Miracle Healing

Miracle Healing Healing Through Iman
(2)

08/05/2026

প্রতি চার বছর অন্তর অলিম্পিক খেলা হয়। অথচ আপনি জানেন কি এর পেছনে বহু বছর ধরে শাইত্বানকে সন্তুষ্ট করার রহস্য?? কমেন্টে দেখুন..

রাশি/রাশিফল: পর্ব ১।উৎপত্তি, ইতিহাস ও বিকাশ : যা০দুর ইতিহাস খুব পুরোনো। তবে প্রতিষ্ঠিত ও আদি যা০দুর রুট হলো ব্যবিলন। আল্...
07/05/2026

রাশি/রাশিফল: পর্ব ১।
উৎপত্তি, ইতিহাস ও বিকাশ :

যা০দুর ইতিহাস খুব পুরোনো। তবে প্রতিষ্ঠিত ও আদি যা০দুর রুট হলো ব্যবিলন। আল্লাহ 'আজ্জাওয়াজাল বলেন,

"তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শাইত্বানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফ০র করেনি; শাইত্বানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জা০দুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত।" সূরা বাক্বারাহ:১০২

আর এই যা০দুর একটা বিশাল অংশ নক্ষত্রপুঞ্জের যা০দু। যাকে আমরা রাশি বলে জানি।

প্রাচীন ব্যবিলন থেকে যা০দুবিদ্যা গ্রীকরা ধার করে নেয়। ব্যবিলনে যাদের দেবতা মানা হতো গ্রীকরা সেগুলোর নিজেদের মত করে গ্রীক নাম দেয়। ব্যবিলন যেই অঞ্চলে অবস্থিত সেটার নাম ম্যাসোপটেমিয়া। শব্দটা গ্রীক Meso= মধ্যে, Potemos= নদীর। অর্থাৎ দুই নদীর মধ্যে অবস্থিত, যার অধিকাংশটাই ইরাক, অর্থাৎ ব্যবিলন। ব্যবিলনেই প্রথম গণিত, জ্যোতিষশাস্ত্র (Astrology), যা০দু-ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইত্যাদির অনেক ভিত্তি গড়ে ওঠে।

যা০দুবিদ্যা ; প্রাচীন ব্যবিলন→ মিশর → গ্রীস → রোমান এই ধারাবাহিকতায় এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে পৌছে। ব্যবিলনের অনেক দেবতাদের মিশরীয়রা গ্রহণ করে, মিশরীয়রা যেই দেবতার অনুসরণে পিরামিড তৈরি করে তাদের নাম আবার পাওয়া যায় গ্রীক পৌরাণিক শাস্ত্রে; গ্রীকের অনেক দেবতাদের আবার রোমানরা গ্রহণ করে নক্ষত্র-গ্রহের নাম দেয় গ্রীক দেবতাদের নামেই। যেমন গ্রীক সমুদ্রদেবতা Poseidon এর অনুসরণে রোমানরা তাদের সমুদ্রদেবতার নাম দেয় Neptune। যেই নেপচুনকে আমরা গ্রহ বলে জানি। এদিকে আবার গ্রীক আকাশের দেবতা Uranus, রোমানরা তাদের আকাশের দেবতার নাম দেয় Caelus.

ইসলাম মক্কা থেকে ছড়িয়ে পুরো বিশ্ব গ্রহণ করে নিচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা। তেমনি ব্যবিলনের যা০দুবিদ্যা মিশর, গ্রিস, রোম হয়ে ছড়িয়ে পড়ে এরপর হি০ন্দু, বৌদ্ধ, ই০হুদীরাও তা গ্রহণ করে। ঠিক যেমন একটা ধর্ম!! পরবর্তী পর্বে এর বিস্তর আমরা জানতে পারব ইন শা আল্লাহ।

আমরা রাশি (Zodiac, Horoscope) নিয়ে কথা বলবো। এর উৎপত্তিস্থল ব্যবিলন। খৃষ্টপূর্ব ৩০০০ সালে সুমেরীয়নরা ( মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বর্তমানে ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলে) প্রথম নক্ষত্র ও গ্রহের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে, প্রথম Costellation নক্ষত্রপূঞ্জের রেকর্ড তৈরি করে। অত:পর খ্রিস্টপূর্ব ১৬শ শতাব্দীর মধ্যে ‘এনুমা আনু এনলিল’ Enuma Anu Enlil নামে পরিচিত একটি বিস্তৃত তথ্যসূত্র গ্রন্থের সংকলনে লক্ষণ-ভিত্তিক জ্যোতিষশাস্ত্রের ব্যাপক প্রয়োগ শুরু হয়। ব্যবিলনিয়নরা আকাশকে দেবতাদের ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে দেখতো, এবং গ্রহের গতিবিধিকে মানুষের ভাগ্যের সাথে সামঞ্জস্যতা করতো। এ থেকেই রাশি Horoscope এর যাত্রা।

{ فَلَمَّا جَنَّ عَلَیۡهِ ٱلَّیۡلُ رَءَا كَوۡكَبࣰاۖ قَالَ هَـٰذَا رَبِّیۖ فَلَمَّاۤ أَفَلَ قَالَ لَاۤ أُحِبُّ ٱلۡـَٔافِلِینَ (76) فَلَمَّا رَءَا ٱلۡقَمَرَ بَازِغࣰا قَالَ هَـٰذَا رَبِّیۖ فَلَمَّاۤ أَفَلَ قَالَ لَىِٕن لَّمۡ یَهۡدِنِی رَبِّی لَأَكُونَنَّ مِنَ ٱلۡقَوۡمِ ٱلضَّاۤلِّینَ (77) فَلَمَّا رَءَا ٱلشَّمۡسَ بَازِغَةࣰ قَالَ هَـٰذَا رَبِّی هَـٰذَاۤ أَكۡبَرُۖ فَلَمَّاۤ أَفَلَتۡ قَالَ یَـٰقَوۡمِ إِنِّی بَرِیۤءࣱ مِّمَّا تُشۡرِكُونَ (78) }

" অতঃপর যখন রাত তার উপর আচ্ছন্ন হল, সে তারকা দেখল, বলল, ‘এ আমার রব’। অতঃপর যখন তা ডুবে গেল, তখন সে বলল, ‘যারা ডুবে যায় আমি তাদেরকে ভালবাসি না’।
অতঃপর যখন সে চাঁদ উজ্জ্বলরূপে উদীয়মান দেখল, বলল, ‘এ আমার রব’। পরে যখন তা ডুবে গেল, বলল, ‘যদি আমার রব আমাকে হিদায়াত না করেন, নিশ্চয় আমি পথহারা কওমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব’।
অতঃপর যখন সে সূর্য উজ্জ্বলরূপে উদীয়মান দেখল, বলল, ‘এ আমার রব, এ সবচেয়ে বড়’। পরে যখন তা ডুবে গেল, তখন সে বলল, ‘হে আমার কওম, তোমরা যা শরীক কর, নিশ্চয় আমি তা থেকে মুক্ত’।" (আন'আম: ৭৬-৭৮)

