ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী

Call Directions Website

ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী, Medical and health, Chamber 305, level 3, Union Hospital, Cox's Bazar.

MBBS, BCS, DHN, MPH
জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
Assistant Professor & Head
Forensic Medicine & Toxicology

Public Heath & Nutrition specialist|
Diabetes | Mental Health | HIV-AIDS | Hospital Management | Forensic Medicine & Toxicology Expert

  - CTS(কার্পাল টানেল সিনড্রোম)কার্পাল টানেল সিনড্রোম (Carpal Tunnel Syndrome - CTS) হলো কবজির ভেতরের এক ধরণের সমস্যা, য...
12/10/2026

- CTS
(কার্পাল টানেল সিনড্রোম)

কার্পাল টানেল সিনড্রোম (Carpal Tunnel Syndrome - CTS) হলো কবজির ভেতরের এক ধরণের সমস্যা, যা কবজির ওপর দিয়ে হাতে যাওয়া প্রধান স্নায়ু (মিডিয়ান নার্ভ) সংকুচিত বা চাপ খাওয়ার কারণে হয়।

🚩প্রধান লক্ষণসমূহ

✅অসাড়তা বা ঝিনঝিন:

বুড়ো আঙুল, তর্জনী, মধ্যমা এবং অনামিকা আঙুলে ঝিনঝিন করা বা অবশ ভাব হওয়া।

✅ব্যথা:

কবজি বা হাতে ব্যথা হওয়া, যা অনেক সময় কনুই পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। রাতে এই ব্যথা বা অস্বস্তি বেড়ে যায়।

✅দুর্বলতা:

কোনো কিছু শক্ত করে ধরতে বা গ্রিপ করতে অসুবিধা হওয়া এবং হাতের আঙুলের সংবেদনশীলতা কমে যাওয়া।

🚩কারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

✅পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ:

একই কাজ বারবার কবজি ব্যবহার করে করা (যেমন দীর্ঘক্ষণ টাইপ করা বা কম্পনশীল বাদ্যযন্ত্র/যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা)।

✅শারীরিক অবস্থা:

গর্ভাবস্থা, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা (হাইপোথাইরয়েডিজম) এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস।

✅আঘাত:

কবজি মচকে যাওয়া বা হাড় ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী সময়ে এই সমস্যা হতে পারে।

🚩রোগ নির্ণয়

✅শারীরিক পরীক্ষা (যেমন ফ্যালেনের কৌশল বা টিনেল টেস্ট)।

✅ইএমজি (EMG) বা নার্ভ কনডাকশন টেস্টের মাধ্যমে এটি নির্ণয় করেন।

🚩চিকিৎসা

✅প্রাথমিক চিকিৎসা:

কবজি স্থির রাখতে স্প্লিন্ট (Splint) ব্যবহার, কাজ করার সময় বিরতি নেওয়া এবং ঠান্ডা সেক দেওয়া।

✅ওষুধ ও থেরাপি:

প্রদাহ কমাতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ (NSAIDs) বা চিকিৎসকের পরামর্শে কর্টিকোস্টেরয়েড ইনজেকশন এবং ফিজিক্যাল থেরাপি।

✅অস্ত্রোপচার:

সমস্যা তীব্র হলে এবং স্নায়ু বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার উপক্রম হলে অস্ত্রোপচারের (ওপেন বা এন্ডোস্কোপিক সার্জারি) প্রয়োজন হয়।

 বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ১২ অক্টোবর ২০২৬।🚩এবারের প্রতিপাদ্য (Theme): "Achieve Your Dreams" (চলুন, সুস্থ ও সচল জীবনের পথে—...
12/10/2026


বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
১২ অক্টোবর ২০২৬।

🚩এবারের প্রতিপাদ্য (Theme):

"Achieve Your Dreams"

(চলুন, সুস্থ ও সচল জীবনের পথে— রোগের কারণে স্বপ্ন ও ব্যক্তিগত লক্ষ্য থেকে সরে আসতে হবে না)।

🚩ইতিহাস:

১৯৯৬ সাল থেকে আর্থ্রাইটিস অ্যান্ড রিউমাটিজম ইন্টারন্যাশনাল (ARI) এর উদ্যোগে প্রথম এই দিবসটি পালন শুরু হয়।

