NoorQissa Studio

NoorQissa Studio Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from NoorQissa Studio, Medical and health, Dhaka.
(2)

আসসালামু আলাইকুম,স্বাগতম NoorQissa Studio-তে যেখানে গল্পের মাধ্যমে আমরা ছড়াই আলোর বার্তা।”
TikTok লিংক👉 https://www.tiktok.com/.qissastudio26?_r=1&_t=ZS-96zXkNl3F7k
YouTube লিংক 👉https://www.youtube.com/👉.https://www.instagram.

Jumma mubarak 📩
07/08/2026

Jumma mubarak 📩

05/08/2026

Buffet Diner 😋

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! H M Sadikul, Tina Paik
05/08/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! H M Sadikul, Tina Paik

আকাশের রঙ বদলায়, পথ বদলায়, সময়ও বদলায়।তবুও যে মানুষ স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে এগিয়ে চলে, তার গন্তব্য একদিন ঠিকই সুন্দর হয়।...
04/08/2026

আকাশের রঙ বদলায়, পথ বদলায়, সময়ও বদলায়।
তবুও যে মানুষ স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে এগিয়ে চলে, তার গন্তব্য একদিন ঠিকই সুন্দর হয়। 🌤️🛣️✨

Good Morning.... 😋
03/08/2026

Good Morning.... 😋

মহান আল্লাহ তায়ালা 👇
01/08/2026

মহান আল্লাহ তায়ালা 👇

🔻 পর্ব - ১৫আলির আম্মু - আয়েশা এভাবে বিভিন্ন কথার মাধ্যমে আমাকে তার দিকে মোটিভেট করার চেষ্টা করে। আমার এই সংসারটি ভাঙার জ...
30/07/2026

🔻 পর্ব - ১৫

আলির আম্মু - আয়েশা এভাবে বিভিন্ন কথার মাধ্যমে আমাকে তার দিকে মোটিভেট করার চেষ্টা করে। আমার এই সংসারটি ভাঙার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। বিভিন্নভাবে আমাকে তার মায়ায়, তার ভালোবাসায় নতুন করে জড়ানোর চেষ্টা করেছে। তার এই নোংরামো চেষ্টা আমি সফল হতে দেইনি।

এবং আমার ওস্তাদ-মুরব্বিদের সাথে পরামর্শ করে, সব পরিস্থিতি বুঝে আমি আয়েশাকে বললাম, "তুমি অন্য কোথাও বিয়ে করে নাও। আয়েশা, তুমি অনেক লেট করে ফেলেছ। আমাদের ডিভোর্সের আগে তোমাকে আমি প্রায় বছর খানিক সময় অনেক বুঝিয়েছি। তখন যদি তোমার প্রেমিকের কথা না শুনে আমার কথা শুনতে, তাহলে আজ এ পরিণতি দেখতে হতো না।"

ডিভোর্সের প্রায় দুই বছর পর আমি অন্য জায়গায় বিয়ে করি। ডিভোর্সের দুই বছর পর পর্যন্তও তোমাকে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তুমি তখনও বুঝনি, নিজেকে শুধরাওনি। আমাকে তুমি অনেক কষ্ট দিয়েছ, অনেক কাঁদিয়েছ। নিজের দোষ ঢাকতে গিয়ে মানুষের কাছে মিথ্যাচার করে আমার নামে অনেক বদনাম প্রচার করেছ।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, তোমার এই অপকর্মের কারণে আমার ছোট্ট সন্তান আলী-উসামার ভবিষ্যৎকে তুমি ভিন্ন দিকে ঠেলে দিয়েছ। তারপরও তুমি ক্ষান্ত হওনি। আমার সন্তানকে আমার থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছ, আমার আদর থেকে তাকে বঞ্চিত করেছ।

প্লিজ, আমাকে আর এই বিষয় নিয়ে ডিস্টার্ব করো না। আমাকে আর নক দিও না।

আমি সব জায়গা থেকে আয়েশাকে ব্লক করে দেই। পরে আমি আর আমার সাথে যোগাযোগ করার কোনো সুযোগ দেইনি।

👨‍👩‍👧‍👦 সকল অডিয়েন্সকে উদ্দেশ্য করে কিছু প্রশ্ন :

আপনাদের ভাই, অথবা আপনাদের পরিবারের কোনো সদস্য যদি আমার মতো এমন পরিস্থিতিতে পড়তেন, তাহলে আপনারা কী করতেন?

