Hijama Avenue : Cupping & Ruqyah Center

Hijama Avenue : Cupping & Ruqyah Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hijama Avenue : Cupping & Ruqyah Center, Medical and health, Chowdhury House, 623/1019, Poshchimpar Askardighi, Chattogram. (Opppsite to Chattagram Ansar VDP Zila Commandant Office), Chittagong.

হিজামা এবং রুকিয়াহ হলো হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ যা শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসার জন্য উপকারী।
রুকিয়াহ আল্লাহর রাসূল (সা:) প্রয়োগ করা হয় সেহের/জাদুর কারণে।
আমাদের ক্লিনিক ডা:, মাও:, হাফিজ এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত (২০১৭)।
মহিলাদের জন্য মহিলা থেরাপিষ্ট আছেন।

দৈনিক ইত্তেফাকের নিউজ..বর্তমান পৃথিবীতে যাদুর বাস্তবতা ভয়াবহ।
25/06/2026

দৈনিক ইত্তেফাকের নিউজ..

বর্তমান পৃথিবীতে যাদুর বাস্তবতা ভয়াবহ।

25/06/2026

কুদৃষ্টি বা বদনজর: ইসলামে এর প্রভাব ও বাঁচার উপায়

​পরশ্রীকাতরতা বা হিংসা মানুষের মনকে যেমন বিষাক্ত করে, তেমনি অন্যের অর্জনের দিকে হিংসুটে মনের ক্ষতিকর দৃষ্টি অন্যের বড় ধরনের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। ইসলামে একেই বলা হয় 'বদনজর' বা কুদৃষ্টি। বদনজর যে কেবল একটি কুসংস্কার নয়, বরং একটি বাস্তব সত্য—তা স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের সতর্ক করে গিয়েছেন।
​আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন:
"বদনজর লাগা একটি সত্য ব্যাপার।" (আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৭৯)

​তাই নিজের জীবন, সন্তান-সন্ততি, পরিবার এবং কষ্টার্জিত সম্পদকে মানুষের কুদৃষ্টি থেকে আড়ালে রাখা এবং মহান আল্লাহর কাছে নিয়মিত আশ্রয় চাওয়া আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।

​শিশুদের ওপর বদনজরের প্রভাব:

​বদনজরের প্রভাব এতটাই তীব্র হতে পারে যে, নিষ্পাপ ও কোমলমতি শিশুরাও এর কারণে হুট করে নানা রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে।

★​হাদিসের প্রমাণ: আম্মাজান উম্মে সালামা (রা.) বলেন, একদিন মহানবী (সা.) তাঁর ঘরে এক মেয়ের চেহারা মলিন (বিবর্ণ) দেখলেন। তখন তিনি বললেন, "তাকে ঝাড়ফুঁক করাও, কেননা তার ওপর নজর লেগেছে।" (বুখারি, হাদিস: ৫৭৩৯)

★​তাকদির ও বদনজর: উবায়দ ইবনে রিফাআ (রা.) থেকে বর্ণিত, আসমা বিনতে উমায়স (রা.) যখন রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন যে জাফরের সন্তানদের দ্রুত নজর লেগে যায়, তাই তিনি ঝাড়ফুঁক করতে পারবেন কি না; তখন নবীজি (সা.) বলেন— "হ্যাঁ, কোনো জিনিস যদি তাকদিরকে অতিক্রম করার মতো হতো, তবে বদনজর তা অবশ্যই অতিক্রম করত।" (তিরমিজি, হাদিস: ২০৫৯)

​বদনজর ও জাদুটোনা থেকে বাঁচার ৩টি কোরআনি আমল:

​আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) নিজে বদনজর ও অনিষ্ট থেকে বাঁচতে পবিত্র কোরআনের বিশেষ কিছু সুরা নিয়মিত আমল করতেন। সাহাবি আবু সাঈদ (রা.)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, সুরা ফালাক ও সুরা নাস (মুআউওজাতাইন) নাজিল হওয়ার পর রাসুল (সা.) জিন ও বদনজর থেকে বাঁচার জন্য অন্য সব মাধ্যম ছেড়ে এই দুটি সুরাকেই স্থায়ী আমল হিসেবে গ্রহণ করেন। (তিরমিজি, হাদিস: ২০৫৮)

