Bike Rider

Bike Rider its for personal page

উন্নয়নের আসল রহস্য বের হলো...বাবার জমি বেচা টাকার উন্নয়ন এটা না...?১।মেট্রোরেল জাপানের থেকে ঋণ নিয়ে করা হয়েছে।২।পদ্মাসেত...
26/09/2024

উন্নয়নের আসল রহস্য বের হলো...

বাবার জমি বেচা টাকার উন্নয়ন এটা না...?
১।মেট্রোরেল জাপানের থেকে ঋণ নিয়ে করা হয়েছে।
২।পদ্মাসেতু চীনের থেকে ঋণ নিয়ে করা হয়েছে
৩।মডেল মসজিদ সৌদির ৮ হাজার কোটি টাকার অনুদানে করা৷কিন্তু সেটা নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছে।
৪।কর্নফুলি টার্নেল চীনের থেকে করা।
আর এই সব ঋণের বোঝা দেশের সাধারণ জনগণের মাথায় আছে। কারোর বাপে শোধ করবে না।

১) উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ দেয়া আদানি গ্রুপ পাবে ৮০ কোটি ডলার, এজন্য প্রত্যাশিত বিদ্যুৎ দিচ্ছে না!
প্রতি ইউনিট ০৭ টাকার বিদ্যুৎ কেন ১৪ টাকায় কেনা হলো,,,?
২) তেল দেয়া কোম্পানিগুলো পাবে ৫০ কোটি ডলার! তারাও তেল দেয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে!
৩) দেশের গ্যাস অনুসন্ধান না করে উচ্চমূল্যে এলএনজি আমদানি করে সামিটের মাধ্যমে ডলার লুট করেছে বলে ডলার সংকট! গ্যাসের অভাবে বন্ধ আছে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র!
৪) সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পিডিবির কাছে কেউ পাবে ৪ হাজার কোটি/কেউ ৩৫০০ কোটি টাকা! অথচ গ্রাহক নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল দিয়েছে!

২০২৪ এ এসে যারা জীবনে প্রথমবার এতো লোডশেডিং দেখে দেখে আফসোস আর কষ্টে মারা যাচ্ছেন প্রায়, তারা এবার বলেন দেখি আপনারা কারা কারা ১০ বছর ধরে বিদ্যুৎ বিল দেন নাই?
যদি দিয়ে থাকেন, ওই টাকা খাইলো কোন দেশপ্রেমিক ?

প্রশ্ন আপনাদের জনগণের কাছে,,

04/09/2024

রাতের ৩০০ ফিট

"কলেজ পালিয়ে যে বই পড়া হচ্ছে, বাসায় জানে?" শুনে চমকে উঠলাম। হাতে তখন আবু ইসহাকের পদ্মার পলিদ্বীপ। এক রাশ আতঙ্ক নিয়ে ...
12/08/2024

