RuqyahTreatment.

RuqyahTreatment. জ্বিন যাদু, কালো যাদু, বদনজর সহ শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্য কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক রুকইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা করা হয়।

শরীয়াহ্ ভিত্তিক রুকইয়া চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হয় ।

আপনি যত কঠিন যাদু কিংবা যত শক্তিশালী জ্বিন দ্বারা'ই আক্রান্ত হোন না কেন, হিম্মত করে দৈনিক একবার অথবা তিনদিনে একবার সূরা ...
09/08/2026

আপনি যত কঠিন যাদু কিংবা যত শক্তিশালী জ্বিন দ্বারা'ই আক্রান্ত হোন না কেন, হিম্মত করে দৈনিক একবার অথবা তিনদিনে একবার সূরা বাকারা তেলাওয়াত করার অভ্যাস করতে পারলে আপনার সুস্থতা খুবই নিকটে ইনশাআল্লাহ্।

হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, "তোমরা সুরা বাকারা তিলাওয়াত করো, কেননা তা গ্রহণ করা বরকতের কাজ এবং পরিত্যাগ করা আফসোসের কাজ, আর জাদুকরেরা এর মুকাবিলা করতে পারবে না।"

¤ সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- ৮০৪।

যারা নিয়মিত সুরা বাকারা পড়ার হিম্মত করবেন, তাদের জন্য আরো কিছু পরামর্শ,

১) ৫ থেকে ১০ লিটার সাইজের একটি পানির পাত্রে পানি নিন। প্রতিদিন সুরা বাকারা তিলাওয়াতের পরে উক্ত পানিতে ফুঁ দিন। অতঃপর সারাদিনে আপনার যতবার পিপাসা নিবারণের প্রয়োজন হবে, প্রত্যেকবারই আপনি উক্ত পড়া পানি থেকে পানি পান করুন।

২) প্রতিদিনের গোসলের জন্য পরিমাণ মতো পানি নিন। প্রতিদিন সুরা বাকারা তিলাওয়াতের পরে সেই গোসলের পানিতে ফুঁ দিন ঢেকে রাখুন। তারপর গোসলের সময় ৭,১৯,২১,২৫ বা আরো বেশী সংখ্যক বরই পাতা চটকে গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করুন।

৩) এক লিটার পরিমাণ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল নিন, প্রতিদিন সুরা বাকারা তিলাওয়াতের পরে তাতে ফুঁ দিয়ে রাখুন এবং প্রতিদিন সকালে খালি পেটে সেখান থেকে এক চামচ পান করুন এবং প্রতিদিন একবার পুরো শরীরে ব্যবহার করুন।

৪) হাফ কেজি পরিমাণ খাঁটি মধু নিন। প্রতিদিন সুরা বাকারা তিলাওয়াতের পরে মধুতে ফুঁ দিয়ে রাখুন। সেখান থেকে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ পরিমাণ মধু খেয়ে নিবেন।

৫) ৫০ থেকে ১০০ গ্রামের মতো কালোজিরা ধুয়ে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। প্রতিদিন সুরা বাকারা তিলাওয়াতের পরে কালোজিরাতে ফুঁ দিয়ে রাখুন। তারপর সেখান থেকে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ এর তিন ভাগের একভাগ বা আরো বেশি পরিমাণ কালোজিরা চিবিয়ে খেয়ে নিবেন।

🔰 বিঃদ্রঃ
➖➖➖
১. খাবার জন্য ফিল্টার পানি নিতে হবে। নতুবা দীর্ঘদিন রাখতে গেলে পানিতে শ্যাওলা জমে গন্ধ হয়ে যাবে।

২. বাকারা তিলাওয়াতের আগে, পানি পান, গোসল, অলিভ অয়েল খাওয়া ও ব্যবহার, মধু এবং কালোজিরা খাওয়ার আগে জ্বিন ও যাদু ধ্বংসের এবং সুস্থতার নিয়াত করে নিবেন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider
Raqi & Ruqyah Consultant,
RuqyahTreatment.

