শিশু চিকিৎসক ডাঃ আলমগীর হোসেন শিমুল

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শিশু চিকিৎসক ডাঃ আলমগীর হোসেন শিমুল

শিশু চিকিৎসক ডাঃ আলমগীর হোসেন শিমুল A page about your child's health and well-being from a child physician.

বিদ্যুৎ সচিবের ফাপরবাজি দেখেন।বিদ্যুৎ সচিবের বাড়ি বগুড়া, তিনি বাড়িতে যাবেন। অথচ সেটাকে সরকারী সফর হিসেবে দেখানোর জন্য...
27/05/2026

বিদ্যুৎ সচিবের ফাপরবাজি দেখেন।
বিদ্যুৎ সচিবের বাড়ি বগুড়া, তিনি বাড়িতে যাবেন। অথচ সেটাকে সরকারী সফর হিসেবে দেখানোর জন্য ওনি ২৭ তারিখ বাড়ি যাবেন সেজন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভিজিটের তারিখ রেখেছেন। বাড়ি যাবার পথে বিভি্ন্ন অফিসে যাত্রা বিরতি করবেন, শুভেচ্ছা উপহার নিবেন। ২৯ তারিখ তিনি ঢাকায় ফিরবেন ফেরার পথেও বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভিজিট করবেন।
পুরো সফরকে জায়েজ করার জন্য ঈদের দিনও আকস্মিক ভিজিটের কর্মসূচি রেখেছেন।
মন্ত্রণালয়ের বেশীর ভাগ কর্মকর্তাই বাড়ি যাবার যাত্রাকে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভিজিটের যাত্রা হিসেবে দেখিয়েছেন। এইসব বাটপারি বন্ধ হবে না, দেশ ও পরিবর্তন হবে না।

S M A Wahab

আমি সম্মানের সাথে দ্বিমত পোষণ করলাম।  আমি বয়েসে সবচেয়ে ছোটো এখানে , আইসিইউর কনসালটেন্ট , মিটিং এর সবাই আমার অনেক সিনিয়র ...
25/05/2026

আমি সম্মানের সাথে দ্বিমত পোষণ করলাম। আমি বয়েসে সবচেয়ে ছোটো এখানে , আইসিইউর কনসালটেন্ট , মিটিং এর সবাই আমার অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা ।
স্যার গম্ভীর হয়ে বললেন " মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব Tarique Rahman ডা: শংকরের চিকিৎসার বিষয়ে খুবই উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে সিংগাপুর পাঠাতেও রাষ্ট্র পিছুপা হবে না, আপনারা অপারগ হলে প্লিজ জানিয়ে দিন "

আমার চশমা ঘামছে , সবাই ই চুপ ! মনে হচ্ছে - স্টেথোস্কোপ সাদা এপ্রোণ আমার দিকে তাকিয়ে আছে , আমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম ।

মিসেলস নিয়ে উপজেলা ভিজিটে দায়িত্বকালীন সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্মক আহত ডা. শংকর স্যারের মাথা দুমড়ে মুচড়ে একাকার হয়ে গিয়েছে , কোমাস্কেল মাত্র ৮, মস্তিষ্কে জটিল অপারেশন হয়েছে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে , হাসপাতালের নিউরোসার্জিক্যাল টিম মস্তিকের ভেতর জটিল অপারেশন চালিয়েছে দীর্ঘক্ষণ সময় নিয়ে। অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে , তিনি এখন আইসিইউতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে । তাঁর স্ত্রী মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে হাত জোড় করে বলছেন " আমার সিঁদুর মুছে যেতে দিয়েন না স্যার "

নিস্তব্ধতা চারদিকে। এ এক কঠিনতম সিদ্ধান্তের সময় ।
এটা নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, সেন্টার অফ এক্সিলেন্স, সিংগাপুরের আইসিইউতেও মর্টালিটি আমাদের মর্টালিটির কাছাকাছি। আমরা অপারগ নই এখন পর্যন্ত। আমি কনফিডেন্টলি আবারও বললাম " আমরা পারবো স্যার , ইনশাআল্লাহ পারবো "

দীর্ঘ একমাস পর ডা: শংকর স্যার আইসিইউ থেকে কেবিনে স্হানান্তরিত হয়েছেন। তিনি হাসতে পারেন, আমি কেবিনে গেলে হাত চেপে ধরেন।
তাঁর অবস্হা উন্নত, ফিজিওথেরাপি চলছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে খোঁজ খবর নিয়েছেন, অনুদান দিয়েছেন তহবিল থেকে।
নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল আপাতত রাষ্ট্রের প্রায় ৩+ কোটি টাকা বাঁচিয়ে দিয়েছে। সিংগাপুর vs গরীব দেশের মেধা আর বিশ্বাসের এক চূড়ান্ত স্নায়ুচাপ আপাতত অতিক্রান্ত হয়েছে।

আমরা কোনো বাহবা চাইনা
কোনো মিডিয়া কভারেজও চাইনা
আমরা শুধু চাই নিরাপদ কর্মস্হল , চিকিৎসক নিরাপত্তা।
রাষ্ট্রকে ধন্যবাদ - আমাদের উপর বিশ্বাস রাখার জন্য।

ডা. শংকর দাদার জন্য দোয়া করবেন সবাই
ওনার দীর্ঘমেয়াদী ফিজিওথরাপি লাগবে
তাঁর অথনৈতিক অবস্হা বেশ নাজুক।

এই যাত্রাপথে আমি এক অন্য তারেক রহমানকে আবিষ্কার করেছি। যিনি বিশ্বাস করেছেন দেশীয় চিকিৎসকদের মেধা আর শ্রমকে।
ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ❤️

ডা: আসিফ সৈকত
কনসালটেন্ট - ক্রিটিক্যাল কেয়ার (ICU)
নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল

( জনস্বার্থে বিষয়টি পোস্ট করা জরুরী বলে মনে করেছি।
দেশীয় চিকিৎসকদের বিশ্বাস করুন,
সহায়তা করুন। তাঁরা আপনার দেশ বাংলাদেশের মেধাবী সন্তান, গায়ে হাত বা আঘাত কইরেন না 🙏)

24/05/2026

ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও রোগীর কমিউনিকেশন: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট, চ্যালেঞ্জ ও উন্নতির পথ

