22/08/2026
সুস্থ থাকতে পকেট খালি করার কোনো প্রয়োজন নেই!
অনেকেরই ধারণা, ডায়েট করা মানেই অনেক খরচ। ওটস, চিয়া সিড, বা ব্রকলি না কিনলে বুঝি ওজন কমবে না। একজন ডায়াটিশিয়ান হিসেবে বলছি, এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা! আমাদের দেশীয় অনেক সস্তা খাবারেই আছে দামি বিদেশি খাবারের সমান বা তার চেয়েও বেশি পুষ্টি।
চলুন দেখে নিই ৫টি দামি বিদেশি ডায়েট ফুডের সস্তা দেশীয় বিকল্প:
১.ওটস vs লাল চাল বা চিড়া:
ওটসে যে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার থাকে, তা আমাদের দেশীয় লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা চিড়াতেও ভরপুর মাত্রায় আছে। এগুলো দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে।
২.চিয়া সিড vs তোকমা দানা :
চিয়া সিডের চেয়ে অনেক কম দামে বাজারে তোকমা দানা পাওয়া যায়। পানিতে ভেজানো তোকমা দানা হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে চিয়া সিডের মতোই দারুণ কাজ করে।
৩.স্যামন মাছ vs রুই মাছ:
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের জন্য দামী বিদেশি মাছের দরকার নেই; আমাদের দেশী রুই, কাতল মাছই যথেষ্ট।
৪. ব্রকলি vs দেশী সবুজ শাক
আমাদের দেশের পালং শাক বা সবুজ যেকোনো লোকাল শাকে ব্রকলির সমপরিমাণ (কখনো বেশি) অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে।
৫.বিদেশি আপেল vs দেশী পেয়ারা:
একটি পেয়ারা বা আমড়াতে যে পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ফাইবার থাকে, তা একটি দামি আপেলের চেয়ে অনেক বেশি।
পুষ্টি লুকিয়ে আছে খাবারের সতেজতায়, তার চড়া দামে নয়। ডায়েটকে ফ্যাশন না বানিয়ে নিজের বাজেট ও সংস্কৃতির মধ্যে সহজ রাখুন।
আপনার ডায়েট চার্টে কোন দেশীয় খাবারটি সবচেয়ে বেশি থাকে? কমেন্ট করে জানান!
পুষ্টিবিদ ফাহিমা আক্তার
ব্র্যাক হেলথকেয়ার