Medi Kindred

Medi Kindred Treatment in Indian best branded Hospitals, Telemedicine, Patient Consultancy, Oxygen supply, Abroad

বাচ্চাদের দেরিতে হাঁটা-বসা — অবহেলা নয়শিশু যদি বয়স অনুযায়ী✔️ বসতে দেরি করে✔️ দাঁড়াতে না পারে✔️ হাঁটতে দেরি হয়✔️ হাত-পা দ...
23/05/2026

বাচ্চাদের দেরিতে হাঁটা-বসা — অবহেলা নয়
শিশু যদি বয়স অনুযায়ী

✔️ বসতে দেরি করে
✔️ দাঁড়াতে না পারে
✔️ হাঁটতে দেরি হয়
✔️ হাত-পা দুর্বল লাগে

তাহলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
এগুলো কখনও কখনও হতে পারে—

🔹 স্নায়ুর সমস্যা
🔹 মাংসপেশির দুর্বলতা
🔹 জন্মগত ব্রেইন বা স্পাইনের সমস্যা
🔹 পুষ্টিহীনতা বা বিকাশজনিত জটিলতার

লক্ষণ
⏰ যত দ্রুত শনাক্ত করা যায়, চিকিৎসার ফল তত ভালো হয়।
👨‍⚕️ শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে সচেতন হোন।

আমাদের 'মন' কিন্তু বায়বীয় কিছু না! বরং বলা যায়  মন আসলে মস্তিষ্কেরই একধরনের কার্যকলাপ ।  শরীরের নানা কার্যক্রম (যেমন- এই...
19/05/2026

আমাদের 'মন' কিন্তু বায়বীয় কিছু না! বরং বলা যায় মন আসলে মস্তিষ্কেরই একধরনের কার্যকলাপ । শরীরের নানা কার্যক্রম (যেমন- এই মুহুর্তে আপনি চোখ মেলে লেখাগুলো পড়ছেন, সাথে হয়তো একটু পা নাড়াচ্ছেন, অজান্তেই চোখের পাতা ফেলছেন, আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস, হার্টবিট চলছে- এগুলো সবকিছু যেমন ব্রেইনের কার্যক্রম, তেমনি আপনার মনের অনুভূতি, চিন্তা বা ব্যবহার কিন্তু মস্তিষ্কের কাজেরই একটি অংশ। সুতারাং শরীরের মতো মনের নিয়ন্ত্রণও আমাদের মস্তিষ্কে।

👍মোটা দাগে মনের দুটো অংশ!

-মানসিক প্রক্রিয়া (Mental Process) এবং

-বাহ্যিক ব্যবহার (External Behaviour) ।

👍এই মানসিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে-
🔹আমাদের চিন্তা (Thought Process) - অর্থাৎ আমরা কি ভাবি, কিভাবে চিন্তা করি, আমাদের ভাবনাগুলো মস্তিষ্কে কিভাবে সন্নিবেশিত থাকে, সিদ্ধান্ত গ্রহনের প্রক্রিয়া ইত্যাদি।

🔸আমাদের আবেগ (Emotional Process) - অর্থাৎ ভালো লাগার অনুভূতি, দুঃখ পাওয়া, আশ্চর্য হওয়া, রাগ, ভয়, বিতৃষ্ণা, রাগ, হিংসা ইত্যাদির অনুভূতি)

🔹আমাদের স্মৃতিসমূহ (Memory Process)- কিভাবে কোন তথ্য আমরা স্মৃতিভান্ডারে জায়গা দেই, কিভাবে জমা রাখি, আবার প্রয়োজন মতো বের করি, কেন কিছু তথ্য স্মৃতিতে রাখি, কিছু রাখি না ইত্যাদি নানা কিছু ।

🔸আমাদের শেখার প্রক্রিয়া (Learning Process)

🔹আমাদের প্রণোদনা (Motivation, Drive)

🔸নিজের সম্পর্কে, অন্যদের সম্পর্কে বা চারপাশ সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি, ধারণা (Perception, Belief) ইত্যাদি নানা কিছু!