ক্যানসার চিকিৎসা শুধু ওষুধ, অপারেশন, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি দীর্ঘ, জটিল ও আবেগঘন যাত্রা, যেখানে রোগী, রোগীর পরিবার এবং চিকিৎসককে একসঙ্গে চলতে হয়। এই যাত্রায় ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও রোগীর মধ্যে পরিষ্কার, সহানুভূতিশীল ও বাস্তবভিত্তিক কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ চিকিৎসার একটি মৌলিক অংশ। বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসার উন্নয়নে আধুনিক যন্ত্র, দক্ষ জনবল ও ওষুধের পাশাপাশি এই যোগাযোগ সংস্কৃতির উন্নয়নও অত্যন্ত জরুরি।

১. বাংলাদেশি প্রেক্ষাপটঃ

আমাদের দেশে অনেক ক্যানসার রোগী চিকিৎসকের কাছে আসেন দেরিতে। রোগ নির্ণয়ের সময়ই অনেকের রোগ বাড়তি পর্যায়ে থাকে। তখন রোগী ও পরিবারের প্রধান প্রশ্ন থাকে, ‘রোগী ভালো হবে তো?’ কিন্তু ক্যানসারের চিকিৎসায় উত্তর সবসময় সরল নয়। রোগের ধরন, স্টেজ, বায়োলজি, বয়স, শারীরিক সক্ষমতা, চিকিৎসার সুযোগ এবং আর্থিক সামর্থ্য, সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তাই রোগীকে শুধু প্রেসক্রিপশন দেওয়া যথেষ্ট নয়; তাকে রোগের বাস্তবতা, চিকিৎসার উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য ফলাফল সহজ ভাষায় বোঝানো দরকার।

২. প্রধান চ্যালেঞ্জঃ

প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো ভয় ও ভুল ধারণা। অনেক রোগীর কাছে ‘ক্যানসার’ শব্দটি এখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো শোনায়। কেউ চিকিৎসা শুরু করার আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অপ্রমাণিত বিকল্প চিকিৎসার দিকে ঝুঁকে যান।

দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো পরিবারকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশে অনেক সময় পরিবার রোগীকে পুরো সত্য জানাতে চায় না। তারা মনে করে সত্য জানালে রোগী ভেঙে পড়বেন। কিন্তু রোগীকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া নৈতিক ও বাস্তবিক দুই দিক থেকেই সমস্যাজনক।

তৃতীয় চ্যালেঞ্জ হলো সময়ের সীমাবদ্ধতা। আমাদের দেশে অনকোলজিস্টের সংখ্যা কম, রোগীর চাপ বেশি। একজন চিকিৎসককে অল্প সময়ে অনেক রোগী দেখতে হয়। অথচ ক্যানসার রোগীর ক্ষেত্রে রিপোর্ট দেখা, চিকিৎসা লেখা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা, মানসিক সাপোর্ট দেওয়া এবং পরিবারের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সবই প্রয়োজন।

চতুর্থ চ্যালেঞ্জ হলো চিকিৎসা ভাষার জটিলতা। মেটাস্ট্যাসিস, প্যালিয়েটিভ, রেসপন্স, রিকারেন্স, প্রগনোসিস- শব্দগুলো রোগী ও পরিবারের কাছে অনেক সময় ভয়ের বা বিভ্রান্তির কারণ হয়। যেমন, ‘প্যালিয়েটিভ চিকিৎসা’ মানে চিকিৎসা বন্ধ করা নয়; বরং রোগের কষ্ট কমানো, জীবনমান উন্নত করা এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা- এ কথা রোগী বা রোগীর পরিবারের সদস্যদের বুঝিয়ে না বললে তারা বেশ সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগতে থাকে ।

পঞ্চম চ্যালেঞ্জ হলো আর্থিক বাস্তবতা। অনেক পরিবার ক্যানসার চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তাই চিকিৎসা পরিকল্পনায় শুধু আদর্শ চিকিৎসা নয়, বাস্তবসম্মত চিকিৎসা পথও ব্যাখ্যা করা জরুরি।

৩. উন্নতির জায়গাঃ

প্রথমত, প্রতিটি ক্যানসার সেন্টারে রোগী কাউন্সেলিংয়ের জন্য আলাদা সময় ও কাঠামো থাকা উচিত। অনকোলজি নার্স, কাউন্সেলর, ডায়েটিশিয়ান, প্যালিয়েটিভ কেয়ার টিম এবং সাইকো-অনকোলজি সাপোর্ট যুক্ত হলে রোগী আরও পূর্ণাঙ্গ সহায়তা পাবেন।

দ্বিতীয়ত, রোগীকে সহজ ভাষায় লিখিত চিকিৎসা পরিকল্পনা দেওয়া প্রয়োজন। রোগের নাম, স্টেজ, চিকিৎসার উদ্দেশ্য, সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, জরুরি সতর্কতা এবং ফলোআপ পরিকল্পনা লিখে দিলে রোগী ও পরিবার কম বিভ্রান্ত হয়।

তৃতীয়ত, চিকিৎসকদের কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ দক্ষতা নিয়ে প্রশিক্ষণ দরকার। খারাপ সংবাদ কীভাবে জানাতে হয়, অতিরিক্ত আশা বা অতিরিক্ত হতাশা না দিয়ে বাস্তবতা কীভাবে বোঝাতে হয়, রোগীর আবেগ কীভাবে সামলাতে হয়, এগুলো চিকিৎসা শিক্ষার অংশ হওয়া উচিত।

চতুর্থত, রোগী ও পরিবারেরও প্রস্তুত হয়ে চিকিৎসকের কাছে আসা দরকার। আগের রিপোর্ট, ওষুধের তালিকা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার তথ্য এবং প্রধান প্রশ্নগুলো লিখে আনলে আলোচনা বেশি ফলপ্রসূ হয়।

৪. উপসংহারঃ

ক্যানসার রোগী শুধু একটি রোগ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন না; তিনি আসেন ভয়, আশা, পরিবার, দায়িত্ব এবং জীবনের অনিশ্চয়তা নিয়ে। একজন অনকোলজিস্ট শুধু চিকিৎসা দেন না; তিনি ব্যাখ্যা করেন, পথ দেখান, সাহস দেন এবং বাস্তবতার সঙ্গে রোগীকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করেন।

বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসার মান উন্নত করতে আধুনিক প্রযুক্তি যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন মানবিক, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল যোগাযোগ। কারণ রোগী যখন বুঝতে পারেন তার কী হয়েছে, কেন চিকিৎসা হচ্ছে এবং সামনে কী হতে পারে, তখন তিনি চিকিৎসার নিষ্ক্রিয় গ্রহীতা নন; তিনি চিকিৎসা যাত্রার সক্রিয় অংশীদার হয়ে ওঠেন। সেটিই উন্নত ক্যানসার চিকিৎসার অন্যতম ভিত্তি।

