Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব

Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব Safe delivery is the right of all mothers. Thus, the page aims to listen and inform mothers about the

This page is managed by a health communication professional trained in the USA. It plays a role in enriching the knowledge of the mothers about safe pregnancy in order to nourish their health and make capable them to attend meaningful discussions during their doctors' visits.

25/08/2026

প্রসব পরবর্তী নবজাতকের পাশাপাশি নিজের সঠিক যত্ন নিন।এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

গর্ভবতী কার্ড সম্পর্কে যারা জানতে চান,তাদের জন্য পোস্ট ...👉৪–৬ মাসের প্রেগনেন্ট( অন্তঃসত্ত্বা) হলে আপনি পেতে পারেন সরকার...
24/08/2026

গর্ভবতী কার্ড সম্পর্কে যারা জানতে চান,তাদের জন্য পোস্ট ...

👉৪–৬ মাসের প্রেগনেন্ট( অন্তঃসত্ত্বা) হলে আপনি পেতে পারেন সরকারি ভাতা! প্রতিমাসে ৮৫৫টাকা করে টোটাল ৩০,৬০০টাকা।
৩৬মাস অবধি টাকা পাবেন!❤️

২য় সন্তানের ক্ষেত্রেও আপনি ভাতা পাবেন।তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে পাবেন না!

💚💚 কে কে আবেদন করতে পারবেন?

👉 বর্তমানে গর্ভাবস্থার ৪–৬ মাস চলছে

👉বয়স ২০-৩৫ মধ্যে হতে হবে

👉 ANC (Antenatal Care) কার্ড আছে(যেকোন সরকারি হসপিটাল থেকে সংগ্রহ করবেন)

👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) রয়েছে

👉 ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত

💚💚 কিভাবে আবেদন করবেন?

নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদ,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়,পৌর ডিজিটাল সেন্টার অথবা সিটি কপোরেশন অফিসে যাবেন।

অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে,

ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনটি সাবমিট করবেন।

❌কোনরকম আর্থিক লেনদেন করবেন না!

💚💚 যে কাগজপত্র লাগবে:

👉 ANC কার্ড (গর্ভকালীন চেকআপ কার্ড)

👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

👉নিজস্ব সচল মোবাইল নম্বর, ব্যাংক একাউন্ট ও অন্যান্য মৌলিক তথ্য

⏰ গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা:

🗓️ প্রতি মাসের ১–২০ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে

➡️ সময় পার হলে সেই মাসে আবেদন গ্রহণ নাও হতে পারে

অনেক মা সঠিক সময়ে আবেদন না করায় এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।

তাই

👉 তাই ৪ মাস পূর্ণ হলেই দেরি না করে ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করুন

👉 ANC চেকআপ নিয়মিত করুন—এটি শুধু ভাতার জন্য নয়,সন্তান ঠিকমত বড় হচ্ছে কিনা সার্বিক অবস্থা জানার জন্য👍

👉৪–৬ মাসের প্রেগনেন্ট( অন্তঃসত্ত্বা) হলে আপনি পেতে পারেন সরকারি ভাতা! প্রতিমাসে ৮৫৫টাকা করে টোটাল ৩০,৬০০টাকা।

23/08/2026
ফলিক এসিড কেনো খাবেন...১.মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড গঠন: শিশুর স্নায়ুতন্ত্র ও নিউরাল টিউব সঠিকভাবে তৈরি হতে সাহায্য করে।২.জন্ম...
23/08/2026

ফলিক এসিড কেনো খাবেন...

১.মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড গঠন: শিশুর স্নায়ুতন্ত্র ও নিউরাল টিউব সঠিকভাবে তৈরি হতে সাহায্য করে।
২.জন্মগত ত্রুটি রোধ: শিশুর মস্তিষ্কের বা মেরুদণ্ডের মারাত্মক ত্রুটির ঝুঁকি কমায়।
৩.রক্ত উৎপাদন: মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করে রক্তশূন্যতা দূর করে।
৪.কোষ বিভাজন: গর্ভে শিশুর কোষের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বিকাশে সহায়তা করে।

