হালাল তওফা - Halal Towfa

হালাল তওফা - Halal Towfa "হালাল তওফা" প্রকৃতিক ও হালাল খাবার সর?

আচার খাওয়ার নানা উপকারিতাবাঙালি ভোজনরসিকদের তালিকায় তাই আচারের উপস্থিতি খুবই স্বাভাবিক। স্বাদে, গন্ধে মাতানো আচারের নানা...
19/01/2021

আচার খাওয়ার নানা উপকারিতা

বাঙালি ভোজনরসিকদের তালিকায় তাই আচারের উপস্থিতি খুবই স্বাভাবিক। স্বাদে, গন্ধে মাতানো আচারের নানা স্বাস্থ্যসম্মত দিক রয়েছে।

শীতকালে কাঁচের বয়ামে করে হরেকরকমের আচার ছাতে রোদে দেবার নস্টালজিয়ার সাথে পরিচিত নয় এমন বাঙালি বোধহয় কমই আছে। কাজেই আচারের নাম শোনামাত্র যাদের রসনাতে জলপ্রপাত সৃষ্টি হয় তাদের জন্য রইল বেশ কিছু আকর্ষণীয় তথ্য আচার নিয়ে।

১. আচারের রসপান এক নতুন বিকল্প

‘ফ্লোরে ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্স’ বলছে যে আমাদের মস্তিষ্কের ওপিনওয়েড সিস্টেম এর কারণে আমাদের শরীরে লবনাক্ত খাবারগ্রহনের চাহিদার অনুভূতি তৈরি হয়।

এই থেকে আচারের প্রতি আসক্তি ও তৈরি হয়।শরীরে জলের ঘাটতি, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা অথবা এডিসন রোগের কারণে মানুষের আচার খাবার প্রবণতা চোখে পড়ে।

তবে বর্তমানে পিকেল জুস বা আচারের রসপান এক নতুন বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে।

আম, বড়ই, চালতা, জলপাই বা রসুন এর আচার কোনোকিছুই এর ব্যতিক্রম নেই।

গবেষণা বলছে আচারের রস রক্তে চিনির মাত্রা, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা, মাংসপেশির খিঁচ ইত্যাদি কমাতে খুবই উপকারী।

২. পেশির খিঁচ সারাতে আচার জুস

পেশির খিঁচ সারাতে আচার জুসের জুড়ি মেলা সত্যি ভার।

বেশিরভাগ খেলোয়াড়রাও এই কাজে এটিকে ব্যবহার করছেন এবং তাদের মধ্যেও যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

মাসল ক্রাম্প হলে সত্বর ব্যবহার করা যেতে পারে এটি।দেখা গেছে এই সময় সম পরিমান জল খাবার থেকে এই আচারের রস বেশি কাজ দেয়।

এর মধ্যে থাকা ভিনেগার দ্রুত ব্যথার উপশম করে এবং স্নায়ুর কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

৩. জিমে ওয়ার্ক আউট করলে সঙ্গী হিসেবে আচার

জলের উত্তম সাপ্লিমেন্ট হতে পারে এটি। শরীরে নিয়মিত ফ্লুইড এর যোগান দিতে জলের পাশাপাশি ব্যবহার করে দেখতে পারেন আচার জুস।

বেশি সময় ধরে জিমে ওয়ার্ক আউট করলে সঙ্গী হিসেবে নিয়ে যান একে। এর মধ্যে থাকা ভরপুর সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম বডি থেকে বেরিয়ে যাওয়া মৌল গুলির রিকভারিতে উল্লেখ্য ভূমিকা নেবে।

৪. ওজন কমেছে অবিশ্বাস্য ভাবে

যারা ভাবছেন আচার খেলে তাদের ওজন সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হবে তারা একেবারেই ভুল ভাবছেন।

বরঞ্চ হাই ক্যালোরি স্পোর্টস ড্রিংকস এর বদলি হিসাবে রাখুন আচারকে। এতে থাকা ইলেক্ট্রলাইট দ্রুত কাজ করে। এতে ফ্যাট নেই বিন্দুমাত্র এই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

পরীক্ষা করে দেখা গেছে ১২সপ্তাহ ধরে প্রত্যেকদিন এর মধ্যে থাকা ভিনেগার ১ আউন্স করে খাবার পর ওজন কমেছে অবিশ্বাস্য ভাবে।

৫. আচারের রস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী

ডায়াবেটিস রিসার্চ জার্নাল জানিয়েছে আচার রস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভাবে কার্যকরী।

ডায়াবেটিস মেলিটাস ও ইনসিপিডাস উভয় ক্ষেত্রেই দারুণভাবে কাজ করে এটি।

রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে চমকপ্রদ ফল দিয়েছে।

আরেকটি যে জিনিস সম্পর্কে না জানলেই নয় তা হলো এর মধ্যে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট এর উপস্থিতি।

ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই দুটির মিশেলে শরীর থেকে ক্ষতিকারক মৌল বার করে দিতে দারুন ভাবে সাহায্য করে।

পাশাপাশি অনাক্রমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উল্লেখ্য হারে বাড়িয়ে দেয়।

৬. অন্যান্য উপকারিতা

এর মধ্যে থাকা নানা এন্টি মাইক্রোব্যাক্টেরিয়াল উপাদান পাকস্থলীর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

পাচন ক্ষমতা ও খিদে উভয়ই বাড়াতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

তা ছাড়া দেখা গেছে নানা শাকসবজি ও গোটা ফল দিয়ে তৈরি আচার অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের নানা উপকার করে।

এতে ফাইবার এর উচ্চমাত্রা হাড়ের গঠন ও পুষ্টিতে উপযোগী।

এতে উপস্থিত হেপাটোপ্রোটেক্টিভ উপাদান লিভার এর ক্ষতি আটকায় ও আলসারের ঝুঁকি হ্রাস করে।

