Desh Pharma

Desh Pharma সকল প্রকার দেশী ও বিদেশী ঔষধ সুলভ মূল্যে বিক্রয় করা হয়

18/07/2022

This pharmacy will be sale please contact with us cell 01822885593

About covid-19
07/03/2021

About covid-19

25/11/2020
27/09/2020
28/08/2020

সারাদেশে অনুমোদনহীন ফার্মেসি রয়েছে দেড় লাখের বেশি। লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে প্রায় ৭০ শতাংশ ফার্মেসি।...

রাতে শুয়ে ঘুম আসে না। এই সমস্যায় কম বেশি সবাই ভুগেন। ভালো ঘুম না হলে সেটা শরীর ও মনকে নেতিবাচক প্রভাবিত করতে পারে। কারও...
27/08/2020

রাতে শুয়ে ঘুম আসে না। এই সমস্যায় কম বেশি সবাই ভুগেন। ভালো ঘুম না হলে সেটা শরীর ও মনকে নেতিবাচক প্রভাবিত করতে পারে। কারও কারও আবার ইনসমনিয়ার সমস্যার কারণে ঘুম হয়না। ফলে এর প্রভাব পরের দিনের কাজের ওপরে। তাই জেনে নিন ঘুম কম হলে কী করবেন।

গরম-ঠাণ্ডা গোসল: ঘুম কম হলে সকালে উঠেই একটু ভিন্ন পদ্ধতিতে গোসল সেরে নিতে পারেন। গোসল করার সময় না পেলে মুখে হিম শীতল পানির ঝাপটা দিন। এতেও ঘুম যাবে।

অক্সিজেন: রাতের ঘুম কম হলে মস্তিষ্ককে সজাগ রাখতে প্রয়োজন বাড়তি অক্সিজেন। বিশেষ ব্যায়ামের মাধ্যমে মস্তিষ্কে বাড়তি অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব। জেনে নিন পদ্ধতিটি।

মেঝেতে কিংবা যে কোনো সমান্তরালে শুয়ে পরুন। এক হাত পাকস্থলী বরাবর রাখুন এবং আরেকটি হাত বুকে রাখুন। নাক দিয়ে গভীর নিঃশ্বাস নিন এবং পেটে রাখা হাত দিয়ে সেটা অনুভব করার চেষ্টা করুন।

মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। ছাড়ার সময় পেটে রাখা হাত দিয়ে অনুভব করুন যে পেট ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। পুরো দমটা বের করে দিন। এভাবে ৫-১০ বার করুন।

সকালের ব্যায়াম: খুব ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। খুব হালকা কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ কিংবা ৩০ মিনিট হাঁটলেই রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। ফলে রাতে না ঘুমানোর ফলে সৃষ্ট ক্লান্তি ভাব কমে যাবে অনেকটাই।

খোলা আকাশের নিচে যান: রাতে ঘুম না হলে পরের দিন সবচাইতে বেশি কষ্ট হয় কর্মক্ষেত্রে। কাজ করতে বসলেই ঘুম পায়। ঘুম পেলে কিছুক্ষণের জন্য খোলা আকাশের নিচে বের হয়ে পড়ুন।

কাজের তালিকা তৈরি: ঘুম না হলে অল্প কাজও অনেক বেশি মনে হয়। অনেক কাজ আছে এটা ভেবে কোনো কাজই হয় না। তাই কাজের পরিকল্পনা তৈরি করুন। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো তালিকার প্রথম দিকে রাখুন। এতে কাজ গুছিয়ে নেয়া অনেক সহজ হবে।

Collected

রক্তচাপ সম্পর্কে জানুন------------------------রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বা ধমনিক প্রবাহ। ...
24/08/2020

