Medi Kindred

Medi Kindred Treatment in Indian best branded Hospitals, Telemedicine, Patient Consultancy, Oxygen supply, Abroad

ক্যান্সার কি সবসময় আগেভাগে জানান দেয়?দুঃখজনক হলেও সত্য—সবসময় নয়। কিছু ক্যান্সার শরীরে নীরবে বেড়ে উঠতে পারে, আর যখন লক্ষণ...
19/08/2026

ক্যান্সার কি সবসময় আগেভাগে জানান দেয়?

দুঃখজনক হলেও সত্য—সবসময় নয়। কিছু ক্যান্সার শরীরে নীরবে বেড়ে উঠতে পারে, আর যখন লক্ষণগুলো স্পষ্ট হয়, তখন অনেক সময় রোগটি বেশ দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে।
আমার স্ত্রীর পরিবারের একজন অত্যন্ত প্রিয় মানুষ—আমার মামা। তিনি একজন ব্যস্ত ব্যবসায়ী ছিলেন। বাংলাদেশ ও ভারতে ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। বড় কোনো অসুস্থতা ছিল না, স্বাভাবিকভাবেই জীবনযাপন করছিলেন।
কয়েক মাস আগে হঠাৎ শুরু হলো পাতলা পায়খানা ও পায়খানার সঙ্গে রক্তপাত। প্রথমে সাধারণ কোনো শারীরিক সমস্যা ভেবে চিকিৎসা নেওয়া হয়। ওষুধে কিছুটা উপকারও হয়েছিল। কিন্তু এরপর আর পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে ওঠেননি।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই পায়খানার চাপ, রুচি কমে যাওয়া, ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়া—এসব লক্ষণ দেখা দিতে থাকে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা গেল, তার সিগময়েড কোলনে ক্যান্সার হয়েছে।
পরবর্তীতে তাকে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধার মানুষ ও আইডল ডা. তপেশ কুমার পাল স্যারকে দেখানো হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও PET-CT করার পর জানা গেল, ততদিনে ক্যান্সার শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়েছে—কোমর, পেট, বুক, হাতের হিউমেরাস, পায়ের ফিমার ও টিবিয়া, এমনকি মাথার দিকেও।
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছিল—এই পর্যায়ে অপারেশন নয়; প্রয়োজন কেমোথেরাপি ও অন্যান্য চিকিৎসা। চিকিৎসাও শুরু হয়েছিল। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস, চিকিৎসা চলাকালীনই কিছুদিন পর তিনি মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দেন। 🤲
এই ঘটনাটি আমাদের জন্য একটি গভীর শিক্ষা।
আমরা অনেক সময় মনে করি—“আমি তো ভালো আছি, আমার কিছু হবে না।” কিন্তু বাস্তবতা হলো, কিছু রোগ খুব নীরবে শরীরে বেড়ে উঠতে পারে।
ক্যান্সার শুধু অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকারী মানুষেরই হয়—এমনটাও নয়। স্বাস্থ্য সচেতন ও নিয়ম মেনে চলা মানুষও কখনো কখনো এই কঠিন রোগে আক্রান্ত হন। আবার কেউ দীর্ঘদিন নানা ক্ষতিকর অভ্যাস করেও অনেক বছর সুস্থ থাকতে পারেন।
শেষ পর্যন্ত জীবন-মৃত্যু ও আরোগ্যের মালিক মহান আল্লাহ। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, চিকিৎসা দেন—আর শিফা দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।
তবে আল্লাহর ওপর ভরসা করার পাশাপাশি আমাদের দায়িত্ব হলো নিজের শরীরের প্রতি সচেতন থাকা।
দীর্ঘদিন ধরে যদি দেখা যায়— • অস্বাভাবিক রক্তপাত
• পায়খানার অভ্যাসে পরিবর্তন
• অকারণে ওজন কমে যাওয়া
• দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা
• অস্বাভাবিক বা দীর্ঘদিনের ব্যথা
• রুচি কমে যাওয়া
তাহলে বিষয়গুলোকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কারণ অনেক রোগের ক্ষেত্রেই সময়মতো শনাক্তকরণ চিকিৎসার সুযোগ অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।
আল্লাহ আমার মামাকে মাফ করে দিন, তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। 🤲
আর পৃথিবীর সকল অসুস্থ মানুষকে পূর্ণ শিফা দান করুন।
সচেতন হোন, শরীরের ছোট পরিবর্তনকেও অবহেলা করবেন না। ❤️