​শোবার আগে নবীজি (সা.)-এর নিয়মিত আমলের পদ্ধতিটি ছিল নিম্নরূপ:

★​তিন সুরা পাঠ: প্রতি রাতে বিছানায় যাওয়ার পর দুই হাতের তালু একত্র করে সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক এবং সুরা নাস পাঠ করতেন।

★​হাতে ফুঁ দেওয়া: সুরাগুলো পড়া শেষে নিজের দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিতেন।

★​দেহ মাসেহ করা: এরপর দুই হাত দিয়ে মাথা, চেহারা ও শরীরের সামনের দিক থেকে শুরু করে যতটুকু অংশ হাত পৌঁছায়, ততটুকু অংশ মাসেহ (মুছে নিতেন) করতেন। এভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি তিনি ৩ বার পুনরাবৃত্তি করতেন। (বুখারি, হাদিস: ৫০১৭, ৫৭৪৮)

​বদনজর লেগে গেলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা:

​যদি নিশ্চিত হওয়া যায় যে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির কুদৃষ্টি লেগেছে, তবে ইসলামে তার একটি চমৎকার ও অলৌকিক নিরাময় পদ্ধতি রয়েছে।

​ইবনে মাজাহ শরিফের (হাদিস: ৩৫০৯) একটি দীর্ঘ হাদিস থেকে জানা যায়, সাহাবি সাহল ইবনে হুনাইফ (রা.)-এর সুঠাম শরীর দেখে অন্য এক সাহাবি প্রশংসা করার পর পরই সাহল (রা.) অসুস্থ ও বেহুঁশ হয়ে পড়েন। ঘটনাটি রাসুল (সা.)-এর কাছে পৌঁছালে তিনি বলেন— "তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের মনোমুগ্ধকর কিছু দেখলে যেন তার জন্য বরকতের দোয়া করে (যেমন: মা-শা-আল্লাহ, বারাকাল্লাহ)।"

​চিকিৎসা পদ্ধতি:
নবীজি (সা.)-এর নির্দেশনায় সেই দৃষ্টি দেওয়া ব্যক্তিকে অজু করানো হয়। তার মুখমণ্ডল, দুই হাত, দুই পা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধোয়ার পর পাত্রের অবশিষ্ট পানিটুকু আক্রান্ত ব্যক্তির (সাহল রা.) পিঠের দিক থেকে ঢেলে দেওয়া হয়। অলৌকিকভাবে, পানি ঢালার পরপরই তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।

​আমাদের করণীয়:

​নিজের বা অন্যের কোনো সুন্দর জিনিস দেখলে সবসময় "মা-শা-আল্লাহ" বা "বারাকাল্লাহু ফিক" (আল্লাহ আপনাকে বরকত দিন) বলার অভ্যাস করা।
​সকাল-সন্ধ্যার জিকির ও দোয়া নিয়মিত করা।
​ঘুমানোর আগে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে শরীর মাসেহ করার সুন্নতি আমলটি জীবিত রাখা।
​মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে এবং আমাদের পরিবারকে মানুষের হিংসা ও কুদৃষ্টির অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

24/06/2026

মন ও ইবাদতের এক অদৃশ্য লড়াই: ওয়াসওয়াসা ও এর লক্ষণসমূহ:

​আমাদের অনেকের মনেই হুটহাট এমন কিছু নেতিবাচক বা সন্দেহপ্রবণ চিন্তা ভর করে, যা আমরা একদমই চাই না। ইসলামি পরিভাষায় মনের এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংশয় বা কুচিন্তাকে বলা হয় 'ওয়াসওয়াসা'। এটি মূলত মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অস্থিরতা এবং শয়তানের এক ধরনের কুমন্ত্রণা।
​দৈনন্দিন জীবন এবং ইবাদতের ক্ষেত্রে ওয়াসওয়াসা প্রধানত ৪টি উপায়ে প্রকাশ পেতে পারে। লক্ষণগুলো চিনে রাখা যাক:

​১. ধর্মীয় বিষয়ে সংশয় (ধর্মীয় ওয়াসওয়াসা)