19/05/2026

খাবার-দাবার নিয়ে সচেতন হতে গিয়ে উলটো গভীর ডিপ্রেশনে পড়ে যাচ্ছি।

সাদা চিনি থেকে লাল চিনি তুলনামূলক কিছুটা স্বাস্থ্যকর, এটা জেনে বেশি দাম দিয়ে লাল চিনি কিনে দেখবেন, সেটা আসলে ইটের গুড়া বা ক্যামিকেল দিয়ে লাল করা।

দুধ কিনতে গিয়ে শুনবেন ডিটারজেন্ট আর ক্ষতিকর ক্যামিকেল দিয়ে দুধ বানানো হচ্ছে। পাউরুটিতে সরাসরি ক্যান্সার সৃষ্টির ক্যামিকেল মিশাচ্ছে সাদা করতে।

বাংলাদেশের প্রতিটা ফুড কার্ট ও রাস্তার পাশের রেস্টুরেন্টগুলোতে যে তেল বা সস ইউজ করা হচ্ছে সেগুলো স্রেফ বিষ। ১০০ টাকায় ৫ লিটার সস কিনে তারা। সেগুলোরে সুতা কালার করার রঙ ছাড়া আর কি থাকবে?

আমাদের দেশের মানুষগুলো ফল পাকাচ্ছে ক্যামিকেল দিয়ে, খাবার বানানো পানিটা নিতেসে ড্রেন থেকে। আমাদের মাছ মাংসে হেভি মেটাল, আমাদের প্রতিটা খাবারে কীটনাশক, বিষ। দেদারসে অটোরিকশা চলতে দেওয়ায় সেগুলোর ব্যাটারির লেড মিশে যাচ্ছে আমাদের পরিবেশে, সামনের জেনারেশন বড় হবে নির্বোধ ও ভায়োলেন্ট হয়ে।

দুনিয়ার আর কোন দেশে এত এগ্রেসিভলি খাবারে ভেজাল মেশানো হয় না। আফ্রিকার সবচেয়ে গরীব দেশেও না। ইউরোপের সবচেয়ে নাস্তিক যে দেশটা, যে দেশের ১০% মানুষও আল্লাহ খোদায় বিশ্বাস করে না, মৃত্যুর পর দুনিয়াতে করা সব অপকর্মের হিসাব দিতে হবে, অনন্তকাল শাস্তি হিসেবে আগুনে পুড়তে হবে— এসবে বিশ্বাস করে না, সেইসব দেশে গিয়ে আপনি যদি মানুষকে বলেন, আমাদের দেশের হাজার হাজার মানুষ নিয়মিত বিভিন্ন খাবার, স্পেশালি বাচ্চারা খায় এমন খাবারে বিষাক্ত ক্যামিকেল মিশায় সামান্য লাভের আশায়, তারা খুব অবাক হবে! তারা কল্পনাও করতে পারবে না, এসব করার কথা কারো মাথায় আসতে পারে!

তাদের ভিতরে হয়তো খোদার প্রতি ভয় নাই। মৃত্যুর পর কি হবে সেসব নিয়ে তাদের দেশে হয়তো রাতভর বয়ান দেয় না কেউ। কিন্তু তাদের ভিতর এইটুকু মনুষ্যত্ববোধ আছে যে খাবারে ভেজল মিশানো ঠিক না। মানুষকে দূষিত খাবার খাওয়ানো অপরাধ। ইউরোপের সবচেয়ে অনুন্নত দেশটার সরকারও নিয়মিত এসব নিয়ে অভিযান চালায়, কেউ খাবারে ভেজাল দিলে শাস্তি হয় ভয়াবহ। সামান্য অনিয়মে লাইসেন্স বাতিল হয়, কোটি কোটি টাকার জরিমানা হয়।

আমাদের দেশের মানুশগুলো এমন কেন? সারারাত ধরে যারা ফলে ক্যামিকেল মাখিয়ে পাকায়, চিনিতে ইটের গুড়া মাখায়, মাছের পেটে পানি ভরে ওজন বাড়ায়, ৩ দিন ধরে পোড়া তেলে সিংগারা ভাজে, পা দিয়ে পাড়িয়ে পাউরুটি আর ফুচকার খামির বানায়— এরা তো উচ্চশিক্ষিত না যে পশ্চিমা বইপত্র পড়ে নাস্তিক হয়ে ভিতর থেকে আল্লাহ আর আখিরাতের ভয় চলে গেছে। উলটো এদের অনেকেরই বেশভুষায় প্র‍্যাক্টিসিং ধার্মিকই লাগে বাইরে থেকে। এদের তাহলে এমন হৃদয়হীন নিষ্ঠুর খুনী বানালো কিসে?

টাকার কতটা অভাব হলে মানুষ মৃত্যুর পর আল্লাহর সামনে জবাব দিতে হবে— এটা বেমালুম ভুলে গিয়ে খাবারে বিষ আর ভেজাল মিশাতে পারে নির্বিকার ভাবে, আমার জানতে খুব ইচ্ছা হয়।

Collected

ইউএস আসার পর আমি আর আনিকা একটা জিনিস খেয়াল করলাম। আমাদের বাংলাদেশী গ্র্যাজুয়েট কমিউনিটিতে অনেক নিউ প্যারেন্টস আছেন। প্রত...
18/05/2026

ইউএস আসার পর আমি আর আনিকা একটা জিনিস খেয়াল করলাম।

আমাদের বাংলাদেশী গ্র্যাজুয়েট কমিউনিটিতে অনেক নিউ প্যারেন্টস আছেন। প্রত্যেকটা কমিউনিটি ইভেন্টেই তাদের কিউট কিউট বাচ্চাগুলা আসে। আমাদের সবার সাথে মিশে, এঞ্জয় করে, খেলে একে অপরের সাথে। এই বাচ্চাগুলা অদ্ভুতভাবে বাংলাদেশের ছোট বাচ্চাগুলার তুলনায় অনেক বেশি হাসিখুশি, কন্টেন্ট। আমার ছোট বোন আর কাজিনদেরসহ অনেক বাচ্চাকে আমি বাংলাদেশে বড় হইতে দেখছি; আমার মনে হয় ওরা এই বাচ্চাগুলার তুলনায় আরও অনেক বেশি ইরিটেবল ছিলো, অনেক বেশি কান্নাকাটি করতো– অপরিচিত ক্রাউডের এনভায়রনমেন্ট হলে তো কথাই নাই। সেখানে এই বাচ্চাগুলা আরও অনেক ইজিলি মিশুক, এবং কেঁদে উঠলেও বেশ তাড়াতাড়ি থেমে যায়। অবশ্যই এখানে তাদের প্যারেন্টসের-ই মোস্ট ক্রেডিট– তারপরেও প্যাটার্নটা নোটিসেবল। এই ডিস্কাশনটা আমি অনেকের সাথেই করছি, সবাই মোর অর লেস এগ্রি করছে।
এই যে হুটহাটের কান্নাকাটিটা– এইটা কিন্তু একটা বায়োলজিক্যাল বিষয়। আমরা কাঁদি ব্রেইনের এক জায়গায়, কিন্তু সেই কান্নাটাকে থামাই ব্রেইনের আরেক জায়গায়। কান্না থামানোর ইনহিবিটরি মেশিনারি আমাদের ব্রেইনের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সে থাকে, যেটা কান্নাকাটির কেমিক্যাল লোডের সামনে আমাদের ব্রেইনটাকে শান্ত করে। অর্থাৎ এইটা একটা ইম্পালস কন্ট্রোলের বিষয়।

