ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী

ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী, Medical and health, Chamber 305, 3rd Floor, Union Hospital, Cox's Bazar.

MBBS, BCS, DHN, MPH
Assistant Professor & Head
Forensic Medicine & Toxicology

Public Heath | Nutrition | Fitness specialist

Diabetes | Mindfulness | Psychological First Aid (PFA) | HIV-AIDS | Hospital Management | Forensic Medicine & Toxicology Expert

 #রোগীর_চিকিৎসা #অস্বীকার_কিংবা_বাধ্যবাধকতা চিকিৎসকেরা নির্দিষ্ট কিছু অ-জরুরি পরিস্থিতিতে আইনত ও নৈতিকভাবে রোগীদের চিকিৎ...
19/06/2026

#রোগীর_চিকিৎসা
#অস্বীকার_কিংবা_বাধ্যবাধকতা

চিকিৎসকেরা নির্দিষ্ট কিছু অ-জরুরি পরিস্থিতিতে আইনত ও নৈতিকভাবে রোগীদের চিকিৎসা করতে অস্বীকার করতে পারেন।

🚩যেসব বৈধ পরিস্থিতিতে একজন ডাক্তার রোগীর চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করতে পারেন:

✅চিকিৎসা ক্ষেত্রের বাইরের বিশেষজ্ঞতা:

অনুরোধকৃত চিকিৎসা বা অবস্থাটি চিকিৎসকের বিশেষত্ব, জ্ঞান বা নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের আওতার বাইরে।

✅অপমানজনক বা হুমকিমূলক আচরণ:

যদি কোনো রোগী শারীরিকভাবে সহিংস হয়, হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করে, অথবা ডাক্তার ও কর্মীদের হয়রানি করে, শারীরিক বা মানসিকভাবে আঘাত করে।

✅রোগীর অসহযোগিতা:

যদি কোনো রোগী বারবার প্রস্তাবিত চিকিৎসা পরিকল্পনা অনুসরণ করতে অস্বীকার করেন, অন্য চিকিৎসা অনুসরণ বা অবলম্বন করে অথবা বারবার নির্দেশিত সাক্ষাতের সময় অনুপস্থিত থাকেন।

✅ফি পরিশোধ না করা:

জরুরি নয় বা জীবন রক্ষাকারী নয় এমন চিকিৎসার ক্ষেত্রে, যদি কোনো রোগী চিকিৎসকের প্রাপ্য অর্থ বা ফি পরিশোধ করতে না পারেন।

✅বিবেকগত আপত্তি:

সীমিত, অ-জরুরি ক্ষেত্রে যেখানে অনুরোধকৃত কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি চিকিৎসকের গভীর নৈতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী হয় (শর্ত থাকে যে অন্য কোনো চিকিৎসক সেই চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে পারেন)।

🚩যেসব পরিস্থিতিতে ডাক্তাররা চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করতে পারেন না :

✅জরুরি পরিস্থিতি:

জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন সংকটাপন্ন প্রত্যেক রোগীকে পরীক্ষা করে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল করতে হবে।

✅বৈষম্য:

কোনো চিকিৎসক জাতি, বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ বা জাতীয়তার ভিত্তিতে কোনো রোগীকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করতে পারেন না।

✅পরিত্যাগ:

একবার ডাক্তার-রোগী সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হলে, কোনো চিকিৎসক রোগীকে আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশ না দিয়ে এবং অন্য ডাক্তার খুঁজে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে চিকিৎসা বন্ধ করতে পারেন না।

সূত্র:
(American Medical Association) Journal of Ethics.

