Lamia Medical Hall

Lamia Medical Hall You can find here any kind of pharmaceuticals products with retail price

31/08/2026

বিকাশ আপনার কাছ থেকে তিন জায়গায় অর্থ উপার্জন করে।
১. আপনার আমানত অন্য কাওকে ঋণ দিয়ে সেই সুদ থেকে আয়।
২. ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে ১.৮৫% চার্জ কেটে যায়।
৩. প্রতিবার সেন্ড মানি করলে সেখান থেকে চার্জ কেটে আয়।

এর বাইরে রেমিটেন্স, মুদ্রা বিনিময়, পেমেন্ট, ফোন রিচার্জ, ডোনেশন, রিটেইল ইত্যাদি ক্ষেত্র থেকে বিকাশের আয় হয়। তবে সে আলাপে আর না গেলাম।

প্রধান ৩ উপার্জন মাধ্যমের ৩ নম্বরটা খেয়াল করুন। একটা টাকা যতবার হাত বদল হবে, ততবার ১০ টাকা কেটে নিবে বিকাশ। ধরুন, ১০০ টাকা ক্যাশ ইন করে পরে আপনার মাকে পাঠালেন। সে পাবে ৯০ টাকা। আপনার মা সেই টাকা তার বুয়াকে পাঠালে, বুয়া পাবে ৮০ টাকা। বুয়া এটা ক্যাশ কাউট করলে ফাইনালি পাবে ৭৮.৫২ টাকা। হাত বদল আরও বেশি হলে বুয়া ৫০-৬০ টাকা পেতো।

এখানে থিওরিটিকালি টাকাটা ৩ বার হাত বদল হয়েছে। কিন্তু প্র্যাকটিকালি টাকাটা হাত বদল হয়নি। বিকাশের সার্ভারের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে জাস্ট দুয়েকটা কোড এদিক সেদিক হয়েছে। আপনার একাউন্ট থেকে ইলেক্ট্রিক মানির কোড নিয়ে সে আপনার মায়ের একাউন্টে সমন্বয় করেছে। পরে বুয়ার একাউন্টে করেছে।

আপনি যে টাকাটা বিকাশকে দিয়েছেন, সেটা আদতে কোনদিন ট্রান্সফার হয়নি, ওটা ব্র্যাক ব্যাংকেই রক্ষিত আছে। কেবল ক্যাশ আউটের সময়ই টাকাটা সত্যিকার অর্থে ট্রান্সফার হয়।

ক্যাশ আউট বাদে সেন্ড মানির যে লেনদেন - এটাকে বলে পিটুপি ট্রানজ্যাকশন। ভারতে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত এই পিটুপি লেনদেন ফ্রি। মিয়ানমারে পুরোপুরি ফ্রি। থাইল্যান্ডে ৫০০০ বাথ মানে ১৩০০০ টাকা পর্যন্ত ফ্রি। ভিয়েতনামে সম্পূর্ণ ফ্রি। বিকাশে ফ্রি না। প্রতিবারে ১০ টাকা।

ডাকাতিটা এখানেই শেষ হলে পারতো। হয়নি।
এর চেয়ে ভয়াবহ একটা কাজ করেছে বিকাশ।

আগে পিটুপি লেনদেনে টাকার পরিমাণ কম হলে বিকাশ কম টাকা চার্জ করতো। টাকার পরিমাণ বেশি হলে, শতকরা হিসাব করে বেশি টাকা চার্জ করতো। অর্থাৎ ২০০ টাকায় চার্জ কম। ৫০০০ টাকায় চার্জ বেশি।
কিন্তু এখন আর সেটা করে না।

সবার জন্য এক রেট। ১০০ টাকা লেনদেন করলেও ১০ টাকা। ৪০ হাজার টাকা লেনদেন করলেও ১০ টাকা। এর মাধ্যমে বিকাশ বলতে চাচ্ছে, দ্যাখেন আমরা শত শত টাকা চার্জ করছি না। যত বড় এমাউন্টই পাঠান, মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে আপনার টাকা আমরা পৌঁছে দিবো।

কিন্তু আপনি শেষ কবে ৪০ হাজার টাকা বিকাশে লেনদেন করেছেন? ১০ হাজার টাকার উপরে বাঙলাদেশের সাধারণ মানুষ ও অফিসগুলো বিকাশে লেনদেন করে না, পলিসির কারণে করতে পারে না।