ওই মেয়েকে কী করতেন? যে মেয়ে বিয়ের আগ থেকেই হারাম রিলেশনে জড়িত। যার সাথে প্রেম করেছে, তাকেই বিয়ে করলেই প্রবলেম ছিল না। প্রেম করলো একজনের সাথে, বিয়ে বসলো আমার কাছে। আবার বিয়ের পর তার সেই প্রেমলীলা চালিয়ে গেল, আমাকে হাজারো কষ্ট দিল। প্রেগনেন্ট হলো, তাও নিজেকে শুধরালো না। সন্তান জন্মগ্রহণের পরেও তার মধ্যে তার ভুলের সামান্যতম অনুশোচনাও হলো না।

যাকে মৌখিকভাবে তালাক দিয়েছিলাম শোধরাবে বলে, নিজেকে শুধরানো তো দূরের কথা, সে ফেসবুকে পোস্ট করে লিখলো, "আজ থেকে আমি মুক্ত।"

নেয়ামতউল্লাহ নামের সেই ছেলেটির সাথে অবৈধ সম্পর্ক করে আমার সংসারটাকে নষ্ট দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছিলাম।
ডিভোর্সের পর সে আমাকে আবার আমার সন্তান থেকে দূরে রেখে, সন্তানকে না দেখতে দিয়ে, আমার আদর থেকে বঞ্চিত করে আবার আমার হৃদয়টাকে ক্ষতবিক্ষত করেছে।

আলির আম্মু - আয়েশা এত কিছুর পরেও ক্ষান্ত হয়নি। সে আমার এই সংসারে, আমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য যেভাবে আমাকে তার মায়ার জালে নতুনভাবে জড়ানোর ট্রাই করেছে, যেখানে আমার দুটি ফুটফুটে সন্তান রয়েছে, এ সংসারটাকে নষ্ট করার জন্য কতই কিছু না করেছে।

পর্ব ১ থেকে ১৫ পর্ব পর্যন্ত সব ঘটনাই আপনাদের কাছে উল্লেখ করলাম। এখন বলুন, এরকম মেয়েকে কী করা উচিত? এ প্রশ্নের উত্তর আপনাদের কাছে আমি চাই।

👨‍👩‍👧‍👦 অডিয়েন্সের মধ্যে অনেকেই এই কথা বলবেন যে, এতক্ষণ আপনি যে ঘটনাগুলো বললেন এবং আয়েশার প্রতি যে অভিযোগগুলো দায়ের করলেন, তার সত্যতা কতটুকু? প্রতিটা কথা ১০০% সত্য।

১/ আলির আম্মু - আয়েশা মাদ্রাসার হুজুর ইসমাইলের সাথে অনৈতিক প্রেমের সম্পর্কে জড়িত হওয়ার কারণে, দুজনকেই মাদ্রাসাতুস সাহাবা থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার সাক্ষী আয়েশার অনেক ক্লাসমেট আছেন এবং মাদ্রাসার বড় খালামণি, যিনি নিজ হাতে বিচার করেছেন। তার কাছ থেকেও সত্যটা যাচাই করতে পারবেন।

২/ বিয়ের আগ থেকে নেয়ামতউল্লাহ নামের যে ছেলের সাথে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যার কারণে আমার সংসারটা নষ্ট হয়ে গেল, এই ঘটনার সত্যতার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। তার সাথে মেসেজিংয়ের স্ক্রিনশট, আয়েশার মুখ খুলে তাকে ছবি পাঠানোর স্ক্রিনশট এবং ভিডিও—সব প্রমাণ আমার ল্যাপটপে বিদ্যমান আছে।

৩/ আমি আলির আম্মু - আয়েশাকে ডিভোর্স দেওয়ার পর আবার যেখানে বিয়ে করেছি। নতুন করে সে সংসারটি নষ্ট করার জন্য যা যা কর্মকাণ্ড সে করেছে, সেগুলোর ছবি, স্ক্রিনশট এবং আরও অনেক কিছুই আমার কাছে রয়েছে।
সময় হলে, যদি এমন পরিস্থিতি হয়, অবশ্যই সেগুলো প্রকাশ করব।

