Dr. Riasad' Consultations

Dr. Riasad' Consultations Medicine Specialist
MBBS,BCS(Health)
FCPS(Medicine),MACP(USA)

08/01/2026

কাশি খুব সাধারণ একটি সমস্যা, কিন্তু সব কাশি এক রকম না।
অনেক সময় সাধারণ Acute Cough নিজে নিজেই সেরে যায়, আবার কিছু ক্ষেত্রে Chronic Cough দীর্ঘদিন ভোগাতে পারে।

এই ভিডিওতে আমি সহজভাবে বুঝিয়ে বলেছি—
✔️ Acute Cough কী
✔️ Chronic Cough কী
✔️ কাশি কেন হয়
✔️ কখন চিন্তার কারণ
✔️ কাশি এড়াতে ও নিয়ন্ত্রণে কী করবেন

কাশির সাধারণ কারণগুলো:
✅ ঠান্ডা, ভাইরাল ইনফেকশন
✅ অ্যালার্জি
✅ ধুলা, ধোঁয়া, দূষণ
✅ ধূমপান
✅ অ্যাসিডিটি
✅ অ্যাজমা
✅ নাক দিয়ে পানি পড়া (Post nasal drip)

কাশি এড়াতে ও নিয়ন্ত্রণে যা করবেন:
➡️ ধুলা, ধোঁয়া ও ঠান্ডা বাতাস এড়িয়ে চলুন
➡️ ধূমপান ও সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোক সম্পূর্ণ এভয়েড করুন
➡️ পর্যাপ্ত গরম পানি পান করুন
➡️ খুব ঠান্ডা খাবার ও পানীয় কমান
➡️ অ্যাসিডিটি থাকলে খাবারের নিয়ম ঠিক করুন
➡️ রাতে মাথা একটু উঁচু করে ঘুমান
➡️ এলার্জি ট্রিগার চিনে সেগুলো এড়িয়ে চলুন
➡️ দীর্ঘদিন কাশি থাকলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে ডাক্তার দেখান

যদি কাশি—
1️⃣ ৩ সপ্তাহের বেশি থাকে
2️⃣ রক্ত আসে
3️⃣ শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হয়
4️⃣ ওজন কমে যায় বা জ্বর থাকে

তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

কাশি ছোট সমস্যা মনে হলেও, অবহেলা করলে বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে।
ভিডিওটি দেখে নিজের ও পরিবারের জন্য সচেতন হোন। 🌿



#কাশি #স্বাস্থ্যসচেতনতা

07/01/2026

খাবার খাওয়ার পর পেট ভারী লাগা, গ্যাস, বুক জ্বালা বা অস্বস্তি—এগুলোই হলো বদহজম। অনিয়মিত জীবনযাপন ও ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে আজকাল বদহজম খুবই সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজকের ভিডিওতে আমি সহজভাবে আলোচনা করেছি—
বদহজম কী, কেন হয়, কী লক্ষণ দেখা যায় এবং কীভাবে বদহজম এড়ানো ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

🩺 বদহজমের সাধারণ কারণ:
✔️ অতিরিক্ত ভাজা, ঝাল ও তেলযুক্ত খাবার
✔️ তাড়াহুড়ো করে খাবার খাওয়া
✔️ অনিয়মিত খাবারের সময়
✔️ অতিরিক্ত চা, কফি ও সফট ড্রিংকস
✔️ ধূমপান ও পান জর্দা
✔️ মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা
✔️ গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা

⚠️ বদহজমের লক্ষণ:
✔️ পেট ফাঁপা বা ভারী লাগা
✔️ বুক জ্বালা বা জ্বালাপোড়া
✔️ ঢেকুর ওঠা
✔️ বমি ভাব
✔️ পেট ব্যথা

💡 বদহজম এড়াতে যা করবেন:
✔️ সময়মতো ও ধীরে ধীরে খাবার খান
✔️ খুব ঝাল, ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার কমান
✔️ একসাথে বেশি খাবেন না
✔️ পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔️ খাবার খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না
✔️ চা–কফি ও সফট ড্রিংকস সীমিত করুন
✔️ মানসিক চাপ কমান ও পর্যাপ্ত ঘুম নিন
✔️ বারবার বদহজম হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন

🛑 মনে রাখবেন—
বদহজমকে অবহেলা করলে গ্যাস্ট্রিক, আলসারসহ বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনেই বদহজম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

ভিডিওটি দেখুন, নিজে জানুন এবং পরিবার-বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করুন। 💙

#বদহজম #স্বাস্থ্যসচেতনতা

🔥 পাকস্থলীর আলসার কীভাবে বোঝা যায়? পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে যখন ক্ষত তৈরি হয়, তখন ধীরে ধীরে কিছু অস্বস্তিকর উপসর্গ দেখা ...
06/01/2026

🔥 পাকস্থলীর আলসার কীভাবে বোঝা যায়?

পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে যখন ক্ষত তৈরি হয়, তখন ধীরে ধীরে কিছু অস্বস্তিকর উপসর্গ দেখা দেয়। অনেকেই শুরুতে এটাকে সাধারণ গ্যাস বা এসিডিটি ভেবে এড়িয়ে যান।

খালি পেটে বা মাঝেমধ্যে পেটে জ্বালাপোড়া ব্যথা, পেট ফাঁপা ভাব, অল্প খেলেই ভরা ভরা লাগা— এগুলো আলসারের প্রথম দিকের লক্ষণ হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে বুক জ্বালা হয় বা খাবার খেতে ইচ্ছে করে না।

খাবার খাওয়ার পর, পানি পান করলে বা এসিডের ওষুধ খেলে ব্যথা সাময়িক কমে যেতে পারে— এতে অনেকেই ভুলভাবে ভাবেন সমস্যা সেরে যাচ্ছে। কিন্তু ভেতরের ক্ষত তখনও থেকে যায়।
যদি বমি ভাব, বমি হওয়া বা অকারণে ওজন কমতে থাকে, তাহলে দেরি না করে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

💡 নিয়মিত সময়ে খাবার খান, অতিরিক্ত ঝাল–তেল এড়িয়ে চলুন, অযথা ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না।
সময়মতো চিকিৎসা নিলে পাকস্থলীর আলসার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব ❤️

⚠️ জানেন কি, প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস নীরবে আপনার লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে?লিভার এমন একটা অঙ্গ, যা কষ্ট হলেও শুরুতে তেমন শ...
05/01/2026

⚠️ জানেন কি, প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস নীরবে আপনার লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে?

লিভার এমন একটা অঙ্গ, যা কষ্ট হলেও শুরুতে তেমন শব্দ করে না। কিন্তু ভুলগুলো জমতে জমতে একসময় বড় সমস্যায় রূপ নেয়।

অতিরিক্ত মদ্যপান ধীরে ধীরে লিভারের কোষে ক্ষত তৈরি করে। নিয়মিত জাঙ্ক ফুড আর অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার লিভারে চর্বি জমিয়ে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়। অনেকেই না বুঝেই ব্যথানাশক ওষুধ বেশি খান— যা সময়ের সাথে লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া আর ঘুম কম হওয়াও কিন্তু বড় ভুল। এতে লিভারের স্বাভাবিক মেটাবলিজম ও শরীর থেকে টক্সিন বের করার ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়।

💡 এখনই সচেতন হোন— খাবারে শৃঙ্খলা আনুন, ওষুধ বুঝে খান, ঘুম ঠিক রাখুন।❤️

04/01/2026

হার্ট ফেইলিউর মানে হার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়—
বরং হার্ট শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পাম্প করতে না পারা। সময়মতো সচেতন হলে ও সঠিক জীবনযাপন করলে এই রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

আজকের ভিডিওতে আমি সহজভাবে আলোচনা করেছি—
হার্ট ফেইলিউর কী, কেন হয়, কী লক্ষণ দেখা যায় এবং কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়।

হার্ট ফেইলিউরের সাধারণ কারণ:
✔️ দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ
✔️ হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস
✔️ ডায়াবেটিস
✔️ হার্টের ভাল্বের সমস্যা
✔️ ধূমপান ও অতিরিক্ত লবণ সেবন
✔️ স্থুলতা ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব

⚠️ যে লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না:
✔️ অল্প পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট
✔️ পা, গোড়ালি বা পেট ফোলা
✔️ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া
✔️ রাতে শুয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট
✔️ বুক ধড়ফড় করা

💡 হার্ট ফেইলিউর এড়াতে ও ঝুঁকি কমাতে যা করবেন:
✔️ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔️ লবণ ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার কমান
✔️ প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম বা নিয়মিত হাঁটুন
✔️ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য সম্পূর্ণ বর্জন করুন
✔️ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔️ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন
✔️ হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বা ফোলা বাড়লে দ্রুত চিকিৎসা নিন

❤️ মনে রাখবেন—
সচেতনতা ও নিয়মিত ফলোআপই হার্ট ফেইলিউর প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

ভিডিওটি দেখুন, নিজে জানুন এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করুন।