📞 01677-440419
➖➖➖➖➖➖➖

08/08/2026

পরিবারের সদস্যদের অলসতায় ভুগা, ঘুম ঘুম ভাব, হঠাৎ হঠাৎ ঘরে সুঘ্রাণ অথবা দুর্গন্ধ পাওয়া, এগুলো হচ্ছে ঘরে থাকা মারাত্মক যাদু, বদনজর ও হাসাদের লক্ষন।

Raqi Kamrul Haider
➖➖➖➖➖➖➖

06/08/2026

শয়তানের সবচেয়ে বড় চক্রান্ত
কি জানেন❓
হারাম ও নিষিদ্ধ বিষয় ও বস্তুগুলোকে আমাদের সামনে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করা❗

06/08/2026

অধিকাংশ পারিবারিক সমস্যার মূল কারন হচ্ছে যাদু। শত্রু থেকে আপন মানুষরা'ই বেশি যাদু করে থাকে।

❝বদনজর একটি স্লো পয়জন❞বদনজর আপনার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা থেকে শুরু করে পারিবারিক, আর্থিক, সামাজিক, বিয়ে বন্ধ, সন্তা...
05/08/2026

❝বদনজর একটি স্লো পয়জন❞

বদনজর আপনার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা থেকে শুরু করে পারিবারিক, আর্থিক, সামাজিক, বিয়ে বন্ধ, সন্তান গর্ভে না আসা, সন্তান গর্ভে নষ্ট হয়ে যাওয়া বা বাচ্চা প্রতিবন্ধী হওয়া সহ যেকোন কিছুকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। হাদীসে এসেছে বদনজর মানুষকে কবরে পৌঁছে দেয়। আর তাকদীরকে ছাড়িয়ে যায় এমন কিছু থাকলে তা হলো বদনজর।

বদনজর থেকে বেঁচে থাকতে রুকইয়াহ করুন। নিয়মিত নিরাপত্তার মাসনুন আমলগুলো স্থায়ীভাবে করুন। সকল ক্ষেত্রে মাশা'আল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ্, বারাকাল্লাহ্ বলার অভ্যাস করুন। সোস্যাল মিডিয়া সহ জরুরী প্রয়োজন ব্যতিত সকল ক্ষেত্রে ছবি আপলোড/ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

মহান রাব্বুল আল আমিন আমাদের সবাইকে বদনজর এর অনিষ্ট থেকে হেফাজতে রাখুন, আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider
Raqi & Ruqyah Consultant,
RuqyahTreatment.

📞 01677-440419
➖➖➖➖➖➖➖

যারা অধিক পরিমানে ওসিডি বা ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত তাদের জন্য খুবই উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। ওয়াস ওয়াসা এবং ওয়াস ও...
03/08/2026

যারা অধিক পরিমানে ওসিডি বা ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত তাদের জন্য খুবই উপকারী ও গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। ওয়াস ওয়াসা এবং ওয়াস ওয়াসার সাথে নিয়োজিত খাদেম শায়াত্বিন ধ্বংসের নিয়তে দৈনিক অন্তত একবার করে আমলটি করলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ্ তা'য়ালা আপনাকে সমস্ত প্রকার ওয়াস ওয়াসা থেকে হেফাজত করে সুস্থতা দান করবেন।

১) দুরূদে ইব্রাহীম, ১১ বার।
২) সুরা ফাতিহা, ৩ বার।
৩) সুরা কাফিরুন, ৭ বার।
৪) সুরা ফালাক ৭ বার পড়ে সুরা ফালাকের ২ নং আয়াত ১০০ বার পড়বেন।
৫) সুরা নাস ৭ বার পড়ে সুরা নাসের ৪ ও ৫ আয়াত ১০০ বার পড়বেন।
৬) দুরুদে ইব্রাহীম ৩ বার।

এই আমলটি ইনশাআল্লাহ্ ৭/১১/১৯/২১ দিন চালিয়ে যান এবং সম্ভব হলে একজন রাক্বীর পরামর্শ গ্রহণ করে ওয়াস ওয়াসার সঠিক কারন নির্ণয় করে রুকইয়াহ করুন। তাহলে ইনশাআল্লাহ্ সমস্যা থাকবে না।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