আলির আম্মু - আয়েশার এখন দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে। সবাই সেটা জানেন। এখানে আরও একটি প্রমাণ দিয়ে দেই।
আমি পর্ব - ৮ এ বলেছিলাম, আয়েশার মা আমাকে বলেছিল, "আমার মেয়ে সংসার করবে আমার বাসায় থেকে। তুমি ঘর ভাড়া এবং আয়েশার ভরণপোষণের খরচ দিবা। এভাবে যদি সংসার করতে চাও, তাহলে করবে।" আমি সেটা মানিনি।
সে ঘটনার কথা গুলো আপনাদের মনে আছে অবশ্যই।

এখন আলির আম্মু- আয়েশা যে দ্বিতীয় বিয়ে বসেছে, এই ছেলে আগে থেকেই বিবাহিত। এই ছেলেকে শর্ত দিয়েছে,আয়েশা বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি যাবে না। তার নিজের বাসায় থেকেই সে সংসার করবে। এই ছেলে সেই শর্ত মেনে নিয়ে এভাবেই সংসার করছে।

এ কথার সত্যতা হচ্ছে, আয়েশার দ্বিতীয় বিয়ের পর আলীকে আমাদের কাছে পুরোপুরি নিয়ে আসার জন্য আমার আব্বু আয়েশার বাবার কাছে ফোন দিয়েছিলেন। তখন আয়েশার বাবা ছেলে সম্পর্কে এ সংবাদ দেন এবং বলেন, "আলী এখন ছোট। মা ছাড়া থাকতে পারে না, কান্নাকাটি করে। কিছুদিন পর আপনাদের নাতি আপনাদের কাছে চলে যাবে।"

ঘটনার সমাপ্তি কিন্তু এখনো হয়নি।
আলির আম্মু - আয়েশার এমন কিছু তথ্য, যা তার দ্বিতীয় বিয়ের দুই মাস আগের ঘটনা। থাক, এখন আর বলব না। তার দ্বিতীয় সংসারিক জীবনে প্রবলেম হতে পারে, তাই আমি প্রকাশ করতে চাচ্ছি না। প্রকাশ করা অথবা না করা—সেটা সম্পূর্ণ আয়েশার হাতে। সে যদি এভাবে মিথ্যাচার চালিয়ে যায়, অবশ্যই সেটা প্রকাশ করতে বাধ্য হব।

আলির আম্মুর দ্বিতীয় বৈবাহিক জীবন নিয়ে ভালো থাকুক—সেটাই আমি চাই। আমার সন্তান আলীকে আমাকে দিয়ে দিক, সেটাই আমার চাওয়া।

এখন আমি আমার সাংসারিক জীবন নিয়ে, নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিয়ে অনেক ভালো আছি। আলহামদুলিল্লাহ
সবার কাছে দোয়া দরখাস্ত, আল্লাহ হাফেজ

পুরো গল্পটি পড়ে আপনাদের কাছে কেমন অনুভূতি হল আমাদের কমেন্ট সেকশনে জানাবেন 👇 #মাজলুম_আলীর_বাবার_জীবন_কাহিনী
#শেষ_পর্ব
#বাংলা_গল্প
#ডিভোর্স_জীবনের_সংগ্রাম

🔻পর্ব - ১৪আলির আম্মু—আয়েশার বড় ভাই মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলার পর, আয়েশার বড় ভাই এবং আয়েশার বাবা আমার আব্বুর সঙ্গ...
29/07/2026

🔻পর্ব - ১৪

আলির আম্মু—আয়েশার বড় ভাই মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলার পর, আয়েশার বড় ভাই এবং আয়েশার বাবা আমার আব্বুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। কিন্তু আমার আব্বু কোনোভাবেই রাজি নন। কারণ, আয়েশার অবৈধ সম্পর্কের কারণে অনেক কিছুই ঘটে গিয়েছিল, যার বিস্তারিত আমি পূর্বের পর্বগুলোতে আলোচনা করেছি। এছাড়াও, মানুষের কাছে আমাদের সম্পর্কে মিথ্যা গীবত, অপবাদ ও অভিযোগ করে সে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের অসম্মান করেছে। এমনকি, আমার সন্তানকে আমার স্নেহ-ভালোবাসা থেকেও বঞ্চিত করেছে।