#হৃদরোগ #স্বাস্থ্যসচেতনতা

03/01/2026

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে অনেকেই নিজের ইচ্ছেমতো বা দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে থাকেন। কিন্তু জানেন কি—ভুলভাবে বা বেশি দিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করলে শরীরে নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে?
আজকের ভিডিওতে আমি সহজভাবে ব্যাখ্যা করেছি—গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের সম্ভাব্য বিষক্রিয়া কী কী এবং কীভাবে নিরাপদভাবে এই ওষুধ ব্যবহার করা উচিত।

🩺 দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে:
✔️ ভিটামিন B12-এর ঘাটতি
✔️ হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া
✔️ কিডনির সমস্যা
✔️ দীর্ঘমেয়াদি পেটের ইনফেকশন
✔️ খাবার হজমে সমস্যা
✔️ ওষুধ ছাড়তে না পারার অভ্যাস (dependency)

💡 গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনের বিষক্রিয়া এড়াতে যা করবেন:
✔️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাবেন না
✔️ প্রয়োজন ছাড়া নিয়মিত PPI বা এসিড কমানোর ওষুধ ব্যবহার করবেন না
✔️ খাবার নিয়মিত ও সময়মতো খান
✔️ খুব ঝাল, ভাজা ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার কমান
✔️ চা, কফি ও সফট ড্রিংকস সীমিত করুন
✔️ ধূমপান ও পান জর্দা এড়িয়ে চলুন
✔️ স্ট্রেস কমান ও পর্যাপ্ত ঘুম নিন
✔️ গ্যাস্ট্রিক বারবার হলে মূল কারণ খুঁজে চিকিৎসা নিন

⚠️ মনে রাখবেন—গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সমস্যা সাময়িক কমালেও, মূল কারণ ঠিক না করলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
সঠিক জীবনযাপনই গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে ভালো উপায়।

ভিডিওটি দেখে নিজে জানুন, পরিবার ও পরিচিতদেরও সচেতন করুন। 💙

#গ্যাস্ট্রিক #ওষুধেরবিষক্রিয়া #স্বাস্থ্যসচেতনতা

30/12/2025

পেটের ভেতরে ক্ষত বা ঘা হলে তাকে বলা হয় পেপটিক আলসার। অনেক সময় এটি নীরবে বাড়তে থাকে, আবার কখনো মারাত্মক জটিলতার কারণও হতে পারে।
আজকের ভিডিওতে আমি সহজভাবে ব্যাখ্যা করেছি—পেপটিক আলসার কী, কেন হয়, কী লক্ষণ দেখা যায় এবং কীভাবে এই রোগ এড়ানো ও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

🩺 পেপটিক আলসারের সাধারণ কারণগুলো:
✔️ Helicobacter pylori ইনফেকশন
✔️ দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ (Painkiller/NSAIDs) সেবন
✔️ অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক এসিড
✔️ ধূমপান ও অ্যালকোহল
✔️ অনিয়মিত খাবার ও অতিরিক্ত স্ট্রেস

⚠️ পেপটিক আলসারের সাধারণ উপসর্গ:
✔️ বুক বা পেটের মাঝখানে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা
✔️ খালি পেটে ব্যথা বাড়া
✔️ বমি ভাব বা বমি
✔️ পেট ফাঁপা
✔️ ক্ষুধা কমে যাওয়া
✔️ গুরুতর ক্ষেত্রে রক্ত বমি বা কালো পায়খানা

💡 পেপটিক আলসার এড়াতে ও নিয়ন্ত্রণে যা করবেন:
✔️ সময়মতো নিয়মিত খাবার খান
✔️ খুব ঝাল, ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার কমান
✔️ ধূমপান ও অ্যালকোহল সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন
✔️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না
✔️ স্ট্রেস কমান ও পর্যাপ্ত ঘুম নিন
✔️ গ্যাস্ট্রিক বা পেটের সমস্যা থাকলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন
✔️ ওষুধ নিয়ম মেনে পুরো কোর্স শেষ করুন

⚠️ যদি এসব লক্ষণ দেখা দেয়—
❗ রক্ত বমি
❗ কালো পায়খানা
❗ তীব্র বা সহ্যহীন পেট ব্যথা
তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

পেপটিক আলসার সময়মতো ধরতে পারলে পুরোপুরি ভালো হওয়া সম্ভব।
ভিডিওটি দেখে নিজে জানুন, পরিবার ও পরিচিতদেরও সচেতন করুন। 💙

#পেপটিকআলসার #পেটেররোগ #স্বাস্থ্যসচেতনতা

💡 আপনি কি জানেন? কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়?আমাদের খাবার হজম হওয়ার পর মল কোলনের ভেতর দিয়ে এগোয়। এই সময় কোলনের কাজ হলো প্রয়োজন অ...
29/12/2025

💡 আপনি কি জানেন? কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়?

