15/12/2022
ডেঙ্গুতে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা
আমাদের দেশে বছরের এই মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। ফলে এ সময় ঘরে কিংবা বাইরে সচেতন থাকা জরুরী।
ডেঙ্গু মূলত দুই ধরনের – ক্লাসিক্যাল ও হেমোরেজিক। ক্ল্যাসিক্যাল ডেঙ্গুতে দুই থেকে সাত দিনের মধ্যেই জ্বর সেরে যায়। তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গুতে পাঁচ থেকে সাত দিন পর রোগীর অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। রক্তের প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা কমে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হতে পারে।
ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ ঃ
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর হেহের তাপমাত্রা ৯৯ থেকে ১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। একটানা তীব্র জ্বর, ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার পর আবারও জ্বর আসতে পারে। এছাড়াও যেসব উপসর্গ দেখা যায় –
• মাথাব্যথা
• চোখের পেছনে ব্যথা
• শরীরব্যথা
• অস্থিসন্ধি ও হাড়ে ব্যথা
• ত্বকে লালচে ছোপ
• র্যাশ বা ফুসকুড়ি
• কোষ্ঠকাঠিন্য
• খাবারে অরুচি
• বমি
চিকিৎসা ঃ
এ সময় জ্বর বা ব্যথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ওষুধ সেবন করা যাবে না। লিভার, হার্ট ও কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকলে যেকোন ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষত ডাইক্লোফেনাক ও অন্যান্য ব্যথানাশক ওষুধ ক্ষতির কারণ হতে পারে। রোগীকে পরিমান মতো পানি ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে। জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড়ে রোগীর শরীর বারবার মুছে দেওয়া যেতে পারে। রোগীর পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে। রক্তক্ষরণ হলে বা যেকোন বিপদচিহ্ন দেখা দিলে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। ................................................................................................................................
ডেঙ্গু জ্বর শনাক্তের জন্য সরকার কয়েকটি পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। উপসর্গ দেখা দিলে টেস্ট করে নিশ্চিত হোন। ডাক্তার, পরীক্ষানিরীক্ষা, হাসপাতালে ভর্তি এবং যেকোন স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।
০১৭১৫৭০৪০৭০ এই নাম্বারে কল করুন।