🚩মূল উদ্দেশ্য:

✅রিউমাটিক এবং মাস্কুলোস্কেলেটাল ডিজিজ (RMDs) বা বাত ও হাড়ের রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা,
✅দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং
✅উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।

 (কালোজিরা)কালো বীজ বা কালোজিরা হলো Nigella sativa উদ্ভিদের ছোট ত্রিকোণাকার কালো বীজ। আরবিতে একে হাববাতু সাওদা বা মৃত্য ...
11/10/2026


(কালোজিরা)

কালো বীজ বা কালোজিরা হলো Nigella sativa উদ্ভিদের ছোট ত্রিকোণাকার কালো বীজ।

আরবিতে একে হাববাতু সাওদা বা মৃত্য ছাড়া সব রোগের ওষুধ হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

কালোজিরা পুষ্টি উপাদান ও ঔষধি গুণে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক বীজ।

🚩প্রতি ১০০ গ্রাম কালোজিরার পুষ্টি উপাদান

✅ক্যালোরি: প্রায় ৩৪০-৩৫০ কিলোক্যালরি

✅প্রোটিন: ২১ থেকে ২২ গ্রাম

✅শর্করা (Carbohydrates): ৩৮ থেকে ৪১ গ্রাম

✅স্নেহজাতীয় পদার্থ বা ফ্যাট: ৩৫ থেকে ৪০ গ্রাম (স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ)

✅খাদ্যআঁশ (Fiber): ৮ থেকে ১৭ গ্রাম

✅ক্যালসিয়াম: ৩৫০ থেকে ৩৭০ মিলিগ্রাম

✅আয়রন: ৯ থেকে ১২ মিলিগ্রাম

✅প্রধান সক্রিয় উপাদান: থাইমোকুইনোন (Thymoquinone), যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে।

🚩উপকারিতা:

✅রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:

এতে রয়েছে থাইমোকুইনোন (Thymoquinone) নামক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।

✅হজমশক্তি ও পেট ভালো রাখা:

সকালে খালি পেটে কালোজিরা চিবিয়ে খেলে হজম ভালো হয় এবং পেটের গ্যাস, বদহজম ও পেট ফাঁপার সমস্যা দূর হয়।

✅ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ:

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে এটি বেশ কার্যকর।

✅রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

✅শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি উপশম:

সর্দি, কাশি, হাঁপানি এবং অ্যালার্জির প্রকোপ কমাতে কালোজিরা দারুণ উপকারী।

✅ত্বক ও চুলের যত্ন:

নিয়মিত কালোজিরা খেলে চুল পড়া কমে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।

✅ওজন নিয়ন্ত্রণ:

বিপাকক্রিয়া (Metabolism) বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি সাহায্য করে।

🚩অপকারিতা বা ঝুঁকি:

✅গর্ভবতী নারীদের ঝুঁকি:

গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত বা ঔষধি মাত্রায় কালোজিরা খাওয়া জরায়ুর সংকোচন ঘটাতে পারে, যা গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।

✅রক্তে শর্করা বেশি কমে যাওয়া:

ডায়াবেটিসের ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত কালোজিরা খেলে রক্তের শর্করা খুব বেশি কমে (Hypoglycemia) যেতে পারে।

✅রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়া:

যাদের নিম্ন রক্তচাপের (Low BP) সমস্যা আছে, তাদের রক্তচাপ আরও কমিয়ে দিতে পারে।

✅রক্ত জমাট বাঁধায় বাধা:

কালোজিরা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। ফলে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা থাকলে বা বড় কোনো অপারেশনের আগে এটি খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।

✅অ্যালার্জি বা পেটের সমস্যা:

কারও কারও ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কালোজিরা খেলে ত্বকে অ্যালার্জি, বুকজ্বালা বা বমি ভাব হতে পারে।

🚩খাওয়ার নিয়ম

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন গড়ে ১ থেকে ৩ গ্রাম (বা সর্বোচ্চ ১ চা চামচ) কালোজিরা বা এর তেল খাওয়া নিরাপদ।

New role..❤️Advisor, District Debate Association Cox's Bazar.
10/10/2026

New role..❤️
Advisor, District Debate Association
Cox's Bazar.