এই ইম্পালস কন্ট্রোলজনিত সমস্যা তো আসলে জাস্ট দেশের বাচ্চাদের না, সম্পূর্ণ জাতিরই সমস্যা। বিশেষ করে ২০২৪ এর বসন্তের পর থেকে আমরা এমন এক জাতিকে দেখছি যার ইম্পালস কন্ট্রোল বলেই কিছু নাই।

এইসব নিয়ে ভাবতে গেলে আমার মনে পরে ঢাবির তোফাজ্জলের কথা। মানসিকভাবে অসুস্থ লোকটারে আমাদের তথাকথিত সুস্থ ছাত্ররা একবার মারতে মারতে আধমরা করলো–তারপর একটু থেমে–তারা আবার মারল। এইবার মারতে মারতে মেরেই ফেললো একদম। এরপর আমার মনে পরে দীপু চন্দ্র দাসের কথা। মেরে লোকজন তাকে গাছে ঝুলায়ে পুড়ায়ে দিলো একদম– আশেরপাশের মানুষ চিয়ার করে উঠলো–অথচ কারও মনে হলো না একটু থামা উচিত। আবরার ফাহাদ থেকে লালচাঁদ সোহাগ–সবাই কী একই ভাবেই মরে গেলো না? এমন কিছু নব্য যুবকের হাতে যারা কোনোভাবেই থামতে জানে না। নিজেদেরকে থামাতে জানে না। মরা দেহকে তারা আরও মারতে থাকে।

২৪ এর আগস্ট থেকে ২৬ এর মার্চের এই অল্প সময়ে অন্তত সাড়ে তিনশ লোক মবের হাতে এইভাবে মারা গেছে– রিপোর্টেড। স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্লানেশনগুলা তো অবশ্যই খাটে। হাসিনার রেজিম পড়ে গেছে, ইন্টেরিম দুর্বল ছিলো, নতুন ইলেক্টেড ওয়ানও এখনও সবকিছু হাতে নিয়ে আসতে পারে নাই। কিন্তু এই ব্যাখ্যা মানুষের মানুষ মারার আগ্রহকে ব্যাখ্যা করতে পারে না, গতিকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। মারার জন্য ভীড় হয়ে যায় এইখানে দ্রুত, এস্কেলেট করে আফ্রিকার জঙ্গলে দলছুট কোনো হরিনের দেখা পাওয়া জাগুয়ারের দৌড়ের মত। সাথে সাথে মানুষ ক্যামেরা নিয়া হাসিমুখে রেডি হয়ে যায় রেকর্ড করার জন্য। এই যে ভায়োলেন্সের প্রখরতা, দ্রুততা, আর হঠাৎ করে এত গুণ বেড়ে যাওয়া এইগুলা কী খালি পলিটিক্যাল ব্যাখ্যা দিয়ে উড়ায়ে দেয়া যায়?
আমার কাছে মনে হয় যায় না। তাই আমি নানান জায়গায় উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি।

খুঁজতে খুঁজতেই আমেরিকার একটা রিসার্চে আমার চোখ আটকায়ে যায়।
~
৬০-৭০ এর দশক ছিলো আমেরিকার ভায়োলেন্ট ক্রাইমের স্বর্ণযুগ। এরপর নব্বইয়ের দশকে হঠাৎ করে এই ভায়োলেন্ট ক্রাইম নেমে আসছিলো। নানান বিশেষজ্ঞ সেটাকে নানানভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতেছিলো কিন্তু কেউই পুরাপুরি মিলায়ে উঠতে পারে নাই। কারণ এই কমাটা ছিলো পুরা দেশজুড়ে, কিন্তু আমেরিকায় স্টেটওয়াইজ পলিসি আলাদা, সব মেজর সিটিগুলাতেই পলিসিমেকিং ছিলো ডিফারেন্ট। পুলিসিং, ম্যাস ইনকারসারেশন, লিগ্যাল এবরশন–এইরকম নানান জিনিস দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়– কিন্তু সময়ের ফ্রেমে বা জায়গার ফ্রেমে কোথায় না কোথাও ব্যাখ্যাটা ব্যর্থ হয়।

এরপর একুশ শতকের শুরুতে রিক নেভিন নামের এক ইকোনোমিস্ট এক চমকপ্রদ রিসার্চ সামনে নিয়ে আসলেন। তিনি দেখাইলেন আমেরিকার রাইজ অ্যান্ড ফল অব ভায়োলেন্ট ক্রাইম গ্যাসোলিনে লেড বা সীসা এড করার টাইম ফ্রেমের সাথে ২২ বছরের টাইম ল্যাগে পুরাপুরি কোরিলেটেড। গাড়ির তেলে লেড আসার ২২ বছর পর ভায়োলেট ক্রাইম বেড়ে গেছে, তারপর সেইটা বন্ধ করার ২২ বছর পর সেই ক্রাইম কমে আসছে। ২২ বছর– একটা মানুষের প্রাপ্তবয়স্ক হইতে যেই সময় লাগে। তিনি এই গবেষণা আরও ৮টা দেশের ডেটাতেও এক্সটেন্ড করছেন–সবখানেই একই কনক্লুশন। কোররিলেশন ছিলো ০.৯ এরও উপরে–সোশ্যাল সাইন্সে যা অত্যন্ত দুর্লভ।

