23/02/2026
শীতের শুরুতে যেমন সবার ঘরে ঘরে ঠাণ্ডাকাশি ছিলো , শীত শেষে আবারও একই অবস্থা । হালকা শরীর মেজমেজ করা , শুকনা বা ভেজা কাশি ইত্যাদি লক্ষণ । তাই চেষ্টা করুন এগুলো মেনে চলার 👇
✅ ইফতারের পর থেকে সাহরী পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন ( ৮-১০ গ্লাস ) । ঠান্ডা পানি পান করা পরিহার করুন ।
✅ যারা অসুস্থ কিংবা বয়স্ক আছেন নরমাল দিনের থেকে একটু বেশি পানি পান করুন ।
✅ ইফতারে চেষ্টা করুন ভাঁজাপোড়া খাবার কমিয়ে দুধ , ডিম , কলা , পেয়ারা , শরবত , খেজুর , শসা , ছোলাবুট , দই , চিড়া ইত্যাদি খাওয়ার ।
✅ তারাবীর নামাজের আগে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন । মসজিদে পানির বোতল নিয়ে যাবেন ।
✅ সেহরিতে চেষ্টা করুন ঝাল ও তেলজাতীয় খাবার কম খেতে ।
✅ বাহিরে গেলে অবশ্যই মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন । এতে নিজের ও অন্যের সুরক্ষা দুটোই হবে ।
✅ বাহির থেকে এসে শুরুতেই হাতমুখ ধুয়ে নিবেন । এতে নিজের ও পরিবারের সুরক্ষা হবে ।
✅ কাশি দিলে টিস্যু বা রুমাল বা হাতের কনুই দিয়ে মুখ ঢেকে এরপর দেওয়ার চেষ্টা করবেন ।
✅ পাতলা , ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করুন ।
✅ রাতে শোয়ার আগে কাপড় ভিজিয়ে শরীর হালকাভাবে মুছে নিলে ঘুমটাও ভালো হবে ইন শা আল্লাহ ।
✅ অসুস্থ অবস্থায় ঘন ভিড় এড়িয়ে চলা ভালো।
__________________________________________
❌ নিজে নিজে কোনো এন্টিবায়োটিক খাবেন না ।
⭕ কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন ?
▪️৩–৫ দিনের বেশি জ্বর থাকলে
▪️শ্বাসকষ্ট, বুক ব্যথা হলে
▪️শিশু, বয়স্ক বা ডায়াবেটিস/হৃদরোগী হলে
------------------------------------------------------------------
সুস্থতার মালিক তো আল্লাহ ! আল্লাহ আমাদেরকে যে শরীর ও মন দিয়েছেন সেটির সর্বোচ্চ যত্ন নেওয়ার জন্য যা যা নিজের সাধ্যে পারা যায় করতে হবে । এতে ইবাদত করাও সহজ হবে ইন শা আল্লাহ ।
সুস্থ থাকি , সুস্থ রাখি... ।