 (ফ্যাটি লিভার)লিভার বা যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়ার অবস্থাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়। সাধারণত যকৃতের মোট ওজনের ৫ শতাংশের...
10/10/2026


(ফ্যাটি লিভার)

লিভার বা যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়ার অবস্থাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

সাধারণত যকৃতের মোট ওজনের ৫ শতাংশের বেশি চর্বি জমলে একে ফ্যাটি লিভার হিসেবে ধরা হয়।

🚩এটি মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে:

✅নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD/MASLD) এবং

✅অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।

🚩প্রধান কারণসমূহ

✅অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা

✅টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স

✅উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে অতিরিক্ত চর্বি বা ট্রাইগ্লিসারাইড

✅অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন (অ্যালকোহলিক লিভার ডিজিজের ক্ষেত্রে)

✅অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খাওয়া।

🚩লক্ষণসমূহ

প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যাটি লিভার সাধারণত কোনো স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ করে না (অ্যাসিম্পটমেটিক)।

তবে রোগটি বাড়লে বা প্রদাহ হলে নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে:

✅অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা

✅পেটের উপরের ডানদিকে হালকা ব্যথা বা অস্বস্তি

✅ক্ষিদে কমে যাওয়া বা অরুচি

✅লিভার বড় হয়ে যাওয়া (হেপাটোমেগালি)

✅জটিল পর্যায়ে জন্ডিস, পেট ফোলা (Ascites) বা পা ফোলা।

🚩রোগ নির্ণয় (Diagnosis)

✅রক্ত পরীক্ষা:

লিভার এনজাইম (ALT, AST) পরীক্ষা

✅ইমেজিং পরীক্ষা:

পেটের আল্ট্রাসাউন্ড (Ultrasonogram), সিটি স্ক্যান বা এমআরআই

✅বিশেষ পরীক্ষা:

ফাইব্রোস্ক্যান (FibroScan) বা ফাইব্রোটেস্ট।

🚩চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

ফ্যাটি লিভার প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। এর জন্য করণীয় হলো:

✅ওজন কমানো:

শরীরের ৩ থেকে ৫ শতাংশ ওজন কমানো গেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

✅নিয়মিত ব্যায়াম:

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট বা সপ্তাহে ১৫০ মিনিট শরীরচর্চা করা।

✅সুষম খাদ্য:

আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি ও ফলমূল বেশি খাওয়া এবং অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, মিষ্টি ও ফাস্টফুড পরিহার করা।

✅অ্যালকোহল বর্জন:

অ্যালকোহল সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা।

✅ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

সুনির্দিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তের শর্করা ও চর্বি নিয়ন্ত্রণে রাখা।

সিরিয়ালের জন্য ফোন/মেসেজ দিন:+8801759335202
09/10/2026

সিরিয়ালের জন্য ফোন/মেসেজ দিন:
+8801759335202

 (পিত্তথলির পাথর)পিত্তথলির পাথর (Gallstones) হলো পিত্তরসের উপাদান জমে তৈরি হওয়া ছোট কঠিন টুকরো, যা মূলত কোলেস্টেরল বা বি...
09/10/2026


(পিত্তথলির পাথর)

পিত্তথলির পাথর (Gallstones) হলো পিত্তরসের উপাদান জমে তৈরি হওয়া ছোট কঠিন টুকরো, যা মূলত কোলেস্টেরল বা বিলিরুবিন দিয়ে গঠিত হয়।

🚩প্রকারভেদ:

✅কোলেস্টেরল পাথর (Cholesterol Stones) সবচেয়ে সাধারণ প্রকার (প্রায় ৮০%)।
• রঙ সাধারণত হলুদ-সবুজ বা হালকা রঙের হয়।
• পিত্তরসে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা দ্রবীভূত না হয়ে শক্ত হয়ে এই পাথর তৈরি করে।

✅পিগমেন্ট পাথর (Pigment Stones)