রান্নাঘর, যে কোনও বাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। কারণ রান্নাঘর যেমন আমাদের খাবারের যোগান দেয় তেমনই এই রান্নাঘর ক...
09/09/2020

রান্নাঘর, যে কোনও বাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। কারণ রান্নাঘর যেমন আমাদের খাবারের যোগান দেয় তেমনই এই রান্নাঘর কিন্তু যাবতীয় রোগের উৎস। রান্নাঘর অপরিষ্কার থাকলেই সেখানে বাসা বাঁধে জীবাণুরা। আর তাই দেখে নিন আপনার সাধের লক্ষ্মীঘরকে সুরক্ষিত রাখতে ঠিক ঠিক জিনিস এখনই ছুঁড়ে ফেলবেন।

১.খোলা খাবার বা পানীয়- কোনও রকম খোলা খাবার, পানীয় রান্নাঘরে রাখবেন না। অপনার অজান্তেই তাতে মুখ দিতে পারে পোকামাকড়। পড়তে পারে টিকটিকি। যা কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

২.প্লাস্টিকের তেলের বোতল- প্লাস্টিকের বোতলে তেল অনেকেই ব্যবহার করেন। কিন্তু তা মোটেই বেশিদিন ব্যবহার করবেন না। খুব বেশি ২ মাস। আপনার অজান্তেই ওতে বাসা বাঁধে জীবানুরা।

৩.জলের বোতল কখনই খোলা বা আলগা অবস্থায় রান্নাঘরে রেখে দেবেন না।

৪. ওয়াইনের বোতল খোলা অবস্থায় রাকবেন না। দুদিন পর থেকেই ওই বোতলে ফাংগাস জন্মায়। বোতল খুললেই কটূ গন্ধ বা ব্রাউন রঙের কিছু ভাসতে আপনি দেখতে পাবেন।

৫. মশলা বা হার্বস খোলা অবস্থায় বেশিদিন বাইরে ফেলে রাখবেন না। এতে মশলার গন্ধ নষ্ট হয়ে যায়।

৬. খাবার বেশি হলে আমরা ফ্রিজে রাখি। কিন্তু কখনই তা তিন দিনের বেশি রাখবেন না। তিন দিনের পুরনো খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

৭. যে স্পঞ্জ দিয়ে বাসন ধোওয়া হয় তা এক সপ্তাহ অন্তর পরিবর্তন করে ফেলুন। জল আর সাবান লেগে থাকায় ওর মধ্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা আপনি বুঝতে পারবেন না।

৮. বিয়ারের ক্যান ফ্রিজে রাখলেও তা একমাসের বেশি রাখবেন না। একমাসের পর থেকেই ওর মধ্যে ফারমেন্টেশন শুরু হয়।

৯. বেকিং পাউডার, খাবার সোডা ছ মাসের বেশি ব্যবহার করেবেন না। আপনি হয়তো ডেট, মাস মিলিয়েই কিনেছেন। বোতলের গায়ে লেখা থাকে একবছর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু তা করবেন না।

১০. জ্যাম, সসের বোতল সবসময় ভালো করে মুখ বন্ধ করে রাখুন। ফ্রিজে রেখেছেন, হয়তো ভালো করে মুখ বন্ধ করেননি তা কিন্তু খেলে শরীরে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে।

করোনার  থেকে নিজেকে সুরক্ষিত অনেকেই ভারসা রাখছেন আয়ুর্বেদের ওপরে। এখনও বাজারে আসেনি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন। এই অসুখের ন...
08/09/2020

করোনার থেকে নিজেকে সুরক্ষিত অনেকেই ভারসা রাখছেন আয়ুর্বেদের ওপরে। এখনও বাজারে আসেনি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন। এই অসুখের নির্দিষ্ট করে কোনও ওষুধও নেই এখনও। তাই ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই বারবার করে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ইমিউনিটি বাড়ানোরই বড় হাতিয়ার হতে পারে কাড়া।

এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আয়ুশ মন্ত্রকের তরফে একটি গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। যেখানে আয়ুশ ক্বাথের উল্লেখ রয়েছে। আরও সহজ করে বলতে গেলে একে আয়ুর্বেদিক কাড়া বা পাচন বলা চলে। মাত্র দু’মিনিট খরচ করে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলা যায় এই ক্বাথ। শিখে নিন এর সহজ রেসিপি।

সসপ্যানে এক গ্লাস জল ঢেলে সেটি জ্বলন্ত গ্যাসের ওপরে বসিয়ে দিন। সেটি গরম হয়ে ফুটতে শুরু করলে ৮-১০টা তুলসী পাতা দিয়ে দিন। এর পর হাফ চামক শুকনো আদা এর মধ্যে দিয়ে দিন। এর মধ্যে হাফ চামচ দারুচিনি দিয়ে দিন। তারপর দিন দুই চিমটে গোলমরিচ। ইচ্ছে হলে চার-পাঁচটি কিসমিস দিতে পারেন। এবার সসপ্যানটি একটি পাত্র দিয়ে চাপা দিয়ে দিন। এভাবেই দু-তিন মিনিট রাখুন। ছাঁকনি দিয়ে যেভাবে চা ছাঁকে সেভাবে ছেঁকে ক্বাথটি কাপে ঢেলে নিন। এবার স্বাদ অনুসারে তাতে লেবু চিপে দিন অথবা এক টুকরো গুড় মিশিয়ে দিন। চাইলে দুটো একসঙ্গেও মেশাতে পারেন।

