Natural Herbs BD

Natural Herbs BD This is a online based health shop . Here you will find solutions of any kind of health solution .

সকাল ১১ টা, হাসপাতালের চক্ষু বিভাগ, আজকে রোগীর চাপ তুলনামূলক কিছুটা কম।ধীরে ধীরে ৪০ বছর বয়সী একজন লোক স্ত্রীকে নিয়ে কিছু...
08/09/2026

সকাল ১১ টা, হাসপাতালের চক্ষু বিভাগ, আজকে রোগীর চাপ তুলনামূলক কিছুটা কম।

ধীরে ধীরে ৪০ বছর বয়সী একজন লোক স্ত্রীকে নিয়ে কিছুটা সংকোচের সাথে ওয়ার্ডে ঢুকলেন। চোখের ডাক্তার কোন রুমে বসেছেন একজন নার্সকে জিজ্ঞেস করলেন।

ডাক্তারের দরজার সামনে একটা ফাঁকা চেয়ার পেয়ে তিনি বসলেন। দরজার কাছে এসেও কিন্তু তিনি একাই ধীরপায়ে ভেতরে ঢোকেননি, দরজা পার হওয়ার সময় ওনার স্ত্রী ওনার হাতটা শক্ত করে ধরে ভেতরের চেয়ার পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে এলেন।

জিজ্ঞাসায় জানা গেল, পেশায় তিনি সেলসম্যান- জীবিকার তাগিদে যার প্রতিদিন মাইলের পর মাইল বাইক চালিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কথা। কিন্তু ৪০ বছরের সুঠাম দেহের এই মানুষটা আজ স্ত্রীর হাত ধরে পা ফেলছেন কেন?

আমরা যখন তাকে ডার্করুমের স্লিট ল্যাম্প মেশিনের সামনে বসালাম, রহস্যের প্রথম সূত্রটা পেলাম তখনই।

তার বাম চোখটা পুরোপুরি সুস্থ, স্বাভাবিক। কিন্তু ডান চোখ? চোখের মণির ভেতরটা এক ঘোলাটে, ধোঁয়াটে সাদা চাদরে ঢাকা! চোখের সামনে আমার একটা আঙুল নেড়ে জিজ্ঞেস করলাম "কয়টা দেখতে পাচ্ছেন?"

ভদ্রলোক বিষণ্ণ গলায় বললেন, "ডাক্তার সাহেব, শুধু আলো-ছায়ার মতো একটা হাত নাড়তে দেখছি, কিচ্ছু পরিষ্কার না।"

মেডিকেল সায়েন্স বলে, চোখের এই ঘোলাটে ভাব বা ছানি (Cataract) সাধারণত ষাট বা সত্তর বছর বয়সের পর জাঁকিয়ে বসে। কিন্তু ৪০ বছরের একজন মানুষের চোখ এভাবে অন্ধত্বের একদম দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালো কীভাবে?

রহস্যের জট খুলতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম "কখনো কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে? চোখে বা মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলেন?"

ভদ্রলোক মাথা নাড়লেন "না ডাক্তার সাহেব, আল্লাহ মাফ করুক জীবনে কখনোই কোনো এক্সিডেন্ট করিনি। বড় কোনো আঘাতও পাইনি।"

কোনো এক্সিডেন্ট নেই, অথচ চোখের লেন্সটা এরকম ঘোলা হয়ে গেছে! তাহলে কে বা কী নিঃশব্দে গিলে খেলো তার ডান চোখের দৃষ্টি? এই অপরাধী কে?

আমরা আরও বিস্তারিত প্রশ্ন শুরু করলাম। একটা একটা করে ক্লু মেলাতে মেলাতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম
"আপনি কি প্রতিদিন বাইক চালান? বাইক চালানোর সময় কেমন হেলমেট পরেন?"

ঠিক এই প্রশ্নটা করতেই রহস্যের সবচেয়ে বড় ক্লু-টা হাতে চলে এলো।

ভদ্রলোক মৃদু হেসে বললেন,
"ডাক্তার সাহেব, হেলমেট তো মাথায় রাখতে হয় পুলিশ চেকপয়েন্ট আসলে, বাকি সময় এটা মাথায় রাখা তো ঝামেলা"

"আচ্ছা আর হেলমেটের সামনের যে গ্লাস (Visor), ওটা কি তুলে রাখেন?"

"জ্বী স্যার, এটা আটকালে তো দম বন্ধ লাগে। খোলা রাখলে বাতাসে চোখ জুড়ায়, রাস্তায় দেখতে সুবিধা হয়।"

"চশমা-টশমা পরার অভ্যাস আছে বাইক চালানোর সময়?"

"না স্যার, আমার কি আর ওই স্টাইল করার বয়স আছে! আর কোনোদিন ছিল ও না।"

ব্যস, অপরাধীর মুখোস খুলে গেল!

তিনি কোনো বড় এক্সিডেন্ট করেননি ঠিকই, কিন্তু গত দেড় যুগ ধরে প্রতিনিয়ত অদৃশ্য শক্তি তাকে আক্রমণ করে গেছে। আসলে মূল অপরাধী ছিল দুইজন!