[ সত্য কথা এই যে, হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর তাঁর কওমের কাছে এটা বর্ণনা করা তর্কের খাতিরেই ছিল। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল তাদের বিশ্বাসকে বাতিল সাব্যস্ত করা যে, তারা যেসব প্রতিমার পূজা করছে সেগুলো বাজে ও ভিত্তিহীন। প্রতিমাগুলো সাতটি নক্ষত্রের নামে ছিল। সেগুলো হচ্ছে কামার’, ‘আতারিদ’, ‘যুহরা’, ‘শামস', ‘মিররীখ’, ‘মুশতারী এবং যাহল'। সবচেয়ে বেশী উজ্জ্বল নক্ষত্র হচ্ছে শামস। তারপর কামার'। সমস্ত তারকার মধ্যে উজ্জ্বলতম হচ্ছে ‘যুহরা'। হযরত ইবরাহীম (আঃ) সর্বপ্রথম এই যুহরা' তারকা থেকেই শুরু করলেন। তিনি তার কওমের লোকদেরকে বললেন যে, এই তারকাগুলোর মধ্যে মাবুদ হওয়ার যোগ্যতা নেই। এরা তো দাসত্বের শৃংখলে আবদ্ধ। তাদের গতি সীমিত। তাদের স্বেচ্ছায় ডানে-বামে যাবার কোন অধিকার নেই। এগুলো তো হচ্ছে আকাশের নক্ষত্র যেগুলোকে আল্লাহ পাক আলো দানকারী রূপে সৃষ্টি করেছেন এবং এতে তার বিশেষ নৈপুণ্য নিহিত রয়েছে।] - তাফসীর ইবন কাসীর।

অর্থাৎ আদিকাল থেকেই মানুষ গ্রহ-নক্ষত্রের উপাসনা করতো, তাদের দেবতা হিসেবে মানতো। ইবরাহীম আ. ক্বওমকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন এরা ইলাহ না, রব না। কেবলই আল্লাহর সৃষ্টি।

আধুনিক জোতিষশাস্ত্রে যে ১২ টি রাশী, ব্যবিলন-মিশর-গ্রীক-রোমান রাও ১২ টি রাশি মেনে চলতো। কিছুটা তারতম্য থাকতে পারে। মৌলিক পার্থক্য নেই।

প্রশ্ন হচ্ছে, কেন তারা গ্রহ, নক্ষত্রের প্রভাব পৃথিবীতে আছে বলে বিশ্বাস করতো? কিংবা নক্ষত্রপুঞ্জের Constellation রাশিকে কেন এখন বিশ্বাস করা হয় এইসকল রাশির প্রভাব বাস্তব?

প্রাচীন মিথলজিতে গ্রিক, রোমান ও ব্যাবিলনীয় (মেসোপটেমিয়ান) দেবতারা স্বর্গীয় রাজ্য থেকে পৃথিবীতে আসতো মানুষ সৃষ্টি করতে, মানব দেবতার সাথে বিয়ে করতে, যুদ্ধে সাহায্য, প্রেম, শাস্তি বা জ্ঞান দিতে, শাসন করতে। গ্রীক অলিম্পিয়ান দেবতারা মাউন্ট অলিম্পাস (যদিও মাউন্ট অলিম্পাস গ্রীসে অর্থাৎ পৃথিবীতে, তবে এর চূড়া উর্ধ্ব জগতে বলে বিশ্বাস করা হতো। দেবতারা সেখান থেকে বিশ্ব শাসন করতো) থেকে, আকাশ থেকে, স্বর্গ থেকে নেমে আসতো পৃথিবীতে। প্রধান দেবতারা কিছু মানুষ বা অর্ধদেবতাদের(Demigod অর্ধেক মানুষ অর্ধেক দেবতা) মেরে ফেলতো, কাউকে নক্ষত্রপূঞ্জে পাঠাতো, বা কাউকে পাতাললোকে (Underworld), কাউকে পরিপূর্ণ দেবত্ব দিত (যেমন, হারকিউলিস। অর্ধদেবতা থেকে সে পরিপূর্ণ দেবত্ব ও অমরতও লাভ করে)

যাদেরকে নক্ষত্রপুঞ্জে পাঠানো হয়েছে তাদের নিয়েই ১২ টি রাশিচক্র বা Zodiac Constellation. Constellation বা পৌরাণিক নক্ষত্রপুঞ্জ হলো আকাশের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থিত তারকাগুলোর একটি গ্রুপ, যেগুলোকে মানুষ কল্পনা করে নির্দিষ্ট প্যাটার্ন হিসেবে কোনো পশু, মানুষ, বস্তু বা দেবতার আকৃতি হিসেবে দেখে। অর্থাৎ নক্ষত্রপুঞ্জ হলো বিন্দু দিয়ে বিন্দু মেলানোর ধাঁধার (Dot Dot Puzzle) মতো। মানুষ তাদের দেবতাদের ছবি আঁকার জন্য নক্ষত্রগুলোকে সংযুক্ত করত (কাল্পনিকভাবে)। সেবসই আস্তে আস্তে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আধুনিক যুগ পর্যন্ত চলমান। আমরা সংক্ষেপে প্রতিটার ঘটনা জানবো। ইন শা আল্লাহ।

ক্যান্সার হবার পেছনে জ্বিন/সিহর থাকার কারণ হিসেবে ব্যক্ত করেছেন এমন কিছু কথা তুলে ধরা হলো বিশ্বের বিজ্ঞ মানুষজনদের থেকে,...
06/05/2026

ক্যান্সার হবার পেছনে জ্বিন/সিহর থাকার কারণ হিসেবে ব্যক্ত করেছেন এমন কিছু কথা তুলে ধরা হলো বিশ্বের বিজ্ঞ মানুষজনদের থেকে,

১, শাইখ বিন বায রহিমাহুল্লাহ লিখেন

জ্বিনের কারণে ক্যান্সারে আক্রান্ত এক নারী!

একজন মহিলা তার ডান স্তনে মারাত্মক রোগে (ক্যান্সারে) আক্রান্ত হয়েছে । ডাক্তাররা ইমারজেন্সি এই অংশটি অপারেশনের সিদ্ধান্ত করলেন । সিদ্ধান্ত মোতাবেক অপারেশন করা হলো । কিছুদিন যেতে না যেতে বাম স্তনে ব্যাথা শুরু হয়ে গেল । বোর্ড বসে ডাক্তাররা এই স্তনটিও কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত দিলেন । কিন্তু তার ফ্যামিলি আতঙ্কিত হয়ে গেল । তারা সিদ্ধান্ত করে কোরআনিক ট্রিটমেন্ট নেওয়ার জন্য গেল।

কিছুক্ষণ তেলাওয়াতের পর জ্বিন কথা বলে ওঠে এবং সে স্বীকার করে যে, এই রোগ হওয়ার পিছনে সেই হলো মূল কারণ । এটা তারই পরিকল্পনায় হয়েছে (আল্লাহর হুকুমে) । তেলাওয়াতের মাধ্যমে জ্বিন চলে গিয়েছে । এবং তার স্তনের ব্যথাও ভালো হয়ে গিয়েছে । পূণরায় পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে দেখা গেল সে এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ।

"জ্বিনের কারণে অনেক ক্যান্সার সংঘটিত হয়"

- مجموع فتاوى ومقالات متنوعة لسماحة الشيخ العلامة عبد العزيز بن عبد الله بن باز
- رحمه الله (8 / 364). 2- دليل المعالجين ، لرياض سماحة (ص1

২, মরক্কোর লাজনাতুর রুক্বাতের সার্টিফাইড রাক্বী যিনি এক যুগের মত রুকইয়ার সাথে জড়িত, তিনিও বলেন ক্যান্সার হবার পেছনে মূল কারণ আইন,হাসাদ (যা মূলত সিহরের কারণেই), এবং সিহর(যা০দু)।

৩, শায়খ আসসিম আল হাকিম বলেন জ্বীনের কারণে মহামারী হতে পারে। তার কথার দলিল দিলেন রাসুল (সাল্ললালহু 'আলায়হি ওয়া সাল্লাম) এর হাদিস দ্বারা যেখানে তিনি (সাল্ললালহু 'আলায়হি ওয়া সাল্লাম) বলেন 'প্লেগ জ্বীনদের খোঁচাখুঁচির কারণে হয়।' -