দারুন ব্যাপার হলো এই মানসিক প্রক্রিয়া সমূহ প্রতিটা মানুষের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন। ফলে কারো কারো সাথে আমাদের কিছু মিল থাকলেও মানসিক দিক দিয়ে প্রতিটা মানুষই অনন্য!অনন্য এই মন কিন্তু শরীরের মতোই আপনার মনোযোগ এবং যত্ন দাবী করে।অতএব আপনার মনে যা করতে ভালো লাগে তাই করুন। নিজেকে সুস্থ রাখার আর কোন বিকল্প নেই। শরীরের সাথে মনের যত্ন নিন।
Rohena
Pharmacists
Medi Kindred
For Any treatment / help knock inbox.
Stay blessed.

একবার একজন মানুষ মদ পান করে  মারা যায়।  আর একই সময়ে এক নারী আত্মহত্যা করে।  তাদের দু’জনের জানাজা একই মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়...
18/05/2026

একবার একজন মানুষ মদ পান করে মারা যায়। আর একই সময়ে এক নারী আত্মহত্যা করে। তাদের দু’জনের জানাজা একই মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

তখন কিছু লোক ইমাম আবু হানিফা রহঃ -কে জিজ্ঞেস করলেন: তারা কি জান্নাতে যাবে নাকি তাদের শেষ পরিণতি হবে জাহান্নাম?

তিনি চাইলে- তখন মানুষকে উত্তেজিত করে নানা শাস্তির আয়াত বর্ণনা করে উত্তর দিতে পারতেন। মানুষকে নানা ফ্যাসাদে জড়িয়ে রাখতে পারতেন। কারণ মদ পান করা গুনাহ। আর আত্মহত্যা করা বড় পাপ।


কিন্তু আবু হানিফা বুঝেছিলেন, মানুষের পরিণতি নির্ধারণ করা তাঁর কাজ নয়। তাঁর কাছে জান্নাত খোলার চাবি কিংবা জাহান্নাম বন্ধ করার তালা একটাও নেই। আর তিনি নিজে মানুষের নিয়ত বা শেষ পরিণতির বিচারকও নন।

তখন তিনি প্রজ্ঞাপূর্ণভাবে বললেন। আমি তাদের ব্যাপারে সেই কথাই বলি যা ইবরাহিম আঃ বলেছেন:
যে আমার অনুসরণ করে, সে আমার অন্তর্ভুক্ত। আর যে আমার অবাধ্য হয়, নিশ্চয়ই তার রব পরম ক্ষমাশীল এবং দয়ালু।

আর আমি তাদের ব্যাপারে সেই কথাই বলি যা ঈসা আঃ বলেছেন:
তুমি যদি তাদের শাস্তি দাও, তারা তো তোমারই বান্দা। আর যদি তুমি তাদের ক্ষমা কর, তবে নিশ্চয়ই তুমি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।

আর আমি তাদের ব্যাপারে সেই কথাই বলি যা নূহ আঃ বলেছেন:
তাদের সব হিসাব তো আমার রবের কাছেই আছে। যদি তোমরা বুঝতে পারো।

এভাবে তিনি অত্যন্ত প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তার সাথে বিষয়টি আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেন এবং নিজের অবস্থানকে শুধু একজন বান্দার সীমার মধ্যে রাখলেন।

তিনি কারও পরিণতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি। আল্লাহর রহমতের দরজাও বন্ধ করেননি এবং নিজেকে স্রষ্টার আসনেও বসাননি।

আজকের দিনে মানুষের বড় একটি পরীক্ষা হলো- অনেকে সুযোগ পেলেই খুব দ্রুত অন্যদের বিচার করতে এগিয়ে আসে। নিজেদের ইচ্ছামতো জান্নাত-জাহান্নাম বণ্টন করে এবং নিজেদের আল্লাহর রহমতের অভিভাবক মনে করে।

মানুষ কারো কাজ বা চিন্তার সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু কারও সম্পর্কে এই ফয়সালা কখনো দিতে নেই - সে জান্নাতে যাবে নাকি জাহান্নামে। কারণ এটা একমাত্র আল্লাহরই সিদ্ধান্ত।

কারণ তিনিই জান্নাত ও জাহান্নামের মালিক।

তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি সবার চেয়ে অধিক দয়ালু। তিনি প্রজ্ঞা ও ন্যায়ের সাথে যা ইচ্ছা তাই করেন। আর আমরা তাঁর বান্দা, আমরা তাঁর গোলাম। আমাদের সীমা জানা উচিত এবং তা অতিক্রম করা কখনই উচিত নয়।

কিন্তু আমরা কি করি ?