১. সূর্যের অদৃশ্য বিষ (UV Rays)- বছরের পর বছর ধরে রোদের মধ্যে গ্লাস ছাড়া বাইক চালানোর ফলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি তার চোখের লেন্সে পড়েছে। এই রশ্মি লেন্সের প্রোটিনগুলোকে পুড়িয়ে ভেতরের স্বচ্ছতা নষ্ট করে দিয়েছে,যার শেষ পরিণতি এই অকাল ছানি।

২. বাতাসের ছদ্মবেশী বুলেট (Micro-Trauma): বাইক যখন ৬০-৭০ কিলোমিটার গতির উপরে চলে, তখন বাতাসে ভেসে আসা এক ফোঁটা ধুলা, ছোট পাথরকুচি কিংবা একটা ছোট্ট পোকা কিন্তু আর সাধারণ কিছু থাকে না। ওটা চোখের নরম লেন্সের জন্য একেকটা বুলেটের মতো আঘাত হানে! চোখে সামান্য কটকট করেছে, ভদ্রলোক হয়তো হাত দিয়ে কচলিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলেছেন। কিন্তু ওই ক্ষুদ্র আঘাতটিই লেন্সের আবরণে তৈরি করেছিল অদৃশ্য এক ফাটল। বছরের পর বছর ধরে সেই ফাটল বড় হতে হতে চোখটাকে আজ প্রায় অন্ধ করে দিয়েছে।

গল্পের ট্র্যাজেডিটা কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
বয়সকালের স্বাভাবিক ছানি অপারেশন করলে দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসে। কিন্তু এই আঘাতজনিত ছানিতে চোখের ভেতরের অন্য অনেক সূক্ষ্ম রগ নষ্ট হয়ে যায়।

ভদ্রলোকের অপারেশন হয়তো আমরা করব, কিন্তু আগের মতো উজ্জ্বল দৃষ্টিশক্তি তিনি আর কখনো ফেরত পাবেন কি না, তা পুরোপুরি অনিশ্চিত!
অথচ পুরো বিপদটা আটকে দেওয়া যেত খুব তুচ্ছ একটা কাঁচের ঢাল দিয়ে!

আজকে যারা বাইক চালান, কিংবা আপনার পরিবারের কেউ প্রতিদিন রাস্তায় বাইক নিয়ে বের হন, একটু দেখবেন আপনিও কি একই ভুল করছেন?

এই অদৃশ্য সাইড-স্টোরিটা যেন আপনার জীবনে না ঘটে, তাই আজকেই ৩টি নিয়ম মেনে চলুন:

- হেলমেটের গ্লাস নামিয়ে রাখুন: যত গরমই লাগুক, বাইক স্টার্ট দিলেই হেলমেটের ভাইজর (Visor) নামিয়ে নিন। রাতে যদি রঙীন গ্লাসে সমস্যা হয়, তবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ বা ট্রান্সপারেন্ট চশমা ব্যবহার করুন।

- গ্লাস বা সানগ্লাস ব্যবহার করুন: যখন হেলমেট ব্যবহার করবেন না তখন UV400 প্রটেকশনযুক্ত ভালো সানগ্লাস পরুন। এমনকি মেঘলা দিনেও UV রশ্মি সক্রিয় থাকে। (তবে ফুটপাতের সস্তা সানগ্লাস এড়িয়ে চলুন, ওগুলো UV আটকায় না)। রাতে পরবেন একদম স্বচ্ছ চশমা।

- চোখ কচলানো পুরোপুরি নিষিদ্ধ: চোখে ধুলোবালি পড়লে কচলানো যাবে না। এতে সূক্ষ্ম কণাগুলো চোখে আঁচড় কেটে বড় ক্ষতি করে। শুধু পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

- বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা: কোনো সমস্যা না থাকলেও যারা একদম প্রতিদিন রাইড করেন, বছরে অন্তত একবার সরকারি হাসপাতালে আউটডোরে গিয়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞকে দিয়ে চোখ চেকআপ করিয়ে নিন।

আমাদের মাথা বাঁচানোর জন্য আমরা হেলমেট কিনি, কিন্তু ভূলেই যাই, এক জোড়া চোখ পুরো ভালো না থাকলে এই সুন্দর পৃথিবীটাই তো আর হাই কোয়ালিটি দেখা হবে না!
আল্লাহর প্রদত্ত এই কুদরত "দৃষ্টিশক্তি" র মূল্য কোটি টাকার চেয়েও বেশি, অমূল্য।

সবাই চোখের যত্ন নিন, সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

~ শাহরিয়ার, এমবিবিএস ফাইনাল ইয়ার।

শুরুতেই একটা কথা বলি ভাই-বোনেরা - এই পোস্টটা স্ক্রল করে চলে গেলে নিজের পা নিজেই কাটবেন। ১ মিনিট দাঁড়ান, কারণ এইবার কাহিন...
22/07/2026