• লাল রক্তকণিকা ভেঙে তৈরি হওয়া বিলিরুবিন নামক পদার্থের আধিক্যে এই পাথর হয়।
• এটি আকারে ছোট এবং রঙে গাঢ় কালো বা বাদামী হয়।
• লিভার সিরোসিস বা রক্তস্বল্পতার মতো সমস্যায় আক্রান্তদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।

✅মিশ্র পাথর (Mixed Stones) ১০% থেকে ২০%
এতে কোলেস্টেরল এবং বিলিরুবিনসহ বিভিন্ন উপাদানের সংমিশ্রণ থাকে।

🚩লক্ষণসমূহ

✅পেটের উপরের ডানপাশে বা মাঝখানে তীব্র ব্যথা, যা কাঁধ বা পিঠ পর্যন্ত ছড়াতে পারে।

✅বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

✅জ্বর ও কাঁপুনি (সংক্রমণ হলে)।

✅চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া (জন্ডিস), যদি পাথর পিত্তনালিতে আটকে যায়।

✅অনেক সময় কোনো উপসর্গ থাকে না (৮০% ক্ষেত্রে পাথর নীরব থাকে)।

🚩প্রধান কারণ ও ঝুঁকি

✅পিত্তরসের উপাদানের ভারসাম্যহীনতা (অতিরিক্ত কোলেস্টেরল বা বিলিরুবিন)

✅বয়স ৪০ বছরের বেশি হওয়া

✅নারী হওয়া

✅অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা

✅গর্ভাবস্থা

✅ডায়াবেটিস

✅দ্রুত ওজন কমানো।

🚩পরীক্ষা ও নির্ণয়

✅আল্ট্রাসোনোগ্রাম (USG):
পিত্তথলির পাথর শনাক্ত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সাধারণ পরীক্ষা

✅রক্ত পরীক্ষা

✅সিটি স্ক্যান

✅MRCP

🚩চিকিৎসা

✅উপসর্গহীন পাথর:

সাধারণত কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না, শুধু পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

✅উপসর্গযুক্ত পাথর:

ল্যাপারোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পিত্তথলি ফেলে দেওয়া (Cholecystecyomy) সবচেয়ে প্রচলিত ও কার্যকর চিকিৎসা।

 ) (পিঁপড়া) পিঁপড়া বা পিপীলিকা হল ফর্মিসিডি (Formicidae) গোত্রের অন্তর্গত সামাজিক কীট বা পোকা।পিঁপড়ার কামড় দিলে হুল ...
08/10/2026

)
(পিঁপড়া)

পিঁপড়া বা পিপীলিকা হল ফর্মিসিডি (Formicidae) গোত্রের অন্তর্গত সামাজিক কীট বা পোকা।

পিঁপড়ার কামড় দিলে হুল ফুটিয়ে শরীরে এসিড প্রবেশ করায়।

পিঁপড়ার কামড়ে ফর্মিক এসিড (বা মিথানয়িক এসিড) থাকে।

🚩পিঁপড়ার কামড়ের লক্ষণ

✅লালচে ভাব ও চামড়া ফুলে যাওয়া।
✅তীব্র জ্বালা-পোড়া ও চুলকানি।
✅ফোস্কা বা পুঁজ (বিষপিঁপড়া)
✅গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট বাঅ্যানাফাইল্যাক্সিস।

🚩প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরিচর্যা

✅সাবান-পানি:

সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে কামড়ের জায়গাটি ভালো করে ধুয়ে নিন।

✅বরফ বা ঠান্ডা সেঁক:

ফোলা ও ব্যথা কমাতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট বরফ বা ঠান্ডা ভেজা কাপড় জড়িয়ে রাখুন।

✅অ্যান্টিহিস্টামিন:

চুলকানি ও লালভাব কমাতে ওরাল অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন।

✅হাইড্রোকার্টিসোন ক্রিম:

ত্বকের চুলকানি ও অস্বস্তি কমাতে টপিক্যাল ক্রিম ব্যবহার করা যায়।

🚩ঘরোয়া প্রতিকার

✅অ্যালোভেরা জেল:

তাজা অ্যালোভেরা জেল লাগালে ত্বকের জ্বালাভাব কমে।

✅বেকিং সোডা পেস্ট:

পানি ও বেকিং সোডার পেস্ট তৈরি করে লাগাতে পারেন।

 (পানি)আমাদের বেঁচে থাকা এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে পানি অপরিহার্য।🚩পানির প্রধান প্রয়োজনীয়তা ও কার্যাবলী✅শরীরের গঠন:...
07/10/2026


(পানি)

আমাদের বেঁচে থাকা এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে পানি অপরিহার্য।

🚩পানির প্রধান প্রয়োজনীয়তা ও কার্যাবলী

✅শরীরের গঠন:

মানবদেহের প্রায় ৬০% থেকে ৭০% অংশই পানি দিয়ে গঠিত, যা কোষের স্থায়িত্ব ও স্বাভাবিক গঠন বজায় রাখে।

✅পুষ্টি ও অক্সিজেন পরিবহন:

রক্তে পরিবাহিত হয়ে শরীরের বিভিন্ন কোষে পুষ্টি উপাদান ও অক্সিজেন সরবরাহ করতে পানি সাহায্য করে।

✅হজম ও বিপাক:

খাদ্য ভাঙতে, পরিপাকে এবং পুষ্টি উপাদান শোষণে পানি সরাসরি ভূমিকা রাখে।

✅বর্জ্য নিষ্কাশন:

ঘাম, মূত্র ও মলত্যাগের মাধ্যমে শরীরের ক্ষতিকর বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে।

✅তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ:

ঘাম ও শ্বসনের মাধ্যমে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পানি কাজ করে।

🚩পানি কম পানের ক্ষতিকর দিক

✅পানিশূন্যতা:

শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হতে পারে।

✅কোষ্ঠকাঠিন্য:

পর্যাপ্ত পানি না খেলে হজমে সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।

✅কিডনির সমস্যা:

নিয়মিত কম পানি পানের ফলে কিডনিতে পাথর বা কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাসের ঝুঁকি বাড়ে।

🚩দৈনিক পানির চাহিদার হিসাব ও পরিমাণ

✅ওজন অনুযায়ী:

প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিলিমিটার পানি প্রয়োজন (যেমন: ৬০ কেজি ওজনের ব্যক্তির দৈনিক প্রায় ১.৮ থেকে ২.১ লিটার পানি দরকার)।

✅সাধারণ মাত্রা:

✔️পুরুষ- প্রতিদিন প্রায় ৩ লিটার (১৩ কাপ)

✔️নারী- প্রতিদিন ২.২ লিটার (৯ কাপ)

তরল জাতীয় খাবার বা পানি গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

✅বিশেষ অবস্থা:

✔️গরমের দিনে,
✔️অতিরিক্ত ঘাম হলে বা
✔️ভারী পরিশ্রম ও শরীরচর্চা করলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পানি ও খনিজযুক্ত পানীয় খাওয়া প্রয়োজন।

🚩পানি পানের সঠিক নিয়ম

✅সকালে:

ঘুম থেকে জেগে খালি পেটে ১ থেকে ২ গ্লাস পানি পান করা ভালো।

✅খাবারের সময়:

মূল খাবারগুলোর মাঝখানের সময়টাতে পানি পান করা বিজ্ঞানসম্মত।

একবারে অতিরিক্ত পানি না খেয়ে সারাদিনে অল্প অল্প করে ভাগ করে পান করুন।

⚠️অতিরিক্ত সতর্কতা:

প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি পানি খেলে রক্তে সোডিয়াম কমে যাওয়ার মতো সমস্যা (হাইপোনেট্রিমিয়া) হতে পারে।

তাই শরীরের স্বাভাবিক তৃষ্ণা অনুযায়ী পানি পান করুন।

Alhamdulillah ❤️Finally completed the Course.Epidemics- the Dynamics of Infectious Diseases Pennsylvania State Universit...
06/10/2026

Alhamdulillah ❤️
Finally completed the Course.
Epidemics- the Dynamics of Infectious Diseases
Pennsylvania State University

Address

Chamber 305, Level 3, Union Hospital
Cox's Bazar
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share