​মহান আল্লাহ, রাসুল (সা.) এবং দ্বীনের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে মনে অদ্ভুত বা আপত্তিকর প্রশ্ন জাগ্রত হওয়া।
​অনিচ্ছাসত্ত্বেও অন্য ধর্ম বা নাস্তিক্যবাদের প্রতি এক ধরনের ঝোঁক তৈরি হওয়া এবং বারবার সেই চিন্তা মাথায় ঘোরা।
​ঈমান হারাblock হয়ে যাওয়ার তীব্র ও অহেতুক ভয় কাজ করা।

​২. পবিত্রতা নিয়ে অতিরিক্ত সন্দেহ (পবিত্রতা-সংক্রান্ত ওয়াসওয়াসা)

​সঠিকভাবে অজু করার পরও মনে হওয়া—"অজু হয়নি" বা "কোনো জায়গা শুকনো রয়ে গেছে", এবং বারবার তা ধুতে থাকা।
​সামান্য নাপাকি দূর করা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগে ভোগা; যার ফলে টয়লেট বা গোসলখানায় অস্বাভাবিক সময় নষ্ট হওয়া।
​কাপড়ে কোনো অদৃশ্য নাপাকি খোঁজার চেষ্টা করা যা অন্য কারও চোখে পড়ে না।
​নামাজে দাঁড়ালেই বারবার মনে হওয়া—পেশাবের ফোঁটা বের হচ্ছে কিংবা অজু ভেঙে যাচ্ছে (শারীরিক কোনো সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও)।

​৩. নামাজে মনোযোগের অভাব (নামাজে ওয়াসওয়াসা)

​প্রতিবার নামাজে কত রাকাত পড়া হলো তা ভুলে যাওয়া এবং বারবার নামাজ ভেঙে নতুন করে শুরু করা।
​সুরা তিলাওয়াতে ভুল হচ্ছে ভেবে একই আয়াত বারবার পড়া কিংবা শব্দ উচ্চারণে অতিরিক্ত কঠোরতা অবলম্বন করা।
​রুকু-সিজদায় মন স্থির করতে না পারা এবং তীব্র অস্থিরতা অনুভব করা।
​অত্যন্ত পবিত্র মুহূর্তেও (যেমন: সিজদাহ বা রুকুতে) অনিচ্ছাকৃতভাবে মাথায় কোনো অশ্লীল দৃশ্য বা মূর্তির ছবি ভেসে ওঠা।

​৪. মানসিক অস্থিরতা ও সাধারণ কুচিন্তা (সাধারণ ওয়াসওয়াসা)

★​চিন্তার বিশৃঙ্খলা: মাথায় অনাকাঙ্ক্ষিত অশ্লীল চিন্তা, গালি বা উগ্র মানসিকতা চলে আসা—বিশেষ করে মুরুব্বিদের সামনে।

★​পারিবারিক অবক্ষয়: কোনো কারণ ছাড়াই স্বামী-স্ত্রীর একে অপরের প্রতি চরম সন্দেহ তৈরি হওয়া। বিবাহিতদের মাথায় বারবার 'তালাক' শব্দ আসা এবং "তালাক হয়ে গেছে কি না" এই ভয়ে অস্থির থাকা।

★​আত্মঘাতী প্রবণতা: উঁচু স্থানে গেলে লাফ দেওয়ার অবান্তর ইচ্ছা জাগা বা অনিচ্ছাসত্ত্বেও আত্মহত্যার চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাওয়া।

★​ঘুম ও আচরণের ব্যাঘাত: মনের ভেতর সার্বক্ষণিক খুতখুতে ভাব ও উদ্দেশ্যহীন চিন্তার কারণে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে না পারা।

​একটি জরুরি বার্তা:
ওয়াসওয়াসা বা মনের এই অনাকাঙ্ক্ষিত চিন্তাগুলো নিয়ে লজ্জিত বা হতাশ হবেন না। এগুলো যে আপনার অনিচ্ছায় ঘটছে, সেটাই প্রমাণ করে আপনার ভেতর ঈমানী চেতনা জাগ্রত আছে। সঠিক ধর্মীয় জ্ঞান, আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল এবং প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