 (হাঁটু ব্যথা)হাঁটু ব্যথা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা।হঠাৎ আঘাত, অতিরিক্ত ব্যবহার বা আর্থ্রাইটিস সহ বিভিন্ন কারণে...
18/06/2026


(হাঁটু ব্যথা)

হাঁটু ব্যথা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা।

হঠাৎ আঘাত, অতিরিক্ত ব্যবহার বা আর্থ্রাইটিস সহ বিভিন্ন কারণে হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে ।

🚩হাঁটু ব্যথার সাধারণ কারণসমূহ

আপনার হাঁটুর ঠিক কোথায় ব্যথা হচ্ছে তা বুঝতে পারাটা মূল সমস্যাটি শনাক্ত করার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র:

✅হাঁটুর সামনের অংশ:

প্রায়শই প্যাটেলোফেমোরাল পেইন সিন্ড্রোম (রানার্স নি), বার্সাইটিস বা তরুণাস্থির ক্ষয়ের সাথে সম্পর্কিত ।

✅ভিতরের বা বাইরের প্রান্ত:

প্রায়শই লিগামেন্ট মচকানো (MCL/LCL) বা মেনিস্কাস ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে ঘটে থাকে।

✅হাঁটুর পিছন দিক:

এটি টেন্ডিনাইটিস, অতিরিক্ত শক্ত হয়ে যাওয়া মাংসপেশী বা বেকার্স সিস্টের লক্ষণ হতে পারে ।

✅দীর্ঘস্থায়ী আড়ষ্টতা/ব্যথা:

প্রায়শই অস্টিওআর্থারাইটিস অথবা অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট পুনরাবৃত্তিমূলক চাপের সাথে সম্পর্কিত।

🚩গুরুতর লক্ষণ

হাঁটুর কিছু আঘাতের জন্য জরুরি পেশাদারী চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

যদি আপনি নিম্নলিখিত কোনো গুরুতর লক্ষণ অনুভব করেন, তবে আপনার একজন ডাক্তার বা অর্থোপেডিস্টের কাছে যাওয়া উচিত:

✅ভর বহন করতে অক্ষমতা:

আপনি আপনার পায়ে কোনো ভর দিতে পারেন না বা হাঁটতে পারেন না।

✅যান্ত্রিক সমস্যা:

আপনার হাঁটু আটকে যায়, জ্যাম হয়ে যায়, বা অস্থিতিশীল মনে হয় ("হঠাৎ শক্তি হারিয়ে ফেলে")।

✅দৃশ্যমান বিকৃতি:

পা বা হাঁটুর অস্থিসন্ধি বিকৃত আকৃতির।

🚩⚠️বিপদ চিহ্ন:

✅তীব্র ব্যথা,
✅অতিরিক্ত ফোলাভাব,
✅জ্বরের সাথে লালচে ভাব ও উষ্ণতা।

এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🚩চিকিৎসা মূল্যায়ন পদ্ধতি

রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করার জন্য, একজন ডাক্তার বা অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ সাধারণত নিম্নলিখিত পরীক্ষাগুলো করে থাকেন:

✅শারীরিক পরীক্ষা:

স্থিতিশীলতা এবং সঞ্চালনের পরিসীমা যাচাই করার জন্য হস্তচালিত পরীক্ষা (যেমন ACL-এর জন্য ল্যাকম্যান পরীক্ষা বা মেনিস্কাসের জন্য ম্যাকমারি পরীক্ষা )।

✅ইমেজিং:

হাড় ভাঙা বা ক্ষয়জনিত রোগ পরীক্ষা করার জন্য এক্স-রে, অথবা লিগামেন্ট ও তরুণাস্থির মতো নরম টিস্যুর বিস্তারিত ত্রিমাত্রিক চিত্র পাওয়ার জন্য এমআরআই ।

✅ল্যাব টেস্ট:

সংক্রমণ বা গেঁটেবাত আছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য রক্ত ​​পরীক্ষা অথবা তরল নিষ্কাশন (আর্থ্রোসেন্টেসিস )।

🚩চিকিৎসা/ব্যবস্থাপনা

হালকা হাঁটুর ব্যথা উপশম করতে, অবিলম্বে RICE পদ্ধতি অনুসরণ করুন:

✔️R (হাঁটুকে বিশ্রাম দিন),
✔️I (বরফ) প্রতি কয়েক ঘণ্টা পর পর ১৫-২০ মিনিটের জন্য বরফ প্যাক লাগান,
✔️C (কম্প্রেশন ব্যান্ডেজ) ব্যবহার করুন এবং
✔️E (পা উঁচু করে রাখুন)।