শায়খ আসসিম এও বলেন ' জ্বীন আর বদনজরের কারণে ক্যানসার ও হতে পারে।'

শায়খের মতে জ্বীনে ধরা হচ্ছে একটা 'illness' বা 'রোগ'। এটা দেহের অন্যান্য রোগের মত ই একটা রোগ। আর এটা থেকে মৃত্যু ও হতে পারে।

৪, ❛ক্যান্সার রোগের ব্যাপারে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমাদের কাছে প্রতিভাত হয়েছে, এ রোগ হওয়ার একটি অন্যতম কারণ জা০দু। তাই জা০দুর প্রতিবিধান করা হলে আল্লাহর সাহায্য ও তৌফিকে এই রোগ দূরীভূত হয়ে যায়।❜ [ইরশাদুল মুরিদ, খণ্ড: ১; পৃষ্ঠা: ৭১৬]

"যা০দু মানব শরীর ও অন্তরে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। এবং শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টির পিছনে এটাই কারণ।

রুক্বইয়ার ফলে যা০দু নষ্ট হলে এই অসুস্থতা থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় সুস্থতা লাভ সম্ভব"

شرح كتاب التوحيد (الدرس ٣٠)
— মদিনার ফাকিহ আল্লামা সুলাইমান আর-রুহাইলি হাফিজাহুল্লাহ

৫, প্রশ্নঃ ক্যান্সার বা দীর্ঘমেয়াদী রোগ কি জ্বীন-জা০দুর কারণে হতে পারে?

উত্তরঃ নিঃসন্দেহে জা০দুর বাস্তবতা আছে এবং তা আল্লাহর হুকুম এবং তার স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এটি (তথা জা০দু) জা০দুগ্রস্ত ব্যক্তির আকল, শরীর বা তার কোন অঙ্গ বা অর্গানের উপর প্রভাব বিস্তার করে ; ফলে তা জা০দুগ্রস্ত ব্যক্তির দীর্ঘ-মেয়াদি কিছু রোগ সৃষ্টির কারণ হয়।
যেমনঃ ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক, বাচ্চা কনসিভ না হওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি।

[والسحر له حقيقة وتأثير ، بإذن الله وتقديره ومشيئته الكونية العامة ؛ وقد يؤثر على عقل المسحور أو بدنه ، أو أحد أعضائه ؛ فيسبب له مرضًا مزمنًا كالسرطان أو النوبات القلبية أو غيرهما، أو يمنعه من الإنجاب ونحو ذلك.]

الإسلام سؤال وجواب
المشرف العام: الشيخ محمد صالح المنجد
السؤال: 280210

- শাইখ সালেহ আল মুনাজ্জিদ

৬, শাইখ জাসিম আলউবাইদালি

"كثير من حالات مرض السرطان سببها السحر أو العين والحسد

ক্যান্সারের ক্ষেত্রে অধিকাংশ কারণই হচ্ছে সিহর, আইন কিংবা হাসাদ"

-محاضرة: سحر الخدم والخادمات أسبابه وعلاجه

৭, Dr MIRA BAJIROVA Assistant Professor, Consultant Ob-Gyn IVF (Paris) একজন মুসলিম গাইনী ডাক্তার।

যিনি René Frydman এর সহযোগী ছিলেন একজন ফরাসী গাইনি ডাক্তার যিনি বিশ্বে প্রথম IVF এর মাধ্যমে "টেস্ট টিউব বেবি" উদ্ভাবন করেন (ইসলামের বিধিনিষেদ অবশ্যই এতে আছে। সকল ক্ষেত্রে জায়েজ নয়। শর্তসাপেক্ষ। কমেন্টে দেখুন ¹ ,

মীরা বাজিরোভার লিখিত বই পাবলিশ করছে ৩৬ টি ইন্টারন্যাশনাল পাবলিকেশন্স। যিনি বিভিন্ন ভাষায় দক্ষ একজন ইন্টারন্যাশনাল স্পীকারও। ওয়ার্ল্ড ফার্মা সামিটে ১৮ সনে পুরষ্কৃত হন "Women Achievers Award 2018" তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিস্তারিত জানতে ²

যাই হোক তার ব্যাপারে এত বলার কারন হলো। রিসেন্ট তার তিনটি বই প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে একটি ছিলো "cancer is a ji০nn (de০monic) possession "
৯০% এর বেশী রোগ খারাপ জীনঘটিত। কিন্তু ডক্টরদের এ ব্যাপারে কোন জ্ঞান নেই। ক্যানসার একটি জ্বিন ঘটিত রোগ। -ডঃ মিরা বাজিরোভা। এসিস্টেন্ট প্রফেসর। কনসাল্টেন্ট ob-gyn IVF প্যারিস। ফ্রান্স।

More than 90% of the diseases are caused by the evil jin০n, but doctors have no knowledge- cancer is a (jin০n) possession. Healthcare needs serious reform as went astray, instead of healing, it contributes to the progression of the disease and death, as it excites the hidden evil jin০n and excited jin০n spread more the disease. Medicine, instead of healing, contributes to the disease progression and creates other diseases, including other Cancer.

অর্থ- ৯০% এরও বেশি রোগ দুষ্ট জ্বীন দ্বারা সৃষ্ট, কিন্তু ডাক্তারদের এ ব্যাপারে কোন ধারণা নেই- ক্যান্সার একটি জ্বিন পজেশন। স্বাস্থ্যসেবার গুরুতর সংস্কার প্রয়োজন যেহেতু পথচ্যুত হয়েছে। নিরাময়ের পরিবর্তে, এটি রোগ এবং মৃত্যুর অগ্রগতিতে অবদান রাখে, কারণ এটি লুকানো দুষ্ট জ্বিনকে উত্তেজিত করে এবং উত্তেজিত জ্বিন রোগটি আরও ছড়িয়ে দেয়। ওষুধ, নিরাময়ের পরিবর্তে, রোগের অগ্রগতিতে অবদান রাখে এবং অন্যান্য ক্যান্সার সহ অন্যান্য রোগ সৃষ্টি করে।

তিনি ক্যান্সার হবার পেছনে মোটাদাগে শরীরে জ্বিনের অস্তিত্ব থাকাকে দায়ী করেন, যেটা মূলত শক্তি প্রদান করে

আমরা বলছি না ক্যান্সার হলেই সেটা ভৌতিক ব্যাপার, বরং বলা হয়েছে জ্বিন-জা০দুর কারণেও ক্যান্সার হতে পারে।

প্রাচীন গ্রীসে পুরুষ ন০গ্নতাকে তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী যেকোনো সংস্কৃতির চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় উদযাপন করা হতো।এজন্য ...
05/05/2026

প্রাচীন গ্রীসে পুরুষ ন০গ্নতাকে তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী যেকোনো সংস্কৃতির চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় উদযাপন করা হতো।

এজন্য প্রাচীন রোমান, গ্রীক দেবতা, দেবীদের সব স্ট্যাচু, স্কাল্পচারই অর্ধো০লঙ্গ অবস্থায় দেখবেন। উল০ঙ্গপনা ছিলো গ্রীকদের কাছে একটি আর্ট এবং শক্তি ও স্বাধীনতার প্রতীক।

Hesiod যে গ্রীক দেবতাদের বংশতালিকা নিয়ে Theogony নামের কাব্যিক গ্রন্থ লিখেছে, কৃষকদের সে বলতো, sow n০aked, plough n০aked and harvest n০aked, if you wish to bring in all DEMETER's fruit in due season.