21/06/2026

জিন সম্প্রদায়ের ইসলাম গ্রহণ: আমাদের জন্য এক পরম শিক্ষা।

​নবুয়তের শুরুর সেই সোনালী ভোর—যেদিন আসমানের দরজাগুলোতে হঠাৎ কঠোর পাহারার ব্যবস্থা করা হলো এবং শয়তানদের দীর্ঘদিনের কানকথা শোনার রাস্তা চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। ঠিক সেই দিনই ইতিহাসের পাতায় লেখা হচ্ছিল এক অলৌকিক অধ্যায়।

​রাসুলুল্লাহ ﷺ তখন তাঁর সাহাবিদের নিয়ে উকাজ বাজারের পথে। 'নাখলা' নামক এক শান্ত উপত্যকায় তারা ফজরের সালাতের জন্য দাঁড়ালেন। ভোরের সেই স্নিগ্ধ নীরবতায় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কণ্ঠ থেকে ভেসে এলো পবিত্র কোরআনের সুর—স্বচ্ছ, গাম্ভীর্যপূর্ণ ও আসমানি আলোয় ঘেরা।

​এদিকে আসমানের খবর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জিনদের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। তারা বুঝতে পারছিল না পৃথিবীতে এমন কী ঘটেছে, যার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা! জিনদের এক নেতা বলল, "নিশ্চয়ই পৃথিবীতে বড় কোনো ঘটনা ঘটেছে, তোমরা পূর্ব-পশ্চিমে ছড়িয়ে পড়ো এবং এর কারণ খুঁজে বের করো।"

​খুঁজতে খুঁজতে একদল জিন এসে পৌঁছাল সেই নাখলা উপত্যকায়। ঠিক তখনই তাদের কানে ভেসে এলো মহান আল্লাহর বাণী। তারা থমকে দাঁড়াল। কোরআনের প্রতিটি আয়াত যেন তাদের অহংকার চূর্ণ করে হৃদয়ের গভীরে গেঁথে যেতে লাগল।

​তারা বিস্ময়ে ফেটে পড়ে বলল, "এটিই সেই কারণ, যার জন্য আসমানের দরজা আমাদের জন্য বন্ধ হয়েছে! এ তো এক অনন্য, আশ্চর্য বাণী!"

​মুহূর্তেই বদলে গেল তাদের অন্তর। তারা নিজেদের কওমের কাছে ফিরে গিয়ে ঘোষণা করল:
​"হে আমাদের জাতি! আমরা এক বিস্ময়কর কোরআন শুনেছি, যা সঠিক পথ দেখায়। আমরা এতে ঈমান এনেছি এবং আমরা আর কখনো আমাদের রবের সাথে কাউকে শরিক করব না।" (সুরা জিন: ১-২)

​এই ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ আল্লাহ তাআলা সুরা জিন এবং সুরা আহকাফে অবতীর্ণ করেছেন।

​এই ঘটনা থেকে আমাদের কী শেখার আছে?

কোরআন শুধু মানুষের জন্য নয়, জিন জাতির অন্তরেও এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। যে শক্তিশালী জিনেরা আসমানে যাতায়াত করতে পারত, কোরআনের সুর শুনে তাদের হৃদয়ও মোমের মতো গলে গিয়েছিল।

​আজ আমরা যারা জিন, শয়তানের ওয়াসওয়াসা, কুদৃষ্টি (নজর) বা জাদুর সমস্যায় জর্জরিত, তারা কেন কোরআনের প্রতি অবহেলা করছি? শক্তিশালী অবাধ্য জিনেরা যদি মাত্র কয়েক আয়াত শুনেই আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ করতে পারে, তবে আমরা পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করলে, শুনলে এবং তাদাব্বুর (গবেষণা) করলে কেন আমাদের আত্মিক ও শারীরিক সুস্থতা আসবে না?
​কোরআন হলো মুমিনদের জন্য "শিফা" বা নিরাময়। আল্লাহর হুকুমে এটি যেকোনো কালো জাদু ও জিনের আসর থেকে মুক্তির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।


জিন, জাদু ও বদনজরের সমস্যায় কোরআন ও সুন্নাহর সঠিক নির্দেশনায় বিশ্বস্ত রুকইয়াহ সেবা পেতে আজই হিজামা এভিনিউতে যোগাযোগ করুন।
📞 Call: 01612-445262

18/06/2026

বিয়েতে বারবার বাধা? সামাজিক কারণ নাকি অদৃশ্য কোনো দেয়াল?