শুরুতেই একটা কথা বলি ভাই-বোনেরা - এই পোস্টটা স্ক্রল করে চলে গেলে নিজের পা নিজেই কাটবেন। ১ মিনিট দাঁড়ান, কারণ এইবার কাহিনীটা আপনার ঘরের ভিতরের।
গত পরশু রাত ২টায় আমার কলেজের বেস্ট ফ্রেন্ডটা কল দিলো। ফোন ধরেই হাউমাউ কইরা কান্না। "দোস্ত, আম্মু কথা বলতেছে না রে... খালি একদিকে তাকায় আছে। ডাক্তার বলতেছে বড় কিছু হইছে।"
অথচ মাত্র ৭ দিন আগে আন্টি আমার বাসায় এসে পিঠা বানিয়ে দিয়ে গেলো। হাসতে হাসতে বলতেছিলো, "বাবা, একটু মাথা ঘোরায় আজকাল। বয়স হইতেছে তো।" আমরা হাসছিলাম। ভাবছি প্রেশার লো।
আজকের টপিক: ব্রেইন স্ট্রোক - যেটা আসার আগে কলিংবেল বাজায়, কিন্তু আমরা দরজা খুলি না।
২টা ঘটনা শোনেন।
১. আমার অফিসের সিনিয়র কলিগ, শোভন ভাই। বয়স ৩২। সারাদিন কম্পিউটার, রাতে গেমিং। স্মোক করে না, ড্রিংকসও না। সুস্থ-সবল মানুষ। লাস্ট ৩ মাস ধরে হঠাৎ হঠাৎ ডান হাতটা ঝিনঝিন করতো। ২-৩ মিনিটের জন্য কথা জড়ায় যাইতো। আমরা মজা করে বলতাম "বেশি গেম খেললে এমন হয়"। ভাবছে ভিটামিনের অভাব।
গত মাসে মিটিং-এর মধ্যে হঠাৎ চেয়ার থেকে পড়ে গেলো। হাসপাতাল নেওয়ার পর CT Scan-এ ধরা পড়লো - মেজর ব্রেইন স্ট্রোক। এখনো বাম সাইড প্যারালাইজড। ডাক্তার বললো, "ওই যে ২-৩ মিনিটের ঝিনঝিন, ওইটাই ছিলো Mini Stroke। শরীর ওয়ার্নিং দিছিলো। আপনারা বুঝেন নাই।"
২. আমার ফুপি, বয়স ৪৮। ডায়াবেটিস আছে, কিন্তু কন্ট্রোলেই থাকে। সমস্যা একটাই - প্রচণ্ড জেদি। মাথা ব্যথা করলে বলতো "এইটা আমার মাইগ্রেন, ছোটবেলা থিকা আছে"। লাস্ট শুক্রবারে জুম্মার নামাজ পড়তে গিয়া হঠাৎ কইরা মুখটা একদিকে বাঁকা হয়া গেলো। কথা অস্পষ্ট। সবাই ভাবছে জ্বিনে ধরছে। কবিরাজ ডাকতে ডাকতে ৪ ঘণ্টা শেষ।
হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার শুধু একটা কথাই বললো, "আর ২ ঘণ্টা আগে আনলে মানুষটা হাঁইটা বাড়ি যাইতো। এখন ব্রেইনের ৪০% ড্যামেজ।" ৪ ঘণ্টায় একটা জীবন শেষ।
স্ট্রোক কেন এত ডেঞ্জারাস? কারণ ব্রেইন হইলো আপনার শরীরের সিপিইউ।
হার্ট ১ মিনিট বন্ধ থাকলে CPR দিয়া ফেরানো যায়। কিন্তু ব্রেইনে ১ মিনিট রক্ত না গেলে ওই কোষগুলা চিরতরে মরে যায়। নষ্ট হয়ে যাওয়া মেমোরি কার্ডের মতো - যা গেছে, তা আর ফেরে না। এই জন্যেই স্ট্রোকের রোগী কথা বলতে পারে না, হাঁটতে পারে না, চিনতে পারে না।
তাহলে এই ঘরে বসে থাকা ভিলেনরে ডেকে আনি কারা?
১. "আমার তো প্রেশার নাই" - এই ভুল ধারণা: ভাই, হাই প্রেশারই স্ট্রোকের ১ নম্বর কারণ। কিন্তু মজার কথা হলো, ৫০% মানুষ জানেই না তার প্রেশার হাই। কারণ হাই প্রেশারের কোনো সিম্পটম নাই। নীরবে ব্রেইনের রগগুলারে পাইপের মতো ফাটায় দেয়।
২. সারাদিন বসে থাকা আর রাত জাগা: আপনি যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন, রক্ত জমাট বাঁধার চান্স ২ গুণ বাড়ে। আর রাত ১২টার পর জাগলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন বাইড়া রক্তনালী চিকন করে দেয়। রগে জ্যাম লাগার পারফেক্ট রেসিপি।
৩. সিগন্যালগুলারে "গ্যাস্ট্রিক" বলে চালিয়ে দেওয়া: এটা সবচেয়ে বড় ক্রাইম। স্ট্রোক আসার আগে শরীর ৩টা কোড ওয়ার্ডে সিগন্যাল দেয় - **FAST**। কিন্তু আমরা পাত্তাই দেই না।
স্ট্রোকের শেষ ওয়ার্নিং - FAST সিগন্যাল। এইগুলা দেখলে দৌড় দিবেন হাসপাতালে:
√ F - Face: হাসতে বলেন। মুখের একপাশ বাঁকা হয়ে যাবে।
√ A - Arms: দুই হাত সোজা উঁচা করতে বলেন। এক হাত নেমে যাবে বা তুলতেই পারবে না।
√ S - Speech: একটা সহজ বাক্য বলতে বলেন, "আমার নাম রহিম"। কথা জড়ায় যাবে, অস্পষ্ট শোনাবে।
√ T - Time: এই ৩টার একটাও যদি মিলে, সময় নষ্ট করা যাবে না। সাথে সাথে হাসপাতালে। কারণ স্ট্রোকের চিকিৎসার গোল্ডেন টাইম মাত্র সাড়ে ৪ ঘণ্টা। এর মধ্যে ইনজেকশন দিলে ৮০% মানুষ সুস্থ হয়ে যায়।
ভয়ের কিছু নাই ভাই, বাঁচার রাস্তা আপনার হাতেই। ৮০% স্ট্রোক ঠেকানো যায় শুধু এই ৩টা কাজে:
বয়স ৩০ পার হইলে ৩ মাসে একবার প্রেশার মাপেন। ফার্মেসিতে ২০ টাকা লাগে। এই ২০ টাকা আপনারে প্যারালাইসিস থিকা বাঁচাইতে পারে। প্রেশার 140/90 এর উপরে হইলেই ডাক্তার দেখান।
দিনে ৩০ মিনিট ঘাম ঝরান। জিম লাগবে না। বাসার সামনে হাঁটেন, সিঁড়ি বাইয়া উঠেন। এইটা রক্তরে পাতলা রাখে, জমাট বাঁধতে দেয় না। আপনার ব্রেইনের রাস্তার ঝাড়ুদার।
খাবারে কাঁচা লবণ আর টেস্টিং সল্ট বাদ দেন। আর পানি খান মিনিমাম ১০ গ্লাস। রক্ত ঘন হয়া গেলে স্ট্রোকের রিস্ক ডাবল।
ভাই, আমরা ১ লাখ টাকার ফোন হাত থেকে পড়ে গেলে কেঁদে ফেলি। আর আল্লাহর দেওয়া এই ব্রেইনটা, যেটা একবার গেলে দুনিয়ার কোনো টাকা দিয়া ঠিক করা যায় না, সেটার খবর রাখি না।
পোস্টটা সেভ করেন। আর আপনার বাবা-মা, বা যেই বন্ধুটা সারারাত জাগে, প্রেশারের ওষুধ খায় না - তারে মেনশন দেন। আপনার একটা মেনশনে যদি একজন মানুষ FAST সিগন্যালটা চিনে ফেলে, বিশ্বাস করেন ভাই/বোন, আপনি একটা পুরা পরিবার বাঁচিয়ে দিলেন।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের মাথা ঠাণ্ডা রাখুক, সুস্থ রাখুক। বুকে হাত দিয়া বলেন তো, আজকেই বাসার প্রেশার মেশিনটা চেক করবেন?
সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন, শুভকামনা।
আসসালামু আলাইকুম।