যদি তুমি দিমিতির-র (ফসল, খাদ্য,শস্যের গ্রীক দেবী) সকল ফল ঘরে আনতে চাও তাহলে বীজ বপন করো ন০গ্নভাবে, ফসল কাটো ন০গ্নভাবে, ফসল তোলো ন০গ্নভাবে।

ন০গ্নতা, উল০ঙ্গপনা গ্রীক, রোমানদের একটা বাধ্যতামূলক ঐতিহ্য ছিলো।

গ্রীক দেবতা হারকিউলিস (Heracles) অলিম্পিক গেইমসের আয়োজন করতো দেবতাদের উদ্দেশ্যে। সেখানে পুরুষদের ন০গ্ন হয়েই খেলতে হতো।ন০গ্ন হয়ে খেলা ছিলো spandex. অর্থাৎ শরীর স্ট্রেচ করা যেতো ইচ্ছেমত।

খেলোয়াররা ন০গ্ন হয়ে প্রতিযোগিতা করতো, বলা হতো এই প্রথাটি পুরুষ দেহের নান্দনিক উপলব্ধি বাড়াতে এবং দেবতাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে কাজ করে।

দেবতাদের সৌন্দর্য ও শক্তির সঙ্গে ন০গ্ন দেহের সংযোগের ফলে ন০গ্নতা একটি আনুষ্ঠানিক পোশাকে পরিণত হয়েছিল।

হারকিউলিস(গ্রীক দেবতা) দুটি রেসলিং স্কুল পরিচালনা করতো। নাম ছিলো Gymnasia এবং palaestrae।

গ্রীক শব্দ gymnós থেকে এসেছি gymnasia. অর্থই যার ন০গ্ন, উ০লঙ্গ। gymnazo অর্থ ন০গ্ন হয়ে শারীরিক কসরত করা।
Gymnasium এর রোমান নামই gymnásion.

এবার চিন্তা করুন তো। এখনকার রেসলিং খেলাগুলো প্রায়ই ন০গ্ন হয়ে আয়োজিত হয়,আর অলিম্পিকে আরো এমন অনেক খেলা আছে যার অধিকাংশই ন০গ্নতায় ভরপুর, হোক পুরুষ কি নারী। অথচ এসকল খেলা কাপড় পরিধান করেও করা যায়।
Wrestling গ্রিক সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তির পাশাপাশি বুদ্ধি ও কৌশলের প্রতীক ছিল।আধুনিক wrestling-এর ভিত্তি Greco-Roman style এখান থেকেই এসেছে। যদিও এখনকার প্রো রেসলিং স্ক্রিপ্টেড।

হারকিউলিসকে গ্রিক দেবতাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ রেসলার ধরা হয়।

অশ্লী০লতার এই উদাহরণ দেখে যদি বিষ্মিত হোন তাহলে বলবো এটা কমই। গ্রীক দেবতা দেবীদের সম্পর্ক এত অযা০চারে Inc০est এ ভরপুর যা বলার মত না। যেমন গ্রীক প্রাচীন দেবতা Uranus ও দেবী Gaia একে অপরের স্বামী স্ত্রী, এবং তারা মা ও ছে০লে। Zeus এবং Hera, oceanus এবং tethys, coeus এবং phoebe, cronus এবং rhea এরা সবাই-ই ভাই-বো০ন আবার তারা স্বা০মী স্ত্রীও।

একটু আবার অলিম্পিকে ফিরে যাই। গ্রীক পূরাণে ১২ জন বিশেষ দেবতা ছিলো, যারা টাইটানদের পরবর্তীতে বিশ্ব শাসন করে। তাদের বলা হয় Olympians. এদের মধ্যেই একজন Zeus (একটু উপরে যার নাম এসেছে)। এই Zeus কে কেন্দ্র করেই প্রাচীন গ্রিক অলিম্পিক গেমস (Ancient Olympic Games) খেলাধুলা,ধর্মীয় উৎসবের আয়োজন হতো। প্রাচীন গ্রীসের দুইটি আলাদা স্থান মাউন্ট অলিম্পাস আর অলিম্পিয়া। বিশ্বাস করা হতো ১২ জন অলিম্পিয়ান্সরাই মাউন্ট অলিম্পাসে বসে বিশ্ব পরিচালনা করছে। আর তাদের বিশেষ করে Zeus এর উদ্দেশ্যে অলিম্পিয়াতে অলিম্পিকের আয়োজন করা হতো। এই খেলার আয়োজনের সূত্রপাত করেছিলো গ্রীক দেবতা Hercules হারকিউলিস 776 BCE, যা আজ থেকে ২৮০০+ বছর আগে।

তবে কি..?? এখনকার যে আধুনিক অলিম্পিক খেলা কি তাহলে প্রাচীন সেই গ্রীক...???

কন্সপিরেসি ঝেড়ে আসুন কিছু মিল খুজে নেই।

১, প্রাচীন গ্রীসে অলিম্পিক খেলা ছিলো দৌড় পেন্টাথলন: ৫টি ইভেন্টের সমন্বয় (দৌড়, লং জাম্প, ডিসকাস, জ্যাভেলিন, কুস্তি),
কুস্তি, বক্সিং, প্যাঙ্ক্রেশন। এখনকার অলিম্পিকেও তা-ই থাকে

২, প্রতি Olympic-এর আগে গ্রীসের প্রাচীন Olympia-তে Temple of Hera-এ সূর্যের আলো দিয়ে মশাল জ্বালানো হতো। Olympia ছিল Zeus-এর পবিত্র স্থান। প্রাচীন Olympia–তে বিভিন্ন দেবতার মন্দিরের সামনে আগু*ন জ্বালিয়ে রাখা হতো। এই আগু*নকে বলা হতো sacred flame—
এটি ছিল দেবতাদের সম্মান জানানোর প্রথা।অলিম্পিক উৎসব চলাকালীন পবিত্র আগু*ন একটানা জ্বলে থাকত, যা দেবতাদের আশীর্বাদ ও পবিত্রতার প্রতীক।

এখনকার অলিম্পিকেও গ্রীসের সেই অলিম্পিয়াতে সূর্যের আলো দিয়ে (প্যারাবোলিক মিরর দিয়ে) মশাল জ্বালানো হয় হাই প্রিস্টেসের মাধ্যমে। এরপর গ্রীস থেকে জ্বালানো সেই মশাল বা Olympic Torch নিয়ে আসা হয় হোস্ট শহরে, যেখানে অলিম্পিক খেলা হয়। এরপর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশাল কড়াইয়ে আগু*ণ জ্বালানো হয়। পুরো গেইমস চলাকালীন এই আগু*ন জ্বলতে থাকে। চিন্তা করুন! গ্রীস থেকে একটি মশাল না নিভিয়ে যেসব দেশে অলিম্পিকের আয়োজন হয় সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়!

২০০৮ সালে ২১টিরও বেশি দেশ ঘুরে (বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশে) মশাল গন্তব্যস্থল Beijing-এ পৌঁছেছিল। এই Olympic torch রিলেটি মোটামুটি ১৩৭,০০০ কিমি পথ পাড়ি দিয়েছিল, যা টর্চ রিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দূরত্বের রেকর্ড হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও আছে। অনেক সময় মশাল দৌড়ে নেওয়া হয়, আবার কখনও নৌকা, ঘোড়া, সাইকেল, পাহাড়ে ওঠা, এমনকি বিমান বা বিশেষ যানবাহনের মাধ্যমেও নেওয়া হয়। এ - তো পুরোই হাজার হাজার বছর পুরনো গ্রীক পূরাণের সংস্কৃতি!!