​একটি সুন্দর সংসার, জীবনসঙ্গীকে নিয়ে কত শত স্বপ্ন! কিন্তু পাত্র-পাত্রী সব ঠিক থাকার পরও শেষ মুহূর্তে কথা ভেঙে যাচ্ছে? কিংবা বিয়ের কথা উঠলেই অজানা এক অস্বস্তি, অকারণ মাথাব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা মনের ভেতর অদ্ভুত এক অনীহা কাজ করছে?

​অনেক সময় আমরা একে সাধারণ পারিবারিক বা সামাজিক সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, জিন, জাদু বা কুদৃষ্টির (বদনজর) মতো অদৃশ্য বাধাও এর পেছনে বড় কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যারা একটু বেশি বয়সে গিয়ে বিয়ের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে ওঠে।

​এই মানসিক ও আত্মিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তির একমাত্র সুন্নাহসম্মত উপায় হলো "রুকইয়াহ"। আল্লাহর কালামের বরকতে এবং সঠিক নিয়মে আমলের মাধ্যমে বহু মানুষ এই অদৃশ্য দেয়াল ভেঙে নতুন জীবনের সন্ধান পেয়েছেন।
​আপনার বা আপনার কোনো প্রিয়জনের জীবনেও কি এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা আসছে? ভয়ের কিছু নেই, আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা রাখুন।

​শরিয়াহসম্মত ও অভিজ্ঞ রাকির মাধ্যমে রুকইয়াহর পরামর্শ বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

📞 হোয়াটসঅ্যাপ করুন:01612445262

17/06/2026

আপনি কি রুকিয়াহ সম্পর্কে জানেন?

জিন, জাদু, বদনজর, ওয়াসওয়াসাসহ যাবতীয় প্যারানরমাল সমস্যার শরিয়াহসম্মত চিকিৎসা মাধ্যম রুকইয়াহ।লাগাতার অসুস্ততা,সবকিছুতেই অবনতি,বিয়ে না আগানো,সম্পর্কে অবনতি,বাচ্চা নষ্ট বা মিসক্যারেজ সহ নানাবিধ সমস্যায় কোরআনের আয়াত ও শরঈ দোয়ার মাধ্যমে রোগীকে ঝাড়ফোঁক করা; যা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম নিজে করেছেন, সাহাবি ও সালাফগণও চলেছেন এই পন্থায়।

রুকইয়াহ গায়বি বিষয়ে সংবাদ দেয়া, বশ করা, ২৪ ঘন্টায় ফলাফল দেয়া, এক চুটকিতে সমাধান করার কোন পন্থা না। প্রচলিত কবিরাজি, তুলা রাশি, জিন হুজুর, জিন হাজিরা, গণকের মতো হাত দেখা বা মন্ত্রের সাথে কোরআন মিশিয়ে ধোঁকা দেয়ার মতো হারাম ও শিরকি পন্থাও রুকইয়াহ না ।

অফিসটাইম:সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টা
আমাদের ঠিকানাঃ "চৌধুরী হাউস" আস্কারদিঘী পশ্চিমপাড় মসজিদ এর পাশের বিল্ডিং,চট্টগ্রাম
বিস্তারিত জানতে ফোন :
01612-445262

17/06/2026

নিজের ও পরিবারের সুরক্ষায় এক শক্তিশালী নববী আমল ✨
​আজকাল আমরা অনেকেই অজানা ভয়, চারপাশের মানুষের কুদৃষ্টি (নজর) কিংবা জাদুর মতো নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় থাকি। অথচ প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের এমন এক চমৎকার আমল শিখিয়ে গেছেন, যা মেনে চললে স্বয়ং মহান আল্লাহ আমাদের সকাল থেকে সন্ধ্যা আর সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিজের জিম্মায় বা হেফাজতে রাখবেন!

​📜 হাদিসের সেই বিশেষ নির্দেশনা:

​হযরত আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন—

​"যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসী এবং সূরা মু'মিন-এর ১ম থেকে ৩য় আয়াত (حم থেকে إِلَيْهِ الْمَصِيرُ পর্যন্ত) সন্ধ্যায় পাঠ করবে, সে সকাল পর্যন্ত এবং যে সকালে পাঠ করবে, সে সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর হেফাজতে ও নিরাপদে থাকবে।" (সুনানে তিরমিযী)

​💡 আমলটি কীভাবে করবেন?