রক্তচাপ সম্পর্কে জানুন
------------------------
রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বা ধমনিক প্রবাহ। প্রতিটি হৃত্স্পন্দনের সময় একবার সর্বোচ্চ চাপ (সিস্টোলিক) এবং সর্বনিম্ন চাপ (ডায়াস্টোলিক) হয়, যা সাধারণত ঊর্ধ্ব বাহুর ব্রাকিয়াল ধমনিতে দেখা হয়। রক্তচাপ রক্তসংবহনে ও জালকতন্ত্রে পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এই প্রক্রিয়া রক্ত থেকে কোষে পুষ্টি সরবরাহ, মূত্র উৎপাদন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজের সঙ্গে জড়িত।

সিস্টোলিক চাপ ওপরে এবং ডায়াস্টোলিক চাপ নিচে লিখে রক্তচাপ প্রকাশ করা হয়। হৃৎপিণ্ডের সংকোচণের কারণে মানুষের ধমনি ও শিরায় রক্তের চাপ সৃষ্টি হয়। এর ফলে যে চাপ অনুভূত হয় তাকে সিস্টোলিক চাপ বলে। যেমন ১২০/৮০ এর একক মি.মি. পারদ (চাপের একটি একক)। আবার হৃৎপিণ্ডের প্রসারণের ফলে যে চাপ অনুভূত হয় তাকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে।

মানুষের শরীরে ৮০/১২০ হলো আদর্শ রক্তচাপ, ৮০/১৩০ হলো সবচেয়ে অনুকূল রক্তচাপ এবং ৮৫/১৪০ হলো সর্বোচ্চ।

কোনো অসুখে বা অন্য অজানা কারণে রক্তচাপ বেড়ে গেলে তাকে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ বলে এবং রক্তচাপ কমে গেলে তাকে হাইপো টেনশন বা নিম্ন রক্তচাপ বলে।
উচ্চ রক্তচাপ

হাইপারটেনশনের আরেক নাম উচ্চ রক্তচাপ, যাকে HTN দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যখন কোনো ব্যক্তির রক্তের চাপ সব সময়েই স্বাভাবিকের চেয়ে ঊর্ধ্বে থাকে, তখন ধরে নেওয়া হয় তিনি হাইপারটেনশনে ভুগছেন। কারো রক্তচাপ যদি উভয় বাহুতে ১৪০/৯০ মি.মি. বা তার ওপরে থাকে, তাহলে তার উচ্চ রক্তচাপ হয়েছে বলা যেতে পারে।

ঝুঁকিঃ শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপর স্বল্প থেকে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে এই উচ্চ রক্তচাপ। বিশেষত স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিওর, হৃিক্রয়া বন্ধ, চোখের ক্ষতি এবং বৃক্ক বা কিডনি বিকলতা ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

কারণঃ অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ, অতিরিক্ত মেদ, কাজের চাপ বা টেনশন, মদ্যপান, অতিরিক্ত আওয়াজ, ঘিঞ্জি পরিবেশ ইত্যাদি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। আবার এটি বংশগত সূত্রে প্রাপ্ত একটি অসুখও। তবে ধারণা করা হয়, প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার কারন হিসেবে লবণের ব্যবহারকে দায়ী করা হয়।

করণীয়ঃ চিকিৎসকরা মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের রক্তচাপের জন্য ওজন কমানো, ধূমপান ছেড়ে দেওয়া এবং নিয়মিত হালকা ব্যায়ামকে চিকিৎসার প্রথম ধাপ হিসেবে ধরেন। যদিও ধূমপান ছেড়ে দেওয়ায় সরাসরি রক্তচাপ কমে না; কিন্তু উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে এটি সম্পৃক্ত, কারণ এটি ছেড়ে দিলে উচ্চ রক্তচাপের বেশ কিছু উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে আসে। যেমন স্ট্রোক অথবা হার্ট অ্যাটাক। মৃদু উচ্চ রক্তচাপ সাধারণত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, ব্যায়াম এবং শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সারিয়ে তোলা যায়। ফল, শাকসবজি, স্নেহবিহীন দুগ্ধজাত খাদ্য এবং নিম্নমাত্রার লবণ ও তেলজাতীয় খাদ্য উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পরিবেশগত চাপ যেমন উঁচু মাত্রার শব্দের পরিবেশ বা অতিরিক্ত আলো পরিহার করাও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য উপকারী। এর পরও যাঁরা মাঝারি থেকে উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন, তাঁদের রক্তচাপ নিরাপদ মাত্রায় নিয়ে আসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে অনির্দিষ্টকালের জন্য ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।