এত কিছু ঘটে যাওয়ার পর, এত বছর পেরিয়ে আবার সেই একই প্রস্তাব! আমাদের পুরো পরিবারই আয়েশার কর্মকাণ্ডে চরম বিরক্ত ছিল। তাই আমার বাবা, মা, ভাই, বোন—কেউই এই প্রস্তাবে রাজি হননি। বরং আমার আব্বু অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলে দিয়েছিলেন, এই প্রস্তাব নিয়ে যেন ভবিষ্যতে আমাকে কিংবা আমার পরিবারকে আর কখনো বিরক্ত করা না হয়।

এরপর আয়েশা আমাকে বিভিন্নভাবে তার দিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে থাকে। কখনো আবেগভরা এসএমএস, কখনো হৃদয়স্পর্শী মেসেজ পাঠাত। আমি আলির আম্মুকে বললাম, "আমাকে আর ডিস্টার্ব কোরো না। কারণ, আমার পরিবারের কেউই এ ব্যাপারে রাজি নন।"

তখন আলির আম্মু বলল, "আসেন, আমরা গোপনে বিয়ে করে ফেলি।" সে নানাভাবে আমাকে তার দিকে মোটিভেট করার চেষ্টা করতে থাকে। মাঝেমধ্যে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমারও মনে হতো, হয়তো বিয়ে করেই ফেলি। কিন্তু পরক্ষণেই তার সেই সাইকো টাইপের মানসিকতা, আর অতীতের হারাম অপকর্মগুলোর কথা মনে পড়তেই, তার প্রতি আমার সমস্ত আগ্রহ ও রুচি মুহূর্তেই হারিয়ে যেত।

যখন সে বুঝতে পারল, আমার পরিবারের কেউই এই প্রস্তাবে রাজি নয়, তখন সে আমাকে গোপনে বিয়ে করার জন্য আরও বেশি চাপ দিতে শুরু করল। কথায় কথায় আমার বর্তমান সংসার ভেঙে ফেলার কুবুদ্ধি দিতে লাগল।

এর মধ্যেই একদিন আয়েশার মা আমাকে ফোন দিলেন। তিনি বললেন,

"দেখো বাবা, যা হয়ে গেছে, তার জন্য আয়েশাও এখন খুব লজ্জিত। এখন কী করব বলো? ওকে অনেক জায়গায় বিয়ে দিতে চেয়েছি। কিন্তু বাচ্চা থাকার কারণে ভালো জায়গায় বিয়ে দিতে পারছি না। আর আয়েশাও কোথাও রাজি হয় না। নেয়ামতুল্লাহ আমার মেয়েকে কুবুদ্ধি দিয়ে এত কিছু করিয়েছে। আমিও অনেক বুঝিয়েছি, অনেক নিষেধ করেছি—এগুলো করিস না। কিন্তু তখন সে আমার কোনো কথাই শোনেনি। এত বছর পরে আজ সে নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারছে। এখন সে তোমার জন্য অনেক কান্নাকাটি করে।"

তার এই কথাগুলো শুনে আমি সত্যিই হতবাক হয়ে গেলাম।
আমি আয়েশার মাকে বললাম : "আপনার মেয়ে এক সময় আমাকে অনেক কাঁদিয়েছে, অনেক কষ্ট দিয়েছে। আমার সংসার নষ্ট করেছে। আলীর ভবিষ্যৎও এলোমেলো করে দিয়েছে। আয়েশা তো আজ কাঁদবেই। কারণ, আল্লাহ তাআলা তো দেখেছেন, আয়েশার কারণে আমি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম।"

আমি আরও বললাম,
"আপনার মেয়ে এখন আমাকে আমার বর্তমান সংসার ছেড়ে তাকে নিয়ে নতুন করে সংসার করার কুবুদ্ধি দিচ্ছে। আমি যদি শুধু আলীর কথা ভেবে আয়েশাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তও নিই, তাহলে আমার এই সংসারে যে দুটি সন্তান রয়েছে, তাদের কী হবে? আমার বর্তমান স্ত্রী আমাকে যথেষ্ট সম্মান করে, ভালোবাসে। আমি কেন এই সুন্দর সংসারটা নিজের হাতে ধ্বংস করব? কখনোই না।"

আমার কথা শুনে আয়েশার মা বললেন,
"সংসার ভাঙা মসজিদ ভাঙার সমান। আমি আয়েশাকে বুঝিয়ে বলব, যেন সে তোমাকে আর এসব কথা না বলে।" এই ঘটনাগুলো ঘটার পর আমি ভীষণ মানসিক চাপে পড়ে গেলাম। কী করব, কোন সিদ্ধান্ত নেব—কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। পরে আমি আমার ওস্তাদ এবং বিজ্ঞ আলেমদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। সবার পরামর্শই ছিল একই—