ব্ল্যাক ম্যাজিক বা যাদু আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ সমূহ।১. চোখের অবস্থা অস্বাভাবিক বা অসুন্দর লাগা।২. কোন কারণ ছাড়াই শরীর গরম ...
01/08/2026

ব্ল্যাক ম্যাজিক বা যাদু আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ সমূহ।

১. চোখের অবস্থা অস্বাভাবিক বা অসুন্দর লাগা।
২. কোন কারণ ছাড়াই শরীর গরম থাকা। প্রায় সময়ই শরীরে জ্বরজ্বর ভাব থাকা।
৩. ভুলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়া। অর্থাৎ দিন দিন স্বরনশক্তি কমতে থাকা।
৪. ব্যাকপেইন হওয়া। বিশেষ করে ঘাড়ে, পিঠের উপরের অংশে ও মেরুদণ্ডের নিচের দিকে ব্যথা করা।
৫. খাবারে অরুচি, ক্ষুধা কমে যাওয়া, সর্বদা পেট ভরাভরা অনুভব করা।
৬. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, ঔষুধে কাজ না করা।
৭. পেটে বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকা। প্রায় সময় পেট ব্যথা করা।
৮. পেটে কোনো সমস্যা বা অসুখ আছে এমনটা মনে হওয়া কিন্তু মেডিকেল টেস্টে ধরা পড়ে না।
৯. প্রায় সময়ই বমিবমি ভাব বা বমি হওয়া।
১০. মহিলাদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত মাসিক বা ঋতুস্রাবে অস্বাভাবিকতা (কম/বেশি, প্রচন্ড যন্ত্রণা ইত্যাদি) এবং ইউরিন ইনফেকশন।
১১. পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্রাবে জালাপোড়া ও ইনফেকশন।
১২. দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেও কোনো রোগ ভালো না হওয়া।
১৩. তীব্র মাথা ব্যথা, মাথা ভারী হয়ে থাকা, মাথায় প্রচন্ড উত্তাপ অনুভব করা। ঔষধ খেয়েও তেমন লাভ হয় না।
১৪. হঠাৎ করে কারো প্রতি তীব্র ঘৃণা বা তীব্র ভালো লাগা অনুভব হওয়া।
১৫. স্বামী/স্ত্রী, পরিবার, বাসা, সমাজের প্রতি তীব্র বিতৃষ্ণা লাগা।
১৬. বিকেলে বা সন্ধ্যার দিকে অথবা বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচন্ড বিষন্নতা ও অস্বস্তিতে ভুগা অথবা মেজাজ খারাপ থাকা।
১৭. একা একা অন্ধকারে থাকতে পছন্দ করা ও কান্নাকাটি করা।
১৮. প্রচন্ডভাবে ওয়াসওয়াসা বেড়ে যাওয়া।
১৯. ইবাদত বন্দেগীতে প্রচন্ড অনীহা, অনিয়ম ও অস্বস্তি।
২০. ইবাদত বন্দেগীতে সমস্যার বৃদ্ধি।
২১. কোন কারণ ছাড়াই বাড়ি থেকে দৌড় দিয়ে বের হয়ে যেতে ইচ্ছে হওয়া।
২২. শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা। বিশেষ করে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা হওয়া।
২৩. শরীরে (ঘামে) পোড়া-পোড়া গন্ধ।
২৪. ঠিকমত ঘুমাতে না পারা।
২৫. ঘুমালে ভয়ংকর ভয়ঙ্কর বা নোংরা স্বপ্ন দেখা।
২৬. প্রায় স্বপ্নে কোনো কিছু খাওয়া।
২৭. স্বপ্নে কোনো কিছুকে ধাওয়া করতে দেখা অর্থাৎ কোনো গাড়ী বা হিংস্র প্রাণিকে আক্রমণ করতে বা ধাওয়া করতে দেখা। যেমনঃ কুকুর, বিড়াল, গরু, মহিষ, বাঘ, সিংহ, সাপ।
২৮. স্বপ্নে বারবার নিজেকে কোন ফাঁকা বাড়ি, নির্জন স্থান, মরুভূমি বা গোরস্থানে একা একা হাঁটাচলা করতে দেখা।
২৯. স্বপ্নে বিভিন্ন যায়গায় পানি দেখা, যেমনঃ সাগর, নদী, পুকুর, ইত্যাদি।
৩০. স্বপ্নে নিজেকে পুকুর, খাল, নদী, সমুদ্র ইত্যাদিতে নামতে দেখা।
৩১.স্বপ্নে ঘনঘন কোথাও আগুন জ্বলতে বা কিছু পুড়তে দেখা।
৩২. স্বপ্নে নিজেকে উড়তে দেখা বা কোন পাখি অথবা বড় বড় গাছ দেখা,