নিম্ন রক্তচাপঃ নিম্ন রক্তচাপ বা Low Blood pressure শব্দটা বেশ প্রচলিত। মেডিক্যাল পরিভাষায় নিম্ন রক্তচাপ হলো দেহের রক্ত সংবহনতন্ত্রের এমন একটি অবস্থা, যেখানে রক্তের সিস্টোলিক চাপ ৯০ মি.মি. পারদের নিচে এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৬০ মি.মি. পারদের নিচে থাকে।

কারণঃ দেহে রক্তের পরিমাণ কমে যাওয়া, রক্তস্বল্পতা, হরমোনের পরিবর্তন, রক্তগাত্রের প্রশস্ততা বেড়ে যাওয়া, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, হৃৎপিণ্ড কিংবা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির সমস্যা, ঠিকমতো বা সময়মতো না খেলে নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। তবে রক্তের পরিমাণ কমে যাওয়াই হাইপোটেনশনের প্রধান কারণ বলে ধরা হয়। এ ছাড়া রক্তপাত, অপর্যাপ্ত তরল গ্রহণ যেমন অনশন কিংবা অতিরিক্ত ফ্লুইড বের হয়ে যাওয়া; যেমন বমি কিংবা ডায়রিয়ার কারণেও নিম্ন রক্তচাপ হয়।

ঝুঁকিঃ যাদের রক্তচাপ অস্বাভাবিক হারে কম, তাদের হৃিক্রয়া, অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি কিংবা মস্তিষ্কজাত সমস্যা থাকতে পারে। এই রক্তচাপ বজায় থাকলে মস্তিষ্ক এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কম থাকার কারণে সেখানে অক্সিজেন ও পুষ্টির অভাব হতে পারে, যা জীবনের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।

করণীয়ঃ আলু, ডিম, মাছ, মাংস, ছানা, বাদাম, সবুজ শাক ইত্যাদি এবং লবণযুক্ত খাবার গ্রহণ, খাদ্যে কিছু ইলেকট্রোলাইট (গ্লুকোজ ও স্যালাইন) যোগ, সকালে ক্যাফেইন গ্রহণ সহায়ক হতে পারে।

আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গের সুস্থতার জন্য রক্তচাপকে নিরাপদ মাত্রার মধ্যে রাখা প্রয়োজন। তাই নিয়মিত রক্তচাপ মাপার অভ্যাস করুন আর দেহমনকে সুস্থ রাখুন।

লেখকঃ অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান, হৃদরোগ বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।

৩ কোটি টাকা বেঁচে যাবে, যদি একটু সচেতন হোন...বিয়ের আগে, মাত্র কয়েকটা টেস্ট করলেই, আপনি বিশাল বিপদ থেকে বেঁচে যাবেন।1. ...
21/08/2020

৩ কোটি টাকা বেঁচে যাবে, যদি একটু সচেতন হোন...
বিয়ের আগে, মাত্র কয়েকটা টেস্ট করলেই, আপনি বিশাল বিপদ থেকে বেঁচে যাবেন।

1. Complete Blood Count.
2. Reticulocyte Count.
3. Peripheral Blood Film.
4. Hemoglobin Electrophoresis.

এই কয়েকটা সামান্য টেস্ট করলেই, আপনি জেনে যাবেন আপনি ও আপনার হবু স্ত্রী/স্বামী থ্যালাসেমিয়ার বাহক (Carrier) কিনা? যদি স্বামী-স্ত্রীর যেকোন একজন থ্যালাসেমিয়ার বাহক (Carrier) হন, তাহলে বিয়ে করলে, সমস্যা হবে না। কিন্তু, দুইজনই বাহক হলে, তাদের ভবিষ্যৎ সন্তানের থ্যালাসেমিয়া নামক, মারাত্মক রোগ হবে,যার চিকিৎসা ব্যয় প্রায় ৩ কোটি টাকা।