‘হার্ড ইমিউনিটি’র নামে বিধি না মানা বোকামি

এবার জেনে নেওয়া যাক এই কাড়ার উপকারিতা।

* নিয়মিত কাড়া খেলে প্রদাহ কম হয় বলে ক্রনিক অসুখের আশঙ্কা ও প্রকোপ কমে। ডায়াবিটিস, হাই প্রেসার-কোলেস্টেরল, হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস সবই আছে এই তালিকায়। করোনা রোগীর অবস্থা খারাপ হয় প্রদাহের কারণেই। ফলে রোগ ঠেকানোর ও সারানোর যাবতীয় নিয়ম মানার পাশাপাশি নিয়মিত কাড়া খেলে বিপদের আশঙ্কা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা।

* আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ কাড়া জীবাণু নাশ করে। ফলে নিয়মিত খেলে সংক্রমণের আশঙ্কা ও প্রকোপ কম থাকে।

* আদা ও তুলসিপাতা থাকে বলে কাশির জন্যও কাড়া উপকারী।

তবে উপকারী বলেই যত ইচ্ছে কাড়া পান করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। কাড়ার অন্যতম উপকরণ আদায় আছে জিঞ্জেরল, তার গুণেই এত উপকার। তবে প্রচুর খেলে অম্বল, ডায়ারিয়া, মুখে-গলায়-পেটে অস্বস্তি হতে পারে। বুক ধড়ফড় করতে পারে।

07/09/2020

বাংলাদেশের খাদ্য অভ্যাসে সরিষা একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। খাবারের স্বাদ বহুগুণে বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও এটি খুব উপকারী বলে বিবেচিত হয়। সরিষার তৈল নিয়মিত দেহে মালিশ করলে ব্যথা থেকে মেলে মুক্তি। যদি কোনও ব্যক্তি ওজন হ্রাস করতে চান, তবে তার উচিত সরিষার তেলে খাবার রান্না করা। একই সঙ্গে এটি হাঁপানির রোগীদের জন্যও খুবই উপকারী । তবে সরিষার তৈল কেনার সময় দেখে নিতে হবে তা আসল না নকল।

আমাদের কাছে আপনারা পাবেন তেঁতুল কাঠের ঘানিতে ভাঙ্গানো খাঁটি সরিষার তেল । অনেকেই ঘানি ভাঙ্গা সরিষার কথা বলেন কিন্তু মূলত এটা হচ্ছে একটা ইঞ্জিন প্রসেস তেল। আমরা আপনাদের দিচ্ছি ঘানিতে ভাঙ্গানো ফাস্ট প্রেসের সরিষার তেল। এই তেলটা যখন সংগ্রহ করা হয় তখন এর তাপমাত্রা থাকে সাধারণ রুম টেম্পারেচার এর মত যার ফলে এই তেলের কোন গুনাগুন নষ্ট হয় না।
তবে এই তেল একটু ঘোলা এবং বাজারের তেলের মত চকচকে না কারন এটা ফিল্টার করা হয় না। ফিল্টার না করার কারন হল গুনগত মান ঠিক রাখা এবং এই তেলটা অনেক কম পরিমানে বের হয় তাই ফিল্টার করার জন্য যে মিনিমাম কোয়ান্টিটির দরকার হয় তা অনেক বেশি যেটা বেশির ভাগ সময়ই পাওয়া যায় না।
মূল্যঃ
*৫ লিটার বা তার বেশি নিলে ১৯০ টাকা লিটার।
*৫ লিটারের কম নিলে ২০০ টাকা লিটার।
আমাদের বোতল ২ ধরনের ৫ লিটার এবং ২ লিটার।
📣বিঃদ্রঃ আমাদের তেলে কোন ক্যামিকাল মেশানো হয় না তাই উৎপাদনের দিন থেকে ৬ মাসের মধ্যেই ব্যবহার করে ফেলতে হবে।
👉 সরাসরি পেইজেও অর্ডার করতে পারেন, ইনবক্স করতে পারেন অথবা ০১৭১৪১৪৫৮১৭ নম্বরে যোগাযোগ করতে অর্ডার করতে পারেন।

রঙিন ফল-মূল ও সবুজ পাতাযুক্ত সবজি খান: আমরা সবাই জানি, সাতটি রঙের সমন্বয়ে রংধনু সৃষ্টি হয়। একইভাবে আমাদের প্রতিদিনের খাদ...
07/09/2020

রঙিন ফল-মূল ও সবুজ পাতাযুক্ত সবজি খান: আমরা সবাই জানি, সাতটি রঙের সমন্বয়ে রংধনু সৃষ্টি হয়। একইভাবে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা নানা রং-এর (কৃত্রিম রঙ মেশানো ছাড়া) যেমন ফল-মূল সবুজ শাক সবজিযুক্ত খাবার হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আমরা সকলেই জানি শাকসবজি, ফল-মূল বেশি খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর এর কারণ হলো, এসব খাবারে রোগ প্রতিরোধ করার মতো বিশেষ উপাদান আছে। ফল-মূল বা শাক-সবজিতে ভিটামিন সি, ক্যারোটেনয়েডস, ভিটামিন কে, রিবোফ্লোবিন এবং ফলিক এসিড। এছাড়া শাকসবজি, ফল-মূলতে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে চা একটি আদর্শ পানীয়। চায়ের নানা উপকারিতা আছে। নানা রকমে চা হয়। যেমন - ওলং চা, মাসলা চা, গ্র...
06/09/2020

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে চা একটি আদর্শ পানীয়। চায়ের নানা উপকারিতা আছে। নানা রকমে চা হয়। যেমন - ওলং চা, মাসলা চা, গ্রিন টি, হোয়াইট টি এবং আরও নানা ধরনের চা। চা-কে আরও সুস্বাদু করে তুলতে অনেকেই এর মধ্যে অনেক কিছু মেশান। চিনি ও দুধ দিয়ে চা সাধারণত প্রচলিত হলেও চা-এর মধ্যে অনেকেই লেবুর রস, মধু, আদার রস এবং আরও অনেক কিছুই মেশায়। এলাচ, তুলসি পাতাও অনেক সময় চা-এ মেশানো হয়ে থাকে।

কিন্তু কখনও গুড় দেওয়া চা খেয়েছেন কি? শুনেই নাক সিঁটকোবেন না। গুড়ের আছে নানা ধরনের উপকারিতা। শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে গুড় নানা রকম ভাবে সাহায্য করে। চা-এ চিনি না দেওয়ার পরামর্শই এখন দেন বিশেষজ্ঞরা। আমরা অনেকেই বারবার চা খাই। সেখানে চিনি দেওয়া চা খেলে অনেকটা মিষ্টি আমাদের শরীরে ঢুকবে। আর চিনিতে কোনও উপকারিতা নেই বললেই চলে। তাই মিষ্টি স্বাদ ছাড়তে না পারলে চায়ে চিনির বদলে গুড় মেশান।

এই ৭ গুণ জানলে আজ থেকেই গুড় খাবেন!

