Mufti Abu Rawad

Mufti Abu Rawad Ruqyah • Hijama • Consultancy
Mental Health ealth Support
যেকোনো সেবা পেতে ৭ দিন আগে অ্যাপয়েটমেন্ট বুক করুন। হোয়াটসঅ্যাপে +8801600069677

04/09/2026

কিছুদিন আগে একজন পেশেন্ট এসেছিলেন, তার সাথে যিনি এসেছিলেন তার এক আত্মীয়কে মা-ও জাদু করতো বশ করার, বউ-ও জাদু করতো বশ করার! দুইজনের বশ করার জাদুর প্রভাব আর ঝগড়াঝাঁটির কারণে একদিন হঠাৎ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।🥲

30/08/2026
29/08/2026

আমাদের একটি "রুকইয়াহ অ্যাপ" আছে জানেন কি?

দ্বিচারিতা বিভিন্ন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে দেখবেন সূরা বনী ইসরাইল এর 82 নাম্বার আয়াত সহ অনেক আয়াত এবং বিভিন্ন হাদীসের উদ্...
28/08/2026

দ্বিচারিতা
বিভিন্ন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে দেখবেন সূরা বনী ইসরাইল এর 82 নাম্বার আয়াত সহ অনেক আয়াত এবং বিভিন্ন হাদীসের উদ্ধৃতি দেখতে পাওয়া যায়। ডাক্তার রা চিকিৎসা দেওয়ার পরেও বলে যে আল্লাহর উপর ভরসা করেন। আমরা তো কেবল উসিলা। সাকসেস হলে বলে আল্লাহই সাকসেসফুল ভাবে সুস্থতা দান করেছেন ইত্যাদি।

কিন্তু জ্বীন জাদু এবং বদনজর তারা একদমই বিশ্বাস করতে চায়না। যখন বলা হয় জ্বীন জাদু বা বদনজর সম্পর্কে, বা কেউ যদি বলে তার জ্বীন জাদুর সমস্যা আছে তখন অধিকাংশই সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বসেন। বিশেষ করে মানসিক ডাক্তারদের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

অবস্থা যেন এমন আল্লাহ কে অর্ধেক বিশ্বাস করলাম আর অর্ধেক অস্বীকার করলাম। নিজেদের প্রয়োজনে মানুষের আকৃষ্ট করার জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই গ্রহণ করলাম, আর বাকিটা ছুড়ে ফেলে দিলাম।

অথচ চিকিৎসা ও সুস্থতায় কুরআনের যে আয়াত টি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সেখানে আল্লাহ তাআলা সরাসরি বলেছেন আমি কুরআনে শিফা অবতীর্ণ করেছি, কুরআনে শিফা রেখেছি। (সূরা বনী ইসরাইল ৮২)

এটাকে কি বলে? ডাবল স্ট্যান্ডার্ড? ধর্ম ব্যবসায়? নাকী দুইটাই নাকি সুবিধাবাদী? কোনটা?

26/08/2026

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

25/08/2026

অনেকের মধ্যে একটি বিষয় আছে, সেটা হলো কোনো কিছু যাচাই-বাছাই করা না করার মানসিকতা। বদনজর, জ্বীনের সমস্যা বা জাদুতে আক্রান্ত হলে কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করেই যারতার কাছে চিকিৎসা নিতে চলে যায়। একবারও ঈমানের দিকটা চিন্তা করে না। অনেকেই তো হিন্দু, বৌদ্ধ ও চাকমা তান্ত্রিকদের কাছেও চলে যায়। এমনকি অনেকেই জেনেবুঝেই অমুসলিমদের কাছে ঝাড়ফুঁক চিকিৎসার জন্য যায়। কারণ তাদের চিন্তা হলো যেকোনো উপায়ে সুস্থ হতে হবে। এতে ঈমান গেলে যাক সুস্থতাই দরকার। অথচ সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা রয়েছে, কুরআনে আল্লাহ তাআলা আরোগ্য ও নিরাময় নাযিল করেছেন।

কিন্তু অনেক হুজুর কবিরাজের কাছে গিয়েও সুস্থ হয়না কেন? কারণ হচ্ছে প্রচলিত কবিরাজি চিকিৎসার প্রায় সকল পদ্ধতিই নাজায়েজ এবং কুফর শিরক। অনেক হুজুর কবিরাজরা বৈধভাবে চিকিৎসা করার চেষ্টা করলেও তাদের চিকিৎসা মূলত ফার্মাসিস্টের মতই তথা প্রাথমিক ধরনের চিকিৎসা। উনাদের না আছে কবিরাজির গভীর জ্ঞান, আর না আছে কুরআনের সঠিক চিকিৎসা রুকইয়াহ সম্পর্কে জ্ঞান।

হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কোনো ও খবিস জিনিসের মধ্যে আল্লাহ তাআলা নিরাময় রাখেন নি।

সুতরাং আপনি যদি রুকইয়াহ করার চিন্তা করেন তাহলে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন কোথায় বা কার কাছে রুকইয়াহ করবেন। অনেকেই আছে কুরআন তিলাওয়াত করতে তো রাকি হয়ে গেছে, আবার অনেকেই আছে মূলত কবিরাজ কিন্তু রাকী ও রুকইয়াহ দিয়ে গোপনে কবিরাজি করছে। আপনি এভাবে ভুল পদ্ধতির শিকার হন বা অভিজ্ঞ রাকীর কাছে রুকইয়াহ করেন তাহলে দিনশেষে আপনার ভোগান্তি ছাড়া কিছুই হবেনা। প্রকৃত শিফা যদিও আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে তথাপি সঠিক উপায় অবলম্বন করা এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রত্যেকের দায়িত্ব।

আল্লাহ তাআলা সবাইকে সুস্থতার নেয়ামত দান করুন আমীন।

কোরবানি ঈদ ও জাদু নবায়ন সতর্কতা:সামনে কোরবানি ঈদ। মুসলমানদের জন্য তা যেমন মহা আনন্দের ঠিক তেমনি অনেকের জন্য মারাত্মক কষ...
19/05/2026

কোরবানি ঈদ ও জাদু নবায়ন সতর্কতা:
সামনে কোরবানি ঈদ। মুসলমানদের জন্য তা যেমন মহা আনন্দের ঠিক তেমনি অনেকের জন্য মারাত্মক কষ্টেরও বটে। কারণ এ সময় অনেক বেশি জাদু চর্চা হয়। এই সময়টাতে নতুন জাদুর পাশাপাশি পুরোনো জাদুও নবায়ন করা হয়। কবিরাজ ও তান্ত্রিকদের নিকট নতুন জাদু করা এবং জাদু নবায়নের বিশেষ কিছু সময় ও দিন আছে। ইসলামে যেমন দোয়া কবুল ও ইবাদতের বিশেষ কিছু মূহূর্ত এবং সময় আছে; যেমন তাহাজ্জুদের সময়, মাগরিবের আগে পরে, দুই খুতবার মধ্যবর্তী সময় ইত্যাদি। তেমনি যাদুকর ও তান্ত্রিকদের নিকটেও বিশেষ কিছু সময় ও দিনের বিশেষ গুরুত্ব আছে। তারা বিশ্বাস করে যে এসব সময় ও দিনে জাদু করলে জাদু অনেক বেশি কার্যকরী এবং শক্তিশালী হয়। এরকম একটা সময় হচ্ছে কোরবানি ঈদ।

কোরবানি ঈদ মুসলমানদের বিশেষ আনন্দের সময়। আর মুসলমানদের যেকোনো আনন্দ সময়, উৎসব এবং যেকোনো ভালো বিষয় শয়তানের কাছে সেটা কষ্টের। এজন্যই ঈদের দিন অনেক পরিবারেই দেখা যায় সবসময় কোনো না কোনো বিষয় নিয়ে সামান্যতেই ঝগড়া বেধে যায় এবং বড়ধরনের ঝগড়া হয়। কারণ শয়তান মুসলমানদের ভালো কাজ ও আনন্দ সহ্য করতে পারে না। আর সেই আনন্দ মাটি/নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। দুনিয়াতে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হচ্ছে সুন্দর ও মূল্যবান সম্পর্ক। আর শয়তানরাও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘটাতে পারলে ইবলিসের কাছে বিশেষ মর্যাদা এবং প্রমোশন পায়।

এজন্য কোরবানি ঈদে শয়তানরা মানুষ কে অনেক বেশি ডিস্টার্ব করে। জাদুকরেরাও কুরবানী পশুর রক্ত, হাড়, চামড়া, মাথার খুলি এবং শিং ইত্যাদি ব্যবহার করে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও শক্তিশালী জাদু গুলো প্রয়োগ করে এবং পূর্বের জাদু নবায়ন করে। তাই এসময় সকলের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিশেষ করে জ্বীন-জাদু আক্রান্ত জন্য বাড়তি সতর্কতা গ্রহণ করা আবশ্যক।