৩, প্রাচীন এবং আধুনিক উভয় অলিম্পিকই কিন্তু চার বছর অন্তর অন্তর হয়!!

৪, অলিভ উইথ (জলপাইয়ের পাতার মুকুট)।
প্রাচীন অলিম্পিকে বিজয়ীদের জলপাইয়ের ডালের মুকুট (কোটিনোস) দেওয়া হতো।
২০০৪ সালেও প্রত্যেক বিজয়ীকে জলপাই এর পাতার মুকুট পড়িয়ে দেয়া হয়।

৫, Nike নিকে হলো গ্রীক দেবী। তাকে বলা হতো বিজয়ের দেবী। এখনকার অলিম্পিকে মেডেলে যেই নারীর মুর্তি দেখা যায় সেটি কিন্তু Nike এরই!!

Nike স্পোর্টস ব্র‍্যান্ডও কিন্তু আছে!

৬, প্রাচীন গ্রিসে হাইমনোস ছিল ধর্মীয় অনুষ্ঠানের গান, যা দেবতাদের (যেমন অ্যাপোলো, জিউস, এথেনা) উদ্দেশ্যে গাওয়া হতো। এগুলো কবিতার মতো ছন্দোবদ্ধ এবং প্রায়ই সঙ্গীতসহ পরিবেশিত হতো।
এখনকার অলিম্পিকেও অলিম্পিক হাইম (Olympic Anthem) গাওয়া হয়। গানটি প্রাচীন গ্রীক দেবতাদের উদ্দেশ্য করে লিখা।

অলিমপিক খেলাধুলা যদি নিছকই প্রতিযোগীতা আর বিনোদনের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকতো তাহলে কেন তিন হাজার বছর আগের গ্রীক দেবতাদের উদ্দেশ্যে করা রিচুয়াল এখনকার অলিম্পিকে, রেসলিং এ অভিযোজিত করা হয়েছে? কেন সেই অদ্ভুত রীতি নীতি এখনো অনুসরণ করা হচ্ছে?

তাহলে কি অলিম্পিকের আড়ালে রয়েছে দেবতাদের সন্তুষ্টি অন্বেষণ??

-পৌরাণিক গল্প যখন গোপন সত্য।

Note: this article is written for educational purpose only and sources are collected from google .

04/05/2026
A letter of hope
02/05/2026

A letter of hope

Anton Szandor lavey (এন্থন স্যান্ডোর ল্যাভেয়) ছিল উনবিংশ শতাব্দীর "দ্যা চার্চ অভ স্যটান(শাইত্বানের উপাসনালয়)" এর প্রতিষ্...
30/04/2026

Anton Szandor lavey (এন্থন স্যান্ডোর ল্যাভেয়) ছিল উনবিংশ শতাব্দীর "দ্যা চার্চ অভ স্যটান(শাইত্বানের উপাসনালয়)" এর প্রতিষ্ঠাতা। যেই চার্চের মূল উদ্দেশ্য ছিলো শাইত্বানের উপাসনা করা ও সব ধর্মকে অস্বীকার করা। এজন্য এসব চার্চে দেখা যায় জনসম্মুখে তারা বাইবেলের পাতা ছিড়ে ছিড়ে খৃষ্টীয় ধর্মের প্রতি ঘৃ*না প্রকাশ করে, এছাড়াও সেখানে রিচুয়াল হিসেবে ছিল নগ্ন অবস্থায় নাচ, সম*কামিতা কিংবা LG* BT. অতীতে নানান অন্ধকার জগতের বিচরণ (নাইটক্লাব, বার্টেন্ডার, বাদ্যযন্ত্র বাজানো)এর পর বিভিন্নভাবে স্যটানিক প্রাক্টিস ও রিচুয়ালের প্রতি ঝুকে যায় এন্থন ল্যাভেয়। স্যান ফ্রান্সিসকোতে প্রতি শুক্রবার অকাল্ট বা গুপ্তবিদ্যা ও স্যটানিক রিচুয়াল নিয়ে লেকচার দিতো; সেখানকার কেউ তাকে বলে, সে কোনো নতুন ধর্মের ভিত্তি তৈরি করতে সক্ষম। এভাবে বিভিন্ন শাইত্বানী তত্ত্ব নিয়ে নতুন ধর্ম শুরু করে এন্থন ল্যাভেয়,

LaVey created a belief system somewhere between religion, philosophy, psychology, and carnival (or circus), freely appropriating science, mythology, fringe beliefs, and play in a potent mix.

১৯৬৭ সালে যে বিষয়টি সেসময়ে বেশি আলোড়ন ফেলে তা হলো ইতিহাসের প্রথম স্যটানিক ব্যাপ্টিজম Sa*tanic Bap*tsim যেখানে এন্থন তার ৩ বছর বয়সী মেয়েকে একটি অন্ধকার কক্ষে লুসি*ফার বা ইব*লিসের প্রতি উৎসর্গ করে দেয়। ইব*লিসের নানান গূণকীর্তন করে ইব*লিসের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে মেয়েকে কিছু রিচুয়ালের মাধ্যমে স্যটানিজমের প্রতি উৎসর্গ করে, এবং এখনো তার মেয়ে বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে স্টানিজম প্রচার করে যাচ্ছে শক্তভাবে।

এন্থন ল্যাভেয় এরপর একটু বই পাব্লিশ করে যার নাম "দ্যা স্যটানিক বাইবেল" যা সে শুরু করে Hail Sa*tan, Ave sa*tan (শাইত্বানের প্রতি ভক্তিশ্রদ্ধা) দিয়েই। In the name of our God, Sa*tan Luc*ifer of the Most High. (নাউজুবিল্লাহ)

সেখানে sa*tan এবং de*vil এ দুটিকে ইতিবাচক রূপে দেখানো হয়। যেমন Sa*tan হলো এমন এক অতিপ্রাকৃত স্বত্তা যা God এবং যার কাছে প্রার্থনা করা যায়, এবং sa*tan হলো opposer, অর্থাৎ অন্য সকল ধর্ম শাইত্বান বা লুসি*ফার কে যেভাবে নীতিবাচক হিসেবে দেখে মূলত তা নয়; আবার De*vil কে বলা Devi বা দেবী,অর্থাৎ যাকে উপাস্য করা হয়। sa*tan কে পরম বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করা হয়,

SA*TAN has certainly been the best friend the church has ever had.

এই স্যটানিক বাইবেলে এন্থন ল্যাভেয় এমন সব নিকৃষ্ট ও নোংরা কাজকে উৎকৃষ্ট ও স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ করে; যেমন, খৃষ্ট বাইবেলের বিরোধীতা করে বাইবেলে বর্ণিত ৭ টি মহাপাপ লোভ লা*লসা, অহংকার, হিংসা, ক্রো*ধ, অতিভোজন, ব্যভি*চার ও আলস্যকে ভালো গূণ হিসেবে দেখানো হয়; বরং স্যটানিক রিচুয়াল এ এসব অগ্রগণ্য এবং উপকারী। এছাড়া অনেক পাপকে এখানে শোভনীয়ও পবিত্র করে দেখানো হয়েছে ; এক ব্যক্তির প্রতি আসক্ত না থেকে ইচ্ছামত জি*না ব্য*ভিচার করা, শাইত্বানের জন্য বলি*দান, reincarnation বা পূনর্জন্ম, black mass (একধরনের স্যাটানিক রিচুয়াল যেখানে একজন নারীকে সম্পূর্ণ উল*ঙ্গ করে শোয়ানো হয় এবং প্রতিটি মুষ্টিতে শিশুবাচ্চার চর্বি থেকে তৈরি কালো মোমবাতি রাখা হয়, এবং উন্মুক্ত পেটের উপর মদের পেয়ালায় রাখা হয় পতি*তার প্রস্রাব কিংবা রক্ত)

স্যটানিক বাইবেলের এসব রিচুয়ালের সাথে মুসলিম হিসেবে আমাদের সম্পর্ক না থাকলেও একটা চ্যাপ্টারের সাথে আমরা খুবই পরিচিত। তা হলো জন্মদিন। স্যটানিক বাইবেলে ৯৬ পেইজে স্যাটানিক রেলিজিয়াস হলিডে (শাইত্বানদের কাছে পবিত্র দিন) চ্যাপ্টারে লিখা আছে,

THE highest of all holidays in the Sa*tanic religion is the date of one's own birth........ The Sa*tanist feels: "Why not really be honest and if you are going to create a god in your image, why not create that god as yourself." Every man is a god if he chooses to recognize himself as one. So, the Satanist celebrates his own birthday as the most important holiday of the year.

