16/05/2025
“পর্ন এখন আর খুঁজে বের করতে হয় না, বরং ওটাই আমাদের খুঁজে নেয়।”
মোবাইল আর ইন্টারনেটের এই যুগে একটা শিশু, কিশোর বা যুবক যখন প্রথম স্মার্টফোন হাতে পায়, তার হাতের মুঠোয় চলে আসে এক অদৃশ্য বিপদ—পর্নগ্রাফি। আগে যেটা ছিল লুকিয়ে দেখা কিংবা খুঁজে পাওয়া কঠিন কিছু, এখন সেটা এসে পড়ে হোমস্ক্রিনেই।
এই সমাজব্যবস্থা আমাদের খুব সহজে যেটা দিচ্ছে, সেটা কি আমরা নিতে প্রস্তুত?
আমরা কি জানি এর প্রভাব কত গভীর?
আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি—
অনেকেই নিজের অজান্তেই এই অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ছে
আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছে, মনঃসংযোগে সমস্যা হচ্ছে
মানসিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়ছে
সম্পর্ক থেকে পালিয়ে যাচ্ছে
কেউ বলতে পারে না, কেউ বুঝে উঠতে পারে না, কেউ চুপচাপ ডুবে যাচ্ছে।
আমরা কি একটু সাহস করে কথা বলতে পারি না?
একটু সচেতনতা, সহানুভূতি আর সঠিক দিকনির্দেশনা কি কাউকে নতুন করে শুরু করতে সাহায্য করতে পারে না?
[ডিজিটাল হেলথ সলিউশন]
চেষ্টা করছে একটা তাদের মত করে, একটা সুস্থ সমাজ আমাদের সবার জন্য কাম্য, কিন্তু তার আগে সুস্থ মানুষ প্রয়োজন। আমরা দেখছি সেটার বড় ই অভাব আমাদের সমাজে। যার পরিণাম সমাজে অহরহ ঘটছে..আমাদের সবার আগেই আশা উচিৎ সবার জন্য , সমাজের জন্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য।
ধন্যবাদ