আমাদের খাবার হজম হওয়ার পর মল কোলনের ভেতর দিয়ে এগোয়। এই সময় কোলনের কাজ হলো প্রয়োজন অনুযায়ী পানি শোষণ করা।
কিন্তু যখন পানি কম পান করা হয়, আঁশযুক্ত খাবার কম থাকে বা চলাফেরা কম হয়— তখন কোলন অতিরিক্ত পানি শোষণ করে নেয়।

ফলে মল শুকনো, শক্ত হয়ে যায় এবং খুব ধীরে এগোয়। তখনই পেট পরিষ্কার না হওয়া, চাপ দিতে কষ্ট হওয়া, পেট ভার লাগার মতো সমস্যা দেখা দেয়। 😣

💧 সমাধান সহজ—
পর্যাপ্ত পানি পান করুন, শাকসবজি ও ফল খান, নিয়মিত হাঁটাচলা রাখুন।
সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

অ্যাড্রিনাল ডিসফাংশন (Adrenal Dysfunction) হলো এমন একটি অবস্থা যখন শরীরের কিডনির উপরে থাকা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলো পর্যা...
28/12/2025

অ্যাড্রিনাল ডিসফাংশন (Adrenal Dysfunction) হলো এমন একটি অবস্থা যখন শরীরের কিডনির উপরে থাকা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন (যেমন কর্টিসল, অ্যালডোস্টেরন) তৈরি করতে পারে না (অ্যাড্রিনাল অপ্রতুলতা) অথবা অতিরিক্ত হরমোন তৈরি করে, যার ফলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।

দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, ঘুমের ঘাটতি, অনিয়মিত খাবার বা অতিরিক্ত চিনি— এগুলো ধীরে ধীরে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।
কখনো কম, কখনো হঠাৎ বেশি এনার্জি— এসবই সতর্ক সংকেত হতে পারে।

💡 স্ট্রেস কমান, খাবার ঠিক করুন, ঘুম ও ব্যায়ামে ভারসাম্য আনুন।
শরীর কথা বলে— শুনতে শিখলেই সুস্থ থাকা সহজ ❤️

27/12/2025

কোমরে ব্যথা এখন শুধু বয়স্কদের সমস্যা নয়—আজকাল তরুণ বয়সেও অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। ভুল ভঙ্গিতে বসা, কাজের চাপ আর অনিয়মিত জীবনযাপনই এর প্রধান কারণ।
আজকের ভিডিওতে আমি সহজভাবে ব্যাখ্যা করেছি—কোমরে ব্যথা কেন হয়, এর সাধারণ কারণগুলো কী এবং কীভাবে কোমর ব্যথা এড়িয়ে চলা যায়।

🦴 কোমরে ব্যথার সাধারণ কারণসমূহ:
✔️ দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা বা ভুল ভঙ্গিতে বসা
✔️ ভারী জিনিস ভুলভাবে তোলা
✔️ হঠাৎ মোচড় বা আঘাত
✔️ মাংসপেশির টান
✔️ ডিস্ক প্রলাপ্স / স্লিপ ডিস্ক
✔️ অতিরিক্ত ওজন
✔️ নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব
✔️ শক্ত বা ভুল ম্যাট্রেস ব্যবহার

💡 কোমর ব্যথা এড়াতে যা করবেন:
✔️ সঠিক ভঙ্গিতে বসা ও কাজ করার অভ্যাস করুন
✔️ দীর্ঘ সময় একভাবে না বসে প্রতি ৩০–৪০ মিনিট পর পর উঠে হাঁটুন
✔️ নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও কোমরের স্ট্রেচিং করুন
✔️ ভারী কিছু তুলতে হলে হাঁটু ভাঁজ করে তুলুন, কোমরে চাপ দেবেন না
✔️ শক্ত ও সাপোর্টযুক্ত ম্যাট্রেস ব্যবহার করুন
✔️ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔️ হঠাৎ ব্যথা হলে নিজে নিজে ব্যথানাশক না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন

⚠️ যদি কোমর ব্যথার সাথে—
❗ পায়ে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে
❗ পা ঝিনঝিন বা অবশ লাগে
❗ প্রস্রাব বা পায়খানা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়
❗ দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা থাকে
তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

কোমর ব্যথা অবহেলা করবেন না—আজকের সচেতনতা আপনাকে ভবিষ্যতের বড় সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারে।
ভিডিওটি দেখে নিজে জানুন, পরিবারকেও সচেতন করুন। 💙

#কোমরেব্যথা #স্বাস্থ্যসচেতনতা

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Riasad' Consultations posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share