গুড়-চা এর একাধিক উপকারিতা আছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

* এক কাপ গুড় দেওয়া চা খেলে তা আমাদের শরীরের খাবার হজমে সহায়ককারী এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করবে। সেই কারণ গুড়-চা হজমের ক্ষেত্রে উপকারী।

* গুড়ে থাকা ম্যাঙ্গানিজ গলা খুশখুশ, শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে। এটি খেলে ব্রংকিয়াল মাসেলগুলি আরাম পায়। ফলে গলা ও শরীর অনেক বেশি রিল্যাক্সড হতে পারে।

* গুড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ আয়ন আছে। সেই কারণ গুড় খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ে এবং অ্যানিমিয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

* গুড় আমাদের লিভার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

* এটি অকৃত্রিম মিষ্টির ভাণ্ডার। শরীরে গুড়ের মিষ্টত্ব কখনওই মধুমেহ বা ব্লাড সুগার লেভেল বাড়িয়ে তোলে না।

* শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে গুড়। এক কাপ গুড় দেওয়া চা খেলে শরীরের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এমনকি জ্বর হলেও গুড় দেওয়া চা অত্যন্ত উপকারী।

* পিরিয়ডের সময় যে সব মহিলাদের পেটে ও কোমরে অসহ্য যন্ত্রনা হয়, তাঁদের জন্য গুড়-চা অত্যন্ত উপকাপী। পিরিয়ডের ব্যাথা কম করতে সাহায্য করে গুড়।

আমাদের কাছে আপনারা পাবেন নিজেদের বাগানের খেজুড় গাছের রস দিয়ে বানানো ঝোলা গুড় ।
Jhola Goor (ঝোলা গুড়)
দাম : ৫০০ টাকা (কেজি)

জলপাই না সরিষার তেল-কোনটি উপকারী?খাদ্যগ্রহণ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।খাবার খেয়েই আমরা বেঁচে থাকি। জীবনযাপন পদ্ধতি ও ...
01/09/2020

জলপাই না সরিষার তেল-কোনটি উপকারী?

খাদ্যগ্রহণ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।খাবার খেয়েই আমরা বেঁচে থাকি। জীবনযাপন পদ্ধতি ও রান্না করা স্বাস্থ্যকর খাবার আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

তেল ছাড়া রান্না প্রায় অসম্ভব। রান্নায় তেল ব্যবহার নিয়ে নানা ধরনের কল্পিত গল্প চালু আছে। কারও কারও ধারণা রান্নায় তেল ব্যবহার করা খারাপ । কারণ এটা মোটা হতে ভূমিকা রাখে। আবার কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কোনও কোনও তেল হৃদরোগ তথা গোটা শরীরের জন্য উপকারী। সারা বিশ্বে রান্নার জন্য অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল ও সরিষার তেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়।
হাজার বছর ধরে অলিভ অয়েল বিশ্বের অনেক দেশেই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ডিয়াটারি ফাইবার থাকায় এটি হৃদরোগের জন্য উপকারী। এটা এমন একটা জাদুকরী তেল যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে সরিষার তেলও উপমহাদেশে হাজার বছর ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর সঙ্গে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসিও জড়িত। রান্না ছাড়া যেকোন ধরনের ভর্তা কিংবা মুড়ি মাখানোতেও এর জুড়ি নেই।

সরিষার তেলে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এই দুটি উপাদানই হৃদরোগের জন্য উপকারী। এছাড়া এতে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট সারা শরীরের জন্য উপকারী। সরিষার তেল ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করলে তা শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, শরীরের চর্বিও কমায়।

কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গেলে, সরিষার তেলে ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় এটি অলিভ অয়েলের চেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে ওমেগা থ্রি ও সিক্স থাকায় এটি হৃদরোগের জন্য অন্যতম ‘সুপার ফুডে’ হিসেবে পরিচিত।

এছাড়া একাধিক গবেষণা বলছে, অন্যান্য তেলের তুলনায় সরিষার তেল হৃদরোগজনিত জটিলতা কমাতে ও প্রতিরোধ করতে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধেও এটি ভূমিকা রাখে।

আমাদের কাছে আপনারা পাবেন তেঁতুল কাঠের ঘানিতে ভাঙ্গানো খাঁটি সরিষার তেল । অনেকেই ঘানি ভাঙ্গা সরিষার কথা বলেন কিন্তু মূলত এটা হচ্ছে একটা ইঞ্জিন প্রসেস তেল। আমরা আপনাদের দিচ্ছি ঘানিতে ভাঙ্গানো ফাস্ট প্রেসের সরিষার তেল। এই তেলটা যখন সংগ্রহ করা হয় তখন এর তাপমাত্রা থাকে সাধারণ রুম টেম্পারেচার এর মত যার ফলে এই তেলের কোন গুনাগুন নষ্ট হয় না।
তবে এই তেল একটু ঘোলা এবং বাজারের তেলের মত চকচকে না কারন এটা ফিল্টার করা হয় না। ফিল্টার না করার কারন হল গুনগত মান ঠিক রাখা এবং এই তেলটা অনেক কম পরিমানে বের হয় তাই ফিল্টার করার জন্য যে মিনিমাম কোয়ান্টিটির দরকার হয় তা অনেক বেশি যেটা বেশির ভাগ সময়ই পাওয়া যায় না।
মূল্যঃ
*৫ লিটার বা তার বেশি নিলে ১৯০ টাকা লিটার।
*৫ লিটারের কম নিলে ২০০ টাকা লিটার।
আমাদের বোতল ২ ধরনের ৫ লিটার এবং ২ লিটার।