আইবুপ্রোফেনের মতো ওভার-দ্য-কাউন্টার প্রদাহ-রোধী ওষুধও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

🚩দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনা ও প্রতিরোধ

ব্যথা যদি হালকা এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্য এবং তার চারপাশের পেশিগুলোর সহায়তার দিকে মনোযোগ দিন:

✅শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম:

কোয়াড্রিসেপস, হ্যামস্ট্রিংস এবং কোর মাসল শক্তিশালী করলে তা আঘাতের ধাক্কা শোষণ করতে এবং হাঁটুর জয়েন্টের উপর থেকে চাপ কমাতে সাহায্য করে।

✅ওজন নিয়ন্ত্রণ:

অতিরিক্ত ওজন কমালে আপনার হাঁটুর জোড়ের উপর যান্ত্রিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

✅কম-প্রভাবযুক্ত কার্যকলাপ:

বারবার একই ধরনের চাপ কমাতে দৌড়ানোর মতো বেশি-প্রভাবযুক্ত ব্যায়ামের পরিবর্তে সাঁতার বা সাইক্লিং করুন।

✅স্ট্রেচিং:

প্রতিদিন পায়ের স্ট্রেচিং করলে রক্ত ​​সঞ্চালন এবং অস্থিসন্ধির সচলতা উন্নত হয়।

✅সঠিক জুতা:

এমন আরামদায়ক ও কুশনযুক্ত জুতা পরুন যা আপনার পায়ের পাতার গঠন অনুযায়ী উপযুক্ত।

✅চিকিৎসাগত:

দীর্ঘস্থায়ী ক্ষেত্রে, ডাক্তাররা ফিজিওথেরাপি, বিশেষায়িত জয়েন্ট ইনজেকশন, অথবা শেষ উপায় হিসেবে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিতে পারেন।

  (পায়ের গোড়ালি মচকানো) পায়ের গোড়ালি অযাচিতভাবে মোচড়ানোর ফলে এর স্থিতিশীলকারী লিগামেন্টগুলো প্রসারিত হলে বা ছিঁড়ে গে...
17/06/2026


(পায়ের গোড়ালি মচকানো)

পায়ের গোড়ালি অযাচিতভাবে মোচড়ানোর ফলে এর স্থিতিশীলকারী লিগামেন্টগুলো প্রসারিত হলে বা ছিঁড়ে গেলে তাকে গোড়ালি মচকানো বলে ।

🚩লক্ষণ

✅ব্যথা,
✅ফোলাভাব,
✅কালশিটে দাগ
✅ভর দিয়ে দাঁড়াতে অসুবিধা।

হালকা মচকানো সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়।

কিন্তু গুরুতরভাবে ছিঁড়ে গেলে তা সারতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

🚩বাড়িতে পরিচর্যা (RICE পদ্ধতি)

প্রথম ৪৮ ঘণ্টা ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করতে ও ফোলা কমাতে এই পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন:

✅Rest (বিশ্রাম):

ব্যথা সৃষ্টিকারী কার্যকলাপ পরিহার করুন এবং শরীরের ওজন বহন সীমিত করুন।

✅Ice (বরফ):

প্রতি ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর পর ১৫-২০ মিনিটের জন্য কোল্ড প্যাক প্রয়োগ করুন।

✅Compression (চাপ প্রয়োগ):

ফোলা কমানোর জন্য একটি ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ বা কম্প্রেশন স্লিভ ব্যবহার করুন।

✅Elevation (উচ্চতা):

যখনই সম্ভব, আপনার গোড়ালি হৃৎপিণ্ডের স্তরের উপরে তুলে রাখুন।

🚩কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন

যদিও অনেক মচকানো বাড়িতেই সামলানো যায়, নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা দিলে অবিলম্বে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন:

✅পায়ে ভর দিতে না পারা
✅তীব্র ব্যথা, অসাড়তা, বা সুস্পষ্ট বিকৃতি
✅গুরুতর কালশিটে
✅ফোস্কা পড়া
✅আঘাত পাওয়ার সময় পটপট শব্দ হওয়া
✅ব্যথা এবং ফোলা কয়েকদিন পরেও না কমা।