লস পাসপোর্টে  ভিসা সাকসেসফুল হয়েছে। পর্তুগাল ভিএফএস- ফেইস করার জন্য ডাবল এন্ট্রি ভিসা।
17/08/2026

লস পাসপোর্টে ভিসা সাকসেসফুল হয়েছে।
পর্তুগাল ভিএফএস- ফেইস করার জন্য ডাবল এন্ট্রি ভিসা।

For best IVF treatment in chennai,  connect us.  Doctor Geeta Hari priya is an expert ivf Specialist with high success r...
16/08/2026

For best IVF treatment in chennai, connect us.
Doctor Geeta Hari priya is an expert ivf Specialist with high success rate of ivf.
Connect us -
01677-646240
Medi Kindred

🔴 দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব ক্ষতি হয়:: দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন? বিজ্ঞান কী বলে?🩺 চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবে...
15/08/2026

🔴 দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব ক্ষতি হয়:: দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন? বিজ্ঞান কী বলে?
🩺 চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সব মারাত্মক ক্ষতি হয় :
(১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোন চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।
(২) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।

(৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃষ্টি হয়।

(৪) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে।
(৫) যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই।

(৬) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌন শক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম ও তেনা তেনা হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষন পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায়।

(৭) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে।
(৮) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।

স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত।

অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন।

“ওমর (রা:) বলেন- নবী(স:) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি”। (তিরমীযি হাদীস/১২)

এই লেখাটা স্কিপ করার আগে ৩০ সেকেন্ড সময় দেন।আপনার ঘরে যদি ৩০ থেকে ৫০ বছরের কোনো মা, বোন, বউ বা ভাবী থাকে - কাল সকালে হয়ত...
09/08/2026

এই লেখাটা স্কিপ করার আগে ৩০ সেকেন্ড সময় দেন।
আপনার ঘরে যদি ৩০ থেকে ৫০ বছরের কোনো মা, বোন, বউ বা ভাবী থাকে - কাল সকালে হয়তো এই লেখাটাই তার জীবন বাঁচায় দিবে।

বিশ্বাস করেন ভাই, জরায়ু মুখের ক্যান্সার এমন এক ডাকাত, যে ১০ বছর আপনার ঘরে বসে থাকে, একটা শব্দ করে না। যেদিন শব্দ করে, সেদিন অনেক দেরি হয়ে যায়।

আজ ২ টা মানুষের গল্প বলি, একটু মন দিয়ে শুনেন।

গল্প - ১ : রহিমা আপা

গাজীপুরের রহিমা আপা। বয়স ৩৮। দুই বাচ্চার মা। সারাদিন সংসার, রান্না, বাচ্চাদের স্কুল। নিজের দিকে তাকানোর সময় কই?
গত ৬ মাস ধরে একটা সমস্যা। মাসিক শেষ হওয়ার পরও মাঝে মাঝে একটু একটু রক্ত যায়। উনি ভাবছে, "গরমে হইতেছে মনে হয়, বা বয়স হইতেছে।"
লজ্জায় কাউকে বলে না। ফার্মেসি থেকে একটা আয়রন ট্যাবলেট এনে খায়।