📣বিঃদ্রঃ আমাদের তেলে কোন ক্যামিকাল মেশানো হয় না তাই উৎপাদনের দিন থেকে ৬ মাসের মধ্যেই ব্যবহার করে ফেলতে হবে।

👉 সরাসরি পেইজেও অর্ডার করতে পারেন, ইনবক্স করতে পারেন অথবা ০১৭১৪১৪৫৮১৭ নম্বরে যোগাযোগ করতে অর্ডার করতে পারেন।

ঘি খেলে কি মানুষ মোটা হয়??? বেশীরভাগ মানুষই বিশ্বাস করেন যে ঘি খেলে মানুষ মোটা হয়। তাই ওজন কমানোর ডায়েটের কথা এলেই বেশী...
20/08/2020

ঘি খেলে কি মানুষ মোটা হয়???

বেশীরভাগ মানুষই বিশ্বাস করেন যে ঘি খেলে মানুষ মোটা হয়। তাই ওজন কমানোর ডায়েটের কথা এলেই বেশীরভাগ মানুষ তাদের খাদ্যতালিকা থেকে প্রথমেই যে উপাদানটি বাদ দেন তা হচ্ছে ঘি। কিন্তু ঘি খেলে কী আসলেই মানুষ মোটা হয়? এই বিষয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর এবং পুষ্টিবিদের পরামর্শ জেনে নিই চলুন।

ঘি খাওয়া কী ওজন বৃদ্ধির সাথে জড়িত?

ঘি আসলে আপনার ওজন বৃদ্ধির কারণ নয়। এটা সত্য যে, ঘি এ উচ্চমাত্রার ক্যালোরি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। কিন্তু এটি অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার জন্য উপকারী এবং পরিপাক নালীর স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং ওজন কমতে সাহায্য করে। ঘাস খাওয়া গরু থেকে উৎপন্ন ঘি এ কঞ্জুগেটেড লিনোলেনিক এসিড (CLA) থাকে যা ওজন কমতে সাহায্য করে।

ঘি দিয়ে খাবার রান্না করা কী স্বাস্থ্যসম্মত?

হ্যাঁ, আপনি রান্না করতে পারেন ঘি দিয়ে। তেলের পরিবর্তে ঘি ব্যবহার করুন। ঘি এর স্মোকিং পয়েন্ট অন্য তেলের চেয়ে বেশি। তাই এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেল উৎপন্ন করেনা। তেল বা চর্বির স্মোকিং পয়েন্ট হচ্ছে তাপমাত্রার সুনির্দিষ্ট অবস্থা যেখানে তেল থেকে ক্রমাগত নীলাভ ধোঁয়া উৎপন্ন হয় যা স্পষ্টত দৃশ্যমান হয়।

ঘি খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় কী?

ঘি খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে সবজি রান্নার সময় ঘি ব্যবহার করা। কারণ ঘি এর স্মোকিং পয়েন্ট অনেক বেশি হওয়ায় বিভিন্ন খাবার ভাজার জন্যও ঘি ব্যবহার করতে পারেন। চাপাতি বা রুটির উপর ছড়িয়ে দিয়ে বা ভাতের সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন ঘি।

প্রতিদিন কতটুকু ঘি খাওয়া উচিৎ?

ঘি এর সাথে নির্দিষ্ট কোন স্বাস্থ্য উপকারিতার সম্পর্ক আছে কিনা তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়নি। কিন্তু কিছু আয়ুর্বেদ অনুশীলনকারী বিশ্বাস করেন যে, মাখনের চেয়ে ঘি শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু এর স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও গ্রহণ করতে হবে সীমিত পরিমাণে। এক দিনে ২-৩ চামচের বেশি ঘি খাবেন না।

সবাই কী ঘি খেতে পারবে?

ঘি এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক হলেও যদি আপনার ডায়াবেটিস বা উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকে তাহলে ঘি গ্রহণ করা এড়িয়ে চলা উচিৎ।

তাহলে এখন বোঝাই যাচ্ছে যে ঘি গ্রহণ করলে আপনি মোটা হবেন না। তাই আর দ্বিধা না করে ঘি খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

সূত্র: দ্যা হেলথ সাইট

আমাদের কাছে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির খাঁটি গাওয়া ঘি পাবেন। প্রতি কেজির দাম ১৮৫০ টাকা ।

খালি পেটে কাঠ বাদাম খাওয়ার উপকারিতা ওজন কমাতে সাহায্য করে কাঠবাদাম। শরীরের ফোলাভাব কমায়। যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিশ...
16/08/2020

খালি পেটে কাঠ বাদাম খাওয়ার উপকারিতা

ওজন কমাতে সাহায্য করে কাঠবাদাম। শরীরের ফোলাভাব কমায়। যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিশ্বাস হচ্ছে না? সত্যি বলছি, কাঠবাদামের অনেক উপকারিতা। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে ভরপুর কাঠবাদাম রান্না করে খেলেও উপকার। ক্ষীর বা পায়েসের উপর গার্নিশ করেও খাওয়া যায়। উত্তর ভারতের খাদ্য তালিকায় বাদামি কোর্মা বলে একটি পদ খুব জনপ্রিয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সে পদটি কাঠবাদাম দিয়ে তৈরি হয়।