"এই মেয়ে থেকে দূরে থাকুন। আপনার পরিবারের অবস্থান এবং অতীতের ঘটনাগুলো বিবেচনা করলে বোঝাই যায়, তাকে বিয়ে করলে আপনার বর্তমান সংসারে অশান্তি ছাড়া আর কিছুই আসবে না। সে আপনাকে কখনোই শান্তিতে থাকতে দেবে না।"

আমি তখনও প্রচণ্ড টেনশনের মধ্যে ছিলাম। এমন সময় আয়েশা আবার আমাকে বলল,
"যেহেতু আপনার পরিবার রাজি নয়, তাই আমারও একটা নিরাপত্তার বিষয় আছে। আপনি আমাকে ৫০ লক্ষ টাকা মোহরানা ধার্য করে গোপনে বিয়ে করবেন। আমাকে মোহরানা দিতে হবে না। শুধু কাগজে-কলমে ৫০ লক্ষ টাকা উল্লেখ থাকবে, যেন ভবিষ্যতে কেউ যদি আপনাকে আমাকে ছেড়ে দিতে বলে, তাহলে এত বড় অঙ্কের টাকার কথা ভেবে আপনি আর আমাকে ছাড়তে না পারেন।"

আয়েশার এই কথা শুনেই আমি অনেক কিছু বুঝে গেলাম। আমার কাছে মনে হলো, সে আমাকে আবেগ দিয়ে বেঁধে রেখে ৫০ লক্ষ টাকা মোহরানার শর্তকে একটি চাপ হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এরপর সেই বিষয়টিকে সামনে রেখে আমার ওপর প্রভাব বিস্তার করবে এবং ধীরে ধীরে আমার বর্তমান সংসার ভেঙে আমাকে পুরোপুরি নিজের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম, তার মনের ভেতরে কী ধরনের পরিকল্পনা চলছিল।

এদিকে, আমরা নিজেদের একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। তখন সেই প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় শাখা চালু করার জন্য উপযুক্ত জায়গা খুঁজছিলাম। আয়েশা বিষয়টি জানতে পেরে আমাকে বলল :
"দ্বিতীয় শাখার মাদ্রাসাটা আমাদের এলাকায় দেন। তাহলে আপনি মাদ্রাসার জন্যও সময় দিতে পারবেন, আর আমাকেও সময় দিতে পারবেন।"

এরপর যা হলো... 👇

🔻পর্ব - ১৫ 👇
আগামীকাল শেষ পর্ব আসবে ইনশাল্লাহ... #মাজলুম_আলীর_বাবার_জীবন_কাহিনী
#চতুর্দশ_পর্ব
#বাংলা_গল্প
#ডিভোর্স_জীবনের_সংগ্রাম

🔻পর্ব - ১৩এই ঘটনার কিছুদিন পর থেকেই আলির আম্মু—আয়েশা হোয়াটসঅ্যাপে এবং ফেসবুকে তার ফেক আইডি দিয়ে আমাকে নক করা শুরু করে...
28/07/2026

🔻পর্ব - ১৩

এই ঘটনার কিছুদিন পর থেকেই আলির আম্মু—আয়েশা হোয়াটসঅ্যাপে এবং ফেসবুকে তার ফেক আইডি দিয়ে আমাকে নক করা শুরু করে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে, তখন আমার স্ত্রী দ্বিতীয়বারের মতো অন্তঃসত্ত্বা ছিল। ডেলিভারির সময় খুবই সন্নিকটে ছিল। তাই সে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। আলির আম্মু—আয়েশা জানি না কীভাবে বিষয়টি জানতে পেরেছিল। এরপর সে বিভিন্নভাবে আমাকে নক করা শুরু করে। আমি তাকে বললাম: "এতদিন পর... এখন কেন? তোমার কারণে আমার জীবনের অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে গেছে। তুমি আমার মনটাকে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছিলে, আমার সন্তানের জীবনটাকেও এলোমেলো করে দিয়েছিলে। আবার এতদিন পর আমাকে নক করেছ কেন?"