জা’দু নবায়নের বিশেষ সময়সমূহ
—আরবি মাসের মাঝামাঝি (১৩-১৭ তারিখ): এসময় অনেকের সমস্যা বেড়ে যায়।
—নির্দিষ্ট পূজা-পার্বণ: যেমন কা’লি পূজা, বৈশাখী উৎসব ইত্যাদি।
—মাসের শেষ ও শুরুর কিছু সময়: যেমন অমাবস্যায় অনেক বেশি জাদু চর্চা হয়।
—সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন: বিশেষত শনিবার ও মঙ্গলবার।
—নদীর জোয়ার ভাটার সময়। তাবিজ ও জাদুর বিভিন্ন বস্তু পানিতে নিক্ষেপ করে।
—বিশেষ প্রয়োজনের সময়: যেমন স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ঘটানোর আগে, কিংবা পরীক্ষা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে।

তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে, জা’দু নবায়ন শুধু নির্দিষ্ট দিনে সীমাবদ্ধ নয়— যেকোনো সময়ই হতে পারে। তাই অপেক্ষা না করে সর্বদা সতর্ক থাকা এবং মাসনুন আমল ও হেফাজতের দোয়ায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

জাদু নবায়নের লক্ষণসমূহ
◉ হঠাৎ পোড়া, ধোঁয়া বা অস্বাভাবিক গন্ধ অনুভব করা
◉ আতর, ফুল বা অচেনা কিছুর সুঘ্রাণ পাওয়া।
◉ অস্থিরতা বা আতঙ্ক বেড়ে যাওয়া, মানসিক চাপ অনুভব করা।
◉ হঠাৎ অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা বেড়ে যাওয়া।
◉ হঠাৎ শরীর অবশ হয়ে যাওয়া বা হাত-পা অবশ লাগা।
◉ আবার কখনো দুর্গন্ধ, পচা বা নোংরা গন্ধ অনুভব করা।
◉ দুঃস্বপ্ন বৃদ্ধি পাওয়া, ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
◉ স্বপ্নে খেতে দেখা; নিজেই খাওয়া বা জোর করে কেউ খাইয়ে দিতে দেখা।
◉ স্বপ্নে সাপ, কুকুর, বা ভয়ংকর প্রাণী দেখা।
◉ স্বপ্নে কবরস্থান, মৃত মানুষ, আগুন জ্বলতে দেখা।
◉ স্বপ্নে সাগর, নদী, পানি, সাঁতরানো বা ডুবে যেতে দেখা।
◉ স্বপ্নে সাগর বা নদীতে পড়ে গিয়ে খুব কষ্টে পার হতে দেখা।
◉ স্বপ্নে প্রাণীর ধাওয়া করা (বিশেষত কুকুর, সাপ ইত্যাদি)
◉ আকাশে উড়ে যাওয়া বা উপর থেকে পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা
◉ সংসারে অকারণ ঝগড়া বৃদ্ধি পাওয়া।
◉ শরীরে হঠাৎ অস্বাভাবিক ব্যথা বেড়ে যাওয়া।
◉ রুকইয়াহতে উপকারের পর পুনরায় সমস্যা বাড়া।
◉ হঠাৎ পুরোনো লক্ষণগুলো পুনরায় তীব্র হয়ে ওঠা।