অন্যের মৃত্যু নিয়ে তামাশা করি-যেন নিজে কখনো মারা যাবোনা। অন্যের পাপ অন্বেষণ করি , যেন নিজে পাপী না। আর অন্যকে এতো সহজেই দোযখে পাঠাই যেন নিজে জান্নাতি ছাড়া আর কিছুই না।

🎀 ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা: একটি শেয়ার বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ!"লজ্জা কি জীবনের চেয়েও বড়? অনেক মা-বোন কেবল সংকোচের কারণ...
16/05/2026

🎀 ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা: একটি শেয়ার বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ!
"লজ্জা কি জীবনের চেয়েও বড়? অনেক মা-বোন কেবল সংকোচের কারণে ভেতরে ভেতরে একটি মরণব্যাধি পুষে রাখছেন, যার নাম—ব্রেস্ট ক্যান্সার। অথচ একটু সচেতনতাই পারতো এই পরিস্থিতি বদলে দিতে!"
🧬 কেন হয় এই রোগ? (বিজ্ঞানের ভাষায়)
আমাদের শরীরের কোষ যখন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে, তখন সেটি টিউমারে রূপ নেয়। আর এই টিউমারই পরে ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে।
📌 ঝুঁকির প্রধান কারণগুলো জেনে নিন:
পরিবারে আগে কারো এই রোগ থাকা।
শরীরে হরমোনের (ইস্ট্রোজেন) ভারসাম্যহীনতা।
অতিরিক্ত ওজন বা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।
দেরিতে সন্তান নেওয়া বা ধূমপানের অভ্যাস।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়া।

🎗️ ৭টি সতর্ক সংকেত (যা এড়িয়ে যাওয়া ভুল):
১. স্তনে কোনো শক্ত চাকা বা গাঁট অনুভব হওয়া।
২. হুট করে স্তনের আকার বা আকৃতি বদলে যাওয়া।
৩. চামড়ায় টোল পড়া বা কমলার খোসার মতো খসখসে হওয়া।
৪. নিপল বা বোঁটা ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া।
৫. নিপল দিয়ে রক্ত বা অস্বাভাবিক তরল বের হওয়া।
৬. দীর্ঘদিনের ঘা বা চামড়ায় লালচে ভাব।
৭. বগলের নিচে কোনো ফোলা অংশ দেখা দেওয়া।

🔍 ঘরে বসেই নিজের পরীক্ষা (Self-Check):
মাসে অন্তত একবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের স্তন পরীক্ষা করুন। শুয়ে বা দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে আলতো চেপে দেখুন কোনো অস্বাভাবিক চাকা আছে কি না। মনে রাখবেন, শুরুতে ধরা পড়লে এটি ১০০% নিরাময়যোগ্য!

⚠️ অবহেলা নয়, পদক্ষেপ নিন:
ভয় পাবেন না: স্তনে চাকা মানেই ক্যান্সার নয়, তবে পরীক্ষা করা জরুরি।

লজ্জা ঝেড়ে ফেলুন: কোনো লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

পরীক্ষা: প্রয়োজনে ম্যামোগ্রাম বা আল্ট্রাসাউন্ড করান।

আপনার একটি 'শেয়ার' হয়তো আপনার পরিচিত কোনো মা, বোন বা বন্ধুর জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে। সচেতনতা ছড়িয়ে দিন, সুস্থ থাকুন।


ধরেন আপনার  ছেলে… বয়স ১৩–১৪।দুই সপ্তাহ ধরে হালকা জ্বর,কখনো আছে, কখনো নেই।কাশিটাও আছে… কিন্তু খুব বেশি না।বাড়িতে কী হয়?“স...
16/05/2026