🚩পুনরুদ্ধার ও প্রতিরোধ

গতিশীলতা ফিরে পেতে এবং গোড়ালির দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা (দুর্বল গোড়ালি যা হঠাৎ ভেঙে যায়) প্রতিরোধ করতে, পুনর্বাসনের মধ্যে প্রায়শই ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম অন্তর্ভুক্ত থাকে।

ডাক্তারের অনুমতি পেলে, শক্তি এবং নড়াচড়ার পরিসর উন্নত করার জন্য আপনি গোড়ালি মচকে যাওয়ার ব্যায়ামগুলো করতে পারেন ।

ভবিষ্যতে আঘাত এড়াতে, নিশ্চিত করুন যে আপনি সহায়ক জুতো পরছেন, ব্যায়ামের আগে ওয়ার্ম আপ করছেন এবং উচ্চ-প্রভাবযুক্ত খেলাধুলার সময় গোড়ালির ব্রেস পরার কথা বিবেচনা করছেন।

 (ইনফ্লুয়েঞ্জা)ইনফ্লুয়েঞ্জা, যা সাধারণত ফ্লু নামে পরিচিত, একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা শ্বাসতন্ত্রকে (নাক, ...
16/06/2026


(ইনফ্লুয়েঞ্জা)

ইনফ্লুয়েঞ্জা, যা সাধারণত ফ্লু নামে পরিচিত, একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা শ্বাসতন্ত্রকে (নাক, গলা এবং ফুসফুস) আক্রমণ করে।

এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে নির্গত ক্ষুদ্র কণার দ্বারা সহজেই এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং হালকা থেকে গুরুতর পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের আকস্মিক উপসর্গ সৃষ্টি করে।

🚩লক্ষণ

সাধারণত সংস্পর্শে আসার এক থেকে চার দিন পর লক্ষণগুলো দেখা দেয় এবং সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়।

এগুলোর মধ্যে প্রায়শই অন্তর্ভুক্ত থাকে:

✅হঠাৎ জ্বর বা কাঁপুনি

✅পেশী বা শরীরে ব্যথা

✅কাশি এবং গলা ব্যথা

✅ক্লান্তি (অবসাদ)

✅মাথাব্যথা এবং

✅সর্দি বা নাক বন্ধ থাকা

✅কিছু ব্যক্তির, বিশেষ করে ছোট শিশুদের, বমি এবং ডায়রিয়াও হতে পারে।

🚩কারণ ও সংক্রমণ

ফ্লু রোগটি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে হয়—প্রধানত টাইপ এ এবং বি—যা ঋতুভেদে ছড়ায়।

✅বায়ুবাহিত কণা:

কোনো সংক্রামিত ব্যক্তি কাশি, হাঁচি বা কথা বলার সময় ভাইরাসটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

✅পৃষ্ঠতলের সংস্পর্শ:

কোনো দূষিত বস্তু বা পৃষ্ঠতল স্পর্শ করার পর নিজের মুখ, নাক বা চোখ স্পর্শ করলেও আপনি এতে আক্রান্ত হতে পারেন।

🚩প্রতিরোধ

বার্ষিক ফ্লু ভ্যাকসিন গ্রহণ করা এই রোগ প্রতিরোধের এবং গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

প্রচলিত স্ট্রেইনগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি বছর ভ্যাকসিনগুলো হালনাগাদ করা হয়।

অন্যান্য প্রধান প্রতিরোধ কৌশলগুলোর মধ্যে রয়েছে:

✅ঘন ঘন হাত ধোয়া

✅কাশি ও হাঁচি ঢাকা

✅বাড়িতে অবস্থান করা

✅অসুস্থ ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

🚩চিকিৎসা

বেশিরভাগ আক্রান্ত ব্যক্তি বিশ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে তরল পানের মাধ্যমে নিজে থেকেই সেরে ওঠেন।

সাধারণ ঔষধ জ্বর এবং পেশীর ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

তবে, ফ্লু থেকে নিউমোনিয়ার মতো প্রাণঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে।

