টি সংস্থা এবং ৪০৬,৬২০ জন অংশগ্রহণকারী বিশ্বব্যাপী ৫৪০ টি কর্মসূচির আয়োজন করে। সম্পূর্ণ তালিকার জন্য WBW প্রতিশ্রুতি ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে দেখুন।
‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১৮’ এর প্রতিপাদ্য ছিল ‘মায়ের দুধ পান সুস্থ জীবনের বুনিয়াদ’। নবজাতকের জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই, বিকল্প নেই শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশেও। মায়ের দুধের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’। বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২০ এর প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যকর ধরিত্রীর জন্য মায়ের দুধকে সমর্থন করুন’।

কল করুনঃ- ০১৮৪১৭৫০২৫৫

Address

বউ বাজার, হালিশহর রোড, চট্রগ্রাম।
Chittagong
4224

Telephone

+8801841750255

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Retina hijama center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share