গল্প - ২ : স্কুলের সাথী ম্যাডাম

আমার পরিচিত এক স্কুল টিচার, সাথী ম্যাডাম। বয়স ৪৪। খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, শিক্ষিত মানুষ।
উনার সমস্যা অন্যরকম। স্বামীর সাথে থাকার পর পরই হালকা রক্ত আসে। আর সাদা স্রাব, সাথে খুব বাজে গন্ধ। উনি ভাবতেন, "ইনফেকশন হইছে বোধহয়।"
লজ্জায় ডাক্তারের কাছে যায় না। ইউটিউব দেখে ঘরোয়া ভাবে গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে।

দুইজনই ভাবছে - এটা সাধারণ সমস্যা। ঠিক হয়ে যাবে।

কিন্তু ভিতরে ভিতরে কী হচ্ছিলো জানেন?

দুইটা মানুষ, দুইটা বয়স, দুইটা জীবন... কিন্তু ভিলেন একজনই।
তার নাম - জরায়ু মুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer)

অনেকেই নাম শুনে ভয় পায়। সহজ করে বুঝাই।

আমাদের মা-বোনদের বাচ্চা যেখানে থাকে, তার মুখটাকে বলে জরায়ুর মুখ বা Cervix। এই মুখটাতে একটা ভাইরাস ঘর বাঁধে। নাম HPV। এই ভাইরাসটা ছড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মেলামেশা থেকে। খুবই কমন ভাইরাস।

ভয়ংকর ব্যাপার হলো, এই ভাইরাস শরীরে ঢোকার ১০-১৫ বছর পর্যন্ত কোনো লক্ষণই দেখায় না। চুপচাপ ভিতরে ঘা বানাতে থাকে। সেই ঘা থেকেই একসময় ক্যান্সার হয়। এই জন্যই আমাদের দেশে বেশিরভাগ মা-বোনেরা যখন ডাক্তারের কাছে আসে, তখন স্টেজ ৩ বা ৪।

তাহলে এই ক্যান্সারটা কেন হয়? মন দিয়ে শুনেন, ৫ টা কারণ -

১. HPV ভাইরাস: এটাই মেইন ভিলেন। ৯৯% জরায়ু মুখের ক্যান্সার এই ভাইরাস থেকেই হয়।

২. অল্প বয়সে বিয়ে বা মা হওয়া: আমাদের দেশে ১৮ বছরের আগে বিয়ে এখনো হয়। তখন জরায়ুর মুখটা নরম থাকে, ভাইরাস সহজে আক্রমণ করতে পারে।

৩. বহু বছর ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়া: যারা ৫ বছরের বেশি একটানা পিল খান, তাদের রিস্ক একটু বেশি থাকে।

৪. সিগারেট বা ধোঁয়া: আপনি না খেলেও, ঘরে যদি স্বামী সিগারেট খায়, তার ধোঁয়াও এই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. ১০ বছরেও একবার চেকআপ না করা: এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল। আমরা দাঁত ব্যথা হলে ডাক্তারের কাছে দৌড়াই, কিন্তু ওই জায়গাটা নিয়ে লজ্জায় ১০ বছরেও একবার চেক করি না।

এবার আসেন, কোন লক্ষণগুলোকে আমরা ভুলেও অবহেলা করবো না?

মাসিক ছাড়াও মাঝে মাঝে রক্ত যাওয়া
স্বামীর সাথে মেলামেশার পর রক্ত আসা
অনেক দিন ধরে দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব বা পানি যাওয়া
তলপেটে সবসময় চাপ চাপ ব্যথা বা কোমরে ব্যথা
মাসিক একদম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও হঠাৎ রক্ত যাওয়া (এটা সবচেয়ে বিপজ্জনক)

এইগুলোর একটাও যদি আপনার বা আপনার বোনের থাকে, প্লিজ লজ্জা পাইয়েন না। এটা লজ্জার না, এটা জীবনের ব্যাপার।

ভয় পাইয়েন না ভাই... সুখবর হচ্ছে...