You should give yourself a pat on the back, buy yourself whatever you want, treat yourself like the king (or god) that you are, and generally celebrate your birthday with as much pomp and ceremony as possible.

অর্থাৎ, শাইত্বানের ধর্মে সর্বাধিক পবিত্রতম দিন হলো জন্মদিন। এবং আমাদের মধ্যেই স্রষ্টার বিদ্যমান, আমরাই আমাদের স্রষ্টা এবং আমরা চাইলেই আমাদের জন্মদিনকে নতুন রূপে অভ্যর্থনা জানাতে পারি। তাই আমাদের উচিৎ যার যার অবস্থানে নিজ নিজ জন্মদিন পালন করা।

sa*tan loves his de*mon-inspired, man-made holy days (এমন সব দিনসমূহ শাইত্বানের কাছে প্রিয় যা মানুষ শাইত্বান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দিবস তৈরি করে ও সেই দিন গুলো পবিত্র মনে করে)

জন্মদিন এখন অমুসলিমরা পালন করলেও প্রাচীন খৃষ্টবাদ বা জিউস অনুসারে জন্মদিন পালন করা ছিল মারাত্মক পাপের কাজ এবং এটাকে Pa*gan(খৃষ্টান, ই*হুদী, মুসলিম বাদে বাকি পৌত্তলিক নিকৃষ্ট ধর্ম) ritual বলেই বিশ্বাস করা হতো। অর্থাৎ জন্মদিন পালন ছিল পৌত্তলিকতা চর্চার একটি অংশ ও তা ছিলো De*monic Holidays!

"The celebration of birthdays is unknown in traditional Je*wish ritual" (Encyclopedia Judaica)

"Not surprisingly then, the ancient Je*ws did not celebrate birthdays, regarding them as Pa*gan." (প্রাচীন ইয়াহুদিরা জন্মদিবস উৎযাপন করতো না, এই দিনকে তারা পৌত্ত*লিকদের দিবস হিসেবে জানতো(

"Down to the fourth century Christianity rejected the birthday celebration as a pa*gan custom." (চতুর্থ শতাব্দী পর্যন্ত খৃষ্টবাদে জন্মদিন কে প্রত্যাখ্যাত ছিলো কারণ তা ছিলো প্যা*গান(পৌ*ত্তলিক)দের তৈরি)

"The early Christians did not celebrate His [Christ's] birth because they considered the celebration of anyone's birth to be a pagan custom." - The World Book Encyclopedia.

অর্থাৎ প্রাচীন ইয়াহুদি বা খৃষ্টবাদে জন্মদিন পালনের মত কোনো দিবসই ছিলো না।

এছাড়াও প্যা*গানদের(পৌত্তলিক) কাছে জন্মতারিখ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ছিলো, জন্মতারিখের সাথে তারকার মিল রেখে রাশি নির্ণয় করা, ও অই ব্যক্তির ভাগ্য গণনা করা।

The keeping of birthday records was important in ancient times principally because a birth date was essential for the casting of a horo*scope. ... Not surprisingly then, the ancient Je*ws did not celebrate birthdays, regarding them as Pa*gan." - Encyclopedia Americana (1991 edition).

আপনি এই জন্মদিনের ব্যাপারে যত গভীরে যাবেন তার শেকড়ে আপনি পৌত্তলিকতাই খুজে পাবেন, আর সকল পৌত্তলকতাই মূলত শাইত্বানের তৈরি। তবে জন্মদিন প্রকাশ্যভাবে পালিত হয় পারস্যদের (Sun God mithra) সূর্য দেবতা "মিথরা"র উৎসবকে ঘিরে।

It is thought that the large-scale celebration of birthdays in Europe began with the cult of Mithras, which originated in Persia but was spread by soldiers throughout the Roman Empire

কালের পরিক্রমায় এই জন্মদিন মিশে যায় সব ধর্মের অনুসারীদের মাঝে। জন্মদিন এখন খৃষ্টান, হিন্দু, ইয়া*হুদি ছাড়া মুসলিমরাও খুবই আনন্দের সাথে পালন করে যাচ্ছে। কিন্তু মুসলিম হয়ে এক আল্লাহর গোলামি করে শুধুমাত্র এই জন্মদিন পালনের মাধ্যমেই যেকেউ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শাইত্বানের উপাসনা করলো। জন্মদিন উপলক্ষে হয়ত বেশি কিছু না একটু দুয়া, কিংবা একটু দাওয়াত কিংবা শুধুই পরিবার নিয়ে আয়োজন ইত্যাদির মাধ্যমেই কোনো না কোনোভাবে পৌ*ত্তলিকতার অনুসরণ করে গেলো। আর আপনি যদি জিন যাদুগ্রস্থ হন তাহলে তো সোনায় সোহাগা। শরীরের ভিত্তি শক্ত করে তুললেন জিন শাইত্বানের অনুকূলে থাকার জন্য।

মানব শরীর দৃশ্যমান, তাই এই দেহের জন্য যা লাগে; অর্থাৎ খাবার, তাও দৃশ্যমান, আমরা যা খাই তা দেখা যায়। কিন্তু মানব মন, অন্ত...
26/04/2026

মানব শরীর দৃশ্যমান, তাই এই দেহের জন্য যা লাগে; অর্থাৎ খাবার, তাও দৃশ্যমান, আমরা যা খাই তা দেখা যায়।

কিন্তু মানব মন, অন্তর অদৃশ্য, আমাদের অনুভুতি, আমাদের আবেগ, আমাদের কষ্ট-হতাশাও অদৃশ্য। তাই এই অন্তরের খাবার, এই অন্তরকে সুস্থ সতেজ রাখার জন্য যেই খাদ্য প্রয়োজন তাও অদৃশ্য।

তাই আদিকাল থেকেই মানুষ অন্তরের-রূহের সতেজতা, দুঃখ-কষ্ট থেকে বেরিয়ে মানসিক তৃপ্তি পাবার জন্য আধ্যাত্মিকতার(Spirituality) খোজ করতো। আধ্যাত্মিক পবিত্রতার জন্য তো স্রষ্টা প্রয়োজন যার কাছে চাইবে! আর স্রষ্টা, রব স্রেফ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা।

কিন্তু.. যারা অন্য পথের অনুসারী! এমন পন্থায় স্পিরিচুয়ালিটির চর্চা করতো যার শেকড় ছিলো স্বয়ং শয়ত|ন বা ইবলি/স।