বি.দ্রঃজন্মগত ত্রুটি রোধে গর্ভধারণের পরিকল্পনা করা থেকে গর্ভবতী হওয়ার ৩ মাস পর্যন্ত ফলিক এসিড খাওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

আজ থেকে নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) লালবাগ, গেন্ডারিয়া,...
22/08/2026

আজ থেকে নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর থানার ১৭টি ওয়ার্ডে ১৯২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও এবং মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নির্দিষ্ট এলাকাতেও এ কর্মসূচি চলবে।

[একজন দায়িত্ববান স্বামীর (Ashikul Karim) লিখা এই পোস্টটা অবশ্যই পড়বেন!]আমার বউ যখন প্রথমবার প্রেগন্যান্ট হয়, তার কিছুদিন...
21/08/2026

[একজন দায়িত্ববান স্বামীর (Ashikul Karim) লিখা এই পোস্টটা অবশ্যই পড়বেন!]

আমার বউ যখন প্রথমবার প্রেগন্যান্ট হয়, তার কিছুদিন পর তার একটি ভয়াবহ শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। রক্তে Bile Acid বেড়ে যাওয়ার কারণে রাতের বেলা তার সারা শরীর কোন র‍্যাশ ছাড়াই চুলকাত। বাচ্চা পেটে থাকা অবস্থায় সে ৮ মাস একটা রাতের জন্যেও ঘুমাতে পারেনি। চুলকানি সইতে না পেরে সে মাঝরাতে উঠে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদত!

আরো হৃদয়বিদারক ব্যাপার হচ্ছে, এই কান্না সে নিঃশব্দে করত, যাতে আমার ঘুম ভেঙে না যায়।

বাচ্চা হবার পর আমার বউয়ের চুলকানি পুরোপুরি সেরে গেল৷ তবে নতুন যে সমস্যা তৈরী হয়েছে, সেটা হলো আমাদের বাচ্চা রাতে ঘুমায় না। আমার নির্ঘুম বউ বাচ্চা কোলে নিয়ে রাতের পর রাত পার করে দিত।

আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, এভাবে চলতে দেয়া যায় না। আমি রাত ৩ টা পর্যন্ত বাচ্চা কোলে রাখবো। সেই সময়টা অন্তত আমার বউ ঘুমাবে। আর রাত ৩ টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে আমি অফিসে যাবো।

এভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পর আমি পাগলের মত হয়ে গেলাম। আমি চিন্তা করলাম, ৪ ঘন্টা ঘুমিয়ে যেখানে আমি পাগলপ্রায় হয়ে যাচ্ছি, সেখানে এই মেয়ে কীভাবে বাচ্চা কোলে নিয়ে রাতের পর রাত নির্ঘুম পার করেছে! কৃতজ্ঞতায় আমার মন ভরে গেল!

সেই সময় অফিস থেকে ফিরে আমি প্রথম যে কাজটা করতাম, বাচ্চাকে অন্তত ২ ঘন্টা নিজের কোলে রাখতাম, বাচ্চার ডায়াপার চেঞ্জ করে দিতাম, থালা-বাসন ধুয়ে দিতাম। আমি টুকটাক রান্না পারতাম। যেদিন ওর বেশি উইক লাগত আমি নিজে ভাত, ডাল আর ডিমভাজি করতাম। ঘুমানোর জন্য বিছানা রেডি করে দিতাম, মশারি টানিয়ে দিতাম। আমি চেষ্টা করতাম, যাতে সে একটু বিশ্রাম পায়। কারণ আমি জানতাম, একটু পর তাকে নির্ঘুম রাত পাড়ি দিতে হবে।

আমার ছোট ছেলের জন্মের পর তাকে ২০ দিন NICU তে রাখা হয়। ডাক্তাররা বলেছেন, বাচ্চার মাকে প্রতি দুই ঘন্টা পর পর NICU তে যেয়ে বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে হবে। আমি যদি রাত ১২ টা থেকে সকাল ৬ টার টাইমলাইন হিসাব করি, তাহলে আমার বউকে রাত ১২ টায়, রাত ২ টায়, ভোর ৪ টায় এবং সকাল ৬ টায় কেবিন থেকে NICU তে যেতে হত আমাদের বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর জন্য। সে এই রাতগুলো নির্ঘুম পার করেছে!