চিকিৎসকরা বলেন, এক বাটি পানিতে কাঠবাদামকে রাতভর ভিজিয়ে রাখলে উপরের বাদামি খোসাটি খুব সহজে বেরিয়ে আসে। খোসা বেরিয়ে আসার পর সাদা বাদামটিকে এক সপ্তাহ রেখে খেতে পারবেন। খোসা ছাড়ানো অবস্থায় খেলে কাঠবাদাম অনেক বেশি কার্যকরী হয়ে ওঠে।

কাঠ বাদামের উপকারিতা :
১. হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে ভেজানো আমন্ড। প্রয়োজনীয় এনজ়াইম নিঃসরণে সাহায্য করে।

২. ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমন্ডে উপস্থিত মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট খিদে কমায় ও পেট ভরিয়ে রাখে।

৩. হৃদয় ভালো রাখে আমন্ড। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল (লো ডেন্সিটি লিপোপ্রোটিন) নিয়ন্ত্রণ করে।


৪. ভেজানো আমন্ডে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস্ শরীরের ফোলাভাব কমায় ও অকালপক্কতা নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে ভোজানো আমন্ডে উপস্থিত ভিটামিন B17।

৬. এই বাদামে উপস্থিত ফ্ল্যাভোনয়েড শরীরে টিউমার হতে দেয় না।

৭. রোজ সকালে খালি পেটে ভেজানো আমন্ড খেলে শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে।

৮. সন্তানসম্ভবাদের নিয়ম করে ভেজানো আমন্ড খেতে পরামর্শ দেন স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞরা। এতে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড জন্মের সময় শিশুর খুঁত দূর করে।

কেন আলু বোখারা খাওয়ার এত গুরুত্বপূর্ণপ্লাম বা আলুবোখারাগুলি হল অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং আমাদের বহুবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা সর...
15/08/2020

কেন আলু বোখারা খাওয়ার এত গুরুত্বপূর্ণ

প্লাম বা আলুবোখারাগুলি হল অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং আমাদের বহুবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা সরবরাহ করে থাকে।এগুলিতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজ যেগুলি আবার ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিরও একটি সমৃদ্ধ উৎস।সারা বিশ্ব জুড়ে প্রায় শতাধিক ধরনের প্লামের সন্ধান পাওয়া যায়।আলুবোখারা হল তারই মধ্যে এক ধরনের প্লাম যা ভারতীয় উপমহাদেশে পাওয়া যায়।এই আলুবোখারার স্বাদের পরিসরটি হল মিষ্টি থেকে টক অর্থাৎ এর একটি অতুলনীয় টক-মিষ্টি স্বাদ রয়েছে- তবে এই ফলটির স্বাদ সকলেই গ্রহণ করতে পারেন।

জার্মানিতে খুবই পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফল আলুবোখারা বা প্লাম , জার্মান ভাষায় বলে ফ্লাউমেন ৷ জেনে নিন এই ফলের ইতিকথা ও নানা গুণ ৷

জার্মানদের প্রিয় ফ্লাউমেন নানা ভাবে খাওয়া হয় ৷ আলুবোখারা বা ফ্লাউমেন দিয়ে তৈরি কেক জার্মানদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় ৷ আমাদের দেশের মত এত দাম নয় সেখানে, অন্যান্য ফলের থেকে এখানে আলুবোখারা দামেও খুব সস্তা ৷ জার্মানরা অনেকে রান্নায়ও এই ফল ব্যবহার করে থাকে৷

আলুবোখারার নানা রুপ
কাটিংকা, হানিটা, আওয়াবাখার অথবা প্রেজেন্টা- এই ফল কত নামেই না সারা বিশ্বে পরিচিত৷ এই গুণের ফলকে যে যে নামেই ডাকুক না কেন, আমরা বাঙালিরা কিন্তু আলুবোখারা বলেই চিনি৷ সারা বিশ্বে মোট দুই হাজার প্রকারের আলুবোখারা রয়েছে ৷

পুরো গ্রীষ্মকালেই জার্মানিতে নীল আর বেগুনীর সংমিশ্রনে মিষ্টি রংয়ের আলুবোখারা বা প্লাম পাওয়া যায় ৷ জুলাইয়ের শুরু থেকেই কিছু গাছের ফল খাওয়া যায় ৷ অন্যদিকে অক্টোবরের শেষেও অনেক গাছে মিষ্টি লোভনীয় আলুবোখারা ঝুলে থাকে৷ দেখতে ছোট, গুণে বড়!

আলুবোখারায় যা রয়েছে
ছোট, লম্বাটে ফলটিতে রয়েছে মিনারেল, ভিটামিন ও আঁশ, যা একজন সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। বিশেষ করে আলুবোখারায় যথেষ্ট পরিমাণে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন A, B, C এবং E রয়েছে।

আলুবোখারার গুনাগুন
আলু বোখারার উপকারিতা প্রাকৃতিক ল্যাক্সোটিভ ও বাধ্যক্য বিরোধী গুণাগুণ যা সারা বিশ্ব জুড়ে বয়স্ক মানুষের কাছে সমাদৃত। তাজা বা শুকনো যেকোনোভাবেই এটি খাওয়া হোক না কেন এই ফলটি তারুণ্য ধরে রাখার অন্যতম একটি খাবার।
আলু বোখারা নার্ভের জন্য খুবই উপকারী। এটি মানসিক চাপ দূরে রাখতেও সহায়তা করে।
গড়ে ১০০ গ্রাম আলুবোখারায় রয়েছে মাত্র ৫০ গ্রাম ক্যালরি, যা ফিগার সচেতনদের জন্যও উপযুক্ত।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আলু বোখারার জুড়ি নেই।
আলু বোখারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
আলু বোখারা সহজে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
আলু বোখারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
ওজন কমানো এবং তা ধরে রাখা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ কষ্ট করে ওজন কমানোর পর শিগগিরই তা ফিরে পায়। তবে খাবারের তালিকায় আলু বেখারা যুক্ত হলে মানুষের স্থুলতা শুধু কমবেই না তা ধরে রাখতেও সহায়ক হবে।