৩৩. পরীক্ষা বা ইন্টারভিউতে বাঁধা-বিপত্তি টাইপ সপ্ন দেখা, ইত্যাদি।

💥 বিঃদ্রঃ
➖➖➖
১) উপরে উল্লিখিত ২/৩ টি লক্ষণ স্বাভাবিক ভাবেও মিলে যেতে পারে, ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু যদি কারো ৪/৫ টি বা আরো বেশি লক্ষণ মিলে যায় তাহলে অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে সতর্ক হোন। পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আগেই অতিদ্রুত একজন রাক্বীর (রুকইয়াহ চিকিৎসক) পরামর্শ নিন এবং রাক্বীর পরামর্শে রুকইয়াহ ও হিজামা চিকিৎসা শুরু করুন।

২) যাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিকে আক্রান্ত হলে বদনজর, হাসাদ ও জ্বিন আক্রান্তের কমন লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখতে হবে। কারন যাদু আক্রান্ত ব্যক্তির বদনজর, হাসাদ, ওয়াস-ওয়াসা ও জ্বিনের সমস্যা থাকবেই।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider
RuqyahTreatment.

📞 01677-440419
➖➖➖➖➖➖➖

জ্বিন ও যাদুগ্রস্ত পেশেন্টরা শায়াত্বিন এর কারনে 'ঘুম' নামক নেয়ামত হতে বঞ্চিত হয়ে থাকে। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা...
31/07/2026

জ্বিন ও যাদুগ্রস্ত পেশেন্টরা শায়াত্বিন এর কারনে 'ঘুম' নামক নেয়ামত হতে বঞ্চিত হয়ে থাকে। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা মানুষকে যত ধরনের নেয়ামত দান করেছেন ঘুম বা নিদ্রা তার মধ্যে এক শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। আল্লাহ্ তা'য়ালা কুরআনুল কারিম এ বলেন,

وَّجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَا تًا

"আর তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রামদায়ী।"

¤ সুরা আন নাবা, আয়াতঃ ৯।

🔰 ঘুম হবার জন্য সংক্ষিপ্ত রুকইয়াহ সাজেশনঃ

১) ঘুমের দুয়া, ১০০ বার, (আল্লহুম্মা-বিসমিকা-আমুতু-ওয়া-হিয়া)।
২) সুরা ক্বাহাফ এর ১১নং আয়াত, ৭বার।
৩) সুরা ত্ব-হা এর ১০৮নং আয়াত, ৭ বার।
৪) সুরা নাবা এর ৯নং আয়াত ৭ বার।
(আগে ও পরে কয়েকবার দুরূদ পড়ে নিবেন।)

🌀 উপরে উল্লিখিত সবগুলা পড়ে শিফার নিয়াতে পানিতে ফুঁ দিয়ে পানি পান করবেন, তেলে ফুঁ দিয়ে মাথায় তেল দিবেন। এগুলো ঘুমের আগে করবেন।

🌀 আপনি চাইলে সপ্তাহ/মাসের জন্য বেশি করে পানি/তেল তৈরী করে নিতে পারেন এবং ঘুমের আগে ব্যবহার করতে পারবেন।

🌀 ঘুমানোর পুর্বে ঘুমের মাসনূন আমলগুলো অবশ্যই করবেন এবং সূরা নাবার ৯ নাম্বার আয়াত পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়বেন। ইনশাআল্লাহ কিছু দিনের মধ্যে ঘুমের সমস্যা আর থাকবে না।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider

01677-440419
➖➖➖➖➖

বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার পর নিচে বর্ণিত সঠিক পদ্ধতিতে নিজের, নিজের পরিবারের এবং অন্যের ঝাড়-ফুঁক করুন।🔰 ঝাড়-ফুঁকের সঠিক নিয়ম...
30/07/2026

বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার পর নিচে বর্ণিত সঠিক পদ্ধতিতে নিজের, নিজের পরিবারের এবং অন্যের ঝাড়-ফুঁক করুন।

🔰 ঝাড়-ফুঁকের সঠিক নিয়মঃ

ঝাড়-ফুঁককারী ব্যক্তি রোগীর ব্যথার স্থানে ঝাড়বেন বা হাত দিয়ে রোগীকে মাসেহ্ করবেন অথবা পানি ও অনুরূপ তরল পদার্থ দ্বারা রোগীকে মালিশ করে দেবেন কিংবা ঝাড়-ফুঁকের পর রোগীর শরীরে এমনভাবে থুথু দেবেন যেন হালকাভাবে থুথুর কিছু ক্ষুদ্র কণা বের হয় মাত্র, মুখভর্তি থুতু উদ্দেশ্য নয় অথবা শুধু ফুঁ দেওয়াই যথেষ্ট।

💎 দু‘আ নং- ০১,

যখন কেউ অন্যকে ঝাড়-ফুঁক করবেন, তখন এটি বলবেন (তিন বার) ও ঝাড়-ফুঁক করবেন।

بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَىْءٍ يُؤْذِيْكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اَللّٰهُ يَشْفِيْكَ بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِيْكَ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি আরক্বী-কা, মিন কুল্লি শাইয়িন য়ুঅ্-যীকা, মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও ‘আইনি হা-সিদিন, আল্লাহু ইয়াশফী-কা বিসমিল্লাহি আরক্বী-কা।

অর্থঃ আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি, সেসব বিষয় থেকে, যা আপনাকে কষ্ট দেয়, সকল প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদ নজর থেকে, আল্লাহ আপনাকে শিফা দিন, আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি।

আর যখন নিজের ঝাড়-ফুঁক নিজে করবেন, তখন বলবেন,

بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِينِيْ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْنِيْ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اَللّٰهُ يَشْفِيْنِيْ بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِيْنِيْ

বিসমিল্লাহি আরক্বী-নী, মিন কুল্লি শাইয়িন য়ুঅ্-যীনী, মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও ‘আইনি হা-সিদিন, আল্লাহু ইয়াশফী-নী বিসমিল্লাহি আরক্বী-নী।

জিব্রাইল (আঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই বাক্যগুলো দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করেছিলেন।

¤ সহিহ মুসলিম,হাদিস নং-২১৮৬।

💎 দু‘আ নং- ০২,

অন্যকে ঝাড়-ফুঁক করলে, এটি ৩ বার বলবেন এবং তার ঝাড়-ফুঁক করবেন।

أُعِيْذُكَ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ

উচ্চারণঃ উ‘ই-যুকা বিকালিমা তিল্লা-হিত তা-ম্মাহ, মিন কুল্লি শায়ত্ব-নিন ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিন লা-ম্মাহ।

অর্থঃ আমি তোমাকে আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয়ে রাখছি প্রত্যেক শয়তান হতে, কষ্টদায়ক বস্তু হতে এবং প্রত্যেক হিংসুটে নজর হতে।

আর যখন এই বাক্যগুলো দিয়ে নিজের ঝাড়-ফুঁক নিজে করবেন, তখন কেবল প্রথম শব্দ (উইযুকা) এর বদলে (আউযু) পড়বেন। বাকি অংশ হুবহু থাকবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রিয় নাতিদ্বয় হাসান ও হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) কে এই বাক্যগুলো দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করতেন।