এত কিছুর পরও আমার চাকরির সাথে সে আমাকে কম্প্রোমাইজ করতে দেয়নি। একটা দিনও আমাকে না খেয়ে অফিসে যেতে হয়নি, অফিস থেকে এসে না খেয়ে থাকতে হয়নি। আমার রিয়েল লাইফ এক্সপেরিয়েন্স হলো, বাচ্চা পালার চেয়ে ৯-৫ টার চাকরি অনেক বেশি সহজ।

প্রেগন্যান্সি এবং আফটার প্রেগন্যান্সি স্টেজে একটা মানুষ কী পরিমাণ অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে পারে তার সাক্ষী আমি। তার এই কষ্টের সময় আমি চেষ্টা করেছি তার ছোট ছোট শখগুলো পূরণ করার। এই সময় তার মনে বাচ্চাদের মত অনেক বায়না আসত, রাত-বিরাতে আইসক্রিম-আচার খাওয়ার ক্রেভিং উঠত। আমি এসব বিষয় কখনো অবহেলা করি নাই। একবার খুব বৃষ্টির সময়, রাত ১১ টায় তার তেতুলের আচার খাওয়ার শখ হয়েছিল, আমি বৃষ্টির তোয়াক্কা না করে তাকে তেতুলের আচার এনে দিয়েছিলাম। সে খুব অনার ফিল করেছিল।

প্রেগন্যান্সির এক পর্যায়ে সে বলেছিল, "কয়েকদিন ধরে খুব গরম লাগছে। একটু বৃষ্টি হলে আরাম পেতাম।"

তার কিছুদিন পরেই, আমি আমার চাকরির প্রথম জীবনের সঞ্চয় দিয়ে তার জন্য এসি কিনে এনেছিলাম।

প্রেগন্যান্সি এবং আফটার প্রেগন্যান্সি স্টেজে একটা পরিবারের সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি পাওয়া সদস্য হওয়া উচিত বাচ্চার মায়ের। তার অনেক কিছু খেতে ইচ্ছা করবে, ডাক্তারের নিষেধ না থাকলে তার পছন্দের সব খাবারই তাকে এনে দেয়া উচিত।

আমাকে ডাক্তার এডভাইস করেছিল, "আপনার বাচ্চা মায়ের দুধ কম পাচ্ছে। আপনার ওয়াইফকে প্রতিবেলা খাওয়ার সময় দুই পিস চিকেন, কিংবা দুই পিস মাছ খাওয়াবেন। প্রতিদিন দুইটা ডিম, এক গ্লাস দুধ খাওয়াবেন।"

বউ বিরক্ত হয়ে ডাক্তারকে বলেছিল, "ভাইয়া ও মাত্র চাকরিতে জয়েন করেছে, এত টাকা বাজার খরচ করতে পারবে না!"

ডাক্তার বলেছেন, "ওনার সাথে আমার আগেও কথা হয়েছে। তিনি আমাকে বলেছেন, আপনার জন্য তিনি সবই করতে পারবেন, আমার কাজ শুধু প্রেসক্রাইব করা!"

প্রেগন্যান্সির এই সময়ে বাচ্চার মাকে যে মানুষটা ঘুমাতে দেয়, বাচ্চার মা সেই মানুষটার কাছে কৃতজ্ঞ হয়ে থাকে।

আমি আমার বউকে জিজ্ঞেস করলাম, "বাচ্চারা বড় হলে তুমি কী করবা?"

আমার বউ বলেছে, "আমি প্রথম এক বছর শুধু ঘুমাবো!"

---

ছবিটা তুলেছিলাম সি সেকশনের ঠিক আগমুহূর্তে।

বউ আমাকে বলেছিল, "আমি তো বেঁচে নাও ফিরতে পারি। তুমি বাচ্চাদের একটু দেইখো!"

আমি বললাম, "তুমি বের না হওয়া পর্যন্ত আমি আয়াতুল কুরসি পড়তে থাকবো। আমি যতবার বিপদে পড়েছি, আয়াতুল কুরসি পড়েছি, পরম করুণাময় আমাকে কখনো খালি হাতে ফেরান নাই। এবারও ফেরাবেন না!"