আপনার রান্নায় খাঁটি হলুদের গুড়ো ব্যবহার করছেন তো..! আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি পাহাড়ের প্রাকৃতিক বিন্নি হলুদ যা বান্...
12/08/2020

আপনার রান্নায় খাঁটি হলুদের গুড়ো ব্যবহার করছেন তো..! আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি পাহাড়ের প্রাকৃতিক বিন্নি হলুদ যা বান্দরবানের লামা থেকে সংগৃহীত। বিন্নি হলুদ এতটাই ভালো ও রং তৈরি করে যে হলুদ 1 কেজি দিয়ে পুরো বড় একটা সংসারের এক বছর রান্না করা যাবে।

নিচে কিছু হলুদের গুণাগুণ বর্ণনা করা হলো:
১। কাঁচা হলুদ একটি প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক। তাই কাঁটা এবং পোড়া জায়গায় হলুদ বাটা লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায় ও তাড়াতাড়ি ব্যথা এবং দাগের উপশম ঘটে।
২। হলুদ যখন ফুলকপির সাথে মিলিত হয় তখন এটা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং বিদ্যমান প্রস্টেট ক্যান্সারের বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়।
৩। স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধকারী ও অন্ত্রের ক্যান্সার নিরাময়কারী।
৪। মেলানোমা প্রতিরোধ এবং আত্মহত্যা করতে মেলানোমা কোষ বিদ্যমান হতে পারে.
৫। শিশুদের লিউকেমিয়া ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
৬। হলুদের প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য বাত এবং ফোলানো বাত এর জন্য একটি প্রাকৃতিক চিকিত্সা।
৭। হলুদ কেমো ড্রাগ এর প্রভাব এবং তার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হ্রাস করে।
৮। গবেষণা দেখা গেছে, হলুদ অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার উপশমে চমৎকার কাজ করে।
৯। টিউমার হওয়া বন্ধ ও নতুন রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
১০। হলুদের গাঠ পিষে, ঘিয়ে ভেজে চিনি মিশিয়ে কিছু দিন খেলে (নিয়মিত) ডায়াবেটিস সারে। প্রমেহও সারে।
১১। এটি চর্বি বিপাকে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করে।
১২। দীর্ঘ বিষণ্নতা জন্য একটি চিকিত্সা হিসাবে চীনা দেশে হলুদেরর ঔষধ ব্যবহার করা হয়।
১৩। যেকোনো চর্ম রোগের জন্য হলুদ অনেক উপকারী। কাঁচা হলুদের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে শরীরে মাখলে একজিমা, অ্যালার্জি, র্যা শ, চুলকানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
১৪। হলুদের মানসিক অবসাদ রোধ করতে ব্যবহৃত অ্যান্টি ডিপ্রেস্যান্টের কাজও করে । এ ছাড়া, এই উপাদানে রয়েছে অ্যাস্পিরিনের গুণ। এর প্রয়োগে ভ্যাস্কুলার থ্রম্বোসিস আক্রান্ত রোগীর রক্তের ঘনত্বের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
১৫। সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেয় হলুদ। কাশি কমাতে হলে হলুদের রস খেয়ে নিন কয়েক চামচ, কিংবা এক টুকরো হলুদের সাথে মধু মাখিয়ে তা মুখের মাঝে রেখে আস্তে আস্তে চুষতে পারেন। সেটা করতে না পারলে এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে হলুদের গুঁড়ো, সামান্য মাখন এবং গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। কয়েকবার সেবনেই নিরাময় হবে। কাশি ও গলা ব্যথা উভয়েই দূর হবে।
১৬। হলুদের মধ্যে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ লবণ, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, লোহা প্রভৃতি নানা পদার্থ রয়েছে। তাই হলুদ খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যেমন বাচ্চাদের লিউকমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় নিয়মিত কাঁচা হলুদের রস সেবন। প্রতিদিন দুধ বা পানির সাথে হলুদের গুঁড়ো বা রস মিশিয়ে খাওয়া অভ্যাস করলে অনেকটাই সুস্থ থাকা সম্ভব।
১৭। হলুদ গায়ের ত্বক ফর্সা ও লাবণ্যময় করে তোলে। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে খেলে, ধীরে ধীরে ত্বকের রঙ ফর্সা হয়।
১৮। যেকোনো চর্ম রোগের জন্য হলুদ অনেক উপকারী। কাঁচা হলুদের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে শরীরে মাখলে একজিমা, অ্যালার্জি, র্যা শ, চুলকানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২০। হলুদের অন্য এক উপাদান ‘পলিফেনল’ চোখের অসুখ ‘ক্রনিক অ্যান্টিরিয়ার ইউভেইটিস’ সারাতে কর্টিকোস্টেরয়ডের কাজ করে। উল্লেখ্য, এই রোগের প্রকোপে চোখে প্রচণ্ড জ্বালা ও প্রদাহ দেখা যায়। সূত্র: হেলথডায়েরি।

Jhola Goor (ঝোলা গুড়)দাম : ৫০০ টাকা (কেজি)একটি খুব বিখ্যাত নাম “ঝোলা গুর”; এটি বিশুদ্ধতা এবং সুবাসের সাথে শীতকালে আমাদের...
12/08/2020

Jhola Goor (ঝোলা গুড়)
দাম : ৫০০ টাকা (কেজি)
একটি খুব বিখ্যাত নাম “ঝোলা গুর”; এটি বিশুদ্ধতা এবং সুবাসের সাথে শীতকালে আমাদের শৈশবকে রেখেছে। এখন আপনার নির্ভরযোগ্য খাদ্য উৎস হালাল তওফা খাদ্যের উপর উপলব্ধ। আমাদের নিজস্ব বাগানের খেজুরের রস থেকে এই ঝোলা গুড় তৈরি। এই সময় ভেজাল ও মিথ্যাচারের সময় – এখনও শুদ্ধ হচ্ছে গ্রামাঞ্চলে, শুধুমাত্র শহরগুলিকে আপনার প্রয়োজনগুলি মনে রাখুন এই বিরল কিন্তু ঐতিহ্যগত এবং বিশুদ্ধ গন্ধ নিয়েই এসেছে, শুধু আপনার জন্য!

