Medi Advice

Medi Advice স্বাস্থ্য বিষয়ক ফেসবুক পেজ |
(1)

চুলকানি দূর করার জন্য কিছু সহজ ও ঘরোয়া উপায়....জেনে নিন।
07/08/2026

চুলকানি দূর করার জন্য কিছু সহজ ও ঘরোয়া উপায়....জেনে নিন।

ভাত খাওয়ার পর ঘুমানো, গোসল করা এবং চা বা ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই কাজগুলো খাবার হজমে বাধা দেয় এবং পেটে সমস্...
03/08/2026

ভাত খাওয়ার পর ঘুমানো, গোসল করা এবং চা বা ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই কাজগুলো খাবার হজমে বাধা দেয় এবং পেটে সমস্যা তৈরি করে।ক্ষতিকর কাজসমূহ:
➤ঘুমানো: ভরা পেটে ঘুমালে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। এতে বুকজ্বালা, গ্যাস ও ওজন বাড়ার সমস্যা হতে পারে।
➤গোসল করা: খাওয়ার পর পরই গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। এতে পেটের রক্ত চলাচল কমে গিয়ে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়।
➤চা পান করা: ভাত খাওয়ার পর চা খেলে চায়ের উপাদান খাবারের প্রোটিন ও আয়রন শোষণ করতে বাধা দেয়। ফলে পুষ্টির অভাব হতে পারে।
ফল খাওয়া: খাওয়ার ঠিক পরেই ফল খেলে পেটে গ্যাস, বুক ফুলা বা বদহজম হতে পারে। ফল খাওয়ার জন্য খাবার থেকে অন্তত এক-দুই ঘণ্টা ফাঁকা রাখা ভালো।
➤ধূমপান করা: খাওয়ার পর ধূমপান করলে শরীরের ক্ষতি বহুগুণ বেড়ে যায়। এটি ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়।

আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় সঠিক পুষ্টি যোগ করুন - ৭টি সহজ স্বাস্থ্য টিপস
01/08/2026

আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় সঠিক পুষ্টি যোগ করুন - ৭টি সহজ স্বাস্থ্য টিপস

রোগ বুঝে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।১. হজমের সমস্যা: আদা, লেবু।২. ঠান্ডা-জ্বর: মধু, তুলসী চা।৩. মাথাব্যথা: আদা, কফি।৪. ঘুম...
29/07/2026

রোগ বুঝে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
১. হজমের সমস্যা: আদা, লেবু।
২. ঠান্ডা-জ্বর: মধু, তুলসী চা।
৩. মাথাব্যথা: আদা, কফি।
৪. ঘুমের সমস্যা: গরম দুধ, বাদাম।
৫. কোষ্ঠকাঠিন্য: ইসবগুল, লাউ।
৬. উচ্চ র"ক্তচাপ: রসুন, কলা।
৭. গ্যাসের সমস্যা: জিরা পানি, মৌরি।
৮.ঠোঁট ফাটা: নারকেল তেল, মধু।
৯.ত্বক অ্যালার্জি: নিমপাতা।

সব সময় নিজের যত্ন না নেওয়ার ফলে শরীরে আমার বাসা বেধেছে কিছু রোগ। আমি বুঝি নিজের যত্ন, নিজের দায়িত্ব নিজেকে নিতে হয়। কারণ...
24/07/2026

সব সময় নিজের যত্ন না নেওয়ার ফলে শরীরে আমার বাসা বেধেছে কিছু রোগ। আমি বুঝি নিজের যত্ন, নিজের দায়িত্ব নিজেকে নিতে হয়। কারণ আমি নিজেই নিজেকে অবহেলা করে অনেক বাজে পরিস্তিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছি। এগুলোর মধ্যে যে একটি জটিল রোগে ভুগেছি সেটাই বলি।

✔️কিছুদিন আগে আমি পাইলস রোগে আক্রান্ত হই। না টয়লেট হচ্ছে, না নিযে সুস্থ ভাবে কোথাও বসতে পারছি। প্রচুর জ্বালা-পোড়া। দিন গুলো আজো চিন্তা করতে গেলে কষ্ট লেগে ওঠে। প্রচন্ড ব্যস্ততার কারণে খাওয়া-দাওয়া ও পর্যাপ্ত পানি না খাওয়ার কারণে এমনটা হয়েছিল বুঝেছি। এবার চলুন কেন পাইলস হয় সেটা নিয়ে সংক্ষেপে কিছু কথা বলি।

