জৈবিক কাজ আপনার মৌলিক অধিকার
বিভিন্ন কারনে হয় তো আমরা এই অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকি
হয়তো ডিভোর্স হয়ে গেছে, প্রেম ভেঙে গেছে, ঘরের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ভালো না
আবার যৌথ পরিবার অনেক কিছুই নিজের মনের মত হয় না। ইত্যাদি
যেমন বিশ্বের অন্যান্য দেশে অবাধে মেলামেশা বৈধ। তাই তারা উন্নত কারণ বিশ্বের প্রতিটি দেশের নাগরিক যখন ওই দেশে চাকরি করে টাকা উপার্জন করে ঠিক সরকারও চিন্তা করে আমাদের দেশের টাক
া কিভাবে আমাদের কাছে রাখা যায়। তাই মদ, জুয়া, নারী উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
তাই,
সম্মানিত গ্রাহক ও মেয়েরা, আপনাদের সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, সকল মেয়ে আউট কল সার্ভিস দেয় শুধু তারাই জয়েন করবেন এই চ্যানেলে। আমাদের কোন ফি বা টাকা লাগবে না। আমাদের একটা সার্ভিস চার্জ আছে যা হচ্ছে প্রতিটি কন্ট্রাকে আমরা প্রতিটি মেয়েকে ক্লায়েন এর লোকেশনে পৌঁছে দিবো এবং আমরাই নিয়ে আসবো এই হিসেবে যাওয়ার গাড়ি ভাড়া মেয়ে থেকে নিব ও আসার গাড়ি ভাড়া ক্লায়েন্ট থেকে নিব। বি:দ্র: নতুন মেয়েদের বোনাস টাকা দেওয়া হবে। শর্তসমূহ- ১) এনআইডির ছবি দিতে হবে। গোপনীয়তা থাকবে ১০০%। ২) মোবাইল নাম্বার ব্যক্তিগত টি দিতে হবে এবং ক্লায়েন্টের জন্য আমরা সিম ও মোবাইল দিয়ে দিব। কাজ শেষে মোবাইল ফেরত দিতে হবে।
৩) পরিবারের একজনের মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। অনুমতি ছাড়া ঐ নাম্বারে আমরা কল করবো না। আর বিশেষ প্রয়োজন হলে ঐ নাম্বারে যোগাযোগ করা হবে। যেমন- কোন কারণে অসুস্থ হয়ে গেলে অথবা অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে। তাও বিশেষ কৌশলে। ৪) প্রতিটি ক্লায়েন্ট থেকে নিরাপত্তার সাথে ভোটার আইডি কার্ড এর ফটোকপি এবং চুক্তি নামায় স্বাক্ষর করে সার্ভিস দেওয়া হবে। ৫) কাজের ধরন মেয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে। ৬) মেয়ের নিরাপত্তার জন্য আমরা বিশেষ ট্র্যাকার ডিভাই ব্যবহার করবো। যাতে ইমার্জেন্সি কোন প্রয়োজনে শুধু মাত্র একটি ক্লিকে আমরা জানতে পারি এবং লোকেশনে যেতে পারি। ৭) প্রতিটি মেয়েকে আমরা বিনামূল্যে লাইফ ও হেলথ ইন্স্যুরেন্স করে দিবো ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কাভারেজ পাবে। ৮) মেয়েদের ক্ষেত্রে অবশ্যই সৎ ও চরিত্রবান হতে হবে। কারণ আমাদের কাছে সকল ভিআইপি ক্লায়েন্ট আসবে। তাদের কোন প্রকার ছবি তুলে রাখা অথবা ভিডিও ধারণ করা যাবে না। ক্লায়েন্টের বাসা বা হোটেল থেকে তাদের ব্যাক্তিগত কোন কিছু চুরি করা যাবে না। যেমন- মোবাইল, মানিব্যাগ, ঘড়ি ও অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনীয় কিছু। এবং ক্লায়েন্টের থেকে কোন প্রকার বকশিস বা অপ্রত্যাশিতভাবে টাকা দাবি করা যাবে না। খুশি হয়ে যা দেয়। এই ধরনের কাজে প্রমাণিত হলে মেয়েকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং জরিমানা করা হবে।