🚩উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী

✅ছোট শিশুরা (বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সীদের)

✅৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্করা

✅গর্ভবতী মহিলাদের

✅দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় (যেমন, হাঁপানি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ) আক্রান্ত ব্যক্তি অথবা যাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল।

এসব জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসা সেবা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

At office ❤️
15/06/2026

At office ❤️

 (আড়ষ্ট কাঁধ) ফ্রোজেন শোল্ডার, যা চিকিৎসাগতভাবে অ্যাডহেসিভ ক্যাপসুলাইটিস নামে পরিচিত, এমন একটি অবস্থা যার বৈশিষ্ট্য হলো ...
15/06/2026


(আড়ষ্ট কাঁধ)

ফ্রোজেন শোল্ডার, যা চিকিৎসাগতভাবে অ্যাডহেসিভ ক্যাপসুলাইটিস নামে পরিচিত, এমন একটি অবস্থা যার বৈশিষ্ট্য হলো কাঁধের জোড়ের আড়ষ্টতা, তীব্র ব্যথা এবং নড়াচড়ার সীমিত পরিসর।

এটি তখন ঘটে যখন কাঁধের জোড়কে ঘিরে থাকা যোজক কলার ক্যাপসুলটি প্রদাহযুক্ত হয়ে পুরু ও শক্ত হয়ে যায়।

🚩লক্ষণ ও পর্যায়

এই অবস্থাটি সাধারণত ধীরে ধীরে বিকশিত হয় এবং তিনটি স্বতন্ত্র পর্যায়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়:

✅ফ্রিজিং স্টেজ (২ থেকে ৯ মাস):

কাঁধে ক্রমবর্ধমান ও সার্বিক ব্যথা, যা প্রায়শই রাতে আরও বাড়ে। কাঁধ নাড়াচাড়ার পরিসর ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়।

✅স্থবির পর্যায় (৪ থেকে ১২ মাস):

ব্যথা কমতে শুরু করতে পারে, কিন্তু তীব্র আড়ষ্টতা থেকে যায়।

কাঁধ আটকে যায়, ফলে দৈনন্দিন কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে পড়ে।

✅গলতে শুরু করার পর্যায় (৫ থেকে ২৪ মাস):

কাঁধ নাড়ানোর ক্ষমতা ধীরে ধীরে উন্নত হয় এবং শক্তি ফিরে আসে।

🚩কারণ ও ঝুঁকির কারণসমূহ

এর সঠিক কারণ প্রায়শই অস্পষ্ট থাকে, তবে এটি সাধারণত জয়েন্ট ক্যাপসুল সঙ্কুচিত হয়ে স্কার টিস্যু তৈরি হওয়ার কারণে হয়ে থাকে।

আপনার ঝুঁকি বেশি হতে পারে যদি:

✅৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সী:

এটি এই বয়সসীমার মধ্যে, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

✅সিস্টেমিক রোগ থাকা:

ডায়াবেটিস,
থাইরয়েডের সমস্যা (হাইপোথাইরয়েডিজম/হাইপারথাইরয়েডিজম), এবং
পারকিনসন্স রোগের সাথে ফ্রোজেন শোল্ডারের একটি শক্তিশালী যোগসূত্র রয়েছে।

✅সাম্প্রতিক স্থিরতা:

অস্ত্রোপচার,
ফ্র্যাকচার বা
রোটেটর কাফ ইনজুরির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে কাঁধ স্থির রাখলে এটি হতে পারে।

🚩চিকিৎসা

যদিও ফ্রোজেন শোল্ডার সাধারণত ১ থেকে ৩ বছরের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়, তবুও ব্যথা নিয়ন্ত্রণ এবং আরোগ্য দ্রুত করার জন্য কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে:

✅ফিজিওথেরাপি:

মৃদু ও নির্দেশিত অঙ্গ সঞ্চালন ব্যায়ামই এই চিকিৎসার মূল ভিত্তি।

✅ঔষধ:

প্রেসক্রিপশন ছাড়া কেনা যায় এমন ব্যথানাশক (যেমন আইবুপ্রোফেন) প্রদাহ এবং অস্বস্তি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

