25/05/2025
কস্তুরীহালুয়া খাওয়ার হাজারো উপকারিতা
সুগন্ধি ফুলের মতোই যুগ যুগ ধরে মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে কস্তুরী মৃগ। এই মৃগ অর্থাৎ হরিণ এক প্রজাতির পুরুষ হরিণ। ইংরেজি নাম ‘মাস্ক ডিয়ার’। এরা খুব লাজুক স্বভাবের। তাই নিরিবিলি বাস করে। বিচরণ করে একান্ত নির্জনে।হিমালয় পর্বতমালার উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে উৎকৃষ্ট কস্তুরীমৃগ পাওয়া যায়। ওই অঞ্চলে একপ্রকার ছোট আকারের হরিণ আছে, তারা ছাগলের চেয়ে বড় নয় কিন্তু দেখতে অত্যন্ত সুন্দর। এদের পা অতি সরু, মাথা সুন্দর এবং চোখ চমৎকার উজ্জ্বল । এই হরিণ অন্য হরিণ থেকে আলাদা নয়। অত্যন্ত শীতল পার্বত্য পরিবেশে বাস করায় এদের লোম সরু না হয়ে অত্যন্ত মোটা ও পালকের মতো হয়। এ ছাড়া পামির মালভূমির গ্রন্থি পর্বতমালায় তৃণভূমি সমৃদ্ধ উপত্যকায় এই হরিণ পাওয়া যায়।
কস্তুরী মৃগের ওপরের মাড়ি থেকে গজদন্তের মতো দুটি দাঁত ছোট আকারে বের হয়। এ ধরনের দাঁত সব প্রজাতির হরিণের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।
এই প্রজাতির হরিণ আত্মরক্ষায় পটু। কিন্তু তারা নিজেদের লুকিয়ে রাখতে পারে না, কারণ এদের দেহের তীব্র ঘ্রাণ। এই ঘ্রাণ অনুসরণ করে শিকারি ঠিকই এদের সন্ধান পেয়ে যায়। এই হরিণের নাভি থেকেই মূলত এই সুগন্ধি দ্রব্য সংগ্রহ করা হয়।
পুরুষ হরিণের নাভি মুখের গ্রন্থিতে এক বিশেষ ধরনের কোষের জন্ম হয়। এই কোষ যখন পূর্ণতা লাভ করে তখন এ থেকেই সুঘ্রাণ বের হতে থাকে। হরিণের ১০ বছর বয়সে সুগন্ধি কোষ পূর্ণতা লাভ করে। তবে মজার ব্যাপার হলো, যে হরিণটির নাভিতে এই কোষের জন্ম, সে নিজে কিছুই বুঝতে পারে না। তার নাকে যখন এই সুগন্ধ এসে লাগে তখন সে পাগলের মতো ছুটতে থাকে এই সুঘ্রাণের উৎসের সন্ধানে। অথচ সে বুঝতে পারে না যে, সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ছে তার নিজের দেহ থেকেই।
এই হরিণের দশ বছর বয়সে নাভির গ্রন্থি পরিপক্ব হয়। এ সময় হরিণটিকে হত্যা করে নাভি থেকে তুলে নেওয়া হয় পুরো গ্রন্থিটি। তারপর রোদে শুকানো হয়। একটা পূর্ণাঙ্গ কস্তুরী গ্রন্থির ওজন প্রায় ৬০-৬৫ গ্রাম। কস্তুরীকোষের বাইরের দিকটায় থাকে এলোমেলো কিছু লোম। সেগুলো ছাড়িয়ে শুকনো কোষটিকে যখন পানিতে ভেজানো হয়, তখন পরিষ্কার কস্তুরী বেরিয়ে আসে। কোনো কোনো হরিণের মধ্যে পাওয়া যায় খুব কম পরিমাণে কস্তুরী। অপরদিকে এই প্রজাতির সকল হরিণের নাভিতে একই পরিমাণে কস্তুরী উৎপন্ন হয় না; হরিণের বয়স এবং পরিবেশভেদে কস্তুরীর পরিমাণের তারতম্য হয় । দেখা গেছে, এক কিলোগ্রাম কস্তুরী পাওয়ার জন্য প্রায় দুই হাজার হরিণ শিকার করতে হয়।
কস্তুরী যখন সংগ্রহ করা হয় তখন এর গন্ধ এত উগ্র থাকে যে হরিণের নাভিকোষ কেটে নেওয়ার সময় শিকারিরা মোটা কাপড় দিয়ে নিজেদের নাক বেঁধে নেয়। অনেক সময় এ গন্ধ সহ্য করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কারো কারো চোখ, নাক থেকে পানি ও মুখ থেকে লালা ঝরা শুরু হয়। এমনকি জীবনহানিও ঘটে।
সংগৃহীত নাভি শুকিয়ে গেলে ঘ্রাণের তীব্রতা কমে আসে। শুকনো কস্তুরী কালো রঙের, ঈষৎ দানাবিশিষ্ট এবং স্বাদে তেঁতো । গরম পানিতে কস্তুরীর ৯০ ভাগ গলে যায়। স্পিরিটে অর্ধেক মাত্র গলে। আর ডিমের কুসুমে এর সমস্ত অংশ গলে যায়।
কস্তুরী চীন, রাশিয়া, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, নেপাল, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান ও রাশিয়াসংলগ্ন অন্যান্য দেশে পাওয়া যায় । এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মধ্যে পূর্ব দিকের কস্তুরী তুলনামূলক উচ্চ গুণমান সম্পন্ন হয়। পশ্চিম দিকের অংশে পাওয়া গেলেও তার মান খুব ভালো হয় না । এর মধ্যে চীনের কস্তুরী সর্বোৎকৃষ্ট ও রাশিয়ার কস্তুরী সবচেয়ে নিম্নমানের।