গতকাল এডমিশনে র**ক্তে ভাসতে ভাসতে একজন রোগী এলেন। টিকেটে লেখা দেখলাম বয়স ২৩ বছর মাত্র!!!! দ্রুত এক্সামিনেশন করে দেখি পাল...
21/08/2026

গতকাল এডমিশনে র**ক্তে ভাসতে ভাসতে একজন রোগী এলেন। টিকেটে লেখা দেখলাম বয়স ২৩ বছর মাত্র!!!!

দ্রুত এক্সামিনেশন করে দেখি পালস অনেক বেশি, র*ক্তচাপ খুবই কম, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে।

মাসিকের রাস্তা চেক করতে গিয়ে দেখি ভেতরে হাড়ের মতো শক্ত কিছু হাতে লাগে....!!!!!

দ্রুত র*ক্তের গ্রুপ আর কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে দিয়ে রোগীর হাতে ২ টি চ্যানেল ও পায়ে একটি চ্যানেল করে দিলাম।
প্রয়োজনীয় স্যালাইন দেয়া শুরু করলাম, যাতে রক্তচাপটা একটু ওঠে..... এই ফাঁকে হিস্ট্রি নেয়ার চেষ্টা করছিলাম।

রোগীর আগে ৫ টি মেয়েসন্তান। লোকজন "আঁটকুড়া" ডাকে!!!! তাই ৬ষ্ঠ বারের মতো সন্তান নিয়েছেন। আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়েছিলেন ৭ মাসে, বাচ্চা উল্টা বলে ডাক্তার কিছু বলেন নি। তাতেই তারা ধরে নিয়েছেন পেটের বাচ্চা মেয়ে!!!!!!

এটা নিয়ে বাড়িতে অশান্তি করার একপর্যায়ে স্বামী বলেছেন, এই বাচ্চা জন্ম দিলে তাকে তালাক দেবেন। তাই রোগী ২ হাজার টাকা কন্ট্রাক্ট করে এক মহিলার কাছে গেছেন D&c করতে। সেই মহিলা নিজের বাসায় একটা রুম নিয়ে কাজটা নিয়মিতভাবেই করে থাকেন।...টানাহেঁচড়া করে বাচ্চার শ*রী*র অ*র্ধে*ক বের করে অ*র্ধে*ক পেটেই রেখে ডিএন্ডসি শেষ করে দিয়েছে মহিলা। তারপর থেকেই এরকম ব্লিডিং....

কথা বলতে বলতে কাঁদছিলেন রোগীর সাথে আসা মা। বের করে দেখা গেলো বাচ্চাটা নাকি ছেলে ছিলো🥲🥲🥲🥲

ইমার্জেন্সি আল্ট্রাসাউন্ড করে দেখা গেলো ভেতরে অনেক অনেক retained products...

কোনোমতে ৪ ব্যাগ র*ক্ত দিয়ে রোগীকে D&C টেবিলে তোলা হলো। গুনে গুনে বাচ্চার মাথার সবগুলো হাড় এবং সম্পূর্ণ প্লাসেন্টা বের করে আনা হলো।

আপাতত রোগী স্ট্যাবল। প্রতিদিন ৩ বেলা ইঞ্জেকশন এন্টিবায়োটিক ও প্রয়োজনীয় মেডিসিন পাবেন। সন্তোষজনক স্ট্যাবিলিটি দেখলে তাকে ছুটি দেয়া হবে।

সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে হবে সেটা সৃষ্টিকর্তার সিদ্ধান্ত!!! এতে সন্তুষ্ট থাকা আর ধৈর্য ধরা ছাড়া মানুষ হিসেবে আমাদের আর কোনো কিছুই করার নেই।

Dr. Saima Aktar
obgyn & public health physician

"ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবে ঢুকেই দেখলেন এক মা তার বাচ্চাকে সুন্দর করে সাজিয়ে ব্রকলি খাওয়াচ্ছেন, আর আপনার বাচ্চা খাবার ফ্লোর...
02/08/2026

"ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবে ঢুকেই দেখলেন এক মা তার বাচ্চাকে সুন্দর করে সাজিয়ে ব্রকলি খাওয়াচ্ছেন, আর আপনার বাচ্চা খাবার ফ্লোরে ছুঁড়ে মেরে বাড়ি মাথায় তুলছে!"এই 'পারফেক্ট' ভিডিওগুলো দেখে আপনি কি প্রতিদিন নিজেকে 'ব্যর্থ মা' বা 'অযোগ্য বাবা' ভাবছেন?.....

সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন আপনি একটু ফোনটা হাতে নেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে ওঠে হাজারো 'প্যারেন্টিং ইনফ্লুয়েন্সার'-এর ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, তাদের বাচ্চারা ঘড়ির কাঁটা ধরে ঘুমায়, দামি কাঠের খেলনা দিয়ে চুপচাপ খেলে এবং মা-বাবার সামান্য কথাতেই ম্যাজিকের মতো সব শুনে ফেলে। ভিডিওর ওই মায়েরা সারাদিন ফিটফাট থাকেন, তাদের ঘরে কোনো দাগ নেই, আর তারা কখনোই বাচ্চাদের ওপর রাগ করেন না।

এই সুন্দর আর সাজানো জগতটা দেখার পর, আপনি যখন নিজের ছড়ানো-ছিটানো ঘর, বাচ্চার কান্না আর নিজের ক্লান্ত মুখের দিকে তাকান, তখন আপনার বুকের ভেতর একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস তৈরি হয়। আপনার মনে হয়, "সবাই কত সুন্দর করে বাচ্চা পালছে, শুধু আমিই বোধহয় পারছি না! আমি কি আমার বাচ্চার যত্ন নিতে ব্যর্থ হচ্ছি?"

কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো, সোশ্যাল মিডিয়ার এই 'ইনফ্লুয়েন্সার প্যারেন্টিং'-এর পেছনের আসল সত্যটি কী, কেন তাদের সব টিপস আপনার বাস্তব জীবনে কাজ করে না এবং কীভাবে এই অবাস্তব তুলনা থেকে নিজের মানসিক শান্তিকে রক্ষা করবেন।

১. বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ: 'সোশ্যাল কম্পারিজন থিওরি' এবং কিউরেটেড রিয়েলিটি

সোশ্যাল কম্পারিজন থিওরি (Social Comparison Theory):
মনোবিজ্ঞানের একটি সুপরিচিত তত্ত্ব হলো 'সোশ্যাল কম্পারিজন থিওরি'। মানুষের ব্রেন স্বভাবগতভাবেই নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করে নিজের অবস্থান বুঝতে চায়। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া ব্রেনের এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে হ্যাক করে ফেলে। ইনফ্লুয়েন্সাররা তাদের সারাদিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেবল সবচেয়ে সুন্দর এবং নিখুঁত ১৫ সেকেন্ডের একটি 'রিল' (Reel) আপলোড করেন। আপনার ব্রেন তখন আপনার নিজের বাস্তব জীবনের এলোমেলো ২৪ ঘণ্টার সাথে তাদের ওই সাজানো ১৫ সেকেন্ডের তুলনা করতে শুরু করে।

কিউরেটেড রিয়েলিটি (Curated Reality):
ইনফ্লুয়েন্সারদের জগতটা হলো 'কিউরেটেড' বা এডিট করা। ভিডিও শুরুর আগে বাচ্চা হয়তো এক ঘণ্টা কেঁদেছে, সেটা তারা কেটে বাদ দিয়ে দেন। এই কিউরেটেড রিয়েলিটি আপনার ব্রেনে 'কর্টিসল' বা স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা আপনাকে সারাক্ষণ এক ধরনের হীনম্মন্যতা বা 'প্যারেন্টাল ইম্পোস্টার সিনড্রোম'-এ ভুগতে বাধ্য করে।

২. মিথ বনাম ফ্যাক্ট: 'ইনফ্লুয়েন্সারদের টিপস' নিয়ে আমাদের ভুল ধারণা
ভিডিও দেখে আমরা যা ভাবি আর বাস্তব জীবন যা বলে, চলুন তা মিলিয়ে নিই:

** ভুল ধারণা (মিথ): জেন্টেল প্যারেন্টিং (Gentle Parenting) মানে বাবা-মা কখনোই বাচ্চার ওপর রাগ করবেন না বা ফ্রাস্ট্রেটেড হবেন না।
** বাস্তব সত্য: ইনফ্লুয়েন্সাররাও মানুষ, ক্যামেরার পেছনে তারাও রাগ করেন এবং হাঁপিয়ে ওঠেন। অনুভূতি লুকিয়ে রাখা জেন্টেল প্যারেন্টিং নয়। রাগ উঠলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারাটাই আসল কথা।

** ভুল ধারণা (মিথ): এসথেটিক (Aesthetic) বা দামি খেলনা এবং সুন্দর সাজানো ঘর না হলে বাচ্চার ব্রেন ডেভেলপমেন্ট হবে না।
** বাস্তব সত্য: বাচ্চার ব্রেন ডেভেলপমেন্টের জন্য দামি মন্টেসরি কাঠের খেলনার কোনো প্রয়োজন নেই। রান্নাঘরের হাঁড়ি-পাতিল, প্লাস্টিকের বাটি বা রঙিন কাগজ দিয়ে খেললেও শিশুর সৃজনশীলতা সমানভাবেই বিকশিত হয়।

** ভুল ধারণা (মিথ): একটি নির্দিষ্ট রুটিন বা স্লিপ-ট্রেইনিং মেথড সব বাচ্চার ওপর ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
** বাস্তব সত্য: প্রতিটি শিশুর ডিএনএ (DNA) এবং টেম্পারামেন্ট আলাদা। একটি টিপস এক বাচ্চার ওপর কাজ করেছে মানেই যে তা আপনার বাচ্চার ওপর কাজ করবে, এমন কোনো গ্যারান্টি নেই। বাচ্চারা রোবট নয়।

৩. চেকলিস্ট: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বাঁচার 'স্মার্ট ফিল্টার প্রটোকল'
প্যারেন্টিং টিপস দেখা খারাপ কিছু নয়, তবে তা থেকে নিজের প্রয়োজনটুকু ছেঁকে নিতে আজ থেকেই এই প্রটোকলগুলো মেনে চলুন:

আনফলো করুন (The Unfollow Rule):
যে ইনফ্লুয়েন্সারের ভিডিও বা পোস্ট দেখলে আপনার নিজের জীবন নিয়ে আক্ষেপ হয়, কিংবা নিজেকে 'খারাপ মা/বাবা' মনে হয়, তাকে সাথে সাথে আনফলো করুন। আপনার মানসিক শান্তির চেয়ে কোনো টিপস বেশি জরুরি নয়।

'বিজ্ঞান' নিন, 'এসথেটিক' নয়:
ইনফ্লুয়েন্সারদের ভিডিও থেকে শুধুমাত্র কোর সাইন্স বা মূল বিজ্ঞানটুকু গ্রহণ করুন। যেমন- "স্ক্রিন টাইম কমানো ভালো"—এই থিওরিটুকু নিন, কিন্তু স্ক্রিন টাইম কমাতে গিয়ে তারা যে দামি সেটআপ বা অ্যাক্টিভিটি দেখাচ্ছে, তা হুবহু নকল করার চেষ্টা করবেন না।

নিজস্ব 'গুডনেস অফ ফিট' তৈরি করুন:
আপনার আর্থিক অবস্থা, পরিবারের মানুষজন এবং আপনার বাচ্চার মেজাজ বুঝে টিপসগুলোকে নিজের মতো কাস্টমাইজ করুন। একটি পদ্ধতি আপনার বাসায় কাজ না করলে সেটা আপনার ব্যর্থতা নয়, সেটা ওই পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা।

ক্যামেরার পেছনের সত্য মনে রাখুন:
ইনফ্লুয়েন্সারদের ভিডিওর পেছনে অনেক সময় পেইড প্রমোশন বা ব্যবসার উদ্দেশ্য থাকে। তাদের ওই পারফেক্ট শটের পেছনে হয়তো একজন আয়া, একজন ক্যামেরাম্যান এবং একজন এডিটর কাজ করছেন, যা তারা কখনোই প্রকাশ করেন না।

