09/07/2026
প্রত্যেক সমস্যারই কিছু সিম্পটম থাকে... জ্বীন-যাদুর ও কিছু লক্ষণ রয়েছে..নিচে যাদুর কমন লক্ষণসমূহ দেওয়া হলো---
(০১) ঘাড়ে, পিঠের উপরের অংশে ব্যথা।
(০২) মেরুদন্ডের নিচের দিকে ব্যথা।
(০৩) প্রায় সময়ই শরীরে জ্বরজ্বর ভাব থাকা।
(০৪) চোখের অবস্থার অস্বাভাবিকতা।
(০৫) পেটে বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকা।
(০৬) ঋতুস্রাবের অস্বাভাবিকতা (কম/বেশি, প্রচন্ড যন্ত্রণা ইত্যাদি)।
(০৭) পুরুষদের প্রস্রাবে সমস্যা (Infection)।
(০৮) তীব্র মাথা যন্ত্রণা, ঔষধে তেমন কাজ হয় না।
(০৯) শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা।
(১০) রুচি ও ক্ষুধা কমে যাওয়া, সর্বদা পেট ভরাভরা অনুভব।
(১১) প্রায় সময়ই বমিবমি ভাব।
(১২) প্রচন্ড গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
(১৩) পেটে কোনো সমস্যা/অসুখ আছে, টেস্টে ধরা পড়ে না।
(১৪) স্বামী/স্ত্রী/পরিবার/সমাজের প্রতি প্রচন্ড বিতৃষ্ণা/বিরক্তি অনুভব।
(১৫) বিকেলে/সন্ধ্যার দিকে প্রচন্ড বিষন্নতা, মেজাজ খারাপ থাকা।
(১৬) মাথা সবসময় ভারী হয়ে থাকা।
(১৭) মাথায় প্রচন্ড উত্তাপ অনুভব।
(১৮) প্রচন্ডভাবে ওয়াসওয়াসা বেড়ে যাওয়া।
(১৯) ইবাদত বন্দেগীতে প্রচন্ড অনীহা, অস্বস্তি।
(২০) ইবাদত বন্দেগী করলে শারীরিক,মানসিক সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়া।
(২১) কোনো রোগ দীর্ঘ্য-চিকিতসায়ও ভালো না হওয়া।
(২২) শরীরে (ঘামে) পোড়া-পোড়া গন্ধ।
(২৩) ঠিকভাবে ঘুম না হওয়া।
(২৪) ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখা।
(২৫) স্বপ্নে প্রায়ই কোনো কিছু খাওয়া।
(২৬) স্বপ্নে কোনো কিছুতে ধাওয়া করা (হিংস্র প্রাণী ইত্যাদি)।
(২৭) স্বপ্নে গোরস্থান বা কোনো নির্জন স্থানে নিজেকে বারবার দেখা।
(২৮) স্বপ্নে নিজেকে পুকুর, খাল, নদী, সমুদ্র ইত্যাদিতে নামতে দেখা।
(২৯) কোন কারন ছাড়া কান্না আসা।
(৩০) হাত-পা এবং শরীর জ্বালাপোড়া।
(৩১) ঘুম থেকে উঠার পর বডিতে পেইন,টায়ার্ডনেস।
(৩২) হ্যালুসিনেশন হওয়া।
(৩৩) মাঝেমধ্যেই মাথা কাজ না করা।
(৩৪) মাঝেমধ্যে সেন্সলেস হয়ে যাওয়া।
(৩৫) তীব্র ঘ্রাণ বা গন্ধ পাওয়া(যেটা অন্য কেউ পায় না)।
কারো সাথে যদি উপরের ৫-৬ টা লক্ষণও মিলে...তার রুকইয়াহ করা উচিৎ।
জ্বিন আছরের লক্ষণ‼️
১. আজানের ধ্বনি শুনলে মনের ভেতর তীব্র অস্বস্তি, বিরক্তি বা এক ধরণের অসহ্য অনুভূতি তৈরি হওয়া।
২. কোনো কারণ ছাড়াই প্রচণ্ড মানসিক অস্থিরতা, ডিপ্রেশন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, হুটহাট মানুষকে সন্দেহ করা এবং চট করে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা।
৩. শরীরে সারাক্ষণ ক্লান্তি ও অলসতা ভর করে থাকা, কোনো কাজ করার শক্তি বা ইচ্ছে খুঁজে না পাওয়া।
৪. মাঝেমধ্যে হুট করে শরীর ঝাঁকুনি দেওয়া, খিঁচুনি হওয়া কিংবা মৃগীরোগের মতো সমস্যা দেখা দেওয়া।
৫. নির্জনতায় কেউ আড়াল থেকে ডাকছে এমন মনে হওয়া, অথচ আশেপাশে বাস্তবে কেউ নেই।
৬. আপনমনে একা একা আপনজন বা অবাস্তব কারও সাথে কথা বলার অভ্যাস তৈরি হওয়া।
৭. এমন সব অদ্ভুত আওয়াজ বা কথাবার্তা শুনতে পাওয়া যা অন্য কারোর কানে আসে না।
৮. হ্যালুসিনেশন বা জাগ্রত অবস্থাতেও চোখের সামনে অবাস্তব সব দৃশ্য ভেসে ওঠা।
৯. সারাক্ষণ মনে হওয়া আশেপাশে কেউ একজন ওত পেতে আছে কিংবা পাশ দিয়ে দ্রুত কেউ হেঁটে বা দৌড়ে চলে গেল।