"কলেজ পালিয়ে যে বই পড়া হচ্ছে, বাসায় জানে?"
শুনে চমকে উঠলাম। হাতে তখন আবু ইসহাকের পদ্মার পলিদ্বীপ। এক রাশ আতঙ্ক নিয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখি, হাফিজুর ভাই।
আমার মুখে হাসি চলে আসে। হাফিজুর ভাই আর যাই হোক, বই পড়ার জন্য বাসায় বিচার দেবে না, আমি জানি।
লাইব্রেরিতে জোরে কথা বলা যায় না। ফিসফিস করে বললাম, চলো বাইরে যাই। পড়তে বিরক্ত লাগতেসে।
রাজশাহী সেন্ট্রাল লাইব্রেরি নিউ ডিগ্রী কলেজের পাশেই। বহু পোলাপাইন এখানে বসে ফোন টিপতে আসে, প্রেম করতে আসে। আমি সত্যিকার অর্থেই বই পড়তে আসতাম।
বই পাইলে আমার মাথা কোনকালেই ঠিক থাকতো না।
তবে হাফিজুর ভাই ছিলো বইয়ের চেয়েও ইন্টারেস্টিং। এলাকার বড় ভাই। কলেজের বড় ভাই। তবে রাজনীতি করতেন আমার উল্টোটা। আমি তখন অনিমেষ পড়ে বাংলাদেশে বাম বিপ্লবের স্বপ্ন দেখি। আর হাফিজুর ভাই শিবির করে দেশে ইরানি স্টাইলে ইসলামি বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেন।
কঠিন তর্ক করতাম সেই সময়। বেশিরভাগ সময়ই হাফিজুর ভাই আমার সাথে তর্কে হেরে যেতেন। তখন তো বুঝি নাই, এখন বুঝি উনি ইচ্ছা করে হারতেন আমাকে খুশি করার জন্য।
একবার কোন এক কারণে ইস্কুল থেকে বাসায় আসবো। রিকশা নাই। হাফিজুর ভাই দেখে বললেন, আমার সাইকেলে উঠো। দিয়ে আসি। আজকে ধর্মঘট।রিকশা পাবা না।
ছোটবেলা থেকেই আমি নাদুস নুদুস। সেই আমাকে নিয়ে গ্রীষ্মের দুপুরে ভাই হাপাতে শুরু করলেন। থামলেন দুইবার। আমার খটকা লাগলো। ভাইয়ের শক্তি এতো কম কেন?
বাসায় এসে দেখি আব্বুও আমাকে নিতে গেছে। আমি চলে এসেছি। আম্মু বললো, কীভাবে এলি? আমি বললাম হাফিজুর ভাই এর সাইকেলে।
আম্মু আতকে উঠলো। ওর সাইকেলে তুই উঠেছিস কেন? জানিস না ওর ক্যানসার?
আমি কিছু বলি না। এতো হাসিখুশি মানুষেরও ক্যান্সার থাকে? কই কোনদিন বলেনাই তো?
হাফিজুর ভাই মূলত ছিলেন লিউকোমিয়ার রোগী। তিনমাস পর পর রক্ত চেঞ্জ করতে হতো। অথচ এই লোকটা কত বড় অভিনেতা চিন্তা করেন, আমাদের কাউকে কখনও জানতে দেয় নাই।
এরপর ঐ লাইব্রেরির কাহিনী।
লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে মালোপাড়ার দিকে একটা একটা ঘর দেখালেন। বললেন, কোচিং দিচ্ছি। তুমি তো সায়েন্স এ থাকবা, আর্টসে গেলে পড়তে পারতা।
ভাই তখন পড়েন রাজশাহী ইউনিভার্সিটির পাবলিক এডমিনস্ট্রেশনে।
আমি ভাবলাম, যাক। আড্ডার আর ঝগড়ার আরেকটা জায়গা আমাদের হলো।
আমি যখনই বাম বিপ্লব নিয়ে কোন বই পড়তাম, ভাইকে বিপরীতে কল্পনা করতাম। কল্পনায় তাকে হারিয়ে দিয়ে বিরাট মজা পেতাম।
এমনই একদিন হুট করে আব্বু এসে বললো শালবাগানে রাবির এক টিচার খুন হয়েছে।
সারাদেশে হইচই পড়ে গেল। আমরা আগ্রহ নিয়ে ওয়েট করতে শুরু করলাম। আব্বু বাজার না করেই চলে এসেছে। পরদিন আম্মু বললো ডিম নিয়ে আয় দোকান থেকে।
আমি ডিম আনতে গেছি। দোকানে অনেক ভীড়। সম্ভবত বাংলা ভিশনে বলা হলো, রাবির টিচার হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমান নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আমি বাসায় আসলাম দৌড়াতে দৌড়াতে। আম্মুকে বললাম, হাফিজুর ভাইকে পুলিশ ধরেছে। আম্মু বললো ধুর, এইটা এই হাফিজুর না। অন্য হাফিজুর। যে ছেলে বড় গলায় একটা কথা বলতে পারে না, তারে পুলিশ কেন ধরবে?
অথচ আম্মুর জানা ছিলো না, একটা মাছি না মারতে পারা মানুষকে সাধারণ পুলিশ ধরতে না পারলেও হাসিনার পুলিশ ধরতে পারে।
হাফিজুর ভাইয়ের বাবার ভাষ্য ছিলো, ফজরের নামাজ পড়ে ভাই ঘুমাইছিলো। বাসা থেকেই ডিবি তারে তুলে নিয়ে যায়। ইভেন প্যান্ট পরার সুযোগ তারে দেওয়া হয়নি। টি শার্ট আর লুঙ্গি পরা অবস্থাতেই তাকে তুলে নেওয়া হয়।
সবচে বড় কথা, একজন ক্যান্সারের রোগীকে ওষুধ নেওয়ার সুযোগও পুলিশ তাকে দেয়নাই।
তাকে ৫ দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছিলো যতদূর মনে পড়ে।
দুইদিনের মাথায় অনেক চেষ্টা চরিত করে ভাইয়ের বড় ভাই ওষুধ নিয়ে সেলে যাইতে পারছিলেন।
বাট তার আর দরকার হয় নাই।
কারণ এর কিছুক্ষণ পরেই হাফিজুর ভাই পুলিশ হেফাজতে মারা যান। বড় ভাইয়ের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, তাকে ওষুধ দূরের কথা, পানিও খাইতে দেওয়া হয় নাই।
হাফিজুর ভাইয়ের লাশ আসার পর অদ্ভুতভাবে বৃষ্টি নামলো। এলাকার সমস্ত মানুষ হাউমাউ করে কানতে লাগলো। আমার দাদির মৃত্যুর পরেও আব্বুরে আমি কানতে দেখিনি। অথচ সেইদিন আব্বুও পারলো না, বললো, এই ছেলেটারেও এমনে মেরে ফেললো?
হাফিজুর ভাইয়ের বড় ভাই বললেন, ছোটবেলা থেকেই আমাকে খুব জ্বালাইসে। তিন মাস পর পর রক্ত দিতে হতো, কত ঝামেলা। আমার আর কোন ঝামেলা থাকলো না। বলে শিশুর মতো কানতে লাগলেন।
আমি দেখলাম, লাশ নিয়ে আসা পুলিশ সদস্যরা রুমাল দিয়ে চোখ মুছতেসে।
এই মৃত্যুর পর এই পরিবারটাই তছনছ হয়ে গেল। ভাইয়ের বাবা স্ট্রোক করলেন, মা প্যারালাইজ হলেন। এতো জুলুম সহ্য করা তাদের পক্ষে আর সম্ভব হয়নি, মানুষ কতই বা আর পারে?
রেজাউল করিম হত্যা মামলা নিয়ে সবার আগ্রহ শেষ হলেও আমার হয়নি। আমি শেষদিন পর্যন্ত এই মামলার খোঁজ খবর রেখেছি।
চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। অপরাধীদের সেই লিস্টে সম্ভবত সাতজনের নাম ছিলো। না, সেখানে হাফিজুর রহমান নামে কোন নাম ছিলো না।