তাই, আপন আত্মীয়দের মাঝে বিয়ে করা
পরিহার করুন, কেননা, ১ জন থ্যালাসেমিয়া বাহকের নিকট আত্মীয়দের মাঝে থ্যালাসেমিয়া বাহক হবার সম্ভবনা অনেক বেশী।
বাংলাদেশে, ৭% মানুষই থ্যালাসেমিয়ার
বাহক (Carrier)। অর্থাৎ, আপনার যদি ১০০০ ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে,তাহলে, তার মাঝে ৭০ জনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক।
বাংলাদেশে প্রতিবছর ৭০০০ নতুন শিশু
থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে, যাদের
বেঁচে থাকার জন্যে প্রতিমাসে নতুন করে, রক্ত নিতে হয়।

আপনি যদি কোটিপতি নাও হন, তবুও, অল্প একটু সচেতনতা, পারে, আপনার ৩ কোটি টাকা সেভ করতে।

সুতরাং সিদ্ধান্ত আপনার।সচেতন হবেন নাকি, নিজের সন্তানকে, সারাজীবনের জন্যে রক্তবাহী ব্যাগের সাথে বেধে রাখবেন ???

সংগৃহীত

শরীরের কোনো কোষ অপ্রতিরোধ্যভাবে বিভাজিত হতে শুরু করলে তাকে ক্যানসার বলে থাকেন চিকিৎসকরা। দৈনন্দিন জীবনে আমরা এমন কিছু কা...
19/08/2020

শরীরের কোনো কোষ অপ্রতিরোধ্যভাবে বিভাজিত হতে শুরু করলে তাকে ক্যানসার বলে থাকেন চিকিৎসকরা। দৈনন্দিন জীবনে আমরা এমন কিছু কাজ প্রায়ই করে থাকি যা কোনো না কোনোভাবে ক্যান্সার ডেকে আনতে সহায়তা করে। অনেক ক্ষেত্রে জেনে বুঝেও ভুলগুলো করে থাকি আমরা। প্রতিদিনের অস্বাস্থ্যকর কিছু অভ্যাস বাদ দিলে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

ভারতীয় ক্যানসার বিশেষজ্ঞ সোমনাথ সরকারের বরাতে আনন্দবাজার বলছে, ক্যানসারের নানা কারণ থাকে। তার মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে তা দৈনন্দিন অভ্যাস ও কিছু কাজের হাত ধরেও শরীরে প্রবেশ করে। শরীরে টক্সিক পদার্থের উপস্থিতি যত বাড়বে ক্যানসারের ভয় ততই বড় আকার নেবে। তাই কিছু অভ্যাসে রাশ টানতে পারলে জেনেটিক ভাঙচুরকে অনেকটা রুখে দিয়ে রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।

** দূষণের মধ্যে থাকা:
অনেক সময়ই দেখা যায় প্রবল দূষণ, ধোঁয়া-ধুলো এসব জায়গাতেও কোনো রকম প্রতিরোধক ছাড়াই দিনের পর দিন আমরা বসবাস করছি বা দৈনিক কিছুক্ষণের জন্য হলেও দূষণের মধ্যে থাকছি। আজকের দিনে বায়ু দূষণের কাছে আমরা অনেকটাই অসহায়। তাই নিজেকে যেমন একদিকে বায়ু দূষণ থেকে বাঁচাতে শিখতে হবে অন্যদিকে নিজের কারণে যাতে বায়ু দূষণ না বাড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বায়ু দূষণ থেকে বাঁচতে অন্তত মাস্ক ব্যবহার করুন, তবে যেনতেন মাস্ক নয়, সেই মাস্ক যেন চিকিৎসকের মত অনুযায়ী কেনা হয়। বাড়ির চারপাশে এমন পরিবেশ থাকলে বেশি করে গাছ লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।

