ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী

ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী, Medical and health, Chamber 305, level 3, Union Hospital, Cox's Bazar.

MBBS, BCS, DHN, MPH
Assistant Professor & Head
Forensic Medicine & Toxicology

Public Heath | Nutrition | Fitness specialist

Diabetes | Mindfulness | Psychological First Aid (PFA) | HIV-AIDS | Hospital Management | Forensic Medicine & Toxicology Expert

 (খুশকি) খুশকি একটি সাধারণ চর্মরোগ, যেখানে মাথার ত্বকের মৃত কোষ সাদা বা হলুদ আঁশের মতো ঝরে পড়ে এবং প্রায়শই হালকা চুলকা...
09/08/2026


(খুশকি)

খুশকি একটি সাধারণ চর্মরোগ, যেখানে মাথার ত্বকের মৃত কোষ সাদা বা হলুদ আঁশের মতো ঝরে পড়ে এবং প্রায়শই হালকা চুলকানির সৃষ্টি করে।

🚩সাধারণ লক্ষণ

✅চুলে বা কাঁধে সাদা বা হলুদ ত্বকের আঁশ

✅মাথার ত্বকে চুলকানি, আঁশ ওঠা বা অস্বস্তি।

✅ঠান্ডা, শুষ্ক আবহাওয়া, অতিরিক্ত মানসিক চাপের সময় লক্ষণগুলো আরও তীব্র হয়।

🚩কারণ ও উদ্দীপক

✅ম্যালাসেজিয়া (Malassezia) নামক এক প্রকার ইস্টের অতিরিক্ত বৃদ্ধি , যা মাথার ত্বকের তেল খেয়ে জীবনধারণ করে।

✅অতিরিক্ত তেল উৎপাদন বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিস

✅চুল খুব কম ধোয়া (যার ফলে তেল জমে যায়) অথবা খুব বেশি ধোয়া (যার ফলে চুল শুষ্ক হয়ে যায়)

✅চুলের ডাই বা কঠোর স্টাইলিং পণ্যের প্রতিক্রিয়া

🚩চিকিৎসা

🔵ঔষধি শ্যাম্পু

✅কেটোকোনাজোল:

মাথার ত্বকের ছত্রাক প্রতিরোধ করে।

✅জিঙ্ক পাইরিথিওন:

ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া হ্রাস করে।

✅সেলেনিয়াম সালফাইড:

ত্বকের কোষ ঝরে পড়া কমায় এবং ইস্টের বিরুদ্ধে কাজ করে।

✅স্যালিসাইলিক অ্যাসিড:

ত্বকের মৃত কোষ তুলে ফেলে।

✅কোল টার:

ত্বকের কোষের মৃত্যু ও ঝরে পড়ার গতি কমিয়ে দেয়।

🔵ঘরোয়া প্রতিকার

✅টি ট্রি অয়েল:

প্রাকৃতিক ছত্রাক-প্রতিরোধী কার্যকারিতার জন্য বাহক তেল বা সাধারণ শ্যাম্পুর সাথে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে পাতলা করে নিন।

✅অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার:

মাথার ত্বকের pH ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি পানির সাথে সমপরিমাণে মিশিয়ে রিন্স হিসেবে ব্যবহার করুন।

✅নারকেল তেল:

শুষ্ক ত্বককে আর্দ্র করতে ধোয়ার আগে মাথার ত্বকে মালিশ করা হয়।

🔵জীবনযাত্রার টিপস

✅মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন:

অতিরিক্ত মানসিক চাপ মাথার ত্বকের খুশকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

✅চুলের পণ্য ব্যবহার সীমিত করুন:

জেল এবং ভারী স্প্রে মাথার ত্বকে ময়লা জমিয়ে রাখে।

✅গরম পানি পরিহার করুন:

ত্বক শুষ্ক হওয়া থেকে বাঁচাতে হালকা গরম জল ব্যবহার করুন।

 (ইয়াবা)ইয়াবা একটি থাই শব্দ, যার অর্থ "পাগলা ওষুধ"(crazy medicine)। এটি একটি অবৈধ, অত্যন্ত আসক্তি সৃষ্টিকারী উত্তেজক ম...
08/08/2026


(ইয়াবা)

ইয়াবা একটি থাই শব্দ, যার অর্থ "পাগলা ওষুধ"(crazy medicine)।

এটি একটি অবৈধ, অত্যন্ত আসক্তি সৃষ্টিকারী উত্তেজক মাদক।

দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ এশিয়ায় এর ব্যাপক ব্যবহার ও পাচার হয়।

🚩ইয়াবা কী এবং এটি দেখতে কেমন

✅উপাদান:

মেথামফেটামিন (প্রায় ২০% থেকে ৩০%) এবং ক্যাফেইনের (৪৫% থেকে ৬৫%) একটি শক্তিশালী মিশ্রণ, যাতে প্রায়শই বিষাক্ত গৃহস্থালি বা শিল্প রাসায়নিক মেশানো থাকে।

✅আকার ও আকৃতি:

✔️আকার প্রায় পেন্সিলের রাবারের মতো
✔️রঙ উজ্জ্বল লালচে-কমলা, সবুজ বা গোলাপী
✔️সাধারণত "WY" বা "R"-এর মতো লোগো খচিত ছোট গোলাকার বড়ি।

✅ব্যবহার:

✔️গিলে খাওয়া,
✔️গুঁড়ো করে নাকে টানা,
✔️গরম করে শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা (Chasing the Dragon)
✔️পানিতে গলিয়ে ইনজেকশন দেওয়া।

🚩ক্ষতিকর প্রভাব

🔵তাৎক্ষণিক প্রভাব (স্বল্পমেয়াদী)

সেবন করা হলে (সাধারণত গিলে বা ফয়েলে রেখে গরম করে শ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে), ইয়াবা সরাসরি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে:

✅শারীরিক লক্ষণ:

✔️দ্রুত হৃদস্পন্দন,
✔️বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়া রক্তচাপ,
✔️হাইপারথার্মিয়া (শরীরের উচ্চ তাপমাত্রা),
✔️কাঁপুনি
✔️তীব্র ক্ষুধামন্দা।

✅মনস্তাত্ত্বিক:

✔️আত্মবিশ্বাসের আকস্মিক বৃদ্ধি,
✔️বর্ধিত সতর্কতা,
✔️অতিরিক্ত জাগ্রত অবস্থা
✔️যৌন আকাঙ্ক্ষার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।

✅অবসাদ:

নেশার রেশ কেটে যাওয়ার সাথে সাথে ব্যবহারকারীরা এক তীব্র অবসাদগ্রস্ত অবস্থা অনুভব করেন, যার বৈশিষ্ট্য হলো

✔️চরম ক্লান্তি,
✔️তীব্র উদ্বেগ,
✔️খিটখিটে মেজাজ এবং
✔️গভীর বিষণ্ণতা।

🚩দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যগত পরিণতি

দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারে মস্তিষ্কের রাসায়নিক গঠন পরিবর্তিত হয় এবং শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়:

✅মানসিক ক্ষতি:

✔️দীর্ঘস্থায়ী সন্দেহবাতিকতা,
✔️সহিংস আচরণ,
✔️অলীক উপলব্ধি
✔️মাদক-প্ররোচিত মানসিক রোগ দেখা দেয়, যা সিজোফ্রেনিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।

✅শারীরিক অবনতি:

✔️অতিরিক্ত ওজন হ্রাস,
✔️অনিদ্রা,
✔️হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালীর ক্ষতি (যার মধ্যে স্ট্রোক বা হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বৃদ্ধি অন্তর্ভুক্ত),
✔️মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র রক্তনালীগুলোর ক্ষতি।
✔️"মেথ মাউথ": লালা উৎপাদন কমে যাওয়া,
✔️অপরিচ্ছন্নতা এবং দাঁত কিড়মিড় করার কারণে সৃষ্ট দাঁতের মারাত্মক ক্ষয়,
✔️মাড়ির রোগ ও দাঁত পড়ে যাওয়া।