👉মলদ্বারের ভেতরে এবং বাইরের রক্তনালীগুলো যখন কোনো কারণে ফুলে যায় বা প্রসারিত হয়, তখনই পাইলস সৃষ্টি হয়।

​পাইলস হওয়ার প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

​১. কোষ্ঠকাঠিন্য ও দীর্ঘমেয়াদী পেট খারাপ📌
​পাইলসের সবচেয়ে বড় কারণ হলো দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য। শক্ত মল ত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ (Straining) দিতে হয়, যা মলদ্বারের রক্তনালীর ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। একই সাথে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়াও পাইলসের ঝুঁকি বাড়ায়।

​২. টয়লেটে দীর্ঘ সময় বসে থাকা📌
​অনেকেই টয়লেটে বসে মোবাইল ব্যবহার করেন বা দীর্ঘক্ষণ বই/পত্রিকা পড়েন। এভাবে দীর্ঘ সময় বসে থাকা মলদ্বারের শিরাগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, যা রক্তনালীগুলোকে ফুলে যেতে সাহায্য করে।

​৩. আঁশযুক্ত খাবারের অভাব📌
​খাদ্যতালিকায় ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার (শাকসবজি, ফলমূল, ভুষিযুক্ত শস্য) কম থাকলে মল শক্ত হয়, যা পরোক্ষভাবে পাইলসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

​৪. গর্ভাবস্থা📌
​নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় পাইলস হওয়া খুবই স্বাভাবিক। এর কারণ হলো গর্ভস্থ বাচ্চার চাপে পেলভিক অঞ্চলে রক্ত সঞ্চালনের ওপর প্রভাব পড়ে এবং জরায়ুর ওজনের কারণে মলদ্বারের শিরার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়।

​৫. শারীরিক পরিশ্রম ও ওজনের প্রভাব📌

✅​ভারী ওজন তোলা: বারবার খুব ভারী ওজন বহন করলে শরীরের ভেতরের চাপে মলদ্বারের শিরাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

✅​স্থূলতা (Obesity): শরীরের অতিরিক্ত ওজন মলদ্বারের রক্তনালীর ওপর স্থায়ী চাপ সৃষ্টি করে।

​৬. বয়স ও শারীরিক অবস্থা📌
​বয়স বাড়ার সাথে সাথে মলদ্বারের চারপাশের টিস্যুগুলো দুর্বল হয়ে যায়, যার ফলে পাইলস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে বা বসে থাকা পেশার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদেরও এই ঝুঁকি থাকে।।।

ঔষধ ছাড়া সুস্থ থাকার উপায়..১. খাবার খেয়ে শুয়ে পড়বেন না।২. ঠান্ডা পানিতে ওষুধ খাবেন না।৩. ফোন বাম কানে নিয়ে কথা বলবেন না...
23/07/2026

ঔষধ ছাড়া সুস্থ থাকার উপায়..
১. খাবার খেয়ে শুয়ে পড়বেন না।
২. ঠান্ডা পানিতে ওষুধ খাবেন না।
৩. ফোন বাম কানে নিয়ে কথা বলবেন না।
৪. দিনে বেশি করে পানি পান করবেন এবং রাতে কম করবেন।
৫. বিকেল ৫টার পর বাড়ি খাবার খাবেন না।
৬. রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত ঘুমানো-সর্বোত্তম সময়।
৭. যখন ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে আসবে তখন ফোন ব্যবহার করবেন না, এই সময় রিডিয়েশন ১০০০ গুণ বেশি হয়।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৭টি টিপস।
23/07/2026

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৭টি টিপস।

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি শক্তিশালীভেজানো ৬টি খাবার..
05/07/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী
ভেজানো ৬টি খাবার..

আপনার খাবার, আপনার চিকিৎসার পণ্য।
04/07/2026

আপনার খাবার, আপনার চিকিৎসার পণ্য।

মানসিক চাপ নিয়ে রাত ৯ টার পর খাবার খেলে হজমশক্তি কমে যায় প্রায় ৩৯% !Digestive Disease Week 2026-এ উপস্থাপিত একটি মাল্টি-...
02/07/2026

মানসিক চাপ নিয়ে রাত ৯ টার পর খাবার খেলে
হজমশক্তি কমে যায় প্রায় ৩৯% !