বিকাশ মূলত ছোট ছোট লেনদেনের অ্যাপ। সাধারণ মানুষ, গার্মেন্টস কর্মী, ছাত্র, কৃষক একে অন্যকে ২০০ টাকা, ৪০০ টাকা এভাবে পাঠায়। রিকশায় ভাংতি না থাকলে বিকাশে দেয়। রাইড শেয়ারিং অ্যাপে ভাড়া দেয়। সব রকম ভাংতির সংকটে বিকাশ ব্যবহার করে। সেলামি, বখশিশ, চটজলদি যে কোন ২০০-৫০০ টাকা পাঠাতে দেশের মানুষের একমাত্র একচেটিয়া সম্বল হলো বিকাশ।
আর এই প্রতিটা ট্র্যানজেকশনে বিকাশ নেয় ১০ টাকা।

রিকশাওয়ালাকে ৭০ টাকা ভাড়া দিলেও ১০ টাকা। সেলামিতে ২০০ টাকা দিলেও ১০ টাকা। দোস্ত একটু আটকে গেছি, ২০০ টাকা সেন্ড মানি কর - ক্ষেত্রেও ১০ টাকা।

বিকাশের এই ইউনিভার্সাল রেইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালনারেবল হলো গরীব মানুষ। যেহেতু প্রতিদিন ৪-৫টা লেনদেনে মাত্র ৫০ টাকা ব্যয় হচ্ছে, সে খেয়াল করে না। কিন্তু ক্যাশ আউট চার্জ বাদ দিয়েই সারা দেশের নিম্নমধ্যবিত্ত ৫ জনের একটি পরিবার মাসে ১৫০০ টাকা বিকাশকে দিচ্ছে। এটা সেই পরিবারের বিদ্যুৎ বিলের চেয়ে বেশি!

বাঙলাদেশে বহু প্রতিষ্ঠান আছে যারা মধ্যবিত্ত আর উচ্চ মধ্যবিত্তদের লুট করে। যেমন উবার অথবা লালা মুভ।
কিন্তু বিকাশের সিস্টেম তৈরিই হয়েছে ২০০-৪০০ লেনদেন করা গরীব মানুষকে নিপীড়ন করতে। একদম গরীব মানুষকে টার্গেট করে তারা এই সিস্টেম ডেভলপ করেছে। এই মুহূর্তে এর চাইতে গরীব বিধ্বংসী কোন ঐতিহাসিক পণ্য বা সেবা মনে পড়ছে না।

৩৫০ এমপির মধ্যে একটা প্রাণী নাই যে এটা নিয়ে সংসদে অর্থমন্ত্রীকে প্রশ্ন করবে। তাদের সবার রাজনীতি জনবিচ্ছিন্ন। তাদের রাজনীতি শুধু অর্থহীন জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় পরিচয় আর সংবিধান নিয়ে।

একদা ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে দেখেছিলাম, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার হবে নাকি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ আর ধর্মনিরপেক্ষতা হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কামড়াকামড়ি করছে।
আমি প্রচন্ড বিতৃষ্ণা নিয়ে বের হয়ে গেলাম। আমার বের হওয়াতে কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু এটলিস্ট আমি জেনে গেছিলাম - এরা আমাদের লোক না। এরা আমাদের রাজনীতিটা করে না।

- Irfan Sheikh, IR 49

10/08/2026

বেসরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে

ছয় মাসে সরকারের সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই এইটা হবে

এইটা সরকারকে ভোগাবে চরমভাবে ভোগাবে লিখে রাখেন

09/08/2026

ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের দোহাই দিয়ে যদি জুলাই যাদুঘর থেকে ওয়ান ইলেভেনের রেফারেন্স, ফেলানির স্কালপচার, বর্ডার কিলিং রুম, মোদি বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সরাতে হয়। তাহলে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখার জন্য কি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সরিয়ে ফেলতে হবে? তাহলে বাংলাদেশ বলে তো আর কিছুই থাকে না।

তারপরেও কূটনৈতিক সম্পর্কের কি পরিস্থিতি তাও আমরা দেখছি। শত অনুরোধের পরেও হাসিনার প্রেস ব্রিফিং এরেন্জ করে দিলো ভারত। প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দেওয়া হলো সম্মেলনে অংশ নিতে, অথচ ইনভাইটেশনে একবারের জন্য ও 'প্রাইম মিনিস্টার' সম্বোধন করা হলো না।