জাদু নবায়ন থেকে বাঁচতে করণীয়:
–প্রতিরোধ সব সময় চিকিৎসার চেয়ে উত্তম। অনেকেই আক্রান্ত হলে তবেই রুকইয়াহ করার জন্য আসেন। কিন্তু তখন উপকার পাওয়া গেলেও সময় লাগে বেশি এবং কষ্টও বাড়ে। এরচেয়ে উত্তম হচ্ছে— আগেভাগেই সুরক্ষা গ্রহণ করা। প্রতিরোধমূলকভাবে রুকইয়াহ করা।
–সকালে-সন্ধ্যা, ঘুমের পূর্বের এবং দৈনন্দিন হেফাজতের এবং প্রটেকশনের (শরীর বন্ধের) মাসনুন দোয়া ও যিকির গুলো গুরুত্বের নিয়মিত পালন করুন।
–জিলহজ মাসের চাঁদ উঠার পর থেকে ঈদের আগে সাতদিনের ডিটক্স রুকইয়াহ অবশ্যই করুন। এতে সমস্যাও যেমন দূর হবে অতিরিক্ত সুরক্ষাও হবে। ইনশাআল্লাহ।
– রুকইয়াহ করা সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করুন
– রুকইয়াহ তেল, পানি ইত্যাদি ব্যবহার করুন। নিয়মিত পড়া তেল মসাজ করুন, বেশি বেশি পড়া পানি করুন।
– পারিবারিক ঝামেলা, ঝগড়াঝাঁটি যেন না হয় সে ব্যপারে খুব বেশি সতর্ক থাকবেন। ঝগড়ার বিষয়গুলো সর্বোচ্চ এড়িয়ে যাবেন।
– ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে যেখানে সেখানে ঘুরতে যাবেন না। মন্দির, পরিত্যক্ত পুরাতন ভবন দেখতে যাবেন না।
– ঈদের পর থেকে ঈদের আনন্দে মেতে নিরাপত্তার ভুলে যাবেন না। পরিপূর্ণভাবে রুকইয়াহ করা সম্ভব না হলে যতটুকু সম্ভব রুকইয়াহ করবেন। নিরাপত্তার আমলের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে সূরা ফালাক, নাস, আয়াতুল কুরসি ইত্যাদি তিলাওয়াত করবেন।
– সম্ভব হলে ঈদের আগে এবং পরে অভিজ্ঞ রাকির কাছে সরাসরি রুকইয়াহ করুন। সেলফ রুকইয়াহ থেকে সরাসরি রুকইয়াহ অনেক বেশি কার্যকরী। ঈদের পরে তো যত দ্রুত সম্ভব সরাসরি রুকইয়াহ করবেন।
– রুকইয়াহ'র পাশাপাশি হিজামা করতে এক্সট্রা সুরক্ষা হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ সমস্যা কমে গেলে জ্বীন সহজে ক্ষতি বৃদ্ধি করতে পারেনা, জাদুও তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা।
– আপনি কুরবানী দিলে অবশ্যই পশুর হাড় ইত্যাদি যেখানে সেখানে ফেলবেন না, বরং ভেঙে বা কেটেকুটে ছোট ছোট করে দূরে কোথাও ফেলে দিবেন। অন্যথায় হয়তো দেখা যাবে যে আপনার কোরবানির পশুর হাড় ইত্যাদি দিয়ে আপনাকেই যাদু করবে।

📌 গুরুত্বপূর্ণ কথা
মনে রাখতে হবে—
প্রতিরোধ সবসময় চিকিৎসার চেয়ে উত্তম।
তবে আতঙ্কিত হওয়া নয়, বরং সতর্কতা কাম্য, একজন মুমিনের কাজ হলো— আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করা, শরীয়তের উপর চলা, নিয়মিত আমল করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা। সঠিক সময়ে রুকইয়াহ করে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা।

❝ শিফা একমাত্র মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে। ❞

সমস্যা যাচাই এবং রুকইয়াহ চিকিৎসার জন্য এপয়েন্টমেন্ট বুক করতে যোগাযোগ করুন।
মেসেঞ্জার/হোয়াটসঅ্যাপ
📞 01715-212298

04/11/2024

রুকইয়াহ কেইস হিস্ট্রি ও রিভিউ:
পেশেন্ট একজন মহিলা। সমস্যা শুরু হয় জুলাই মাসের প্রথম দিকে। পুরাতন এক পেশেন্টের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন তিনি। পেশেন্ট সমস্যা হলো- হঠাৎ একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখে বুকের ভেতর কেমন লাগছে, হতাশা লাগছে, কান্না করতে ইচ্ছে হতো, কান্না চেপে রাখতে না পেরে কান্নাও করেছে অনেক, ঠিকমতো ঘুম হয়না, বুকের মধ্যে যন্ত্রণা হয়, মনে হতো যেন কিছু বাসা বেঁধে আছে, বুক ভার ভার লাগতো, কেমন যেন জ্বলতো। বর্তমানে পেশেন্ট ৩ মাসের প্রেগন্যান্ট।

রুকইয়াহ'র সময় পেশেন্টের যে যে ইফেক্ট হয়:
প্রথমে ১৫-২০ মিনিটের মতো পুরো শরীর চুলকানি হয়। তারপর রোগীর প্রচন্ড অস্থির লাগছিল, অনেক গরম লাগছিল, গরমে পুরো শরীর ঘেমে যায়, বারবার এসি চালু করার কথা বলছিল, অথচ এসি চালু ছিল! শরীরে শিরশির করছিল, কেমন জানি হাসি পাচ্ছিল, কতক্ষন পর শরীর খুব ঠান্ডা লাগছিলো। সবশেষে মোটামুটি স্বাভাবিক হয়ে যায়।

রুকইয়াহ শেষে পেশেন্ট বলেন- উনার কাছে খুবই ভালো লাগছে, শরীর হালকা লাগছে, বুকের ভেতর ভারী বা জ্বালা ভাব নেই, খুবই প্রশান্তি লাগছে।