ধরেন আপনার ছেলে… বয়স ১৩–১৪।
দুই সপ্তাহ ধরে হালকা জ্বর,
কখনো আছে, কখনো নেই।
কাশিটাও আছে… কিন্তু খুব বেশি না।
বাড়িতে কী হয়?
“সর্দি-কাশি… ঠিক হয়ে যাবে।”
একটু সিরাপ প্যারাসিটামল…
খেলাধুলা কমে যায়,
খাওয়াও আগের মতো করে না।
একসময় কাশি বাড়ে।
রাতে বেশি হয়।
জ্বরটা আর পুরোপুরি ছাড়ে না।
তবুও,
“আরেকটু দেখি! …”
ভেতরে ভেতরে তখন কী হচ্ছে জানেন?
ফুসফুসে সংক্রমণ ধীরে ধীরে জমে।
শরীর ওই জীবাণুর সাথে লড়তে গিয়ে
পুঁজ তৈরি করে।
এই পুঁজটা একসময় একটা জায়গায় জমে যায়
যাকে আমরা বলি lung abscess বা empyema।
তারপর হঠাৎ
শ্বাস নিতে কষ্ট শুরু।
বুক ভারী লাগে।
হাঁটলেই হাঁপ ধরে।
তখন হাসপাতালে আনা হয়।
ততক্ষণে
ফুসফুসে পুঁজ জমে গেছে।
শেষ পর্যন্ত সেই পুঁজ বের করতে হয়।

এই যে ১৪ বছরের একটা বাচ্চা
এটাও একদিনে হয়নি।
দিনের পর দিন জ্বর,কাশি
এইভাবেই জমে জমে এই অবস্থায় আসে।

আপনার বাসায় এমন কেউ আছে?
অনেকদিন ধরে কাশি যাচ্ছে না?
জ্বর বারবার আসছে?
তাহলে দেরি করবেন না।
একটা Chest X-ray অনেক সময়
জীবন বাঁচিয়ে দেয়।
আমরা অনেক কিছুতেই দেরি করি…
আজ একটু খেয়াল রাখলে,
আগামীকাল হয়তো পুঁজ বের করতে হবে না।
ভালো থাকুক সকল শিশু!
থাকুক সুস্থ, সবল, আনন্দে, হাসি আড্ডায় মেতে!

ডা.আব্দুর রহমান

ছবি, কেস: - ডা: কেফায়েতুল্লাহ নোমান

“গ্রামে ছোট বাচ্চাদের মুখে কুকুরের কামড় কেন বেশি হয়?”আমি ভাবতাম এটা বুঝি কাকতালীয়।বিগত কয়েকমাসে দিনাজপুরে ও ঢাকায় মিলে প...
14/05/2026

“গ্রামে ছোট বাচ্চাদের মুখে কুকুরের কামড় কেন বেশি হয়?”

আমি ভাবতাম এটা বুঝি কাকতালীয়।বিগত কয়েকমাসে দিনাজপুরে ও ঢাকায় মিলে প্রায় ৫/৬টা অপারেশন করলাম।মনে হলো এই সব ঘটনা বেশ বেশিই হয়। তাই একটু ভাবলাম আর Observe করে দেখলাম বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে।

যেমন-

ছোট বাচ্চাদের উচ্চতা কম হওয়ায় / বা তারা বসে খেলাধুলা করার সময় তাদের কুকুরের মুখের কাছাকাছি থাকে।
কুকুর ভয় পেলে, বিরক্ত হলে বা হঠাৎ উত্তেজিত হলে আক্রমণ করলে মুখটাই সবচেয়ে আগে আঘাত পায়।

আরও কিছু কারণ থাকতে পারে-
• হয়তো বাচ্চারা আদর করতে গিয়ে খুব কাছে চলে যায়
• হয়তো না বুঝেই তারা খেতে থাকা বা ঘুমন্ত কুকুরকে বিরক্ত করে
• আর বাচ্চারা ভয় পেলে সাধারণত দৌড় দেয়, এতে কুকুর তাড়া করতে পারে