** ই-সিগারেট ও ধূমপান:
ধূমপায়ীদের মধ্যে ই-সিগারেটের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তারা ভেবে থাকেন, এতে কম ক্ষতি হয়। কার্ডিওলজিস্ট প্রকাশ চন্দ্র মণ্ডলের মতে, এ ধরনের ই-সিগারেটেও সমান ক্ষতি হয়। সাধারণ বিড়ি-সিগারেট ও ই-সিগারেট সব ক্ষেত্রেই শরীরে ঢুকে তামাক ও কার্বন। শরীরে ক্যান্সার দানা বাঁধার সব উপকরণই আছে এতে। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব মলিকিউলার সায়েন্স-এ প্রকাশিত গবেষণাপত্র অনুযায়ী, এই ই-স্মোকিংয়ের অভ্যাসের কারণে মুখগহ্বরের টিস্যুতে নানা রকম পরিবর্তন দেখা যায়। যে পরিবর্তনগুলো স্বাভাবিক ভাবেই ক্যানসার ডেকে আনে।

** প্রক্রিয়াজাত খাবার:
প্যাকেটবন্দি মাছ, বিভিন্ন রকমের প্যাকেটবন্দি মাংস, সস এগুলোর লোভনীয় স্বাদ আমাদের বার বার এ সবের দিকে টেনে নিয়ে যায়। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও চিকিৎসকদের মতে, এগুলোকে গ্রুপ ১ কার্সিনোজেন ও গ্রুপ ২ এ কার্সিনোজেন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অত্যাধিক পরিমাণে এ সব খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

** গরম চা-কফি:
আমাদের বেশিরভাগেরই হয়তো দিনটা শুরুই হয় চা বা কফি দিয়ে। তাতে অবশ্য সমস্যা নাই। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে খুব গরম চা পান করার অভ্যাস যেন না তৈরি হয়। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ক্যানসার-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীদের দাবি, খাদ্যনালীতে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বহু গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে অত্যন্ত গরম চা খাওয়ার প্রবণতা। প্রায় প্রতি দিনই যারা ৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি তাপমাত্রার চা খান, তাদের এ ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (হু)-ও ৬৫ ডিগ্রির উপর কোনও পানীয় খেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইতোমধ্যেই।

** প্লাস্টিক:
প্লাস্টিক যে ক্যানসারের অন্যতম কারণ তা অনেকেরই জানা। ঘরোয়া দূষণের অন্যতম উৎস হলো প্লাস্টিকের বিভিন্ন দ্রব্যের অবাধ ব্যবহার। দৈনন্দিন নানা কাজে ব্যবহার হয় প্লাস্টিকের পণ্য। প্লাস্টিককে পলি কার্বনেটে রূপান্তরিত করেও নানা রকম প্লাস্টিকের দ্রব্য ব্যবহৃত হয়। এজন্য বিপিএ (বিপিএ বা বিসফেনল এ, এই যৌগ মূলত পলিকার্বনেট প্লাস্টিকের অন্যতম উপাদান।) যৌগটির ব্যবহার করা হয়। বিপিএ আমাদের শরীরে বিভিন্ন খাদ্যবস্তু ও পানির মাধ্যমে প্রবেশ করে। সাধারণ কোনো প্লাস্টিকের বোতলে গরম পানি রাখলে বা প্লাস্টিকের পাত্রে মাইক্রোওয়েভে খাবার তৈরি করলে অথবা পাত্রগুলোকে ডিটারজেন্টে ধুলে বিপিএ মুক্ত হয়। পরে খাবার ও পানীয়ের মধ্যে দিয়ে বিপিএ মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। বিপিএ-র জন্য স্তন ও প্রস্টেট ক্যানসারের মতো রোগ হতে পারে।