তারপর সেলফ রুকইয়াহ সাজেশন দিয়ে বিদায় দিই। সমস্যা না হলে বাচ্চা হওয়ার পর যোগাযোগ করতে বলি। সাথে এটাও বলেই দেই যে, সমস্যা হলে যোগাযোগ করবেন এবং সমস্যা না হলেও বাচ্চা হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে একবার আপডেট জানাবেন।

03/11/2024

কেইস হিস্ট্রি ও রিভিউ:

পেশেন্ট একজন মহিলা। মেডিকেল হিসাব রক্ষক হিসেবে জব করেন। বিয়ে হয়েছে তিন বছর। তিন বার কনসিভ হয়। প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে (রমজানে) কনসিভ হয় এবং কুরবানীর সময় নষ্ট হয়ে যায়। ৭ সপ্তাহের দিকে হার্টবিট চলে যায়। যখন কনসিভ হয় তখন পায়ের পাতা জ্বালাপোড়া করে এবং কোমর ব্যথা করে। যখন নষ্ট হয়ে যায়, হার্টবিট চলে যায় তখন ওই সময়টাতে প্রচন্ড কোমর ব্যথা হয়, গেমে অস্তির হয়ে যায়, পাঁচ-সাত মিনিট থাকে এরকম, তারপর সবকিছু নরমাল হয়ে যায়। কোনো ব্লিডিং হয়না, এরপর ওষুধ খেয়ে ক্লেয়ার করতে হয়।

মেডিকেল কোনো সমস্যা নেই, ডাক্তাররাও এর কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছে না এবং এর সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারছে না। ডাক্তাররা আইভিএফ করে বাচ্চা নেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু তিনি আমার বললেন যে, নরমাল কনসিভ হয়ে এরকম হচ্ছে, তো আইভিএফ করলেও যে এরকম হতে পারে।

গতকাল ২ নভেম্বর এসেছিলেন ডায়াগনসিস রুকইয়াহ করার জন্য।
রুকইয়াহ ইফেক্ট-
প্রচন্ড গরম লাগছিল, গরমে ঘাম বের হচ্ছিল, মাথা ঘুরানো, ডান হাত অনবরত কাঁপছিল, বাম কাঁধে ব্যথা, পায়ে চাবানি কামরানি মত প্রচন্ড অস্বস্তি লাগা, মুখের বাম চোয়ালে প্রচন্ড ব্যথা। বাম হাত বাঁকা হয়ে যাচ্ছিল।

রুকইয়াহ শেষে সাথে সাথে এই সব ইফেক্ট চলে যায় ধীরে ধীরে। কারণ হচ্ছে রুকইয়াহ'র সাময়িক। সমস্যা থাকলে ইফেক্ট হবে, এবং রুকইয়াহ অফ করে দিলে কোনো ইফেক্ট বা সমস্যা থাকে না।

সুতরাং ডায়াগনসিসে স্পষ্ট হলো পেশেন্টের মূলত বাচ্চা না হওয়ার জাদুর সমস্যা রয়েছে।

09/09/2024

বর্তমানে আরো একটা কমন সমস্যা হচ্ছে - গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়া, মিসক্যারেজ হয়ে যাওয়া।

চারদিন আগে একজন পেশেন্ট আসছিলেন, বিয়ে হয়েছে ৬ বছর হয়েছে। কিন্তু বাচ্চা হচ্ছে না। মেডিকেল চিকিৎসা করেও কোনো লাভ হচ্ছে না।

অবশেষে শিডিউল নিয়ে এসেছিলেন রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস করার জন্য। রুকইয়াহ'তে স্পষ্ট ই বোঝা যায় যে, তার বাচ্চা না হওয়া বা বন্ধ্যাত্বের জাদুর সমস্যা আছে।

রুকইয়াহ করার সময় পেশেন্টের অনেক ইফেক্ট হয়। যেমন-
প্রচুর কান্না আসা, মাথা ব্যথা ও ধরে যাওয়া, ঘাড়, পিঠ ও কোমর ব্যথা করা, অস্থির লাগা, মাথা ঘুরানো, হাত ও শরীর কাঁপতে থাকা, শরীর গরম লাগা ও বুক ধড়ফড় করা।

আপনার যদি বারবার মিসক্যারেজ হয়, মেডিকেল কোনো সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও কনসিভ না হওয়া, কিংবা মেডিক্যাল সমস্যা থাকলেও চিকিৎসা করেও ভালো না হওয়া এবং কনসিভ না করা- এরকম সমস্যা থাকে তাহলে একবার ডায়াগনসিস রুকইয়াহ করে দেখা উচিত।

Address

House# 8, Road# 7, Block# M, Banasree, Rampura
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mufti Abu Rawad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mufti Abu Rawad:

Shortcuts

Share