ব্যাপারটা নিউরোলজি ব্যাখ্যা করতে পারে। লেড আমাদের বডির কাছে একটা ছদ্মবেশী ক্যালসিয়াম। এর ক্যাটায়নিক চার্জ ২ আর আয়নিক রেডিয়াসও কাছাকাছি। ডেভেলপিং ব্রেইনে এইটা ক্যালসিয়ামের স্লটগুলায় ঢুকে যায়, এরপর প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সে ড্যামেজ করে– যেইটা আমাদের ইম্পালস কন্ট্রোল, ফিউচার অরিয়েন্টেশন আর ইমোশনাল রেগুলেশনের জায়গা। লেড-এক্সপোজড বাচ্চারা অনেক অ্যাকিউট কোনো সিম্পট্ম দেখাবে এমন না। সে জাস্ট একটু বেশি ইম্পালসিভ হবে, ইন্স্ট্যান্ট গ্র্যাটিফিকেশনের প্রতি বেশি দুর্বল হবে। ইন্ডিভিজ্যুয়াল লেভেলে এই ড্যামেজ টের পাওয়া খুব টাফ। অথচ পপুলেশন লেভেলে এই ড্যামেজ ঠিকই দেখা যায়– ২২ বছরের টাইম গ্যাপে, ইকোনমিস্টদের রিসার্চে। এই আলাপ পড়ে আমার আমেরিকায় বড় হওয়া বাংলাদেশী বাচ্চাগুলার কথা মনে পড়ে যায়– তারা কি বাংলাদেশে বড় হলেও এত হাসিখুশি হতো?
~
এই প্রশ্নের উত্তর আমি খুঁজতে গেলাম ডেটার মধ্যে। ঘেঁটে পেলাম ভয়ানক সব পরিসংখ্যান।

ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী লেড পয়জনিং এ আক্রান্ত দেশগুলার তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ফোর্থ। ২০২৫ এর MICS সার্ভে দেখাচ্ছে আমাদের দেশের ৩৮ শতাংশ বাচ্চার রক্তে WHO-র ইন্টারভেনশন থ্রেশহোল্ডের চেয়ে বেশি লেড আছে। সংখ্যায় দুই কোটির বেশি বাচ্চা। আর ২০২২-২৪ এ আইসিডিডিআরবি আর স্ট্যানফোর্ডের এক স্টাডিতে ঢাকার ৫০০ জন ২-৪ বছর বয়সী বাচ্চাকে পরীক্ষা করে দেখা গেছে– প্রত্যেকটা বাচ্চার রক্তে লেড আছে, অ্যান্ড তারা বলতেছে ঢাকার ৯৮ শতাংশ ছোট বাচ্চার রক্তে লেডের পরিমাণ আমেরিকার "ইমিডিয়েট অ্যাটেনশন নিডেড" বলা মাত্রার চাইতে বেশি।

এই লেড আসতেছে কোথা থেকে? এক নাম্বার সোর্স আনরেগুলেটেড ব্যাটারি রিসাইক্লিং। দেশে ৩০ লাখের উপর ব্যাটারি রিকশা চলে, প্রত্যেকটায় পাঁচটা লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি, প্রতিটার আয়ু ৬-১১ মাস। এই ব্যাটারিগুলা সারা দেশে ছড়ায়ে থাকা হাজারের উপর অনিয়ন্ত্রিত "ভাট্টি"-তে খোলা চুল্লিতে গলানো হয় (UNEP, পিওর আর্থের ডেটা)– যার বেশিরভাগ আবাসিক এলাকার ভিতরে। প্রতিটা ভাট্টি আশেপাশের মাটি, পানি, বাতাসে লেডের ধুলা ছড়ায়। স্ট্যানফোর্ডের স্টাডিতে তারা দেখছে যে এই ধরনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাইটের ১ কিলোমিটার ভিতরে যেই বাচ্চাগুলা থাকে, তাদের রক্তে লেডের লেভেল বাকিদের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি।
দুই নাম্বার সোর্স পেইন্ট। বাংলাদেশে লেড পেইন্ট আইনত নিষিদ্ধ, কিন্তু বাজারের ৩০ শতাংশ পেইন্ট এখনও লিগ্যাল লিমিটের অনেক বেশি লেড নিয়া বিক্রি হয়– প্রায়শই ১০,০০০ পিপিএম এর কাছাকাছি ঘনত্বে (Daily Star, পিওর আর্থ)। তিন নাম্বার সোর্স আমাদের রান্নাঘর। দশকের পর দশক ব্যবসায়ীরা হলুদকে আরও উজ্জ্বল হলুদ দেখানোর জন্য তাতে লেড ক্রোমেট পিগমেন্ট মিশাইছে– কারণ আমরা উজ্জ্বল হলুদরে "ভালো হলুদ" বলে চিনি। অর্থাৎ লেড আমাদের ডাল-ভাতে ঢুকে মার্কেট সিগন্যালের পথ ধরে।

লেডকে কারণ হিসেবে দেখানোটা সবচেয়ে ইজি কারণ লেডকে নিয়ে এই পার্সপেক্টিভে অলরেডি লার্জ স্কেল রিসার্চ আছে। কিন্তু লেডই তো একমাত্র বিষ না। হাজারিবাগের ট্যানারি প্রজন্মের পর প্রজন্মরে ক্রোমিয়ামে ডুবায়ে রাখছে। ঢাকার বাতাস WHO-র গাইডলাইনের বহুগুণ ছাড়ায়া যায় প্রতি বছর– গাড়ির ধোঁয়া, ইটভাটার কয়লা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল নিঃসরণের একটা কেমিক্যাল ককটেল এইখানে চার কোটি মানুষ প্রতিদিন শ্বাসের সাথে টানে। গ্রামের কয়েক কোটি মানুষ টিউবওয়েলের আর্সেনিকযুক্ত পানি খেয়ে গেছে দশকের পর দশক। ডেভেলপিং ব্রেইন এর একটার বিরুদ্ধেও খুব একটা প্রতিরোধ করতে পারে না। একই শৈশবে কয়েকটা একসাথে আসলে প্রায় কিছুই করার থাকে না।
লেড হইলো বাংলাদেশের পলিউশন অপেরার একটামাত্র ইন্স্ট্রুমেন্ট। কিন্তু এর পিছনে একটা পুরা অর্কেস্ট্রা বাজতেছে।
~
এখন আমরা আমেরিকার ২২ বছর ল্যাগের হিসাবটা আমাদের কনটেক্সটে চিন্তা করি। ২০২৪-২৬ এর মব ভায়োলেন্সে যারা মানুষ মারতেছে তারা জন্ম নিছিলো ২০০০ এর দশকের শুরুতে। ঠিক সেই সময়টায় বাংলাদেশের গাড়ির ফ্লিট তিনগুণ হইতেছিলো, ব্যাটারি রিসাইক্লিং ছড়াইতেছিলো, ঢাকার বাতাস-মাটি-পানি সেই সব রাসায়নিক শোষণ করতেছিলো যেইগুলা আজকের দুই বছর বয়সী বাচ্চাদের রক্তে আইসিডিডিআরবি এতদিনে মাপতেছে। নেভিনের ২২ বছরের ক্যালকুলেশন এই কোহোর্টের উপরই হুবহু পড়ে– কেবল গ্যাসোলিনের লেড না, আরও অনেক কিছু সহ।

