15/04/2026
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ সালে শুরু হয়।
শুরুতে মাত্র ৬টি রোগের (যক্ষ্মা, পোলিও, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, টিটেনাস ও হাম) টিকা দেওয়া হতো।
বাংলাদেশে ইপিআই-এর বিভিন্ন টিকা চালু হওয়ার সময়কাল নিচে দেওয়া হলো:
👉 ১৯৭৯ (শুরু):
বিসিজি (BCG), ডিপিটি (DPT - ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, টিটেনাস), ওপিভি (OPV - মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা), টিটি (TT - টিটেনাস টক্সয়েড) এবং হামের (Measles) টিকা।
👉 ২০০৩:
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হেপাটাইটিস বি (Hepatitis 😎 টিকা চালু হয়।
👉 ২০০৬:
সার্বজনীন হেপাটাইটিস বি-এর টিকা দেওয়া শুরু হয়।
👉 ২০০৯:
পেন্টাভ্যালেন্ট (Pentavalent - ৫টি রোগের টিকা: ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, টিটেনাস, হেপাটাইটিস বি, এবং হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি বা হিব) টিকা চালু হয়।
👉 ২০১২: হাম, মাম্পস, রুবেলা (MR) টিকার দ্বিতীয় ডোজ চালু।
👉 ২০১৪: নিউমোকক্কাল (Pneumococcal) টিকা চালু হয়, যা শিশুদের নিউমোনিয়া ও মেনিনজাইটিস প্রতিরোধে কাজ করে।
👉 ২০১৫: টিকা কর্মসূচিতে ১১টির বেশি টিকা যুক্ত করা হয় (টিকার সংখ্যা ১৩-তে উন্নীত করার লক্ষ্য ছিল)।
👉 ২০২৩: জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে HPV (Human Papillomavirus) টিকা চালু হয়।
👉 ২০২৫ (পরিকল্পনা): টাইফয়েড (TCV) কনজুগেট ভ্যাকসিন এবং মশাবাহিত রোগের জাপানিজ এনকেফালাইটিস (JE) ভ্যাকসিন অন্তর্ভুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।