প্রাচীন ভারতীয় বিভিন্ন গ্রন্থে ভারতের তিন প্রকার কস্তুরীর উল্লেখ পাওয়া যায়। এগুলো হলো কামরূপী, নেপালী ও কাশ্মীরি । তার মধ্যে কামরূপী উন্নত ও কাশ্মীরি অনুন্নত হয়।
কস্তুরী ঝাঁঝালো, উষ্ণ এবং তীব্র সুগন্ধিযুক্ত এক প্রকার জৈব পদার্থ। সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও ঔষধি গুণ হিসেবে এর গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার দেখা যায়। মূলত কস্তুরী ঔষধি হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে । বর্তমান বাজারে কস্তুরীর দাম একই সমান ওজনের স্বর্ণের প্রায় তিন গুণ।
স্বাস্থ্য, শক্তি, উদ্যম ও যৌন উদ্দীপনায় কস্তুরী অনন্য। কস্তুরী ভগ্ন স্বাস্থ্য ও শক্তি পুনরুদ্ধার করে, রক্ত উত্তেজক এবং বেদনানাশক হিসেবে কাজ করে। কস্তুরী জ্বরজনিত খিঁচুনি, সন্ন্যাস রোগ বা স্নায়বিক চেতনাহীনতা, পেটে তীব্র ব্যথা, আঘাতজনিত ক্ষতের তীব্র ব্যথা, স্পর্শবোধহীনতা বা অসাড়ত্ব, শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের তীব্র ব্যথা সারাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
হরিণ ছাড়াও অনেক প্রাণীর মধ্যে এই সুগন্ধি উৎপাদনকারী কোষ রয়েছে। বিড়াল ও ইঁদুরের দেহে কস্তুরীর অস্তিত্ব রয়েছে। মাস্ক র্যাট প্রজাতির ইঁদুর ও সিভেট প্রজাতির বিড়ালের দেহে এই ধরনের কোষ আছে। এই দুটি প্রাণী থেকে পাওয়া পদার্থগুলোর রাসায়নিক নাম মাস্ক-কোন (Musk cone) এবং সিভেটোন (Civeton)। বিজ্ঞানীরা আরো বলেছেন, শুধু প্রাণী নয়, কিছু কিছু গাছ আছে, যাদের থেকেও কস্তুরী তৈরি করা সম্ভব।
আজকাল গবেষণাগারে এগুলো কৃত্রিমভাবে সংশ্লেষিত হচ্ছে। জার্মানি ও সুইডেনের বিজ্ঞানীরা ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিম উপায়ে মাস্ক কোন নামে বিশেষ ধরনের কস্তুরী তৈরি করছেন।
শেষের কথা: প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে নানা রকম সুগন্ধির ব্যবহার। ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটায় এই সুগন্ধি। জীবনযাত্রার অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে আমরা সুগন্ধি কমবেশি ব্যবহার করে থাকি। আর এর জন্য কস্তুরীর জুড়ি নেই। আপনার অসুখী ও ক্ষণস্থায়ী যৌন জীবনকে সুখী ও দীর্ঘস্থায়ী করতে আমরা নিয়ে এসেছি কস্তুরীযুক্তহালুয়া এটি একটি শুক্র সঞ্জীবনী মোদক। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে ও জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলাতে তৈরি কস্তুরী যুক্ত হালুয়া । এতে রয়েছে অশ্বগন্ধা, শিমুল মূল, তালমাখনা, ঘি, মধু ও আরো অনেক ভেষজ এবং উপাদেয় মসলা। অত্যন্ত সুস্বাদু এ ওষুধটি নিয়মিত ব্যবহারে আপনার দ্রুত পতন রোধ করবে, আপনার শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করবে এবং আপনার স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করে আপনাকে করে তুলবে প্রকৃত পুরুষ। কস্তুরীযুক্ত হালুয়া প্রাকৃতিক ভাবে আপনার সঙ্গমকে দীর্ঘস্থায়ী করে আপনার বিবাহিত জীবনে এনে দিবে অনাবিল শান্তি।যেকোন গোপন সমস্যা সমাধানে আছি আমরা কলিকাতা হারবাল। ঢাকা মোহাম্মদপুর।
বি:দ্র: আপনার কষ্টার্জিত অর্থ বিনষ্ট। না হওয়ার আগেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। ভালভাবে ডা: চেম্বার, ডা: এর শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই বাচাই করে চিকিৎসা নিবেন। ফেইসবুকে বা অসত্য প্রচারনা থেকে এড়িয়ে চলুন। সরাসরি যোগাযোগ-এর ঠিকানা মোহাম্মদপুর বি.আর.টি.সি বাসস্ট্যান্ড আল্লাহ্ করিম মসজিদ মার্কেট ২য় তলা মোহাম্মদপুর ঢাকা-১২০৭হটলাইন-01763663333
ডাঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান ইমু নাম্বার 01766133099 বাংলাদেশের
www.kolikataherbal.com/