জরায়ু মুখের ক্যান্সার একমাত্র ক্যান্সার, যাকে হওয়ার ১০ বছর আগেই আটকানো যায়। মাত্র ৩০০ টাকার একটা পরীক্ষায়।

পরীক্ষাটার নাম VIA Test। সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে এটা মাত্র ১০০-৩০০ টাকায় বা ফ্রীতেও হয়। ৫ মিনিট লাগে। কোনো ব্যথা নাই। ভিনেগার বা সিরকা জাতীয় একটা জিনিস দিয়ে জরায়ুর মুখটা দেখা হয়। সাথে সাথে রেজাল্ট।

WHO বলছে, ৩০ থেকে ৪৯ বছর বয়সী প্রত্যেক নারীর ৩-৫ বছর পর পর এই টেস্টটা করা উচিত।

তাহলে এখন কী করবেন? ৩ টা কাজ করেন, আজকেই -

১. VIA টেস্টটা করান: আপনার মা, বোন, স্ত্রীর বয়স যদি ৩০ এর বেশি হয়, আজকেই উপজেলা হাসপাতালে খোঁজ নেন। এই একটা টেস্টে ১০ বছর আগেই বোঝা যায় ভিতরে ঘা হচ্ছে কিনা। ঘা থাকলে ডাক্তাররা সাথে সাথেই সামান্য চিকিৎসায় সারিয়ে দেন, ক্যান্সার হওয়ার আগেই।

২. HPV ভ্যাকসিন: আপনার ঘরে যদি ৯ থেকে ২৬ বছরের মেয়ে থাকে, তাকে HPV ভ্যাকসিন দেন। এটা জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে ৯০% কাজ করে। এটা CDC এবং WHO দ্বারা অনুমোদিত।

৩. লজ্জা ভাঙেন, কথা বলেন: এই লেখাটা আপনার বউকে, বোনকে দেখান। আমাদের মা-বোনেরা নিজের অসুখের কথা লজ্জায় বলে না। আপনি একটু সাহস দিলে, একটু পাশে নিয়ে হাসপাতালে গেলে, একটা জীবন বেঁচে যেতে পারে।

ভাই, বিশ্বাস করেন, আমি অনেক রোগী দেখেছি যারা শেষ সময়ে এসে বলে, "ভাই, যদি ২ বছর আগে একবার টেস্টটা করতাম..."

আমরা টাকা হলে মোবাইল কিনি, শাড়ি কিনি, কিন্তু ৩০০ টাকার একটা টেস্ট করি না।

এই লেখাটা শেয়ার করলে আপনার টাকা কমবে না। কিন্তু আপনার একটা শেয়ারে যদি একটা মা বেঁচে যায়, এর চেয়ে বড় সওয়াব আর কী হতে পারে?

কমেন্টে জানান, আপনার পরিবারের কেউ কি কখনো VIA টেস্ট করিয়েছে?

শেষে একটা কথা -

বুকে হাত দিয়ে বলেন তো... শেষ কবে আপনি আপনার মা বা বউকে নিয়ে শুধু চেকআপের জন্য ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন, কোনো অসুখ ছাড়াই?


লেখা : EM health Tips

কয়েক দশক ধরে অত্যন্ত সাধারণ জীবন কাটিয়েছেন চীনের সাংহাইয়ের দু ইংরং ও লু সুইং দম্পতি। মাত্র ১৭ থেকে ১৮ ইউয়ানের একটি খাবার...
08/08/2026

কয়েক দশক ধরে অত্যন্ত সাধারণ জীবন কাটিয়েছেন চীনের সাংহাইয়ের দু ইংরং ও লু সুইং দম্পতি।

মাত্র ১৭ থেকে ১৮ ইউয়ানের একটি খাবার দুজনে ভাগ করে খেতেন। দু ছিলেন শিক্ষক, আর তার স্ত্রী লু ছিলেন চিকিৎসক। একই কলেজে কর্মরত অবস্থায় তাদের পরিচয় ও বিয়ে। তাদের কোনো সন্তান ছিল না।