ধ্যান বা মেডিটেশন.....
এমন এক অকাল্ট রিচুয়াল (গুপ্ত-শয়ত|নি প্রক্রিয়া) যার মাধ্যমে আত্মা বা অন্তরের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক অনেক চাহিদা মেটানো যায়।অস্বাভাবিক ক্ষমতাও লাভ করা যায়। কিভাবে অস্বাভাবিক চাহিদা মেটানো হয়?? আমরা পড়তে পড়তেই জানবো।

ব্যবিলন থেকে আমদানী করে আনা জ|দুবিদ্যার একটি অংশ হলো এই মেডিটেশন বা ধ্যান বা যোগ (Yoga).
এর কিছু শর্ত ও নীতিমালা আছে, যেগুলো মেনে চললে ধ্যানের মূল লক্ষ্যে পৌছানো যাবে। শুরুতেই সবার ধ্যান হবে না, এজন্য শর্ত কিছু এরূপ; নিরিবিলি পরিবেশ, মৃদু সংগীত, ধুপ বা মোমবাতি জালানো, হাত দুটো হাটুতে বা কোলে রেখে মেরুদণ্ড সোজা করে বসা, প্রতিদিন একই সময়ে ও দীর্ঘ সময় ধ্যান করা, শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রতি মনোযোগ ইত্যাদি অনুশীলনের মাধ্যমে ধ্যানের মূল স্তরে পৌছানো যায়। এরপর কি হয়?

অকাল্ট এসব রিচুয়ালের বিশ্বাসীরা বিশ্বাস করে আমরা যেই জগতে আছি এটাই আসল জগৎ না। এর থেকেও উচ্চতর জগৎ (Higher dimension) আছে, আমাদের এই বাস্তবতা আসল না, এসব কাল্পনিক, আবার অই উচ্চতর উন্নত জগতেও কিছু স্বত্তা(Entity) আছে যাদের মহত্তম স্বত্তা (Higher spirit being), (Higher being), (Higher self) ইত্যাদি বলে ডাকা হয়। তাহলে, কারা এই স্বত্তা যারা আমাদের থেকেও উচুতে? কারা? যারা আমাদের থেকেও ক্ষমতাবান?? কারা এই higher being? কারা এই higher self??

তারা এও বিশ্বাস করে সেই মহান আত্মাদের সাথে যোগাযোগ তৈরি করতে পারলে শারীরিক-মানসিক উন্নতি সহ অনেক অসাধ্যই সাধন করা যায়।

আর এই যোগাযোগ বা চ্যানেলিং এর অন্যতম একটা মাধ্যম হলো ধ্যান বা মেডিটেশন। তো উপরের শর্তসমূহ মেনে ধ্যানে বসলে আস্তে আস্তে অদ্ভুত কিছু অনুভূতি শরীরে অনুভূত হবে। মেরুদন্ডের নিচ থেকে উপর পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার মত এনার্জি ভাইব্রেশন অনুভূতি হবে, তখন অনুভব করতে হবে এই এনার্জি একটা স্বত্তা(Entity), এই এনার্জির উপর নিজেকে সঁপে দিতে হবে, আত্মসমর্পণ করতে হবে, অনুগত হতে হবে। মেরুদন্ডের নিচ থেকে চক্রাকারে এই এনার্জি সঞ্চালনের কাছে নিজেকে ছেড়ে দিতে হবে। তখন ধীরে ধীরে শরীরের সাথে Higher dimension এর দরজা খুলে যায়, তখন Higher dimension থেকে Higher spirit বা সেই সম্মানিত(!) স্বত্তা শরীরে প্রবেশ করে; এরপর চিন্তাভাবনা ও কল্পনায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পায়। এমতাবস্থায় ধ্যানে চাইলে কেউ আরো সহস্র Higher spirit দের দেখা পাবে, দূরের কিছু শুনতে পারবে, চোখ বন্ধ করলেও অনেক কিছু দেখতে পারবে (এটাকে আবার বলা হয় Opening Third Eye), এর মাধ্যমে চাইলে ধ্যানরত অবস্থায় শরীর একজায়গায় রেখে Higher Spirit দের সাথে দূর দূরান্তে ঘুরে বেড়াতে পারবে, এমনকি নিজের দেহে ক্যান্সার জার্ম, ইনফেকশন, প্রচন্ড যন্ত্রণা, ব্যাথা ইত্যাদিও দূর করা সম্ভব।

ডক্টর স্ট্রেঞ্জ মুভিতে স্টিফেন স্ট্রেঞ্জ দূর্ঘটনাজনিত কারণে নিজের হাতের চিকিৎসার জন্য নেপালের কাঠমুন্ডুতে গেলো, সেখানে একজন কে দেখলো যে তার থেকেও মারাত্মক ইঞ্জুরড প্যারালাইসিসের এক রোগীকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দেয়। ডক্টর স্ট্রেঞ্জ তার থেকে মেডিক্যাল টার্মের ব্যাখ্যা চাইলে অই সর্সারার(জ|দুকর) তাকে বলে, No, Mr strange! I know how to reorient spirit to better heal the body. অর্থাৎ সেই দেবতাতূল্য আত্মাদের শরীরে প্রবেশ করিয়ে আরোগ্য করা।
তখন ডক্টর স্ট্রেঞ্জকে অই জ|দুকর ধ্যানের কিছু ছবি দেখায়।

পৌত্তলিকরা এও বিশ্বাস করে আমাদের এই দেহ শুধু একটা বস্তু, আমাদের আত্মা বা Spirit হলো একটি শক্তি(Energy) যা অমর। আমরা ধ্যানের মাধ্যমে যেভাবে আমাদের সেই আত্মা অন্য জগতে যেতে পারে, তেমনি আমরা মারা গেলে আমাদের আত্মা শরীর থেকে বের হয়ে অন্য জগতে প্রবেশ করবে যেটাকে নাম দেয় Astral projection। তবে এই এস্ট্রাল প্রজেকশনের আগে দীর্ঘ সময় ধ্যান করতে হবে, অনেক বছর সাধনা করতে হবে। এরপর যখন সেই উচ্চতর জগতের সাথে সম্পর্ক তৈরি হবে তখন মৃত্যু হলে সহজেই অই ব্যক্তির আত্মা সেখানে চলে যাবে। সেখানে আর মৃত্যু হবে না। (ইবলি/সের সেই ধোকার কথা মনে আছে? সেই ফল যা খেলে বলেছিলো অমর হবে? এখন ফল নেই তবে তার বদলে এসেছে নানান মিথ আর শাস্ত্রীয় সব বিশ্বাস)।
এই ধোকায় পড়েছিলো কিছু বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। বেচারা সুইসাইড করেই ফেলে শেষমেষ। এ নিয়ে লিখেছিলাম, কমেন্টে লিংক দেয়া হলো।

একটা কথা তো বলতেই ভুলে গেলাম। এই ধ্যানের চাইতে সহজ আরেকটা রাস্তা আছে যার মাধ্যমে সেরকম জগতে পৌছানো যায়; সাইকাডেলিক ড্রাগ : এলএসডি, ডিএমডি, এমডিএমএ ইত্যাদি৷ ধ্যান না করেও এসব সেবন করলেই সেই হায়ার স্পিরিটের সাথে যোগাযোগ করা যায়।

এইযে এত দৃশ্য, এত ঘটনা ঘটে যাওয়া এটাকে আরেকটা নাম দেয়া হয় : Altered State of Consciousness, বাংলায় ব্যাখ্যা করলে হয়; আমরা এইযে জাগ্রত এবং চেতন অবস্থায় আছি, আমরা যদি ধ্যানে মগ্ন হয়ে অইসব দৃশ্য অবলোকন করি বা অনেক কিছু দেখি কিংবা শুনি; সেটা হবে চেতনার আরেক জগৎ, এবং সেটাও বাস্তব, আমাদের বাস্তব জগতের মতই।

পাঠক! আমি আপনাকে এই প্রশ্ন করবো না মূল বিষয়টা কি? আপনি স্পষ্ট বুঝেই গিয়েছেন এই ধ্যান আসলে শয়ত|নকে শরীরে দাওয়াত দেয়ার মাধ্যম, এই যোগ(Yoga) হচ্ছে শরীরের সাথে শয়ত|নে যোগ করা। এই শয়ত|নের কাছেই নিজেকে আত্মসমর্পণ করানো, আর যত কুফ/ রি ধোকায় নিজেকে নিমজ্জিত করা,মৃত্যুকে অবিশ্বাস করানো এবং অমর মনে করা, কিয়ামতকে অস্বীকার করা। সব কিছুর মূলে এই ধ্যান বা মেডিটেশন বা ইয়োগা। কি ভয়ানক!!

