27/05/2026
বাচ্চার মায়েদের বলব, আপনারা আপনাদের চঞ্চল ছেলে মেয়েদের খুব নজরে নজরে রাখবেন।
খারাপ মানুষের ভয় তো আছেই। পাশাপাশি ঈদের সিজনে বেশি এক্সিডেন্ট ঘটে অন্যান্য দিক দিয়ে। যেমন মা বাচ্চাকে উঠানে খেলতে ছেড়ে দেয়। বাচ্চা পুকুরে পরে যায়।
অনেক সময় খেলতে খেলতে আশপাশের গর্তে পরে যায়।
কিংবা গাড়ির নিচে পরে যায়।
এই রকম নানান এক্সিডেন্টের সংখ্যাও কিন্তু কম না।
আবার ঈদের সময় ছুরি বটি এসব জিনিসের কাজ যেহেতু থাকে এগুলা বাচ্চাদের হাতের নাগালের বাইরে রাখবেন।
আমি শশুড়বাড়িতে আসার পর থেকে বাচ্চাদেরকে প্রচুর নজরে নজরে রাখতেসি।
ওরা দুষ্টামী করবে ঘর নোংরা করবে সেসবের ভয় করতেছি না। এখানে একটু পর পরই ভিক্ষুকরা এসে দরজায় কড়া নাড়ে। আবার ঈদের দিন অনেক ভিক্ষুক আসবে গোশত নিতে। এজন্য চিন্তায় আছি।
এখানে মেইন গেইট অলওয়েজ খোলা থাকে। পরিচিত অপরিচিত, ময়লা ওয়ালা, মাছ ওয়ালা, ভাঙ্গারী ওয়ালা, ভিক্ষুক, পাগল এমনকি কুকুর বিড়াল যার যেমনে মনে চায় উপরে উঠতে পারে।
কয়েকবার চেষ্টা করেও কাউকে গেট লক সিস্টেমে অভ্যস্ত করা গেল না। এজন্য নিজেদের ফ্ল্যাটের গেইটেই লক সিস্টেম করেছি।
আমাদের মেইন রুমে একটা দরজা আছে যেটা দিয়ে পাশের ফ্লাটে যাওয়া যায়। মেয়েরা বার বার ওই গেট খুলে ফেলে।
পরে ওইখানে একটা তালা ঝুলাইলাম। আমার মেয়েগুলাও কম পাজি না। বার বার বুঝাচ্ছি অপরিচিত কেউ আসলে দরজার সামনে যাবা না। দাদু দাদা কথা বলবে। তোমরা আম্মুর কাছে চলে আসবা।
কিন্তু এরা কেউ আসলে সবার আগে গেইটের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। আমি গিয়ে বার বার টেনে টুনে নিয়ে আসি।
এদিকে শশুড় শাশুড়ি বয়স্ক মানুষ। উনাদেরকে বার বার বর্তমান নানান ঘটনা শুনিয়ে যাচ্ছি যেন উনারা সাবধান থাকেন বাচ্চাদের ব্যাপারে।
চিন্তা করেছি ঈদের দিন গোশত পেকেট করার সময় ওদের কেউ সাথে বসিয়ে দিব। যেন আমার আশেপাশে থাকে। কাজ করে। এতে আমার নজরে থাকবে। এদিক সেদিক যাবে না। ময়লা যা হবে পরে গোসল করালেই চলে যাবে।
এই বয়সি বাচ্চাদের এক ঘরে আটকে রাখা যায় না।
মুরুব্বিরা কে কি ভাববে সেই চিন্তা পরে আগে আপনার বাচ্চার নিরাপত্তার চিন্তা করবেন।
গেলে তো আপনারটাই যাবে। অন্যরা কয়েকদিন হায় হুতাশ করবে। কিন্তু আপনার তো পুরা জীবনটাই এলোমেলো হয়ে যাবে।