✅ইনজেকশনের ঝুঁকি:

মাদকটি গুঁড়ো করে ইনজেকশন হিসেবে গ্রহণ করলে, ব্যবহারকারীদের এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস বি/সি-এর মতো রক্তবাহিত ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি থাকে।

🚩আসক্তি এবং প্রত্যাহার (Addiction and Withdrawal)

ইয়াবা দ্রুত মানসিক নির্ভরতা তৈরি করে, যা ব্যবহারকারীদের স্বাভাবিক বোধ করার জন্য ক্রমশ বড় বা ঘন ঘন ডোজ নিতে বাধ্য করে।

মাদক ত্যাগ করার জন্য কঠিন প্রত্যাহার উপসর্গগুলো সামলাতে হয়, যার মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড ক্লান্তি, মাদকের জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা, গুরুতর বিষণ্ণতা এবং আত্মহত্যার প্রবণতা।

Siblings ❤️
07/08/2026

Siblings ❤️

শৈশব❤️
06/08/2026

শৈশব❤️

 (চুল পড়া)চুল পড়া একটি অত্যন্ত কমন সমস্যা। সাধারণত প্রতিদিন ৫০-১০০টি পর্যন্ত চুল ঝরা স্বাভাবিক। এর চেয়ে বেশি চুল পড়া স...
06/08/2026


(চুল পড়া)

চুল পড়া একটি অত্যন্ত কমন সমস্যা। সাধারণত প্রতিদিন ৫০-১০০টি পর্যন্ত চুল ঝরা স্বাভাবিক। এর চেয়ে বেশি চুল পড়া স্বাভাবিক নয়।
এটা বিভিন্ন কারণে হতে পারে।

🚩সাধারণ কারণগুলি

✅জিনতত্ত্ব: বংশগত টাক।

✅মানসিক চাপ: শারীরিক বা মানসিক আঘাতের কারণে চুল ঝরে পড়ার পর্যায় শুরু হয়।

✅খাদ্যতালিকায় আয়রন, জিঙ্ক বা প্রোটিনের পরিমাণ কম থাকা।

✅হরমোন: থাইরয়েডের সমস্যা, গর্ভাবস্থা বা মেনোপজের কারণে এর পরিবর্তন ঘটে।

✅চুলের যত্ন না নেয়া ও ক্ষতিকর অভ্যাস

🚩প্রতিকার/প্রতিরোধ

🔵দৈনন্দিন চুলের যত্নের অভ্যাস

✅মৃদু শ্যাম্পু ব্যবহার করুন:

আপনার মাথার ত্বক থেকে প্রাকৃতিক তেল চলে যাওয়া এড়াতে সালফেট-মুক্ত ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

✅আলতোভাবে শুকান:

জোরে ঘষার পরিবর্তে একটি নরম তোয়ালে বা মাইক্রোফাইবারের কাপড় দিয়ে আলতো করে চাপ দিয়ে চুল শুকান।

✅সাবধানে জট ছাড়ান:

চওড়া দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন এবং ভেজা চুলে কখনো জোরে টানবেন না।

✅আঁটসাঁট চুলের স্টাইল এড়িয়ে চলুন:

আঁটসাঁট পনিটেল, খোঁপা বা বেণী করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ এগুলো চুলের গোড়ায় টান ফেলে এবং চুল ভেঙে যাওয়ার কারণ হয়।

✅তাপ সীমিত করুন:

ব্লো ড্রায়ার, স্ট্রেইটনার এবং কার্লিং আয়রনের ব্যবহার কমিয়ে দিন বা বন্ধ করুন।

🔵খাদ্য ও পুষ্টি

✅পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন গ্রহণ করুন:

চুল কেরাটিন দিয়ে তৈরি, তাই আপনার খাবারে ডিম, মাছ, মুরগির মাংস, দুগ্ধজাত খাবার বা ডাল অন্তর্ভুক্ত করুন।

✅আয়রন গ্রহণ বাড়ান:

আপনার চুলের গোড়ায় অত্যাবশ্যকীয় অক্সিজেন পৌঁছে দিতে পালং শাক, শিম এবং লাল মাংস খান।

✅প্রয়োজনীয় ভিটামিন গ্রহণ করুন:

খাবার বা সুপারিশকৃত সাপ্লিমেন্ট থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি, বি১২ এবং বায়োটিন গ্রহণ নিশ্চিত করুন।

✅শরীরকে আর্দ্র রাখুন:

আপনার মাথার ত্বক ও চামড়া সুস্থ রাখতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

🔵মাথার ত্বক এবং জীবনযাত্রার যত্ন

✅মাথার তালুতে মালিশ করুন:

রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়াতে সপ্তাহে এক বা দুইবার নারকেল, বাদাম বা রোজমেরি তেলের মতো প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করুন।

✅খুশকি নিয়ন্ত্রণ করুন:

উপযুক্ত ঔষধি বা ভেষজ শ্যাম্পু ব্যবহার করে দ্রুত খুশকি ও মাথার ত্বকের জ্বালাপোড়ার চিকিৎসা করুন।

✅মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন:

মানসিক চাপজনিত চুল পড়া কমাতে যোগব্যায়াম, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস বা ধ্যান অনুশীলন করুন।

 (ডোপামিন)ডোপামিন মস্তিষ্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক বার্তাবাহক, যা নিউরোট্রান্সমিটার এবং হরমোন হিসেবে কাজ ক...
05/08/2026


(ডোপামিন)

ডোপামিন মস্তিষ্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক বার্তাবাহক, যা নিউরোট্রান্সমিটার এবং হরমোন হিসেবে কাজ করে।

আনন্দ, প্রেরণা, স্মৃতি এবং শারীরিক নড়াচড়ায় এর প্রধান ভূমিকা রয়েছে।

🚩ডোপামিনের প্রধান কাজগুলি

✅পুরস্কার ও প্রেরণা:

সন্তুষ্টি ও আকাঙ্ক্ষার অনুভূতি সৃষ্টির মাধ্যমে আপনাকে লক্ষ্য, খাবার এবং সামাজিক যোগাযোগের দিকে চালিত করে।

✅সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ:

মসৃণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পেশী সঞ্চালনে সমন্বয় সাধন করে।

নির্দিষ্ট কিছু স্থানে এর মাত্রা কমে গেলে সঞ্চালন অনমনীয় বা ধীর হয়ে যেতে পারে, যেমন পারকিনসন রোগে।

✅মনোযোগ ও একাগ্রতা:

আপনার মনোনিবেশ করার, খুঁটিনাটি মনে রাখার এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাকে সমর্থন করে।

✅শারীরিক নিয়ন্ত্রণ:

মস্তিষ্কের বাইরে হরমোন হিসেবে কাজ করে রক্তনালীর কার্যকারিতা, হৃদস্পন্দন এবং কিডনির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

🚩ভারসাম্যহীনতা এবং স্বাস্থ্য

✅নিম্ন মাত্রা:

পারকিনসন রোগ (চলাচলের নিয়ন্ত্রণ হারানো), বিষণ্ণতা এবং অনুপ্রেরণার অভাবের মতো অবস্থার সাথে সম্পর্কিত।

✅উচ্চ মাত্রা:

এটি ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি, আগ্রাসন এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত।

এটি আসক্তিমূলক আচরণের (Addiction) দৃঢ়ীকরণেও ব্যাপকভাবে জড়িত।

 (এক্সটার্নাল কাউন্টারপালসেশন)এনহেন্সড এক্সটার্নাল কাউন্টারপালসেশন (ECP বা EECP) হলো একটি নন-ইনভেসিভ, বহির্বিভাগীয় চিকি...
04/08/2026