আমার মনে হয় বাংলাদেশের এই মব জেনারেশনের ব্রেইনটা এতসব নিউরোটক্সিনে পুরা বারুদ হয়ে আছে। একটু ঘষা দিলেই জ্বলে উঠে। আশেপাশের সব ছাড়খাড় করে দেয়। দাবানলকে যেমন থামানো যায় না তেমন থামানো যায় না মবদের। সবার মাথায় ভায়োলেন্সের অফুরন্ত জ্বালানি। বাংলাদেশের বাতাসে শ্বাস নিয়ে, বাংলাদেশের হলুদ খেয়েই তো সবাই বড় হইছে। তাই দল-মত-বাম-ডান নির্বিশেষে সবাই এখানে টিকিং বম্ব।

নিজেকে জিজ্ঞেস করি আমাদের কালচারের কতটুকু আসলে আমাদের কেমিস্ট্রি? পলিটিক্স, এডুকেশন, ভ্যালুজ– যেইগুলায় আমরা সব ব্যাখ্যা খুঁজি– এর কতটুকু আসলে ছোটবেলায় চুপিচুপি জমে যাওয়া বিষের ছায়া? ভাট্টির পাশের মাটি, ট্যানারির উপরের বাতাস, টিউবওয়েলের পানি, দেয়ালের পেইন্টের ধুলা– এইগুলার ফলাফল আমাদের নৈতিকতার ভাষায় ব্যাখ্যা হতে থাকে। আমজনতা লেড ক্রোমিয়াম খেতে খেতে মানসিকভাবে বিকলাঙ্গ হতে থাকে। আইকিউ কমতে থাকে, ইম্পালস কন্ট্রোল বলে কিছু আর অবশিষ্ট থাকে না। বাসায় পেটায় স্ত্রীকে, রাস্তায় মব হয়ে পেটায় উদ্বাস্তুদের। ইন্সট্যান্ট গ্র্যাটিফিকেশনের পাগল এই বিকলাঙ্গরা পর্ন দেখে মাথার নিউরোট্রান্সমিটার সিস্টেমকে আরও ধ্বংস করে। এরপর ধর্ষণের সুযোগ পেলে না করে আর থাকতে পারে না কারণ ইম্পালস কন্ট্রোল বলে ব্রেনের যে ফাংশন সেটা আর কাজ করছে না। এগুলোকে আমরা বলি "অশিক্ষা," "অসভ্যতা," "মৌলবাদ।" আসল কারণটা নিয়ে আমাদের আর কাজ করা হয় না।
~
আমেরিকার গল্পে একটা পজিটিভ আর্ক আছে। লেড গ্যাসোলিন থেকে সরালো। ক্রাইম নামলো।

বাংলাদেশের সেইরকম কোনো আর্ক চোখে পড়ে না। ভাট্টি কমতেছে না– বাড়তেছে, ই-রিকশার সাথে সাথে। হলুদের লেড নিয়ে দেখলাম বেশ কাজ হয়েছে ২০১৯-২১ এ, কিন্তু পেইন্টের এনফোর্সমেন্ট নাই। বাতাস বছর বছর খারাপ হইতেছে। এই ড্যামেজটা একবার হইয়া গেলে আনডু করা যায় না। শুধু ঘটার আগে থামানো যায়। আর সেইটা– হলুদের এক্সেপশনটা বাদ দিলে– হচ্ছে না।

বাংলাদেশ যেটার সামনে দাঁড়ায়ে আছে সেইটা পরে সমাধান করার মত কোনো রহস্য হিসেবে আর বাকি নাই। সেটা হয়ে গেছে বর্তমান। জেনেটিক প্রিডিস্পোজিশন আর কালচার একে অপরকে ফিড করতে করতে ভবিষ্যত হয়তো আরও ভয়ানক হবে। সেটা ইতিমধ্যেই লেখা হয়ে গেছে– এমন সব বাচ্চার রক্তে যারা এতই ছোট যে নিজেরাও জানে না কতটা অস্থির নিয়ন্ত্রণহীন কালচারের অংশ তারা হতে যাচ্ছে।
~
ঢাকার বাতাস একরাতে বদলাবে না। ভাট্টিগুলা একদিনে বন্ধ হবে না। কিন্তু ছোট ছোট কিছু কাজ এখন থেকেই শুরু করা যায়। লেড পেইন্টের আইন আছে– সেইটা মানতে বাধ্য করা যায়। আবাসিক এলাকার ভাট্টি চিহ্নিত করে সরানো যায়। হলুদের মার্কেটকে কন্টিউনিয়াস মনিটরিংয়ে রাখা যায়। বাচ্চাদের রক্তের লেড নিয়মিত মাপা যায়– যেমন আমরা ওজন আর উচ্চতা মাপি।

আর শুধু পরিবেশ না– বাচ্চাদের সাথে আমাদের আচরণটাও বদলানো দরকার। আমাদের জেনারেশন যেইভাবে বড় হয়েছি– সব ছোটখাটো জিনিসে চিৎকার-চেঁচামেচি, মারধর, ভয় দেখানো– এইগুলাও প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের ডেভেলপমেন্টে বাধা দেয়। এবং বাচ্চারা দেখে তার বাবা-মারাই ইম্পালস কন্ট্রোল করে না–তারা কী করবে? বাচ্চাকে ইম্পালস কন্ট্রোল শেখানো এখনকার বাংলাদেশী প্যারেন্টিং কালচারে ঢোকানোটা মাস্ট।
মব কালচারকে নর্মালাইজ করা বন্ধ করতে হবে। লিঞ্চিং-এর ভিডিও শেয়ার করা বন্ধ করতে হবে। প্রতিটা মব হত্যায় যে লোকটা ক্যামেরা নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়ায়ে আছে, সেও যে অপরাধী– এইটা সামাজিকভাবে বলা শুরু করতে হবে। কারণ যতদিন মব ভায়োলেন্স সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য থাকবে, ততদিন বিষ-আক্রান্ত ব্রেইনগুলা সেই গ্রহণযোগ্যতার দরজা দিয়েই বের হতে থাকবে।