Digestive Disease Week 2026-এ উপস্থাপিত একটি মাল্টি-কোহর্ট গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের NHANES জরিপের ১১,০০০-এর বেশি প্রাপ্তবয়স্ক এবং American Gut Project-এর ৪,০০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

শুধু দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপই হজমজনিত সমস্যার ঝুঁকি প্রায় ৩২% বাড়িয়েছে। কিন্তু যখন এর সঙ্গে নিয়মিত দেরিতে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস যুক্ত হয়েছে, তখন ঝুঁকি আরও অনেক বেড়ে গেছে। উচ্চ মানসিক চাপ ও দেরিতে খাওয়া এই দুই বৈশিষ্ট্য যাদের ছিল, তাদের ৩৯.৩% মলত্যাগের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তুলনায়, কম মানসিক চাপ এবং স্বাভাবিক সময়ে খাবার খাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে এই হার ছিল ২৩.২%।

গবেষকেরা দেখেছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে (Chronic Stress) ছিলেন এবং রাত ৯টার পর দৈনিক মোট ক্যালরির ২৫%-এর বেশি গ্রহণ করতেন, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার মতো অস্বাভাবিক মলত্যাগের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা ১.৭ থেকে ২.৫ গুণ বেশি ছিল।

এই অভ্যাস অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য (Microbial Diversity) পরিমাপ করে গবেষকেরা দেখেছেন, যাদের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস দুটিই ছিল, তাদের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই অবস্থাকে গাট ডিসবায়োসিস (Gut Dysbiosis)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। কারণ, কম ব্যাকটেরিয়াল বৈচিত্র্য ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS) থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিপাকীয় (Metabolic) রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।

গবেষকেরা এই বিষয়টিকে “ক্রোনোনিউট্রিশন-স্ট্রেস অ্যাক্সিস (Chrononutrition-Stress Axis)” নামে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ, আপনি কখন খাবার খান এবং আপনি কতটা মানসিক চাপে আছেন এই দুটি বিষয় একসঙ্গে আপনার অন্ত্রের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে।

আমাদের হজমের এনজাইম, অন্ত্রের চলাচল (Gut Motility) এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা (Insulin Sensitivity) সবই শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ঘড়ির নিয়ম অনুসরণ করে। তাই গভীর রাতে খাওয়া এই ব্যবস্থাগুলোকে এমন সময় কাজ করতে বাধ্য করে, যখন সেগুলোর কার্যকারিতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এর ওপর যদি দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ যুক্ত হয়, তাহলে গবেষণার প্রধান লেখকের ভাষায় এটি শরীরের জন্য “ডাবল হিট” বা দ্বিগুণ নেতিবাচক আঘাতের মতো কাজ করে।

স্ট্রেস শুধু মনকেই প্রভাবিত করে না, এটি মস্তিষ্ক–অন্ত্র (Brain–Gut Axis)-এর মাধ্যমে সরাসরি হজমতন্ত্রের কার্যকারিতাকেও প্রভাবিত করে। স্ট্রেসের সময় শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন বাড়ে। ফলে পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয় থেকে হজমের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম ও রসের নিঃসরণ ব্যাহত হতে পারে। এতে খাবার ঠিকভাবে ভাঙতে সমস্যা হয়।

এর সমাধান হিসেবে রাতে দেরীতে খাবার খাওয়া পরিহার করতে হবে। সম্ভব হলে ঘুমোতে যাবার ২-৩ ঘন্টা পূর্বে খাবার খাওয়া উত্তম। খাবার খাওয়ার পরপরই বিশ্রাম না নিয়ে হাঁটলে ইনসুলিন হরমোনের সেন্সসিটিভিটি বাড়ে এবং স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল কমে। খুব ক্ষুধা লাগলে শর্করা না খেয়ে শুধু প্রোটিন ও চর্বি যুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস অথবা ডিম খেলেও শরীরে ইনসুলিন স্পাইক হবে না। এর পাশাপাশি পেটের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া সম্বলিত টক দই খেলেও দারুণ উপকার পাওয়া সম্ভব। এই বিষয়গুলো অনুসরণ করলে গভীর ঘুমে যেতেও সহায়তা হবে।

Address

Bahaddarhat
Chittagong
4217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medi Advice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share