​সকালের আমল: ফজর সালাতের পর আয়াতুল কুরসী এবং সূরা মু'মিনের শুরু থেকে ৩ নম্বর আয়াত পর্যন্ত পাঠ করুন।

​সন্ধ্যার আমল: আসর বা মাগরিব সালাতের পর একইভাবে পাঠ করুন।

​আসুন, অবহেলা না করে প্রতিদিন নিজের এবং প্রিয় পরিবারের সুরক্ষায় এই শক্তিশালী সুন্নাহটিকে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বা অভ্যাসে পরিণত করি।

হঠাৎ অলসতা! নিছক ডিপ্রেশন নাকি ‘জাদু?আপনি কি লক্ষ্য করেছেন—প্রাণচঞ্চল কোনো মানুষ হঠাৎ করেই কেমন যেন স্থবির হয়ে পড়েছে? অক...
16/06/2026

হঠাৎ অলসতা! নিছক ডিপ্রেশন নাকি ‘জাদু?

আপনি কি লক্ষ্য করেছেন—প্রাণচঞ্চল কোনো মানুষ হঠাৎ করেই কেমন যেন স্থবির হয়ে পড়েছে? অকারণে অলসতা, একাকিত্ব বা কর্মবিমুখতা তাকে গ্রাস করেছে? কোনো কাজে মন বসে না, প্রিয়জনদের সঙ্গ অসহ্য লাগে, এমনকি সামাজিক মেলামেশাও পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে?

আমরা অনেকেই এগুলোকে সাধারণ ‘মানসিক অবসাদ’ বা ‘ডিপ্রেশন’ ভেবে ভুল করি। কিন্তু রুকইয়া শরইয়ার অভিজ্ঞতা ও কেস স্টাডি বলছে—সব সময় এটি সাধারণ অসুস্থতা নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি যাদুর প্রবল লক্ষণ।

নেপথ্যের কারণ ও আধ্যাত্মিক বিশ্লেষণ:

হিংসা বা শত্রুতার বশবর্তী হয়ে যখন কোনো জাদুকর কাউকে লক্ষ্যবস্তু বানায়, তখন সে শয়তান বা দুষ্ট জিনকে ওই ব্যক্তির ওপর ‘মুআক্কাল’ (নিযুক্ত) করে দেয়। এই জিনটি ভুক্তভোগীর মস্তিষ্কের চিন্তাশক্তি ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলার চেষ্টা করে।

শয়তান সরাসরি মানুষের মনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে না ঠিকই, কিন্তু সে প্রবল ‘ওয়াসওয়াসা’ (কুমন্ত্রণা) ও ভয়ের সঞ্চার করে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি:

★১. নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেন।

★২. কোলাহল বা জনসমাগম এড়িয়ে নির্জনতা পছন্দ করেন।

★৩. পরিবার ও বন্ধুদের সাথে কথোপকথনে অনাগ্রহ বোধ করেন

লক্ষণগুলো মিলিয়ে নিন:

শারীরিক কোনো ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও যদি নিচের লক্ষণগুলো হুবহু মিলে যায়, তবে সতর্ক হওয়া জরুরি:

★১.তীব্র একাকিত্ব প্রিয়তা।

★২.ঘরের কোণে অন্ধকারে চুপচাপ বসে থাকতে ভালো লাগা।

★৩.চিন্তাশক্তির স্থবিরতা: সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা এবং

★৪.সবসময় ‘ঘোরের’ মধ্যে থাকা।

★৫.অস্বাভাবিক মাথাব্যথা: কোনো ওষুধেই মাথাব্যথা না কমা, বিশেষ করে আসরের পর থেকে বাড়ে।

★৬.ইবাদতে অনীহা: নামাজ বা জিকিরে মন না বসা এবং অহেতুক ক্লান্তি বোধ করা।

করণীয় ও সমাধান:

এই লক্ষণগুলো অবহেলা করার মতো নয়। মেডিকেল টেস্টে যদি সব স্বাভাবিক থাকে, তবে বুঝতে হবে এটি প্যারানরমাল সমস্যা। এর একমাত্র কার্যকর সমাধান হলো ‘রুকইয়া শরইয়া’।

