24/07/2026
https://www.facebook.com/HealthTipsB2
দামি সাপ্লিমেন্ট নয়, পুষ্টি মিলতে পারে আমাদের আশেপাশের সহজলভ্য খাবার থেকেই।
শরীরে ভিটামিন বা মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করতে হলে দামি ফল, বিদেশি খাবার বা সাপ্লিমেন্ট ছাড়াই বাংলাদেশের বাজারেই এমন অনেক সাশ্রয়ী খাবার আছে, যেগুলো নিয়মিত খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির বড় একটি অংশ পূরণ করা সম্ভব।
১| ভিটামিন A: মিষ্টি কুমড়া, গাজর, লাল শাক, কলমি শাক, পালং শাক, ডিম।
২| ভিটামিন B1 (থায়ামিন): লাল চাল, আটার রুটি, ডাল, চিনাবাদাম
৩| ভিটামিন B2 (রিবোফ্লাভিন): দুধ, দই, ডিম, কলিজা
৪| ভিটামিন B3 (নায়াসিন): মুরগির মাংস, ছোট মাছ, চিনাবাদাম, আটার রুটি
৫| ভিটামিন B6: কলা, আলু, ছোলা, মুরগির মাংস
৬| ভিটামিন B12: ডিম, দুধ, ছোট মাছ, কলিজা
৭| ভিটামিন B12: ডিম, দুধ, ছোট মাছ, কলিজা
৮| ভিটামিন C: আমলকি, পেয়ারা, লেবু, কমলা, টমেটো
৯| ভিটামিন D: সকালের রোদ, ডিমের কুসুম, তৈলাক্ত মাছ
১০| ভিটামিন K: সবুজ শাক, বাঁধাকপি
১১| ফলিক অ্যাসিড: পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক, ডাল, ছোলা
১২| জিংক: ছোলা, মসুর ডাল, কুমড়ার বীজ, ছোট মাছ
১৩| আয়রন: কলিজা, ছোট মাছ, লাল শাক, পালং শাক, মসুর ডাল
১৪| ক্যালসিয়াম: ছোট মাছ (কাঁটাসহ), দুধ, দই, তিল, কলমি শাক
১৫| আয়োডিন: আয়োডিনযুক্ত লবণ, সামুদ্রিক মাছ
কোনো একটি খাবারে সব পুষ্টি থাকে না। তাই প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন রঙের শাকসবজি, মৌসুমি ফল, ডাল, ডিম, মাছ ও দুধজাতীয় খাবার মিলিয়ে খাওয়াই হলো সুস্থ থাকার সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়।
ভিটামিন C-সমৃদ্ধ খাবার (যেমন লেবু বা পেয়ারা) আয়রন শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে। আয়োডিনযুক্ত লবণ রান্না শেষে যোগ করলে আয়োডিনের অপচয় কিছুটা কম হয়। ভিটামিন D-এর সবচেয়ে সহজ ও বিনামূল্যের উৎস হলো নিয়মিত সকালের রোদে থাকা।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অকারণে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করবেন না।