Collected

19/10/2025

বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গন/ধ/র্ষণ করা হয়েছিল। এই জঘন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাকে বেঁধে রেখে আমার সামনেই ন.রপিশাচ.রা আমার বউকে ধ'র্ষণ করেছিল। আমি অনেক আকুতি মিনতি করেছিলাম কিন্তু তাদের কানে আমার আকুতি পৌছায়নি। ওরা ছিলো চার জন। বিয়ের পর আমি নিজেই আমার বউ এর কাছে যাইনি। কারণ সে অসুস্থ ছিলো। কিন্তু ওরা অসুস্থ্যতা দেখেনি। ওরা চলে যাওয়ার পরেও পাঁচ ঘন্টা আমার স্ত্রী আমার সামনে ন/গ্ন, র'ক্তা/ক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। তাঁর কান্না আমার ভিতর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বেডে দিন গুনতে থাকে। আর আমি ধ'র্ষক'দের শাস্তির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে থাকি। একসময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে কেস চালাতে হয়েছে আমাকে। আমার সবকিছু আমি বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধু ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি পাইনি।

তিনমাস পর তারা জামিনে বের হয়ে আসে। আর সেদিনই আমার স্ত্রী গ'লায় দ'ড়ি দিয়ে আ"ত্মহ'ত্যা করা। চিঠিতে লিখে গিয়েছিল।
এই দেশে ধ'র্ষকের শাস্তি হয় না কিন্তু ধ/র্ষিতার মানসিক শাস্তি ঠিকই হয়।

আমার সামনে দিয়ে যখন আমার বউকে ধ"র্ষণ করা মানুষগুলো হেঁটে যেতো তখন ম'রে যেতে ইচ্ছে করতো। ওরা ছিল প্রভাবশালী তাই ওদের কে কিছু করা যাবে না সেটা জানি আমি।

একটা মেয়ের সাহায্য নিয়ে ওদের চারজনকে আমি কিড'ন্যাপ করি। কারণ ওরা ছিলো সে"ক্স পাগল। সে"ক্সের জন্য কোনো মেয়ে বললে যেখানেই হোক না চলে যেতো। চারজন মানুষকে একা কিডন্যাপ করা কখনো সম্ভম না। কিন্তু আমি করেছিলাম। তার জন্য ব্যবহার করেছিলাম একজাতীয় স্প্রে যেটা নাকে ধরলে চব্বিশ ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।
ওরা যখন চোখ খুলে তখন একটা অন্ধকার রুমের ভিতর হাত পা বাঁধা অবস্থায় পড়েছিল।

ওদের জ্ঞান ফেরার পরেই আমি ছুটে যাই ওদেরকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন আমার মনে হয় আমার বউ এর মৃ'ত্যু য/ন্ত্রণা। কতোটা কষ্ট দিয়েছিলো তাকে। হাসপাতালের বেডে কতোটা যন্ত্রণা সহ্য করেছিল।

তখন আমার মনে হলো এদেরকে শুধু দুইমিনিটের মৃ/ত্যু দিলে আমার বউ এর আত্মা শান্তি পাবে না। এদের আমি পৃৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর আর কষ্টকর মৃ/ত্যু উপহার দেবো।

সাতদিন ওদেরকে আমি বাঁচিয়ে রেখেছিলাম। সাতদিন ওদের সাথে আমি নর"পিশা"চের মতো ব্যবহার করেছিলাম।