সহকর্মীদের চোখে তারা অভাবী ছিলেন না। তবে নিজেদের জন্য অর্থ ব্যয় করতেন খুবই কম। দৈনন্দিন খরচের প্রতিটি হিসাবও খাতায় লিখে রাখতেন।

২০১৮ সালের শুরুর দিকে সাংহাইয়ের একটি হৃদরোগ হাসপাতালের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দু একটি পোস্টার দেখতে পান। সেখানে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত এমন শিশুদের চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়েছিল, যাদের পরিবার অস্ত্রোপচারের খরচ বহন করতে পারছিল না।

বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন দু। এরপর তারা প্রথমে ৫ লাখ ইউয়ান দান করেন। সেই অর্থে ১০ শিশুর অস্ত্রোপচার হয়। নিজেদের অনুদানে শিশুদের জীবন বদলে যেতে দেখে পরে আরও ৪৫ লাখ ইউয়ান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা।

সব মিলিয়ে দম্পতি দান করেন ৫০ লাখ ইউয়ান, যা দিয়ে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত ৪৫৫ শিশুর চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারে সহায়তা করা হয়। অথচ নিজেদের এই বিরাট দানের কথা তারা প্রায় কাউকেই জানাননি।

দু ২০১৮ সালে ৮১ বছর বয়সে মারা যান। লু ২০২৫ সালে ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ২০২৬ সালে সাংহাইয়ে তাদের স্মরণে আয়োজিত একটি দাতব্য প্রদর্শনীতে প্রথমবারের মতো এই মানবিকতার গল্প সামনে আসে।

তাদের নিজেদের কোনো সন্তান ছিল না। কিন্তু তাদের সঞ্চয়ে আজ ৪৫৫ শিশুর হৃদপিণ্ড সচল। যে দুজন এই জীবনগুলো বাঁচিয়েছিলেন, তারা নিজেরা শেষ দিন পর্যন্ত ভাগ করে খেয়েছেন স্বল্পমূল্যের সাধারণ খাবার!

বাচ্চা না হওয়ার জন্য জরায়ুতে পরানো হয়েছিল ‘কপার-টি’...কিন্তু মহান আল্লাহর ইচ্ছার সামনে মানুষের কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসেন...
07/08/2026

বাচ্চা না হওয়ার জন্য জরায়ুতে পরানো হয়েছিল ‘কপার-টি’...
কিন্তু মহান আল্লাহর ইচ্ছার সামনে মানুষের কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসেনা। কিছুদিন পর যখন সেই মা সন্তান জন্ম দিলেন, তখন দেখা গেল এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য! পৃথিবীর আলো দেখা শিশুটির হাতেই ধরা সেই ‘কপার-টি’, যা থাকার কথা ছিল মায়ের জরায়ুর ভেতরে।

বিজ্ঞানের ভাষায় এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা। কিন্তু একজন মুমিনের চোখে এটি সৃষ্টিকর্তার কুদরতের এক বিস্ময়কর নিদর্শন। কারণ জীবন দান করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন: "তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন, যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তিনি তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।" (সূরা আশ-শূরা: ৪৯-৫০)

মানুষ চেষ্টা করে, পরিকল্পনা করে, ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কিন্তু সৃষ্টির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থাকে মহান আল্লাহর হাতে।

এই ছোট্ট শিশুটি যেন মনে করিয়ে দিল, আল্লাহ যখন কোনো জীবনকে পৃথিবীতে আনতে চান, তখন কোনো বাধাই তাঁর ইচ্ছাকে থামাতে পারে না। মহান আল্লাহ আরও বলেন: "তিনি যখন কোনো কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন শুধু বলেন, ‘হও’, আর তা হয়ে যায়।"(সূরা ইয়াসিন: ৮২)