ডাকোটা নামে এক স্পিরিচুয়ালিস্ট(অধ্যাত্মবাদী) ছিলো, যে অই জগতে দেখা হায়ার স্পিরিট দের সরাসরি Dem০n(শয়ত|ন) বলতো। তার পরামর্শ হচ্ছে চেতনার অই স্তরে পৌছলে তাদের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, কোনো অহংকার দেখানো যাবে না, কেউ যদি আত্মসমর্পণ না করে সে জাহান্ন| মের মধ্যে পাজল্ড লুপে আটকে যাবে।

কি.…?? ইলুমিনাটির Sold my soul to the d£vil (আমি আমার আত্মাকে শাইত্বানের কাছে বিক্রি করে দিলাম) এর বাক্যের সাথে মিল পাওয়া যায়??? এখনকার সব তারকাই এই ডায়লগটি দেয়।
ডাকোটা বলে, এই স্বত্তাগুলো আমাদের মতই, এদের আমরা ভয় পাই বলে এরা আমাদের উপর প্রভাব ফেলে, পজেস করে। এদেরকে ভয় করা যাবে না, এদের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করলে এদের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

পীথাগোরাস,আইজ্যাক নিউটন থেকে আইনস্টাইন, কেপলার, গ্যালিলিও, সক্রেটিস, প্লেটো প্রত্যেকেই চেতনার এই স্তরে পৌছতো, যাতে নতুন থিওরি প্রসব কর‍তো। আইনস্টাইন চেতনার ওপারে যাবার প্রক্রিয়াকে নাম দিয়েছে মাইন্ড এক্সারসাইজ! যখনই ওই স্তরে পৌছত, ফিরে আসতো নতুন কোন থিওরি বা ইক্যুয়েশন নিয়ে। ম্যাটারকে ভাইব্রেটরি এনার্জেটিক ফিল্ডের তত্ত্বটিও(E=mc²) এই হ্যালুসিনোজেনিক এক্সপেরিয়েন্স থেকেই এসেছে। এর প্রেক্ষাপটে আজ পদার্থবিজ্ঞানীগন বলছেন,Everything physical is really non physical!

যাকগে এত কথা।

কয়েক হাজার বছর আগে গ্রীক শাস্ত্রে এই স্বত্তাদের daim০n (Dem০n বা শয়ত|ন) বলা হতো। daim০n কে বলা হতো দেবতা, যারা আসমান-জমিনের মাঝ থেকে মানুষের সাথে God এর যোগাযোগ স্থাপন করে।

কোয়ান্টাম মেথডের প্রাথমিক শিক্ষাও এই ধ্যান, ইয়োগা, চক্র, Opening third eye কিংবা Altered state of consciousness...
আর কোয়ান্টাম মেথডের নাম শুনলেই চলে আসে আমাদের দেশের এমন এক প্রতিষ্ঠানের পরিচয় যারা কোয়ান্টাম মেথডের অকাল্ট রিচুয়াল চিরাচরিত নিজেদের মধ্যে গ্রফোন করে নিয়েছে।

জ্বি.... কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। আমরা অনেকে মনে করি বাংলাদেশের প্রচলিত কোয়ান্টাম ম্যাথড হয়ত কোয়ান্টাম ফিজিক্সের নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যবসা করছে। কোয়ান্টাম ম্যাথডের মহাজাতক শহীদ আল বোখারী এই স্পিরিট এন্টিটি তথা শয়ত|নকে নাম দিয়েছে 'অন্তগুরু'। তাদের প্রকাশিত সাফল্যের চাবিকাঠি বইতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে এই উপদেষ্টা আধ্যাত্মিক গুরুর সাথে সাক্ষাৎ লাভের বিষয় নিয়ে। তাদের এসব শয়ত|নি নিয়ে আমরা পরে কখনো জানবো ইন শা আল্লাহ।



( উল্লেখিত ফটোকার্ডে দেয়া নম্বরটি এখন আর আমরা ব্যবহার করছি না। আমাদের সাথে যোগাযোগের নতুন নাম্বার কমেন্টবক্সে দেয়া হলো )

18/04/2026

বিয়ের ক্ষেত্রে বয়স একটা ইম্পর্ট্যান্ট ফ্যাক্ট। বিশেষ করে যাদের বিয়ের ক্ষেত্রে ব*দনজর কিংবা যা*দূর প্রভাবে বাধাগ্রস্থতা আছে তাদের ক্ষেত্রে আরো বেশি।

গড় অনুপাতে যদি বলি ১৬-২৫ বছরে যেসব বোন বিয়ে করতে পারছেন না জ্বিন-যা*দূর কারণে তাদের তুলনায় ২৬-৩৫ বছরের মেয়েদের বিয়েটা দেরীতে হয়।

আপনি যদি গত পাচ-ছয় বছর ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, সিরিয়াসলিই চাচ্ছেন, প্রোপোজাল প্রতিবারই আসে, এসেও নানান ছোট খাটো বিষয়ে ক্যান্সেল হয়ে যাচ্ছে, তাহলে আপনার রুক্বইয়াহ করা দরকার।

কারণ আমরা এমন কিছু কেইস পেয়েছি কিছু বোনদের অনেক বছর ধরে বিয়ে হচ্ছে না। ডায়াগনোসিস কিংবা রুক্বইয়াহ সেশন নিয়ে দেখা গেল তারা অনেক আগে থেকেই জ্বিনগ্রস্থ। সেই জ্বিন তাদের প্রতি আসক্ত এবং যখনই বিয়ের কথা আসে, সে তার যা*দু-ব*দনজর দ্বারা কোনো না কোনো বাধা চলে আসে।

এক বোন ছিলেন মারাত্মক জ্বিনগ্রস্থ। রুক্বইয়াহর সময় বিয়ের নিয়তে কোনো আয়াত-দু'আই সে সহ্য করতে পারলো না। এক ভাই এর সাথে অবশেষে বিয়ের কথা চলে। হঠাৎ করেই সেই ভাই এর মানসিক অবস্থার পরিবর্তন চলে আসে। সেই বোনের প্রতি ঘৃনা কাজ করে।
অতঃপর অই বোনের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যায়। তৎক্ষনাৎ অই ভাই হুশ ফিরে। তিনি জানালেন এত দিন কেন এরকম ছিলেন বুঝতে পারেন নি। অই বোনকে বিয়ে করতে না পেরে অনেক আফসোস করলেন।


Address

375 No. House, Near Puratan Fulkuri School, West Sanarpar, Dhaka
Demra
1361

Telephone

+8801883395011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miracle Healing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Miracle Healing:

Share