ওদের শরীরের প্রতি ইঞ্চি পরপর শুই ঢু'কিয়ে'ছিলাম। শুই দিয়ে মুখের সমস্ত জায়গায় ছিদ্র করেছিলাম। তারপর সমস্ত গায়ে ল'বণ ম'রিচ মাখিয়ে দিয়েছিলাম নিজ হাতে।

দ্বিতীয় দিন তাদেরকে টানা দুই ঘন্টা ধ'র্ষণ করিয়েছিলাম। তারা কান্না করে চিৎকার করেছিল। সহ্য করতে পারছে না। তখন আমি এক পৈ'শাচি'ক আনন্দ ভোগ করেছিলাম।

তৃতীয় দিন আমি তাদের মাথার চুলগুলো টেনে টেনে তুলি। এটা করতে আমার অনেক কষ্ট হয়েছিলো। চতুর্থ দিন আমি তাদের কান দুটো প্লাস দিয়ে টেনে টেনে ছিঁড়ে/ছিলাম। তারা সেদিন আমার কাছে মৃ/ত্যু ভিক্ষা চেয়েছিল। খুব করে আকুতি করেছিলো তারা আর সহ্য করতে পারছে না। মৃ/ত্যু চায় তারা। কিন্তু আমি তাদের মৃ/ত্যু দেয়নি। পঞ্চম দিন আমি তাদের চোখদুটো তুলে ফেলি। তুলে ফেলার আগে চোখে মরিচের গুড়া দিয়েছিলাম। তারা পঞ্চম দিনে অজ্ঞান হয়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম ওরা মা/রা গিয়েছে। তাই নিজের প্রতি অনেক রাগ হয়েছিলো সেদিন। কিন্তু সাতদিনের দিন তাদের জ্ঞান ফিরে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম তারা বেশি সময় বাঁচবে না। তাই তাদের চির'তরে শে'ষ করার সিদ্বান্ত নেই।

তাদের লি/ঙ্গে/র অর্ধেক কে/টে ফেলেছিলাম। তারপর তাদের বাকি লি/ঙ্গতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে আস্তে আস্তে পুরো শরীরে আগুন ছড়িয়ে যায়। তবে অনেক সময় লেগেছিলো তাদের শ'রীরে আ'গুন ছ'ড়াতে। তারা প্রায় বিশ মিনিটের মতো আগুনে পু"ড়েছে আর মৃ/ত্যু যন্ত্র/ণায় চি/ৎকার করেছে।
পুরো সাতদিনে আমি একটা ভিডিও বানাই। সাতান্ন মিনিটের একটা ভিডিও। যেটাতে সাতদিনের ভয়ংকর শাস্তিগুলো রেকর্ড করা ছিলো। আমি জানতাম ভিডিওটা ফেসবুকে ছাড়লে ভাইরাল হবে। তাই ফেসবুকে ছেড়ে দেই।

ভিডিওটা দেখার পর বারো জন ধ/র্ষক আত্ম"হ'ত্যা করে। কিছু মানুষ দেখে স্ট্রোক করে। কিছু মানুষ ভিডিওটা দেখার সাহস পায়নি।

ভিডিওটা দেখার পর ধ'র্ষণ অনেকটা কমে এসেছে।

তবে আদালত আমার ফা"সির রায় দিয়েছে। আমি এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে ধ"র্ষণ করার জন্য জেল,ফাসি কিছু হয় না। কিন্তু ধ"র্ষক"দের শাস্তি দেওয়ার অপরাধে ঠিকই আদালত আইন প্রয়োগ করে।

#ধর্ষকের_শাস্তি

লেখা ও ছবি কালেক্ট করা হয়েছে ;

অনিরুদ্ধ গুহ-এর ওয়াল থেকে।

ধন্যবাদ অন্তবর্তী সরকারকে, এ দাজ্জালী গাছ নিষিদ্ধ করায়।
15/05/2025

ধন্যবাদ অন্তবর্তী সরকারকে, এ দাজ্জালী গাছ নিষিদ্ধ করায়।

শিশুদের খাবার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর জন্য নিচের পরামর্শ গুলো অনুসরণ করুন।শিশুদের খাবার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে দুইটি বিষয়কে ন...
18/04/2025

শিশুদের খাবার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর জন্য নিচের পরামর্শ গুলো অনুসরণ করুন।

শিশুদের খাবার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে দুইটি বিষয়কে না বলতে হবে।

(১)খাবার সময় মোবাইল দেখিয়ে খাওয়ানো যাবে না।

(২)জোর করে শিশুকে খাওয়ানো যাবে না. এতে করে খাবারের প্রতি ভয় তৈরি হয়। যেটাকে আমরা Fear response বলি।

পাঁচটি বিষয়কে হা বলতে হবে।

(১)একই ধরনের খাবার বারবার দেওয়া যাবে না।
যেমন আপনি যদি ডিম দিয়ে থাকেন প্রতিদিন ডিম সিদ্ধ না দিয়ে আজকে ডিম সিদ্ধ দিলে কালকে ডিম ভাজি করে দিলেন এর পরদিন ডিমের পুডিং করে দিলেন।

√আপনি যদি দুধ দিয়ে থাকেন তাহলে প্রতিদিন তরল দুধ না দিয়ে আজকে তরল দুধ দিলেন কালকের সেমাই করে দিলেন এর পরের দিন পায়েস করে দিলেন।