** চিনি ভেজে লাল:
মাছ-মাংসের স্বাদ ও রং বাড়াতে অনেকেই তেলে চিনি ভেজে লাল করে নেন। মাংসের ঝোলে লালচে রং আনতে অনেকেই এটি করেন। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, চিনি কোষকে ভাঙতে সাহায্য করে। তাই চিনি এমনিতেই খুব একটা নিরাপদ নয়। আর চিনি ভাজলে চিনির কার্বন যোগ ভেঙে তা সরাসরি খাবারে মেশে।

** হেয়ার ডাই:
অনেকে ফ্যাশনের জন্য আবার অনেকে চুলে রং করেন পাকা চুল ঢাকতে। কিন্তু জানে রাখুন, এ ডাইয়ে থাকে অ্যামোনিয়াসহ নানা ক্ষতিকর রাসায়নিক- যা চুলের ত্বকের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে ও কার্সিনোজেনের মতো আচরণ শুরু করে। এই ডাই থেকে স্তন ক্যানসার ও ত্বকের ক্যানসারের ভয় থাকে।

সূত্র: আনন্দবাজার

17/08/2020
* আমলকি ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল। এর ফল ও পাতা দুটিই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্র...
17/08/2020

* আমলকি ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল। এর ফল ও পাতা দুটিই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

* আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

* অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর আমলকি শরীরের টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে এই আমলকি। তবে আমলকি খেতে হবে কাঁচা বা রস করে। রান্না করা আমলকিতে সঠিক পুষ্টি মিলবে না। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন আমলকি।

আমলকির কিছু উপকারিতার কথা:

1. সর্দি-কাশির সমস্যা এখন খুব পরিচিত। এই ধরনের অসুখে কাজে লাগে আমলকি। দীর্ঘমেয়াদি সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বরের সমস্যার পথ্য হিসেবেও আমলকি বেশ কার্যকরী। টিউবারকিউলোসিস (টিবি) রোগ থেকেও সুরক্ষা দেয় এটি।
2. ব্রঙ্কাইটিস কিংবা অ্যাজমার সমস্যায় ভুগছেন? এর থেকে মুক্তি পেতে আমলকি খান নিয়মিত।
3. ক্যান্সার থেকে দূরে থাকতে আমলকি খান প্রতিদিন। আমলকিতে পলিফেনল থাকায় তা ক্যান্সারাস কোষের বৃদ্ধিতেও বাধা দেয়।
4. নিয়মিত আমলকি খেলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে। পেটের সমস্যা ও বদহজম দূরে রাখতেও সাহায্য করে এই ফল।
5. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত আমলকি খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে অনেকটাই।
6. ওজন কমাতে চাইলে আমলকির সাহায্য নিন। আমলকির ফাইবার শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। এদিকে মুখের আলসার বা দাঁতের ক্ষত সারাতেও জুড়ি নেই আমলকির।
7. আমলকিতে থাকা ক্রোমিয়াম শরীরের ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করে, সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। বয়স্কদের জন্যও খুব উপকারী। এতে ক্যারোটিন থাকায় দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ছানি পড়া, চোখে চুলকানি বা জল পড়ার সমস্যা থেকেও রেহাই দেয়।
8. আমলকির রস স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন ঘটিয়ে চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে। তাই চুল ভালো রাখতে আমলকির ব্যবহার করতে পারেন।
9. মুখে বয়সের ছাপ পড়ে যাচ্ছে? বয়স ধরে রাখতে চাইলে আমলকি খান নিয়মিত। আমলকিতে অ্যান্টিএজিং উপাদান রয়েছে, যা বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

ভাতের কি আর দরকার আছে ?
10/08/2020

ভাতের কি আর দরকার আছে ?

Address

GA-188/3, Wireless Gate, Mohakhali, Banani
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 07:00 - 23:30
Tuesday 07:00 - 23:30
Wednesday 07:00 - 23:30
Thursday 07:00 - 23:30
Friday 07:00 - 23:30
Saturday 07:00 - 23:30
Sunday 07:00 - 23:30

Telephone

+8801511734567

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Desh Pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Desh Pharma:

Share