আমেরিকা তার লেড সমস্যাকে চিনতে পেরেছিলো ত্রিশ বছর পর। আমাদের কাছে এত সময় নাই। যেই কোহোর্ট আজকে রাস্তায় মানুষ মারতেছে তাদের ব্রেইনের ফিজিক্যালি আর কালচারালি দুইভাবেই ড্যামেজড– সেটা আর ঠিক করার উপায় নাই। কিন্তু যে বাচ্চাটা আজকে ভাট্টির পাশে হামাগুড়ি দিতেছে, যে বাচ্চাটা হলুদ-মেশানো ডাল খাচ্ছে, যে বাচ্চাটা ঢাকার বাতাস টানতেছে– তাদের এখনও বাঁচানো যায়–ড্যামেজটা থামিয়ে এবং হেলদি একটা কালচার দিয়ে।
কিন্তু সেইটার জন্য আগে স্বীকার করতে হবে যে তারা বিষাক্ত হচ্ছে। সেইটাই হয়তো সবচেয়ে কঠিন। কারণ স্বীকার করা মানে কাজ শুরু করা।

Author - Sadman Fakid

সম্রাটের সঙ্গে আমার যখন দেখা হলো তখন সে ওয়েস্টবিনে মাথা ঢুকিয়ে আছে!জিজ্ঞাসা করলাম, "ওখানে কিছু পাও?"৮-৯ বছরের ছোট্ট মা...
13/05/2026

সম্রাটের সঙ্গে আমার যখন দেখা হলো তখন সে ওয়েস্টবিনে মাথা ঢুকিয়ে আছে!
জিজ্ঞাসা করলাম, "ওখানে কিছু পাও?"

৮-৯ বছরের ছোট্ট মানুষটা মাথা বের করে দার্শনিকের মতো গম্ভীর ভাবে বলে, "কোনদিন হুদা একগাদা কাগজের টুকরা পাই , কোনদিন বার্গার, পিজা, অর্ধেক খাওয়া কোকের বোতল!"

বলি, "কই থাকো?"

"কড়াইল বস্তি!"

"এত দূরে আসলা কেন?

"আমার মায় ওই পুলিশ প্লাজায় ক্লিনারের কাজ করে, আমি সারাদিন আশেপাশে থাকি!"

তারপর সে আমাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে!

ছেলে ধরা ভাবছে কিনা কে জানে?

"এত কথা জিগান কেন? আপনে সাংবাদিক? তাইলে

৫০ টাকা দেন!

বললাম, "টাকা পাবা, তোমার মায়ের কথা বলো! মায়ের কাছাকাছি থাকো, দেখা হয় না তার সাথে?"

"দেখা হয় তো! আমি সারাদিন হাতিরঝিলের এই দিকে ঘুরাঘুরি করি, দুপুরে মায় বিল্ডিং থাইকা নিচে আসে!

আমারে ভাত খাওয়ায় দেয়!"

সম্রাট একটু থামে! তারপর গর্বিত স্বরে ঘোষণা দেয়,

"আমি আমার মায়ের হাতে ছাড়া কোনদিন ভাত খাই না, কারো হাতে খাইনা!"

"তুমি স্কুলে যাও না?"

"স্কুল আছে তো! আপারা খুব ভালো,

আদর কইরা পড়ায়, দুপুরে খাওন দেয়! স্কুল আমার ভালো লাগেনা!"

তারপর সে আমাকে একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করে!

"আপনের চাকরি করতে ভালো লাগে?"

সম্রাটের প্রশ্নে আমি নিজেই চিন্তায় পড়ে যাই! চাকরের বৃত্তি আসলেই কি কারো ভালো লাগে?

"সম্রাট তুমি যে স্কুল পালিয়ে সারাদিন ঘুরে বেড়াও, মা কিছু বলে না?"

এবার ছেলেটা ফিক করে হেসে দেয়, "কয় না আবার? ইচ্ছামতো গাইলায়, হুদাই কান্দে, তারপরও আমারে ভাত মাখাইয়া খাওয়ায়!"

আমার বাস চলে এসেছে!

আমি বাসে উঠে পড়ার আগে বললাম , "তোমার একটা ছবি তুলি?"

খুদে দার্শনিক আবারো গম্ভীর কণ্ঠে বললো, "ছবি তুললে ১০০ টাকা দিবেন!"

আমি হেসে ফেললাম! শিশুটির সরলতার সৌন্দর্য আসলেই মুগ্ধ করার মত!

বাসে বসে জানালা দিয়ে দেখি, সম্রাট হাতিরঝিলের দিকে হেঁটে চলেছে!

আমার মনে হল শিশুটিকে রুক্ষ বাস্তবতা, কঠিন দারিদ্র্য কোন কিছুই ছুঁতে পারছে না!

গাড়িতে বসে সম্রাটের ছবিটা দেখছিলাম!

ছবিতে বাসের গায়ে লেখা— “Clear as illusion”।

অর্থটা খুব সহজ—

"দেখলে মনে হয় সবকিছু স্বাভাবিক, কিন্তু সত্যিটা ভিন্ন।"

এই শহর আমাদের যা দেখায়, তার বাইরেও অনেক অদেখা গল্প লুকিয়ে থাকে!

সম্রাটের গল্পটাও আমি ঠিক বুঝে ফেলেছি!

শিশুটি ওয়েস্টবিন, ডাস্টবিন হাতড়ে বেড়ায় শুধু পেটের ক্ষুধায় নয়...

ওর ক্ষুধা অন্য জায়গায়!

সম্রাটের জন্য বাকি দুনিয়ার সবকিছুই তুচ্ছ!

তার একমাত্র বিলাসিতা, ছোট্ট জীবনের এতটুকু আনন্দ, তার মায়ের হাতে মাখানো এক প্লেট ভাত!

#মায়ের_হাতের_ভাত!

#জীবন_গল্প

©️ মাইনুদ্দিন চৌধুরী

( প্রিয় পাঠক, লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন, তবে ক্রেডিট দেবেন প্লিজ! 🙏🙏)

https://www.facebook.com/share/1NkpeECh7Y/
10/05/2026

https://www.facebook.com/share/1NkpeECh7Y/

🔴বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল এবং আমার কিছু ভুল ধারণা

বাংলাদেশে কোনো সরকারি শিশু হাসপাতাল নেই ⛔

আমি প্রথমে ভেবেছিলাম বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল সম্ভবত সরকারি। যেহেতু নামের আগে বিশাল করে বাংলাদেশ লাগানো। আর খরচ সম্ভবত অনেক কম বা মোটামুটি ফ্রি। কিন্তু আমি আমার মেয়ে নিয়ে ১১ দিন ভর্তি ছিলাম এই হসপিটালে এবং আমার ধারণা বদলে গেছে। এটা কোনো সরকারি হাসপাতাল না এবং স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতাল গুলোতেও যেমন কম খরচ হয় তেমন কম খরচও না। এটা অনেকটা প্রাইভেট হসপিটাল এর মতোই। আমাদের ১১ দিনে ৪০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। আমাদের খাবারদাবার তো আলাদাই। সেসব কিনে এনেছি এবং বাসা থেকে রান্না করে পাঠিয়েছে অনেকসময়৷