আল্লাহর কালামের প্রভাব এবং সুন্নাহসম্মত ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে এই শয়তানি চক্রান্ত নস্যাৎ করা সম্ভব। তাই হতাশ না হয়ে রুকইয়া শুরু করুন, সকাল-সন্ধ্যার আজকার (দোয়া) নিয়মিত করুন এবং অভিজ্ঞ রাকি’র (যিনি রুকইয়া করেন) পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন, আরোগ্য দানকারী একমাত্র আল্লাহ; আর কুরআন মুমিনের জন্য শিফা ও রহমত।

15/06/2026

আজকের যান্ত্রিক জীবনে আমরা অনেকেই নানাবিধ শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সমস্যায় ভুগি, যার সঠিক কারণ অনেক সময় চিকিৎসাবিজ্ঞানেও মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর পেছনে থাকতে পারে বদনজর (আইন), হাসাদ (হিংসা), জিন-পরীর আসর কিংবা জাদুটোনার (সিহর) মতো মারাত্মক কিছু বিষয়।

আলহামদুলিল্লাহ! এই সব সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের শিখিয়ে গেছেন **'রুকইয়াহ শরীয়াহ'** বা কোরআন-হাদিসের আলোকে ঝাড়ফুঁক।

আপনি বা আপনার কোনো প্রিয়জন কি দীর্ঘদিন ধরে নিচের সমস্যাগুলোতে ভুগছেন?

* 🔹 চিকিৎসা করার পরও কোনো রোগ ভালো না হওয়া বা ধরা না পড়া।
* 🔹 পরিবারে সার্বক্ষণিক অশান্তি, খিটখিটে মেজাজ বা অকারণ রাগ।
* 🔹 নামাজ ও ইবাদত-বন্দেগিতে তীব্র অনিহা বা অলসতা।
* 🔹 ব্যবসায় বা কর্মক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা ও ক্রমাগত ক্ষতি।
* 🔹 অবর্ণনীয় ভয়, দুঃস্বপ্ন দেখা কিংবা রাতে ঘুম না হওয়া।

**আমাদের সেবা সমূহ:**
✅ **অভিজ্ঞ ও দ্বীনদার রাকী দ্বারা রুকইয়াহ:** সম্পূর্ণ সুন্নাহ ও শরীয়াহ সম্মত উপায়ে কোনো প্রকার শিরক বা কুফরি ছাড়াই রুকইয়াহ করা হয়।
✅ **হিজামা (Cupping Therapy):** রুকইয়াহর পাশাপাশি শরীর থেকে দূষিত রক্ত বের করে সুন্নাহ পদ্ধতিতে হিজামা করার সুব্যবস্থা।
✅ **পরামর্শ ও গাইডলাইন:** আপনার সমস্যা অনুযায়ী সেলফ-রুকইয়াহ গাইড এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা।

📜 *"রাসুলুল্লাহ (ﷺ) প্রতিটি বিষাক্ত (বা ক্ষতিকর) জিনিস এবং বদনজর থেকে বাঁচতে রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক) করার নির্দেশ দিয়েছেন।"* (সহীহ বুখারী)

শিরক ও কুফরিমুক্ত উপায়ে, সম্পূর্ণ কোরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে আপনার বা আপনার পরিবারের সুস্থতার জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

---
📞 যোগাযোগ ও সিরিয়ালের জন্য: 01612445262

* 📍 **আমাদের ঠিকানা:** ["চৌধুরী হাউস" আস্কারদিঘী পশ্চিমপাড় মসজিদ এর পাশের বিল্ডিং,চট্টগ্রাম (চট্টগ্রাম আনসার ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট অফিস এর বিপরীত পাশে )
(কোন সিএনিজি কে আস্কারদিঘী পশ্চিমপাড় আনসার অফিস এর সামনে বললেই আপনি সহজেই চলে আসতে পারবেন,ইনশা আল্লাহ)]

* 💬 অথবা সরাসরি আমাদের পেজে মেসেজ করুন।

রাতের প্রশান্তি ও সুরক্ষিত ঘুমের সহজ আমল: ‘তিন কুল’​প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে আমরা যখন রাতে ঘুমাতে যাই, তখন শরীর ও মন...
15/06/2026