✅ইনজেকশন:

ব্যথা কমাতে এবং গতিশীলতা বাড়াতে কর্টিকোস্টেরয়েড ইনজেকশন অথবা হাইড্রোডাইলেশন (তরল দিয়ে জয়েন্ট ক্যাপসুল প্রসারিত করা) ব্যবহার করা যেতে পারে।

✅শল্যচিকিৎসা:

দীর্ঘস্থায়ী ক্ষেত্রে, অ্যানেস্থেসিয়ার অধীনে ম্যানিপুলেশন বা আর্থ্রোস্কোপিক ক্যাপসুলার রিলিজের মতো পদ্ধতির সুপারিশ করা যেতে পারে।

  (Review class)প্রথম টার্ম ফাইনাল পরীক্ষার পর লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষার সার্বিক বিষয়ে পরীক্ষকদের ইতিবাচক ও নেতি...
14/06/2026


(Review class)

প্রথম টার্ম ফাইনাল পরীক্ষার পর লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষার সার্বিক বিষয়ে পরীক্ষকদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক অভিজ্ঞতা, পরবর্তী প্রস্তুতি ও সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা।

Forensic Medicine and Toxicology
Cox's Bazar Medical College.

 হাইপোথাইরয়েডিজম বা থাইরয়েডের নিষ্ক্রিয়তা তখন ঘটে, যখন আপনার থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে ব্যর্থ...
14/06/2026



হাইপোথাইরয়েডিজম বা থাইরয়েডের নিষ্ক্রিয়তা তখন ঘটে, যখন আপনার থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।

এর ফলে আপনার শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যার কারণে ক্রমাগত ক্লান্তি, অনিচ্ছাকৃত ওজন বৃদ্ধি এবং ঠান্ডার প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধির মতো বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়।এই অবস্থাটি অত্যন্ত নিরাময়যোগ্য এবং দৈনিক ঔষধ সেবনের মাধ্যমে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

🚩সাধারণ লক্ষণ

যেহেতু হাইপোথাইরয়েডিজম ধীরে ধীরে বিকশিত হয়, তাই এর লক্ষণগুলোকে সহজেই স্বাভাবিক বার্ধক্য বা মানসিক চাপের লক্ষণ বলে ভুল করা যেতে পারে।

নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখুন:

✅চরম ক্লান্তি এবং অবসাদ

✅ধীর বিপাক ক্রিয়ার পাশাপাশি ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধি

✅ঠান্ডা তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীলতা

✅শুষ্ক, রুক্ষ ত্বক এবং পাতলা চুল

✅কোষ্ঠকাঠিন্য

✅পেশীর দুর্বলতা, আড়ষ্টতা এবং গাঁটে ব্যথা

✅অনিয়মিত বা অতিরিক্ত ঋতুস্রাব

✅হালকা বিষণ্ণতা বা স্মৃতিশক্তির সমস্যা

🚩প্রধান কারণগুলি

থাইরয়েড কেন ঠিকমতো কাজ করে না, তা বোঝা চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

✅হাশিমুতো রোগ (Hashimoto’s Disease):

এটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ। এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত থাইরয়েড গ্রন্থিকে আক্রমণ করে।

✅থাইরয়েড সার্জারি বা রেডিয়েশন:

এমন চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা দুর্ঘটনাক্রমে থাইরয়েড টিস্যু অপসারণ করা হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়।

✅কিছু নির্দিষ্ট ঔষধ:

লিথিয়াম বা অ্যামিওডারোনযুক্ত ঔষধ থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

🚩রোগ নির্ণয়

একটি সাধারণ রক্ত ​​পরীক্ষা, যা প্রায়শই থাইরয়েড প্যানেলনামে পরিচিত , তার মাধ্যমে উচ্চ থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন (TSH) মাত্রার পাশাপাশি নিম্ন থাইরয়েড হরমোন (T3, T4) ও শনাক্ত করা যায়।

🚩চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা

✅ঔষধ:

এই চিকিৎসায় সাধারণত লেভোথাইরক্সিনের মতো একটি কৃত্রিম থাইরয়েড হরমোনের দৈনিক ডোজ দেওয়া হয় , যা আপনার হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

অধিকাংশ রোগীর আজীবন ঔষধ সেবন এবং ডাক্তার বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।

14/06/2026

Celebrating my 7th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

 (জলবসন্ত)চিকেন পক্স (জলবসন্ত) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা ভ্যারিসেলা-জোস্টার (Varicella-Zoster) ভাইরাসের কা...
12/06/2026


(জলবসন্ত)

চিকেন পক্স (জলবসন্ত) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা ভ্যারিসেলা-জোস্টার (Varicella-Zoster) ভাইরাসের কারণে হয়।

🚩প্রধান লক্ষণসমূহ

ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ২১ দিনের মধ্যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়:

✅প্রাথমিক লক্ষণ:

ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার ১-২ দিন আগে তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, ক্লান্তি এবং ক্ষুধা ম্লান হওয়া।

✅প্রথম ধাপ:

পিঠ, বুক বা মুখে ছোট ছোট লালচে গুটি বা স্পট দেখা দেয়, যা দ্রুত সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

✅দ্বিতীয় ধাপ:

এই গুটিগুলো দ্রুত তরল পদার্থে পূর্ণ হয়ে চুলকানিযুক্ত ফোস্কায় পরিণত হয়।

✅তৃতীয় ধাপ:

ফোস্কাগুলো ফেটে শুকিয়ে যেতে শুরু করে এবং এর ওপর শক্ত চামড়া বা খসখসে স্ক্যাব (Scab) তৈরি হয়।

🚩যেভাবে ছড়ায়

চিকেন পক্স খুব দ্রুত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে:

✔️আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে নির্গত ড্রপলেটের সাহায্যে।

✔️ফোস্কার ভেতরের তরল পদার্থের সরাসরি সংস্পর্শে এলে।

🚩সংক্রমণের সময়:

শরীরে ফুসকুড়ি দৃশ্যমান হওয়ার ১-২ দিন আগে থেকে শুরু করে শরীরের সমস্ত ফোস্কা পুরোপুরি শুকিয়ে শক্ত চামড়া না হওয়া পর্যন্ত একজন রোগী এই রোগ ছড়াতে পারেন।

🚩ঘরে চিকিৎসা ও যত্ন

চিকেন পক্স সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়।

তবে কষ্ট কমানোর জন্য কিছু ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি:

✅চুলকানি ঘুচাতে:

ক্যালামাইন লোশন (Calamine Lotion) ব্যবহার করুন অথবা কুসুম গরম পানিতে ওটমিল মিশিয়ে গোসল করান।

✅জ্বর নিয়ন্ত্রণে:

জ্বর ও শরীর ব্যথার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল সেবন করুন।

⚠️জরুরি সতর্কতা:

চিকেন পক্সের রোগীকে (বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের) কখনই অ্যাসপিরিন (Aspirin) জাতীয় ওষুধ দেবেন না।

এটি 'রেইজ সিন্ড্রোম' (Reye's Syndrome) নামের একটি মারাত্মক ও প্রাণঘাতী রোগ তৈরি করতে পারে।

✅নখ ছোট রাখা:

আক্রান্ত ব্যক্তির নখ ছোট করে কেটে রাখুন, যেন চুলকানোর সময় ফোস্কা ফেটে গিয়ে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন বা স্থায়ী দাগ না পড়ে।

🚩প্রতিরোধ

এই রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো চিকেন পক্সের টিকা (Vaccine) নেওয়া।

সাধারণত শিশুদের দুই ডোজে এই টিকা দেওয়া হয়।

একবার চিকেন পক্স হলে শরীরে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, তবে ভাইরাসটি স্নায়ুকোষে সুপ্ত অবস্থায় থেকে যেতে পারে এবং বহু বছর পর বয়োবৃদ্ধ বয়সে 'শিনগেলস' বা 'জোনা রোগ' (Shingles) হিসেবে পুনরুত্থিত হতে পারে।

Address

Chamber 305, 3rd Floor, Union Hospital
Cox's Bazar
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share