৪. বিশেষজ্ঞের মতামত ও গবেষণা
"সোশ্যাল মিডিয়ার প্যারেন্টিং কন্টেন্টগুলো মায়েদের মনে একটি 'অবাস্তব প্রত্যাশা' বা আনরিয়ালিস্টিক এক্সপেক্টেশন তৈরি করে। মায়েরা ভাবেন, 'মাতৃত্ব মানেই বোধহয় প্রতিদিনের একটি সুন্দর ফটোশুট!' যখন তারা এই স্ট্যান্ডার্ড ছুঁতে পারেন না, তখন তারা পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন।"
— ক্লিনিক্যাল চাইল্ড সাইকোলজিস্টদের সাধারণ পর্যবেক্ষণ

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব বাবা-মা দিনে ২ ঘণ্টার বেশি প্যারেন্টিং ব্লগ বা ভিডিও দেখেন, তাদের মধ্যে কনফিডেন্স লেভেল সাধারণ বাবা-মায়েদের তুলনায় প্রায় ৪০% কম থাকে।

৫. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট এবং 'ভিডিও বনাম বাস্তবতা'
আমাদের দেশের অনেক প্যারেন্টিং ইনফ্লুয়েন্সার ভিডিওতে দেখান যে তারা এক হাতে সংসার, বাচ্চা এবং ক্যারিয়ার সব দারুণভাবে সামলাচ্ছেন।

কিন্তু পর্দার আড়ালে তাদের হয়তো দুই-তিনজন সাহায্যকারী বা 'হেল্পিং হ্যান্ড' থাকে। আর আমাদের দেশের একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত মা যখন সেই ভিডিও দেখেন, তখন তিনি ভাবেন, "উনি পারলে আমি কেন পারছি না?" সাধারণ মায়েরা ভুলে যান যে, যানজটের শহর ঢাকায় সারাদিন অফিস করে, নিজের হাতে রান্না করে, যৌথ পরিবারের হাজারটা মন রক্ষা করে বাচ্চার সাথে ওই 'পারফেক্ট কোয়ালিটি টাইম' কাটানো আক্ষরিক অর্থেই অসম্ভব। এই অসম প্রতিযোগিতায় নেমে আমাদের দেশের মায়েরা নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলছেন।

৬. আপনার বাচ্চার কাছে আপনিই 'পারফেক্ট'!

প্রিয় বাবা এবং মা,
সোশ্যাল মিডিয়ার ওই ফিল্টার দেওয়া সাজানো জগতটা থেকে আজই বেরিয়ে আসুন। রিয়েল লাইফ প্যারেন্টিংয়ে কোনো ফিল্টার থাকে না, কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক থাকে না।

বাস্তব জীবনের প্যারেন্টিং মানে হলো—খাবার মেখে নোংরা হওয়া ঘর, বাচ্চার জেদ, রাতের পর রাত নির্ঘুম কাটানো আর এর মাঝেই বাচ্চার একটা হাসিতে সব ক্লান্তি ভুলে যাওয়া। আপনার বাচ্চার একজন 'এসথেটিক' ইনফ্লুয়েন্সার মা বা বাবা দরকার নেই, তার শুধু একজন সত্যিকারের মানুষ দরকার। যে মানুষটা মাঝেমধ্যে ভুল করবে, রাগ করবে, আবার পরম মমতায় তাকে বুকেও জড়িয়ে ধরবে। আপনার প্যারেন্টিং জার্নিটা অন্যের মতো পারফেক্ট না হতে পারে, কিন্তু এটি আপনার বাচ্চার জন্য শতভাগ পারফেক্ট। নিজেকে অন্যের সাথে মেপে ছোট করা আজই বন্ধ করুন!

পোস্টটি Kidora থেকে সংগ্রহীত!

১ আগষ্ট থেকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে ১৫ মাস বয়সী সকল শিশুকে....
30/07/2026

১ আগষ্ট থেকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে ১৫ মাস বয়সী সকল শিশুকে....

26/07/2026

#নিরাপদ_টুথপেস্ট

যে ৮ টি টুথপেস্টে কোন মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি তার লিস্টঃ

১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)
২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড)
৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)
৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)
৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)
৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)
৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)
৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)

Source: Asiapost.com

Address

305 Noyatola
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Safe Delivery Rights: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব:

Shortcuts

Share