(এক্সটার্নাল কাউন্টারপালসেশন)

এনহেন্সড এক্সটার্নাল কাউন্টারপালসেশন (ECP বা EECP) হলো একটি নন-ইনভেসিভ, বহির্বিভাগীয় চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে পায়ে প্রেশার কাফ ব্যবহার করে হৃৎপিণ্ডে রক্তপ্রবাহ উন্নত করা হয়।

এটি প্রধানত দীর্ঘস্থায়ী বুকের ব্যথা (অ্যাঞ্জাইনা) নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়, যখন অন্য কোনো চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার সম্ভব হয় না।

এক্সটার্নাল কাউন্টারপালসেশন (ECP বা EECP) কখনোই স্ট্যান্ডার্ড হৃদরোগ চিকিৎসার কোনো বিকল্প (Alternative) নয়, বরং এটি একটি সহায়ক বা পরিপূরক (Complementary) চিকিৎসা।

হৃদরোগের প্রাথমিক এবং স্ট্যান্ডার্ড চিকিৎসা হলো

✔️সঠিক লাইফস্টাইল,

✔️ওষুধ (Pharmacotherapy), এবং

✔️প্রয়োজনভেদে ইনভেসিভ পদ্ধতি যেমন—এনজিওপ্লাস্টি (স্টেন্টিং) বা করোনারি আর্টারি বাইপাস সার্জারি (CABG)।

Cleveland Clinic-এর তথ্য অনুযায়ী, EECP থেরাপি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের FDA দ্বারা অনুমোদিত একটি Non-invasive পদ্ধতি, যা সাধারণত তখনই ব্যবহার করা হয় যখন স্ট্যান্ডার্ড চিকিৎসা দেওয়ার পরও রোগীর দীর্ঘস্থায়ী বুকের ব্যথা (Refractory Angina) দূর হয় না।

🚩EECP কখন এবং কাদের দেওয়া হয়?

American College of Cardiology (ACC) এবং American Heart Association (AHA) এর গাইডলাইন অনুযায়ী, এটি মূলত নির্দিষ্ট কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

✅ওষুধে কাজ না হলে: সর্বোচ্চ মাত্রায় হৃদরোগের ওষুধ খাওয়ার পরও যাদের এনজাইনা বা বুকের ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

✅অপারেশনের অনুপযুক্ত হলে:

রোগীর শারীরিক অবস্থা, বয়স বা হার্টের ব্লকেজের জটিল গঠনের কারণে যদি এনজিওপ্লাস্টি বা বাইপাস সার্জারি করা সম্ভব না হয়।

✅পুনরায় লক্ষণ দেখা দিলে:

আগে বাইপাস বা স্টেন্টিং করার পরও যাদের আবারও বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা ফিরে এসেছে।

🚩এটি যেভাবে কাজ করে

চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর পা এবং নিতম্বে বিশেষ ধরনের ইনফ্লেটেবল কাফ (Cuffs) জড়ানো হয়, যা হৃদস্পন্দনের সাথে মিল রেখে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়।

এই প্রক্রিয়াটি হার্টের দিকে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।

University of Michigan Health-এর গবেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে এই থেরাপি হার্টের চারপাশে ছোট ছোট সুপ্ত রক্তনালীগুলোকে সক্রিয় করে তোলে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে 'ন্যাচারাল বাইপাস' (Collateral Circulation) বলা হয়।

এটি ধমনীর ভেতরের ব্লক সরাসরি অপসারণ করে না।

 (ফোবিয়া)ফোবিয়া হলো কোনো বিশেষ বস্তু, প্রাণী, স্থান বা পরিস্থিতির প্রতি এক ধরণের তীব্র, অযৌক্তিক ও অবাস্তব ভয়, যা এক ...
02/08/2026


(ফোবিয়া)