রাতের প্রশান্তি ও সুরক্ষিত ঘুমের সহজ আমল: ‘তিন কুল’

​প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে আমরা যখন রাতে ঘুমাতে যাই, তখন শরীর ও মনের পূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন। কিন্তু অনেক সময় মানসিক দুশ্চিন্তা, খারাপ স্বপ্ন কিংবা চারপাশের নেতিবাচক শক্তির কারণে আমাদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। ইসলামে এই অনিষ্টতা থেকে বাঁচতে এবং একটি নিরাপদ ও শান্তিময় রাত পার করতে বিশেষ কিছু আমল শেখানো হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম সেরা আমল হলো ‘তিন কুল’-এর আমল।

​‘তিন কুল’ ও ‘মুয়াওয়িযাতান’ কী?

​পবিত্র কুরআনের শেষ তিনটি সূরা—সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস-কে একত্রে ‘তিন কুল’ বলা হয়। এর মধ্যে শেষের দুটি সূরাকে (ফালাক ও নাস) একত্রে বলা হয় ‘মুয়াওয়িযাতান’, যার অর্থ ‘আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার দুটি সূরা’।

​হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ জিনের আছর ও মানুষের বদনজর থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন দোয়া পড়তেন। কিন্তু যখন এই সূরাগুলো নাযিল হলো, তখন তিনি পূর্বের সব দোয়া ছেড়ে নিয়মিত সুরক্ষার জন্য এই সূরাগুলোর আমল শুরু করেন।

​বদনজর: এক অদৃশ্য সামাজিক ব্যাধি

​বদনজর বা মানুষের কুদৃষ্টি কোনো কাল্পনিক বিষয় নয়, বরং এক কঠোর বাস্তবতা। শিশু থেকে শুরু করে বড়রা—যেকোনো মানুষই এর শিকার হয়ে হুট করে শারীরিক বা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। প্রিয় নবীজি ﷺ এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন:

​"বদনজর সত্য। এটি মানুষকে (শারীরিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত করতে পারে যে) পাহাড়ের ওপর থেকে নিচে আছড়ে ফেলার মতো ক্ষতি করতে পারে।"

​ঘুমানোর আগে নবীজি ﷺ-এর বিশেষ সুন্নাহ
​রাতের বেলা জিনের আছর, বদনজর ও যাবতীয় অনিষ্ট থেকে নিজেকে ১০০% সুরক্ষিত রাখতে আম্মাজান হযরত আয়েশা (রা.) নবীজি ﷺ-এর একটি চমৎকার সুন্নাহর বর্ণনা দিয়েছেন।

​আমলের সহজ পদ্ধতি:

​★ ১: রাতে ঘুমানোর আগে বিছানায় বসে নিজের দুই হাতের তালু একসাথে মেলাবেন।

​★২: সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করবেন।

​★ ৩: পাঠ শেষে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দেবেন।

​★৪: এরপর হাত দুটি দিয়ে প্রথমে মুখমণ্ডল এবং পর্যায়ক্রমে শরীরের যতটুকু অংশে হাত পৌঁছানো সম্ভব, আলতো করে মাসাহ (মুছে) নেবেন।

​(এই পুরো প্রক্রিয়াটি প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে ৩ বার করা সুন্নাত।)

​শেষ কথা

​একটি প্রশান্তিময় ঘুম এবং আগামীকালের একটি সুন্দর ও সুরক্ষিত সকালের জন্য আজ রাত থেকেই এই আমলটি আমাদের অভ্যাসে পরিণত করি। নিজে আমল করুন এবং পরিবারের সবাইকে, বিশেষ করে শিশুদের এই সুন্নাহটি শিখিয়ে দিন।

​আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে যাবতীয় অনিষ্টতা থেকে হিফাজত করুন। আমীন।

Address

Chowdhury House, 623/1019, Poshchimpar Askardighi, Chattogram. (Opppsite To Chattagram Ansar VDP Zila Commandant Office)
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801612445262

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Avenue : Cupping & Ruqyah Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hijama Avenue : Cupping & Ruqyah Center:

Share