সন্তান আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামতগুলোর একটি। প্রতিটি শিশুর আগমনই তাঁর রহমত ও কুদরতের এক অনন্য প্রকাশ।
Courtesy
ছবি: ডা: শাহরিয়ার কবির নাইম

এভারেস্টে তিনি শিখর জয় করেননি—জয় করেছিলেন একটি জীবনসমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮,৩০০ মিটার ওপরে। পৃথিবীর অন্যতম নিষ্ঠুর স্থান—"ডে...
07/08/2026

এভারেস্টে তিনি শিখর জয় করেননি—জয় করেছিলেন একটি জীবন

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮,৩০০ মিটার ওপরে। পৃথিবীর অন্যতম নিষ্ঠুর স্থান—"ডেথ জোন"। এখানে প্রতিটি শ্বাস ধার করা, প্রতিটি পদক্ষেপ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই। মানুষ এখানে শিখর জয়ের স্বপ্ন নিয়ে আসে, কিন্তু অনেকেই ফিরে যেতে পারে না।

ঠিক এমনই এক মুহূর্তে ৩০ বছর বয়সী নেপালি শেরপা গেলজে শেরপা এমন একটি সিদ্ধান্ত নিলেন, যা তাঁকে শুধু একজন দক্ষ পর্বতগাইড নয়, মানবতার এক উজ্জ্বল প্রতীক করে তুলেছে।

২০২৩ সালের ১৮ মে তিনি তাঁর ক্লায়েন্টকে নিয়ে এভারেস্টের চূড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। আর মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে ছিল বহু বছরের স্বপ্নের সেই শিখর।

হঠাৎ তাঁর চোখে পড়ল একটি দৃশ্য।

একজন পর্বতারোহী স্থির দড়ি আঁকড়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তিনি ছিলেন মালয়েশিয়ার রাভিচন্দ্রন থারুমালিঙ্গাম। অতিরিক্ত অক্সিজেন শেষ হয়ে গেছে, শরীর তুষারদংশনে ক্ষতবিক্ষত, চেতনা প্রায় নিভে এসেছে। চারপাশে কেউ নেই—না কোনো সঙ্গী, না কোনো গাইড, না কোনো সাহায্য।

সেই মুহূর্তে গেলজের সামনে ছিল দুটি পথ।

একটি পথ নিয়ে যেত পৃথিবীর সর্বোচ্চ শিখরে।

অন্যটি নিয়ে যেত মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে থাকা এক অচেনা মানুষের কাছে।

তিনি শিখর নয়, মানুষকে বেছে নিলেন।

নিজের ক্লায়েন্টকে ফিরে যেতে রাজি করালেন। কারণ তাঁর কাছে একটি প্রাণের মূল্য ছিল যেকোনো শিখরের চেয়েও বেশি।

এরপর শুরু হয় এক অবিশ্বাস্য সংগ্রাম।

প্রায় ৮০ কেজি ওজনের অচেতন মানুষটিকে নিজের পিঠে তুলে নিলেন তিনি। অক্সিজেনের ঘাটতি, হিমশীতল বাতাস, প্রচণ্ড ক্লান্তি আর মৃত্যুফাঁদের মতো বরফঢাকা পথ—সবকিছুকে উপেক্ষা করে টানা ছয় ঘণ্টা ধরে কখনও কাঁধে, কখনও টেনে, কখনও ধীরে ধীরে নামিয়ে আনলেন তাঁকে।

পরে আরেক শেরপা নিমা তাশি শেরপা উদ্ধারকাজে যোগ দেন। দুজনে মিলে আহত আরোহীকে ক্যাম্প–৩ পর্যন্ত পৌঁছে দেন। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য—রাভিচন্দ্রন বেঁচে যান।

কিন্তু গল্পটি এখানেই শেষ হয়নি।

সুস্থ হয়ে ওঠার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বেঁচে ফেরার গল্প লিখলেন। ধন্যবাদ জানালেন বিমা প্রতিষ্ঠানকে, চিকিৎসকদের, বিভিন্ন সংস্থাকে।

কিন্তু যিনি নিজের শিখর জয়ের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তাঁকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছিলেন—গেলজে শেরপার নামটি সেখানে ছিল না।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পর্বতারোহী, শেরপা এবং সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তোলেন—একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রাখা মানুষটির নাম কীভাবে বাদ পড়ে?