¤ সহিহ বুখারি, হাদিস নং-৩৩৭১।

💎 দু‘আ নং- ০৩,

অন্যকে ঝাড়-ফুঁক করলে, এটি বলবেন এবং ঝাড়-ফুঁক করবেন (৩ বার)।

بِسْمِ اللّٰهِ يُبْرِيْكَ وَمِنْ كُلِّ دَاءٍ يَشْفِيْكَ، ومِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ، وَشَرِّ كُلِّ ذِيْ عَيْنٍ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি য়ুবরী-কা ওয়া মিন কুল্লি দা-ইন ইয়াশফী-কা, ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ, ওয়া শাররি কুল্লি যী ‘আইন।

অর্থঃ আল্লাহর নামে শুরু করছি, তিনি তোমাকে মুক্ত করুন, প্রত্যেক অসুখ থেকে আরোগ্য দান করুন, প্রত্যেক হিংসুকের হিংসা থেকে এবং প্রত্যেক বদ নজর থেকে (মুক্ত করুন)।

আর যখন নিজের ঝাড়-ফুঁক নিজে করবেন, তখন এভাবে বলবেন,

بِسْمِ اللّٰهِ يُبْرِيْنِيْ وَمِنْ كُلِّ دَاءٍ يَشْفِيْنِيْ، ومِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ، وَشَرِّ كُلِّ ذِيْ عَيْنٍ

বিসমিল্লাহি য়ুবরী-নী ওয়া মিন কুল্লি দা-ইন ইয়াশফী-নী, ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ, ওয়া শাররি কুল্লি যী ‘আইনিন।

¤ সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২১৮৫।

💎 দু‘আ নং- ০৪,

অন্যকে ঝাড়-ফুঁক করলে, এটি বলবেন এবং তার ঝাড়-ফুঁক করবেন (৩ বার)।

اَللّٰهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبْ الْبَاْسَ، اشْفِهِ وَأَنْتَ الشَّافِيْ لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা রাব্বান না-স, আযহিবিল বাস, ইশফিহি, ওয়া আনতাশ শা-ফী। লা শিফা-আ ইল্লা শিফা-উক, শিফা-আন লা য়ুগা-দিরু সাক্বামা।

অর্থঃ হে আল্লাহ, মানুষের রব! (তার) কষ্ট দূর করে দাও। তাকে সুস্থ করে দাও, কেবল তুমিই রোগমুক্তির মালিক। তোমার শেফা (রোগমুক্তি) ব্যতীত আর কোন শেফা নেই। তুমি এমন সুস্থ করে দাও, যেন কোনো রোগ না থাকে।

আর যখন এই বাক্যগুলো দিয়ে নিজের ঝাড়-ফুঁক নিজে করবেন, তখন কেবল ‘ইশফিহি’-এর বদলে ‘ইশফি’ পড়বেন। বাকি অংশ হুবহু থাকবে।

¤ বুখারিঃ ৫৬৭৫, মুসলিমঃ ২১৯১।

💎 দু‘আ নং- ০৫,

অন্যকে ঝাড়-ফুঁক করলে, এটি ৩ বার বলবেন এবং ঝাড়-ফুঁক করবেন।

أُعِيْذُكَ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ وَأَنْ يَحْضُرُوْنِ

উচ্চারণঃ আ‘উযুবি কালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি, মিন গাদ্বাবিহি, ওয়া ‘ইক্বা-বিহি, ওয়া শাররি ‘ইবা-দিহি, ওয়া মিন হামাযা-তিশ শায়া-ত্বীনি, ওয়া আন ইয়াহদ্বুরুন।

অর্থঃ আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাক্যসমূহ দ্বারা আশ্রয় চাই, তাঁর রাগ ও শাস্তি থেকে, তাঁর বান্দাদের অনিষ্ট থেকে, শয়তানদের উসকানি থেকে এবং আমার কাছে তাদের (শয়তানদের) উপস্থিতি থেকে।

আর যখন এই বাক্যগুলো দিয়ে নিজের ঝাড়-ফুঁক নিজে করবেন, তখন কেবল প্রথম শব্দ (উইযুকা) এর বদলে (আউযু) পড়বেন। বাকি অংশ হুবহু থাকবে।