১০. মেজাজ সবসময় খিটখিটে থাকা এবং সামান্য কারণে প্রচণ্ড রেগে যাওয়া।
১১. শরীরের কোনো বিশেষ অঙ্গ হঠাৎ অকেজো বা প্যারালাইজড হয়ে যাওয়া, যা সুচিকিৎসা করিয়েও সারানো যাচ্ছে না।
১২. কিছুতেই কোনো কাজে মনঃসংযোগ করতে না পারা, মনোযোগ বারবার ভেস্তে যাওয়া।
১৩. কোনো কারণ ছাড়াই হুটহাট কান্না পাওয়া, তীব্র কান্নার বেগ আসা এবং কাঁদার পর কিছুটা হালকা বোধ করা।
১৪. হুট করে নিজের অজান্তেই ভিন্ন কোনো ভাষায় কথা বলে ওঠা।
১৫. নিজের আচরণে হঠাৎ বড় ধরণের অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা।
১৬. মন থেকে না চাইলেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে অনাকাঙ্ক্ষিত বা খারাপ আচরণ করে ফেলা।
১৭. হুট করে সেন্সলেস বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেওয়া।
১৮. কোনো স্পষ্ট শারীরিক কারণ ছাড়াই হঠাৎ বুক ধড়ফড় করা, হার্টবিট বেড়ে যাওয়া কিংবা তীব্র শ্বাসকষ্ট হওয়া।
১৯. দাঁতে দাঁত লেগে চোয়াল শক্ত হয়ে যাওয়া এবং মুখ দিয়ে ফেনা বের হওয়া।
২০. হুট করে মুখের স্বাভাবিক লাবণ্য হারিয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া কিংবা হঠাৎ মুখভর্তি অতিরিক্ত ব্রণ ওঠা।
২১. একাকী থাকার প্রতি তীব্র ঝোঁক তৈরি হওয়া এবং মানুষের কোলাহল এড়িয়ে সবসময় নির্জনে থাকার চেষ্টা করা।
২২. মনের ভেতর সবসময় অজানা কোনো আতঙ্ক বা অদ্ভুত এক ধরণের ভয় কাজ করা।
২৩. নিজের ধর্মীয় অনুশাসন বাদ দিয়ে অন্য ধর্মের রীতিনীতি, তাদের সাজসজ্জা বা কালচারের প্রতি হঠাৎ অনাকাঙ্ক্ষিত আকর্ষণ তৈরি হওয়া।
২৪. শিশুদের ক্ষেত্রে মায়ের বুকের দুধ পানে তীব্র অনীহা দেখা দেওয়া কিংবা মায়ের পক্ষ থেকে সন্তানকে দুধ খাওয়াতে বাধা বা কষ্ট অনুভব হওয়া।
২৫. নারীদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা হওয়া, রক্তস্রাবের পরিমাণ অস্বাভাবিক কম বা বেশি হওয়া যা কোনো চিকিৎসায় ভালো হচ্ছে না।
২৬. শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা থাকা, যা উন্নত চিকিৎসাতেও নিরাময় হয় না।
২৭. পুরো শরীরে, বিশেষ করে পায়ে ও পায়ের পাতায় পিঁপড়া হেঁটে যাওয়ার মতো সুড়সুড়ি বা অদ্ভুত অনুভূতি হওয়া।
২৮. কোনো আঘাত ছাড়াই হঠাৎ শরীরে কালশিটে, নীল বা লালচে দাগ এবং ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া।
২৯. হুট করে মাঝরাতে বা অসময়ে ছাদে গিয়ে বসে থাকা, একা একা চিৎকার-চেঁচামেচি করা কিংবা ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করা।
আক্রান্ত হলে কী করবেন?
কেউ যদি মনে করেন তিনি জাদুর প্রভাবে আক্রান্ত হয়েছেন, তাহলে শরিয়তসম্মত রুকইয়াহ (কুরআন ও সহিহ দোয়ার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক) গ্রহণ করতে পারেন।
রুকইয়াহ বলতে কুরআনের নির্দিষ্ট আয়াত ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো দোয়া পাঠ করে নিজের শরীরে, পানিতে বা খাদ্যে ফুঁ দেওয়া বোঝায়। ইসলামী আকিদা অনুযায়ী, আরোগ্য আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, কুরআন তাঁর রহমতের একটি মাধ্যম।
ওপরের এই লক্ষণগুলোর মধ্যে যদি ৩ থেকে ৪টি বা তার বেশি লক্ষণ আপনার বা আপনার পরিচিত কারও সাথে মিলে যায়, তবে দেরি না করে দ্রুত রুকইয়াহ বা শরয়ী ঝাড়ফুঁকের সহায়তা নেওয়া প্রয়োজন।
📞 সিরিয়াল ও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
📍 উত্তর ফটিকছড়ি চট্টগ্রাম : 01603-102231