এর অর্থ হলো, ইভেন হাসিনার বানানো করাপ্টেড কোর্টও এই মামলার সাথে তার নূন্যতম সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করতে পারেনি।
তাহলে আমার হাফিজুর ভাইকে মরতে হলো কেন? এই প্রশ্নের উত্তর দূরের কথা, এই প্রশ্ন করার স্বাধীনতাও আমরা পাইনি কোনদিন।
৫ আগস্ট দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অনেকেরই অনেকের কথাই মনে পড়েছে। আমার মনে পড়েছে হাফিজুর ভাইয়ের কথা।
কলেজ পালিয়ে যে বই পড়া হচ্ছে, বাসায় জানে?
আমি খুব শক্ত ছেলে। অথচ যতবার এই কথাটা মনে পড়ে, আমি আর চোখ খোলা রাখতে পারি না।
হাফিজুর ভাই হিরো নন। ছিলেন না কোনদিন। তিনি অনিমেষ ছিলেন না, ক্ষুদিরাম ছিলেন না, ছিলেন একজন ক্যান্সারের রোগী। সাধারণ রাজনীতি করা পাবলিক ইউনিভার্সিটির একজন সাধারণ ছাত্র।
সেই মানুষটাকেও শেখ হাসিনা খুন করিয়েছিলেন। তাকে ওষুধ তো দূরের কথা, পানিও খাইতে দেওয়া হয়নি।
আজকাল বিকেলে বৃষ্টি হলেই হাফিজুর ভাই এর কথা মনে পড়ে খুব। মনে পড়ে, ক্যান্সার আক্রান্ত একটা হাসিখুশি মানুষ নিজের অসুস্থতা ভুলে একটা রুম নিয়েছিলো কোচিং সেন্টার চালাবে বলে।
কিন্তু সেই কোচিংটা তিনি আর কখনও খুলতে পারেননি।
ভয়ঙ্কর খুনি ড্রাকুলা হাসিনার কাছে থেকে রক্তশূন্য একজন লিউকোমিয়ার রোগীও ছাড়া পায়নি। //
( সাদিকুর রহমান খান)

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক ইনান কমিটির অন্যান্যদের কি নির্দেশনা দিয়েছিলো!দেখেন....
05/08/2024

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক ইনান কমিটির অন্যান্যদের কি নির্দেশনা দিয়েছিলো!
দেখেন....

নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতে ইসলামীর নাম সবার আগে সেনাপ্রধানের মুখে....ব্যাপারটা বুঝতে হবে 🙂🙂✌✌✌
05/08/2024

নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতে ইসলামীর নাম সবার আগে সেনাপ্রধানের মুখে....
ব্যাপারটা বুঝতে হবে 🙂🙂✌✌✌

04/08/2024

মানুষ পানিতে ভিজলে কাপড় বদলায়।
ঘামে ভিজলে ভাগ‍্য।
আর রক্তে ভিজলে ইতিহাস বদলায়।

"ন্যায়-অন্যায়ের কোন ৩য় পক্ষ হয়না"দুইটা পক্ষ, একটি ন্যায়ের আরেকটি অন্যায়ের। একটি জালিমের আরেকটি মজলুমের...
03/08/2024

"ন্যায়-অন্যায়ের কোন ৩য় পক্ষ হয়না"
দুইটা পক্ষ, একটি ন্যায়ের আরেকটি অন্যায়ের।
একটি জালিমের আরেকটি মজলুমের...

02/08/2024
আসিতেছে শুভদিন,দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ!হাতুড়ি শাবল গাঁইতি চালায়ে ভাঙিল যারা পাহাড়,পাহাড়-কাটা সে...
28/07/2024

আসিতেছে শুভদিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ!
হাতুড়ি শাবল গাঁইতি চালায়ে ভাঙিল যারা পাহাড়,
পাহাড়-কাটা সে পথের দু’পাশে পড়িয়া যাদের হাড়,
তোমারে সেবিতে হইল যাহারা মজুর, মুটে ও কুলি,
তোমারে বহিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগাল ধূলি;
তারাই মানুষ, তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান,
তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান!
তুমি শুয়ে র’বে তেতালার পরে আমরা রহিব নীচে,
অথচ তোমারে দেবতা বলিব, সে ভরসা আজ মিছে!
সিক্ত যাদের সারা দেহ-মন মাটির মমতা-রসে
এই ধরণীর তরণীর হাল রবে তাহাদেরি বশে!
তারি পদরজ অঞ্জলি করি’ মাথায় লইব তুলি’,
সকলের সাথে পথে চলি’ যার পায়ে লাগিয়াছে ধূলি!
আজ নিখিলের বেদনা -আর্ত পীড়িতের মাখি’ খুন,
লালে লাল হ’য়ে উদিছে নবীন প্রভাতের নবারুণ!
আজ হৃদয়ের জমা-ধরা যত কবাট ভাঙিয়া দাও,
রং-করা ঐ চামড়ার যত আবরণ খুলে নাও!
আকাশের আজ যত বায়ু আছে হইয়া জমাট নীল,
মাতামাতি ক’রে ঢুকুক্‌ এ বুকে, খুলে দাও যত খিল!
সকল আকাশ ভাঙিয়া পড়-ক আমাদের এই ঘরে,
মোদের মাথায় চন্দ্র সূর্য তারারা পড়-ক ঝ’রে।
সকল কালের সকল দেশের সকল মানুষ আসি’
এক মোহনায় দাঁড়াইয়া শোনো এক মিলনের বাঁশী।
একজনে দিলে ব্যথা-
সমান হইয়া বাজে সে বেদনা সকলের বুকে হেথা।
একের অসম্মান
নিখিল মানব-জাতির লজ্জা-সকলের অপমান!
মহা-মানবের মহা-বেদনার আজি মহা-উত্থান,
উর্ধ্বে হাসিছে ভগবান, নীচে কাঁপিতেছে শয়তান!

(কুলি মজুর--কাজী নজরুল ইসলাম)

Death Tally...😭😭😭

হুজুর উঠেন, একটা মেসেজ ড্রপ করতে হবে।০৭-০৭ এ অনেকের দুঃখিত, ভরাক্রান্ত মনকে শান্ত করতে আপনাকে প্রয়োজন...😂😂😂
07/07/2024

হুজুর উঠেন, একটা মেসেজ ড্রপ করতে হবে।
০৭-০৭ এ অনেকের দুঃখিত, ভরাক্রান্ত মনকে শান্ত করতে আপনাকে প্রয়োজন...😂😂😂

Address

Dhaka

Telephone

+8801648483826

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bike Rider posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bike Rider:

Share