কেন আমাদের আগ্রাসন বিরোধী লড়াই এবং শহীদদের ইতিহাস আড়াল করতে চান? আশা করি জবাব দিবেন মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

07/07/2026

মিশর

07/06/2026

একটা মেয়ে আগে নাচ-গান সবই করত। তাদের পারিবারিক পরিবেশই ওরকম। পরিবারের উৎসাহেই সে নাচ-গান এবং ড্রাম বাজানো শিখেছিল।

কিন্তু হজ করার পর মেয়েটার মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। সে নাচ-গান ছেড়ে দিয়েছে। হিজাব পরা শুরু করেছে।

ড্রামটা অবশ্য এখনও ছাড়তে পারেনি। কিন্তু তারপরেও সে প্রফেশনালি ড্রাম বাজায় না। তার ভাইয়ের একটা ব্যান্ড আছে, সেখানেই সে হিজাব পরে ড্রাম বাজায়।

অল্পবয়সী একটা মেয়ে। হজ করার পর যে ড্যান্স ছেড়ে দিয়েছে, হিজাব ধরেছে, এটাই তো কত পজিটিভ একটা ব্যাপার! কত সুন্দর একটা নিউজ!

ড্রামটা এখনও ছাড়েনি, কিন্তু এই আশা তো করাই যায় যে, আরেকটু বয়স হলে সে এটাও ছেড়ে দিবে।

এই নিউজটাকে সহজেই পজিটিভলি গ্রহণ করা যেত। "ড্রামার হয়েও সে হিজাব ধরেছে" - এভাবে দেখা যেত।

কিন্তু না। টক্সিক বাঙালি এটাকে দেখছে "হিজাব পরেও কেন ড্রাম বাজাচ্ছে" - এই অ্যাঙ্গেল থেকে।

সে যে ইসলামের পথে ৭ পা এগিয়েছে, সেটার কোনো গুরুত্ব নাই। বাকি ৩ পা কেন আগায়নি, সেটা নিয়ে সমানে হাসাহাসি চলছে, ট্রোল চলছে। তার সাথে যুক্ত হয়েছে অনলাইন সাংবাদিকদের উৎপাত।

অবস্থা এমন পর্যায়ে গেছে, মেয়ের বাবা ক্ষমা চাইছে।

খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর একবার তরুণদেরকে উদ্দেশ্য বলেছিলেন - বাবারা, তোমরা যদি সিনেমা হলে সিনেমা দেখতে যাও, তারপরেও নামাজ মিস দিও না। সিনেমা হল থেকে বের হয়েই নামাজটা পড়ে নিও।

তার যুক্তিটা হচ্ছে, সিনেমা দেখা পাপ - ঠিক আছে। কিন্তু সেটা এমন কোনো মহাপাপ না যে তার জন্য নামাজ কবুল হবে না।

সিনেমা দেখা ছাড়তে পারলে তো ভালোই। কিন্তু না পারলেও নামাজ যেন মিস না হয়। সিনেমা দেখা দুই দিন পরেও ছাড়া যাবে। কিন্তু নামাজ একবার ছাড়লে সেই ক্ষতি আর পূরণ হবে না।

কিন্তু বাঙালির চরিত্র এমন, এমনিতে লক্ষ লক্ষ মানুষ সিনেমা দেখতে যাচ্ছে - তাতে তাদের সমস্যা নাই। সেটা নিয়ে তাদের কোনো মন্তব্য নাই। কিন্তু কাউকে যদি তারা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে নামাজ পড়তে দেখে, তাহলেই সেরেছে।

নামাজী হয়েও কেন সিনেমা দেখবে, সেইটা নিয়ে তারা এমন নেগেটিভ কমেন্ট করবে, ঈমান যথেষ্ট মজবুত না হলে ঐ বেচারার নামাজের প্রতি, বা অ্যাটলিস্ট এইসব সো কলড ঈমানদারদের প্রতিই বিতৃষ্ণা চলে আসবে।

এইটাই হচ্ছে খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরের মতো একজন বিজ্ঞ আলেমের আর ফেসবুকে নিজেদেরকে বিশাল ঈমানদার মনে করে অন্যকে নসিহত করতে যাওয়া পাবলিকের প্রজ্ঞার পার্থক্য।

01/06/2026

Address

137/2, Prembagan, KC School Road, Dakshinkhan
Dhaka
1230

Telephone

+8801819081703

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lamia Medical Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share