খেজুর গাছ থেকে নির্গত সুস্বাদু রস থেকে তৈরি হয়। অগ্রহায়ণ মাস থেকে শুরু করে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ করা হয়ে থাকে এবং সে রসকে ঘন ও শক্ত পাটালিগুড়ে পরিণত করা হয়।
বৃহত্তর রাজশাহীর চারঘাট, য়শোর ও ফরিদপুর জেলা, নদীয়া জেলার কিছু অংশ, বশিরহাট ও সাতক্ষীরা মহকুমায় এবং চবিবশ পরগনায় ব্যাপকভাবে খেজুর গাছের চাষ হয় এবং কিছুটা হয় ফরিদপুর অঞ্চলে। এখনও মূলত এসব এলাকাতেই খেজুরের গুড় বেশি উৎপাদিত হলেও বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই কিছু কিছু খেজুর গুড় পাওয়া য়ায়।
সারা মৌসুমে রস আহরণকে ৬ দিন করে কয়েকটি পর্বে ভাগ করে নেওয়া হয়। প্রথম রাতের রসকে বলা হয় জিড়ান, যা গুণে ও মানে সর্বোৎকৃষ্ট এবং পরিমাণেও সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় দিন বিকালে ওই গাছের কাটা অংশটুকু (চোখ) পরিষ্কার করা হয় এবং ওই রাত্রের নির্গত রসকে বলা হয় দোকাট। তবে তা জিড়ান-এর মতো সুস্বাদু কিংবা মিষ্টি নয় এবং পরিমাণেও হয় কম। তৃতীয় রাত্রের প্রাপ্ত রসকে বলা হয় ঝরা। ঝরা রস দোকাটের চেয়েও পরিমাণে কম এবং তা কম মিষ্টি ও অনেক ক্ষেত্রে টক স্বাদয়ুক্ত। পরবর্তী তিনদিন গাছকে অবসর দেওয়া হয়। এরপর আবার নতুন করে চাঁছা (কাটা) ও রস সংগ্রহের পালা শুরু হয়।
একটি মাঝারি মাপের সুস্থ খেজুর গাছ প্রতিদিন গড়ে ৬ লিটারের মতো রস দিয়ে থাকে। আবহাওয়া যত শীতার্ত এবং পরিচ্ছন্ন থাকে রস ততই পরিষ্কার ও মিষ্টি হয়। নভেম্বরের প্রথম দিকে রস আহরণ শুরু হলেও ডিসেম্বর এবং জানুয়ারিতে সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া য়ায়।
যে ব্যক্তি গাছে উঠে তা চাঁছা (কাটা) ও এ থেকে রস সংগ্রহ করার কাজ করে তাকে গাছি বলে। গুড় থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পাটালি গুড় তৈরি করা হয়। রাজশাহীর চারঘাট ও যশোরের খাজুরা বাজার নামক স্থানের বিশেষ ধরনের পাটালি গুড় এবং মাদারীপুর ও মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় বিখ্যাত।
খেজুর রস খুবই সুস্বাদু। শীতকালে খেজুরের রস ও গুড় দিয়েপায়েস তৈরি হয়যা গ্রামবাংলার খুবই প্রিয় খাদ্য। এ ছাড়া খেজুরের গুড় দিয়ে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন পিঠা, পায়েশ, ক্ষির, তালের পিঠা, খেজুর গুড়ের জিলাপি ইত্যাদি তৈরি হয়ে থাকে।
প্রথম রাতের রসকে বলা হয় জিডান, যা গুণে ও মানে সর্বোৎকৃষ্ট। অর্গানিক অনলাইনের পাটালী ও ঝোলাগুড় প্রথম রাতের রস থেকে তৈরী করা হয় ফলে খেতে খুবই সু-স্বাদু। আমাদের পাটালীগুড় রাজশাহীর বিখ্যাত চারঘাট এলাকা চাষীদের কাছ থেকে ন্যাচারাল ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করে নিজেদের তত্ত্বাবধানে প্যাকেটজাত করা।
ত্বককে যদি রাখতে চান মসৃণ, বয়স যদি ধরে রাখতে চান, তবে খেজুর গুড় খান। ১০ গ্রাম গুড় থেকে পাওয়া যায় ১৬ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম। প্রতিদিন শরীরে যে পরিমান ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হয়, তার ৪ শতাংশই আসে গুড় থেকে। খেজুর গুড় স্নায়ুতন্ত্রেও প্রক্রিয়া সচল রাখে ও অনিদ্রা দুর করে। চিনির চেয়ে গুড় বেশী পুষ্টিকর, কারণ গুড়ে চিনির চেয়ে শতকরা তেত্রিশ ভাগ পোষকতত্ত্ব (পুষ্টিগুন) বেশী আছে। নিয়মিত গুড় খেলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ থাকে। কারণ গুড়ের পটাসিয়াম ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে খাওয়ার বিশ মিনিট পর সামান্য গুড় খেয়ে নিতে পারেন।

Address

Halal Towfa, Flat-D, 6th Floor, 66, 67 S J Jahanara Imam Sharani (Star Palace Building)
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হালাল তওফা - Halal Towfa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হালাল তওফা - Halal Towfa:

Share