ফোবিয়া হলো কোনো বিশেষ বস্তু, প্রাণী, স্থান বা পরিস্থিতির প্রতি এক ধরণের তীব্র, অযৌক্তিক ও অবাস্তব ভয়, যা এক ধরণের উদ্বেগজনিত ব্যাধি বা Anxiety Disorder হিসেবে গণ্য হয়।

এটি সাধারণ ভয়ের মতো নয়, বরং এর মাত্রা প্রকৃত ঝুঁকির তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে।

🚩ফোবিয়ার প্রধান ৩টি ধরন:

🔵১. নির্দিষ্ট ফোবিয়া (Specific Phobias):

কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বা পরিস্থিতির প্রতি অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক ভয়। এগুলোকে আরও ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়:

✅প্রাণী বা কীট-পতঙ্গ:

যেমন কুকুর (Cynophobia),
মাকড়সা (Arachnophobia) বা
সাপ।

✅প্রাকৃতিক পরিবেশ:

যেমন উচ্চতা (Acrophobia),
অন্ধকার বা ঝড়।

✅রক্ত, ইনজেকশন বা আঘাত:

রক্ত দেখলে বা ইনজেকশনের সূঁচ দেখলে ভয় পাওয়া।

✅পরিস্থিতিভিত্তিক:

বিমানে ওড়ার ভয় (Aerophobia),

আবদ্ধ জায়গা বা লিফটের ভয় (Claustrophobia)।

✅অন্যান্য:

বমি করা,
দম বন্ধ হয়ে যাওয়া বা
নির্দিষ্ট কোনো শব্দে ভয়।

🔵২. সোশ্যাল ফোবিয়া (Social Phobia):

জনসমক্ষে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে কথা বলা, অন্যের সামনে খাওয়ার সময় বিব্রত হওয়ার তীব্র ভয়।

এই ফোবিয়ায় আক্রান্তরা মানুষের মুখোমুখি হওয়া এড়িয়ে চলেন।

🔵৩. অ্যাগোরাফোবিয়া (Agoraphobia):

এমন সব উন্মুক্ত স্থান, ভিড় বা বদ্ধ জায়গায় যাওয়ার ভয় যেখান থেকে চাইলেই সহজে বের হওয়া যায় না।

আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত একা বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পান।

🚩ফোবিয়া দূর করার কার্যকর পদক্ষেপ:

✅ধাপে ধাপে ভয়ের মুখোমুখি হোন (Systematic Desensitization):

ভয়ের বস্তুকে একবারে এড়িয়ে না গিয়ে ধীরে ধীরে তার মুখোমুখি হোন।

যেমন: কুকুর বা মাকড়সার প্রতি ভীতি থাকলে, প্রথমে তার ছবি দেখুন, তারপর ভিডিও এবং সবশেষে নিরাপদ দূরত্বে বাস্তবে তার মুখোমুখি হওয়ার অভ্যাস করুন.

✅কগনিটিভ বিহেভিয়ারেল থেরাপি (CBT):

প্রফেশনাল থেরাপিস্ট বা মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে সিবিটি (CBT) করুন।

এটি আপনার মনের অযৌক্তিক ভয় ও চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

✅গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস চর্চা (Deep Breathing):

ভীতি বা প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে নাক দিয়ে লম্বা শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন।

এটি আপনার দ্রুত হৃদস্পন্দন ও শারীরিক অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করবে।

✅ভয় সম্পর্কে জানুন:

অনেক সময় অজানার ভয় থেকেই ফোবিয়ার সৃষ্টি হয়।

তাই আপনার ভয়ের কারণটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এবং নিজেকে বোঝান যে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

✅ওষুধের সাহায্য নেওয়া:

থেরাপির পাশাপাশি তীব্র উদ্বেগের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট বা বিটা-ব্লকার (Beta-blockers) জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

Accomplished ❤️Nice session with fellow learners.
02/08/2026

Accomplished ❤️
Nice session with fellow learners.

Address

Chamber 305, Level 3, Union Hospital
Cox's Bazar
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share