পরবর্তীতে তিনি তাঁর পোস্ট সংশোধন করে গেলজে শেরপার নাম যোগ করেন। কিন্তু অনেকের মতে, সেটি ছিল খুব দেরিতে দেওয়া স্বীকৃতি।

প্রতি বছর এভারেস্ট জয়ের গল্প লেখা হয়।

কিন্তু খুব কম মানুষই লেখেন সেই শেরপাদের কথা, যারা নীরবে অন্যের স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে নিজের জীবনকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে ফেলেন।

গেলজে শেরপা আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন—

বীরত্ব সবসময় শিখরে পৌঁছানোর মধ্যে নয়; কখনও কখনও বীরত্ব লুকিয়ে থাকে শিখর ছেড়ে একজন মানুষকে বাঁচিয়ে ফিরিয়ে আনার মধ্যে।

তাঁর সেই বিখ্যাত কথাটি আজও মানবতার এক অনন্য শিক্ষা হয়ে আছে—

«"একটি প্রাণ বাঁচানো, মঠে গিয়ে প্রার্থনা করার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।"»

এভারেস্টের সর্বোচ্চ চূড়ায় অনেকেই ওঠেন।

কিন্তু মানবতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারেন খুব অল্প কয়েকজন।

সেই অল্প কয়েকজনের একজন—গেলজে শেরপা।

- হিমালি পত্রিকা থেকে জিপিটি দ্বারা অনুবাদিত।

ট্রেনে এক আঙ্কেলের হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের মতো সিচুয়েশন। জাস্ট উইথইন সেকেন্ডস, পাশের অপরিচিত যাত্রী ভাই সোজাসুজি এসে বুকে ...
06/08/2026

ট্রেনে এক আঙ্কেলের হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের মতো সিচুয়েশন। জাস্ট উইথইন সেকেন্ডস, পাশের অপরিচিত যাত্রী ভাই সোজাসুজি এসে বুকে চাপ দেওয়া শুরু করলো।
সবাই মিলে ডাক্তার খোঁজা শুরু করলো। ট্রেনের অফিশিয়ালরা মাইকে অ্যানাউন্সমেন্ট দিলো।
​অ্যান্ড গেস ওয়াট? খবর পেয়েই অন্য বগি থেকে ডাক্তার দৌড়ে আসলেন এবং আঙ্কেলকে স্টেবল করলেন! 🖤

ব্রো, উই আর জাস্ট ডিফারেন্ট! বাংলাদেশের মানুষের মনটা আসলেই অন্য লেভেলের!
​কিছুদিন আগেই একটা পোস্টে দেখছিলাম, বিদেশে নাকি ইমার্জেন্সিতেও ঘন্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা লাগে। আর আজকে ট্রেনে যা দেখলাম, হ্যাটস অফ!

এসব দৃশ্য দেখলে ট্রুলি প্রাউড লাগে। সিস্টেম আমাদের যেমনই হোক, এ দেশের মানুষের ভেতরের ওয়ার্মথ আর কেয়ারিং ইমোশন গড গিফটেড!
​রিয়াল হিরোদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা❤️

ভদ্রমহিলার বয়স ৪০ বছর।তিন মাস হলো মাসিক বন্ধ ছিলো,ফার্মেসী তে গিয়ে বলাতে বড় ডাক্তার MM Kit ধরিয়ে দিয়েছেন হাতে, রোগী এসে ...
05/08/2026

