19/06/2026
#রোগীর_চিকিৎসা
#অস্বীকার_কিংবা_বাধ্যবাধকতা
চিকিৎসকেরা নির্দিষ্ট কিছু অ-জরুরি পরিস্থিতিতে আইনত ও নৈতিকভাবে রোগীদের চিকিৎসা করতে অস্বীকার করতে পারেন।
🚩যেসব বৈধ পরিস্থিতিতে একজন ডাক্তার রোগীর চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করতে পারেন:
✅চিকিৎসা ক্ষেত্রের বাইরের বিশেষজ্ঞতা:
অনুরোধকৃত চিকিৎসা বা অবস্থাটি চিকিৎসকের বিশেষত্ব, জ্ঞান বা নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের আওতার বাইরে।
✅অপমানজনক বা হুমকিমূলক আচরণ:
যদি কোনো রোগী শারীরিকভাবে সহিংস হয়, হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করে, অথবা ডাক্তার ও কর্মীদের হয়রানি করে, শারীরিক বা মানসিকভাবে আঘাত করে।
✅রোগীর অসহযোগিতা:
যদি কোনো রোগী বারবার প্রস্তাবিত চিকিৎসা পরিকল্পনা অনুসরণ করতে অস্বীকার করেন, অন্য চিকিৎসা অনুসরণ বা অবলম্বন করে অথবা বারবার নির্দেশিত সাক্ষাতের সময় অনুপস্থিত থাকেন।
✅ফি পরিশোধ না করা:
জরুরি নয় বা জীবন রক্ষাকারী নয় এমন চিকিৎসার ক্ষেত্রে, যদি কোনো রোগী চিকিৎসকের প্রাপ্য অর্থ বা ফি পরিশোধ করতে না পারেন।
✅বিবেকগত আপত্তি:
সীমিত, অ-জরুরি ক্ষেত্রে যেখানে অনুরোধকৃত কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি চিকিৎসকের গভীর নৈতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী হয় (শর্ত থাকে যে অন্য কোনো চিকিৎসক সেই চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে পারেন)।
🚩যেসব পরিস্থিতিতে ডাক্তাররা চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করতে পারেন না :
✅জরুরি পরিস্থিতি:
জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন সংকটাপন্ন প্রত্যেক রোগীকে পরীক্ষা করে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল করতে হবে।
✅বৈষম্য:
কোনো চিকিৎসক জাতি, বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ বা জাতীয়তার ভিত্তিতে কোনো রোগীকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করতে পারেন না।
✅পরিত্যাগ:
একবার ডাক্তার-রোগী সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হলে, কোনো চিকিৎসক রোগীকে আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশ না দিয়ে এবং অন্য ডাক্তার খুঁজে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে চিকিৎসা বন্ধ করতে পারেন না।
সূত্র:
(American Medical Association) Journal of Ethics.