আলির আম্মু—আয়েশা আমাকে বলল : "বিগত দিনে যেটা হয়ে গিয়েছে, সেটা নিয়ে আর আপনি আমাকে লজ্জিত কইরেন না। নেয়ামতউল্লাহ আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সংসারটাকে নষ্ট করে দিয়েছে। আমি আপনাকে কষ্ট দিয়েছি, তাই এখন আমারও কষ্ট পেতে হচ্ছে..."

এরপর আলির আম্মু—আয়েশা আমাকে বলল: "আপনি আমাকে ডিভোর্স দিয়েছেন, কিন্তু তালাক তো হয়েছে দুইটা। আরও একটা তালাক বাকি আছে। আপনি চাইলে আমাকে আবার গ্রহণ করতে পারেন।"

পাঁচ বছর পর এই কথা শুনে আমি হতবাক। আমি হাসব, না কাঁদব—কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।
আমি তাকে বললাম : "আমি তোমাকে ডিভোর্স দিয়েছি। যেখানে তিন তালাক হয়ে যাওয়ার কথা, সেখানে দুই তালাক হলো কীভাবে?"

আয়েশা আমাকে বলল : "আপনি যখন আমাকে মৌখিকভাবে এক তালাক দিয়েছিলেন, তখন আমি ছয় মাসের প্রেগনেন্ট ছিলাম। মাসআলা অনুযায়ী বাবু হওয়ার পরে এক তালাক পতিত হয়েছে। আর যখন ডিভোর্স দিয়েছিলেন, তখন ডিভোর্স পেপারে খোলা তালাকের কথা বলা হয়েছিল। খোলা তালাক দিলে তো এক তালাক ধরা হয়। সেই হিসাবে তো দুই তালাক হয়েছে। আপনি চাইলে আমাকে আবার বিয়ে করতে পারেন।"

আমি তাকে বললাম : "যখন সুযোগ ছিল, তখন তো এসব বলোনি। এখন সব সুযোগ শেষ। কারণ আমি এখন অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার সংসার নিয়ে অনেক ভালো আছি। আল্লাহ আমাকে একটি সন্তান দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ, কিছুদিন পরে দ্বিতীয় সন্তানেরও বাবা হব।"

আমি আরও বললাম : "ডিভোর্সের আগ পর্যন্ত তোমাকে অনেক বুঝিয়েছি। এমনকি ডিভোর্স দেওয়ার দুই বছর পরে আমি অন্য জায়গায় বিয়ে করেছিলাম, তখনও মাঝে মাঝে তোমাকে অনেক বুঝিয়েছি। কিন্তু তুমি বুঝতে চাইতে না। কারণ তুমি তখন অন্যের প্রেমে বিভোর ছিলে। হারাম রিলেশনে জড়িয়ে তুমি অন্ধ হয়ে গিয়েছিলে।"

আমি আয়েশাকে বললাম : "তুমি যে বলছ দুই তালাক হয়েছে, যখন তোমাকে আমি মৌখিকভাবে এক তালাক দিয়েছিলাম, তখন তো তুমি বলেছিলে আমি নাকি তোমাকে তিন তালাক দিয়েছি। এই মিথ্যা বলে মানুষের কাছে প্রচার করেছিলে। আমাকে নিয়ে, আমার পড়াশোনা নিয়ে কত ধরনের মিথ্যাচার করেছ। সবার কাছে নিজেকে রাবেয়া বসরির মতো বানিয়ে রেখেছিলে। তুমি মানুষের কাছে বলেছ, আমি নাকি তোমার কাছে যৌতুক চেয়েছি, তোমাকে মেরেছি, তারপর তালাক দিয়েছি। এসব মিথ্যাচার তুমি কীভাবে করতে পারলে?" আয়েশা আমাকে উত্তর দিল :"আমি এসব কথা বলিনি।"

আমি বললাম :"তুমি বলোনি, তাহলে কে বলেছে? মানুষের কি ঠেকা পড়েছে মিথ্যা বলার? হয় তুমি বলেছ, নয়তো তোমার ফ্যামিলি বলেছে।"

তখন সে আমাকে উত্তর দিল : "তখন আমি অনেক খারাপ হয়ে গিয়েছিলাম। জীবনে অনেক খারাপ কাজ করেছি। নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মেরেছি। আমি সবকিছুর জন্য লজ্জিত। আমাকে আপনি নতুন করে গ্রহণ করে নেন।"
এরপর আলির আম্মু—আয়েশা বলল :"আমার বড় ভাই, মুফতি মাহমুদ, আপনার সঙ্গে কথা বলবে।"

