16/05/2026
ভিডিওটার শুরুটা দেখেন শুধু,রুম থেকে টেনেহিঁচড়ে পিটিয়ে বাইর করতেছে। আবার বাইরে পিটাচ্ছে। ইমার্জেন্সি গেইটের বাইরে পিটাচ্ছে। এম্বুলেন্সের দিকে ডাক্তার যাচ্ছে সেদিকে গিয়ে পিটাচ্ছে। মানে পিটাচ্ছে।
কেউ লুঙ্গি পরে,কেউ মেক্সি পরে। সবাই ডাক্তার পিটাচ্ছে।
কারণ,ডাক্তার তাদের MI এর রোগীকে বাচাতে পারেনি।
(ঘটনাস্থল:শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল । রাত ১ :১০ এর দিকে
ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর(ডা নাসির বিসিএস ৪৮ তম ব্যাচ এটাচমেন্টে সদরে কর্মরত ) ডিউটিরত অবস্থায়। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ৩/৪ গুণ বেশি রোগি ভর্তি থাকে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল টিতে।
ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর নাসির যথানিয়ম এ রোগি দেখছেন ইমার্জেন্সি তে বসে।
একটা MI এর রোগি ৬০/৪০ ব্লাড প্রেশার নিয়ে ২ দিন পুরানা বুকে ব্যথা নিয়া ভর্তি হয়েছিল রিস্ক বন্ড দিয়ে যে তারা ঢাকা নিতে অপারগ রাত ১২:২০ এর দিকে..
রোগি কার্ডিয়োজেনিক শকে থাকায় রোগির অবস্থা খারাপ হতে থাকে।।৩ তলায় ওয়ার্ডে রোগি ভর্তি থাকায় রোগির লোক ইমার্জেন্সি ডিউটি ডাক্তারের কাছে আসতে বিলম্ব হয় এবং ডিউটি ডাক্তার যেয়ে রোগিকে মৃত পায়।
অত:পর রোগির স্বজন ১৫০/২০০ মানুষ হাসপাতাল ইমার্জেন্সি তে জড়ো করে।
বেধড়ক পিটায় ডা নাসির ভাই কে।দরজার কাচ ভেংগে দরজা ভেংগে ভিতরে ঢুকে,পরিস্থিতি খারাপ দেখে ডা নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেয়, সেটা ভেংগে ডা নাসির ভাইকে মারতে মারতে বের করে।ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল হয়ত।৩ জন আনসার ও গুরুতর আহত হয়।।পুলিশ আসতে আসতে ডা নাসিরকে মেরে আধমরা করে ফেলে ডায়ারিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যায়।।
কর্মক্ষেত্র নিরাপদ না হলে এরকম নিরাপত্তাহীনতায় সেবা প্রতিষ্ঠান এ কাজ করা অসম্ভব।
#কর্মস্থলে_নিরাপত্তা_চাই