সতর্ক থাকুন:
✔️ অপরিচিত কুকুরের কাছে বাচ্চাকে একা যেতে দেবেন না
✔️ কুকুরের সাথে আচরণের নিয়ম বাচ্চাদের শেখান
✔️ কামড়ালে ক্ষতস্থান ১৫ মিনিট সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে দ্রুত হাসপাতালে যান
একটি কুকুরের কামড় শুধু ক্ষত নয়, Rabies এর মতো প্রাণঘাতী ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

অবশ্যই চিকিৎসক এর পরা অনুযায়ী মুখের পরামর্শ অনুযায়ী অপারেশন করিয়ে নিন। নাহলে সেটা হতে পারে পরবর্তীতে ভয়ংকর বিকৃতির কারণ।

একটি শিশুর মায়াবী মুখ আর হাসির থেকে সুন্দর আর কি হতে পারে।

এই বাচ্চাটির মায়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে পোস্ট করা হয়েছে

আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান?রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে?তা...
14/05/2026

আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?
হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?
সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান?
রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে?
তারপর নিজেকেই বুঝ দেন,
“… গ্যাস…”
“বয়স বাড়তেছে…”
“এত টেনশন করলে এমন হবেই…”

৫৮ বছরের একজন মানুষ
একদম সাধারণ জীবন।
সকাল হলে কাজে যেতেন, মানুষের সাথে হাসতেন, বাজার করতেন, পরিবার নিয়ে চিন্তা করতেন।
বড় কোনো অসুখ ছিল না।
কমপক্ষে উনি তাই ভাবতেন।
তারপর একদিন সকালে বুকের ভিতর ভারী লাগা শুরু হলো।
তীব্র ব্যথা না।
শুধু মনে হচ্ছিল বুকের উপর কেউ পাথর চাপা দিয়ে রেখেছে।
তিনি ভাবলেন একটু পর ঠিক হয়ে যাবে।
হার্টের রক্তনালী আস্তে আস্তে সরু হয়ে যাচ্ছিল বছরের পর বছর ধরে।
আমরা যেভাবে ঘরের পাইপের ভিতরে ময়লা জমে পানি চলার রাস্তা ছোট হয়ে যায়,
ঠিক সেভাবেই রক্ত চলার পথ ছোট হয়ে যায়।

অল্প কাজেই ক্লান্ত লাগা
বুকের মাঝখানে চাপ লাগা
হাঁটলে দম ফুরিয়ে যাওয়া
আগের মতো শক্তি না পাওয়া
হঠাৎ ঘাম হওয়া
বাম হাত বা চোয়ালে অস্বস্তি
এগুলাকে অবহেলা করবেন না

আমরা বিশ্বাস করতে চাই, “আমার কিছু হবে না।”
কিন্তু হার্ট অ্যাটাক সময় দেয়না...

প্লিজ অবহেলা করবেন না।

কি করলে হার্ট ভালো থাকবে?
বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই হার্টকে ধীরে ধীরে বাঁচায়… আবার ধ্বংসও করে।

🖤 হার্ট সুস্থ রাখতে যা করবেন:
•😒১/ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
জিম করতে হবে না।
নিয়মিত হাঁটাটাই অনেক বড় ওষুধ।
২/ ধূমপান বাদ দিন
একটা সিগারেটও হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে।
“মাঝে মাঝে খাই” বলেও অনেক মানুষ ICU তে যায়।
৩/ তেল-চর্বি কমান
প্রতিদিন গরু-খাসি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া…
এগুলো ধীরে ধীরে রক্তনালী বন্ধ করে।

৪/ ঘুম ঠিক করুন
রাত জেগে থাকা, অল্প ঘুম, অতিরিক্ত স্ট্রেস…
এসব হার্টের উপর ভয়ংকর চাপ ফেলে।

৫/ সুগার, প্রেসার, কোলেস্টেরল চেক করুন
অনেক মানুষের এগুলো থাকে কিন্তু টেরই পায় না।
আর ভিতরে ভিতরে হার্ট নষ্ট হতে থাকে।

৬/ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
পেটের মেদ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা না।
এটা হার্টেরও শত্রু।