এভাবে খাবারের মধ্যে বৈচিত্র্যতা নিয়ে আসতে হবে এতে করে একটা শিশুর খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়বে ইনশাআল্লাহ।

√পরিবেশের বৈচিত্র তার মধ্যে আছে শিশুর খাবারের টেবিল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। শিশুর খাবারের জন্য ব্যবহৃত থালা, চামচ এবং বাটি বিভিন্ন রং এর হতে হবে অর্থাৎ আকর্ষণীয় হতে হবে। এতে করে শিশুর খাবারের প্রতি আগ্রহ থাকবে।

(২)শিশুকে পরিবারের সবার সাথে বসিয়ে খাওয়াতে হবে। মা শিশুর সামনে বসবেন চোখের সাথে চোখ রাখতে হবে।

(৩)আপনি যখন খাবার রান্না করবেন তখন আপনার শিশুকে পাশে বসিয়ে রাখবেন এবং দেখিয়ে দেখিয়ে রান্না করবেন এতে করে খাবারের প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হবে।

(৪)শিশুকে খাবার বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে অর্থাৎ আপনি মাঝে মাঝেই তাকে জিজ্ঞেস করবেন তুমি কোন ধরনের খাবার খেতে চাও? তোমার কোন ধরনের খাবার পছন্দ এবং আপনি ওই ধরনের খাবার তাকে দিবেন।

(৫)শিশুকে অবশ্যই পুষ্টিকর খাবারগুলো দিতে হবে। আর এই ধরনের খাবার বাড়ির আশেপাশেই পাওয়া যায়। যে সমস্ত খাবারে ভিটামিন বি১,বি৬,বি১২,ফলিক এসিড, জিংক,আয়োডিন থাকে এ সমস্ত খাবার বেশি করে দিতে হবে।

যেমন মাছ, মাংস, দুধ,ডিম,সবুজ শাকসবজি,বাদাম,মটরশুটি ইত্যাদি। মাছের মধ্যে যে সমস্ত মাছের মধ্যে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে সেগুলো শিশুকে দিবেন। শিশুদের জন্য সামুদ্রিক মাছ গুলো সবচেয়ে ভালো।

এগুলো আমি মেনে চলি,তোমরাও মেনে চলতে পারো।❤️❤️

©Dr Sahinul Islam

মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যা*ন্সার উধাও !ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যা*ন্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ ...
29/01/2025

মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যা*ন্সার উধাও !

ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যা*ন্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যা*ন্সার কোনো মর*ণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মা*রা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।
তার মতে, মাত্র দুটি উপায় vঅনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যা*ন্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যা*ন্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যা*ন্সার।
মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমো*থেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যা*ন্সার সেরে যাবে।
চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যা*ন্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যা*ন্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।
সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যা*ন্সার থেকে রক্ষা করুন।”
সূত্র :- রেড্ডি।
সংগ্রহ :- ভাস্কর।

20/10/2024

আচ্ছা একবার ভাবুন তো,আপনার টাকা-কড়ি অর্থ-বিত্ত সবই আছে,কিন্তুু বিশেষ মূহুর্তে আপনি স্ত্রীর কাছে লজ্জিত !
তবে আমাদের ইনবক্স করুন।

一═⌊✪⌋ইদানিং অত্যাধিক পরিমাণে পুরুষদের মধ্যে যৌন সক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ কী ? ⌊✪⌋═一পুরুষদের মধ্যে যৌন সক্ষমতা কমে যাওয়ার ...
13/10/2024

一═⌊✪⌋ইদানিং অত্যাধিক পরিমাণে পুরুষদের মধ্যে যৌন সক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ কী ? ⌊✪⌋═一

পুরুষদের মধ্যে যৌন সক্ষমতা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি বা টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া ।
হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেস্টোস্টেরনের এর ফলে হাড় এবং মাংস পেশীর গঠন প্রভাবিত হয়। ছেলেদের হাড় ও মাংসপেশীর ঘনত্ব বাড়ে, রক্তে লোহিত কণিকার উৎপাদন বাড়ে, কণ্ঠস্বরে পরিবর্তন হয়ে তা ভারী হয়, মুখে দাড়ি হয়, শরীরের অন্যান্য অংশ লোম বাড়ে, যৌনাঙ্গের বৃদ্ধি ঘটে। একই সাথে যৌন ক্রিয়া এবং প্রজনন সক্ষমতা জাগ্রত হয়। টেস্টোস্টেরন হচ্ছে এক ধরনের হরমোন যা পুরুষের মধ্যে পুরুষালি বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়। এ কারণে একে অ্যান্ড্রোজেন বা সেক্স হরমোন বা লিঙ্গ নির্ধারণী হরমোনও বলা হয়।
এই হরমোন অণ্ডকোষে তৈরি হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে এই হরমোন
কমে যাওয়াই যৌন দূবলতার অন্যতম কারণ ।

তাই এই সমম্যা সমাধানে আপনার জন্য বেষ্ট সলিউশন হলো,আমাদের সাইডইফেক্ট মুক্ত ১০০% অর্গানিক ন্যাচারাল হারবস্ ।

কেন বেছে নেবেন আমাদের অর্গানিক ভেষজ ?