আমার মেয়ের টেস্ট করিয়েছি ১১/১২ টার মতো। বাহিরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্ট করতে মোটামুটি যা লাগে এখানে ও সেম৷ কোনো কম না। আর এখানে একটা ৫ টাকার স্যালাইনও ফ্রি না। সবকিছু নিজেদের কিনতে হয়৷

এখানে এসি ওয়ার্ড আছে, কেবিন ও আছে, নরমাল ওয়ার্ড ও আছে। শুরুতে আমি এসি ওয়ার্ডে ছিলাম। সেখানে এক রুমে ২০-২৫ টা বেড। বেড প্রতি ১৪০০ টাকা ভাড়া পার ডে। অথচ আমি জেলা শহরে ভালো প্রাইভেট হসপিটালের এসি কেবিনেই ১ হাজার টাকায় ছিলাম। যেখানে স্পেস ও যথেষ্ট বড়, এটাচ বাথ আর ২ টা বেড ছিল। হ্যাঁ ঢাকা শহরে হয়তো সবই বেশি দাম তাই বলে ওয়ার্ডে এমন ছোট একটা বেড অবশ্যই এত দাম হওয়ার কথা না৷

🟣এখানে একটা ওয়ার্ড আছে সম্পূর্ণ ফ্রি। ওখানে সীট পেতেও বহুদ হ্যাপা। সুপারিশ কিংবা সিরিয়াল লেগে থাকে। অনেক সময় পাওয়াই যায় না। আমি ফ্রি ওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত আর তেমন কিছু জানিনা। আমার পাশের বেডে এক মহিলা ছিলেন কিছুদিন । এতটুকুই শুনেছি৷

পরবর্তী তে আমার মেয়ের হাম হলে আমাদের হাম ওয়ার্ডে শিফট করা হয়। সেখানে এসি নাই। নরমাল ওয়ার্ড। সেখানে পার ডে ভাড়া ৭৫০ টাকা করে।

নার্সরা থাকেন সার্বক্ষণিক। ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন সকালে একবার করে বড় ডাক্তার আসেন। আর বিকেলে / রাতে অন্য ডিউটি ডাক্তার আসেন।

হাসপাতাল যেহেতু সরকারি না তাই সরকারি হাসপাতালের মতো অপরিষ্কার আমি আর আশা করছি না। তাহলে এই হাসপাতাল আরো বেশি পরিষ্কার হওয়া দরকার ছিল এবং ওয়ার্ডের সাথে এটাচ ওয়াশরুম গুলো ভাঙা না হয়ে ভালো হওয়া দরকার ছিল।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার পানির কোনো সুব্যবস্থা নাই। পুরো হাসপাতাল এ একটা ফিল্টার নাই। যাও একটা দেখেছি তাও ভাঙাচোরা পড়ে আছে। একটা মসজিদ আছে সেখানে থেকে ট্যাপের পানি এনে খেতে হয়।

আরেকটা বিষয় আমার খারাপ লেগেছে। বিকেলের পর অনেক সময় বাচ্চার ইমার্জেন্সি হলে ফোন দিয়েও বড় ডাক্তার আনতে পারে নাই নার্সরা। নার্সরাই যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন এবং সাথে ডিউটি ডাক্তার গুলো।

🟢আমার কাছে সর্বোপরি ভালোই লেগেছে হাসপাতালের মান৷ যেহেতু প্রাইভেট না আবার সরকারি ও না। এদের নিজেদের কিছু সিস্টেম আছে। এমনটাই হওয়া স্বাভাবিক।

🟡চিকিৎসা এখানকার ভালোই।

🔴যাদের বাচ্চাদের খুব সিরিয়াস অবস্থা থাকে। আইসিউ লাগে তাদের এখানে না আনাই ভালো কারন এখানে আইসিউ এই সময়ে আমি সবসময় ভরা পেয়েছি। সিরিয়াল লম্বা। বাচ্চা বাঁচানোই সম্ভব না এমন অবস্থায়।

আমার কাছে খারাপ লাগলো যে সারা বাংলাদেশে একটা সরকারি শিশু হাসপাতাল নাই।

নাই পর্যাপ্ত আইসিউ। এই যে এত বড় মহামারী যাচ্ছে "হাম" যা কিনা শিশুদের ই রোগ। ৩০০ এর উপরে বাচ্চা মারা গেল সরকারি হিসেবে। আদোতে আরো বেশি। এরপরও সরকারের কোনোরকম টনক নড়ে না। জবাবদিহিতা নাই, নির্দেশনা নাই।

আমি প্রতি মুহুর্তে অনুতপ্ত হই যে এমন একটা দেশে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে এসেছি। আমি ই মাফ চাই ওর কাছে। এদেশে মানুষের জীবনের দাম কাগজের চেয়েও স্বস্তা।

বিঃ দ্রঃ অনেকেই ইনবক্সে অনেকদিন ধরে জিগ্যেস করছিলেন। কিন্তু আমার সময় হচ্ছিল না বিস্তারিত লিখার। আজ একটু সময় পেয়েছিলাম তাই লিখলাম৷ আর আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ আপনারা সবাই এত দোআা করেছেন আমার মেয়ের জন্য 🙏

🔴 হাম থেকে আপনার সন্তানকে রক্ষা করুন! হাম (Measles) একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। সঠিক সচেতনতাই পারে এটি প্রতিরোধ করতে।✅...
08/04/2026

🔴 হাম থেকে আপনার সন্তানকে রক্ষা করুন!

হাম (Measles) একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। সঠিক সচেতনতাই পারে এটি প্রতিরোধ করতে।

✅ সুরক্ষার উপায়:

💉 টিকা নিন — ৯ মাসে MR টিকা এবং ১৫ মাসে MR-2 বুস্টার ডোজ অবশ্যই দিন

🧼 হাত ধুন — সাবান দিয়ে বারবার হাত ধোয়া জীবাণু ছড়ানো বন্ধ করে

😷 মাস্ক পরুন — আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন

🏠 আলাদা রাখুন — রোগীকে ৪ দিন পর্যন্ত ঘরে আইসোলেশনে রাখুন

🥗 পুষ্টিকর খাবার — ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখান — জ্বর, ফুসকুড়ি বা কাশি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসক দেখান

⚠️ মনে রাখুন: টিকাই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়!

🔁 শেয়ার করুন, সচেতন করুন!

#হাম #টিকা #স্বাস্থ্য #সচেতনতা

06/04/2026

Address

Shahbag
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশু চিকিৎসক ডাঃ আলমগীর হোসেন শিমুল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to শিশু চিকিৎসক ডাঃ আলমগীর হোসেন শিমুল:

Share