৭/ রাগ, টেনশন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমান
সব চিন্তা একা মাথায় রাখবেন না।

যদি মাঝে মাঝে বুক চাপ লাগে, হাঁটলে হাঁপান, বাম হাতে অস্বস্তি হয়, অকারণে ঘাম হয়…
একটা ECG, Echo বা ডাক্তার দেখানো আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
হার্ট ভালো রাখার জন্য শুধু ওষুধ না,
জীবনযাপনও বদলাতে হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই—সচেতনতা আর নিয়ম মেনে চললেই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে গুরুত...
12/05/2026

ডায়াবেটিস নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই—সচেতনতা আর নিয়ম মেনে চললেই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:
১️⃣ নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা-
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি হলো নিজের সুগারের অবস্থা জানা।
ফাস্টিং ও খাবারের ২ ঘণ্টা পর সুগার পরীক্ষা করা
HbA1c টেস্ট ৩–৬ মাস পরপর করা
রিপোর্ট অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া
২️⃣ খাবারে নিয়ম ও সংযম-
খাবারই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় অংশ।
কম শর্করা ও কম চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া
সাদা ভাত, চিনি, মিষ্টি, সফট ড্রিংক এড়িয়ে চলা
লাল চাল/আটা, ডাল, শাকসবজি, মাছ ও পরিমিত পরিমাণ মাংস খাওয়া
নির্দিষ্ট সময়ে অল্প অল্প করে খাবার খাওয়া
ফল খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণে সীমিত
৩️⃣ নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়াম-
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা
হালকা ব্যায়াম, যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং
দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে না থাকা
৪️⃣ ওষুধ ও ইনসুলিন সময়মতো নেয়া-
ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া,নিজের ইচ্ছায় ওষুধ কমানো বা বন্ধ না করা!ইনসুলিন নিলে সঠিক সময় ও ডোজ মেনে নেওয়া!
৫️⃣ ওজন নিয়ন্ত্রণ-
অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে কমানোর চেষ্টা!ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে সুগারও নিয়ন্ত্রণে থাকে
৬️⃣ মানসিক চাপ কম রাখা-
অতিরিক্ত টেনশন সুগার বাড়িয়ে দেয়
নামাজ, দোয়া, মেডিটেশন বা পছন্দের কাজে সময় দেওয়া! এবং পর্যাপ্ত ঘুম (৬–৮ ঘণ্টা)
৭️⃣ ধূমপান ও অতিরিক্ত চা-কফি পরিহার-
ধূমপান পুরোপুরি বাদ দেওয়া
অতিরিক্ত চা-কফি ও এনার্জি ড্রিংক এড়ানো
৮️⃣ পা, চোখ ও কিডনির যত্ন-
পায়ে কাটা-ছেঁড়া হলে দ্রুত চিকিৎসা
বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা
কিডনি ফাংশন ও ইউরিন টেস্ট করা
🌿 মনে রাখবেন
ডায়াবেটিস কোনো অভিশাপ নয়। এটি একটি জীবনযাপনভিত্তিক রোগ। নিয়ম, ধৈর্য আর সচেতনতা থাকলে ডায়াবেটিস নিয়েও সুন্দর, কর্মময় ও স্বাভাবিক জীবন কাটানো সম্ভব।
রোহেনা রিপা
রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট
Medi Kindred

গীবত এবং পরনিন্দা করা থেকে দূরে থাকুন! সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ! মন পরিষ্কার রাখুন!শেষ হিসাবটা অর্থের নয়,কর...
12/05/2026

গীবত এবং পরনিন্দা করা থেকে দূরে থাকুন! সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ! মন পরিষ্কার রাখুন!শেষ হিসাবটা অর্থের নয়,কর্মের হবে!আজকে আপনি অন্যের সাথে যা করলেন সেটা যদি সঠিক হয়, তবে এমন সঠিক যেন আপনার সাথে অতি দ্রুত হয়। আমিন।

Address

52 B, Malibagh Chowdhury Para
Dhaka

Telephone

+8801677646240

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medi Kindred posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Medi Kindred:

Share