15/05/2026
হাম নিয়ে অপপ্রচার-১
২০২৪ এর আগে পর্যন্ত হামের টিকার কাভারেজ ছিল ৯৫%!
আসল ঘটনা:
গত ৭ই এপ্রিল ইউনিসেফ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত হামের টিকা সরবরাহের হার(প্রথম ডোজ- MR1) ৮৮.৬% থেকে কমে ৮৬% হয়েছে। এবং দ্বিতীয় ডোজ-MR2 এর সরবরাহ ৮৯% থেকে কমে ৮০% এ নেমে এসেছে।
এর ফলে মূলত যা হয়েছে, ১ কোটি শিশু হামের প্রথম ডোজ(MR1) টিকা পায়নি।এবং ২ কোটি শিশু দ্বিতীয় ডোজ(MR2) টিকা পায়নি।যা হাম রোধে বিরাট একটা গ্যাপ।এর ফলে শিশুদের High Immunization Rate ভয়াবহ মাত্রায় ফল করেছে।এবং এর কারন হলো ২০১৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত হামের টিকার সরবরাহের গ্যাপ।এবং এই গ্যাপের কারনেই শিশুরা সেই সময় থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা না পাওয়ায় বর্তমানে তা প্রকট আকার ধারন করেছে।
অর্থাৎ,ইউনিসেফ এর প্রকাশিত প্রতিবেদনের এই অংশেই প্রমান হয় যে,দেশে বর্তমান হাম মহামারির পেছনে আসলে ইউনুস কিংবা বর্তমান সরকারের কেউ দায়ী নয়, বরং ২০১৯ থেকে ২০২৩ এর সরকার দায়ী।
হাম নিয়ে অপপ্রচার-২
ইন্টেরিমের সময় তো টেন্ডার বাতিল হয়ে টিকা আসা বন্ধ রেখেছিল, তাইলে ইন্টেরিম ই তো সাম্প্রতিক সময়ে টিকা বন্ধের কালপ্রিট!
আসল ঘটনা:
প্রায় মূলধারার প্রত্যেকটা পত্রিকা ঢালাওভাবে নিউজ করেছে যে, ইন্টেরিম নাকি ইউনিসেফের টিকা কেনা বন্ধ করে উন্মুক্ত টেন্ডার আহবান করেছে।অথচ পুরো টেন্ডার যদি বাতিলই হয় তাহলে এই চলতি মে মাসের ৩ তারিখে ইন্টেরিমের অর্ডার করা টিকার চালান দেশে এলো কিভাবে? অর্থাৎ ইন্টেরিম টেন্ডারের অর্ধেক বাতিল করেছে।পুরোপুরি না।এবং ইন্টেরিমের অর্ডারকৃত টিকা দিয়েই বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এখনো পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে(তবে বর্তমান এখন সরকার নতুন অর্ডার করছে)
আবার ইন্টেরিমের আমলে যদি টিকা না আনা হতো তাহলে ইপিআই এর তথ্যমতে ২০২৫ সালে শিশুরা প্রথম ডোজ ৯২.৯৩% ও দ্বিতীয় ডোজ ৯০.৭৮% পেলো কিভাবে?(সুস্থ থাকার জন্য দরকার গড়ে ৯৪-৯৫%)
অর্থাৎ ইন্টেরিমের সময় টিকা সরবরাহে ঘাটতি হয়েছে এ তথ্যের প্রায় ৯৫-৯৭ শতাংশই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।কেননা মিডিয়াগুলো নিউজে বলছে ২০২৫ সালে মাত্র ৫৯% শিশু টিকা পেয়েছে। যা একধরনের ফ্রেমিং!