* আমাদের ১০০% অর্গানিক ভেষজ পণ্যগুলি যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে
এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

* আমাদের সকল পণ্য প্রাকৃতিক ও অর্গানিক উপাদান দিয়ে তৈরি, যা
শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।

* পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই: অর্গানিক পণ্য ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কম
থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।

* শক্তি বৃদ্ধি: নির্ভরযোগ্য গবেষণা অনুযায়ী, ভেষজ উপাদান যৌ*ন
শক্তি এবং যৌ*ন চাহিদা বাড়াতে সাহায্য করে।

* হরমোনের ভারসাম্য: প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় শরীরের
হরমোনের স্তরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে এবং একজন সুপুরুষ
হিসাবে তৈরিতে সহায়তা করে।

Call: 01776424660
বিস্তারিত জানতে আমাদের হটলাইনে কল করুন অথবা ইনবক্স করুন। ধন্যবাদ ।




কলা খাওয়ার উপকারিতা: কলা একটি প্রাকৃতিক ঔষধ।অনেকেই আছেন যারা কলা খেতে পছন্দ করেন না তাদের জানিয়ে রাখছি কলা অত্যন্ত উপকা...
04/10/2024

কলা খাওয়ার উপকারিতা:

কলা একটি প্রাকৃতিক ঔষধ।
অনেকেই আছেন যারা কলা
খেতে পছন্দ করেন না তাদের
জানিয়ে রাখছি কলা
অত্যন্ত উপকারী একটি ফল।
কলাতে আমাদের শরীরের শক্তি বর্ধনকারী সুকরোজ, ফ্রুক্টোজ,
গ্লুকোজ এবং ফাইবার রয়েছে। গবেষণায় জানা যায় মাত্র দুইটি
কলা প্রায় ৯০ মিনিট পূর্নোদ্যমে
কাজ করার মত শক্তি যোগায়
এবং বিশ্বে ক্রীড়াবিদদের
ডায়েটের অন্যতম ফল হল কলা।
কলা যে কেবল শরীরে শক্তি যোগায় তা নয় বরং মানসিক,শারীরিক
অনেক অসুস্থতা থেকে কলা
আমাদের প্রতিরোধ করে।
তাই দেরী না করে জেনে নিন
কলার প্রাকৃতিক গুন বৈশিষ্ট্য।
১. কলা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল।
২. এতে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণের সমন্বয় রয়েছে।
৩. কলায় শর্করা, সামান্য আমিষ, কিঞ্চিত ফ্যাট, পর্যাপ্ত খনিজ লবণ ও যথেষ্ট আঁশ আছে।
খনিজ লবনের মধ্য আছে
পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম,
ফসফরাস ও লৌহ।
৪. কলায় ভিটামিন এ, বি ও কিছু ভিটামিন-সি আছে।
৫. একটি কলা প্রায় ১০০ক্যালরি শক্তির জোগান দেয়।
৬. কলায় আছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা, যা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে ক্লান্তি দুর করতে সহায়ক।
৭. কলা হজমে সাহায্য করে।
৮.অ্যাসিডিটি বা গ্রাস্টিক আলসারের রোগীরা কলা খেতে পারেন উপকারী ভেবে।
৯. পাকা নরম কলা অ্যাসিডিটি নিরাময়ে সক্ষম।
১০. পাকস্থলীর আবরনীতে নরম কলার প্রলেপ আলসারের অস্বস্তি ওকমায়।
১১. অ্যাসিডিটির জন্য বুক জ্বালা কমাতেও কলা সহায়ক।
১২. কলা যেমন কোষ্টকাঠিন্য দুর করে,তেমনি পাতলা পায়খানাও পকারী।
১৩. বাতের ব্যথার জন্য কলা উপকারী।
১৪. কলা লৌহ রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরীতে কাজে লাগে। কলা তাই রক্তশূন্যতায় ও উপকারী।
১৫. সবশেষে কলা রক্তচাপ কমাতে সহায়ক এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে ও কার্যকরী
১৬. কলার থোড় বা মোচা এবং শিকড় ডায়াবেটিস, আমাশয়, আলসার, পেটের পীড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
১৭. আনাজী কলা পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীর পথ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। পাকা বীচিকলার বীজ কৃমিনাশক।
কলার এতো গুনাগুণ জানার পর দিনে অত্যন্ত দুটি করে কলা খাবেন তাহলে ঔষধ খাওয়া ছাড়াই অনেক রোগ থেকে আপনি মুক্তি পেতে পারবেন।
আরো ভালো ভালো টিপস পেতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।


এনাল ফিশার এবং পাইলস সমস্যা ও সমাধানঃ-অনেকেই মলদ্বারের নানান ধরনের ব্যথায় ভুগে থাকেন। এই ব্যথা সূত্রপাত সাধারনত হয়ে থাকে...
18/09/2024

এনাল ফিশার এবং পাইলস সমস্যা ও সমাধানঃ-

অনেকেই মলদ্বারের নানান ধরনের ব্যথায় ভুগে থাকেন। এই ব্যথা সূত্রপাত সাধারনত হয়ে থাকে মলদ্বারে ঘা অথবা ফেটে যাওয়া থেকে। মলদ্ধার এরূপ ঘা অথবা ফেটে যাওয়াকে এনাল ফিশার বলে। এনাল ফিশার দুই ধরনের হয়।

১. একিউট (তীব্র) ফিশারঃ একিউট এনাল ফিশার হলে রোগীর মলদ্বারে অসম্ভব ব্যথা হয়। একিউট এনাল ফিশার রুগীদের মলদ্বার পরীক্ষা করলে দেখা যায় তাদের মলদ্বার খুবই সংকুচিত অবস্থায় আছে। মলদ্বারের ভেতরের ঘা থাকার কারণে এটি দেখা কষ্টকর হয়ে দাড়ায়। তীব্র ব্যথার কারণে মলদ্বারের কোনো যন্ত্রও প্রবেশ করানো যায় না। শুধুমাত্র সরু একটি যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করা যায়।