বদ নজরের পাশাপাশি, বিশেষত ঘুমের মধ্যে জ্বিন কাউকে সমস্যা করলে এটি পড়া উচিত।

¤ তিরমিযি, আস-সুনানঃ ৩৫২৮, হাদিসটি হাসান।

💎 দু‘আ নং- ০৬,

অন্যকে ঝাড়-ফুঁক করলে এটি ৭ বার বলবেন এবং ঝাড়-ফুঁক করবেন।

أَسْأَلُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ، رَبَّ الْعَرْشِ العَظِيْمِ، أَنْ يَشْفِيَكَ

উচ্চারণঃ আস-আলুল্লাহাল আযীম, রাব্বাল আরশিল আযীম, আঁই ইয়াশফিয়াক।

অর্থঃ আমি সুমহান আল্লাহ, মহান আরশের রবের নিকট তোমার আরোগ্য প্রার্থনা করছি।

আর যখন এই বাক্যগুলো যখন নিজে পড়বেন, তখন শেষ শব্দ ‘ইয়াশফিয়াক’-এর বদলে ‘ইয়াশফিনী’ পড়বে। বাকি অংশ হুবহু থাকবে।

¤ আবু দাউদ, আস-সুনানঃ ৩১০৬, তিরমিযি, আস-সুনানঃ ৩০৮৩, হাদিসটি সহিহ।

💎 দু‘আ নং- ০৭,

এই আমলটি নিজেই করবেন। শরীরের যে স্থানে ব্যথা অনুভব হয় সেখানে হাত রেখে প্রথমে তিনবার بِسْمِ اللّٰهِ (বিসমিল্লাহ) পড়বেন।

এরপর ৭ বার পড়বে,

اَعُوْذُ بِاللّٰهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ

উচ্চারণঃ আ‘উযু বিল্লা-হি ওয়া ক্বুদরাতিহী মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহা-যিরু।

অর্থঃ যে ব্যথা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি, তা থেকে আমি আল্লাহ্‌ এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

¤ সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২২০২।

💎 দু‘আ নং-০৮,

অন্যকে ঝাড়-ফুঁক করলে এটি ৩ বার বলবেন এবং ঝাড়-ফুঁক করবেন।

أُعِيْذُكَ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণঃ উ‘ইযুকা বিকালিমা তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্ব।

অর্থঃ আমি তোমাকে আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয়ে রাখছি, তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে।

কেউ নিজের ঝাড়-ফুঁক নিজে করলে শুরুতে ‘উ‘ইযুকা’ এর স্থানে ‘আ‘উযু’ পড়বেন। বাকি অংশ হুবহু পড়বে।

¤ সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২১৯১।

🌀 এছাড়াও যা করবেনঃ

তিন বা ততোধিক বার সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারার শেষ তিন বা দুই আয়াত, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পরে ফুঁ দেবেন এবং ডান হাত দিয়ে ব্যথার জায়গা মুছে দেবেন।

¤ ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি।

উপরোল্লিখ সবগুলো দোয়া, আয়াত ও সুরা পড়ে গোসলের পানিতে ফু দিয়ে গোসল করবেন।

💥 বিঃদ্রঃ আরবী উচ্চারণের ক্ষেত্রে আরবীর সঠিক বাংলা উচ্চারণ লিখা সম্ভব না এবং তা সহিহ্ হয় না। তাই আরবী দেখে পড়তে চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ্।

মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আমাদের সঠিকভাবে আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন এবং বদনজরের অনিষ্ট থেকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুন, আমীন।

Raqi Kamrul Haider
Raqi Kamrul Haider
Raqi & Ruqyah Consultant,
RuqyahTreatment.

01677-440419
➖➖➖➖➖

30/07/2026

অতিরিক্ত হাই তোলা, দূর্বলতা, ঘুম ঘুম ভাব, অলসতা কাজ করা বদনজর ও হাসাদ এর লক্ষণ।

Address

নামাপাড়া, খিলক্ষেত।
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801688309115

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RuqyahTreatment. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RuqyahTreatment.:

Shortcuts

Share