ভদ্রমহিলার বয়স ৪০ বছর।তিন মাস হলো মাসিক বন্ধ ছিলো,ফার্মেসী তে গিয়ে বলাতে বড় ডাক্তার MM Kit ধরিয়ে দিয়েছেন হাতে, রোগী এসে স্বাচ্ছন্দ্যে জিহ্বার নিচে দিয়ে সুখের ঘুম ঘুমিয়েছেন 😡কোন প্রকার কিট টেস্ট, আল্ট্রা ছাড়াই বড় ডাক্তার তার বিদ্যার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।
রোগীর ভাস্যমতে দলা দলা রক্ত যেহেতু গেছে তার মানে সব ক্লিয়ার 🫣
কিন্তু আমাদের চিন্তার যেখানে শেষ আল্লাহ পাক এর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু হয়।
রক্ত যাওয়া বন্ধ হলে রোগী কি মনে করে কিট টেস্ট করেছেন সাথে সাথে ২দাগ 🤣আবার গিয়েছেন ফার্মেসী ম্যান ডাক্তারের কাছে। তিনি বলেছেন প্রথম প্রথম পজিটিভ ই দেখায়।কিছুদিন পর নেগেটিভ আসবে(How Funny🤨)
ইদানীং রোগীর পেটের মধ্যে বিরবির করে তাই আমার শরণাপন্ন হয়েছেন স্বামী ও বউ 🤧
অবশেষে আল্ট্রা করে ধরা পড়লো উনি ৪মাসের প্রেগন্যান্ট।
বাচ্চা নষ্ট হয় নাই, হার্টবিট ঠিক আছে।
রোগীর তো মাথায় হাত (ইতা কিতা হইলো)😄
যাই হোক রোগীর স্বামী কে ডেকে বুঝাইলাম যা হবার তা হয়ে গেছে।এখন প্রেসক্রিপশন করে দেই প্রেগন্যান্সি সেফ রাখার।
আর ১মাস পর একটা এনোম্যালি স্ক্যান করে নিয়েন বাচ্চার কোন প্রতিবন্ধকতা আছে কি না জানার জন্য।
যেহেতু সকল ঔষধের কম-বেশি সাইড ইফেক্ট আছে।তার ওপর এমএমকিট।
নাহ আমি তাহাদের বুঝাইতে ব্যর্থ 🫣🤣
কথা একটাই,,ম্যাডাম আর কি কোনই রাস্তা নাই বাচ্চা ন*ষ্ট করার??
বললাম নাহ আর কোনই রাস্তা নাই( এবার উল্টা পাল্টা কিছু করলে ক*ব*রে যাওয়া ছাড়া উপায় নাই)😪
ব্যস শুরু হয়ে গেলো রোগী+স্বামীর মারামারি থুক্কু ঝগড়াঝাটি।
বউ স্বামীকে দোষ দিচ্ছে স্বামী বউ কে দোষ দিচ্ছে।এদিকে আমি ভয়ে আছি কখন না জানি, আবার দোষ টা আমার ঘাড়ে এসে পড়ে। যে আমি কেন আল্ট্রা করে বললাম পেটে বাচ্চা 🤣
আবার আমার এতে কোন হাত নেই তো🤧
অতঃপর টানা ২০ মিনিট ঝগড়াঝাটির পর সিদ্ধান্ত দাড়াঁলো এই যে আমি কোন ঔষধ খাবোনা।কোন স্ক্যান ম্যান করবো না।
আমরা আবার অন্য কোথাও পরীক্ষা করবো 😢বলেই রোগী হনহন করে বেড়িয়ে গেলো।
বাচ্চাটার জন্য খারাপ লাগছে কতোটা কপাল খারাপ হলে এমন একটা মায়ের পেটে জন্ম। কিন্তু ওর কি দোষ ও তো নিষ্পাপ 😥
আমরা কবে মানুষ হবো??
Courtesy of post -
Wriiten by - nusrat jahan

Address

52 B, Malibagh Chowdhury Para
Dhaka

Telephone

+8801677646240

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medi Kindred posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Medi Kindred:

Shortcuts

Share