২. ক্রনিক (দীর্ঘস্থায়ী) ফিশারঃ ক্রনিক এনাল ফিশারে ব্যথার ক্ষেত্রে একিউট ফিশারের থেকে তারতম্য হয়। ক্রনিক ফিশার যে কোনো বয়সে হতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী এনাল ফিশারের ক্ষেত্রে একটি মাংসপিণ্ড বা গেজ দেখা দিতে পারে। এটি মলদ্বারের বাহিরে বা ভেতরে একটি মাংসপিণ্ড দেখা যেতে পারে। এ মাংশপিণ্ডকে অনেকে টিউমার ভেবে ভুল করে থাকে। এ ক্ষেত্রে টিউমার বা প্রদাহজনিত কারণ চিহ্নিত করার জন্য পায়ুপথের ভেতর যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করা উচিত। দীর্ঘস্থায়ী ফিশার সংক্রমিত ফলে কখনও ফোঁড়া হয়ে ফিস্টুলা (ভগন্দর) হয়ে পুঁজ পড়তে পারে।

যেসব কারনে পাইলসের সমস্যা হয়ঃ

পাইলসের সমস্যার জন্য দায়ী সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেয়া। এছাড়াও শক্ত মল বের হওয়ার সময় অতিরিক্ত চাপের ফলে মলদ্বার ফেটে যায় বলে মনে করা হয়। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত খাবারের স্বল্পতারও একটি অন্যতম কারন। আঁশযুক্ত খাদ্য তালিকার মধ্যে রয়েছে আলু, শাকসবজি, কাঁচা ফলমূল, ইসবগুলের ভূসি, ছোলা ইত্যাদি। চা-কফিতে অসক্ত থাকার সাথে পাইলসে সমস্যার কোনো সম্পর্ক নেই।

ঘনঘন মলত্যাগ ও ডায়রিয়া হলে ফিশার হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

এনাল ফিশার এবং পাইলসের উপসর্গ ➤

সাধারণত মলত্যাগের পরে থেকে শুরু হয়ে কয়েক মিনিট থেকে শুরু করে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্তও এ ব্যথা চলতে থাকে। ফিশারের প্রদান লক্ষন রক্তক্ষরণ আবার ক্ষেত্র বিশেষে রক্তক্ষরণ নাও হতে পারে। ধারনা করা হয়, প্রকটালজিয়া ফুগাক্স নামক এক ধরনের রোগেও ফিশারের ব্যথার মত মলদ্বারে ব্যথা হয় কিন্তু সে ব্যথা মলত্যাগের সাথে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় না।

অনেক ক্ষেত্রে রুগী অভিযোগ করে থাকেন মলদ্বারে চাকা আছে বলে। রক্তজমাট বাঁধার কারনেও এরকমটি মনে হতে পারে। ক্রনিক এনাল ফিশার রুগীদের ক্ষেত্রে উপসর্গ টা একটু ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাদের ক্ষেত্রে মনে হতে পারে অতিরিক্ত মাংশপিন্ড আছে মলদ্বারে, চুলকানি, পুঁজপড়া এ সব উপসর্গও দেখা দিতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ হতেও পারে নাও হতে পারে। আবার অনেক সময় ব্যথা তীব্রতা কম-বেশিও হতে পারে। ফিশারের রুগীরা অনেক সময় প্রস্রাব করার সময় তিব্র ব্যথা অনুভব করেন। কখনও কখনও মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় বেদনা অনুভব করে থাকেন। রুগী বুজতে পারেন যে তার কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে মলত্যাগে ব্যথা অনুভত হচ্ছে, অনেক সময় রুগী ব্যথার ভয়ে টয়লেটেও যেতে চান না এবং বেগ আসলেও ভয়ে সাড়া দেন না।

এনাল ফিশার প্রতিরোধ ও তার
চিকিৎসাঃ

প্রতিদিন আমাদের খাদ্যতালিকাই আঁশযুক্ত খাবার রাখতে হবে। আঁশযুক্ত খাদ্য তালিকার মধ্যে রয়েছে আলু, শাকসবজি, কাঁচা ফলমূল, ইসবগুলের ভূসি, ছোলা ইত্যাদি। বেশি শক্তি প্রয়োগ করে মলত্যাগ না করা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যে যাতে না হই সে দিকে সব সময় খেয়াল রাখা, এজন্য খাদ্যাভ্যাসের প্রতি নজর দেওয়া জরুরী। ডাইরিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া এবং ঘন ঘন মলত্যাগের অভ্যাস পরিহার করতে হবে।

চিকিৎসা:

বিনা অপারেশনে ভালো হওয়ার জন্য ফিশার সমস্যার শুরুর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ নিলে আপনি একিউট ফিশার অবস্থাতেই ভালো হওয়া সম্ভাব। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সার্জিক্যাল চিকিৎসা এবং মলদ্বারের স্ফিংটারে অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে। সেক্ষেত্রে আপনি একজন Colorectal Surgery(Piles) - এনাল ফিশার এবং পাইলস বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ধন্যবাদ।





©Sebaghor

Address

Dhaka
1213

Telephone

+8801776424660

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural Herbs BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share