পরে আয়েশার বড় ভাই, মুফতি মাহমুদ, আমাকে কল দিলেন। তিনি সালাম দিয়ে বললেন, "ভাই, কেমন আছেন?" আমি বললাম :"আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো।"

মাহমুদ ভাই বললেন,
"ভাই, আগে আয়েশার সঙ্গে আপনার অনেক কিছুই হয়েছে। আপনি যখন আয়েশাকে মৌখিকভাবে তালাক দিয়েছিলেন এবং পরে ডিভোর্স পেপারে সাইন করে খোলা তালাক পাঠিয়েছিলেন, এসব বিষয় আমি জানি। আমি সব বিষয় নিয়ে মুফতিদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আপনি যেভাবে তালাক ও ডিভোর্স দিয়েছেন, সেই হিসাবে দুই তালাক হয়েছে।"

তিনি আরও বললেন :"ভাই, এখন সামান্য কিছু মোহরানা ধার্য করে বিয়ে পড়িয়ে দিলেই বিয়ে হয়ে যাবে।" এরপর তিনি নিজেই মোহরানার পরিমাণও বলে দিলেন। "ভাই, সর্বনিম্ন সাড়ে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে মোহরানা ধার্য করলেই হবে।"

আমি মাহমুদ ভাইকে বললাম :
— "ভাই, আপনি তো বিয়েটাকে অনেক সহজ করে দিলেন। কিন্তু এটা তো এত সহজ বিষয় নয়। আমার আরও একটি সংসার রয়েছে। আর শুধু আপনি বললেই তো সব হয়ে যাবে না।"

মাহমুদ ভাই বললেন :— "আয়েশার কোনো ভরণপোষণ আপনার দিতে হবে না। সে এখানেই থাকবে। আপনার বর্তমান সংসারেও কোনো সমস্যা হবে না।" তার মুখে এই কথাগুলো শুনে আমি কী বলব, বুঝতেই পারছিলাম না।

আমি শুধু বললাম,— "ভাই, এত কিছু হয়ে যাওয়ার পর আবার নতুন করে আয়েশাকে বিয়ে করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। যখন সময় ছিল, তখন সে নিজেকে শুধরায়নি। এত বছর পর এসব কথা বলে আর কী হবে?"

আমি খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম। এখন আমি কী করব? কী করা উচিত?

আবার ভাবছিলাম, আমি যদি শুধু বাচ্চার দিকে তাকিয়ে আবার আয়েশাকে বিয়ে করি, এত কিছু ঘটার পর, তাহলে তো আমার বর্তমান সংসারেই অশান্তি শুরু হবে। আমার স্ত্রী এটা কখনোই মেনে নেবে না। কারণ সে আমাকে অনেক ভালোবাসে। আর আমিও তাকে কখনো কষ্ট দিতে চাই না। কারণ সে আমার অতীতের সবকিছু জেনেও, আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময়ে এসে আমার ভেঙে যাওয়া জীবনটাকে আবার সুন্দর করে গুছিয়ে দিয়েছে।

এরপর আলির আম্মু—আয়েশা আমাকে যেভাবে কনভিন্স করার চেষ্টা করেছিল, এবং যে কূটনামী বুদ্ধি খেলেছিল, সেই ঘটনাগুলো উল্লেখ করছি...

🔻পর্ব - ১৪ 👇
আগামীকাল আসবে ইনশাআল্লাহ....
#মাজলুম_আলীর_বাবার_জীবন_কাহিনী
#ত্রয়োদশ_পর্ব
#বাংলা_গল্প
#ডিভোর্স_জীবনের_সংগ্রাম

রিজিকের আড়ালে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে আল্লাহর আরও সুন্দর পরিকল্পনা। ধৈর্য হারাবেন না, চেষ্টা চালিয়ে যান—একদিন এই "রিজিক...
28/07/2026

রিজিকের আড়ালে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে আল্লাহর আরও সুন্দর পরিকল্পনা। ধৈর্য হারাবেন না, চেষ্টা চালিয়ে যান—একদিন এই "রিজিক"ই আপনার সফলতার গল্পের অংশ হয়ে যাবে। 🤲✨ #রিজিক #ধৈর্য #অনুপ্রেরণা #সফলতার_গল্প

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NoorQissa Studio posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share